Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity

Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity Hello! We are D.M.F Graduates Associate Clinicians. Working in the Health Departments as a S.A.C.M.O

নতুন জেনারেশনের এমবিবিএস রা কি পরিমান সাইকো এইটা দেখলে বোঝা যায়। এই কসাই দের সাধারন পাব্লিক শায়েস্তা করবে !!
01/03/2026

নতুন জেনারেশনের এমবিবিএস রা কি পরিমান সাইকো এইটা দেখলে বোঝা যায়।

এই কসাই দের সাধারন পাব্লিক শায়েস্তা করবে !!

01/03/2026

এসএসসি দিয়া ভর্তি হইছি—হ, হইছি।
ভর্তি নীতিমালা কে বানাইছে? তোর বাপ?
রাষ্ট্র।

সিলেবাস কে বানাইছে?
রাষ্ট্র।

৪.৫ বছর ট্রেনিং আর ইন্টার্নশিপ কে করাইছে?
রাষ্ট্র।

রেজিস্ট্রেশন কে দিছে?
রাষ্ট্রীয় কাউন্সিল।

তাই আমাদের “ভুয়া” বলার আগে রাষ্ট্রর দখলদারি দুর্নীতিবাজরে ভুয়া বলো। তাই সমস্যা থাকলে আমাদের না—তোমাদের সিস্টেমের।

রাষ্ট্রের সিলমোহর খাইয়া আবার রাষ্ট্রকেই অস্বীকার করো—এইটা কোন লজিক? 🤭😏

বিসিএস ক্যাডারের দাপট দেখাও?
আগে তো সুযোগ দাও!
উচ্চশিক্ষার রাস্তা খুলাইছো? না।

প্রফেশনাল বিএসসি, ব্রিজ কোর্স, একাডেমিক আপগ্রেড—সব আটকে রাখবা,
তারপর বুক ফুলায়া বলবা—“তোরা তো উন্নতি করস নাই।”

এটা মেধা না, এটা হলো ‘প্রফেশনাল মাফিয়াগিরি’।

১৪ বছর নিয়োগ বন্ধ কইরা রাখছো—
তারপর বুক ফুলায়া কও, “তোরা তো সিস্টেমে নাই।”

দরজা তালা দিয়া নিজে চাবি রাখছো,
আর বাইরে দাঁড়ায়া থাকা লোকরে বলতেছো—“মেধা নাই।”
এইটা মেধা না ভাই, এইটা সিন্ডিকেট।

মেধার বড়াই করো—
দেশে স্পেশালিস্ট ঘাটতি, রোগী ভারত-সিঙ্গাপুর যায়,
কার্ডিওলজি, নিউরোসার্জারি সিট ফাঁকা পড়ে থাকে—
সবাই যদি এত তুখোড় হও, তাহলে এই সংকট ক্যান?

সব এমবিবিএস স্পেশালিস্ট না—
৯০% আউটডোরেই বসে জেনারেল কেস সামলায়।
ঠিক সেই জায়গাটাতেই তো ডিএমএফ কাজ করে।

সমস্যা শুধু “ডাক্তার” শব্দ না—
সমস্যা হলো, গ্রামে যদি ডিএমএফরা ফুল স্কোপে কাজ করে,
তাহলে “ডিগ্রি আছে, স্কিল নাই” মার্কা চেম্বারের বাজার কমে যাবে।

তোমরা জানো, WHO-এর গাইডলাইন ফলো করলে তোমাদের ওই তথাকথিত ‘অপরিহার্যতা’র বেলুন ফুটো হয়ে যাবে তার ভয়েই তোমরা সারাক্ষণ ডিএমএফ আতঙ্কে ভোগো।। তোমরা "এইচএসসি" পাশ ডাক্তার হতে পারো, কিন্তু ‘হিউম্যান রিসোর্স’ বা ‘সিস্টেম’ বোঝার জ্ঞান তোমাদের মাথায় নাই।

স্টিকার নিয়াই এত টেনশন ক্যান?
মানুষ যারে চিকিৎসা দিতে দেখে, তাকেই ডাক্তার ডাকে।
সম্মান শুধু কাগজে লেখা থাকে না—কাজে প্রমাণ হয়।

আর একটা কথা মনে রাখো—
ডিএমএফদের ভয় পাওয়ার দরকার নাই।
আমরা কারো রুটি ছিনাইতে আসি নাই।
আমরা আমাদের আইনগত Scope of Practice আইনগত হকের স্বীকৃতি চাই।

কিন্তু যদি আধিপত্য ধরে রাখতে চাও—
তাহলে সেইটা মেধা না, পেশাগত রাজনীতি।

বুঝলা? 😌

28/02/2026

স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে বড় সংকট হলো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব। কিন্তু সেই অভাব পূরণের বদলে যত্রতত্র মানহীন প্রাইভেট মেডিকেল থেকে পাস করা ফার্মের মুরগী তথা অদক্ষ জেনারেল প্র্যাকটিশনারদের ভিড় বাড়িয়ে সংখ্যার খেলা দেখানো হচ্ছে।

অথচ গ্রামীণ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ডিএমএফ ও কমিউনিটি প্যারামেডিকরাই সবচেয়ে সাশ্রয়ী, বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সমাধান।

যারা বিশেষজ্ঞ হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি, তারাই আজ পেশাগত হীনম্মন্যতা থেকে প্রাথমিক সেবার পদগুলো আঁকড়ে ধরে দেশের জঞ্জাল হতে চাই—কারণ তারা জানে, WHO-এর গাইডলাইন অনুযায়ী ডিএমএফ-দের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করলে এই এমবিবিএস চিকিৎসকদের তথাকথিত "অপরিহার্যতা" এবং "অদক্ষতা" দুই-ই জনগণের সামনে পরিষ্কার হয়ে যাবে। নিজেদের এই মেকি "এলিটিজম" বা আভিজাত্য টেকাতেই তারা সিস্টেমকে জিম্মি করে রাখে এবং মেডিকেল হাসপাতালে সেবা বন্ধের মতো সস্তা হুমকি দেয়।

গত ১৪ বছর ধরে ডিএমএফ-দের সরকারি নিয়োগের ফাইল লাল ফিতায় বন্দি করে রেখে তারা যে 'সাইলেন্ট কিলিং' চালিয়েছেন, তা কোনো জঘন্যতম অপরাধের চেয়ে কম নয়। এটি কোনো প্রশাসনিক বিলম্ব নয়, বরং ডিএমএফ-দের অস্তিত্ব মুছে দেওয়ার এক নোংরা আধিপত্যবাদী নীল নকশা। ডিএমএফ-দের নিয়োগ বন্ধ রেখে তারা মাঠপর্যায়ে হাতুড়ে ডাক্তারদের জন্য এক বিশাল বাজার তৈরি করে দিয়েছে।

রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় বন্ধ করতে হলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে বাস্তবভাবে সাজাতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ডিএমএফদের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা, ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত এবং প্রতিরোধমূলক সেবা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। একই সঙ্গে কমিউনিটি প্যারামেডিকদের মাঠপর্যায়ের কাজ—বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম—সমন্বয়ের মাধ্যমে আরও কার্যকর করা দরকার।

স্বাস্থ্যখাত কোনো একক পেশার আধিপত্যর জায়গা নয়; এটি দলগত কাজের ক্ষেত্র। এখানে সবার এমবিবিএস ডাক্তার হওয়া প্রয়োজন নেই। বরং যার যে দায়িত্ব ও দক্ষতা আছে, সেই অনুযায়ী কাজ ভাগ করে দেওয়া, একে অপরকে সম্মান করা এবং শক্তিশালী রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলাই একটি সাশ্রয়ী ও জনগণমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল ভিত্তি।

আজ বাংলাদেশে হৃদরোগ, ক্যান্সার বা কিডনি রোগের মতো জটিল সমস্যার জন্য বিশেষজ্ঞের সিরিয়াল পেতে অপেক্ষা করতে হয়। কারণ, যে এমবিবিএস ডাক্তারদের বিশেষজ্ঞ হওয়ার পথে এগোনোর কথা, তাদের বড় অংশ প্রাথমিক রোগীর ভিড়ে আটকে আছে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় (জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া, টিকাদান, গর্ভকালীন পরামর্শ) এমবিবিএস বসিয়ে রাখা মানে—
রাইস কুকারে বিরিয়ানি প্রেসার কুকার ঢোকানো!
ফল? না ঠিকমতো রান্না হয়, না সিস্টেম ঠিকমতো চলে—শুধু রাষ্ট্রের মেধা আর অর্থের অপচয় হয়।

😏

28/02/2026

স্বাস্থ্যখাতে বিশেষজ্ঞের দরকার—জেনারেল প্র্যাকটিশনারের ভিড়ের না।
হৃদরোগে কার্ডিওলজিস্ট লাগে, ক্যান্সারে অনকোলজিস্ট লাগে—
জ্বর-সর্দিতে এমবিবিএস বসিয়ে সিস্টেম চলে না, বাজেট পোড়ে।

অভাব কাদের?
বিশেষজ্ঞের।
অভাব নাই কাদের?
প্রাইভেটের সাইনবোর্ডধারী ওভারসাপ্লাই এমবিবিএসদের।

প্রাইমারিতে কমিউনিটি প্যারামেডিক প্রতিরোধ গড়ে—
ডিএমএফ দিয়ে কিউরেটিভ সেবা,
আর তোমরা চেয়ার আঁকড়ে তত্ত্ব দাও।

সরকারি টাকায় ওভারকোয়ালিফায়েড ডিউটি দিয়ে লাভ কী?
ছোট রোগে "কসাই" বসানো মানে—
রাষ্ট্রের টাকায় বিলাসিতা।

মানে—
রাইস কুকারে বিরিয়ানি প্রেসার কুকার ঢোকানো!
ফল? না ঠিকমতো রান্না হয়, না সিস্টেম ঠিকমতো চলে—শুধু রাষ্ট্রের মেধা আর অর্থের অপচয় হয়।

#ন্যাশনাল_শাটার_কমতি

28/02/2026

আমরা ডিএমএফ ডিগ্রিধারী উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারগণ স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই!!

নার্সিং কাউন্সিল অনুমোদিত ২ বছর মেয়াদী বাংলা মিডিয়াম কোর্সধারী “কমিউনিটি প্যারামেডিক”দের ন্যায্য দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। ✊

কমিউনিটি প্যারমেডিক দের অন্যতম দাবীগুলো হলো:-

১) "কমিউনিটি ডাক্তার" হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।

২) কমিউনিটি প্যারামেডিকদের প্রাক্টিসের পূর্ণ মর্যাদা প্রদান করতে হবে।

৩) ড্রাগলিষ্ট বাড়াতে হবে।

৪) ২ বছর এর সিপি কোর্স ৩ বছর করে ডিপ্লোমা স্বীকৃতি দিতে হবে।

৫) সকল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়োগ দিতে হবে।

গ্রামবাংলার স্বাস্থ্যসেবায় কমিউনিটি প্যারামেডিকরাই প্রথম ভরসা। তাই তাদের অধিকার বাস্তবায়ন হোক।
✊ স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য নয়, স্বীকৃতি চাই।


#অধিকার #কমিউনিটি_ক্লিনিক #নিয়োগ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার WHO দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের গাইডলাইন অনুযায়ী, 'Doctor' (ডাক্তার) শব্দটির সংজ্ঞায় অবশ্যই মেডিক...
28/02/2026

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার WHO দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের গাইডলাইন অনুযায়ী, 'Doctor' (ডাক্তার) শব্দটির সংজ্ঞায় অবশ্যই মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের (Medical Assistants) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

​২০১৩ ও ২০১৭ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাটাবেজ অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১,০৭,৩০৩ জন নিবন্ধিত ডাক্তারের (Medical Practitioners) তালিকায় এমবিবিএস ও বিডিএস-এর পাশাপাশি ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টরাও সরাসরি অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

অর্থাৎ, দাপ্তরিকভাবে তারা একই "চিকিৎসক" ক্যাটাগরির অংশ।

​∆ ক্লিনিক্যাল সক্ষমতার প্রমাণ (WHO Table 9.2)

​যারা বলেন ডিএমএফ-রা চিকিৎসা দিতে পারেন না, তাদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার Table 9.2 একটি চূড়ান্ত জবাব। সেখানে স্পষ্টভাবে ডিএমএফ-দের নিচের কাজের জন্য স্বীকৃত দেওয়া হয়েছে:

• ​রোগ নির্ণয় (Diagnosis): তারা স্বাধীনভাবে রোগ নির্ণয় ও ক্লিনিক্যাল সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম।

• ​চিকিৎসা প্রদান (Treatment): একিউট ও ক্রনিক রোগের চিকিৎসা এবং নির্দিষ্ট থেরাপিউটিক প্রসিডিউর পরিচালনার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।

• ​ক্লিনিক্যাল লিডারশিপ: তারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে ক্লিনিক্যাল সাইট লিডারশিপ প্রদানের জন্য দাপ্তরিকভাবে যোগ্য।


​প্রতি বছর ১০ হাজার এমবিবিএস বের করার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশীয় চিকিৎসকদের হার্ট, কিডনি বা ক্যান্সারের মতো জটিল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে তোলা।

​একজন উচ্চশিক্ষিত ডাক্তারকে যদি গ্রামের আউটডোরে বসে প্রতিদিন ২০০ জন রোগীর সাধারণ সর্দি-জ্বর বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ লিখতে হয়, তবে তিনি বিশেষজ্ঞ হওয়ার পড়াশোনা বা গবেষণা করবেন কখন?

​ডিএমএফ-রা এই প্রাইমারি কেয়ার (Primary Care) সামলে নিয়ে ডাক্তারদের জন্য বিশেষায়িত গবেষণার পথ প্রশস্ত করে দেন। তাদের সরিয়ে দেওয়া মানে ডাক্তারদের "ক্লার্কে" পরিণত করা এবং দেশকে বিশেষজ্ঞ শূন্য রাখা।

​গত ৫০ বছর ধরে যে ডিএমএফ-রা চরাঞ্চল, হাওর বা গ্রামীন দুর্গম এলাকায় সেবা দিয়ে আসছেন, আজ সংখ্যাতত্ত্বের দোহাই দিয়ে তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া কেবল অকৃতজ্ঞতা নয়, বরং একটি স্বাস্থ্য-ষড়যন্ত্র।

​ডিএমএফ-রা সিস্টেমের বাইরে চলে গেলে সেই শূন্যস্থান এমবিবিএস দিয়ে পূরণ হবে না; বরং সেখানে দাপট বাড়বে হাতুড়ে ডাক্তার আর কমিশনের দালালদের। যারা এলিটিজম ছড়াচ্ছেন, তারা কি পরোক্ষভাবে এই দালাল চক্রকেই সুযোগ করে দিতে চান?

🤔

ডা. সোহাগদের মতো যারা ডিএমএফ (DMF) উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO)-দের "ভুয়া" বা "কোয়াক" বলার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে,...
27/02/2026

ডা. সোহাগদের মতো যারা ডিএমএফ (DMF) উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO)-দের "ভুয়া" বা "কোয়াক" বলার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে, তারা মূলত জুলাইয়ের সেই প্রেতাত্মা যারা এখনো এদেশের সাধারণ মানুষকে মানুষ মনে করে না। যারা স্বৈরাচারের দালালি করে নিজের আখের গুছিয়েছে, তাদের মুখে পেশাগত শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কেবল নির্লজ্জতা নয়, বরং শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, মানে World Health Organization–এর বিভিন্ন দাপ্তরিক নথিতেই স্পষ্ট কইরা বলা আছে—বাংলাদেশের ডিএমএফরা ক্লিনিক্যাল ডিসিশন নেয়, রোগ নির্ণয় করে, চিকিৎসা দেয়— "মেডিকেল প্রাক্টিশনার" হিসেবেই এই কাঠামোর মধ্যেই কাজ করে।

বিজ্ঞান যখন স্বীকৃতি দেয়, তখন হাবিব সোহাগের মতো লোকজন কী দিয়া এইডা “অপচিকিৎসা” কয়—এইডা বুজা মুশকিল।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটা সিস্টেমরে অপচিকিৎসা বলা মানে—হয় তথ্য জানে না, না হয় ইচ্ছা কইরা গুলায়।

আরেকটা কথা—যেইসকল এমবিবিএস নাগরিকের “মৌলিক অধিকার”র কথা কইয়া যুক্তি দেখাইতাছেন। ঠিক আছে। কিন্তু অধিকার মানে শুধু এমবিবিএস-এর সই না; অধিকার মানে বিপদের টাইমে হাতের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়া। গ্রামে রাত দুইটায় বাচ্চা জ্বরে খিঁচুনি দিলে, আগে দরকার স্ট্যাবিলাইজেশন—না কি ঢাকায় রেফার কইরা রাস্তার মধ্যে মরার অপেক্ষা?

•• এবার আসি এমবিবিএস প্রসঙ্গে।

একজন এমবিবিএস বানাইতে রাষ্ট্রের যে টাকা-সময় লাগে, ওইটা এইজন্য—আগামী দিনে সে স্পেশালিস্ট হইবো, জটিল অপারেশন করবো, বড় হাসপাতাল সামলাইবো।

সবাইরে যদি ইউনিয়নে বসায়া সর্দি-কাশির প্রেসক্রিপশন লিখাইতে রাখেন, তাইলে ১০ বছর পর বড় হাসপাতালে অপারেশন করবার মানুষ কই পাইবেন?

স্পেশালিস্ট আকাশ থেইকা নামে না—এই এমবিবিএসরাই আগামীর কার্ডিয়াক সার্জন, নিউরোসার্জন।

গত ১০–১৫ বছরের রেকর্ড দেহেন—কয়জন এমবিবিএস উপজেলাতেই ঠিকঠাক ডিউটি করে—এই প্রশ্নও তো আছে। ৩০০০ না, ৩০,০০০ এমবিবিএস দিলেও ২৪/৭ গ্রামে উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাইবো না।

ডিএমএফরা গ্রামেই থাকে, গ্রামেই বড় হয়। মধ্যরাত হোক বা ভোর—মানুষ আগে কাকে পায়? হাতের কাছে যার চিকিৎসা আছে, তাকেই।

এই পল্টিবাজ সোহাগ ১৫ লাখ অপ্রশিক্ষিত হাতুড়ে বা কোয়াকদের বিরুদ্ধে কথা না বলে রাষ্ট্র-স্বীকৃত সাড়ে ৪ বছরের প্রশিক্ষিত ডিপ্লোমাধারীদের টার্গেট করা—এইটা কোন যুক্তি?

ডিএমএফ দের আক্রমণ করা প্রমাণ করে—এরা চায় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে গ্রাম্য কোয়াকদের কাছে যাক।

ডিএমএফদের বিরুদ্ধে অযথা আক্রমণ করা আসলে কাদের সুবিধা করে—এই প্রশ্নটা করা দরকার।

গ্রামে ১৫ লাখের বেশি অপ্রশিক্ষিত হাতুড়ে/কোয়াক আছে—এটা বহুবার জাতীয় পর্যায়ে আলোচিত হয়ছে।

এদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান কই?
বিভিন্ন জায়গায় তথাকথিত “স্বল্পমেয়াদি মেডিকেল কোর্স” চালানোর অভিযোগ বহু বছর ধরে দেখা যায়, যেগুলোর অনেকগুলোই Bangladesh Medical and Dental Council অনুমোদিত না।

√ স্বাস্থ্যসেবার আড়ালে সিন্ডিকেট বাণিজ্য হচ্ছে অন্যদিকে কেন ডিএমএফ-দের সরানো প্রয়োজন?

​যারা ডিএমএফ (DMF) বা উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO)-দের "ভুয়া" তকমা দিয়ে সরাতে চান, খোজ নিয়ে দেখুন তাদের আসল বেনিফিট কোথায়। এই অসাধু চক্রটি সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে যেভাবে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তার নেপথ্য কাহিনি অত্যন্ত ঘৃণ্য:

খোঁজ নিয়ে দেখুন, প্রায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় বিএমডিসি (BMDC) নিষিদ্ধ ভুয়া শর্ট কোর্স কারা চালায়? সিভিল সার্জনদের নাকে ডগায় এই সার্টিফিকেট বাণিজ্য কারা নিয়ন্ত্রণ করে? উত্তরটা স্পষ্ট—এই সোহাগদের মতো কিছু অসাধু এমবিবিএস চিকিৎসক আর রাজনৈতিক মাফিয়ারা। এরা নিজেরাই অশিক্ষিত কোয়াক বানাই, আবার এরাই বড় গলায় নীতি কথা বলে!

কিছু তথাকথিত এমবিবিএস টাকার জন্য সাপ্তাহিক ক্লাসের নামে এই ভুয়া কোয়াকদের প্রশিক্ষণ দেয়। এই কোয়াকরা যখন ভুল চিকিৎসায় (Malpractice) রোগীকে আধমরা করে ফেলে, তখন তাদের পাঠানো হয় নির্দিষ্ট ক্লিনিক বা এমবিবিএসদের কাছে।

​বেনিফিট: ক্লিনিক মালিককে খুশি করতে রোগী গেলেই ধরিয়ে দেওয়া হয় হাজার হাজার টাকার অপ্রয়োজনীয় টেস্ট, এবং কম্পানির উপঢৌকন এর লোভে প্রেসক্রাইব করে দামিদামি অপ্রয়োজনীয় ওষুধ । অন্যদিক টেস্টের টাকার একটি বড় অংশ (কমিশন) পায় ওই গ্রাম্য কোয়াক। এই পুরো চক্রটি চলে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে। সহজ সরল মানুষকে দারিদ্র্যের অতল গহ্বরে ঠেলে দিয়ে এই সোহাগরা যে "রেফারেল সিন্ডিকেট" গড়ে তুলেছে, ডিএমএফ-রা তার পথে সবচেয়ে বড় কাঁটা।

ডিএমএফ-রা যেহেতু রাষ্ট্র-স্বীকৃত ৪ বছরের প্রশিক্ষিত এবং বিএমডিসি নিবন্ধিত, তারা প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসা ও যৌক্তিক রেফারেল নিশ্চিত করে। এতে ওই অসাধু সিন্ডিকেটের "কমিশন বাণিজ্য" বাধাগ্রস্ত হয়। ডিএমএফ-দের সরিয়ে দিলে পুরো মাঠ ফাঁকা হয়ে যাবে এবং মানুষ বাধ্য হয়ে এই দালাল ও কোয়াক চক্রের খপ্পরে পড়বে।

উন্নত দেশগুলা দেহেন—

চীনে Assistant Doctor/AGP মডেল

নেদারল্যান্ডসের Gatekeeping System ফিজিশিয়ান এসোসিয়েট

আমেরিকায় American Academy of Physician Associates–স্বীকৃত Physician Associate মডেল

কোন দেশেই প্রাইমারি কেয়ার সরাসরি হাই-লেভেল এমবিবিএস কিংবা স্পেশালিস্ট দিয়া চালায় না। লেভেলভিত্তিক সিস্টেম আছে বলেই তারা আগায়।

ডিএমএফরা এমবিবিএসের প্রতিপক্ষ না। তারা ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশন না থাকলে দালান দাঁড়ায়?

বাংলাদেশে কি পরিমান বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর অভাব জানা আছে? কেনো সাধারণ মানুষ জমিজমা বিক্রি করে হলেও ইন্ডিয়া মুখি হচ্ছে চিকিৎসার জন্য এই খবর রাখেন?

৫০০০ ইউনিয়নে ৫০০০ এমবিবিএস বসাইয়া রাখলে ১০ বছর পর বড় হাসপাতালে স্পেশালিস্ট সংকট হইলে—তার দায় কে নেবে?

জনগণের দরকার সমন্বিত সিস্টেম। পপুলিস্ট স্লোগান না—বাস্তবসম্মত স্বাস্থ্যনীতি।

বিজ্ঞান, কাঠামো আর জনগণের প্রয়োজন—এই তিনটা জিনিস শেষ পর্যন্ত টিকবেই। রাজনীতি টিকে না।

#স্বাস্থ্য_মাফিয়া_হুশিয়ার #লীগের_দালাল_সোহাগ #ডিএমএফ_অধিকার_আন্দোলন #কমিশন_বাণিজ্য_বন্ধ_করো

27/02/2026

বিদ্বেষ দিয়ে জনস্বাস্থ্য চলে না, চলে সমন্বয়ে। আপনি যদি মনে করেন তৃণমূলে ৫০০০ এমবিবিএস দিয়ে দেশের সব মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা সম্ভব, তবে আপনি বাংলাদেশের ভৌগোলিক বাস্তবতা এবং জনসংখ্যা—দুটোকেই অস্বীকার করছেন।

ডিএমএফ-রা এমবিবিএস এর সমমান দাবী করেনা, তারা হতে চায় আপনার ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্স। তাদের অযোগ্য বলার আগে ভাবুন, সিস্টেম যদি তাদের গড়ে তুলত, তবে আজ আপনার আউটডোরে আসা অর্ধেক রোগীই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরত।

বিশ্বের কোনো উন্নত দেশে (যেমন- আমেরিকা, নেদারল্যান্ড,চীন) রেফারেল সিস্টেম সরাসরি বিশেষজ্ঞ বা এমবিবিএস দিয়ে শুরু হয় না।

৫০০০ ইউনিয়নে ৫০০০ এমবিবিএস দিয়ে আপনি রেফারেল সিস্টেম করবেন? তাহলে উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে জটিল অপারেশনগুলো কি ইন্টার্ন ডাক্তাররা করবেন?

একজন এমবিবিএস ক্যাডার ডাক্তারের প্রারম্ভিক বেতন, গ্র্যাচুইটি, এবং অন্যান্য ভাতা একজন ডিএমএফ-এর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ৫০০০ ইউনিয়নে যদি এমবিবিএস নিয়োগ দেওয়া হয়, তবে শুধু বেতন খাতেই সরকারের প্রতি বছর অতিরিক্ত হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। অথচ এই টাকা দিয়ে দ্বিগুণ সংখ্যক ডিএমএফ নিয়োগ দিয়ে পুরো ইউনিয়নকে ২৪ ঘণ্টা কভারেজ দেওয়া সম্ভব।

তার সঙ্গে যুক্ত হবে আবাসন, যাতায়াত, নন-প্র্যাকটিসিং ও গ্রামীণ ভাতা।
এর পেছনে সরকারের যে ব্যয় হবে, তা দিয়ে পুরো স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তন করা সম্ভব।

প্রাথমিক চিকিৎসার ৮০% সমস্যার জন্য এই বিশাল সেটআপের প্রয়োজনই নেই। ডিএমএফ- এর মাধ্যমে টাস্ক শিফটিং-টাস্ক শেয়ারিং মডেল চালু করে সর্বোচ্চ সেবা দিতে সক্ষম। WHO-র স্বীকৃত এই বাস্তবমুখি বৈজ্ঞানিক মডেল বাস্তবায়ন করলে সরকারের খরচ কমবে ৩০% আর সেবার মান বাড়বে দ্বিগুণ।

৫০০০ এমবিবিএস ডাক্তারকে ইউনিয়নে স্থায়ীভাবে বসিয়ে রাখা মানে হলো—একটি বিলাসবহুল মার্সিডিজ দিয়ে গ্রামের রাস্তায় মালবাহী কাজ করানো। এতে যেমন গাড়ির সক্ষমতার অপব্যবহার হয়, তেমনি জ্বালানি ও সম্পদেরও অপচয় ঘটে।

অর্থনীতির ভাষায় একে বলে 'অপরচুনিটি কস্ট' (Opportunity Cost)। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি একজন সার্জন বা বিশেষজ্ঞ যদি ইউনিয়নে বসে সর্দি-কাশির ওষুধ লেখেন, তবে রাষ্ট্র তার আসল দক্ষতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই অপচয়টা টাকার অঙ্কে হিসাব করাও কঠিন।

স্মার্ট স্বাস্থ্যব্যবস্থার নীতি হওয়া উচিত স্তরভিত্তিক বণ্টন—
ইউনিয়ন-উপজেলায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় থাকবে দক্ষ মিড-লেভেল প্রোভাইডার (যেমন ডিএমএফ), যারা সাধারণ রোগ সামলাবে।
আর এমবিবিএস/এফসিপিএস চিকিৎসকরা থাকবেন উপজেলা-জেলা-বিভাগীয় হাসপাতালে—যেখানে জটিল ও বিশেষায়িত চিকিৎসায় তাদের সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রয়োজন। স্মার্ট স্বাস্থ্যব্যবস্থার নীতি হওয়া উচিত স্তরভিত্তিক বণ্টন—যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ভাষায় একটি 'ব্যালেন্সড স্কিল মিক্স' (Balanced Skill Mix)।

যুদ্ধটা এমবিবিএস বনাম ডিএমএফ হওয়া উচিত নয়, যুদ্ধ হওয়া উচিত অব্যবস্থাপনা বনাম সুশৃঙ্খল রেফারেল সিস্টেম।

27/02/2026

কোন রোগী গ্রামে সুস্থ হবে আর কাকে শহরে পাঠাতে হবে—এই "ফিল্টারিং" ডিএমএফদের মাধ্যমে হলে সরকারি অর্থের অপচয় কমবে।

WHO–র বিশ্লেষণ বলছে—প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিড-লেভেল হেলথ প্রভাইডার ও গ্রাজুয়েট পেশাজীবীদের চিকিৎসার মানে উল্লেখযোগ্য প...
26/02/2026

WHO–র বিশ্লেষণ বলছে—
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিড-লেভেল হেলথ প্রভাইডার ও গ্রাজুয়েট পেশাজীবীদের চিকিৎসার মানে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই।

WHO স্বীকৃত মডেলে ডিএমএফ ডিগ্রিধারী চিকিৎসা পেশাজীবিদের কাজে লাগাইলে—

"সরকারের খরচ কমবো, স্বাস্থ্যব্যবস্থা মজবুত হইবো,
আর মানুষ পাইবো সস্তা, সহজ আর ভরসার চিকিৎসা।"

✔ গ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের তুলনায় নিয়োগ ও পরিচালনা ব্যয় প্রায় ৪০–৫০% কম।

✔ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ করা প্রতি ১ ডলারে দীর্ঘমেয়াদে ১০ ডলার পর্যন্ত সাশ্রয়—কারণ জটিল রোগ ও হাসপাতাল ভর্তি কমে।

এর বাস্তব অর্থ?

🔹 গ্রামের মানুষ জ্বর-সর্দি-ডায়রিয়া লইয়া শহরে দৌড়াইতে হইবো না।
দুয়ারে চিকিৎসা মানে সময় বাঁচবো, ভাড়া বাঁচবো, কামাই নষ্ট হইবো না।

🔹 চিকিৎসার খরচ কমবো।
লোকালেই সেবা পাইলে সংসারের স্বাস্থ্য খরচ ৩০–৪০% পর্যন্ত কমতে পারে।

🔹 “আগে ঠেকাও, পরে নয়”—এইটা কথায় না, কাজে হইবো।
ডায়াবেটিস, প্রেশার আগেই ধরা পড়বো, রোগ বড় হইতে পারবো না।

ফল কী?
কম টাকায় মজবুত স্বাস্থ্যব্যবস্থা।
মানুষের কম কষ্ট।
সরকারের কম চাপ।

👉 টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা (UHC) গড়তে—
ডিএমএফদের কাঠামোগত নিয়োগই হউক প্রথম কাজ।

24/02/2026

উপজেলায় নতুন এমবিবিএস মেডিকেল অফিসার পদায়ন নিঃসন্দেহে ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু একে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা বলে চালানো বাস্তবতার ঘোর বিরোধিতা। কাগজের কলামে পদায়ন হলেই কি গ্রামীণ জনপদে ২৪/৭ চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়? স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতা সংকট তৈরি করে পদায়ন নয়, অনুপস্থিতি ও অপ্রাপ্যতা। একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের ব্যস্ততা,চাপ কিংবা অনুপস্থিতি, জটিল রোগী ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা, জরুরি রেফারেল—এসবই ডিএমএফদের ভূমিকাকে অনস্বীকার্য করে তোলে।

রাষ্ট্র-স্বীকৃত, প্রশিক্ষিত ও নিবন্ধিত ডিএমএফদের পরিচয়কে ‘মেডিকেল সহকারী’ তকমায় সীমাবদ্ধ করা কেবল একটি শব্দচয়ন নয়, এটি একটি কাঠামোগত বৈষম্যের জন্ম দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যনীতিতে মিড-লেভেল প্রোভাইডার মডেল স্বীকৃত। কেননা একটি দক্ষ স্বাস্থ্যসেবা কখনোই একক পেশাজীবী গোষ্ঠীর একচেটিয়া অধিকারে চলে না। ডিএমএফরা "এক্সিলারি" নন, তারা স্বাস্থ্যব্যবস্থার অপরিহার্য স্তম্ভ।

১৫ লাখ অপ্রশিক্ষিত অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রাক্টিশনার উপস্থিতি রাষ্টের জন্য উদ্বেগের। কিন্তু সেই উদ্বেগকে পুঁজি করে রাষ্ট্র-প্রশিক্ষিত ডিএমএফদের কোয়াকের গহ্বরে ফেলে দেওয়া একটি সুপরিকল্পিত পেশাগত অপচেষ্টা। একই সঙ্গে আইনিভাবে প্রশিক্ষিত, পরীক্ষিত ও নিবন্ধিত একটি পেশাজীবী গোষ্ঠীকে যদি ‘মেডিকেল সহকারী’ তকমায় পর্যবসিত করা হয়, তবে তা নিছক নামকরণ নয়, এটি একটি আইনগত ও নৈতিক ব্যর্থতা। ডিএমএফদের লড়াই এমবিবিএস-এর সমকক্ষ হওয়ার নয়; এটি কোয়াক-মুক্ত, স্বীকৃত ও স্বতন্ত্র পেশাগত অস্তিত্বের লড়াই।

মেডিকেল অফিসার একটি স্বতন্ত্র পদ। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারও একটি স্বতন্ত্র, সাংবিধানিকভাবে সৃষ্ট ও স্বীকৃত পদ। এখন প্রশ্ন হলো—একটি পেশাজীবী গোষ্ঠী কেন অন্য একটি বৈধ পেশাজীবী গোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার ও পদের পরিধিতে হস্তক্ষেপ করবে? ডিএমএফরা শুধু সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য নয়; তারা সুশিক্ষিত ও প্রমাণিত মানবসম্পদ। এই সম্পদকে কাজে লাগাতে আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করা হোক, খর্ব নয়।

—যদি ‘ডা.’ প্রিফিক্স কিংবা ডিপ্লোমা ডা: ডিএমএফ ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্রিত হয়ে যায়, তবে সাধারণ মানুষ সঠিক স্তর বুঝতে পারেন না। এই যুক্তি এমবিবিএস মহল বারবার উপস্থাপন করেন।

তার সমাধান কী? ‘সহকারী ডা.’
আমরা স্বীকার করি, ‘ডা.’ প্রিফিক্স নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করা জরুরি। কিন্তু এর সমাধান ডিএমএফদের পরিচয় বিলোপ করা নয়, বরং স্পষ্ট ও স্বীকৃত প্রিফিক্স প্রতিষ্ঠা করা। ‘সহকারী ডা.’ (Assistant Doctor) একটি যুগোপযোগী সমাধান। চীন, উত্তর কোরিয়া , ভিয়েতনামের ৩-৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ধারীদের এই প্রিফিক্স দেয়া হয়।

এই প্রিফিক্সটি সাধারণ মানুষের বোধগম্যতা বাড়াবে, পেশাগত স্তর স্পষ্ট করবে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে পরিচয় রক্ষা করবে। এমবিবিএসদের উদ্বেগ যেমন সত্য, তেমনি ডিএমএফদের অস্তিত্বও সত্য।

এই দ্বন্দ্বের স্থায়ী সমাধান তিনটি স্তম্ভে দাঁড় করানো সম্ভব:
✔ Scope of Practice স্পষ্টকরণ: ডিএমএফদের কাজের পরিধি আইনত সংজ্ঞায়িত করতে হবে যা হবে আধুনিক বাস্তবসম্মত।
✔ রেফারেল সিস্টেম শক্তিশালীকরণ: জেলা-উপজেলা পর্যায়ে রেফারেল চেইন তৈরি করে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।
✔ স্বীকৃত প্রিফিক্স প্রতিষ্ঠা: ‘সহকারী ডা.’ প্রিফিক্স আইনত স্বীকৃতি দিয়ে পেশাগত পরিচয় ও রোগীর সুরক্ষা একসঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে।এতে করে জনগণের বোধগম্যতা অনুযায়ী ডিএমএফরা তখন চিকিৎসকের সর্বনিম্ন স্তরে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হবেন।

শেষকথা:

এটি কারও জায়গা দখলের লড়াই নয়; এটি আইনি স্বীকৃতি, কাঠামোগত ন্যায়বিচার ও জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে পেশাগত সম্মানের লড়াই। এখনো সময় আছে—সংঘাত নয়, সমন্বয়ের পথে হাঁটুন। স্বীকৃতি ও সহাবস্থানের মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

24/02/2026

কিছু হারামির বাচ্চা ডিএমএফ দের নিয়োগ ইচ্চেকরে বন্ধ করে নীতিকথার বুলি ঝারে ..

Address

Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Not Doctors Assistant But Seeking Our True Identity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram