Dr.Md. Saiful Islam Chowdhury

Dr.Md. Saiful Islam Chowdhury Assistant proffesor Medicine Skin & VD
Consultant Natural Medicine
Ex. Vice-Principal, RJEMCH

21/12/2025

আমি খুব গভীরভাবে বিস্মিত হয়ে পড়েছিলাম।
আমার স্ত্রী কান্নায় ভেঙে পড়েছিল।
আমি তাকে বলেছিলাম—
“দেখো, আমরা ইসলাম সম্পর্কে যা জানি, এই মানুষটা ঠিক সেটারই বাস্তব প্রমাণ।”

রোমানিয়ার একজন ভদ্রলোক, নাম ডক্টর স্টিফেন।
তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে ভ্রমণে গিয়েছিলেন তুরস্কে।

ভ্রমণের এক পর্যায়ে তারা রাস্তা হারিয়ে ফেলেন।
ততক্ষণে সন্ধ্যা নেমে এসেছে।
অচেনা জায়গা, কোথাও যাওয়ার পথ নেই,
কার কাছে সাহায্য চাইবেন—কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলেন না।

অবশেষে পাশের একটি বাড়িতে গিয়ে দরজায় কড়া নাড়লেন।

একজন মানুষ বের হয়ে এলেন।
তারা নিজেদের অসহায় অবস্থার কথা খুলে বললেন।

বাড়ির লোকটি বললেন—
“এই সময় আশেপাশে কোনো হোটেল পাবেন না।
আজকের রাতটা আপনারা আমার বাড়িতেই কাটিয়ে দিন।”

আর কোনো উপায় না থাকায়
রোমানিয়ান দম্পতি রাজি হয়ে গেলেন।

তাদের রাতের খাবার দেওয়া হলো।
খাবার খুব সাধারণ—
বাড়ির লোকজন যা খায়, অতিথিদেরও তাই দেওয়া হলো।

বাড়িটিতে মোট পাঁচজন সদস্য ছিলেন।

খাবার শেষে বাড়ির লোকটি বললেন—
“আপনারা বিশ্রাম নিন।
আমরা পাশেই আছি, প্রয়োজনে ডাকবেন।”

ডক্টর স্টিফেন ও তার স্ত্রী
তুরস্কের এক অজানা পল্লীতে
সেই রাত কাটালেন।

সকাল হলে
ডক্টর স্টিফেন বাড়ির কর্তার খোঁজে বের হলেন।
ভাবছিলেন ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নেবেন।

বাইরে গিয়ে যা দেখলেন,
তা দেখে তারা হতবাক হয়ে গেলেন।

দেখলেন—
বাড়ির লোকজন সবাই বারান্দায় রাত কাটিয়েছেন।
কনকনে ঠান্ডায়
কোনোরকমে ঘুমিয়েছেন তারা।

রোমানিয়ান দম্পতি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন—
“আপনারা বাইরে কেন?
আপনাদের ঠান্ডা লাগেনি?”

তুরস্কের মানুষটি মুচকি হেসে বললেন—
“আমাদের বাড়িতে একটাই ঘর।
সেই ঘরটা আমরা আপনাদের জন্য ছেড়ে দিয়েছি।
আমরা বারান্দায় রাত কাটিয়েছি,
কারণ আপনারা আমাদের মেহমান।”

লোকটি হাসিমুখে কথাটা বললেও
রোমানিয়ান দম্পতির চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগল।

তারা ভাবতেই পারেননি—
মানুষ নিজের ঘর ছেড়ে
মেহমানের জন্য এভাবে ত্যাগ করতে পারে।

তারা প্রশ্ন করলেন—
“এমন শিক্ষা আপনারা কোথায় পেলেন?”

তুরস্কের মানুষটি শান্তভাবে উত্তর দিলেন—
“আমাদের নবী মুহাম্মদ ﷺ আমাদের এভাবেই শিখিয়েছেন।
যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে,
সে যেন মেহমানকে সম্মান করে।”

এই ঘটনা ডক্টর স্টিফেনকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।

তিনি ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।
নবী মুহাম্মদ ﷺ সম্পর্কে জানতে চান।

তুরস্ক থেকেই
তারা ইসলাম ও রাসূল ﷺ সম্পর্কে বই সংগ্রহ করেন।

রোমানিয়ায় ফিরে যাওয়ার
মাত্র দুই মাসের মধ্যেই
স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ইসলাম গ্রহণ করেন।

কিন্তু ডক্টর স্টিফেন এখানেই থেমে যাননি।

ইসলামের সৌন্দর্যে তিনি এতটাই মুগ্ধ হন
যে এই সৌন্দর্য সবার কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করেন।

তিনি ভাবতেন—
“এ কেমন ধর্ম,
যে ধর্ম শিক্ষা দেয়—
নিজে কষ্ট করে অন্যকে স্বস্তি দিতে।”

তিনি ইসলাম নিয়ে গভীরভাবে পড়াশোনা করেন
এবং দাওয়াতের কাজে নেমে পড়েন।

যে ডক্টর স্টিফেন
অমুসলিম অবস্থায় তুরস্কে গিয়েছিলেন,
তিনি পরবর্তীতে বিশ্বের ১১২টি দেশ ভ্রমণ করেন
ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

তার মাধ্যমে
হাজারেরও বেশি মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেন।

মাত্র একজন মানুষের
আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়েই
এই পথচলার শুরু।

মেহমানদারি যে ইসলামে কতটা গুরুত্বপূর্ণ,
তা বোঝাতে রাসূল ﷺ এর জীবনের
আরেকটি ঘটনা রয়েছে।

একদিন এক ব্যক্তি
রাসূল ﷺ এর দরবারে এসে বলল—
“আমি খুব ক্ষুধার্ত।”

নবীজি ﷺ তার কোনো এক স্ত্রীর কাছে খাবারের জন্য পাঠালেন।
তিনি বললেন—
“যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন,
তার কসম, আমার কাছে পানি ছাড়া কিছুই নেই।”

এরপর একে একে
নবীজি ﷺ তাঁর সকল স্ত্রীর কাছেই পাঠালেন,
সবার উত্তর একই।

তখন রাসূল ﷺ সাহাবীদের দিকে তাকিয়ে বললেন—
“আজ রাতে কে এই ব্যক্তির মেহমানদারি করবে?
আল্লাহ তার প্রতি দয়া করবেন।”

একজন আনসারী সাহাবী দাঁড়িয়ে বললেন—
“ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমি করবো।”

তিনি মেহমানকে বাড়িতে নিয়ে গেলেন।

বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে বললেন—
“ইনি আল্লাহর রাসূল ﷺ এর মেহমান।
তার আপ্যায়নের ব্যবস্থা করো।”

স্ত্রী বললেন—
“বাচ্চাদের জন্য রাখা সামান্য খাবার ছাড়া
আমাদের কাছে কিছুই নেই।”

সাহাবী বললেন—
“ঠিক আছে, সেটুকুই প্রস্তুত করো।
বাচ্চাদের ঘুম পাড়িয়ে দিও।
মেহমান এলে বাতি নিভিয়ে দেবে,
আর আমরা খাওয়ার ভান করবো।”

ঠিক সেইভাবেই সব করা হলো।

মেহমান খেতে লাগলেন।
আর ঘরের সবাই
ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাত কাটালেন।

পরদিন সকালে
নবীজি ﷺ সেই সাহাবীকে দেখে বললেন—
“গতরাতে তোমাদের কাজে আল্লাহ খুবই সন্তুষ্ট হয়েছেন।”

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে
পবিত্র কুরআনের সূরা হাশরের একটি আয়াত নাজিল হয়—

“নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও
তারা অন্যকে নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয়।
নিজ মনের কার্পণ্য থেকে যারা মুক্ত,
তারাই সফল।”

এই সাহাবীর নাম ছিল আবু তালহা (রাঃ)।

একজন মানুষের আতিথেয়তায়
আল্লাহ এতটাই সন্তুষ্ট হন
যে কুরআনে আয়াত নাজিল করেন।

ইসলামের এই সৌন্দর্যগুলো
যদি আমরা নিজের জীবনে ধারণ করতে পারি,
তাহলে তা দেখেই
ডক্টর স্টিফেনের মতো
অনেক মানুষ সত্যের পথে ফিরে আসবে।

21/12/2025

লন্ডন ও ঢাকা: দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরার গুঞ্জন যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই বনি আমিনের একটি ফেসবুক পোস্ট রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ সুগম করতে দিল্লির দেওয়া তিনটি বিশেষ শর্তে সম্মতি দিয়েছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।
​কী সেই ৩টি বিতর্কিত শর্ত?
​গোপন সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, ক্ষমতার মসনদে বসতে তারেক রহমানকে মানতে হবে এই বিষয়গুলো:
​১. আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন: 'রিফাইন্ড' বা পরিমার্জিত রূপে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের ওপর থেকে সকল বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়া।
​২. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ: ভারতের সম্মতি ছাড়া অন্য কোনো দেশের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি করা যাবে না এবং কোনো আধুনিক সমরাস্ত্র ক্রয় করা যাবে না।
​৩. ইসলামী দলগুলোর অবদমন: জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য ইসলামী দলগুলোর ওপর '৭১-এর চেতনা' বা বিশেষ তকমা লাগিয়ে তাদের শীর্ষ নেতাদের কারান্তরীণ ও রাজনীতি থেকে দূরে রাখা।

​ #তারেক_রহমান #বাংলাদেশ_রাজনীতি #ভারতের_শর্ত #গোপন_সমঝোতা #বনি_আমিন #রাজনৈতিক_সংবাদ

​পোস্টটিতে বর্তমান অবস্থাকে পলাশীর যুদ্ধের সাথে তুলনা করা হয়েছে। যেভাবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীর জাফর ও মীর কাসিমকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করেছিল, বর্তমান 'মাস্টারপ্ল্যান' কি সেই একই পথে হাঁটছে? ১৭ বছর আগে এক মুচলেকায় দেশ ত্যাগ করা যুবরাজ কি তবে আরেক 'গোপন মুচলেকা' দিয়ে ফিরছেন?
​"এতগুলো তাজা প্রাণের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে শেষপর্যন্ত কি দিল্লির সাথেই হাত মেলাতে হলো?"

13/12/2025

সুচিল দের খুঁজে খুজে বের করুন।
মব মব করতে গিয়ে আমরা জুলাইকেই হারিয়ে দিয়েছি।

জুলাই নিজেই মব। অদম্য সেই মবকেই ভয় পেয়েছিলো লীগের খু নীরা।

অতঃপর কিছু সুশীল এলো। মব মব বলে জুলাইকে কর্নারড করলো। খু নী রা ফিরে এলো।

খু নীরা খু ন করতে লাগলো। মবমারানি সুশীলদেরকে আর খুঁজে পাওয়া গেলো না।

বিশিষ্ট নাগরিকদের বিবৃতি পাওয়া গেলো না। কলাম লিখাও হলো না।

এখন আবার এইসব খু নি দের ধাবড়ানি দিতে যান, টকশোতে মব মব বলে ফেনা তুলবে, পত্রিকা কলামে সয়লাব হয়ে যাবে।

কিন্তু বাস্টার্ডদের সাথে বাস্টার্ডের মতোই আচরণ করা লাগে। এইসব খু নীদের জন্য মবের দরকার আছে। এরা পুলিশ আর্মি ভয় পায় না, এরা জুলাইয়ের মবকেই ভয় পায়। এই মবকে ফিরায়ে আনেন। বুইড়া খাটাশগুলো টকশোতে আলবাল বকুক, বিবৃতি দিক হাজারটা, এইসবে কোনো বালও ছিঁড়বে না। জুলাইয়ে ছিঁড়ে নাই, এখনো ছিড়বে না।

এক হোন, জুলাই ফিরাইয়া আনেন। নয়তো নেক্সট গুলি আপনার মগজে বিঁধবে।

(কালেক্টেড)

13/12/2025
13/12/2025

এখন কি জবাব দিবেন? এমন একজন খু/নির জামিন করাতে পারলে তাকে দিয়ে এই হত্যার মিশন সম্পন্ন করাটা কি অস্বাভাবিক কিছু।

ছাত্রলীগ দিয়ে মিশন সাকসেস করতে চেয়েছে যাতে দোষ ঘাড়ে না আসে! এইজন্য গতকাল ভুয়া ভুয়া মিছিল করছে ইনকিলাব মঞ্চ! তারা তো অন্তত আন্দাজ কর‍তে পারছে মনে হয়।

এইজন্য ইনকিলাব মঞ্চ কর্মি জোড় গলায় বলেছে "আপনি গু/লি করিয়েছেন। এর উত্তর কি আছে আপনাদের কাছে। অথচ গতকাল থেকে কত না গুজব আশ্রয় নিলেন। সত্য কি কখনো ঢাকা সম্ভব?

28/11/2025

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জুলাই মাসের গণহত্যার মামলায় দণ্ডিত হওয়ার পর শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ ভারত খতিয়ে দেখছে। তবে এই প্রত্যর্পণের শুরুটা হবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজাপ্রাপ্ত আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালকে দিয়েই।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম লেখেন, তিনি বিশ্বাস করেন, জুলাইয়ের ঘটনাবলির অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে একদিন বাংলাদেশের আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।

প্রেস সচিব লিখেছেন, তিনি ক্রমেই আরও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে, আসাদুজ্জামান খান কামাল যিনি ঢাকার কসাই হিসেবে পরিচিত—খুব শিগগিরই বিচারের মুখোমুখি হতে বাংলাদেশে প্রত্যর্পিত হবেন।

তিনি বলেন, হাসিনার প্রায় ১৬ বছরের শাসনামলে সংঘটিত অপরাধগুলো সম্পর্কে যতদিন যাচ্ছে ততই আলো পড়ছে এবং সেই সঙ্গে গণহত্যা ও গুমের ঘটনায় কামালের ভূমিকা বৈশ্বিক গণমাধ্যমের আরও বেশি মনোযোগ পাবে।

শফিকুল আলম আরও লেখেন, কামাল বা অন্য আওয়ামী লীগ নেতারা যত অর্থই ব্যয় করুক না কেন, চিরদিন দায় এড়ানো সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা জাতি হিসেবে যদি জুলাইয়ের গণহত্যার শিকারদের জন্য এবং হাসিনা আমলে সংঘটিত সব মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত করতে দৃঢ় ও মনোনিবেশ থাকতে পারি, তবে যারা এসব ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের পক্ষে পরিণতি এড়িয়ে যাওয়া দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠবে।’

এছাড়াও তিনি এই প্রক্রিয়াটি শুরু হবে কামালকে দিয়েই এবং এরপর একে একে অন্যদের প্রত্যর্পণ হবে বলে ইঙ্গিত দেন।

05/09/2023

Address

Laksam
Laksam

Telephone

+8801799207846

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md. Saiful Islam Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Md. Saiful Islam Chowdhury:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram