Homoeo Medicine Express

Homoeo Medicine Express Health Tips, Treatment, Homoeo Medicine

08/04/2022

আজ একটি বিরল রোগ নিয়ে আলোচনা করি।

[মৌমিতা'কে (ছদ্মনাম) তার স্বামী নিয়ে এসছেন। তাদের নতুন বিয়ে। কিন্তু এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার ঝগড়া হয়ে তাদের মধ্যে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে মৌমিতা ভাংচুর করেন। এ নিয়ে মোট ৩ টি স্মার্ট ফোন ভেংগেছেন।

গতকাল তর্কাতর্কির জেরে নাকি ঘরের টিভি ভেংগে ফেলেছেন। নতুন টিভি, বিয়ে উপলক্ষ্যে কেনা। দেয়ালে আঘাত করে নিজের হাতে তৈরি করেছেন বড় ধরনের ক্ষত।

মৌমিতার আর কোনই সমস্যা নেই। শ্বশুরবাড়ির সবার সাথে তার ভালো, সু-সম্পর্ক এবং সেটা সব সময়। কেবল ঝগড়াঝাটি বা তর্কাতর্কি নিয়ে রাগ উঠলে নিজেকে আর সংবরণ করতে পারেন না। এ সমস্যা আগেও ছিলো। বাবা মা তেমন গুরুত্ব দেননি।

আধাঘন্টা বা এক ঘন্টা পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মৌমিতা তখন নিজের ভুলটি বুঝতে পারেন। অনুতপ্ত হন। তিনি বুঝেন মামুলি বিষয় নিয়ে অতো রাগের কিছুই ছিলোনা। কিন্তু তিনি নিজেকে সে সময়টিতে সংবরণ করতে পারেন না। সমস্যাটি সেখানেই।

শ্বশুর বাড়িতে নতুন বউ -মৌমিতাকে নিয়ে প্রচন্ড ভুল বুঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে কানাঘুষা ]



ইন্টারমিটেন্ট এক্সপ্লোসিভ ডিসঅর্ডার (Intermittent Explosive Disorder) কি?

ইন্টারমিটেন্ট এক্সপ্লোসিভ ডিসঅর্ডার বা আই.ই. ডি (IED) একটি আচরণগত ব্যাধি যাতে রোগী হঠাৎ করে তীব্র ক্রোধের বশবর্তী হয় এবং এমন ধ্বংসাত্মক কাজ করে যা পরিস্থিতির বা ব্যাক্তির ব্যাক্তিত্বের সাথে মোটেই খাপ খায়না।

সহজ ভাষায়, হঠাৎ করে রেগে গিয়ে ভাংচুর করা, নিজেকে আঘাত করা, অন্যকে আঘাত করা, অশালীন আচরণ করা, সম্পর্ক-চ্ছেদ করা, খারাপ মন্তব্য করা, চিৎকার চেচামেচি করে একটা অস্বাভাবিক, বিশ্রী পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি করা যা মোটেই মানানসই নয়।

এটি একটি বিরল মানসিক রোগ। কিন্তু অজ্ঞতার জন্যে এ নিয়ে কেউ মাথা ঘামান না, সাইকিয়াট্রিস্ট এর শরণাপন্ন হননা। প্রিয়জনের রাগের বশবর্তী হয়ে অযৌক্তিক আচরণ নিয়ে আজীবন অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করেন।

মামুলি বিষয় নিয়ে ক্রোধ বা আবেগের বশবর্তী হয়ে আই ই ডি (IED) রোগীরা এসব অযৌক্তিক, অস্বাভাবিক আচরণ করেন। তারা এটা না বুঝেই করেন, কিন্তু ধীরে ধীরে যত সময় অতিবাহিত হতে থাকে তারা তাদের ভুলটি বুঝতে পারেন। অনুতপ্ত হন। কিন্তু ততক্ষণে পারিবারিক- সামাজিক জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ দূর্ঘটনা।

লক্ষণঃ

তীব্র ক্রোধে ফলশ্রুতিতে আই ই ডি রোগীরা যে সমস্থ আচরণ করেন তা হলো,

১) ক্রমাগত নিজের পক্ষে যুক্তি তথ্য গুলো চিৎকার করে বলতে শুরু করা,
২) দেয়ালে নিজেকে আঘাত করা
৩) হাত কাটা, ধাক্কা বা ধাক্কা করা
৪) অন্যকে আঘাত করা
৫) টিভি, মোবাইল, গ্লাস, ফার্নিচার ভাংচুর করা
৬) নিজের সম্পত্তির ক্ষতি করা, প্রতিপক্ষকে হুমকি প্রদর্শন করা, গায়ে হাত তোলা বা আক্রমণ করা।
৭) আগুন লাগিয়ে দেয়া।

ইন্টারেসটিং হলো এ অস্বাভাবিক আচরণ গুলো সাধারণত পূর্বপরিকল্পিত, বা ইচ্ছাকৃত নয়। এ ঘটনাটি পরিবারের অতি নিকটতম মানুষের সাথেই ঘটে এবং এটা বার বার হয়, প্রতি সপ্তাহেই একাধিক বার। প্রচন্ড ক্রোধ ও আবেগতাড়িত হয়ে রোগী নিজেকে এসব আচরণ থেকে নিবৃত্ত করতে পারেন না। আর পরবর্তীতে যখন তার ক্রোধ বা আবেগ চলে যায়, তিনি অনুশোচনা করেন, বিব্রত হন, কিন্তু তখন আর কিছু করার থাকে না।

কারনঃ

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রেইনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশে (Anterior Cingulate) সেরোটোনিন নিউরোট্রান্সমিটার এর ভারসাম্যহীনতায় এমন হয়ে থাকে। পুরুষদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা বেশী।

চিকিৎসাঃ

Psychotherapy (সাইকোথেরাপি) এবং SSRI (সিলেকটিভ সেরোটোনিন রি-আপটেক ইনহিবিটর) দারুন কার্যকরী । তাছাড়া মুড স্ট্যাবিলাইজার ও ব্যবহার করা হয়।

আসুন, মানসিক রোগ গুলো নিয়ে সচেতন হই। তাদের সুন্দর সুখী জীবন গড়তে সহায়তা করি।

ডা. সাঈদ এনাম
ডিএমসি কে-৫২, বিসিএস-২৪
সহকারী অধ্যাপক, সাইকিয়াট্রি।

20/10/2021

আপনার শিশুটি আত্মহত্যাপ্রবণ কিনা কিভাবে বুঝবেন??

১) সবকিছুতে টপ অব টপ হতে চায়, এবং ফার্স্ট না হতে পারলে চরম বিষন্নতায় ভুগে।এরা শুধু ক্লাসে না,টোটাল স্কুলে ১নং হতে চায়।
২)ছোটবেলা থেকেই চেহারায় বয়সের তুলনায় বেশি সিরিয়াস ভাব।
৩)তাদের জ্ঞান দেখে আপনি অবাক হবেন। বয়সের তুলনায় অধিক জ্ঞানী।
এর মা বাবা বলবে-
" আমার ছেলে/মেয়ে অনেক জ্ঞানী, স্মার্ট, জিনিয়াস"।
৪)অন্যের প্রসংশা কামনা করে, না পেলে সহজেই পরিত্যক্ত ফিল করে।
৫)ইমোশনাল দিক থেকে এরা অন্তর্মুখী। এরা ক্লাসে পড়াশোনা বিষয় নিয়ে ক্লাসমেটের চেয়ে শিক্ষকের সাথে আলোচনা করতে পছন্দ করে।কারন ক্লাসমেটার তেমন কিছু জানে না।
৬)এদের মন খারাপ হলে হেডফোন লাগিয়ে দূঃখের গান শুনে।
৭)অন্তর্মুখী, একাকিত্ব স্বভাবের, কিন্তু গাড়ী চালানোর সময় খুব খুব ফাস্ট রাইড করে।
৮)ক্লাসে সেকেন্ড হওয়া, মনোকষ্ট, ভালোবাসার মানুষ না পাওয়া প্রভৃতির পর হঠাৎ অতিমাত্রায় ধার্মিক হওয়া।
৯)প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রতিশোধ ( কেবল প্রতিশোধ) নেয়ার জন্য একাধিক মেয়ে/ছেলের সাথে প্রেম করা।
১০) সংসারে অশান্তি, মা বাবার ডিভোর্স ইত্যাদি হলে এরা মনে করে আমার জীবন আর সুখময় হবে না।এ জীবন আর বাচিয়ে রেখে কি লাভ।এমন সব কথা বলতে পারে।
১১) খুব স্পেশাল টাইপ পোশাক, চশমা পরিধান করে।
১২) মন খারাপ বা কষ্ট থেকে নিজের কোন ক্ষতি করে, যেমনঃ ব্লেড দিয়ে হাত কাটা ইত্যাদি।

ডা. মো. আসলাম হাওলাদার
বিএইচএমএস(ঢাবি)
মেডিক্যাল অফিসার (হোমিওপ্যাথিক)
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,ভান্ডারিয়া, বরিশাল।

🔮🧿🛎🎁🔱 💡points to be noted:     💎 Na-K Atpase is found all over the renal tubule but NOT on the Apical surface.. it’s pre...
18/10/2021

🔮🧿🛎🎁🔱

💡points to be noted:
💎 Na-K Atpase is found all over the renal tubule but NOT on the Apical surface.. it’s present on BASO-LATERAL surface

💎 Read the question carefully - does it say ‘Channel’ or ‘ Transporter’ or ‘Exchanger’. Tiny details can make huge difference..

Best of luck
Dr. MD. Monirul Islam
Phase A Resident,
Dept of Nephrology
DMCH.

Nerve palsies of hand
18/10/2021

Nerve palsies of hand

12/10/2021

#ছন্দে_ছন্দে_হোমিওপ্যাথি :

A(a)=Aconite (একোনাইট)=একোনাইট খাব রাশি রাশি হঠাৎ হলে ঠান্ডা কাশি।

B(b)=Belladonna (বেলেডোনা)= বেলেডোনাতে যাবে মাথা ব্যাথা থাকবে না আর দুঃখ গাঁথা ।

C(c) =Capsicum (ক্যাপ্সিকাম) =ক্যাপ্সিকামের আছে কাম গলা জ্বালায় দেয় যে আরাম।

D (d) = Dulcamara (ডালকামারা) =ডাল্কামারাই হয় না বাশি শরত কালের সর্দি কাশি।

E(e)= Euphresia (ইউফ্রেসিয়া)=ইউ ফ্রেসিয়া থাকলে কাছে চোখ উঠলে মারো তাতে ।

F (f)=Ficus indica (ফিকাস ইন্ডিকা)= ফিকাস ইন্ডিকার কথা মনে পড়ে যখন গায়ে গতরে রক্ত ঝরে ।

G(g)=Gelsemium (জেলসেমিয়াম)=জেলসেমিয়াম
মিলে তাতে জ্বরের সঙ্গে সকল অংগ নিস্তেজ যাতে।

H(h)=Hypericum (হাইপেরিকাম)=হাইপেরিকামের
নাইকো আরাম পেরেক ফুটলে দেয় যে আরাম । হাইপেরিকামে হয় যে ব্যাঘাত স্নায়ুর শেষ প্রান্তে পাইলে
আঘাত।

I(i)=Ignatia (ইগ্নেসিয়া)=ইগ্নেসিয়ার অনেক কথা মনে যখন অনেক ব্যাথা।

J(j)=Justicea (জাস্টেসিয়া)=জা স্টেসিয়া থাকলে ঘরে ঘুংড়ী (তীব্র)কাশি যাবে মরে।

K(k)=kreosot(ক্রিয়জট)=ক্রিয়জট অনেকেই কয় মুখে যখন দন্ত ক্ষয়।

K(k)=kalmegh(কালমেঘ)=কালমেঘ মনে পড়ে কালাজ্বর থাকলে পড়ে।

L(l)=Lycopo dium(লাইকোপোডিয় াম)=লাইকোপোডিয়াম দিলে ক’বার জন্ডিস(যকৃত) পীড়া হবে সাবাড়।/ লাইকোপোডিয়াম দিলে পরে স্মৃতি
শক্তি বাড়ে বটে।

M(m)=Momordica charantia (মমোরডিকা ক্যারান্টিয়া)= মমোরডিকা ক্যারান্টিয়ার ভেষজ ক্রিয়া থাকেনা আর হাম পীড়া ।

N (n)=Nux vomica (নাক্স ভমিকা)=নাক্স ভমিকা খেলে পরে পেট ব্যাথা আর কোষ্ঠ্যকাঠিন্য শিথিল করে।

O(o)=Opium (ওপিয়াম)=ওপিয়াম খেলে পরে দু চোখ
ঘুমে ঢলে পরে।/ওপিয়ামের কথা মনে পড়ে নাক ডেকে কেউ ঘুমে পড়ে।

P (p)=Pulsatilla(পালসাটিলা)=পালসা টিলার অনেক গীত লাজুক লাজুক চেহারাতে যত ব্যাথা তত শীত ।

Q (q)=Quassia amara(কোয়াসিয়া আমারা)=
কোয়াসিয়া দিলে পরে পরিপাক ক্রিয়া সবল কারে।/ কোয়াসিয়াই আছে ক্রিয়া থাকবেনা আর পেটের
পীড়া/কীড়া ।

{Q(q)=Quinia Indica(কুইনিয়া ইন্ডিকা)=কুইনিয়া খাইলে ক্ষণে প্রতি ম্যালেরিয়া জ্বর ছাড়বে অতি।}

R (r)=Rhus tox(রাস টক্স)=রাস টক্স দিলে যাবে চলে সারা অংগে ব্যাথা আর ফোস্কা পূর্ণ উদ্ভেদ হলে।

S(s)=Sizygium Jambolinum(সিজিজিয়াম
জাম্বোলিনাম)=সিজিজিয়াম দিব তাদের ডায়াবেটিস আছে যাদের।

T (t)=Terebinthina(টেরেবি ন্থিনা)=টেরেবিন্থিনা দিব
(খাওয়া্বো)তাদের মূত্র শূলে রক্ত যাদের।

U(u)=Urtica urens(আরটিকা ইউরেন্স)=আর্টিকা ইউরেন্স দিব তখন তখন আমবাত হবে যখন যখন।

V(v)=Verbascum(ভার্বাস্কাম)=ভা র্বাস্কাম তেলের নাম যাতে আছে কর্নশুলের কাম।

W(w)=Withania sominifera (উইদানিয়া সমিনিফেরা)= উইদানিয়া সমিনিফেরার নাইকো জুরী যাতে বল শক্তি সবল করি ।

X(x)=Xanthoxylum (এক্সান্থক্সাইলাম/জ্যান্থক্সাইলাম)
=এক্সান্থক্সাইলাম দিব সাথে সাথে বাধক ব্যাথার তৎখনাতে ।

Y(y)=Youhimbinum (ইউহিম্বিনাম)=ই উহিম্বিনাম এমনই নাম যাতে বাড়ে (পুরুষের)স্নায়ুর কাম ।

Z(z)=Zingiber (জিঞ্জিবার)=জিঞ্জিবার খেলে গিলে বদহজম জাবে মিলে ।/ জিঞ্জিবার রাখো সাথে বদহজম থাকলে সাথে। / জিঞ্জিবার খাবে না যারা বদহজমে থাকবে তার।

ঘুমের অভাবে নিজেকে ‘খেয়ে ফেলে’ মস্তিষ্কঃসাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমের অভাব খুব বেশি হলে মস্তিষ্ক নিজে...
18/06/2021

ঘুমের অভাবে নিজেকে ‘খেয়ে ফেলে’ মস্তিষ্কঃ
সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমের অভাব খুব বেশি হলে মস্তিষ্ক নিজেই নিজেকে খেয়ে ফেলে। এর অর্থ হলো, মস্তিষ্কের কোষগুলোর বর্জ্য ধ্বংস করে যেসব কোষ, তারা অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে পড়ে।
মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখার জন্য ঘুমের কোনো বিকল্প নেই- এটা আমরা জানি। আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি তখন সারা দিনে জমা হওয়া ক্ষতিকর পদার্থগুলো পরিষ্কার হয়। এতে ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্ক আবার ঠিকভাবে কাজ করতে পারে।
মস্তিষ্ককে পরিষ্কার রাখার এই কাজের একটি অংশ হলো মাইক্রোগ্লিয়া কোষগুচ্ছ, যারা স্নায়ুতন্ত্রের বর্জ্য, ক্লান্ত এবং মৃত কোষের বর্জ্য পরিষ্কার করে। আরও এক ধরণের কোষ, অ্যাস্ট্রোসাইট মস্তিষ্কের বেশ কিছু কাজ একসাথে করে। এদের অনেকেগুলো কাজের মাঝে একটি হলো মস্তিষ্কের অপ্রয়োজনীয় সিন্যাপ্সগুলোকে ছেঁটে ফেলা।
নিউরোসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় চার দল ইঁদুরের ওপর। প্রথম দলকে ইচ্ছেমত ঘুমাতে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দলকে সময়মত ঘুম থেকে ওঠানো হয়। তৃতীয় দলকে অতিরিক্ত আট ঘন্টা জাগিয়ে রাখা হয়। আর চতুর্থ দলকে জাগিয়ে রাখা হয় টানা পাঁচ দিন।
আরাম করে ঘুমানো ইঁদুরের মস্তিষ্কে অ্যাস্ট্রোসাইট সক্রিয় ছিল ৬ শতাংশ সিন্যাপ্সে। আট ঘন্টা ঘুমানো ইঁদুরে ৮ শতাংশ সিন্যাপ্সে সক্রিয় ছিল অ্যাস্ট্রোসাইট। আর ৫ দিন না ঘুমানো ইঁদুরে ১৩.৫ শতাংশ সিন্যাপ্সে অ্যাস্ট্রোসাইট সক্রিয় ছিল। তার অর্থ হলো ঘুমের অভাবে বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে অ্যাস্ট্রোসাইট কোষগুলো।
“ঘুমের অভাব হলে সিন্যাপ্সের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে অ্যাস্ট্রোসাইট, এটা আমরা প্রথমবারের মত দেখাতে পেরেছি,” বলেন এই গবেষণার নিউরোসায়েন্টিস্ট মাইকেল বেলেসি। তবে ঘুমের প্রচন্ড অভাবের সময়ে এই প্রক্রিয়াটি উপকারী নাকি অপকারী সেটা তারা নিশ্চিত করে বলেননি।
তবে যে ব্যাপারটি বেশি দুশ্চিন্তার উদ্রেক করে তা হলো মাইক্রোগ্লিয়ার কার্যক্রম। তারা অতিরিক্ত ঘুমের অভাবের ফলে সক্রিয় হয়। আর এর সক্রিয়তা থেকে দেখা দিতে পারে আলঝেইমার্স এবং মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় হওয়ার অন্যান্য রোগগুলো।
গবেষকেরা লেখেন- “অতিরিক্ত ঘুমের অভাব মাইক্রোগ্লিয়া কোষকে সক্রিয় করে এবং তাদের ফ্যাগোসাইটিক (কোষের বর্জ্য খেয়ে ফেলা) কাজে অনুপ্রেরণা দেয়, নিউরোইনফ্লামেশনের কোনো বড় লক্ষণ ছাড়াই। এ থেকে বোঝা যায় বড় সময়ের জন্য ঘুমের অভাব মাইক্রোগ্লিয়াকে প্রভাবিত করে এবং অন্যান্য সমস্যার ব্যাপারে মস্তিষ্ককে সংবেদনশীল করে তোলে।”
সবচাইতে জটিল অঙ্গ, মস্তিষ্ক প্রতিনিয়তই নতুন করে নিজেকে তৈরি করছে, শক্তিশালী হচ্ছে আর ভাঙ্গাগড়ার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এটা একটি অসীম প্রক্রিয়া, যেখানে কিছু কাঠামো ভাঙ্গে আর কিছু নতুন করে তৈরি হয়। এ নিয়ে আরো গবেষণা হলে বোঝা যাবে এই অ্যাস্ট্রোসাইট এবং মাইক্রোগ্লিয়ার সক্রিয়তা মস্তিষ্কের ওপর আসলে কী প্রভাব রাখে। তবে তা না জানা পর্যন্ত যথেষ্ট ঘুমানোটাই নিরাপদ।
সূত্র: আই এফ এল সায়েন্স

মাইগ্রেনের ব্যথা ???যাদের এই মাইগ্রেন এর প্রব্লেম আছে হয়তো তাদের জন্য এই পোস্ট টা উউপক্রিত হবেসাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়স...
17/06/2021

মাইগ্রেনের ব্যথা ???
যাদের এই মাইগ্রেন এর প্রব্লেম আছে হয়তো তাদের জন্য এই পোস্ট টা উউপক্রিত হবে
সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সে এই রোগ শুরু হয়। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১১ শতাংশ বয়স্ক মানুষ মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথায় ভোগেন।

মাইগ্রেন কী?
মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।
রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক এম এস জহিরুল হক চৌধুরী বলেন, সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের অধীনে এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা উচিত। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের কোনো সমস্যার জন্য হয় না।

কেন এবং কাদের বেশি হয়?
মাইগ্রেন কেন হয় তা পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে এটি বংশগত বা অজ্ঞাত কোনো কারণে হতে পারে। এটি সাধারণত পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। নারীদের ঋতুস্রাবের সময় মাথাব্যথা বাড়ে। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম, অনিদ্রা, অনেকক্ষণ টিভি দেখা, দীর্ঘসময় কম্পিউটারে কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদির কারণে এ রোগ হতে পারে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতি উজ্জ্বল আলো এই রোগকে বাড়িয়ে দেয়।

লক্ষণ
মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তিবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে | চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় ব্যথা বেড়ে যেতে পারে|

যেসব খাবার মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে
* ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার। যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক।
* বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে।
* সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।
* ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।
* আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিঞ্চার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন
* চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফল খাবেন না
* গম জাতীয় খাবার, যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি
* আপেল, কলা ও চিনাবাদাম
* পেঁয়াজ
তবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় একটা ডায়েরি রাখা। যাতে আপনি নোট করে রাখতে পারেন কোন কোন খাবার ও কোন কোন পারিপার্শ্বিক ঘটনায় ব্যথা বাড়ছে বা কমছে। এ রকম এক সপ্তাহ নোট করলে আপনি নিজেই নিজের সমাধান পেয়ে যাবেন। তবে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাইগ্রেন থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায়
* মাইগ্রেন চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।
* প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত।
* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
* কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে।
* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
* মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।

Text Source : The Daily Prothom Alo

মাইগ্রেনের ব্যথা ??? যাদের এই মাইগ্রেন এর প্রব্লেম আছে হয়তো তাদের জন্য এই পোস্ট টা উউপক্রিত হবেসাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়...
07/06/2021

মাইগ্রেনের ব্যথা ???
যাদের এই মাইগ্রেন এর প্রব্লেম আছে হয়তো তাদের জন্য এই পোস্ট টা উউপক্রিত হবে
সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সে এই রোগ শুরু হয়। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১১ শতাংশ বয়স্ক মানুষ মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথায় ভোগেন।

মাইগ্রেন কী?
মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।
রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক এম এস জহিরুল হক চৌধুরী বলেন, সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের অধীনে এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা উচিত। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের কোনো সমস্যার জন্য হয় না।

কেন এবং কাদের বেশি হয়?
মাইগ্রেন কেন হয় তা পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে এটি বংশগত বা অজ্ঞাত কোনো কারণে হতে পারে। এটি সাধারণত পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। নারীদের ঋতুস্রাবের সময় মাথাব্যথা বাড়ে। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম, অনিদ্রা, অনেকক্ষণ টিভি দেখা, দীর্ঘসময় কম্পিউটারে কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদির কারণে এ রোগ হতে পারে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতি উজ্জ্বল আলো এই রোগকে বাড়িয়ে দেয়।

লক্ষণ
মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তিবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে | চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় ব্যথা বেড়ে যেতে পারে|

যেসব খাবার মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে
* ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার। যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক।
* বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে।
* সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।
* ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।
* আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিঞ্চার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন
* চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফল খাবেন না
* গম জাতীয় খাবার, যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি
* আপেল, কলা ও চিনাবাদাম
* পেঁয়াজ
তবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় একটা ডায়েরি রাখা। যাতে আপনি নোট করে রাখতে পারেন কোন কোন খাবার ও কোন কোন পারিপার্শ্বিক ঘটনায় ব্যথা বাড়ছে বা কমছে। এ রকম এক সপ্তাহ নোট করলে আপনি নিজেই নিজের সমাধান পেয়ে যাবেন। তবে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাইগ্রেন থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায়
* মাইগ্রেন চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।
* প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত।
* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
* কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে।
* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
* মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।

Text Source : The Daily Prothom Alo

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আজ কথা বলব পায়ুপথের রোগ ফিস্টুলা সম্পর্কে। ফিস্টুলা কি?::ফিস্টুলাকে বা...
03/10/2020

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আজ কথা বলব পায়ুপথের রোগ ফিস্টুলা সম্পর্কে।

ফিস্টুলা কি?::

ফিস্টুলাকে বাংলায় ভগন্দর বলা হলেও এর সহজ বাংলা হল নালি। মলদ্বারের ভেতরের সঙ্গে বাইরের নালি তৈরি হওয়াকে বলা হয় ফিস্টুলা। এটি অতি প্রাচীন রোগ।

২০০০ বছর আগের বই-পুস্তকেও ফিস্টুলা সম্পর্কে আলোচনা পাওয়া গেছে। সাধারণত মলদ্বারের পাশের গ্রন্থি (A**l gland) বন্ধ ও সংক্রমিত হয়ে বিষফোঁড়া হয় এবং বিষফোঁড়া ফেটে গিয়ে নালি তৈরি করে। মলদ্বারে বিষফোঁড়া হওয়া রোগীদের শতকরা ৫০ ভাগ রোগীর ফিস্টুলা হয়। অনেক সময় ফিস্টুলা এবং বিষফোঁড়া একই সঙ্গে প্রকাশ পায়।

এছাড়া মলদ্বারের যক্ষা, বৃহদন্ত্রের প্রদাহ এবং মলদ্বারের ক্যান্সার থেকে ফিস্টুলা হয়। শিশুদের সাধারণত ফিস্টুলা হয় না। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি এক লাখ লোকের মধ্যে আট থেকে নয় জন ফিস্টুলা রোগে আক্রান্ত।

মহিলাদের তুলনায় পুরুষরা (প্রায় দ্বিগুন) বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

লক্ষন::

রোগীর ব্যথা, মলদ্বারের পাশে ফোলা এবং নিজে থেকে ফেটে গিয়ে পুঁজ-পানি ঝরা কিংবা বিষফোঁড়ার জন্যে আগের অপারেশনের ইতিহাস নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন। পুঁজ-পানি পড়লে ব্যথা কমে যায় এবং রোগী আরাম বোধ করেন এবং কিছুদিনের জন্যে রোগী ভালো হয়ে যান। রোগটি দুতিন মাস সুপ্ত থেকে আবার দেখা যায়।

সুপ্তাবস্থায় রোগী ভাবেন যে তিনি ভালো হয়ে গিয়েছে, ফলে চিকিৎসকের কাছে আসেন না। অনেক রোগী দেখা যায় ব্যথার সময় এলাকার ফার্মেসী থেকে অ্যান্টিবায়োটিক এবং ব্যথার ওষুধ কিনে খান। ব্যথা ভালো হলে ভুলে যান। এভাবে চক্রাকারে বছরের পর বছর চলতে থাকে। অনেকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেন। জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসকের কাছে আসেন।

কি কি ধরনের ফিস্টুলা হতে পারে?::

ফিস্টুলা যেহেতু একটি নালি তাই এর দুইটি মুখ থাকে। একটি মলদ্বারের ভেতরে একটি বাহিরে। নালিটির গতিপথের উপর ভিত্তি করে আমেরিকান গ্যাস্ট্রএন্টারোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন ফিস্টুলাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে।

সরল ফিস্টুলা:
যে সকল ফিস্টুলার মুখ মলদ্বারের অল্প ভেতরে তাকে সহজ ফিস্টুলা বলে। এক্ষেত্রে মলদ্বারের মাংসপেশি অল্প সম্পৃক্ত হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একেবারেই হয় নয়া।

জটিল ফিস্টুলা:
যে সকল ফিস্টুলার মুখ মলদ্বারের গভীরে, কিংবা ফিস্টুলার শাখা-প্রশাখা রয়েছে অথবা ফিস্টুলার সঙ্গে অন্যান্য অঙ্গের (যেমন - মুত্রথলি, যোনিপথ) সংযোগ রয়েছে তাকে জটিল ফিস্টুলা বলে।

জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে মলদ্বারের মাংসপেশি বেশি পরিমাণে সম্পৃক্ত হয়। অপারেশনের পর পুনরায় হওয়া ফিস্টুলা, মলদ্বারের যক্ষা, বৃহদন্ত্রের প্রদাহ এবং মলদ্বারের ক্যান্সার থেকে হওয়া ফিস্টুলা সাধারনত জটিল ফিস্টুলা হয়ে থাকে। অনেক সময় এ ধরনের ফিস্টুলার ক্ষেত্রে বাইরে একাধিক মুখ থাকতে পারে।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর সমস্যা শুনে, মলদ্বার দেখে ও মলদ্বারে আঙুল দ্বারা পরীক্ষা করে ফিস্টুলা রোগটি নির্ণয় করা যায়। মলদ্বারের যক্ষা, বৃহদন্ত্রের প্রদাহ এবং মলদ্বারের ক্যান্সার থেকে ফিস্টুলা এসব সন্দেহ করলে চিকিৎসকরা কোলনোস্কপি করে থাকেন। এছাড়া জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে এমআরআই, মলদ্বারের ভেতরের আল্ট্রাসনোগ্রাফি ইত্যাদি পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয়।

হিপক্রেটিস (আনুমানিক ৪৩০ খৃস্টপূর্ব) সর্বপ্রথম ফিস্টুলার সার্জিক্যাল চিকিৎসা করেন বলে বইপত্রে উল্ল্যেখ পাওয়া যায়। ১৯ শতকের শেষ থেকে ২০ শতকের শুরুর দিকে গুডসেল, মাইলস, মিলিগ্যান এবং মরগ্যান, থম্পসন প্রমুখ সার্জনগন ফিস্টুলা চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ১৯৭৬ সালে পার্কস ফিস্টুলার যে শ্রেণিবিভাগ করেন সেটি এখনও সর্বজনবিদিত। পরে ফিস্টুলা চিকিৎসায় বহু পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে কোনটি শ্রেষ্ঠ বা যথাযথ সে বিষয়ে চিকিৎসকরা এখনও ঐক্যমতে আসতে পারেননি।

চিকিৎসা:

বর্তমানে ফিস্টুলা চিকিৎসার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত অপারেশন পদ্ধতিগুলো হচ্ছে-

* ফিস্টুলোটোমি।
* ফিস্টুলেকটোমি।
* সিটন পদ্ধতি।
* ফিস্টুলা প্লাগ।
* ফিস্টুলা গ্লু।
* ফ্ল্যাপ ব্যবহার।
* রেডিওফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার।
* লেজার ব্যবহার।
* স্টেম সেল ব্যবহার।
* মলদ্বারের মাংসপেশির মাঝখানের নালি বন্ধ করে দেওয়া।
* এন্ডোস্কোপিক ফিস্টুলা সার্জারি।

এগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি বহূল ব্যবহৃত। বাকিগুলো বিশেষ ক্ষেত্রে কিংবা অতি জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পদ্ধতি যাই হোক না কেনো ফিস্টুলার চিকিৎসার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয় যেমন- সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, ফিস্টুলা নালিটি বন্ধ করা এবং মল ধরে রাখার ক্ষমতা বজায় রাখা।
ফিস্টুলা চিকিৎসার অন্যতম দিক হল অপারেশনের পর ফিস্টুলা পুনরাবৃত্তি না হওয়া এবং মল ধরে রাখার ক্ষমতা বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।

অপারেশন পদ্ধতি:

সাধারণত কোমরের নিচ থেকে অবশ করে অপারেশন করা হয়। একদু দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। ফিস্টুলা অপারেশনের পর ঘা শুকাতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে সিটন পদ্ধতিতে দুতিন ধাপে অপারেশন করা হয়। প্রতিটি ধাপের মাঝে সাত থেকে ১০ দিন বিরতি দেওয়া হয়। এই সময় নিয়মিত ড্রেসিং করা প্রয়োজন। ড্রেসিং অপারেশনের পর পুনরায় ফিস্টুলা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

একথা সত্য যে ফিস্টুলা অপারেশনের পর আবার হতে পারে। বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞদের মতে অপারেশনের পর ফিস্টুলা পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা তিন থেকে সাত ভাগ। জটিল ফিস্টুলার ক্ষেত্রে এটি শতকরা ৪০ ভাগ পর্যন্ত হতে পারে। তবে এক কথায় জবাব দেওয়া সম্ভব নয় ফিস্টুলা অপারেশনের পর পুনরায় হবে কিনা। ফিস্টুলার ধরন, সার্জনের অভিজ্ঞতা এবং অপারেশনের পরের যত্নের উপর ফিস্টুলা অপারেশনের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।

পরিশেষে বলা যায় যে, ফিস্টুলা রোগটির চিকিৎসা সম্ভব এবং সঠিক চিকিৎসায় ফিস্টুলা ভালো হয়। রোগ নিয়ে লজ্জা না পেয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন, সুস্থ থাকুন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আজ আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আর সেটি হলো পাইলস...
27/09/2020

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আজ আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আর সেটি হলো পাইলস বা অর্শ।

পাইলস কি??

পাইলস বা অর্শ হলো মলদ্বারে এক ধরনের রোগ যেখানে রক্তনালীগুলো বড় হয়ে গিয়ে ভাসকুলার কুশন তৈরি করে। এটি অস্বস্তিকর এবং অসহনীয় একটি সমস্যা। শিশুসহ যে কোন বয়সের লোকই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। এটি মলদ্বারের ভেতরে কিংবা বাইরেও হতে পারে। পাইলস হলে চুলকানি বা রক্তক্ষরণ হয়। লজ্জায় অনেকে বিষয়টিকে দীর্ঘদিন গোপন করে রাখে। ফলে ভুল চিকিৎসার শিকার হন যা স্থায়ী সমস্যা সৃষ্টি করে।

পাইলস কেন হয়?

এর সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেঃ

১. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া

২. শাকসবজি ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া

৩. শরীরের অতিরিক্ত ওজন

৪. গর্ভাবস্থা

৫. লিভার সিরোসিস

৬. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া

৭. অতিরিক্ত মাত্রায় লেকজেটিভ (মল নরমকারক ওষুধ)ব্যবহার করা বা এনেমা (শক্ত মল বের করার জন্য বিশেষ তরল মিশ্রণ ব্যবহার করা) গ্রহণ করা

৮. টয়লেটে বেশী সময় ব্যয় করা

৯. বৃদ্ধ বয়স

১০. পরিবারে কারও পাইলস থাকা

১১. পায়ুপথে যৌনমিলনে অভ্যস্ততা

১২. গর্ভাবস্থার শেষের দিকে অনেকের পাইলস রোগটি দেখা দেয়। শিশুর গ্রোথের সঙ্গে মলদ্বারে চাপ পড়লে নারীর পাইলস হতে পারে।

১৩. ফ্যাটি ও হাই প্লোটিনযুক্ত খাবার যেমন : গরুর মাংস, চিজ, মাখন, ফ্রাইড, চকোলেট, আইসক্রিম, কোমল পানীয় ইত্যাদি বেশি খেলে পাইলস হতে পারে।

১৪. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি।

পাইলসের লক্ষণসমূহ:

i) মলদ্বারের অভ্যন্তরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ
১. পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া

২. মলদ্বারের ফোলা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে, নাও পারে। যদি বের হয় তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। কখনও কখনও এমনও হতে পারে যে, বাইরে বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না বা ভেতরে প্রবেশ করানো গেলেও তা আবার বের হয়ে আসে

৩. মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, যন্ত্রণা বা চুলকানি হওয়া

৪. কোন কোন ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

ii) মলদ্বারের বাইরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ

১. মলদ্বারের বাইরে ফুলে যাওয়া যা হাত দিয়ে স্পর্শ ও অনুভব করা যায়।

২. কখনও কখনও রক্তপাত বা মলদ্বারে ব্যথাও হতে পারে।

পাইলস রোগে করণীয়:

১. কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং নিয়মিত মলত্যাগ করা

২. পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া এবং পানি(প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস) পান করা

৩. সহনীয় মাত্রার অধিক পরিশ্রম না করা

৪. প্রতিদিন ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো

৫. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা

৬. টয়লেটে অধিক সময় ব্যয় না করা

৭. সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা

৮. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া লেকজেটিভ বেশি গ্রহণ না করা

৯. মল ত্যাগে বেশি চাপ না দেওয়া

১০. দীর্ঘমেয়াদী ডায়রিয়া থাকলে তার চিকিৎসা নেয়া।

পাইলস রোগে গ্রহণীয় কিছু খাবার:

শাকসবজি, ফলমূল, সব ধরণের ডাল, সালাদ, দধি, পনির, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লেবু ও এ জাতীয় টক ফল, পাকা পেপে, বেল, আপেল, কমলা, খেজুর, ডিম, মাছ, মুরগীর মাংস, ভূসিযুক্ত (ঢেঁকি ছাঁটা) চাল ও আটা ইত্যাদি।

পাইলস রোগে বর্জনীয় কিছু খাবার:

খোসাহীন শস্য, গরু, খাসি ও অন্যান্য চর্বিযুক্ত খাবার, মসৃণ চাল, কলে ছাঁটা আটা, ময়দা, চা, কফি, চীজ, মাখন, চকোলেট, আইসক্রীম, কোমল পানীয়, সব ধরণের ভাজা খাবার যেমনঃ পরোটা, লুচি, চিপস ইত্যাদি।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আজ আলোচনা করবো মলদ্বারের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে। মলদ্বার ও পায়ুপথের রোগ খুবই সাধারণ। যে ...
22/08/2020

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আজ আলোচনা করবো মলদ্বারের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে।

মলদ্বার ও পায়ুপথের রোগ খুবই সাধারণ। যে কোনো বয়সের নারী- পুরুষ কমবেশি মলদ্বার বা পায়ুপথের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে এসব রোগের উৎপত্তির কারন বিভিন্ন। জনগণের মধ্যে এসব রোগের প্রাদুর্ভাব ব্যাপক হলেও খুব কম সংখ্যক মানুষই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যান।মূলত, মলদ্বারের রোগ ও চিকিৎসা সম্পর্কে মানুষের স্পষ্ট ধারণা না থাকার কারণেই এমনটি হয়ে থাকে।

মলদ্বার ও পায়ুপথের কিছু সাধারণ রোগ:

১. পাইলস্ ( মলদ্বারের রক্তনালী বাইরে অথবা ভেতরে স্ফীত বা ফুলে যাওয়া )
২. ফিস্টুলা ( মলদ্বারের ভিতর থেকে বা পাশের নালী থেকে পুঁজ আসা)
৩. এনাল ফিশার ( মলদ্বার চিরে যাওয়া )
৪. প্রলাপস্ ( মলদ্বার ভিতর থেকে বাইরে বের হয়ে আসা)
৫. ওডিএস ( মলত্যাগ বাধাগ্রস্হ হওয়া )

মলদ্বার বা পায়ুপথের রোগ হয়েছে কিভাবে বুঝবেন?

১. মলদ্বারে ব্যথা
২. মলদ্বার চুলকানো
৩. মলদ্বার স্ফীত হয়ে উঠা
৪. মলত্যাগের সময় বা সবসময় মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ
৫. মলদ্বারের ভিতর থেকে বা পাশের নালী থেকে পুঁজ আসা
৬. মলদ্বার দিয়ে সাদা সাদা আঠাযুক্ত পদার্থ নিঃসরণ
৭. কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলদ্বারে মল আটকে থাকা

কিভাবে মলদ্বারের রোগ নির্ণয় করা যায়?

রোগের ইতিহাসই রোগ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা দিয়ে থাকে। তবে রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন। যেমন-
১. আঙুল বা প্রোক্টোস্কপের সাহায্যে মলদ্বারের অধিকাংশ রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।
২. কোলনোস্কপি বা বেরিয়াম এনেমা এক্সরের সাহায্যে মলদ্বারের রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

প্রতিরোধঃ

কোষ্ঠকাঠিন্য যাতে না হয় সে ব্যবস্থা করা উচিত এবং বেশী শক্তি প্রয়োগে মলত্যাগ করা উচিত নয়। বারে বারে মলত্যাগের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে এবং ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা করতে হবে।

কি খাবেন?

১. যারা আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের এ রোগ কম হয়। আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে রয়েছে শাক-সবজি, কাঁচা ফলমূল, আলুর ছোলা, ইসুপগুলের ভূষি ইত্যাদি। এতে থাকা আঁশ মলে পানি ধরে রেখে মলকে নরম করে। ফলে কোষ্টকাঠিন্য এর সম্ভাবনা থাকেনা।
২. ডাল জাতীয় খাবার খান। এক কাপ ডালে ১৫-১৬ গ্রাম আঁশ থাকে। দিনে অন্তত দুই কাপ ডাল খান।
৩. খোসাহীন শস্যের চাইতে খোসা যুক্ত শস্য খান। সাদা চাল বা আটা এর বদলে লাল চাল বা আটা খান। খোসা, প্রচুর পরিমানে আঁশ ও ভিটামিন সরবরাহ করে।
৪. নিয়মিত দই খান। এতে থাকা উপকারী ব্যাক্টেরিয়া কোষ্টকাঠিন্য রোধে সহায়তা করে।
৫. দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি খান।

কি খাবেন না?

১. পাস্তা, ক্র্যাকার, ভাত, বিস্কিট, রুটি ইত্যাদিতে আঁশ অনেক কম। ধরুন আপনি এক বেলার খাবারে নিয়মিত পাস্তা খান বা এক প্যাকেট বিস্কিট খান বা অল্প পরিমান সব্জী দিয়ে বা সব্জী ছাড়া প্রচুর পরিমাণে রুটি বা ভাত খান- এই ধরণের খাদ্যাভাসে অভ্যস্ত থাকলে কিন্তু আপনার শরীরে আঁশ গ্রহণ কম হচ্ছে। ফলে দেখা দিতে পারে কোষ্টকাঠিন্য। মোটকথা কোষ্টকাঠিন্য নিরোধে কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে আঁশ এর অনুপাত ঠিক থাকতে হবে।
২. ফ্যাটি ও উচ্চ সুগার যুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণের অভ্যাস ও কোষ্টকাঠিন্য ঘটাতে পারে। যেমন, গরুর মাংস, চীজ, মাখন, ফ্রাইড খাবার, চকোলেট, আইস্ক্রীম, কোমল পানীয় ইত্যাদি।

ব্যায়ামঃ

যাদের কোষ্টকাঠিন্য আছে তারা ব্যায়ামের মাধ্যমে কোষ্টকাঠিন্য কমাতে পারেন। ফলে পাইলস হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। মাটিতে সোজা শুয়ে পরুন, পা মাটিতে মেশানো থাকবে, পায়ের পাতা ছাদমুখী থাকবে। এবার পেটের পেষী ভিতরে দিকে টেনে ধরে আস্তে আস্তে শ্বাস নিন ও ডান পা টা আস্তে আস্তে দূরে নিন। যতদূর পারেন করুন, এরপর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পা আগের জায়গায় আনুন। এরপর বাম পা ব্যবহার করে একি ব্যায়াম করুন।

মলদ্বার এর যত্নঃ

মলদ্বার ও প্বার্শবর্তী অঞ্চল যথাসম্ভব পরিষ্কার রাখুন। সুতী ও ঢিলেঢালা অন্তর্বাস পরিধান করুন। অন্তর্বাসের ভিতরে নরম কোন প্যাড ব্যবহার আপনাকে স্বস্তি দেবে। মাঝে মাঝেই সিজ বাথ (Sitz Bath) নিন। এটির নিয়ম হচ্ছে আধ গামলা লবণ মিশ্রিত গরম পানিতে নিতম্ব ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে।

আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আপনাদের সাথে আছি আমি ডাঃ মহিমা বিনতে হক। আজ আমি আলোচনা করবো করোনাকালীন মানসিক স্বাস্থ...
25/07/2020

আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আপনাদের সাথে আছি আমি ডাঃ মহিমা বিনতে হক। আজ আমি আলোচনা করবো করোনাকালীন মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে।

বর্তমানে নভেল করোনা ভাইরাস আতঙ্কে সবাই আতঙ্কিত, ভীত। দীর্ঘ সময় ধরে এক প্রকার ঘরবন্দি অবস্থায় আছে শিশুরা। অনেকেই হারাচ্ছেন চাকরি, বাড়ছে বেকারত্ব।বেঁচে থাকার তাগিদে বদল করছেন পেশা।

প্রকৃতপক্ষে নভেল করোনা ভাইরাস সকল বয়সের ও সকল পেশার মানুষদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা ও মৃত্যু ঝুঁকির পাশাপাশি তৈরি করছে মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা। গবেষণায় বলা হয়েছে করোনাকালীন এই সকল মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পরবে পুরো বিশ্বে।

# মানসিক সমস্যার কারণগুলো কি কি?

* করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে মানসিক সমস্যার কারণগুলো হলো:

মৃত্যু ভীতি, শারীরিক উপসর্গের ভয়, সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগা, রোগীর প্রতি সামাজিক বিরূপ আচরণ, দীর্ঘ সময় পরিবার থেকে দূরে একাকী জীবন যাপন ইত্যাদি।

* করোনা আক্রান্তহীন ব্যক্তির ক্ষেত্রে মানসিক সংকটের কারণগুলো হলো:

করোনা ভীতি, গতানুগতিক নাগরিক জীবনের হঠাৎ স্হবিরতা, সাময়িক বন্দি জীবন, ব্যক্তি জীবনে অর্থনৈতিক মন্দা ভাব, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, স্হবির জীবনে পারিবারিক অশান্তি ইত্যাদি।

# মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের লক্ষণ কি কি?

করোনাকালীন সময়ে মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে-

অকারণ দুশ্চিন্তা, খিটখিটে মেজাজ, সামান্য কারণে রেগে যাওয়া, ঘুমের ব্যাঘাত, যে কোনো ব্যাপারে প্যানিক হওয়া, অবসাদ, বিষণ্ণতা, হতাশা, ধূমপান বা নেশার প্রতি আসক্তি, আত্মহত্যার প্রবণতা ইত্যাদি।

# করোনাকালীন মানসিক স্বাস্থ্য সংকট থেকে উত্তরণের উপায় কি?

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে হলে কিছু সাধারণ নিয়ম পালন করা প্রয়োজন। যেমন: মানসিকভাবে নিজেকে উজ্জীবিত রাখা, নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা, পরিমিত ঘুম ও সুষম পুষ্টিকর খাবার মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে সহায়ক। এছাড়াও পরিবারের সদস্যদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, আয় ও ব্যয়ের মাঝে সামঞ্জস্যতা বজায় রাখা, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের সাথে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ রাখা ইত্যাদি।

# শিশুদের ক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সংকট থেকে উত্তরণে করণীয় কি?

করোনাকালীন সময়ে শিশুদের উদ্বেগ বাড়ছে, দীর্ঘ সময় ধরে এক প্রকার ঘরবন্দি অবস্থায় থেকে বিরক্ত হচ্ছে, ভীতি, মানসিক চাপ ও আতঙ্ক বাড়ছে। এই সংকটময় সময়ে পিতামাতাকে শিশুদের প্রতি ইতিবাচক, সহনশীল ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে বাবা-মাসহ পরিবারের সকলে শিশুদের সাথে সহজভাবে মিশুন, তাদের চিন্তার সাথে নিজেদের চিন্তা মেলান, ভুলত্রুটি না ধরে তাদের প্রশংসা করুন, ভুলত্রুটিগুলো তাদের বুঝিয়ে বলুন, কোনো শাস্তি বা শিশুরা মন খারাপ করে এমন কিছু করবেন না। ধর্মীয় আচরণ শেখার এখনই উপযুক্ত সময়। শিশুরা যেন আনন্দময় সময় কাটাতে পারে এমন একটা পরিবেশ বাড়িতে তৈরি করুন।

করোনা একটি বৈশ্বিক মহামারি। ভয় দিয়ে নয়, সচেতনতা ও সুদৃঢ় মানসিক মনোবল দিয়ে আমাদের এর বিরুদ্ধে জয়ী হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার সাথেসাথে মানবিকতা, নৈতিক দৃঢ়তা, ধর্মীয় অনুশাসন, পারস্পরিক সৌহার্দ্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা আমাদের করোনা যুদ্ধে জয়ী করবে।

Address

House 536/03, East Monipur
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801812037868

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homoeo Medicine Express posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Homoeo Medicine Express:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram