Tawsif Al Hasan

Tawsif Al Hasan "খাদ্য যখন পথ্য হয় রোগ তখন দূরে রয় "
"প্রকৃতির সাথে থাকুন সুস্থ থাকুন "
(3)

20/03/2026

ইদ মোবারক 🥰🥀

🔴 বর্ধিত প্রোস্টেট প্রতিরোধের টিপস 🔴৪০-৫০ বছর বয়সের পরে পুরুষদের মধ্যে বর্ধিত প্রোস্টেট দেখা যায়, তবে কিছু জীবনযাত্রার ...
11/03/2026

🔴 বর্ধিত প্রোস্টেট প্রতিরোধের টিপস 🔴

৪০-৫০ বছর বয়সের পরে পুরুষদের মধ্যে বর্ধিত প্রোস্টেট দেখা যায়, তবে কিছু জীবনযাত্রার অভ্যাস ঝুঁকি কমাতে বা এর অগ্রগতি ধীর করতে সাহায্য করতে পারে।

১️⃣ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন

ওজন বেশি হলে প্রোস্টেট বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে।

✔ নিয়মিত ব্যায়াম (প্রতিদিন ৩০ মিনিট)
✔ অতিরিক্ত পেটের চর্বি এড়িয়ে চলুন

২️⃣ প্রোস্টেট-স্বাস্থ্যকর ডায়েট খান

প্রোস্টেট স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন:
🥦 সবুজ শাকসবজি (ব্রোকলি, পালং শাক)
🍅 টমেটো (লাইকোপিন সমৃদ্ধ)
🥜 বাদাম এবং বীজ
🐟 ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ

এড়িয়ে চলুন:
❌ অতিরিক্ত লাল মাংস
❌ অতিরিক্ত ভাজা বা প্রক্রিয়াজাত খাবার

৩️⃣ শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন
নিয়মিত শারীরিক কার্যকলাপ হরমোনের ভারসাম্য এবং প্রোস্টেটের চারপাশে রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে।
📍উদাহরণ:
📍হাঁটা
📍সাইকেল চালানো
📍যোগ

৪️⃣ অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন সীমিত করুন
অত্যধিক অ্যালকোহল বা ক্যাফেইন মূত্রাশয়কে জ্বালাতন করতে পারে এবং প্রোস্টেটের লক্ষণগুলিকে আরও খারাপ করতে পারে।

৫️⃣ বিচক্ষণতার সাথে জল পান করুন
✔ দিনের বেলা পর্যাপ্ত জল পান করুন
❌ রাতে প্রচুর পরিমাণে পান করা এড়িয়ে চলুন (রাতের প্রস্রাব কমাতে)।

৬️⃣ পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম করুন
কেগেল ব্যায়ামের মতো ব্যায়ামগুলি পেলভিক পেশীগুলিকে শক্তিশালী করে এবং মূত্রাশয় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

৭️⃣ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা
৪৫-৫০ বছর বয়সের পরে, নিয়মিত প্রোস্টেট পরীক্ষা সমস্যাগুলি প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করতে সহায়তা করে।

✅ সংক্ষিপ্ত টিপস:

স্বাস্থ্যকর খাদ্য + দৈনিক ব্যায়াম + ওজন নিয়ন্ত্রণ = উন্নত প্রোস্টেট স্বাস্থ্য।

আরও তথ্য জানতে এবং প্রাকৃতিক পোডাক্ট দ্বারা সুস্হ হতে কল করুন ☎️01879-455509

09/03/2026

ওভারির সিস্ট বা PCOS কমাতে চাইছেন? এই ৫টি সাপ্লিমেন্ট অনেক নারীর জন্য কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে!

✅ ওভারির সিস্ট কমানোর ৫টি কার্যকর সাপ্লিমেন্ট:

১. Inositol (মায়োইনোসিটল + D-Chiro Inositol) :
হরমোন ভারসাম্য ঠিক রাখে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। ওভারির ফাংশন উন্নত করতে এবং সিস্টের আকার কমাতে সাহায্য করে।
২. Omega-3 fatty acids (Fish Oil / Flaxseed Oil):
প্রদাহ কমায় এবং হরমোন ভারসাম্য ঠিক রাখে। ওভারির সিস্ট এবং PMS কমাতে সহায়ক। চুল, ত্বক ও হার্টের স্বাস্থ্যও উন্নত করতে সাহায্য করে।
৩. Vitamin D: ওভারির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখে। হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী রাখে।
৪. Magnesium Glycinate: হরমোন ভারসাম্য ঠিক রাখে। মাসিক নিয়মিত রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়ক। মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে।
৫. Vitamin E : শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। হরমোন ভারসাম্য বজায় রাখে। PMS ও মাসিক সমস্যায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।
👉

28/02/2026

হায়রে মুসলিম জাতি
😭😭😭
ফ্যাক্ট :আফগানিস্তান পাকিস্তান যুদ্ধ

26/02/2026

কাঁচা পেঁপে,,,,, 🥰🥀

24/02/2026

23/02/2026
23/02/2026

লিভার বা যকৃৎ আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি সুস্থ রাখা দীর্ঘায়ুর জন্য অপরিহার্য। নিচে লিভার রোগের প্রধান লক্ষণ এবং এটি আজী"বন সুস্থ রাখার কিছু কার্যকরী ভেষজের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো 🫵🫵

লিভার রোগের প্রধান লক্ষণসমূহ:
🔷জন্ডিস: ত্বক এবং চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া।
পেটে ব্যথা ও ফোলাভাব: পেটের উপরের ডান দিকে ব্যথা অনুভব হওয়া এবং পেট ফুলে যাওয়া।
পা ফুলে যাওয়া: পা এবং গোড়ালিতে পানি আসা বা ফুলে যাওয়া।

🔷ত্বকে চু"লকানি: শরীরে অতিরিক্ত ও অস্বস্তিকর চুলকানি অনুভব হওয়া।
প্রস্রাব ও মলের রঙের পরিবর্তন: প্রস্রাবের রং অতিরিক্ত গাঢ় হওয়া এবং মল ফ্যাকাশে বা কালচে রঙের হওয়া।

🔷অতিরিক্ত ক্লান্তি: পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও সারাদিন প্রচণ্ড দুর্বল ও ক্লান্ত লাগা।
অরুচি ও বমি বমি ভাব: খাবারে ইচ্ছা না থাকা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

🔷সহজেই কালশিটে পড়া: শরীরে সামান্য আঘাতেই কালশিটে পড়ে যাওয়া বা রক্তপাত হওয়া।

🥃লিভার আজীবন সুস্থ রাখতে কার্যকরী ভেষজ:
প্রাকৃতিক কিছু ভেষজ উপাদান লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং সুরক্ষা দিতে দারুণ কাজ করে। নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:

🔴কালমেঘ পাতা: এটি লিভার পরিষ্কার রাখতে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) বের করে দিতে অত্যন্ত কার্যকর। এর রস নিয়মিত খেলে লিভারের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং হজমশক্তির উন্নতি হয়।
🔴ভুঁই আমলা: প্রাচীনকাল থেকেই জন্ডিস এবং লিভারের নানা জটিলতা দূর করতে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি লিভারের কো'ষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় এবং এর স্বাভাবিক কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনে।
🔴কাঁচা হলুদ: হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেলে লিভারের ফ্যাট বা চর্বি কমার পাশাপাশি প্রদাহ কমে।
🔴রসুন: রসুনে থাকা অ্যালিসিন এবং সে"লেনিয়াম লিভারের এনজাই"মগুলোকে সক্রিয় করে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান দ্রুত বের করে দিতে সাহায্য করে।
🔴আমলকী: ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আমলকী লিভারের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। প্রতিদিন একটি কাঁচা আমলকী চিবিয়ে খেলে বা এর রস খেলে লিভার সতেজ থাকে।
🔴অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী: অ্যালোভেরার জুস শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং লিভারকে প্রাকৃতিকভাবে পরি'ষ্কার করতে সহায়তা করে।
👉 আর আমাদের আছে লিভ কিয়ার, এবং পাপায়া. সেই সাথে সাপোর্টিং হিসেবে কাজ করে ক্লিনজিং ডিটক্স.
অতএব আসুন আমরা সবাই আমাদের শরীরের মহামূল্যবান অর্গান লিভারকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ক্লিন করি ধন্যবাদ।

লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটা একদল বৃদ্ধ লোক একটা বাড়িতে ঢুকল, আর এক সপ্তাহ পর তারা দৌড়ে বের হলো!কোনো ওষুধ ছাড়া, কোনো সার্জারি ছা...
23/02/2026

লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটা একদল বৃদ্ধ লোক একটা বাড়িতে ঢুকল, আর এক সপ্তাহ পর তারা দৌড়ে বের হলো!কোনো ওষুধ ছাড়া, কোনো সার্জারি ছাড়া। জাস্ট ব্রেইনের একটা ছোট্ট সুইচ অন করে।

কীভাবে?

ঘটনাটা ১৯৭৯ সালের।

হার্ভার্ডের এক তুখোড় সাইকোলজিস্ট, ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার একটা পাগলামি করার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি চেয়েছিলেন টাইম ট্রাভেল করতে, কিন্তু কোনো মেশিন ছাড়া।

তিনি বেছে নিলেন ৮০ বছরের কাছাকাছি বয়সের আটজন বৃদ্ধ মানুষকে। এদের অবস্থা এমন ছিল যে, কেউ লাঠি ছাড়া হাঁটতে পারতেন না, কারো হাত কাঁপত, কারো চোখে ছানি, আবার কেউ বা নিজের নামটাও ঠিকমতো মনে রাখতে পারতেন না।

তাদের ছেলেমেয়েরা ভেবেছিল, বাবাকে বুঝি কোনো নার্সিং হোমে পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু তারা জানত না, তাদের বাবাদের পাঠানো হচ্ছে ১৯৫৯ সালে!

না, কোনো জাদুর দুনিয়া না। ডক্টর ল্যাঙ্গার বোস্টনের এক পুরনো মনাস্ট্রি বা আশ্রমকে পুরোপুরি সাজিয়েছিলেন ১৯৫৯ সালের স্টাইলে। সেখানে ১৯৭৯ সালের কোনো নামগন্ধও ছিল না। টিভি ছিল সাদাকালো, সেখানে চলতো ১৯৫৯ সালের নিউজ, এড সুলিভানের শো। রেডিওতে বাজত সেই সময়ের গান। ম্যাগাজিন, পত্রিকা—সব ২০ বছর আগের।

গল্পের প্রথম টুইস্টটা এখানেই।

ওই আটজন বৃদ্ধ যখন সেখানে পৌঁছালেন, তারা ভেবেছিলেন কেউ এসে তাদের ব্যাগপত্র টেনে রুমে দিয়ে আসবে, যেমনটা তাদের বাসায় হয়।

কিন্তু ডক্টর ল্যাঙ্গার কঠোরভাবে বলে দিলেন, "এখানে কেউ আপনাদের সাহায্য করবে না। নিজেদের ব্যাগ নিজেদেরই নিতে হবে।"

তারা রেগে গেলেন, গজগজ করলেন। কিন্তু উপায় না দেখে, ধুঁকতে ধুঁকতে নিজেদের ভারী সুটকেস নিয়ে দোতলায় উঠলেন। আর ঠিক তখনই তাদের ব্রেইনে প্রথম সিগন্যালটা গেল—"আমি অক্ষম নই, আমি পারি।"

শর্ত ছিল একটাই—এই এক সপ্তাহ তাদের অভিনয় করতে হবে যে এখন সালটা ১৯৫৯।

তারা "অতীত কাল" বা পাস্ট টেন্সে কথা বলতে পারবেন না। বলতে হবে প্রেজেন্ট টেন্সে। যেমন- "প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার এখন কী করছেন?" বা "ক্যাস্ত্রো হাভানায় কী করছে?"

তাদের আলোচনা করতে হবে ওই সময়ের রাজনীতি, খেলা আর সিনেমা নিয়ে, যেন তারা এখন ওখানেই আছেন। তাদের বয়স তখন যা ছিল- অর্থাৎ ৫৫ বা ৬০- তাদের ঠিক সেই এনার্জি নিয়ে কথা বলতে হবে।

প্রথম দুই দিন তারা খুব স্ট্রাগল করলেন। কিন্তু তৃতীয় দিন থেকে এক অদ্ভুত ম্যাজিক শুরু হলো। যে লোকটা বাতের ব্যথায় সোজা হয়ে বসতে পারতেন না, তিনি ডাইনিং টেবিলে সোজা হয়ে বসে তর্ক করছেন পলিটিক্স নিয়ে।

যিনি কানে কম শুনতেন, তিনি রেডিওর ভলিউম কমিয়ে গান শুনছেন। পরিবেশটা তাদের বাধ্য করছিল বিশ্বাস করতে যে তারা বুড়ো নন, তারা এখনো মিডল-এজড শক্তিশালী পুরুষ।

সবচেয়ে বড় শকটা এল সপ্তাহের শেষ দিনে। ডক্টর ল্যাঙ্গার আশ্রমের সামনের মাঠে একটা দৃশ্য দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

যে বৃদ্ধরা এক সপ্তাহ আগে বাস থেকে নামার সময় অন্যের সাহায্য খুঁজছিলেন, তারা এখন মাঠে 'টাচ ফুটবল' খেলছেন! হ্যাঁ, ফুটবল! তাদের দৌড়াদৌড়ি দেখে মনে হচ্ছিল তাদের বয়স সত্যি সত্যি ২০ বছর কমে গেছে।

এক্সপেরিমেন্ট শেষে যখন তাদের ফিজিক্যাল টেস্ট করা হলো, ডাক্তাররা রিপোর্ট দেখে থ হয়ে গেলেন। তাদের হাতের গ্রিপের জোর বেড়ে গেছে, জয়েন্টের নমনীয়তা বেড়েছে, এমনকি দৃষ্টিশক্তি আর শ্রবণশক্তিও ইম্প্রুভ করেছে! চশমা ছাড়াই তারা ছোট লেখা পড়তে পারছিলেন। আইকিউ টেস্টে তাদের স্কোর বেড়ে গিয়েছিল।

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং টুইস্টটা হলো, তাদের আগের আর পরের ছবি যখন অপরিচিত লোকদের দেখানো হলো (যারা এই এক্সপেরিমেন্ট সম্পর্কে জানত না), তারা ছবি দেখে বলল, "পরের ছবিগুলোতে তো এদের অনেক ইয়াং লাগছে!" মানে শুধু ফিলিংস না, তাদের চেহারার বলিরেখাও কমে গিয়েছিল। বায়োলজিক্যালি তাদের বয়স রিভার্স করেছিল!

ডক্টর এলেন ল্যাঙ্গার প্রমাণ করলেন, আমরা যখনই নিজেদের বলি—"আমার বয়স হয়ে গেছে, আমাকে দিয়ে আর হবে না"—তখন আমাদের শরীরও সেটা মেনে নেয় এবং শাটডাউন হতে শুরু করে।

আমাদের সমাজ আমাদের শেখায় যে বুড়ো হওয়া মানেই অসুস্থ হওয়া, আর আমরা সেই স্ক্রিপ্টটাই ফলো করি। কিন্তু যখনই ওই বৃদ্ধদের পরিবেশ বদলে দেওয়া হলো এবং তাদের বিশ্বাস করানো হলো যে তারা এখনো ইয়াং, তাদের শরীরও সেই অনুযায়ী রেসপন্স করল। একে বলে "Mind-Body Connection" বা প্লাসিবো ইফেক্টের বাপ!

সো ব্রাদার, আপনি এখনই হয়তো মাঝেমধ্যে বলেন, "ভাল্লাগে না, টায়ার্ড লাগে, আমাকে দিয়ে হবে না।" চিন্তা করুন, ৮০ বছরের বৃদ্ধরা যদি শুধু মাইন্ডসেট চেঞ্জ করে লাঠি ফেলে ফুটবল খেলতে পারেন, তবে আপনি কী না করতে পারেন!

আপনার সীমাবদ্ধতা আপনার শরীরে না, ওটা আপনার মাথায়।

আপনি যখনই ভাবেন আপনি দুর্বল, আপনি দুর্বল। আর যখন ভাবেন আপনি সুপারহিরো, আপনার ব্রেইন শরীরকে সেই সিগন্যালই পাঠায়। ফোনটা রেখে এবার নিজেকে আয়নায় দেখুন আর বলুন, "আমিই বস, আমার এনার্জির কোনো লিমিট নেই।"

বিশ্বাস করুন, আপনার শরীর সেই কথা শুনতে বাধ্য।

শুরু করে দিন, পৃথিবী আপনার অপেক্ষায়!

?
22/02/2026

?

21/02/2026

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় উপবাসের পর ইফতারে সঠিক খাবার নির্বাচন করা শরীরের শক্তি ফিরে পেতে এবং সুস্থ থাকতে অত্যন্ত জরুরি। হুট করে খুব বেশি তৈলাক্ত বা ভারী খাবার খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।

নিচে ইফতারে কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়িয়ে চলা উচিত তার একটি তালিকা দেওয়া হলো:

✅ যেসব খাবার খাওয়া উচিত (উপকারী)
ইফতারে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং দ্রুত শক্তি জোগায়।

খেজুর: এটি সুন্নাহ এবং বিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও সেরা। এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি ও ফাইবার দ্রুত শক্তি দেয়।

পর্যাপ্ত পানি: ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অল্প অল্প করে প্রচুর পানি পান করুন।

ফলের রস ও ডাবের পানি: ঘরে তৈরি চিনির অভাবমুক্ত ফলের রস বা ডাবের পানি ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখে।

তরল ও নরম খাবার: স্যুপ, পাতলা খিচুড়ি বা ওটস পেটের জন্য আরামদায়ক।

আঁশযুক্ত খাবার ও ফল: শসা, তরমুজ, আপেল বা কলা। এগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

দই ও চিড়া: এটি পেট ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সহায়তা করে।

প্রোটিন: সেদ্ধ ডিম বা গ্রিল করা মুরগির মাংস পেশির ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।

❌ যেসব খাবার বর্জন করা উচিত (ক্ষতিকর)
অতিরিক্ত ভাজা পোড়া এবং মিষ্টি খাবার ইফতারের পর ক্লান্তি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ায়।

অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া: পেঁয়াজু, বেগুনি, সিঙ্গাড়া বা সমোসা। এগুলো বুক জ্বালাপোড়া এবং বদহজমের প্রধান কারণ।

চিনির শরবত ও কোমল পানীয়: কৃত্রিম রঙ ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং পরে ক্লান্তি আনে।

অতিরিক্ত ঝাল ও মশলাযুক্ত খাবার: এগুলো পাকস্থলীতে অস্বস্তি তৈরি করে।

কফি বা চা: ক্যাফেইন শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য (Dehydrate) করে ফেলে।

প্রসেসড ফুড: টিনজাত খাবার বা ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলাই ভালো।

💡 কিছু জরুরি টিপস:
ধীরে ধীরে খাওয়া: ইফতারের সময় তাড়াহুড়ো করে না খেয়ে চিবিয়ে সময় নিয়ে খান।

পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ: পেট ভরে অতিরিক্ত না খেয়ে অল্প পরিমাণে কয়েকবারে খান।

লবণ কমান: অতিরিক্ত লবণ শরীর থেকে পানি শুষে নেয়, ফলে তৃষ্ণা বেশি লাগে।

🥗 আদর্শ স্বাস্থ্যকর ইফতার🤗
মেনুসময়খাবারের নামকেন খাবেন?
শুরুতে২-৩টি খেজুর ও ১ গ্লাস সাধারণ তাপমাত্রার পানি।

দ্রুত এনার্জি পেতে এবং পানিশূন্যতা কমাতে।মূল ইফতার১ বাটি ফলের সালাদ (তরমুজ, পেঁপে, আপেল, কলা)।ভিটামিন ও আঁশ (Fiber) এর জন্য।

তরল খাবারসবজি স্যুপ অথবা ১ গ্লাস টক দইয়ের লাচ্ছি/ঘোল।পেট ঠান্ডা রাখতে ও হজম সহজ করতে।ভারী কিছুচিড়া-কলা-দই অথবা অল্প ওটস/পাতলা খিচুড়ি।

এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং গ্যাস্ট্রিক কমায়।প্রোটিন১টি সেদ্ধ ডিম অথবা সামান্য ছোলা (কম তেলে ভাজা)।পেশি গঠন ও শরীরের শক্তি ধরে রাখতে।

⚠️ একটি ছোট সতর্কতা:
ইফতারে আমরা সাধারণত একসাথে অনেক বেশি বেগুনি বা পেঁয়াজু খেয়ে ফেলি। যদি এগুলো খেতেই হয়, তবে চেষ্টা করবেন ডুবো তেলে না ভেজে অল্প তেলে "শালো ফ্রাই" করতে বা এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে।

তাওসীফ_আল_হাসান
প্রত্যয়িত স্বাস্থ্য পরামর্শদাতা🩺
খাদ্য,পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সম্পূরক
☎️০১৮৭৯-৪৫৫৫০৯

Address

Maijdee Court
Maijdee Court
3807

Telephone

+8801879455509

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tawsif Al Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram