Walid'S Squad

Walid'S Squad জীবনের কতশত রঙিন মায়ায় ছড়ানো কিছু মুহুুর্ত হয়তো আনন্দের কিংবা বিষাদের।পরিবারের মানুষই আপনার খুশির কারন | Content Creator | Doctor | Father |

30/01/2026

পপকর্ন পানিতে চুবিয়েছি

30/01/2026

Clinical Staff একটি Promoted Rank Post in Pvt corporate Hospital.

অথচ মূর্খদের কে বুঝাবে।

25/01/2026

বাসায় ফিরলে কে কি রান্না করেছে তার হিসাব

সহকর্মী'র বিদায়বেলা।মাত্র ১ বছর একসাথে কাজ করা,খুবই প্রাণবন্ত এনার্জেটিক, ডাইনামিক একজন ডক্টর। আজকে যখন ডিউটি শেষে বিদায়...
25/01/2026

সহকর্মী'র বিদায়বেলা।মাত্র ১ বছর একসাথে কাজ করা,খুবই প্রাণবন্ত এনার্জেটিক, ডাইনামিক একজন ডক্টর। আজকে যখন ডিউটি শেষে বিদায় নিচ্ছিলাম মনে হচ্ছিল কত সহজেই তার সাথে হয়তো আমাদের শেষ দেখা হয়ে যাচ্ছে।উচ্চতর শিক্ষা ও সুন্দর ক্যারিয়ারের নিমিত্তে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে।শুভকামনা Shila Mony এর জন্য।

25/01/2026

স্ট্র টা বোতলে এমনিতেই ঢুকেছে

21/01/2026

কি যে বলে মেয়েটা

21/01/2026

“হার্টবিট নেই – পর্ব ২ : ফ্রিকোয়েন্সি”

রিদওয়ান রিপোর্ট জমা দেওয়ার তিন দিনের মাথায়
ঢাকায় মারা যায় আরও ১৭ জন।

এবার শুধু রাস্তা না—
একজন মারা যায় মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে,
একজন লিফটে,
আর একজন—
নিজের বাসায়, ঘুমের মধ্যে।



নতুন তথ্য আসে পোস্টমর্টেম রিপোর্টে।

হার্ট থেমে গেছে ঠিকই,
কিন্তু ব্রেন ডেথ হয়নি।

মস্তিষ্কের স্টেমে
অদ্ভুত এক ধরনের ইলেকট্রিক বার্ন প্যাটার্ন—
যা বজ্রপাত, শক বা ডিফিব্রিলেশনেও হয় না।

এক নিউরোলজিস্ট ফিসফিস করে বলে,
“এটা মনে হচ্ছে… কেউ বাইরে থেকে কমান্ড পাঠিয়েছে।”



রিদওয়ান এবার শুধু মোবাইল নয়,
শহরের ম্যাপ খুলে বসে।

সব মৃত্যুর সময় মিলিয়ে দেখা যায়—
প্রতিবারই ঢাকা শহরের উপর দিয়ে
একটি নির্দিষ্ট স্যাটেলাইট পাস করেছে।

কোন স্যাটেলাইট?

কোনো দেশের তালিকায় নেই।



সে খোঁজ পায় একটি পুরনো গবেষণার—
১৯৮৭ সালের, সোভিয়েত আমলের।

নাম ছিল
Project Resonance Heart।

থিওরি ছিল ভয়ংকর—

“মানুষের হার্টবিটের নিজস্ব একটি ফ্রিকোয়েন্সি আছে।
যদি বাইরে থেকে সেই একই ফ্রিকোয়েন্সিতে
খুব কম শক্তির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস পাঠানো হয়,
হৃদপিণ্ড নিজেই থেমে যেতে পারে।”

তখন প্রজেক্ট বন্ধ করা হয়েছিল।
কারণ বলা হয়েছিল—
‘মানবদেহ অ্যান্টেনা নয়।’



কিন্তু এখন মানুষ সবসময় অ্যান্টেনা হয়ে আছে।

মোবাইল, স্মার্টওয়াচ,
৫জি টাওয়ার, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ—
সব মিলিয়ে
মানুষ নিজেই এক লাইভ রিসিভার।

রিদওয়ানের মাথায় একটা প্রশ্ন আসে—

👉 তাহলে সবাই কেন মারা যাচ্ছে না?



উত্তরটা আসে এক ভয়ংকর জায়গা থেকে।

একটি ফাঁস হওয়া ডেটা ফাইলে দেখা যায়—
টার্গেট করা হচ্ছে শুধু তাদের,

যাদের হার্ট রেট বেশি

যাদের লাইফস্টাইল “এক্টিভ”

যাদের বয়স ১৮–৪০

যাদের শরীরে মেটালিক ট্রেস বেশি
(জিম সাপ্লিমেন্ট, পানির বোতল, ওষুধ)

এটা কোনো গণহত্যা না।

এটা সিলেকশন।



রিদওয়ান বুঝে যায়—
এটা কোনো দেশের একার কাজ না।

কারণ প্রতিটি মৃত্যুর সময়
পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়
একই ধরনের “হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক” রিপোর্ট হচ্ছে।

ইন্ডিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়া।
ব্রাজিল।

ভাষা আলাদা,
কিন্তু ECG একই।

শেষ দৃশ্য

রিদওয়ান রাতে বাসায় ফিরে
মোবাইল অফ করে, ওয়াইফাই কেটে দেয়।

তবু তার স্মার্টওয়াচ হঠাৎ ভাইব্রেট করে।

স্ক্রিনে শুধু এক লাইন—

“You cannot disconnect from yourself.”

তার হার্ট মনিটরে
একটি নতুন ওয়েভ দেখা যায়।

এটা কোনো হার্টবিট না।

এটা রিসিভিং সিগন্যাল।

20/01/2026

“হার্টবিট নেই”

ঢাকার ভোরগুলো এখন আর আগের মতো নয়।
আজকাল সকাল শুরু হয় অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন দিয়ে।

প্রথমে সবাই ভেবেছিল—স্ট্রেস, ফাস্টফুড, সিগারেট।
কিন্তু যখন ২২ বছরের জিম করা ছেলে, ২৭ বছরের মেডিকেল ইন্টার্ন, এমনকি স্কুল থেকে ফেরার পথে এক কলেজছাত্রী—রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ পড়ে যায়, তখন প্রশ্নটা বদলে গেল।

সবাই বলছে—হার্ট অ্যাটাক।
কিন্তু ডা. রিদওয়ান বলছিলেন,
“না… এটা হার্ট অ্যাটাক না।”



লাশগুলোতে কোনো common জিনিস ছিল না।
না কোলেস্টেরল,
না ব্লক,
না আগের হার্ট ডিজিজ।

শুধু একটি অদ্ভুত বিষয়—
মৃত্যুর মুহূর্তে ECG লাইনে হঠাৎ সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট।

যেন কেউ সুইচ অফ করে দিয়েছে।



রিদওয়ান প্রথম সন্দেহ করেন মোবাইল ফোনে।
কারণ প্রায় সব ভিক্টিমের শেষ অবস্থান—

বাস স্টপ

ট্রাফিক সিগন্যাল

মার্কেট

জিম

সব জায়গায় একটা জিনিস common—
উচ্চ মাত্রার ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যাল।

তিনি বিষয়টা নিয়ে হাস্যকর কথা শুনলেন।
“ডাক্তার সাহেব, আপনি কি সায়েন্স ফিকশন লিখছেন?”



এক রাতে রিদওয়ান নিজের উপর পরীক্ষা চালান।
হার্ট মনিটর অন।
মোবাইল, স্মার্টওয়াচ, ব্লুটুথ ইয়ারবাড—সব চালু।

হঠাৎ ফোনে একটি অজানা আপডেট নোটিফিকেশন আসে।

“System Optimization in Progress”

ঠিক তখনই মনিটরে তার হার্টবিট—
১৮০… ৯০… ৪০…

ঠক করে বিদ্যুৎ চলে যায়।

অন্ধকারে সে শুনতে পায়—
নিজের হৃদপিণ্ডের শেষ শব্দ।



সে বেঁচে যায়।
কারণ তার হার্টে ছিল একটি পুরনো পেসমেকার লিড, ট্রেনিংয়ের সময় লাগানো হয়েছিল।

পরদিন সে বুঝে যায়—
এটা কোনো ভাইরাস না।
এটা কোনো এক্সিডেন্টও না।



এটা একটি নতুন প্রজন্মের ওয়েপন।

একটি অ্যালগরিদম, যা নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সিতে
মানুষের কার্ডিয়াক ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমকে
“রিসেট” করে দেয়।

টার্গেট?
যারা দ্রুতগতির, ইয়ং, ডিজিটালি কানেক্টেড।

শেষ

রিদওয়ান রিপোর্ট জমা দেয়।
কেউ পড়ে না।

কারণ রিপোর্টের শেষ লাইনে লেখা ছিল—

“এই সিস্টেম এখন আর টেস্ট ফেজে নেই।
এটি ইতিমধ্যে আমাদের হাতে।”

আজ রাস্তায় হাঁটার সময় যদি হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে,
মোবাইলের স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখবেন।

হয়তো সেখানে লেখা থাকবে—

“Optimized.”

15/01/2026

While watching her funny dance i just feel wow & Haha

Address

Mymensingh

Telephone

+8801963398571

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Walid'S Squad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Walid'S Squad:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram