Fatema Homoeo Hall/ফাতেমা হোমিও হল

Fatema Homoeo Hall/ফাতেমা হোমিও হল Homoeopathy Treatment For Everyone
(3)

14/04/2026

প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা আমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখে, যতক্ষন না আমরা কবরস্থানে পৌঁছে যাই!🥲
আল্লাহুম্মাগফিরলী 💔

এই রিপোর্ট আসার পর থেকে বহু মানুষ জীবনীশক্তি কমে যাওয়ার কথা বলছে। স্থায়ী ঠান্ডা সর্দি লেগে থাকার কথা বলছে। ২০/২১ বছরে হা...
14/04/2026

এই রিপোর্ট আসার পর থেকে বহু মানুষ জীবনীশক্তি কমে যাওয়ার কথা বলছে। স্থায়ী ঠান্ডা সর্দি লেগে থাকার কথা বলছে। ২০/২১ বছরে হার্টের অসুখ হয়ে গেছে এটা নেয়ার পরে এমনটাও বলছে। এভাবে এই টী---কা আমাদের কত যে ক্ষতি করেছে তা সময়ে আরও টের পাওয়া যাবে। সারা দেশে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পরেছে চর্মরোগ, দাদ,এলার্জি। যাদের কিছু হয়নি এখনো তাদেরও জীবনীশক্তির যে একটা ক্ষতি হয়েছে এটা নিশ্চিত। মানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার শক্তি কিছুটা হলেও নষ্ট হয়েছ হয়ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যথেষ্ট ভালো, তাই শরীরে তা বাহ্যিক প্রভাব ফেলতে পারেনি।

মূলত এটা কোন টিকাই ছিলোনা, জাস্ট ট্রায়াল ছিলো।
এবং এটা একটা পুঁজিবাদের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিলো। প্রথম থেকেই আমি প্রচার করে আসছিলাম তথাকথিত টিকার কুফল সম্পর্কে। তখন বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করেনি, এখন তারা ঠিক টের পাচ্ছে কিন্তু অনেকটা দেরীতে.....

জুলুম- বঞ্চনার এই যামানায় যেসব জিনিস মাগনা দেয়, তাও আবার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে, যার বিরুদ্ধে কিছু বললে ফেসবুক মহাশয়ও বেঁকে বসে, বুঝে নিয়েন - তাতে ১০০% গলত আছে৷ মানুষ রাস্তাঘাটে ধুঁকে ধুঁকে মরে, তাকাবার কেউ থাকে না, সেখানে ডেকে-ডেকে, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে গিয়ে বিশেষ চিকিৎসা , এই যামানায় অসম্ভব! এতটা দরদি হয়নি ওরা!

14/04/2026

পহেলা বৈশাখ মুসলিমদের উৎসব নয়। এই উৎসব মুসলিমদের ঈমান বিধ্বংসী উৎসব, আপনি
মুসলিম হলে,এ উৎসবকে না বলুন।

13/04/2026

"বরকতময় ফজর"
ফজরের নামাজের জন্য উষ্ণ বিছানা ছেড়ে দিয়ে, যে দাঁড়ায় এসে,আল্লাহর রহমত তার ওপর, অবিরাম বর্ষে।
আলহামদুলিল্লাহ 🤍

13/04/2026

আগামীকাল পহেলা বৈশাখ। অক্ষম কোন কিছুর কাছে মঙ্গল না চেয়ে সকল ক্ষমতাধর আল্লাহর কাছে মঙ্গল কামনা করি। ইনশাআল্লাহ

12/04/2026

আপনি যখন দরজা বন্ধ করে মহান আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে তিনিই দয়াময় আল্লাহ দরজার নিচ দিয়ে অক্সিজেন প্রবেশ করিয়ে দেন, যেনো আপনি মরে না যান 😢
সুবহান-আল্লাহ

কখনো কি ভেবেছো—তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি কোথায় হচ্ছে?না, টাকায় না।না, সম্পর্কেও না।সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে… তোমার...
12/04/2026

কখনো কি ভেবেছো—
তোমার জীবনের সবচেয়ে বড় ক্ষতি কোথায় হচ্ছে?

