Dr. Md. Jamirul Islam

Dr. Md. Jamirul Islam ডা. মোঃ জামিরুল ইসলাম
এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস (নিউরোলজি)-শেষ পর্ব।

 #নিউরোমেডিসিন  ডাক্তার কখন দেখাবেন:    নিম্নোক্ত সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিলে নিউরোমেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শ নিন:১.মাথাব্...
27/02/2026

#নিউরোমেডিসিন ডাক্তার কখন দেখাবেন:

নিম্নোক্ত সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিলে নিউরোমেডিসিন ডাক্তারের পরামর্শ নিন:

১.মাথাব্যথা, মাইগ্রেন
২.মাথা ঘোরা ও ঝিমঝিম করা
৩.হাত পা কনকন করা
৪.হাত পা ঝিনঝিন করা
৫.হাত পা জ্বালাপোড়া করা
৬.হাত পায়ে শিটাস লাগা
৭.হাত পায়ে অবশ ভাব
৮.হাত পায়ে সু্ঁই ফুড়ার অনুভূতি
৯.শরীর আবোধা লাগা
১০.হাত পায়ে টান ধরা
১১.হাত পায়ের মাংস চাবানো
১২.হাত পা বিষবিষ করা
১৩.ঘুম জনিত সমস্যা
১৪.রগ এর সমস্যা
১৫.স্ট্রোক, প্যারালাইসিস
১৬.হাত পায়ের শক্তি কমে যাওয়া
১৭.হাঁটা চলার অসুবিধা/ ভারসাম্যহীনতা
১৮.মুখ বেঁকে যাওয়া
১৯.ঘাড়, কোমর ও মেরুদণ্ডের ব্যথা
২০.মাংসপেশী শুকিয়ে যাওয়া
২১.খিঁচুনি, মৃগীরোগ
২২.হাত পা এর কাঁপুনি
২৩.অজ্ঞান হওয়া
২৪.অটিজম
২৫.স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া
২৬.ব্রেইন ও নার্ভ এর অন্যান্য সমস্যা।

ডা. মোঃ #জামিরুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার,
নিউরোমেডিসিন বিভাগ,
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

#চেম্বার: সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
(রুম নং- ২০৯)

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা)

#সিরিয়াল: ০১৭৩৩১-৭৪৭৪২২

ডা. মো: জামিরুল ইসলাম স্যার  #আগামীকাল   #শুক্রবার ( ২৭ ফেব্রুয়ারী ) সারাদিন  #সেবা ক্লিনিকে চেম্বার করবেন। #সাক্ষাত : আ...
26/02/2026

ডা. মো: জামিরুল ইসলাম স্যার #আগামীকাল #শুক্রবার ( ২৭ ফেব্রুয়ারী ) সারাদিন #সেবা ক্লিনিকে চেম্বার করবেন।

#সাক্ষাত : আগামীকাল শুক্রবার
#তারিখ: ২৭ ফেব্রুয়ারী
#সময় : সকাল ১০ টা হতে বিকেল ৫টা।

#চেম্বার: সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়,
চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)।

#সিরিয়াল এর জন্য কল দিন এই নাম্বারে:
০১৩৩১৭৪৭৪২২

-Admin.

25/02/2026

#রমজান_মাসে_ওষুধ_খাওয়ার_নিয়ম

পবিত্র মাহে রমজান মাস আসলে যারা সারা বছর মেডিসিন নেন তারা দ্বিধান্বিত হয়ে যান যে কোন বেলার ওষুধ কখন খাবেন, বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ এর রোগীরা।

চিকিৎসকের সাথে কথা বলে ওষুধ গ্রহনের সময় সমন্বয় করে নেয়া ভালো। তবে সাধারণ নিয়ম হচ্ছে:

সকালের ওষুধ - ইফতারিতে খাওয়া
দুপুরের ওষুধ - রাতে খাওয়া
রাতের ওষুধ - সেহরিতে খাওয়া

বি:দ্র: যারা ডায়াবেটিস এর জন্য ইনসুলিন নেন তারা চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে ডোজ সমন্বয় করবেন।

মাথা ঘোরা:     মাথা ঘোরা (Dizziness বা Vertigo) বিভিন্ন কারণে হতে  পারে। যেমন: ১.কর্ণ বা ভারসাম্যতন্ত্র-সংক্রান্ত কারণ (...
25/02/2026

মাথা ঘোরা:
মাথা ঘোরা (Dizziness বা Vertigo) বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন:

১.কর্ণ বা ভারসাম্যতন্ত্র-সংক্রান্ত কারণ (Vestibular system):

শ্রবণের পাশাপাশি কানের অন্যতম প্রধান কাজ ভারসাম্য রক্ষা করা। মাথা ঘোরার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ভেতরের কানে ভারসাম্য রক্ষায় গোলযোগ। এটি কয়েক ধরনের:

▪️BPPV (Benign Paroxysmal Positional Vertigo): শোয়া থেকে উঠা, মাথা নিচু করা বা পাশ ফেরালেই হঠাৎ ঘূর্ণির মতো মাথা ঘোরা অনুভূত হয়।

▪️Vestibular neuritis: ভাইরাস সংক্রমণের কারণে অভ্যন্তরীণ কর্ণের স্নায়ুতে প্রদাহ হয়, ফলে হঠাৎ ভারসাম্যহীনতা ও মাথা ঘোরে।

▪️Meniere's disease: মাথা ঘোরা, কানে শোঁ শোঁ শব্দ ও শ্রবণশক্তি হ্রাস একসাথে হয়।

▪️Labyrinthitis: কানের ভেতরের অংশে সংক্রমণের কারণে মাথা ঘোরা হয়, সঙ্গে শ্রবণ সমস্যাও থাকে।

২.স্নায়বিক কারণ (Neurological):

মস্তিষ্কে সমস্যা হলে ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মাথা ঘোরে।

▪️ মিনি স্ট্রোক/ট্রানজিয়েন্ট ইস্কেমিক আট্যাক (TIA): হঠাৎ মাথা ঘোরা, একপাশ অবশ হওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি হয়।

▪️Brain tumor: দীর্ঘ সময় ধরে মাথা ঘোরা, দৃষ্টিতে সমস্যা বা চলাফেরায় ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়।

▪️Vestibular migraine: মাইগ্রেনের সাথে ঘূর্ণির মতো মাথা ঘোরা হয়, যা আলো বা শব্দে বাড়তে পারে।

▪️মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস (Multiple Sclerosis) : স্নায়ুর মাইলিন শিথ ক্ষতিগ্রস্ত হলে মাথা ঘোরা সহ অন্যান্য স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

৩.রক্তচাপ ও হৃদরোগ সংক্রান্ত (Cardiovascular) কারণসমূহ:
যখন মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, তখন মাথা ঘোরে।

▪️হৃদপিণ্ডের ছন্দে গোলযোগ (Arrhythmia): হৃদস্পন্দনের অনিয়মের ফলে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমে গিয়ে মাথা ঘোরা অনুভূত হতে পারে।

▪️নিম্ন রক্তচাপ: হঠাৎ দাঁড়ালে মাথা হালকা লাগে বা চোখের সামনে অন্ধকার হয়ে আসে।

▪️রক্তস্বল্পতা (Anemia): শরীরে অক্সিজেন কম পৌঁছায় বলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা হয়।

৪.মানসিক কারণ:

চিন্তা, টেনশন বা আতঙ্কের কারণে মাথা ঘোরা অনুভব হতে পারে-

▪️ Panic attack বা anxiety: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, ঘাম, শ্বাসকষ্টের সঙ্গে মাথা ঘোরে।

▪️ Hyperventilation: অতিরিক্ত দ্রুত শ্বাস নিলে মাথা হালকা (dizziness) লাগে।

৫.অন্যান্য সাধারণ কারণ:

▪️ ডিহাইড্রেশন: শরীরে পানির অভাবে রক্তচাপ কমে গিয়ে মাথা ঘোরা হতে পারে।

▪️ কম ব্লাড সুগার: দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে মাথা হালকা লাগা ও দুর্বলতা হয়।

▪️ ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: বিশেষ করে প্রেসার এর ওষুধ প্রয়োজনের অধিক ডোজে নিলে রক্তচাপ কমে গিয়ে মাথা ঘোরে। তাছাড়া স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলে এরকম ওষুধ খেলে মাথা ঘোরে।

▪️ গর্ভাবস্থা: হরমোনের প্রভাবে রক্তচাপ কমে গিয়ে মাথা ঘোরে।

➤মাথা ঘোরার ধরন অনুসারে চিকিৎসা ভিন্ন।

▪️ যদি মাথা ঘোরা ঘুর্ণি অনুভূতি সহ হয় (যেন সবকিছু ঘুরছে) তাহলে সেটা সাধারণত ভেস্টিবুলার সমস্যা।

▪️যদি হালকা মাথা ঝিমঝিম করে বা চোখ অন্ধকার হয়ে আসে, সেটা হতে পারে রক্তচাপ বা রক্তশর্করার সমস্যা।

তাই কারণ বের করা (evaluation) জরুরী। কারণ নির্নয় ও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ডা. মোঃ জামিরুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার
নিউরোমেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা)।

#চেম্বার : সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

#নিউরোমেডিসিন
#চাঁপাইনবাবগঞ্জ

 #সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা)।  #চেম্বা...
24/02/2026

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা)।

#চেম্বার : সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

#নিউরোমেডিসিন
#চাঁপাইনবাবগঞ্জ

23/02/2026

#মাথাব্যথার কারণ ও লক্ষণ:

#মাথাব্যথা হওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে। সাধারণভাবে মাথা ব্যথাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

১.প্রাথমিক (Primary) মাথা ব্যথা:
এই ধরনের মাথা ব্যথা কোনো রোগের উপসর্গ নয়, নিজেই একটি সমস্যা:

▪️মাইগ্রেন (Migraine)
▪️টেনশন হেডেক (Tension headache)
▪️ক্লাস্টার হেডেক (Cluster headache)

২.সেকেন্ডারি (Secondary) মাথা ব্যথা:
এটি কোনো রোগ বা অন্য সমস্যার উপসর্গ:

▪️জ্বর, ইনফেকশন (যেমন: সাইনাস ইনফেকশন)
▪️চোখের সমস্যা (যেমন: চোখের চাপ বা চশমার প্রয়োজন)
▪️উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার)
▪️ডিহাইড্রেশন (পানিস্বল্পতা)
▪️মস্তিষ্কে টিউমার বা ইনজুরি
▪️ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

➤বিভিন্ন ধরনের মাথা ব্যথার লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য সাধারণত নিম্নরূপ:

১.টেনশন-টাইপ মাথা ব্যথা (Tension-Type Headache):

লক্ষণসমূহ:

-মাথার দুই পাশে বা পুরো মাথায় চাপ বা টান ধরা বা ব্যান্ড অনুভূতি।

-ব্যথা সাধারণত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার হয় এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমে তেমন প্রভাব ফেলে না।

-ব্যথা সাধারণত ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

-বমি বা বমি ভাব সাধারণত থাকে না।

-আলো বা শব্দে সংবেদনশীলতা থাকতে পারে, তবে মাইগ্রেনের মতো তীব্র নয়।

২.মাইগ্রেন (Migraine):

লক্ষণসমূহ:

-সাধারণত মাথার এক পাশে তীব্র, স্পন্দনশীল ব্যথা অনুভূত হয়, তবে কখনও দুই পাশেও হতে পারে।

-ব্যথা মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার হয় এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

-বমি ভাব বা বমি হতে পারে।

-আলো, শব্দ এবং কখনও গন্ধে সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

-অরা (Aura): কিছু মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে ব্যথা শুরুর আগে বা সাথে সাথে অরা দেখা যায়, যা দৃষ্টিতে ঝাপসা, আলো ঝলকানি বা দৃষ্টিক্ষেত্রে ফাঁকা স্থান প্রভৃতি আকারে প্রকাশিত হয়।

৩.ক্লাস্টার মাথা ব্যথা (Cluster Headache):

লক্ষণসমূহ:

-মাথার এক পাশে, বিশেষ করে চোখের আশেপাশে তীব্র, জ্বালাপোড়া বা ছুরিকাঘাতের মতো ব্যথা।

-ব্যথা হঠাৎ শুরু হয় এবং ১৫ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

-একটি ক্লাস্টার পিরিয়ডে প্রতিদিন এক বা একাধিকবার ব্যথা হতে পারে, যা কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

অন্য উপসর্গসমূহ:
-ব্যথার পাশে চোখ লাল হওয়া বা পানি পড়া।
-নাক বন্ধ হওয়া বা পানি পড়া।
-কপালে বা মুখে ঘাম হওয়া।
-চোখের পাতা ঝুলে পড়া বা চোখের মণি ছোট হয়ে যাওয়া (Horner's Syndrome)।

৪.সাইনাসজনিত মাথা ব্যথা (Sinus Headache):

লক্ষণসমূহ:

➤মুখের সামনের অংশে, বিশেষ করে কপাল, গাল এবং নাকের আশেপাশে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হয়।
➤ব্যথা সাধারণত মাথা ঝাঁকালে বা সামনে ঝুঁকলে বৃদ্ধি পায়।

অন্য উপসর্গসমূহ:
-নাক বন্ধ হওয়া বা সর্দি।
-জ্বর।
-মুখে ফোলা ভাব।

৫.ঔষধ অধিক ব্যবহারজনিত মাথা ব্যথা (Medication-Overuse Headache):

লক্ষণসমূহ:

-নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের ফলে প্রায় প্রতিদিন মাথা ব্যথা হতে পারে।

-ব্যথা সাধারণত সকালে শুরু হয়।

-ব্যথার ধরন টেনশন-টাইপ বা মাইগ্রেনের মতো হতে পারে।

৬.রক্তচাপ জনিত মাথা ব্যথা (Hypertension Headache):

লক্ষণসমূহ:

-সাধারণত মাথার পেছনের দিকে (Occipital region) ব্যথা অনুভূত হয়।

-উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা খুব বেশি হলে ব্যথা তীব্র হতে পারে।

অন্য উপসর্গসমূহ:

-মাথা ঘোরা।
-দৃষ্টিতে সমস্যা।
-বমি ভাব।

৭.ব্রেইন টিউমারজনিত মাথা ব্যথা (Brain Tumor Headache):

লক্ষণসমূহ:

-ব্যথা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং সময়ের সাথে সাথে তীব্রতা বাড়ে।

-সকালে ব্যথা বেশি হতে পারে এবং বমি হতে পারে।

অন্য উপসর্গসমূহ:
-মেমোরি লস বা ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন।
-খিঁচুনি।
-দৃষ্টিতে সমস্যা বা দৃষ্টিক্ষেত্রের পরিবর্তন।

✔যদি মাথা ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়, হঠাৎ খুব তীব্র হয় বা সঙ্গে অন্য উপসর্গ থাকে (যেমন জ্বর, চোখে সমস্যা, দুর্বলতা), তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডা. মো: জামিরুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার
নিউরোমেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা।

#চেম্বার : সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

#মাথা
#ব্যথা
#মাথার
#চাঁপাই
#চাঁপাইনবাবগঞ্জ
#নিউরোমেডিসিন
#নিউরো
#চাপাই

🔹মাইগ্রেন কী??মাইগ্রেন হচ্ছে একধরনের তীব্র মাথাব্যথা যা সাধারণত মাথার এক পাশে হয় এবং বারবার হয়। এর সঙ্গে থাকতে পারে বমি ...
21/02/2026

🔹মাইগ্রেন কী??

মাইগ্রেন হচ্ছে একধরনের তীব্র মাথাব্যথা যা সাধারণত মাথার এক পাশে হয় এবং বারবার হয়। এর সঙ্গে থাকতে পারে বমি বমি ভাব, আলো ও শব্দের সহ্য করতে না পারা, ক্লান্তি, এমনকি মাঝে মাঝে কথা বলা বা দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা।

▪️মাইগ্রেনের ধাপগুলো

1.প্রারম্ভিক লক্ষণ (Prodrome):
ব্যথা শুরুর এক-দুই দিন আগে অনেকেই হালকা অসুস্থতা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, ক্ষুধা বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘন ঘন হাই তোলা ইত্যাদি উপসর্গ অনুভব করেন।

2.অরা (Aura):
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চোখের সামনে আলোর ঝলকানি, হাত-পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা বা সাময়িকভাবে কথা বলায় সমস্যা হতে পারে। এটি সাধারণত কিছুক্ষণ স্থায়ী হয়।

3.ব্যথার ধাপ:
তীব্র, কম্পনের মত মাথাব্যথা হয়, যা কয়েক ঘণ্টা থেকে শুরু করে তিন দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। অনেক সময় সঙ্গে থাকে বমি বা বমি বমি ভাব, গন্ধে ও শব্দে অস্বস্তি।

4.পুনরুদ্ধার ধাপ (Postdrome):
ব্যথা চলে যাওয়ার পরও রোগী ক্লান্তি, বিভ্রান্তি বা মনোযোগে ঘাটতির মতো সমস্যায় ভোগেন।

▪️কেন মাইগ্রেন হয়?

মাইগ্রেনের নির্দিষ্ট কারণ অজানা, তবে কিছু সাধারণ ট্রিগার হলো:

➤অতিরিক্ত মানসিক চাপ
➤ঘুমের অভাব বা অতিঘুম
➤অনিয়মিত খাওয়া
➤হরমোনের ওঠানামা (বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে)
➤চকলেট, চিজ, ক্যাফেইন ইত্যাদি কিছু নির্দিষ্ট খাবার
➤উজ্জ্বল আলো, উচ্চ শব্দ বা তীব্র গন্ধ।

▪️কীভাবে নির্ণয় করা হয়?

চিকিৎসক সাধারণত রোগীর ইতিহাস ও উপসর্গ বিশ্লেষণ করেই এটি নির্ধারণ করেন। তবে কখনো কখনো অন্য রোগ বাদ দিতে (to exclude) CT scan, MRI বা অন্য পরীক্ষা দরকার হতে পারে।

▪️চিকিৎসা ও করণীয়
মাইগ্রেনের চিকিৎসা মূলত দুই ধরনের:
1.তৎক্ষণাৎ উপশম (Acute treatment):
যখন ব্যথা শুরু হয়, তখন ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হয়।

2.প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা (Preventive treatment):
যাদের মাসে বারবার মাইগ্রেন হয়, তাদের জন্য প্রতিরোধমূলক দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ দরকার।

✔জীবনধারায় পরিবর্তন:
➤প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম ও খাওয়া
➤ট্রিগার খাবার ও পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা
➤স্মার্টফোন বা স্ক্রিনের দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে না থাকা

সঠিক চিকিৎসা ও কিছু অভ্যাসগত পরিবর্তনের মাধ্যমে #মাইগ্রেন এর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তাই একজন নিউরোমেডিসিন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, সুস্থ থাকুন।

ডা. মোঃ জামিরুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার
নিউরোমেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা।

#চেম্বার : সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

 #স্ট্রোক : স্ট্রোকে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে অথবা রক্তনালী ফেটে রক্তক্ষরণ ঘটে হয়ে থাকে ও তার পরিপ্রেক্ষ...
20/02/2026

#স্ট্রোক : স্ট্রোকে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে অথবা রক্তনালী ফেটে রক্তক্ষরণ ঘটে হয়ে থাকে ও তার পরিপ্রেক্ষিতে শরীরের বিভিন্ন অংশে প্যারালাইসিস, কথা বলার সমস্যাসহ অন্যান্য নার্ভজনিত সমস্যা দেখা দেয়।

▪️স্ট্রোকের প্রকারভেদ:
স্ট্রোক প্রধানত দুই প্রকার:

১.ইসকেমিক স্ট্রোক (Ischemic Stroke)

➤মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনীতে ব্লক বা জমাট বাঁধার ফলে ঘটে।
➤প্রায় ৮৫% স্ট্রোকই এই ধরনের।
➤সাধারণত অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (চর্বি জমা) বা হৃদরোগজনিত রক্ত জমাট এ কারণে হয়।

২.হেমোরেজিক স্ট্রোক (Hemorrhagic Stroke)

➤মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হলে হয়।
➤উচ্চ রক্তচাপ, অ্যানিউরিজম এর কারণে হয়ে থাকে।

▪️উপসর্গ:
➤মুখ, হাত বা পায়ের দুর্বলতা বা অবশভাব: বিশেষ করে শরীরের একপাশে।
➤কথা বলতে বা বুঝতে অসুবিধা।
➤দৃষ্টিশক্তি হঠাৎ ঝাপসা বা কমে যাওয়া।
➤ভারসাম্য বা সমন্বয় হারানো, মাথা ঘোরা।
➤তীব্র ও আকস্মিক মাথাব্যথা।

▪️কারণ:
স্ট্রোক হওয়ার মূল কারণ হলো মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে:

১.উচ্চ রক্তচাপ(Hypertension)
২.ডায়াবেটিস
৩.উচ্চ কোলেস্টেরল
৪.হৃদরোগ
৫.ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান
৬.স্থূলতা ও শরীরচর্চার অভাব
৭.অতিরিক্ত মানসিক চাপ
৮.জন্মগত বা জেনেটিক ঝুঁকি

▪️স্ট্রোক রোগ নির্ণয় (Diagnosis)

১.নিউরোলজিক্যাল পরীক্ষা
২.CT Scan of Brain বা MRI of Brain – রক্তক্ষরণ বা ব্লক চিহ্নিত করা যায়।

➤এছাড়া স্ট্রোক কেনো হলো (cause /risk factor) তা জানার জন্য আরও কিছু পরীক্ষা দরকার হতে পারে।

▪️প্রতিরোধ (Prevention)

➤উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ
➤নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
➤ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার
➤ওজন নিয়ন্ত্রণ

▪️স্ট্রোক হলে করণীয়:
➤স্ট্রোক একটি Medical emergency । তাই কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান বা নিউরোমেডিসিন চিকিৎসককে দেখান।

ডা. মো: জামিরুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার
নিউরোমেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা।

#চেম্বার : সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

 #সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা। #চেম্বার ...
19/02/2026

#সাক্ষাত: রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)
ও শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৯টা।

#চেম্বার : সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

🔹একদিকে মুখ বেঁকে যাওয়া:  একদিকে মুখ বেঁকে যাওয়ার অন্যতম প্রধাণ কারণ হচ্ছে বেলস পালসি(Bell's Palsy)। ▪️বেলস পালসি:আমাদের...
19/02/2026

🔹একদিকে মুখ বেঁকে যাওয়া:

একদিকে মুখ বেঁকে যাওয়ার অন্যতম প্রধাণ কারণ হচ্ছে বেলস পালসি(Bell's Palsy)।

▪️বেলস পালসি:
আমাদের দেহে মোট ১২ জোড়া ক্রেনিয়াল নার্ভ (Cranial nerve) রয়েছে। ৭ম ক্রেনিয়াল নার্ভ এর নাম হচ্ছে ফেসিয়াল নার্ভ। এটি মুখের মাংশপেশী সঞ্চালন এর সাথে জড়িত। ফেসিয়াল নার্ভ এর lower motor neuron এ সমস্যা হলে বেলস পালসি দেখা দেয়।

বেলস পালসির লক্ষণ:
১)যেদিকের নার্ভ এর সমস্যা তার বিপরীত দিকে মুখ বেঁকে যায়।

২)কুলি করার সময় মুখের এক পাশ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে।

৩) রুগীকে কপাল ভাঁজ করতে বললে আক্রান্ত দিকের কপাল ভাজ করতে পারবে না।

৪)রুগী চোখের পাতা উপরে তুলতে পারবে না বলে চোখের পাতা পড়ে থাকবে (drooping eye lid)

৫) চোখ বন্ধ করতে সমস্যা হয়।

৬)গাল ফুলাতে বললে পারেন না।

৭)কানে পূর্বের থেকে বেশি শুনতে পান (Hyperacusis)।

বেলস পালসি হওয়ার কারণ:
Herpes simplex বা Herpes zoster দিয়ে আক্রান্ত হলে এটি হতে পারে। এছাড়া idiopathic(অজানা) কারণেও হতে পারে।

চিকিৎসা:
দ্রুত যথাযথ চিকিৎসা শুরু করলে পুরুপুরি ভালো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে অনেক রুগী আছেন যারা চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে যান কবিরাজের কাছে এবং অপচিকিৎসার শিকার হন। ফলে মুখ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যায়।

তাই আক্রান্ত হলে দ্রুত একজন নিউরোমেডিসিন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা. মোঃ জামিরুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার,
নিউরোমেডিসিন বিভাগ,
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

#চেম্বার: সেবা ক্লিনিক, শান্তিমোড়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রুম নং: ২০৯)।
#সাক্ষাত: প্রতি রবি, সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা)

এবং শুক্রবার সারাদিন (সকাল ৯টা হতে রাত ৮টা)

#সিরিয়াল : ০১৩৩১-৭৪৭৪২২

Address

Nawabganj

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00
Tuesday 16:00 - 21:00
Wednesday 16:00 - 21:00
Thursday 16:00 - 21:00
Friday 10:00 - 16:00
Sunday 16:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Jamirul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram