Dr. Zohora Jahan

Dr. Zohora Jahan Dr. Zohora Jahan
Gynaecology, Children and Medicine diseases are well treated.

প্রতিদিন রাত ৩টা পর্যন্ত জেগে যদি আপনি ভাবেন আপনি unstoppable—তাহলে anxiety-ই আপনাকে সত্যিকারের award টা দেবে। আজকে বলছি...
23/11/2025

প্রতিদিন রাত ৩টা পর্যন্ত জেগে যদি আপনি ভাবেন আপনি unstoppable—তাহলে anxiety-ই আপনাকে সত্যিকারের award টা দেবে।

আজকে বলছি খুব Important yet ignored একটা বিষয় নিয়ে! সেটা হলো,
How Sleep Disturbance Destroys You ( কিভাবে অনিয়মিত ঘুম আপনাকে ধীরে ধীরে শেষ করে দেয়)!

পার্ট -১

যথারীতি কেইস এর গল্প দিয়েই শুরু করি, রিলেট করতে পারবেন!

রিমি—একজন কর্মজীবী মা। সকাল থেকেই তার মোটামুটি যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়! দিনভর অফিস, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাড়ির কাজ—সব কিছু শেষ হতে হতে চোখের পলকে রাত ১০ টা বেজে যায় কখন, টেরই পান না! প্রথমে ভাবতেন,
“এই তো ঘুমাতে যাব! হাতের এই কাজগুলো আগে শেষ করি, জাস্ট কিছুক্ষনের ব্যাপার!”

এরকম ভাবতে ভাবতে, পরদিনের বাচ্চাদের স্কুলের ব‍্যাগ, ইউনিফর্ম গোছানো চলে, টিফিনে কি নিবে সেটা হাফ রেডি করে রাখা হয়, Husband এর কাপড় গুলো রেডি করে রাখতে রাখতে, দৌড়ে গিয়ে শাশুড়ির ঔষধ টা খাইয়ে আসা হয়! সব ঠিকঠাক গুছিয়ে যখন শুতে যান, ঘড়িতে তখন রাত ২ঃ৩০ মিনিট!

রিমি নিজেকে আশ্বস্ত করেন, আরে এ আর এমনকি! আমার তো অভ‍্যাস ই এমন! আমার ৩-৪ ঘন্টা ঘুমালেই চলে! ঠিক সামলে নিতে পারব!

অতঃপর আর কি! চক্রাকারে চলতে থাকে….
সকালে আবার ৬টায় উঠে স্কুল-অফিস রুটিন।
ধীরে ধীরে তার ঘুম আরও কম আর বিশৃঙ্খল হতে শুরু করল—
রাত জেগে থাকা, হঠাৎ ভোরে উঠে যাওয়া, মাঝরাতে চিন্তার দোলাচল।যা ও বা আগে টানা ঘুমাতে পারতেন, সেটাও হয়না!

রিমি ভাবলেন—শুধু মাত্র স্ট্রেসই হয়তো কারণ।ঠিক হয়ে যাবে! কিন্তু নিজের চেষ্টা ছাড়া কি আর কিছু ঠিক হয়ে যায় বলেন? রিমি তো ভিতর ভেতর মহা এক গন্ডগোল পাকিয়ে বসে আছেন! So, যা হবার তাই হলো, ক’সপ্তাহ পর সব বদলে গেল।

একদিন অফিসের প্রেজেন্টেশনে দাঁড়িয়েই তিনি হঠাৎ করে কথা বলতে পারছেন না! হাত কাঁপছে। বুকে ধড়ফড়।দরদর করে ঘামছেন! এমনতো হয়নি কখনও! মনে হচ্ছে সবাই তাকিয়ে আছে।আর জাজ করছে!
সেই রাতে রিমির আর ঘুমই এল না।

এরপর শুরু হলো—
• সারাদিন Irritability
• কোন কাজেই মন না বসা
• মাথা ভার ভার লাগা
• ছোট ছোট কাজে ভুল করে ফেলা যা কখনোই আগে হতো না!
• constant anxiety, মানুষ কি ভাবছে, আমি কি পারছি না, সামনে কি হবে এরকম হাজারটা চিন্তা!

• unexplained crying spells! রিমির চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করে হঠাৎ হঠাৎ! কেন এমন হচ্ছে আমার সাথে? আমি কি দিন দিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি? সব তো ঠিকই ছিল! কিছুদিন আগেও ডক্টর দেখালাম, কোন রিপোর্ট তো খারাপ আসেনি!

একদিন ভোরে তিনি তীব্র Panic Attack-এর শিকার হন।শ্বাস আটকে যাচ্ছিল, বুক ভারী হয়ে উঠছিল।
ডাক্তার দেখিয়ে যা জানা গেল, তা ছিল রিমির কল্পনারও বাইরে—

Major Depressive Disorder with Anxiety symptoms — triggered by Chronic Sleep Disturbance.

রিমির গল্প আলাদা কিছু নয়।
এরকম হাজার রিমি আমাদের চারপাশেই আছে—
যারা জানেই না, sleep disturbance আসলে mental disorder-এর সবচেয়ে নীরব ও ভয়ানক ট্রিগার।

কিভাবে আপনাকে এটা ভেতর থেকে শেষ করে দেয়?

1. Emotional Dysregulation

ঘুম কম হলে ব্রেইনের amygdala অতিরিক্ত reactive হয়ে যায়।
ফলে:
• অতিরিক্ত রাগ
• mood swings
• emotional sensitivity দেখা দেয়
• ছোট ছোট ঘটনায় disproportionate প্রতিক্রিয়া বেড়ে যেতে থাকে!

2. Brain Fog & Cognitive Decline

Sleep disturbance সরাসরি prefrontal cortex-কে দুর্বল করে।
ফলেঃ
• মনোযোগ কমে যায়
• ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে
• decision-making দুর্বল হয়ে যায়
• productivity কমে যায়, Significantly!

3. Anxiety Increases

Extreme and chronic Sleep loss “HPA axis” এর উপর প্রভাব ফেলে।
(HPA axis মানে Hypothalamic–Pituitary–Adrenal axis।এটি শরীরের stress response system, যা আমাদের শরীর কীভাবে স্ট্রেসে প্রতিক্রিয়া দেখাবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।)

ফলে:
• constant worry
• chest tightness অনুভূত হয়
• restlessness কাজ করে
• intrusive thoughts আসতে থাকে!

4. Depression Triggers

Chronic sleep disturbance , Depression কে ও ট্রিগার করতে পারে! এর ফলে:

• loss of interest in daily life activities ( দৈনন্দিন জীবনের কাজ কর্মে আগ্রহ কমে যাওয়া)
• fatigue
• hopelessness
• Constant low mood
• crying spells ( কান্নার প্রবনতা) দেখা যায়!

5. Hormonal Imbalance

ঘুম কম হলে serotonin, cortisol, melatonin—সবই imbalanced হয়।
ফলে mood, appetite, energy—সব নষ্ট হয়ে যায়।

6. Physical Damage
• high blood pressure
• headaches
• weakened immunity
• chronic fatigue

এসব মানসিক রোগকে ভয়ানকভাবে ত্বরান্বিত করে।

7. Panic Attack Risk

Sleep disturbance nervous system-কে hyper-aroused করে।
ফলে panic attack-এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

Last but not the least হলো, ঘুমের এই বদ অভ‍্যেস অনেক মানসিক রোগের দরজা খুলে দেয়!

৩–৬ মাস chronic sleep disturbance কে ধরতে না পারলে বা গুরুত্ব না দিলে এটি রূপ নিতে পারে—
• Major Depressive Disorder
• Generalized Anxiety Disorder
• Panic Disorder
• Somatic Symptom Disorder
• Burnout Syndrome এর মতো কোন Psychological Disorder-এ !

তাই,

Sleep disturbance বা ঘুমের ব্যাঘাত কোনো ছোট সমস্যা নয়।
এটি নীরবে মানুষকে ভেঙে দেয়—মন, মস্তিষ্ক, আচরণ, সম্পর্ক—সবকিছু।চেক করে দেখুন তো আপনার Sleep routine ঠিক আছে কিনা?

এরপর লিখবো , Healthy Sleep Hygiene কিভাবে maintain করা যায়, সেটা নিয়ে!
চলুন ছোট ছোট সমস্যা গুলো কে বড় হতে না দেই! সুন্দর Lifestyle, অনেক দিক থেকে আপনাকে সুরক্ষিত রাখবে!

পাশে আছি 🙏
Collected

 #ক্লিনিকাল_সিনারিও৩৫ বছর বয়সী এক যুবক 🛑গঠন একদম slim, BMI মাত্র ২০।এক বছর আগে ডায়াবেটিস ধরা পড়েছিল।খাবারে কঠোর নিয়ন্ত্র...
07/11/2025

#ক্লিনিকাল_সিনারিও
৩৫ বছর বয়সী এক যুবক 🛑
গঠন একদম slim, BMI মাত্র ২০।
এক বছর আগে ডায়াবেটিস ধরা পড়েছিল।

খাবারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত হাঁটাচলা,লাইফস্টাইল মডিফিকেশন সবই ঠিকঠাক।

ওষুধও ঠিকভাবে নিচ্ছেন:
💊 Metformin 500 mg দিনে দুইবার

💊 Glimepiride 2 mg দিনে একবার

তবুও fasting glucose সবসময় ১৪ mmol/L এর আশেপাশে,
HbA1c ৮.২% ,কোনো পরিবর্তন নেই!

প্রথমে ভাবা হয়েছিলো,এটা তো সাধারণ Type 2 Diabetes হবে!
তাহলে তো রেসপন্স করার কথা?

কিংবা,হয়তো “resistant type 2 diabetes”।
তাই Metformin-এর ডোজ বাড়ানো হল, sulfonylurea-ও বাড়ানো হল।
কিন্তু রক্তের গ্লুকোজের অবস্থা আগের মতোই!

তখনই মনে প্রশ্ন জাগলো ,কয়েকটা প্রশ্ন:

১. “রোগী ঠিকভাবে ওষুধ নিচ্ছে,
২.ডায়েট ঠিক আছে,
৩.তবুও শর্করা কমছে না

তাহলে সমস্যা অন্য কোথাও? কী হতে পারে?

কিছু ক্লু মেলানো যাক: হিস্টরি নেয়া গুরুত্বপূর্ণ!

-রোগী পাতলা, কোনো central obesity নেই।

-মুখে বা গলায় acanthosis নেই (মানে insulin resistance নেই)

-কিন্তু একটা জিনিস হিস্টরি থেকে জানতে হবে,
তার মা ও নানার ডায়াবেটিস ছিল,
কিন্তু দুজনেই খুব অল্প dose-এর ওষুধেই control থাকতেন।

এখন suspicion বাড়লো
এটা হয়তো Type 2 নয়, বরং অন্য কিছু!!! কী হতে পারে!!,

C peptide করা হলো:নরমাল। এর মানে beta cell function করছে।

lipid profile :নরমাল।

এর মানে metabolic cause নয়!!

বিশ্লেষণ করে পাই:

-Autoimmune নয়
-β-cell উপস্থিত
-Resistance নেই 😕

তাহলে এ কেমন ডায়াবেটিস?

তখনই মাথায় এলো ,MODY (Maturity Onset Diabetes of the Young) 🚫🚫

এটা এমন এক ধরনের ডায়াবেটিস
যেখানে β-cell জীবিত, কিন্তু glucose sensing defect থাকে।
অর্থাৎ শরীরে glucose বাড়লেও β-cell সেটা বুঝতে পারে না,
ফলে insulin release হয় না।

এটার কারণ সাধারণত জিনের defect ::
বিশেষ করে HNF1A mutation (MODY 3)।
এটা autosomal dominant,
তাই মা,নানার ইতিহাস perfectly মিলে গেল!!!

Metformin কেন কাজ করেনি?

Metformin ইনসুলিন সেনসিটাইজার ,এটা আমরা সবাই জানি।

এটা কাজ করে যখন insulin থাকে কিন্তু “lazy”,
মানে insulin resistance আছে।

কিন্তু MODY রোগীতে insulin lazy না, বরং
insulin-এর “alarm clock” নষ্ট।
Metformin সেই ঘড়ি ঠিক করতে পারে না।
তাই ওষুধ যতই বাড়ানো হোক, কোনো কাজ হয় না 🥲🥲

Sulfonylurea ও তো ছিল, কাজ করলো না কেন?
এটা গ্লুকোজ সেন্সিং বাদ দিয়েই বিটা সেলকে স্টিমুলেট করে ইনসুলিন রিলিজ করায়!
এখানে গ্লুকোজ সেন্সর নষ্ট বিটা সেলে।তাহলে sulfonylurea পারফেক্ট ফর দ্যা কেস!

তাহলে আমরা দিয়েও কাজ করেনি কেনো?

কারণ এটাও দেওয়া হয়েছিল Type 2 standard dose,এ।
MODY রোগীরা Sulfonylurea hypersensitive ,বেশি দিলে রেসপন্স করেনা।

অতিরিক্ত sulfonylurea দিয়ে β-cell কে বেশি কাজ করালে
তারা কিছু সময়ের জন্য “desensitized” হয়ে যায়।
অর্থাৎ, hypersecretion হয়ে প্রথমে hypoglycemia করে ঠিকই,কিন্তু পরবর্তী দিনে insulin release হ্রাস পায় sulfonylurea এর রেসপন্সে।মানে তাকে বেশি জালাইলে সে কথা শোনেনা।

এই অবস্থাকে বলে ,Functional β-cell exhaustion (reversible)।
ফলে কয়েকদিন পর glucose আবার বাড়ে →
doctor dose বাড়ায় → hypoglycemia আবার হয় -desensitizeড হয়>> vicious cycle।

মনে রাখতে হবে,অল্প ডোজেই কাজ করে,
বেশি ডোজে প্রথমে সামান্য insulin release হয়, পরে β-cell silent হয়ে যায়।
তখন দেখা যায় “ওষুধে কাজ হচ্ছে না”!

অর্থাৎ sulfonylurea ছিল, কিন্তু সঠিকভাবে ব্যবহার হয়নি।

গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট:

Metformin বন্ধ করে দেওয়া হলো।
মাত্র Glipizide 0.5 mg/day (একেবারে ছোট dose) দেওয়া হলো।
এক সপ্তাহ পর দেখা গেল ,
Fasting glucose নেমে এলো 6 mmol/L এ!

এটাই MODY-এর signature response ✅✅:
👉 Low-dose sulfonylurea = dramatic improvement

ডা.তামিম

#সুস্বাস্থ্য

✨ "Hand of Hope" — আশার হাত ✨এটি মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তগুলোর একটি! গর্ভের ভেতর একটি সার্জারির সময় তোল...
26/10/2025

✨ "Hand of Hope" — আশার হাত ✨

এটি মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তগুলোর একটি! গর্ভের ভেতর একটি সার্জারির সময় তোলা এই ছবিতে দেখা যায়—মাত্র ২১ সপ্তাহ বয়সী এক অনাগত শিশু সার্জনের হাতে তার ছোট্ট, সম্পূর্ণ গঠিত হাতটি বাড়িয়ে দিয়েছে।

👶 শিশুটির জন্মের আগেই Spina Bifida নামের এক জটিল রোগ ধরা পড়ে — যা হলে শিশুটি জন্মের পর বাঁচতে পারত না। তাই চিকিৎসক দল গর্ভের ভেতরেই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।

সার্জারির সময় মায়ের জরায়ু (uterus) বের করে এনে একটি ক্ষুদ্র ছিদ্র করা হয়, যাতে শিশুর চিকিৎসা করা যায়। অপারেশন শেষ হওয়ার পর ঠিক সেই মুহূর্তে শিশুটি তার ছোট্ট হাতটি বাড়িয়ে সার্জনের আঙুল ধরে রাখে — যেন জীবনের উপহার পেয়ে কৃতজ্ঞতায় বলছে,
💫 "ধন্যবাদ, ডাক্তার!" 💫

📸 এই ছবিটি আজও পরিচিত —
“Hand of Hope” নামে,
যা মানবতার, ভালোবাসার এবং জীবনের এক অনন্য প্রতীক ❤️

~ডা: এস হাসান

25/10/2025
🤔 আপনার কিডনি কি দুর্বল হয়ে পড়ছে? ক্রিয়েটিনিন বাড়ছে? শুধু কি পানি কম খাওয়া বা প্রেশারকেই দোষ দিচ্ছেন?আসল "খলনায়ক" হয়তো আ...
25/10/2025

🤔 আপনার কিডনি কি দুর্বল হয়ে পড়ছে? ক্রিয়েটিনিন বাড়ছে? শুধু কি পানি কম খাওয়া বা প্রেশারকেই দোষ দিচ্ছেন?

আসল "খলনায়ক" হয়তো আপনার হাই প্রেশার বা ডায়াবেটিস নয়, বরং আপনার পেট (Gut)—যে নীরবে আপনার কিডনির "ফিল্টার" জ্যাম করে দিচ্ছে!

"পেটের সাথে - কিডনি"… এ এক মারাত্মক গোপন চক্র, যা আপনার কিডনির স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের আসল নিয়ন্ত্রক! 🚦⚠️

🔺 আপনার কি ক্রিয়েটিনিন লেভেল (Creatinine) বাড়তে শুরু করেছে? eGFR কম?
🔺 সকালে ঘুম থেকে উঠলে কি মুখ, চোখ বা পা ফোলা (Edema) লাগে?
🔺 প্রস্রাবে কি অতিরিক্ত ফেনা (Foamy Urine) হয় বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেছে?
🔺 সারাদিন কি অকারণে প্রচন্ত ক্লান্তি, দুর্বলতা ও বমি বমি ভাব লাগে?
🔺 ত্বকে কি প্রায়ই চুলকানি, র‍্যাশ বা শুষ্ক ভাব দেখা দেয়?
🔺 পেটে কি প্রায়ই গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের গণ্ডগোল লেগেই থাকে?
🔺 প্রেশার, সুগারের ওষুধ খেয়েও কিডনিকে রক্ষা করতে পারছেন না?
🔺 ডাক্তার বলেছেন কিডনি দুর্বল, কিন্তু মূল কারণটাই ধরতে পারছেন না?

আপনি হয়তো ভাবছেন— "সব দোষ আমার কম পানি খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত প্রেশার আর ডায়াবেটিসের!" 😔

কিন্তু সত্যিটা হলো, এই সবকিছুর চেয়েও বড় একজন খেলোয়াড় আছে, যে আপনার কিডনির ফিল্টার সিস্টেমকে ভেতর থেকে নষ্ট করে দিচ্ছে!

🥺🤔আর সেই মাস্টারমাইন্ড কে জানেন⁉️
Answer হলো: আপনারই অন্ত্র বা Gut—আপনার শরীরের প্রধান "বিষ শোধনাগার" (Detox System) এর মাস্টার কন্ট্রোলার!

🏙️ চলুন, আবার আমাদের "শরীর নামক শহরে" ফিরে যাই!
আগের লেখায় আমরা জেনেছিলাম, অন্ত্র হলো এই শহরের প্রধান গেট।

এবার ভাবুন—
কিডনি হলো এই শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সূক্ষ্ম "সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট" (Sewerage Treatment Plant) বা "রক্ত শোধনাগার"। এর কাজ হলো শহরের সমস্ত রক্তকে ২৪/৭ ফিল্টার করা, বর্জ্য (Toxin) ছেঁকে বের করা এবং ভালো জিনিসগুলো শরীরে ফেরত পাঠানো।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি শহরের প্রধান গেটই (অন্ত্র) ভেঙে যায় এবং শহরে প্রতিদিন টনের পর টন "বিষাক্ত বর্জ্য" (Toxic Waste) ঢুকতে থাকে, তখন কী হবে⁉️

🗺️👉 শহরের এই প্রধান "ফিল্টার প্ল্যান্ট" (কিডনি) কি সেই চাপ নিতে পারবে? নাকি অতিরিক্ত বোঝায় তার ফিল্টারগুলো জ্যাম হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে?

💥 Gut–Kidney Axis: পর্দার আড়ালের যুদ্ধ ⚔️
আপনার অন্ত্রে বাস করে কোটি কোটি জীবাণুর এক বিশাল সমাজ—Gut Microbiome।
এই সমাজে যখন ভালো নাগরিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া) বেশি থাকে, তখন শহরে বর্জ্য তৈরি হয় কম, এবং কিডনির ফিল্টারগুলো থাকে একদম পরিষ্কার ও চাপমুক্ত।
কিন্তু যখন দুর্নীতিবাজ সদস্য (খারাপ ব্যাকটেরিয়া) বেড়ে যায়, তখনই শুরু হয় আসল বিপর্যয়!
🔹 খারাপ খাদ্যাভ্যাস (অতিরিক্ত চিনি, প্রসেসড ফুড, প্রাণীজ প্রোটিন), স্ট্রেস বা অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে অন্ত্রের ভালো জীবাণুরা মারা যায়।
🔹 এর ফলে অন্ত্রের দেয়ালে ছিদ্র তৈরি হয়, সেই কুখ্যাত "লিকি গাট" (Leaky Gut)।
🔹 এই ভাঙা গেট দিয়ে ক্ষতিকর টক্সিন (বিষ), হজম না হওয়া খাবার ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া সরাসরি রক্তে ঢুকে পড়ে!

শুরু হয় সেই “Inflammatory Cascade” বা প্রদাহের বন্যা—
এই বিষাক্ত রক্তের বন্যা সোজা গিয়ে আঘাত হানে আপনার কিডনির সূক্ষ্ম ফিল্টারগুলোতে!

🚨⁉️ Gut নষ্ট হলে কিডনি ফেইলিওর কীভাবে হয়?👇

১️⃣ ইউরেমিক টক্সিনের (Uremic Toxins) আক্রমণ:
খারাপ ব্যাকটেরিয়ারা (Dysbiosis) আপনার খাওয়া প্রোটিন হজম করতে না পেরে তাকে পচিয়ে ফেলে এবং "ইউরেমিক টক্সিন" (যেমন: Indoxyl Sulfate, p-Cresol) নামক মারাত্মক বিষ তৈরি করে। এই বিষ সরাসরি রক্তে মিশে কিডনির ফিল্টারগুলোকে (Nephrons) ক্ষতবিক্ষত করে দেয় এবং কিডনিকে শক্ত করে ফেলে (Fibrosis)।

২️⃣ লিকি গাট (Leaky Gut) ও প্রদাহ:
ভাঙা গেট দিয়ে LPS নামক টক্সিন রক্তে ঢুকে। শরীর এই টক্সিনকে শত্রু ভেবে যে প্রদাহ (Inflammation) তৈরি করে, সেই প্রদাহের আগুনে কিডনির ছাঁকনিগুলো ফুটো হয়ে যায়। ফলাফল—প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন লিক হওয়া (Proteinuria) এবং কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়া।

৩️⃣ ভালো ব্যাকটেরিয়ার (SCFA) অভাব:
ভালো ব্যাকটেরিয়ারা ফাইবার খেয়ে "SCFA" (Short-Chain Fatty Acids) নামক যে কেমিক্যাল তৈরি করে, তা কিডনিকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে এবং সুস্থ রাখে। অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া মরে গেলে কিডনির এই "প্রতিরক্ষা বর্ম" (Protective Shield) আর থাকে না।

🌿✅🧩শহরটাকে এই বিপর্যয় থেকে কীভাবে বাঁচাবেন?
আপনার কিডনি রোগের চিকিৎসা বা প্রতিরোধ শুরু হোক শহরের গেট (Gut) মেরামত দিয়ে!
🧩 ধাপ ১: ভাঙা "গেট" ও "ফিল্টার প্ল্যান্ট" মেরামত করুন 👇
লিকি গাট সারানোর জন্য সেরা "সিমেন্ট" হলো:
-Bone Broth (হাড়ের স্যুপ): কোলাজেন ও গ্লুটামিনে ভরা।
-ওমেগা-৩: (চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, ছোট মাছ) প্রদাহ কমায়।
-ফার্মেন্টেড খাবার: প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক উৎস। ইত্যাদি ইত্যাদি।

🧩 ধাপ ২: শহরে "বিষাক্ত বর্জ্য" (Toxic Waste) ঢোকা বন্ধ করুন 👇
🚫 বাদ দিন:
-প্রসেসড চিনি ও মিষ্টি পানীয় (প্রদাহের মূল হোতা)
-প্রসেসড লবণ (প্যাকেটজাত খাবার, চিপস, ফাস্টফুড)
-গ্লুটেন (আটা, ময়দা, পাউরুটি, বিস্কুট)
ট্রান্স ফ্যাট ও সয়াবিন তেল (ভাজাভুজি)
-অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন (যা ইউরেমিক টক্সিন বাড়ায়)। ইত্যাদি ইত্যাদি....

🧩 ধাপ ৩: শহরে "পরিচ্ছন্ন কর্মী"র (Good Bacteria) সংখ্যা বাড়ান 👇
অন্ত্রের ভালো জীবাণু বাড়াতে খান:
-প্রচুর ফাইবার: সব ধরনের রঙিন শাকসবজি (বিশেষ করে কিডনি-বান্ধব লাউ, শসা, পেঁপে)।
-প্রিবায়োটিকস: পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচাকলা, ওটস।
-ফার্মেন্টেড ফুড: ঘরে পাতা টক দই, কেফির, পান্তা ভাত, কিমচি।
-স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, অ্যাভোকাডো। ইত্যাদি ইত্যাদি।

🧩 ধাপ ৪: শহরে শান্তি ও শৃঙ্খলা (Nervous System) ফিরিয়ে আনুন 👇
-মানসিক চাপ কমান: মেডিটেশন, প্রার্থনা, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (Deep Breathing)।
-পর্যাপ্ত ঘুমান: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম অপরিহার্য (ঘুমের সময় শরীর সব মেরামত করে)।
-হালকা ব্যায়াম: প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট হাঁটুন।
-রোদ পোহান: প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট গায়ে রোদ লাগান (ভিটামিন ডি)। ইত্যাদি ইত্যাদি।

🧩 ধাপ ৫: শরীরের বিপদ সংকেত শুনুন👇
যখন অন্ত্র অসুস্থ হয়, শরীর আপনাকে ছোট ছোট সিগন্যাল পাঠায়—
🚩পেটে গ্যাস, হজমের সমস্যা, ক্লান্তি, শরীরে পানি জমা, প্রস্রাবে ফেনা—এগুলো হলো "গাটের SOS (Save Our Souls) অ্যালার্ম" 🚨

💊🚠📣 শুধু ওষুধ দিয়ে ক্রিয়েটিনিন কমানোর চেষ্টা বা ডায়ালাইসিস হলো উপসর্গকে চেপে রাখা। শহরের গেট (অন্ত্র) মেরামত না করে শুধু "ফিল্টার প্ল্যান্ট" (কিডনি)-কে ধোলাই করলে বা মেরামত করার চেষ্টা করলে যেমন মূল সমস্যার সমাধান হয় না, তেমনি অন্ত্রকে সুস্থ না করে কিডনি রোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

💚 Asad Holistic Health Center-এর বার্তা:
কিডনি রোগ শুধু কিডনির একার রোগ নয়, এটি মূলত অন্ত্রের অসুস্থতা ও বিষাক্ততার (Toxicity) একটি বিপাকীয় প্রকাশ। আপনার অন্ত্র যখন সুস্থ থাকবে, আপনার কিডনির ওপর "বিষের বোঝা" (Toxic Load) কমে যাবে, ফিল্টারগুলো আবার নিশ্বাস ফেলার সুযোগ পাবে।

✅তাই শুরু হোক “Gut First Revolution” যেখান থেকে আপনার কিডনির স্বাস্থ্য, শক্তি ও সার্বিক সুস্থতা ফিরে আসবে।

✨🌿 শেষ কথা
পরেরবার যখন আপনার কিডনি রিপোর্ট বা ক্রিয়েটিনিন লেভেল দেখে টেনশন করবেন, তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের পেটে হাত রাখুন—
কারণ, সেখানেই লুকিয়ে আছে আপনার সুস্থ কিডনির আসল চাবিকাঠি—আপনার গাট! 👑

আপনার অন্ত্রকে ভালোবাসুন, আপনার কিডনি আপনাকে আজীবন ধন্যবাদ জানাবে! ☘️💚

©️ তথ্য গবেষণা ও সংকলনে—
Muhammad Nasim Hossain
Natural Lifestyle & Naturopathy Coach
(Asad Holistic Health Center)
ঢাকা: ১৯-অক্টোবর ২০২৫

গত দুই মাসে আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট দেখার সময় প্রায়ই এমন কেস পাই যা শুনলে হৃদয় ভেঙে যায়।একজন মা, চার-পাঁচ মাসের গর্ভে,...
23/09/2025

গত দুই মাসে আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট দেখার সময় প্রায়ই এমন কেস পাই যা শুনলে হৃদয় ভেঙে যায়।
একজন মা, চার-পাঁচ মাসের গর্ভে, আল্ট্রাসনোগ্রামের জন্য হাসপাতালে এলেন।
ডাক্তার মেশিনে দেখলেন
হাত-পা ঠিক আছে, হার্টবিট আছে, শিশুটি নড়াচড়া করছে।
কিন্তু মাথার খুলির অংশ নেই। ব্রেইন তৈরি হয়নি।

মা চুপচাপ তাকিয়ে রইলেন। চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে।
মনের মধ্যে শুধুই প্রশ্ন “কেন এমন হলো? আমি কি কোনো ভুল করেছি? আল্লাহ আমার ওপর রাগ করেছেন? এখন কি হবে? চিকিৎসা সম্ভব কি?”

ডাক্তার বোঝালেন এই সমস্যা হলো Anencephaly।
এটি একটি নিউরাল টিউব ডিফেক্ট।
নিউরাল টিউব সাধারণত কনসিভ হওয়ার ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনে বন্ধ হয়ে যায়।
যদি কোনো অংশ ঠিকমতো বন্ধ না হয়, তখন এই জন্মগত ত্রুটি ঘটে।

কেন হয় :-

মা-বাবার জিনগত সমস্যা

ফলিক এসিডের ঘাটতি

গর্ভকালীন সময় প্রথম ২ মাসে কিছু এন্টিসাইকোটিক বা ওপিয়ড ড্রাগস খাওয়া

১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম

মায়ের Serum Alpha-fetoprotein (AFP)

MRI, Amniocentesis

চিকিৎসা:

এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা নেই।

প্রতিরোধের উপায়:

কনসিভ হওয়ার পর প্রথম ৩ মাস ফলিক এসিড সেবন

কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খাওয়া

প্রথম দুই মাস ওপিয়ড বা এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস না খাওয়া

জন্মের পর বেঁচে থাকা:

বেশিরভাগ শিশু গর্ভেই মারা যায়, বা জন্মের পর কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যে।

যারা জন্মে বেঁচে থাকে, তারা সাধারণত অন্ধ বা বধির, সচেতনতা কম থাকে।

১ বছরের মধ্যে ১০০% মৃত্যু হয়ে থাকে।

এই গল্প শুধু একটি মায়ের নয়
সব মায়ের জন্য সতর্কবার্তা।
অনেকে বলেন
“আগেকাল ডাক্তার দেখাতাম না, আমার তো সমস্যা হয়নি।”
কিন্তু বাস্তবতা হলো
প্রতি মায়ের জন্য প্রথম দিকে আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং নিয়মিত চেকআপ জরুরি।
একটি ছোট ভুল বা উপেক্ষা, জীবনের জন্য বড় ক্ষতি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সচেতন থাকুন। শিশুদের জীবন সুরক্ষিত রাখুন।
একটি ছোট পদক্ষেপ
ফলিক এসিড সেবা, সময়মতো আল্ট্রাসনোগ্রামশিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।

#প্রেগন্যান্সি_সচেতনতা

#ফলিক_এসিড_সেবা
#আসুন_সচেতন_হই
©️

বাবার খাদ্যাভ্যাস সন্তানের মেটাবলিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে শুক্রাণুর RNA’র মাধ্যমে। মেটাবলিক স্বাস্থ্য (Metabolic health...
16/09/2025

বাবার খাদ্যাভ্যাস সন্তানের মেটাবলিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে শুক্রাণুর RNA’র মাধ্যমে।

মেটাবলিক স্বাস্থ্য (Metabolic health) মানে হলো আপনার শরীরের খাদ্য হজম, শক্তি উৎপাদন ও ব্যবহার, রক্তে সুগার, ফ্যাট এবং হরমোনের ভারসাম্য ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তার সামগ্রিক অবস্থা।

গবেষনায় দেখা গেছে. মাইটোকন্ড্রিয়াল RNA গুলো বাবার শরীরে ডায়েট ও মেটাবলিক স্ট্রেস অনুভব করে। এসব RNA শুক্রাণুর মাধ্যমে ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে এবং ভ্রূণের প্রাথমিক জিন এক্সপ্রেশনে প্রভাব ফেলে। ফলে ভ্রূণের কোষে শক্তি উৎপাদন ও মেটাবলিজম বদলে যায়, যা পরে সন্তানের মেটাবলিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলে।বিশেষ করে শুক্রাণু এপিডিডাইমিসে (যেখানে পরিপক্ব হয়) থাকার সময় খাদ্যের প্রভাব বেশি পড়ে।

যদি ডায়েট পরিবর্তন করে কিছু সময় অপেক্ষা করা হয় যাতে নতুন শুক্রাণু তৈরি হয় যেমন প্রতি ৭৪ দিনে নতুন স্পার্ম বা শুক্রানো তৈরি হয়। তাহলে এসব পরিবর্তন অনেকাংশে উল্টে যেতে পারে। অর্থাৎ এর প্রভাব স্থায়ী নয়। এক কথায় ৭৪ দিন স্বাস্থ্যকর খাবার ও ব্যায়াম করা এবং তামাক ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন পরিহার করার পর যে শুক্রানু তৈরি হবে সেই শুক্রানু তে জন্মানো সন্তানের মেটাবলিক স্বাস্থ্য উন্নত হবে!
©️

Here is the history of my only own uncle(চাচা)Mr. Mojibul Haque, 64 yrs, came from Chandpur,Diagnosed as a case of🔺AKI o...
06/09/2025

Here is the history of my only own uncle(চাচা)
Mr. Mojibul Haque, 64 yrs, came from Chandpur,
Diagnosed as a case of
🔺AKI on CKD e UTI e UROSEPSIS e HTN e DM e CHF (Diastolic Heart Failure) e Electrolyte Imbalance (⬇️sodium)
e Resp.Distress(?due to CHF/ fluid effusion)
e Hematuria

This pt is on Ionotrops
( noradrenaline drip)
The patient is severely & critically ill..
Please keep him in your prayers..🤲

03/09/2025

📲📱
🛑শিশুদের স্মার্টফোন আসক্তি ও এর প্রতিকার 🎯
🙆‍♀️🤦‍♀️


⚠️ হার্ট অ্যাটাক মানেই সময়ের যুদ্ধ ⚠️বাংলাদেশে গড়ে প্রতি ২ মিনিটে ১ জন মানুষ হার্ট অ্যাটাকে মারা যায়।বুকের ব্যথা হলেই আম...
31/08/2025

⚠️ হার্ট অ্যাটাক মানেই সময়ের যুদ্ধ ⚠️
বাংলাদেশে গড়ে প্রতি ২ মিনিটে ১ জন মানুষ হার্ট অ্যাটাকে মারা যায়।

বুকের ব্যথা হলেই আমরা অনেকেই গ্যাস ভেবে পল্লী চিকিৎসকের কাছে যাই।
মরহুমা ফাতেমার (৫০) ক্ষেত্রেও এমন হয়েছিল। ১২ ঘণ্টা পরে হাসপাতালে নিলে আর কিছু করার ছিল না। 💔

তাই হার্ট অ্যাটাকের ব‍্যথার ধরণ জানা সবারই অত্যন্ত জরুরি ‼️



🫀 হার্ট অ্যাটাকের ব্যথার লক্ষণ:
• বুকের মাঝখানে ভারী চাপ/পোড়া/চেপে ধরা
• ব্যথা বাম হাত, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ছড়িয়ে যাওয়া
• ঘাম, শ্বাসকষ্ট, বমি ভাব, মাথা ঘোরা



⏱️ থ্রম্বোলাইসিসের সময়সীমা
• ✅ আদর্শ সময়: বুকের ব্যথা শুরু হওয়ার প্রথম ৩০ মিনিট – ৩ ঘণ্টার মধ্যে
• ✅ সবচেয়ে কার্যকর: প্রথম ১–৩ ঘণ্টা
• ✅ সর্বোচ্চ সময়সীমা: ১২ ঘণ্টার মধ্যে
(এরপর দিলে উপকারিতা কমে যায়, ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে)

👉 তাই ডাক্তাররা বলেন —
“Time is Muscle”
প্রতিটি মিনিট দেরি মানে হার্টের আরও কোষ মারা যাওয়া 🫀



✅ তাই মনে রাখুন:
• বুক ব্যথা শুরু হলে এক মুহূর্ত দেরি নয়
• অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান
• গোল্ডেন টাইম মিস করবেন না — এটাই জীবন বাঁচানোর শেষ সুযোগ



একটি সচেতনতা হয়তো একটি তাজা প্রাণ বাঁচিয়ে দিতে পারে।
👉 শেয়ার করুন – সচেতন হোক সবাই। ❤️

©️✔️

আপনার বাচ্চাকে Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) কেন দেবেন?টাইফয়েড বাংলাদেশে একটি সাধারণ ও মারাত্মক পানি ও খাবারবাহিত রোগ...
20/08/2025

আপনার বাচ্চাকে Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) কেন দেবেন?
টাইফয়েড বাংলাদেশে একটি সাধারণ ও মারাত্মক পানি ও খাবারবাহিত রোগ। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এর জটিলতা ও মৃত্যুহার বেশি।
Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) দেওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:
১. Typhoid Conjugate Vaccine টাইফয়েড থেকে শিশুকে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করে
• TCV প্রায় ৫–৭ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।
• একবার ইনজেকশনেই দীর্ঘস্থায়ী ইমিউনিটি তৈরি হয়।
২. Typhoid Conjugate Vaccine ছোট বাচ্চাদের জন্য কার্যকর
• আগের Vi polysaccharide ভ্যাকসিন ২ বছরের নিচে কার্যকর ছিল না।
• TCV ৯ মাস বয়স থেকেই দেওয়া যায় এবং ভালো ইমিউন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
৩. Typhoid Conjugate Vaccine শিশুর দেহে মারাত্মক জটিলতা প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে
• টাইফয়েড হলে যা যা হতে পারে:
- অন্ত্রের আলসার ও ছিদ্র (intestinal perforation)
- মারাত্মক ডায়রিয়া বা ডিহাইড্রেশন
- মস্তিষ্কের প্রদাহ (encephalopathy)
- একাধিক অঙ্গের ক্ষতি
TCV প্রদান করা হলে শিশুর দেহে এসব ঝুঁকি অনেক কমিয়ে দেয়।
৪. Typhoid Conjugate Vaccine অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধে সহায়ক:
• টাইফয়েডে অনেক সময় drug-resistant ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়।
• ভ্যাকসিন দিলে রোগের সংখ্যা কমে → অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সুযোগ কমে যায়।
৫. Typhoid Conjugate Vaccine নিরাপদ এবং শিশুদের দেহে ভালোভাবে সহ্যযোগ্য
• পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত হালকা: ইনজেকশন স্থানে ব্যথা, লালভাব বা সামান্য জ্বর।
• গুরুতর প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত বিরল।
৬. Typhoid Conjugate Vaccine শিশুর সামাজিক সুরক্ষা (Herd Immunity) নিশ্চিত করে:
• বেশি সংখ্যক শিশু ভ্যাকসিন নিলে, স্কুল ও পাড়ায় রোগ ছড়ানো অনেক কমে যায়।
• যারা ভ্যাকসিন নিতে পারেনি, তারাও সুরক্ষা পায়।
📌 সারকথা:
Typhoid Conjugate Vaccine আপনার সন্তানের জীবন বাঁচাতে পারে—এটি শুধু রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং চিকিৎসা খরচ, স্কুল মিসিং এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতা থেকেও রক্ষা করে।
এখন আমরা Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) এর বিশেষত্ব, সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে আলোচনা করব।
১. Typhoid Conjugate Vaccine (TCV)এর বিশেষত্ব
• ৬ মাস বয়স থেকেই দেওয়া যায় – পূর্বের Vi polysaccharide ভ্যাকসিন ২ বছরের নিচে কার্যকর ছিল না, কিন্তু TCV ৯ মাস বয়সের ছোট শিশুদের জন্যেও নিরাপদ ও কার্যকর।
• একবার ইনজেকশনেই দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা – প্রায় ৫–৭ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।
• Conjugation প্রযুক্তি – Vi antigen কে carrier protein (যেমন tetanus toxoid) এর সাথে যুক্ত করা হয় → শিশুর দেহে শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী ইমিউন মেমোরি তৈরি হয়।
• অন্য ভ্যাকসিনের সাথে একসাথে দেওয়া যায় – EPI শিডিউলে অন্যান্য ভ্যাকসিনের সাথে প্রয়োগ করা সম্ভব।
• উচ্চ সুরক্ষা হার – ৮০–৯০% কার্যকর।
২. শিশুদের দেহে Typhoid Conjugate Vaccine
(TCV) দেওয়ার পর সুবিধা
✅ টাইফয়েড সংক্রমণ প্রতিরোধ – পানি ও খাবারবাহিত Salmonella Typhi ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা।
✅ মারাত্মক জটিলতা প্রতিরোধ করে – অন্ত্র ছিদ্র, রক্ত সংক্রমণ, মস্তিষ্কে প্রদাহ, দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা ইত্যাদি থেকে রক্ষা।
✅ অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কমাতে সহায়ক – রোগ কম হলে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের হার কমে যায়।
✅ Herd immunity তৈরি – সমাজে সংক্রমণ ছড়ানোর হার কমায়।
✅ অল্প পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া – বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুরা ভালোভাবে সহ্য করে।
৩. শিশুর দেহে Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) এর অসুবিধা বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
• সাধারণত (১–২ দিন স্থায়ী হতে পারে):
- ইনজেকশন স্থানে ব্যথা, লালভাব, বা ফোলাভাব
- হালকা জ্বর
- ‌সামান্য অবসাদ বা অস্বস্তি
• বিরল কিন্তু গুরুতর:
‌- এলার্জি রিঅ্যাকশন (যেমন Anaphylaxis – খুবই বিরল)
- উচ্চ জ্বর বা শ্বাসকষ্ট (খুবই বিরল। তবে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন)
সতর্কতা:
• ভ্যাকসিনের উপাদানে গুরুতর অ্যালার্জি থাকলে দেওয়া যাবে না।
• তীব্র জ্বর বা অসুস্থতা থাকলে সুস্থ হওয়ার পর দেওয়া উচিত।
ডোজ ও সময়সূচি
• ডোজ: একবারের জন্য ইনজেকশন (0.5 mL, IM route)
বয়স:
• বাংলাদেশ EPI: সাধারণত ৯ মাস বয়সী শিশু হতে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের একটি ডোজ Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) দেয়া হবে।
বুস্টার: ৫–৭ বছর পর বিবেচনা করা যেতে পারে।
কবে দেয়া হবে:
আগামী ১ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর সরকারি ব্যবস্থাপনায় সারাদেশে দেয়া হবে।
কোথায় দেওয়া হবে:
◾ স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিদ্যালয়ে
◾ অন্যদের স্থানীয় টিকা (EPI Centre) কেন্দ্রে।
দয়াকরে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।
মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।
পোস্টটি শেয়ার করুন। অসংখ্য বাবা-মায়ের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই পোষ্টটি পড়া অত্যন্ত জরুরী।
ধন্যবাদ 🙏
~ ডা. মানিক মজুমদার স্যার এর লেখা।

Address

House: 12, Road: 4, Block: B, Marto Housing Ltd (Near RAB 2 Headquarter)
Mohammadpur
1207

Telephone

+8801814933992

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Zohora Jahan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Zohora Jahan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category