মেসার্স গ্রামীণ ফার্মেসী = M/S Grameen Pharmacy

মেসার্স  গ্রামীণ  ফার্মেসী = M/S Grameen Pharmacy we comited to serve ill comiunity & medicine supplyers

তালের শাঁস কেন খাবেন, জানুন তার গুণতালের ফল এবং বীজ দুইই বাঙালি খাদ্য। কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। পাম গো...
08/06/2024

তালের শাঁস কেন খাবেন, জানুন তার গুণ

তালের ফল এবং বীজ দুইই বাঙালি খাদ্য। কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। পাম গোত্রের অন্যতম দীর্ঘ উদ্ভিদে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, খুলনা, ফরিদপুর, রাজশাহী, গাজীপুরে তালের ব্যাপক চাষ হলেও ফলটির আদি নিবাস আফ্রিকা।
তাল উদ্ভিদ প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা থেকে গাছকে রক্ষা ও ভূমির ক্ষয় রোধ করে। বহুকাল আগে এই দেশে তার আগমন। বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন বোরাসুস ফ্লাবেলিয়ার। খুবই ধীরে বাড়ে। দীর্ঘ হয়ে ফল দিতে সময় নেয় অন্তত দশ বছর। বসন্তের শেষে ফুল ধরে ফল হয়। তালের যে বীজও খাওয়া হয় তা তালশাঁস নামে বেশি পরিচিত। প্রতিটি তালে দুই থেকে তিনটি শাঁস হয়। গ্রীষ্মের সময় কচি অবস্থায় তালের শাঁস ব্যাপক চাহিদা থাকে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত।

গরমে তালের শাঁস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই সঙ্গে বাড়বে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়। এর নরম কচি শাঁস খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে।

তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। এটি খেতে খুবই সুস্বাদু। এতে প্রচুর পরিমাণ পানিও থাকে। যা অনেকটা ডাবের পানির মতো। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ফাইবার এবং খনিজ উপাদান থাকে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানি এবং তালের শাঁসের গুণাগুণ একই রকমের। দুইটিই খোলসের ভিতরে থাকে। ডাবের পানির পুরোটাই তরল, অন্যদিকে তালের শাঁসে কিছুটা শক্ত অংশ থাকে।

মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতেও অনেক ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম তালের শাঁসে আছে জলীয় অংশ ৮৭ দশমিক ছয় গ্রাম, আমিষ শূন্য দশমিক আট গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক পাঁচ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ১০ দশমিক নয় গ্রাম, খাদ্য আঁশ এক গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন এক মিলিগ্রাম, থায়ামিন শূন্য দশমিক চার গ্রাম, রিবোফাভিন শূন্য দশমিক দুই মিলিগ্রাম, নিয়াসিন শূন্য দশমিক তিন মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি মিলিগ্রাম। এসব উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করাসহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। শারীরবৃত্তীয় কাজে অংশ নেওয়া এই তালশাঁসে যেসব পুষ্টিগুণ তা জেনে নেওয়া যাক।

গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে তালের শাঁস। প্রচণ্ড গরমে তালের কচি শাঁস এবং এর ভেতরের মিষ্টি পানি তৃষ্ণা মিটিয়ে শরীরে এনে দেয় আরামদায়ক অনুভূতি। এছাড়া এ সময় তাপমাত্রার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল পড়া ইত্যাদি রোধ করতে সাহায্য করে এটি। অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে যে পানি বেরিয়ে যায় তা পূরণ করতে সাহায্য করে তালের শাঁস।

পাকস্থলীর বিভিন্ন সমস্যা এবং হজমের সহায়ক হিসেবে প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে তালের শাঁস। এটা কোষ্টকাঠিন্য কমায় এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আলসার এবং এসিডিটি দূর করতেও সাহায্য করে এটি। গভর্বতী নারীদের হজমের জন্য এটি বেশ উপকারী।
ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় তালের শাঁস ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।

তালে শাঁসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। একই সাথে এটি ক্যানসারের মত মরণব্যাধি রোগ থেকে আমাদের বাঁচায়।

তালের শাঁস আমাদের স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে এবং শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে।

বমি ভাব আর মুখের অরুচিও দূর করতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তালের শাঁসে ক্যালসিয়াম থাকায় এটি দাঁতের জন্য অনেক ভালো। দাঁতের এনামেল ভালো রাখে এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।

তালের শাঁস হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে। কচি তালের শাঁস রক্তশূন্যতা দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে।

তালে শাঁসে আছে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বেশ কিছু উপকারী উপাদান। যা আমাদের চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও চোখের এলার্জিসহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমাতে তাল অনেক কার্যকরী।

একই সাথে রাতকানা রোগ থেকে চিরতরে রেহাই পাওয়া যায়। এছাড়াও চোখের এলার্জি সহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমাতে তালের শাঁস অনেক কার্যকরী।

তালের শাঁস খেলে লিভারের সমস্যা দূর হয়। এতে থাকা ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স খাবারে রুচি বাড়াতে সাহায্য করে।

তালে শাঁস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি খেলে শরীরে নাইট্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

গরমের কারণে ত্বকে কোনো ধরনের র‌্যাশ বা ব্রণ দেখা দিলে তালের শাঁস মুখে লাগাতে পারেন। এতে ত্বকের সমস্যা কমে যাবে।

আপনার যদি অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা থেকে থাকে, তাহলে তা দূর করতে খান কচি তালের শাঁস।

চলুন জেনে নেই ~~ সচেতনতা বৃদ্ধি করি....
06/07/2023

চলুন জেনে নেই ~~ সচেতনতা বৃদ্ধি করি....

09/03/2023

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সংবাদ, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে প্রথম আলো .....

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলাধীন 'কাটখাল বাজারে' প্রায় ৬ মাস যাবৎ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি (পুরুষ) বেওয়ারিশ ভাবে...
29/10/2022

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলাধীন
'কাটখাল বাজারে' প্রায় ৬ মাস যাবৎ একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি (পুরুষ) বেওয়ারিশ ভাবে ঘুরাফেরা করছে। যার আনুমানিক বয়স ৫০ উর্দ্ধো হবে। নিজের নাম ও ঠিকানা বলতে পারেনা। যদি কোন ব্যক্তি উনাকে চিনেন তাহলে তার স্বজনদেরকে কাটখাল বাজারে যোগাযোগ করতে বলবেন। ধন্যবাদ।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের লক্ষণ ও প্রতিকারের ঘরোয়া উপায়:-অ্যাপেন্ডিক্স নামক ক্ষুদ্র উপাঙ্গের প্রদাহকে এপেন্ডিসাইটিস বলে। মানবদে...
18/04/2022

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের লক্ষণ ও প্রতিকারের ঘরোয়া উপায়:-

অ্যাপেন্ডিক্স নামক ক্ষুদ্র উপাঙ্গের প্রদাহকে এপেন্ডিসাইটিস বলে। মানবদেহের বৃহদান্ত্রের সাথে যুক্ত আঙ্গুলের ন্যায় ক্ষুদ্র উপাঙ্গটি উদরের ডানপাশে থাকে। যখন অ্যাপেন্ডিক্সে সংক্রমণ হয়, জ্বলন হয় বা কোন কারণে অবরুদ্ধ হয়ে যায় তখন অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে বলা হয়। অ্যাপেন্ডিসাইটিস তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদী একটি রোগ যা পুরুষ ও মহিলা উভয়েরই হতে পারে।

লক্ষণ সমূহ :

· সাধারণত অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হঠাৎ করেই শুরু হয়। পেটের মধ্য থেকে ব্যথা শুরু হয়ে আস্তে আস্তে ডান পাশে গিয়ে স্থায়ী হয়।

· ক্ষুধা কমে যায়, বমি বমি ভাব হয় ও বমি হয়।

· অ্যাপেন্ডিক্সের কাছাকাছি লসিকা গ্রন্থি ফুলে প্রদাহ সৃষ্টি করে।

· হজমের সমস্যা হয় ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়া হয়।

· পেটের ডান পাশের পেশি আঁটসাট হয়ে যায়।

· নড়াচড়া করলে, গভীর ভাবে দম নিলে, হাঁচি বা কাশি দিলে ব্যথা তীব্র ও অসহনীয় হয়ে উঠে।

· অন্যান্য উপসর্গ গুলোর সাথে নিম্ন মাত্রার জ্বর থাকতে পারে।

অপারেশনের মাধ্যমে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ ও এন্টিবায়োটিক সেবন অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চূড়ান্ত চিকিৎসা। প্রাথমিকভাবে শনাক্তকরণের পর কিছু ঘরোয়া উপায়ে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা ও ফোলা কমানো যায়। ঘরোয়া প্রতিকার গুলো হচ্ছে :

১। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিশ্বস্ত ঘরোয়া প্রতিকার হচ্ছে মুগ ডাল । এক মুঠো মুগ ডাল এক বাটি পানিতে ভিজিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে মিশ্রণটি থেকে এক টেবিল চামচ পরিমান পান করুন। কার্যকরী ফল পেতে দিনে তিন বার গ্রহণ করুন।

২। অ্যাপেন্ডিসাইটিস নিরাময়ে রসুন অনেক কার্যকরী উপাদান। এটি অ্যাপেন্ডিক্সের ফোলা কমাতে পারে।

৩। অ্যাপেন্ডিক্সে আক্রান্ত রোগির জন্য সবজি খাওয়া ভালো। ১০০ মিলিলিটার শশা ও ১০০ মিলিলিটার বিটের রসের সাথে ৩০০ মিলিলিটার গাজরের রস মিশিয়ে দিনে দুই বার পান করলে অ্যাপেন্ডিসাইটিস নিরাময়ে অত্যন্ত উপকারি।

৪। ব্যথা কমানোর জন্য একটি ভেজা কাপড় পেটে জড়িয়ে এর উপর শুষ্ক পশমী কাপড় শক্ত করে বেধে রাখুন।

৫। আপনার অ্যাপেন্ডিক্স সুস্থ রাখার জন্য সারাদিনে প্রচুর পানি পান করুন।

৬। আস্ত গম খাওয়া অ্যাপেন্ডিসাইটিসের জন্য কার্যকরী ঘরোয়া প্রতিকার এবং এটি হজমের জন্য ও উপকারি।

৭। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের রোগীদের জ্বর আসলে তুলসি পাতা পানিতে সিদ্ধ করে খাওয়ান। একমুঠো তুলসি পাতার সাথে এক টেবিল চামচ আদার পেস্ট এক কাপ পানিতে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে থাকুন যতক্ষণ না মিশ্রণটি অর্ধেক হয়ে যায়। এটি বদহজম ও গ্যাসের ও সমস্যা দূর করতে পারে। প্রতিদিন ৩-৪টি কাঁচা তুলসি পাতা চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন তাহলে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

৮। পুদিনা পাতার কয়েক ফোঁটা রস পানিতে মিশিয়ে ৩-৪ ঘন্টা পর পর পান করলে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা কমে যায়।

৯। অ্যাপেন্ডিসাইটিস নিরাময়ে লেবুর রস অনেক উপকারি। লেবুর রস ব্যথা কমাতে এবং বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। একটি লেবুর রস বের করে নিয়ে এর সাথে সমপরিমাণ কাঁচা মধু মিশিয়ে নিন। দিনে কয়েকবার মিশ্রণটি পান করুন। কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত পান করুন।

১০। এক চামচ মেথি ঠান্ডা পানিতে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপর মিশ্রণটি ঠান্ডা করে চায়ের মত পান করুন। এটি অ্যাপেন্ডিক্সের ভিতরে পুঁজ ও অত্যধিক মিউকাস উৎপাদনে বাঁধা প্রদান করে। তাই নিয়মিত এটি পান করুন।

১১। দীর্ঘস্থায়ী অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর ক্ষেত্রে প্রতিদিন এক লিটার ঘোল পান করলে উপকৃত হবেন। এটি অ্যাপেন্ডিক্সের ভিতরে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে।

অ্যাপেনন্ডিসাইটিস আপনার শরীরের অনেক বড় ক্ষতি করতে পারে। উপরোক্ত ঘরোয়া প্রতিকারের মাধ্যমে অ্যাপেনন্ডিসাইটিসের ব্যথা ও জ্বলন কমানো যায়। যদি এগুলো কিছুদিন ব্যবহার করার পরও আপনার অ্যাপেনন্ডিসাইটিস ব্যথা থেকে মুক্ত হতে না পারেন তাহলে আপনাকে অপারেশনের মাধ্যমে অ্যাপেন্ডিক্স অপসারণ করিয়ে ফেলতে হবে। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে অপারেশনের প্রস্তুতি নিতে হবে। খুব বেশিদিন অ্যাপেনন্ডিসাইটিসের ব্যথা নিয়ে অপেক্ষা করা ঠিক নয় কারণ এতে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যাবার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

লেখক
সাবেরা খাতুন।

আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে লাগবে
07/11/2021

আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে লাগবে

https://www.prothomalo.com/feature/pro-health/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%...
20/10/2021

https://www.prothomalo.com/feature/pro-health/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5

একটা বয়সের পর নারী হরমোনগুলো নিম্নমুখী হতে থাকে, ডিম্বাণুর পরিস্ফুটন বন্ধ হয়ে যায় বলে আর মাসিক হয় না এবং সন্তানধ....

লাইম রোগ কি ?লাইম রোগ যা বোরেলিয়া বার্গডোরফেরি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত রোগ যা এঁটেল পোকা কামড়ানোর মাধ্যমে ছড়িয়...
11/04/2021

লাইম রোগ কি ?

লাইম রোগ যা বোরেলিয়া বার্গডোরফেরি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত রোগ যা এঁটেল পোকা কামড়ানোর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত স্থানে র‍্যাশ দেখা দেয় এবং তা বৃত্তাকারে ত্বকে ছড়িয়ে পড়ে। এঁটেল পোকার কামড় ততটা গুরুতর নয় এবং যদি প্রাথমিক পর্যায়ে নির্ণয় করা যায় যদি তাহলে সহজেই নিরাময়যোগ্য হয়।

এর প্রধান লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি কি কি?

র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি- লাইম রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে, ভুলবশত উপসর্গটি সহজেই একটি সাধারণ র‍্যাশ বলে মনে করা হয়।এই র‍্যাশ বা ‘এরিথেমা মাইগ্রেনস’ সাধারণত কামড় খাওয়ার 1-2 সপ্তাহ পর পরিলক্ষিত হয়। এটি সাধারণত চুলকানিযুক্ত বা বেদনাদায়ক নয় তবে প্রায় এক মাস পর্যন্ত থাকতে পারে।
অন্যান্য উপসর্গগুলি - র‍্যাশের সাথে, হাড়ের গাঁটে ব্যাথা, জ্বর, এবং অবসাদ দেখা যায়, যেগুলি মূলত উপেক্ষা করা হয় এবং চিন্তা করার কোন বিষয় হিসাবে দেখা হয় না।
লাইম রোগের পরবর্তী ও আরও বৃদ্ধিপ্রাপ্ত পর্যায়ে, উপসর্গগুলি আরো জটিলতা দেখাতে শুরু করে এবং উদ্বেগের বিষয় হতে শুরু করে। তাদের মধ্যে কিছু বিষয় হল:

অত্যাধিক অবসাদ।
ঘাড়ে ব্যাথা ও ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া।
জ্বর।
মুখে পক্ষাঘাত / পালসি।
চরম পর্যায়ের চিনচিনে অনুভূতি।
একনাগাড়ে জ্বর।
যদিও লাইম রোগের উপসর্গগুলি এবং অবস্থাগুলি স্থায়ী নয়, এগুলি উপেক্ষা করা হলে তা খুব বেদনাদায়ক ও সহ্য করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে যদি শেষ বা অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছাতে দেওয়া হয়। অন্তিম পর্যায়ের উপসর্গগুলি হল

স্নায়বিক রোগ।
পক্ষাঘাত বৃদ্ধি পাওয়া বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অসাড়তা।
আর্থারাইটিস, যার ফলে হাড়ের সন্ধিতে প্রদাহ দেখা দেয়।
এর প্রধান কারণগুলি কি কি ?

এঁটেল পোকার কামড় দ্বারা সংক্রামিত বোরেলিয়া বার্গডোরফেরি লাইম রোগের জন্য দায়ী। পোকাটি কামড়ানোর ফলে, শরীরে স্পাইরোচেটের অনুপ্রবেশ ঘটে, যা রক্ত ​​প্রবাহে প্রবেশ করে এবং উপরে বর্ণিত উপসর্গগুলিতে পরিণত হয়।

এটি কিভাবে নির্ণয় করা হয় ও এর চিকিৎসা কি?

যদি পোকা কামড়ানোর স্থানটিতে এক থেকে দুই সপ্তাহ পর র‍্যাশ দেখা যায়, তাহলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। এরিথেমা মাইগ্রেনস একটি বিশেষ র‍্যাশ যেটা কেবল মাত্র এঁটেল পোকা কামড়ালেই হয় এবং সাধারণত এটি বৃত্তাকার ধরণের হয় সাথে গোল একটি বলয় থাকে চারপাশে যা দেখতে অনেকটা বুলযাই বোর্ডের মতো। অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা সহজেই এই রোগের চিকিৎসা করা যায়।

উপসর্গগুলিকে উপেক্ষা করার পর গুরুতর পর্যায়ে, ডাক্তাররা নিশ্চিত হওয়ার জন্য একটি পলিমারেস চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন।

ওষুধ, যেমন ডক্সিসাইক্লিন, এমোক্সিসিলিন, ও সিফুরক্সাইম অ্যাক্সিলের ব্যবহার করা হয় প্রাথমিক পর্যায়ে। স্নায়ুরোগ বা হৃদরোগ সংক্রান্ত অবস্থায়, শিরায় প্রয়োগের জন্য ওষুধ দেওয়া হয় সাধারণত পেনিসিলিন বা সেফট্রাক্সোনের মতো অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার দ্বারা। ( সংগ্রহীত)....

আজ বিকালে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH & FPO) Dr. Abdullah Al Shafi স্যার, আমার ব্যবসায়ী প্...
18/01/2021

আজ বিকালে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH & FPO)
Dr. Abdullah Al Shafi স্যার, আমার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান "মেসার্স গ্রামীণ ফার্মেসী"তে আসেন। স্যারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

একটি মাত্র উপায়ে কোমরে ব্যথা দূর করে দিন চিরকালের জন্য:কোমর ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকল...
25/11/2020

একটি মাত্র উপায়ে কোমরে ব্যথা দূর করে দিন চিরকালের জন্য:

কোমর ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কোমর ব্যথার সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগে থাকেন। তবে মহিলারা বেশি কোমর ব্যথায় বেশি ভোগেন। প্রথম থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যৎ এ বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। একটি উপায়ে খুব সহজে এই ব্যথা উপশম করা সম্ভব। আসুন জেনে নিই কোমর ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায়টি।

কেন হয় কোমর ব্যথা:
ওজন উচ্চতা অনুযায়ী বেশি হলে।
ভারী বস্তু তোলার কাজ করলে।
কোমরে চোট পেলে।
অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করলে।
পা পিছে কোথাও পড়ে গেলে।
নিয়মিত গাড়ি চালালে।
সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে।
গর্ভধারণ সময়ে।
হঠাৎ কোনো কারণে হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু—এই তিনটি উপাদানের সামঞ্জস্য নষ্ট হলে।

এই কোমর ব্যথা খুব সহজে দূর করা সম্ভব। আদা যে কোনো ব্যথা কমাতে সক্ষম। আদার মাধ্যমেই দূর করে দিতে পারবেন এই সমস্যা। আসুন জেনে নিই এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী আদা পানি বানানোর প্রক্রিয়াটি।

যা যা লাগবে:
আদা
পরিষ্কার পাতলা কাপড়
গরম পানি

কিভাবে তৈরি করবেন:
প্রথমে আদা কুচি করে ফেলুন। এরপর আদা কুচিগুলো পাতলা কাপড়ে রাখুন।
কাপড়টির মুখ সুতা বা রশি দিয়ে বন্ধ করে দিন। একটা পুটলি বানিয়ে ফেলুন।
এবার চুলায় পানি গরম করতে দিন। এই পানির মধ্যে আদার পটলিটা চিপে রস পানিতে দিন।
রস ভাল করে চিপে ফেলার পর আদার পুটলিটা পানির মধ্যে দিয়ে দিন।
এবার একটি কাপড় গরম আদা পানিতে চুবিয়ে নিন। এবার কাপড়টি থেকে ভাল করে পানি চিপড়িয়ে ফেলুন।
এই আদা পানিতে চুবানো কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রাখুন। লক্ষ্য রাখবেন কাপড়টা যেন খুব বেশি মোটা না হয়।
সারা রাত কাপড়টি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন। সারা রাত সম্ভব না হলে কয়েক ঘণ্টা এটি ব্যথার জায়গায় রেখে দিন।
দেখবেন কোমর ব্যথা গায়েব হয়ে গেছে। এটি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদি আরাম দেবে।

Address

Katkhal Bazar, Mithamoin
Kishoregonj
2371

Telephone

1715585176

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মেসার্স গ্রামীণ ফার্মেসী = M/S Grameen Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মেসার্স গ্রামীণ ফার্মেসী = M/S Grameen Pharmacy:

Share