Anowarul Hossain

Anowarul Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anowarul Hossain, Doctor, Noapara.

মানুষের কাছে যেতে হবে ( People have to go)আনোয়ারুল হোসেন। মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে হবে দেশের সাধ...
31/01/2026

মানুষের কাছে যেতে হবে
( People have to go)
আনোয়ারুল হোসেন।

মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে
মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে হবে
দেশের সাধারণ মানুষের
আশা-আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছে জানতে হবে
বাঁচতে হলে শিখতে হবে
কখনো শেখা থামানো যাবেনা
ভালো কিছু দিলে ভালো কিছু পাবেন
অন্যের সেবা করার মত
অধিকতর ভালো কিছু নেই আর
একজন কাজের মানুষ হন
সমালোচক হবার দরকার নেই
আজকের পৃথিবী আগের তুলনায়
অনেক যোগাযোগ নির্ভর।
৩১/০১/২০২৬
রাত ৮ টা ১৬ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

31/01/2026

বর্তমান পৃথিবীর মানুষের মানসিক শান্তি ও সুখের ঘাটতি আছে কম-বেশী সবার।
৩১/০১/২০২৬

31/01/2026

ওঠে পড়ুন
আনোয়ারুল হোসেন।

পুবের আকাশ ফরসা হলো
ডাকছে মোয়াযযিন
ঘুমের চেয়ে নামাজ ভালো
আল্লাতে সব হও বিলীন।।

চাঁদ সূর্য আকাশ মাটি
পাখির কলরব
কাছে দূরে যা দেখা যায়
সৃষ্টি তাঁরই সব
সব কিছুরই মালিক হলেন
রাব্বুল আলামীন।।

তাঁর এবাদত করবো সবাই
তুলে দুটি হাত
তাঁরে ডেকে যাকনা কেটে
বিনিদ্র এই রাত
তাঁর হুকুমে হয় যে আজো
রাতের পরে দিন।।
৩১/০১/২০২৬
সকাল ১০ টা ৪১ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

পেনশন ভোগীআনোয়ারুল হোসেন। একজন পেনশন ভোগী সরকারী কর্মচারী কি অবস্থায় দিবানিশি পার করেন -- তা কেউ খোঁজ রাখেন না।এমন কি যা...
30/01/2026

পেনশন ভোগী
আনোয়ারুল হোসেন।

একজন পেনশন ভোগী সরকারী কর্মচারী কি অবস্থায় দিবানিশি পার করেন -- তা কেউ খোঁজ রাখেন না।এমন কি যারা তার পেনশন ভোগ করেন তারাও না (ব্যতিক্রমদের প্রতি রইল শুভেচ্ছা)। এদের মধ্যে অনেকেই ডায়াবেটিস হাইপারটেনশন,অজীর্ণ, হৃদরোগ ও হতাশা জনিত রোগের শিকার।
তাদের যেদিন প্রথম অবসর গ্রহণের চিঠিটা হাতে এসে পৌছায় সেদিন মনে হয় সব কিছু নিঃশেষ হয়ে গেল।কেড়ে নিলো চেয়ার,হাতের কলম,ক্ষমতা, অধিকার-- সব কিছু।আর বিনিময়ে তুলে দিলো,হতাশা অনিশ্চয়তা,বিষণ্ণতা।তোমার ছুটি,তুমি যাও,মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা কর।
যারা অবসর গ্রহণ করেছেন,তারা কর্মক্ষম অবস্থায় সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন;কাজেই তাদের সেই ক্ষমতা বা বোধ অবলুপ্ত হয়ে যায়নি।আমাদের আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের চিন্তা ভাবনাকে ব্যবহার করার একটা উপায় উদ্ভাবন করা যেতে পারে।সরকার এদিকটা একটু চিন্তা করে দেখতে পারেন।।
সমাজের জন্য প্রতিটি মানুষই প্রয়োজনীয় এবং এই প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে,কর্ম উদ্যোগে এবং চিন্তায়। অবসর প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ যারা এক সময় কর্ম উদ্দিপনা দিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্রকে গতিশীল রেখেছিলেন,তাঁরা অবসরের পত্র পাওয়া মাত্রই অক্ষম হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যাবেন এমন অবস্থা কল্পনা করা যায়না।তাঁরা অক্ষম হননি।নতুনদের স্থান করে দেবার জন্যেই তারা অবস্থান পরিবর্তন করেছেন মাত্র।সরকারকে এ বিষয়ে একটু চিন্তাভাবনা করার জন্য অনুরোধ রাখলাম।
২৯/০১/২০২৬
রাত ৭ টা ৩৮ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

30/01/2026

শিক্ষকের সার্থকতা শিক্ষাদান করায় নয়,ছাত্রকে তা অর্জন করতে সক্ষম করায়।
২৯/০১/২০২৬

30/01/2026

আত্মপ্রচার ও আত্মপ্রদর্শনীর মেলা ফেসবুকে
আনোয়ারুল হোসেন।

আত্মপ্রচার এবং আত্মপ্রদর্শনীর আগ্রহ মানুষের খুব পুরানো ইচ্ছে। যেকোনো ভালো কাজ তা লোকে দেখুক এবং তাকে লোকে সেজন্য প্রশংসা করুক এধরণের ইচ্ছা সকল প্রকার মানুষের মধ্যে কম-বেশি আছেই। অনেকক্ষেত্রে এধরণের আত্মপ্রচার ও আত্মপ্রদর্শনীতে অহমিকা ও আত্মম্ভরিতার পর্যায় থেকে অমানুষের দিকেও নিয়ে যায়। অহংকার একবার মনে প্রবেশ করলে, তা থেকে ফিরে আসা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। সকল কাজে ও চিন্তায় অহংকারের ভাবটি অবশ্য পরিত্যাগ করা উচিত। বর্তমানে ফেসবুকে এমনকিছু পরিলক্ষিত হচ্ছে।

প্রত্যেক কাজেরই ভালো মন্দ, দোষ- গুণ দুই-ই আছে। কোনো ভালো কাজ প্রকাশ্যে করলে বা মিডিয়ায় দেখালে অন্য সবাই অনুরূপ কাজে প্রেরণা পায় এটা ঠিক। অন্তরের ইচ্ছায় প্রকৃত কর্ম সম্পানের মূল। সে ইচ্ছে যদি সৎ কাজে এবং সৎ উদ্দেশ্যে ব্যাপ্ত হয় তখন তা আত্মপ্রচার বা আত্মপ্রদর্শনী বলে গৃহীত হয়না। সকল মানুষের কথাবার্তায়, চালচলনে,কাজে কর্মে,ভাবে ভঙ্গিতে এবং চিন্তা ভাবনায় আত্মপ্রকাশ বা আত্মপ্রদর্শনী মোটেও দোষণীয় নয়।তবে লোক দেখানো প্রদর্শন নিশ্চয়ই উত্তম নয়।

অহমিকা, আত্মপ্রদর্শন ও আত্মপ্রচারের উৎস। আর আত্মসংযম আত্মচৈতন্যের ফসল। আত্মসম্মান ও আত্মমর্যাদা আত্মসমীক্ষায় বিকশিত,অতএব গ্রহণীয়। আত্মপ্রদর্শনীতে আত্মপ্রবঞ্চনা আছে, আর আত্মপ্রবঞ্চনা বিশ্বপ্রবঞ্চনারই নামান্তর।

কথায় কাজে ও চিন্তায় মানুষ যাতে আপনার অসৎ মনে না করে। আপনার নামটি বড় করে উচ্চারিত হোক,এটা আপনি চান। আপনার সম্মান রক্ষার্থে সাধ্যের অতীত ব্যয় করে বন্ধুদের মন রক্ষা করতে আত্মপ্রচার ও আত্মপ্রদর্শনের মোহে পড়বেন না।
৩০/০১/২০২৬
সকাল ১১ টা ১ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

29/01/2026

এখন আগের মতো গ্রামের মানুষের মধ্যে সে-ই সততা এবং সরলতা নেই।
২৯/০১/২০২৬

29/01/2026

বাবা মায়ের প্রতি আচরণ
(Behavior towards parents)
আনোয়ারুল হোসেন।

যেকোনো সন্তানের জন্য অন্যতম ইবাদত হলো বাবা মায়ের খেদমত করা। যখন কোনো সন্তান নিজের মাতাপিতার প্রতি মহব্বতের নজরে দৃষ্টিপাত করে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে একটি করে কবুল হজের সওয়ার দান করেন। যারা বাবা মায়ের খেদমত থেকে বঞ্চিত হয়, তারা আল্লাহ তাআলার রহমত থেকেও বঞ্চিত হয়। পিতামাতার অপরাধে সন্তানকে এবং সন্তানের অপরাধে পিতামাতাকে দায়ী করা যাবেনা। আল্লাহর একত্ববাদের পরই বাবা মায়ের খেদমত অন্যতম ইবাদত। মাতাপিতার খেদমতের মাধ্যমে সন্তানেরা জান্নাত লাভ করে। বাবা মায়ের অধিকারের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, 'তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো,তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করোনা এবং মাতাপিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো' (সুরা-৪-নিসা,আয়াত-৩৬)। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, 'যারা পিতামাতা উভয়কে বা একজনকে বার্ধক্য অবস্থায় পেয়েও তাদের খেদমতের মাধ্যমে জান্নাত অর্জন করতে পারলোনা, তারা ধ্বংস হোক '।

পিতামাতার মৃত্যুর পরেও সন্তানের কর্তব্য থাকে, তাঁদের জন্য দোয়া করা,তাদের পাপের জন্য ইস্তেগফার করা, তাদের শরিয়ত সম্মত অসিয়তগুলো পূর্ণ করা, তাঁদের বন্ধুবান্ধবদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। এগুলো বাবা মায়ের মৃত্যুর পরও তাঁদের সঙ্গে উত্তম আচরণের শামিল।
২৮/০১/২০২৬
রাত ৮ টা ৫ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

29/01/2026

মেয়ে যতই রূপবতী, গুণবতী আর বুদ্ধিমতী হোক না কেন, সব বাবা-মা চাই ভালো স্থানে পাত্রস্থ করতে।
২৮/০১/২০২৬

29/01/2026

খাদ্যও মনের উপর প্রভাব ফেলে
আনোয়ারুল হোসেন।

এক গ্লাস লেবুর সরবত পান করা আর এক গ্লাস মদ পান করার মধ্যে কি পার্থক্য তা আমরা বুঝি। একটা সিনেমা দেখে বা একটা বক্তৃতা শুনেও আমাদের মনে নানা ঢেউ ওঠে যা আমাদের মনের পক্ষে কখনো সহায়ক,কখনো প্রতিবন্ধক হয়।
আমাদের সেই সব খাদ্য গ্রহণ করা উচিত নয় যেগুলো আসক্তি,হিংসা, মোহ সৃষ্টি করে। শরীরকে রক্ষার জন্য যা আমরা মুখ দিয়ে গ্রহণ করি শুধু সেগুলোই আমাদের মনের উপর প্রভাব বিস্তার করে তা নয়, যা আমরা চোখ দিয়ে দেখি,কান দিয়ে শুনি বা স্পর্শ দিয়ে অনুভব করি তারাও মনের উপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।
খাদ্য-পানীয় বুঝে-শুনে বিচার করে গ্রহণ করলে মনোনিগ্রহের অনুকূল বাতাবরণ সৃষ্টি করতে এরা অনেকটা সাহায্য করে,সে সকল খাদ্য আমাদের সুখ ও প্রীতি বৃদ্ধি করে,তেমন আহার আমাদের করা উচিত। আমাদের মনের মধ্যেই মনকে নিয়ন্ত্রণের কঠিন বাধা। এজন্য একটা যুদ্ধনীতি ঠিক করতে হবে যাতে বিপরীত শক্তিগুলো পরাজিত হয় আর সহায়ক শক্তিগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। এজন্য আমাদের ভিতরের শক্তিগুলোকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে। অবশ্য করণীয় ও নিঃস্বার্থ কর্মই শুধু করা উচিত,স্বার্থযুক্ত হানিকারক কর্ম নয়। সফল বয়ে আনুক আপনার সৎপ্রচেষ্টা এটাই আমার পৃথিবীর সকল মানুষের প্রতি শুভ কামনা।
২৯/০১/২০২৬
সকাল ১১ টা ৫ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা(The language of gratitude) আনোয়ারুল হোসেন। ধন্যবাদ জানানোর জন্য বিভিন্ন ভাষা ও উপায় আছে।  যেমন -ধ...
28/01/2026

কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা
(The language of gratitude)
আনোয়ারুল হোসেন।

ধন্যবাদ জানানোর জন্য বিভিন্ন ভাষা ও উপায় আছে। যেমন -ধন্যবাদ, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ,আপনার সাহায্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ /Thank you সবচেয়ে সহজ ও প্রচলিত। আন্তরিকতা বোঝাতে - আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ,আপনার কাছে আমি ঋণী। আপনার এই সহযোগিতা ভুলবোনা। আপনার এই সাহায্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আপনার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ। আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

যে কেউ আপনার জন্য কিছু করলে, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা শুধু সৌজন্য নয়,সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় করে। কৃতজ্ঞতা হলো অন্যের দয়ার প্রাপকের দ্বারা উপলব্ধির অনুভূতি। নিয়মিত কৃতজ্ঞতার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কৃতজ্ঞতার অর্থ অন্যের উপকার স্বীকার করা " আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ "।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে ঘুম, মেজাজ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে পারে এবং বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা এবং রোগ কমাতে পারে। কৃতজ্ঞতাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অনুশীলন করলে আরও সুখিবোধ করতে সাহায্য করতে পারে। কৃতজ্ঞতার ছয়টি স্তম্ভ :-সম্পর্ক, আন্তরিকতা, সহানুভূতি, আত্মসম্মান, সততা এবং নম্রতা।
২৮/০১/২০২৬
রাত ৮ টা ১৬ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

28/01/2026

মধ্যবিত্তের মানসিক দলিল
আনোয়ারুল হোসেন।

আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত পরিবারের একটা মানসিক দলিল আছে। তা হলো বলতেও পারে না, চলতেও পারে না। এ এক অভিশপ্ত শ্রেণী। আবার স্পর্শকাতরতা মানুষের এত প্রবল হয়ে গেছে যে বলার নয়। কোনো কিছু বলতেও ভয় লাগে, কিসে কি ঘটে যায়। বলা তো যায় না। এর একটা কারণ জীবনের দাবিও হতে পারে। জীবনের দাবি আজ এতই বিরাট যে, আড়াল করতে চাইলেও আড়াল করা যায় না।
আমাদের দেশে মধ্যবিত্ত একটি শক্তিশালী শ্রেণী। রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা-সংস্কৃতি সব কিছুরই ধারক বাহক এরা। এই মধ্যবিত্তের মধ্যে আবার দুই তিনটা ভাগ আছে। উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্ত। উচ্চবিত্তের অবস্থা ভালো। কিন্তু মধ্যবিত্ত এবং নিম্নমধ্যবিত্তের অবস্থা নিষ্করুণ। এরা উপরেও উঠতে পারে না, নিচেও নামতে পারে না। অনেকক্ষেত্রে অভিশপ্ত জীবনযাপন করতে হয়। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের অবস্থা খুবই খারাপ। হয়তো দিনের পর দিন পুত্র-কন্যা নিয়ে উপস করছে। অথচ সাহায্যের হাত বাড়াতে পারছে না।

একজনের মৃত্যুতে অন্ন সংস্থান এবং শিক্ষাদীক্ষার সম্ভাবনা হয় অনিশ্চিত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একেকটা মৃত্যু গোটা পরিবারে সৃষ্টি করছে বিপর্যয়। লোকভয়, সমাজভয় ছাড়াও সংস্কার তার পথ রোধ করে দাঁড়ায়। মধ্যবিত্ত গৃহিণী পারে না অন্যের ঘরে কাজে যেতে। দেশের চালচিত্র সবার জানা। নতুন করে বলার কিছু নেই। মধ্যবিত্তের বিশদ বর্ণনাও অর্থহীন। বহুক্ষেত্রে তেলে-ঘিয়ে একদর।
২৮/০১/২০২৬
সকাল ১০টা ৩৩ মিনিট বাংলাদেশের সময় এখন।

Address

Noapara

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anowarul Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category