Prof. Dr. Shila Sen

Prof. Dr. Shila Sen Professor & Head of Gynae & Obs. department, CBMCB
(4)

আজ আপনাদের আরেকটি রোগীর গল্প বলি।রোগীর নাম রোকশানা। এখন সে প্রায় সাত সপ্তাহের গর্ভবতী।ওর স্বামী বিদেশে থাকেন। স্বামী আসা...
02/04/2026

আজ আপনাদের আরেকটি রোগীর গল্প বলি।

রোগীর নাম রোকশানা। এখন সে প্রায় সাত সপ্তাহের গর্ভবতী।
ওর স্বামী বিদেশে থাকেন। স্বামী আসার প্রায় ছয় মাস আগে আমার একটি ভিডিও দেখে আমার কাছে আসে। ভিডিওতে আমি বলেছিলাম—যাদের স্বামী বিদেশে থাকেন এবং অল্প সময়ের জন্য দেশে আসেন, তারা যেন আগে থেকেই চিকিৎসা ও প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন।

রোকশানা তখন পিরিয়ড ছিল অনিয়মিত এবং তার ওজন ছিল প্রায় ৮০ কেজি। অর্থাৎ সে ছিল একজন টিপিক্যাল PCOS রোগী।

আমি তাকে বলেছিলাম—
ছয় মাসের মধ্যে প্রায় ২০ কেজির মতো ওজন কমানোর চেষ্টা করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী তাকে লাইফস্টাইল ও ট্রিটমেন্ট প্ল্যান দিয়েছিলাম।

রোকশানা খুব মন দিয়ে সেই পরামর্শগুলো অনুসরণ করেছে।
ছয় মাসে সে প্রায় ১৪ কেজি ওজন কমাতে পেরেছে।
আমি তাকে বলেছিলাম চকোলেট, খেজুরসহ অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার কম খেতে। মজার বিষয় হলো—তার স্বামীও বিষয়টি এত গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছেন যে বিদেশ থেকে এসব খাবার খুবই কম নিয়ে এসেছেন। যেটুকু এনেছেন, তার মধ্যে কিছু আমার জন্যও রেখে দিয়েছেন।

প্রায় দুই মাস আগে তারা আমার কাছে এসেছিলেন অনেকগুলো চকোলেট নিয়ে। কারণ তখন তার স্বামী দেশে এসেছেন।

এরপর যা হওয়ার তাই হয়েছে—
ওজন কমেছে, লাইফস্টাইল পরিবর্তন হয়েছে, পিরিয়ড নিয়মিত হয়েছে এবং রেগুলার ওভুলেশন শুরু হয়েছে।
স্বামী দেশে আসার কিছুদিনের মধ্যেই রোগ্যসালা কনসিভ করেছে।

আজ সে আমার কাছে এসেছে এই সুখবর নিয়ে—সে এখন গর্ভবতী।
আমি মজা করে বললাম—
“আবার কি আমাকে চকোলেট খাওয়াতে আসবেন?”

এই গল্পটি বলার কারণ একটাই—
আপনারা যদি ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলেন, লাইফস্টাইল পরিবর্তন করেন, তাহলে অনেক সময় খুব সহজেই আপনার কাঙ্ক্ষিত সুখবরটি পাওয়া সম্ভব।

রোকশানার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ও দোয়া।
আপনাদের সবার জন্যও রইলো শুভকামনা।
ধন্যবাদ।

রোগীর নাম স্বর্ণা। বয়স ৩০ বছর, ওজন ৬৯ কেজি।কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিল—বিয়ের ১২ বছরেও সে মা হতে পারেনি।অনেক জায়...
01/04/2026

রোগীর নাম স্বর্ণা। বয়স ৩০ বছর, ওজন ৬৯ কেজি।
কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিল—বিয়ের ১২ বছরেও সে মা হতে পারেনি।

অনেক জায়গায় চিকিৎসা করানোর পর যখন সে আমার কাছে আসে, তখন পরীক্ষায় দেখা যায় তার AMH মাত্র 0.138।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় AMH (Anti-Müllerian Hormone) হলো এমন একটি হরমোন যা একজন নারীর ওভারিতে ডিম্বাণুর মজুত (ovarian reserve) কতটা আছে তা বোঝায়। সাধারণত এই হরমোনের মাত্রা যত কম হয়, তত বোঝায় যে ওভারিতে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমে গেছে এবং স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের সম্ভাবনাও অনেক কমে যায়।

সাধারণভাবে
▪️AMH ১–৩ হলে ভালো ধরা হয়

▪️০.৫ এর নিচে হলে সেটিকে খুব কম ধরা হয়

▪️আর ০.১৩৮ এর মতো এত কম AMH থাকলে অনেক সময় রোগীদের বলা হয় যে স্বাভাবিকভাবে কন্সিভ করা খুবই কঠিন।

এই অবস্থাতেই স্বর্ণা আমার কাছে আসে।
আমি তাকে ধৈর্য ধরে চিকিৎসা শুরু করাই। মাত্র আড়াই মাস চিকিৎসা নেওয়ার পরই স্বর্ণা সুখবর নিয়ে আসে—সে গর্ভধারণ করেছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এত কম AMH (0.138) নিয়ে এই বয়সে স্বাভাবিকভাবে কন্সিভ করা সত্যিই খুবই বিরল ঘটনা। অনেক ক্ষেত্রেই এমন রোগীদের IVF-এর পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু অনেক রোগী IVF করার পরও কাঙ্ক্ষিত ফল পান না।

তাই স্বর্ণার এই কন্সেপশন শুধু একটি চিকিৎসার ফল নয়, বরং এটি সঠিক চিকিৎসা, ধৈর্য, বিশ্বাস এবং মহান সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদের এক অসাধারণ উদাহরণ।

স্বর্ণার গল্প আমাদের আবারও মনে করিয়ে দেয়—
AMH কম মানেই সব আশা শেষ নয়।
সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পেলে অনেক সময় অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে।

ঝুমার বয়স ৩৩ বছর। তারা চার বোন।অদ্ভুতভাবে পরিবারের প্রথম দুই বোনেরই অনেক বছর সন্তান হচ্ছিল না।ঝুমার বিয়ে হয়েছে প্রায় ১৫ ...
31/03/2026

ঝুমার বয়স ৩৩ বছর। তারা চার বোন।
অদ্ভুতভাবে পরিবারের প্রথম দুই বোনেরই অনেক বছর সন্তান হচ্ছিল না।
ঝুমার বিয়ে হয়েছে প্রায় ১৫ বছর, আর তার দ্বিতীয় বোনের বিয়ে হয়েছিল ৮ বছর আগে। অন্যদিকে ছোট দুই বোনের বিয়ের পরপরই সন্তান হয়ে যায়।
ঝুমার দ্বিতীয় বোন টাঙ্গাইল থেকে আমার কাছে চিকিৎসা নিয়েছিল। দীর্ঘ ৮ বছর অপেক্ষার পর তার যমজ সন্তান হয়—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। সেই বাচ্চাদের দেখতে এসেই প্রথম আমার কাছে আসে ঝুমা।
তখন ঝুমা এবং তার স্বামী প্রায় আশা ছেড়েই দিয়েছিল।
ঢাকার অনেক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েও ১৫ বছরে তাদের কোলজুড়ে সন্তান আসেনি। সময় পেরিয়ে গেছে, স্বামীর বয়সও বাড়ছিল—তাই তারা মনে করেছিল, হয়তো আর কোনোদিন সন্তান হবে না।
কিন্তু জীবনে কখনো কখনো আশ্চর্য পরিবর্তন আসে।
ঝুমা যখন আমার কাছে আসে, তার ওজন ছিল প্রায় ৮৬ কেজি এখন বর্তমান ওজন ১১০ কেজি । কিছুদিন চিকিৎসার পরই সে গর্ভধারণ করে। গর্ভাবস্থায় তার ওজন বেড়ে প্রায় ১০৬ কেজি হয়ে যায়।
আজ ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার পর আমি তার ডেলিভারি করলাম।
আল্লাহর রহমতে একটি সুস্থ, সুন্দর ফুটফুটে শিশুর জন্ম হয়েছে।
এটাই ঝুমার গল্প…
এবং ঝুমার বোনের গল্পও।
আপনারা সবাই ঝুমা ও তার নবজাতকের জন্য দোয়া করবেন।
আমার জন্যও দোয়া করবেন—যেন এভাবেই মানুষের জীবনে সুখের মুহূর্তের সাক্ষী হতে পারি।
এরকম হাজারো গল্প জমে আছে আমার কাছে—
যেখানে হতাশার জায়গায় একদিন হাসি ফিরে আসে।

গতকাল সুনামগঞ্জ থেকে নাসিমা ফোন করেছিল। এই সেই নাসিমা—যার জীবনের গল্পটা আজও আমার মনে খুব স্পষ্ট।নাসিমার বিয়ে হয়েছিল প্রা...
30/03/2026

গতকাল সুনামগঞ্জ থেকে নাসিমা ফোন করেছিল। এই সেই নাসিমা—যার জীবনের গল্পটা আজও আমার মনে খুব স্পষ্ট।
নাসিমার বিয়ে হয়েছিল প্রায় পনেরো বছর আগে। দীর্ঘ পনেরো বছর সংসার করার পরেও তার কোলজুড়ে সন্তান আসেনি। তখন তার বয়স প্রায় পঁয়ত্রিশ–চল্লিশের মাঝামাঝি। বহু অপেক্ষা আর দুশ্চিন্তার পরে অবশেষে সে গর্ভধারণ করল। কিন্তু সুখবরের সঙ্গে সঙ্গে যেন আরেক বিপদ এসে হাজির হলো।
তার স্বামী বিদেশে থাকতেন। স্বামী বাইরে চলে যাওয়ার পর নাসিমাকে একাই থাকতে হতো। গ্রামের কিছু আত্মীয়স্বজন তখন নানা রকম অপবাদ দিতে শুরু করল। তারা বলত—“এই বাচ্চা নাকি ইনজেকশন দিয়ে হয়েছে, আর্টিফিশিয়াল পদ্ধতিতে হয়েছে।”
কারণটা ছিল খুবই কষ্টের। এত বছর সন্তান না হওয়ায় তারা ধরে নিয়েছিল নাসিমার কখনো সন্তান হবে না। তাই স্বামী বিদেশ থেকে যা কিছু নিয়ে আসত, কিংবা যে সম্পত্তি ছিল—সব তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখত। কিন্তু যদি নাসিমার সন্তান হয়, তাহলে তো সেই সম্পত্তির ভাগ কমে যাবে। এই ভয় থেকেই তারা নাসিমার উপর মানসিক নির্যাতন শুরু করেছিল।
নাসিমা তখন খুব ভয়ে আর দুশ্চিন্তায় থাকত। স্বামী বিদেশে, বাড়িতে একা—কাউকেই বিশ্বাস করতে পারত না। তার একমাত্র ভরসা ছিল একটি টেলিফোন। সে আমাকে দিনে দুই–তিনবার ফোন করত। কখনো সকাল, কখনো বিকাল। অনেক সময় আমি ক্লান্ত হয়ে পড়তাম, কিন্তু বুঝতাম—ওর পাশে থাকার মতো আর কেউ নেই।
এর মাঝেই সুনামগঞ্জে বড় বন্যা হলো। বন্যায় তার বাড়ির অর্ধেক ভেঙে গেল। সে তখন দোতলার ঘরে বসে দিন কাটাত, আর তার সব কথা আমাকে ফোনে বলত।
আমি তাকে বলেছিলাম—সম্ভব হলে বাবার বাড়িতে যেতে। কিন্তু বাবার বাড়ি অনেক দূরে ছিল, তাই সেখান থেকেও কেউ এসে থাকতে পারেনি।
শেষ পর্যন্ত যখন তার সন্তান জন্মের সময় ঘনিয়ে এল, তখন তার বয়স্ক মা আর ভাই এসে পাশে দাঁড়াল। আর আল্লাহর রহমতে নাসিমার একটি ফুটফুটে ছেলে হলো।
ছেলে হওয়ার কিছুদিন পরে তার স্বামী বিদেশ থেকে দেশে এসে আমার সঙ্গে দেখা করেছিল।
এই হলো সেই নাসিমা।
এরপর সময়ের সাথে অনেক কিছু বদলে গেছে। যেসব আত্মীয় একসময় তাকে অপবাদ দিত, তারাই পরে আবার নিজেদের সমস্যার সময় তাকে নিয়ে আমার কাছে এসেছে। তার দেবরেরও অনেক বছর সন্তান হচ্ছিল না—প্রায় আট বছর পরে তারও সন্তান হয়েছে।
গতকাল নাসিমা আবার ফোন করেছিল। বলল—“ম্যাডাম, আমার স্বামী এখনো মাঝে মাঝে আসে, কিন্তু আর বাচ্চা হচ্ছে না।”
আমি বললাম—“এসো, দেখা করো চেম্বারে এসে। আমার কাছে না এসে কীভাবে হবে?”
এইভাবেই কত মানুষের জীবনের গল্প, কান্না, অপেক্ষা আর আনন্দের সাক্ষী হয়ে থাকি আমরা। সন্তান না হওয়ার আগের দুঃখ যেমন দেখি, আবার সন্তান হওয়ার পরের আনন্দও দেখি।
এই মানুষগুলোর সঙ্গে ধীরে ধীরে এক অদ্ভুত আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়।
নাসিমা ফোনে বলল—“ম্যাডাম, আমাকে চিনতে পারছেন?”
আমি বললাম—“তোমাকে না চিনলেও তোমার গলার স্বর আমার মুখস্থ।”
এইভাবেই আপনারা অনেকেই আমার কাছে শুধু রোগী নন—আপনজন হয়ে যান।
সবাই ভালো থাকবেন।
হয়তো নাসিমা আবার কোনোদিন আসবে, আর এমন অসংখ্য গল্প জমে আছে আমাদের এই পথচলায়।
সবার জন্য রইল শুভকামনা।

28/03/2026

আমার কাছে emergency রোগী নিয়ে আসতে চান তাদের জন্য আবেদন। #

গতকাল আমার চেম্বারে প্রায় ২০–২১ বছর বয়সী একটি মেয়ে এসেছিল। মেয়েটির ভীষণ মন খারাপ করে ছিল। প্রায় পাঁচ বছর আগে সে প্রথম আম...
28/03/2026

গতকাল আমার চেম্বারে প্রায় ২০–২১ বছর বয়সী একটি মেয়ে এসেছিল। মেয়েটির ভীষণ মন খারাপ করে ছিল। প্রায় পাঁচ বছর আগে সে প্রথম আমার কাছে এসেছিল, তখন তার পিসিওএসের (PCOS) প্রাথমিক পর্যায় ছিল এবং অনিয়মিত মাসিক নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। এরপর দীর্ঘ সময় সে আর আমার ফলো-আপে আসেনি।
গতকাল যখন আবার এল, তখন দেখা গেল তার থুতনির নিচে ও মুখে প্রচুর লোম গজিয়েছে। আমরা যাকে মেডিকেলের ভাষায় বলি হিরসুটিজম (Hirsutism)। বিষয়টি তাকে খুব বিব্রত করছে এবং সে মানসিকভাবেও ভীষণ ভেঙে পড়েছে।
এই চার–পাঁচ বছরে সে বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন গাইনেকোলজিস্টের কাছে মাসিক অনিয়মের চিকিৎসা নিয়েছে। যেহেতু সে অবিবাহিত, তাই অনেক জায়গায় তাকে নরএথিস্টেরন (Norethisterone) জাতীয় ওষুধ দিয়ে মাসিক নিয়মিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
কিন্তু নরএথিস্টেরন একটি উচ্চমাত্রার অ্যান্ড্রোজেনিক প্রভাবযুক্ত ওষুধ। PCOS রোগীদের ক্ষেত্রে এটি যদি বারবার বা র‍্যান্ডমভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে একটি বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে—
হিরসুটিজম, অর্থাৎ মুখে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অবাঞ্ছিত লোম বৃদ্ধি।
দুঃখজনকভাবে আমাদের দেশে অনেক সময় এই ওষুধগুলো ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) হিসেবেও ব্যবহার হয়ে থাকে—শুধু মাসিক বন্ধ করা বা সাময়িকভাবে ঠিক করার জন্য। এর ফলেই অনেক PCOS রোগীর ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত লোম বাড়ার সমস্যা দেখা দেয়।
আমরা যারা চিকিৎসক, আমাদের জন্য বিষয়টি খুব সতর্কতার সাথে বিবেচনা করা জরুরি।
যদি মেয়েটি নিয়মিত ফলো-আপে থাকত, তাহলে আমরা শুরু থেকেই PCOS-এর বেসিক ম্যানেজমেন্ট করতাম—
৫–১০% ওজন কমানো (Weight management)
নিয়মিত ব্যায়াম
সঠিক ডায়েটারি প্ল্যান
লাইফস্টাইল মডিফিকেশন
এছাড়া প্রয়োজন হলে বর্তমানে বাজারে থাকা চতুর্থ প্রজন্মের (Fourth generation) ওরাল কনট্রাসেপ্টিভ পিল, যেগুলো ওজন বাড়ায় না এবং অ্যান্ড্রোজেন কমাতে সাহায্য করে, সেগুলো দেওয়া যেতে পারে। প্রায় দেড় বছর নিয়মিত ব্যবহার করলে লোমের বৃদ্ধি অনেকটাই কমে যায়, কারণ লোমের গ্রোথ সাইকেল নিয়ন্ত্রণে আসে।
এছাড়া প্রয়োজনে অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেনিক ওষুধও ব্যবহার করা যায়।
যদি এই ম্যানেজমেন্টগুলো আগে করা যেত, তাহলে হয়তো আজ তাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না।
তবে আশার কথা হলো—এখনও চিকিৎসা সম্ভব।
যখন লোম খুব পাতলা থাকে (যাকে আমরা Lanugo hair বলি), তখন চিকিৎসায় সহজে কমানো যায়। কিন্তু একবার যদি coarse black hair হয়ে যায়, তখন শুধুমাত্র ওষুধে সম্পূর্ণ কমানো কঠিন।
এক্ষেত্রে PCOS-এর চিকিৎসার পাশাপাশি লেজার হেয়ার রিমুভাল থেরাপি প্রয়োজন হতে পারে। অবশ্য লেজার চিকিৎসা সবার পক্ষে সহজলভ্য নয় এবং খরচও কিছুটা বেশি, তবে সঠিক মেশিন ও সঠিক পদ্ধতিতে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
সবশেষে একটি কথাই বলতে চাই—
PCOS-এর শুধু একটি উপসর্গ নয়, অনেকগুলো উপসর্গ থাকে।
শুধু মাসিক ঠিক করাই চিকিৎসা নয়।
বেসিক ম্যানেজমেন্ট—ওজন নিয়ন্রন,সঠিক ডায়িট ও সঠিকহরমোনাল মেনেজমেন্ট। অধ্যাপক ডাঃ শিলা সেন।

স্বাধীনতা দিবস ২০২৬🇧🇩
26/03/2026

স্বাধীনতা দিবস ২০২৬🇧🇩

স্বাধীনতার এই দিনে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সকল শহীদকে, যাদের ত্যাগে পেয়েছি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।
26/03/2026

স্বাধীনতার এই দিনে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সকল শহীদকে, যাদের ত্যাগে পেয়েছি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ।

25/03/2026

মাএ ১ মিনিট- নবজাত শিশুর জন্য।

25/03/2026

প্রিম্যাচিউর বেবির জন্য আমরা কী কী করতে পারি, যাতে জন্মের পর সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারে?

কিছু গল্প শুধু চিকিৎসার নয়, আশা ও বিশ্বাসের গল্পও।৩৬ বছর বয়সী এক নারী। বিয়ে হয়েছিল ২০ বছর আগে।তাদের একটি ১৪ বছরের মেয়ে আ...
24/03/2026

কিছু গল্প শুধু চিকিৎসার নয়, আশা ও বিশ্বাসের গল্পও।

৩৬ বছর বয়সী এক নারী। বিয়ে হয়েছিল ২০ বছর আগে।তাদের একটি ১৪ বছরের মেয়ে আছে। কিন্তু এরপর দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আর কোনো সন্তান হয়নি।

এই সময়টায় তিনি অনেক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন। বারবার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সুখবর আসেনি। ধীরে ধীরে দুশ্চিন্তা আরও বাড়ে। প্রায় দেড় বছর ধরে তার পিরিয়ডও বন্ধ ছিল।

পরীক্ষা করে দেখা গেল—AMH মাত্র ০.২৮,Prolactin ১৪৫,সাথে ছিল Hypothyroidism।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সহজ ছিল না। কিন্তু তিনি আশা হারাননি।

আমার কাছে চিকিৎসা শুরু করার পর নিয়মিত ফলো-আপ ও চিকিৎসার মাধ্যমে মাত্র ৩ মাসের মধ্যেই তিনি প্রেগন্যান্ট হয়েছেন।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর এমন একটি সুখবর রোগী ও তার পরিবারের জন্য যেমন আনন্দের, একজন চিকিৎসক হিসেবেও আমার জন্য তেমনি এক অপার তৃপ্তির মুহূর্ত।

সবার কাছে দোয়া চাই—মা ও শিশুর পথচলা যেন সুস্থ ও নিরাপদ হয়।

— অধ্যাপক ডাঃ শিলা সেন মেডাম

24/03/2026

ওরা আমার কাছে এসেছিলেন অনেক দুশ্চিন্তা নিয়ে। তার আগে থেকেই bilateral chocolate cyst ছিল এবং এর জন্য একবার অপারেশনও হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করাতে গেলে তাকে বলা হয়েছিল—
আবারও অপারেশন করতে হবে, নাহলে IVF করতে হবে।
রোগী নিজেই আমাকে এই কথাগুলো বলছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই তিনি এবং তার পরিবার খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন।
কিন্তু আজ তিনি আমার কাছে এসেছেন আনন্দের খবর নিয়ে।
Pregnancy test positive এবং USG-তে ৫ সপ্তাহের গর্ভধারণ ধরা পড়েছে।
অনেক সময় সঠিক চিকিৎসা, ধৈর্য এবং বিশ্বাস মিলেই অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে।
সবার কাছে দোয়া চাই, যেন মা ও শিশুর পথচলা সুস্থ ও নিরাপদ হয়।
— অধ্যাপক ডাঃ শিলা সেন মেডাম

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Shila Sen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share