না, টাকায় না।
না, সম্পর্কেও না।
সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে… তোমার আল্লাহ থেকে দূরে সরে যাওয়ায়।

আমরা দিন রাত দৌড়াচ্ছি—
ক্যারিয়ার, ভালোবাসা, সম্মান, মানুষের নজর…
কিন্তু একবারও কি থেমে নিজেকে জিজ্ঞেস করি—
“আমার রব কি আমার উপর খুশি?”

যে নামাজটা তুমি আজ মিস করলে,
যে কুরআনটা তুমি খুললে না,
যে দোয়াটা তুমি করতে পারতে কিন্তু করনি—
এই ছোট ছোট অবহেলাগুলোই একদিন পাহাড় হয়ে দাঁড়াবে।

মনে রেখো—
দুনিয়া তোমাকে সাময়িক সুখ দিতে পারে,
কিন্তু শান্তি? সেটা শুধু আল্লাহর কাছেই আছে।

যখন রাত গভীর হয়,
সবাই ঘুমিয়ে যায়,
তখন তুমি একা হয়ে যাও নিজের সাথে…
সেই সময় যদি তোমার হৃদয় কাঁদে—
জেনে রাখো, এটা তোমার ঈমান এখনো বেঁচে আছে।

আজই ফিরে আসো।
আজই একটা সিদ্ধান্ত নাও—
নামাজ ঠিক করবে,
হারাম ছেড়ে দিবে,
আল্লাহর সাথে সম্পর্কটা আবার গড়ে তুলবে।

কারণ…
মৃত্যু তোমার প্ল্যান দেখে আসবে না।
হঠাৎ করেই দরজায় কড়া নাড়বে।

📌 আজকের কাজ:
২ রাকাত নফল নামাজ পড়ো,
আর আল্লাহকে বলো—
“হে আল্লাহ, আমি ফিরে আসতে চাই…”

🤲 যদি তুমি সত্যিই বদলাতে চাও—
এই পোস্টটা শেয়ার করো,
আর লিখে দাও: "আমি ফিরছি আল্লাহর পথে"

11/04/2026

বরকতময় ফজর আলহামদুলিল্লাহ। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আমার উম্মতের জন্য ভোরবেলায় বরকত রাখা হয়েছে। যে ফজরের সময় ঘুমিয়ে থাকে সে বরকত হতে বঞ্চিত হয়।

11/04/2026

যার সৎ আমল তাকে আনন্দিত করে এবং বদ আমল কষ্ট দেয়, সেই
হলো প্রকৃত ঈমানদার।
(তিরমিজিঃ ২১৬৫)

হাম মহামারী দেখা দিয়েছে, সতর্কতার জন্য অবশ্যই জানতে হবেহাম কি?হাম হলো এক ধরনের ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের ...
11/04/2026

হাম মহামারী দেখা দিয়েছে, সতর্কতার জন্য অবশ্যই জানতে হবে

হাম কি?

হাম হলো এক ধরনের ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়ায়। এটি মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। হাম রোগটি ত্বক, চোখ, গলা, পেট ও শ্বাসনালীতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং এর লক্ষণগুলো সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যে প্রকাশ পায়।

হাম কিভাবে ছড়ায়?

হাম খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রধানত দুটি উপায়ে ছড়ায়:

1. হাঁচি ও কাশি: আক্রান্ত ব্যক্তি যদি হাঁচি বা কাশি দেয়, তবে তার শ্বাসনালী থেকে ভাইরাসের কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্য ব্যক্তির শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।
2. সম্পর্কিত স্পর্শ: যদি আক্রান্ত ব্যক্তি তার চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করে এবং অন্য কেউ সেই স্থান বা বস্তু স্পর্শ করে, তবে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে।

তাছাড়া, একই স্থানে একত্রিত হয়ে থাকার মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ আরও দ্রুত হতে পারে।

হামের মেকানিজম :

হাম ভাইরাস সাধারণত শ্বাসনালী বা চোখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। শরীরে প্রবেশের পর, এটি শ্বাসনালী বা গলার কোষের ভেতরে গিয়ে কোষে প্রবেশ করে। এই ভাইরাসের কোষের ভিতরে প্রবেশ করার পর তা দ্রুত পুনরুত্পাদন করে এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।

হাম ভাইরাসের প্রভাবের কারণে:
১)দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে রোগী অন্যান্য রোগে সহজেই আক্রান্ত হতে পারে।
২)কোষের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়, যা শরীরের স্বাভাবিক কাজের ওপর প্রভাব ফেলে।

হামের লক্ষণ

হামের লক্ষণগুলো সাধারণত ১০-১২ দিনের মধ্যে শুরু হয় এবং তার মধ্যে রয়েছে:
1. জ্বর: প্রথমে সাধারণ জ্বর দেখা দেয়, যা পরবর্তীতে বেড়ে যায়।
2. কাশি, ঠান্ডা, গলা ব্যথা: সাধারণ শ্বাসতন্ত্রের উপসর্গ।
3. চোখে প্রদাহ: চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং চোখে জল পড়া।
4. মুখে সাদা ফোসকা: গালের ভিতরে সাদা দাগ দেখা যায়।
5. র‍্যাস: হাম রোগের সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ হলো গা dark র‍্যাশ যা মুখ, পিঠ, বুক, এবং পরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
6. শরীরের অন্যান্য অংশে প্রদাহ: পেটে ব্যথা এবং পাতলা পায়খানা।

হামের ম্যানেজমেন্ট

হামের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তবে কিছু পদক্ষেপ রয়েছে যা রোগীকে আরাম দিতে এবং সংক্রমণ কমাতে সহায়তা করতে পারে:
1. অন্যদের থেকে দূরে রাখা: আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা উচিত, যাতে ভাইরাসটি আরও ছড়াতে না পারে।
2. পানি ও তরল পান করা: রোগীকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি এবং অন্যান্য তরল খাবার (যেমন স্যুপ) খেতে দেওয়া উচিত।
3. জ্বর কমানোর ওষুধ: জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে, ডাক্তারি পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।
4. বিশ্রাম: রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিতে হবে, যাতে তার শরীর দ্রুত সেরে উঠতে পারে।
5. ভ্যাকসিন: MMR (Measles, Mumps, Rubella) ভ্যাকসিন হাম প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। এটি সাধারণত ১২-১৫ মাস বয়সে প্রথম ডোজ দেওয়া হয় এবং পরে ৪-৬ বছর বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।

হোমিওপ্যাথি ম্যানেজমেন্ট

হোমিওপ্যাথি হাম রোগের চিকিৎসার সহায়ক হতে পারে, তবে এটি শুধুমাত্র ডাক্তারি পরামর্শের পর ব্যবহার করা উচিত। হাম রোগের কিছু লক্ষণ উপশম করতে কিছু হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে:
1. Aconite: যদি হাম রোগের শুরুতে রোগী তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হন এবং দ্রুত জ্বর ওঠে।
2. Belladonna: যদি জ্বরের সাথে মাথাব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং দ্রুত জ্বর ওঠে।
3. Euphrasia: যদি চোখে প্রদাহ এবং চোখে জল পড়ে।
4. Rhus Toxicodendron: র‍্যাশের জন্য কার্যকর, যখন র‍্যাশ জ্বালাপোড়া করে এবং গা dark রঙের হয়ে যায়।

তবে, হামের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি ব্যবস্থাপনা শুধুমাত্র সহায়ক হতে পারে এবং এটি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ব্যবহার করা উচিত নয়।

10/04/2026

বরকতময় ফজর।মোনাজাতে চাওয়া সকলের দোয়া কবুল হোক, নীরবে কাঁ”দা প্রতিটা অন্তরে ‘আল্লাহ’ প্রশান্তি দান করুন!’
আমিন 🤍

10/04/2026

শুক্রবার দুরুদ পাঠের দিন।
আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ🤍

Address

H 345, Sheraroof Villa, East Kazipara, Lane 6
Mirpur
1216

Telephone

+8801621970520

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fatema Homoeo Hall/ফাতেমা হোমিও হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Fatema Homoeo Hall/ফাতেমা হোমিও হল:

Share