Modern Diagnostic Home

Modern Diagnostic Home Modern Diagnostic Home is one of the Best Diagnostic Center in Pabna. Modern Diagnostic Home is a diagnostic center with state-of-the-art medical facilities.

মর্ডান ডায়াগনস্টিক হোম পাবনার অন্যতম সেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মডার্ন ডায়াগনস্টিক হোম হল একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। যা রোগীদের জন্য বিস্তৃত রোগ নির্ণয়ের পরিষেবাগুলি তাদের নিজের প্রতিষ্ঠানে অফার করে৷ সর্বশেষ প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম সহ, আমাদের দক্ষ পেশাদারদের দল পরীক্ষাগার পরিষেবা, ইমেজিং এবং টেলিমেডিসিন পরামর্শ সহ সঠিক এবং দক্ষ ডায়গনিস্টিক পরীক্ষা প্রদান করে। আমাদের লক্ষ্য হল স্বাস্থ্যসেবাকে আমাদের রোগীদের জন্য আরও সহজলভ্য এবং সুবিধাজনক করে তোলার পাশাপাশি গুণমান এবং নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা। আপনার সমস্ত ডায়াগনস্টিক প্রয়োজনের জন্য আধুনিক ডায়াগনস্টিক হোমে চলে আসুন আজই। সপ্তাহে ৭ দিন পাচ্ছেন আমাদের সেবা।

Mordern Diagnostic Home is one of the best diagnostic center in Pabna. which offers a wide range of diagnostic services to patients at their own institutions With the latest technology and equipment, our team of skilled professionals provides accurate and efficient diagnostic tests including laboratory services, imaging and telemedicine consultations. Our mission is to make healthcare more accessible and convenient for our patients while maintaining the highest standards of quality and safety. Visit Modern Diagnostic Home for all your diagnostic needs today. Our service is available 7 days a week.

ডায়াবেটিসের সবচেয়ে সাধারণ রূপটি কে টাইপ 2 ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন-অনির্ভর ডায়াবেটিস বলা হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায...
07/12/2025

ডায়াবেটিসের সবচেয়ে সাধারণ রূপটি কে টাইপ 2 ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন-অনির্ভর ডায়াবেটিস বলা হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায় 90% লোকের টাইপ 2 ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। টাইপ 2 ডায়াবেটিস কে প্রাপ্তবয়স্ক সূচক (adult-onset) ডায়াবেটিস-ও বলা হয়, কারণ এটি সাধারণত 35 বছর বয়সের পরে প্রকাশ পায়। তবে, ইদানিং ক্রমবর্ধমান সংখ্যক অল্পবয়স্ক মানুষদের-ও টাইপ 2 ডায়াবেটিস হচ্ছে।

টাইপ 2 ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিরা নিজস্ব ইনসুলিন তৈরি করতে সক্ষম। কিন্তু প্রায়শই, এটি পরিমাণে যথেষ্ট নয় বা কোষ যথাযথ ভাবে প্রতিক্রিয়া করে না। অর্থাৎ ইনসুলিন শরীরের কোষগুলিকে খোলার জন্য চাবি হিসাবে সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে শর্করা কোষে প্রবেশ করতে পারে না। একে বলা হয় ইনসুলিন-রেজিস্ট্যান্স। টাইপ 2 ডায়াবেটিস সাধারণত স্থূলকায় ব্যাক্তি এবং ব্যায়াম-রহিত (sedentary) জীবনধারার অভ্যস্ত ব্যাক্তি দের হয়ে থাকে।

টাইপ 2 ডায়াবেটিস-এর লক্ষণ গুলি টাইপ 1 ডায়াবেটিস এর মতোই। কিন্তু টাইপ 2 ডায়াবেটিসের সূত্রপাত সাধারণত ধীর গতিতে হয়। লক্ষণগুলিইও টাইপ 1 ডায়াবেটিসের মতো স্পষ্ট ভাবে লক্ষণীয় হয় না। এই কারণে, অনেকে ভুলবশত অসতর্ক হন।

ধূমপান ছাড়ার উপায় - ১. পরিকল্পনা তৈরি করুন: প্রথমত, ধূমপান ত্যাগের জন্য স্বচ্ছ পরিকল্পনা থাকা চাই। নিজের কাছে প্রতিজ্ঞ...
06/12/2025

ধূমপান ছাড়ার উপায় -
১. পরিকল্পনা তৈরি করুন: প্রথমত, ধূমপান ত্যাগের জন্য স্বচ্ছ পরিকল্পনা থাকা চাই। নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করে একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করুন। মনে রাখবেন, এই তারিখ কোনোভাবেই আর পেছানো যাবে না। তারিখ বাছাইয়ের সময় এমনভাবে নিজেকে বোঝাবেন, যেন এটিই ধূমপান ত্যাগের জন্য শেষ তারিখ। ওই তারিখের পর ধূমপায়ী বন্ধুদের কোনো পার্টি থাকলেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

২. তালিকা করুন: কেন ধূমপান ছাড়বেন, সেই তালিকা তৈরি করুন। অসংখ্য কারণ পাবেন ধূমপান ছাড়ার। চিন্তা করে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে একটি শক্ত তালিকা তৈরি করুন। তালিকায় আপনার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে আপনার আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্যগত ক্ষতি, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর ধূমপানের প্রভাব, আর্থিক অপচয় ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। এরপর যখন ধূমপানের ইচ্ছা জাগবে, তখনই এসব কারণ ভাবতে শুরু করবেন। এতে আপনার ধূমপানের প্রতি আগ্রহ কমতে থাকবে।

৩. ইতিবাচক থাকুন: হয়তো এর আগেও আপনি ধূমপান ছাড়ার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়েছেন। এবারের পরিকল্পনাও যে সেগুলোর মতো সফলতার মুখ দেখবে না, এমন ভাবা যাবে না। বরং আপনার এবারের প্রচেষ্টা সফল হবেই—এমন আত্মবিশ্বাস রাখুন। আগেরবারের ভুলগুলোর যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেদিকে সাবধান থাকতে হবে।

৪. খাবারের ধরন পরিবর্তন: দুপুর কিংবা রাতের আহারের পর অনেকেই ধূমপান করতে ভালোবাসেন। আমেরিকান একটি গবেষণা বলছে, অনেকের কাছে মাংসজাতীয় খাবার খাওয়ার পর ধূমপান উপভোগ্য হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ফল কিংবা সবজিজাতীয় খাবারের পর ধূমপান কিছুটা স্বাদ হারায়। তাই ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলে কিছুদিন মাংস এড়িয়ে খাবারের তালিকায় শাকসবজি ও ফলমূল রেখে দেখতে পারেন। আর খাওয়া শেষ করেই এমন স্থান বা কক্ষে চলে যান, যেখানে ধূমপানের সুযোগ নেই।

৫. বদলে ফেলুন পানীয়: গবেষকেরা বলছেন, অ্যাকোহলমিশ্রিত পানীয়, কোমলপানীয়, চা, কফি ইত্যাদি পানের সময় অনেকে মনে করেন যোগ্য সংগত সিগারেট। যা পানীয়র স্বাদ আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই এ ধরনের পানীয়র অভ্যাস প্রচুর ছেড়ে ফলের রস আর পানি পান করুন। এখন বাজার নানা রকম রসাল ফলে ভরপুর। সেসব ফলের জুস করে খেতে পারেন।

ফলের রস পান করতে হবে
ফলের রস পান করতে হবেছবি: অধুনা
৬. ব্যস্ততা বাড়ান: দিনের কোন সময়গুলোতে আপনার ধূমপানের ইচ্ছা বেশি জাগে, সেটি শনাক্ত করুন। এরপর ওই সময়গুলোতে নিজেকে কোনো কাজের মধ্যে ব্যস্ত রাখুন। কোনো কাজ খুঁজে না পেলে হাঁটাহাঁটি করুন। ব্যায়াম করে বা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে আড্ডা দিয়েও নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। ব্যস্ততা বাড়লে ধূমপানের কথা ভুলে থাকা সহজ হবে।

৭. অধূমপায়ী বন্ধু বাড়ান: ধূমপান ত্যাগের ক্ষেত্রে আপনার আশপাশের মানুষের ভূমিকা অপরিসীম। তাই যতটা সম্ভব ধূমপায়ী বন্ধুদের আড্ডা এড়িয়ে চলুন। অন্তত ধূমপান ছাড়ার পর প্রথম কয়েক দিন ধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি আড্ডা থেকে বিরত থাকুন। একই সঙ্গে অধূমপায়ী বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।

৮. মুখ খালি রাখবেন না: মুখ খালি থাকলেই ধূমপানের আগ্রহ জাগবে। তাই ধূমপান বাদ দিতে চাইলে মুখ খালি রাখা যাবে না। এ সময় মুখে চকলেট, লজেন্স বা চুইংগাম রাখুন। পকেট থেকে সিগারেট, ম্যাচের বাক্স ফেলে দিয়ে লজেন্স কিংবা চুইংগাম রাখুন।

৯. বড়দের পরামর্শ নিন: ধূমপান ছেড়েছেন, এমন কাউকে চেনা থাকলে তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিন। তাঁর অভিজ্ঞতাগুলোকে কাজে লাগান। ফেসবুকে একাধিক গ্রুপ রয়েছে, যেখানে ধূমপান ছাড়ার ব্যাপারে পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়। এসব গ্রুপে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে।

১০. প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: কোনো কিছুতেই আসক্তি কমাতে না পারলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া নিয়ে সংকোচ বা হীনম্মন্যতায় ভোগার কোনো কারণ নেই। বরং আপনার এই পদক্ষেপের মাধ্যমেই আপনি নিজেকে ধূমপানের আসক্তি থেকে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে নিয়ে আসতে পারবেন।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে যা করতে হবে -খনো অনেকই মনে করেন মিষ্টি খেলে বা খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়, ধারণাটি ভুল। মূলত...
04/12/2025

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে যা করতে হবে -
খনো অনেকই মনে করেন মিষ্টি খেলে বা খাবার বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়, ধারণাটি ভুল। মূলত সরাসরি কোনো খাবার খাওয়া বা না–খাওয়ার জন্য ডায়াবেটিস হয় না। শুধু শরীরে ইনসুলিন হরমোনের ঘাটতিতেই একজন ব্যক্তির ডায়াবেটিস হয়ে থাকে, আর তখন রক্তে চিনি বা সুগার বাড়ে।

কাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি

১. যেসব নতুন মায়ের শরীরের ওজন বেশি।

২. যাঁদের পেটে চর্বি বেশি।

৩. যাঁরা শারীরিক পরিশ্রম কম করেন বা অধিকাংশ সময় বসে থাকেন।

৪. পারিবারিকভাবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের সন্তানদের ইনসুলিনের অভাব হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

৫. প্রিডায়াবেটিস (যাঁদের আইজিটি/আইএফজি আছে) থাকলে।

৬. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে।

৭. গর্ভাবস্থায় পুষ্টির অভাব হলে।

৮. অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে থাকলে।

পরিসংখ্যান

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০ জনে ১ জন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, পাশাপাশি প্রতি ২ জনের ১ জনের এখনো নির্ণয় করা হয়নি। অন্যদিকে গর্ভকালীন ডায়াবেটিক মায়েদের সন্তানদের প্রতি ৬ জনের মধ্যে ১ জন হাইপারগ্লাইসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে, যাদের পরবর্তীকালে টাইপ-২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিক রোগীদের প্রায় ৯০ শতাংশ ই টাইপ-২ ধরনের, যাঁদের প্রতি ৪ জনের মধ্যে ৩ জন আমাদের মতো দেশগুলোতে বাস করেন। ফলে এখনো যদি আমরা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সচেতন না হতে পারি, তাহলে ২০৩০ সালে আরও প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাবে, পাশাপাশি ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে হতে পারে অন্ধত্ব, কিডনি বৈকল্য, হৃদ্‌রোগ ও অন্যান্য গুরুতর জটিলতা। ডায়াবেটিস ঝুঁকি প্রতিরোধ ও প্রতিকারে করণীয় সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে, তা জানতে ও মানতে হবে।

প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন ব্যায়াম করুনছবি: প্রথম আলো
করণীয়

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে একজন ব্যক্তিকে, বিশেষ করে যাঁরা বেশি ঝুঁকিতে আছেন, তাঁদের স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করতে হবে।

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও জীবনযাপন

১. খাবারে শর্করা কমান: আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই ভাত ও অন্যান্য শর্করা খেয়ে পেট ভরান। পাশাপাশি খাবারে চিনি বেশি ব্যবহার করেন। এতে রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা থেকে শেষ পর্যন্ত ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

২. পরিমিত খান

যেকোনো ব্যক্তির প্রতিদিন কতটা শক্তি প্রয়োজন, তার চাহিদা নিরূপণ করে, সেই অনুযায়ী খাবার খেতে পারলে শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেলে ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকে। অন্যদিকে চাহিদার থেকে কম খেলে দুর্বলতাসহ বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেবে।

৩. সময়মতো খান

প্রতিদিন, প্রতিবেলার খাবার একই সময়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপাসহ নানা সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

৪. অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন

পোড়া তেলে রান্না, বাসি খাবার, খাবারের স্বাদ বাড়াতে অতিরিক্ত চর্বি, চিনি, লবণ, মসলা, মেয়নেজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। এসব খাবার থেকে উচ্চ রক্তচাপ, রক্ত, লিভার, হার্টে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ে। অন্যদিকে ওজন বাড়তে থাকে। যার থেকে ডায়াবেটিস ও ডায়াবেটিস–পরবর্তী জটিলতার ঝুঁকি বাড়ে।

৫. কার্বোনেটেড ড্রিংক বা জুস বাদ দিন

কার্বোনেটেড ড্রিংক বা জুসে প্রচুর চিনি (১ গ্লাস ড্রিংকসে প্রায় ৮ চা-চামচ চিনি থাকে), সোডা ইত্যাদি থাকে। এই সোডা ও মিষ্টি ফলের রসের মতো চিনিযুক্ত পানীয় টাইপ-২ ডায়াবেটিস (প্রায় ২০ শতাংশ) এবং প্রাপ্তবয়স্কদের সুপ্ত অটো ইমিউন ডায়াবেটিসের (প্রায় ৯৯ শতাংশ) ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত। তাই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে আপনার প্রধান পানীয় হিসেবে সাধারণ পানি পান করুন।

৬. আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খান

গবেষণায় দেখা গেছে, ফাইবারযুক্ত খাবার, বিশেষ করে দ্রবণীয় ফাইবার ও জল আপনার পরিপাকতন্ত্রে একটি জেল তৈরি করে, যা খাদ্যশোষণকে ধীর করে দেয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। ফলে রক্তে শর্করা ও ইনসুলিনের মাত্রা কম রাখতে, ওজন কমাতে ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০-৩৫ গ্রাম ফাইবার রাখা প্রয়োজন খাবারে।

গরমে ফুড পয়জনিংসহ বিভিন্ন অসুখ থেকে বাঁচার উপায়? খাবার খেয়ে বারবার বমি করা, পাতলা পায়খানা হওয়া, জ্বর, পেট ব্যথা ইত্যাদি ...
02/12/2025

গরমে ফুড পয়জনিংসহ বিভিন্ন অসুখ থেকে বাঁচার উপায়?
খাবার খেয়ে বারবার বমি করা, পাতলা পায়খানা হওয়া, জ্বর, পেট ব্যথা ইত্যাদি বেশি হলে ধরে নেওয়া যায় ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে এমনটি হচ্ছে। গরমের সময় ফুড পয়জনিং বেশি হয়। এ সময় খাবার দ্রুত পচে যায় বলে এতে জীবাণু সহজে সংক্রমিত হয়। এ জন্য বাসি বা পচা খাবার, অস্বাস্থ্যকর ও জীবাণুযুক্ত খাবার, গরমে নষ্ট হয়ে যাওয়া খাবার খাওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি হাত-মুখ, থালা-বাটি ভালোভাবে ধুয়ে, পথেঘাটে তৈরি খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার খেলে ফুড পয়জনিংয়ের আশঙ্কা কমে।

কারও ফুড পয়জনিং হলে সময়মতো এর চিকিৎসা করা না হলে তীব্র পানিস্বল্পতা, এমনকি রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয়েও জটিলতা বাড়তে পারে।

এ ধরনের সমস্যা হলে ডাবের পানি, স্যালাইন, শরবত ইত্যাদি বেশি বেশি খাওয়া যেতে পারে। রোগী মুখে না খেতে পারলে এবং জটিল পরিস্থিতি মনে হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে অথবা ভালো কোনো হাসপাতালে ভর্তি করে শিরায় স্যালাইন দিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে।

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলা...
01/12/2025

পিঠে ব্যাথা প্রতিরোধে ৯টি দৈনিক অভ্যাস-

পিঠ ব্যথা প্রতিরোধে সবচেয়ে জরুরী হলো আপনার পিঠের উপর চাপ কমানো। তাই দৈনন্দিন চলাফেরা এবং কাজকর্মের সময় আপনার দেহভঙ্গীর দিকে খেয়াল রাখুন। কিছু কাজ আছে যেগুলিকে আপনার দৈনন্দিন জীবনে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে পিঠে ব্যাথা বা ব্যাকপেইন থেকে সহজেই দূরে থাকা সম্ভব। চলুন এমন নয়টি অভ্যাস সম্পর্কে জেনে নিই।

১. কম ওজন বহন করুন

ভারী ব্রিফকেস, ল্যাপটপ ব্যাগ, স্যুটকেস কিংবা বাজারের ব্যাগ- এগুলি আপনার ঘাড় এবং মেরুদণ্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করতে পারে। তাই শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় জিনিসই বহন করুন। এমন ব্যাগ ব্যবহার করুন যা পিঠে, ঘাড়ে, কাঁধে সমানভাবে ভর বিতরণ করে, যেমন ব্যাকপ্যাক, যা দুই কাঁধে নেয়ার মত। ভারী কিছু বহন করতে চাইলে, প্রয়োজনে চাকাওয়ালা ব্যাগ ব্যবহার করুন।

২. ব্যায়াম করুন

আপনার পেট এবং পিঠের চারপাশের পেশীগুলি আপনাকে সোজা থাকতে সাহায্য করে এবং পুরো শরীরের ভার বহন করতে সহায়তা করে। তাই এগুলিকে শক্তিশালী করে আপনার পিঠে ব্যথা বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত কয়েকবার পেট ও পিঠের ব্যায়াম করুন।

৩. সোজা হোন

সঠিক দেহভঙ্গী আপনার মেরুদন্ডকে সুস্থ রাখে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। দেহভঙ্গি সঠিক না হলে তা আপনার মেরুদন্ডে অপ্রয়োজনীয় চাপ প্রয়োগ করে। যারা দীর্ঘক্ষণ অফিসে কিংবা কম্পিউটারের সামনে কাজ করেন তাদের ব্যাকপেইন হবার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই চেয়ারে বসার সময় হয়ে বসতে হবে। দাড়ানোর সময়ও সোজা হয়ে দাড়াতে হবে। ফোন ব্যবহারের সময় চেষ্টা করতে হবে যেন তা মাথা সোজা রেখে ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারের মনিটর প্রয়োজনে উচু করে নিতে হবে যেন মাথা ও শিরদাড়া সোজা রেখে কাজ করা যায়। ।

৪. টেবিলের উপর ঝুঁকে পড়বেন না

অফিসের চেয়ারে বসার সময় কিংবা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে যাবেন না। বিশেষ করে যদি আপনি প্রতিদিন কয়েক ঘন্টার বেশি বসে থাকেন বা ‘ডেস্ক জব’ করেন তাহলে ঠিকভাবে বসা এবং আপনার পিঠকে পেছন থেকে সঠিকভাবে চাপ দিয়ে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ, ।

বসার চেয়ারটা ভাল হওয়া খুব জরুরী। এমন চেয়ার বেছে নিন যা আপনার পিঠের নীচের দিককে সঠিক ভাবে চাপ দিয়ে রাখতে পারবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনি বসলে আপনার হাঁটু আপনার নিতম্বের থেকে একটু উঁচুতে থাকে।

৫. প্রায়ই নড়ে চড়ে বসুন, উঠুন

দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা, বসা বা শুয়ে থাকা আপনার পিঠের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। আপনি যখনই পারেন বসা থেকে উঠে, হাঁটাহাঁটি করে এবং কিছু সাধারণ হাল্কা স্ট্রেচ করে পেশী এবং হাড় এবং মেরদন্ডকে চাপ থেকে মুক্তি দিন। এটি আপনার পিঠে রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয় এবং সুস্থ রাখে।

৬. জুতা বদলান

হাই-হিলের জুতা আপনার পিঠের ক্ষতির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে তা যদি নিয়মিত পরেন। তাই অল্প উচ্চতার সমান তলিওয়ালা জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৭. আপনার ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণের পরিমাণ বাড়ান

পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি গ্রহণ করে আপনার মেরুদন্ডের হাড় মজবুত রাখুন। ক্যালসিয়াম অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে, যা বিশেষ করে নারীদের পিঠে ব্যথার একটি বড় কারণ। দুধ, দই, শাকে আপনি পাবেন ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি পাবেন চর্বিযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, গরুর যকৃত বা কলিজা কিংবা পনিরে। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের ক্যালসিয়াম বড়ি পাওয়া যায় যা কার্যকত। তবে ভিটামিনের বড়ি খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

৮. সিগারেটটা বাদ দিন

ধূমপান গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এটি ব্যাকপেইনও বাড়িয়ে তুলতে পারে। নিকোটিন মেরুদন্ডের ডিস্কগুলিতে রক্ত ​​প্রবাহকে সীমিত করে দেয়, যার ফলে তারা শুকিয়ে যায় বা ফেটে যেতে পারে। ধূমপান রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণও হ্রাস করে এবং এর ফলে পেশীতে কম পুষ্টি পৌঁছায়। এই দুর্বল, অসুস্থ পিঠ দুর্ঘটনাজনিত স্ট্রেন এবং পিঠে ব্যথা সৃষ্টিকারী টানগুলির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

৯. হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে ঘুমান

উপুড় হয়ে বা চিৎ হয়ে ঘুমালে আপনার মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। ঘুমের সময় আপনার পা সামান্য উঁচু করে রাখলে পিঠের এই চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই হাঁটুর নিচে বালিশ দিয়ে আপনি আপনার পিঠের উপর চাপ অর্ধেক কমে ফেলতে পারেন।

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা- গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ নারীরই ঘুমের সমস্যা দেখা যায়।[১] এর মধ্যে রয়েছে রাতে ঘুম না আসা...
28/11/2025

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা ও ঘুমের সমস্যা-

গর্ভাবস্থায় বেশিরভাগ নারীরই ঘুমের সমস্যা দেখা যায়।[১] এর মধ্যে রয়েছে রাতে ঘুম না আসা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া অথবা সঠিক সময়ে ঘুম আসলেও অনেক তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে জেগে ওঠা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গর্ভকালীন সময়ে ভালো ঘুম না হওয়ার সাথে মা ও শিশুর নানান স্বাস্থ্য জটিলতার সম্পর্ক থাকতে পারে।[২]

এ ছাড়াও ঘুমের সমস্যা থেকে দিনের বেলায় বেশি ক্লান্ত লাগতে পারে এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে আপনি গর্ভকালীন সময়ে ঘুমের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রার কারণ
গর্ভাবস্থায় আপনার শরীরে বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা ওঠানামা করে। এসবের পাশাপাশি শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত নানান পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তনগুলোর সাথে তাল মেলাতে গিয়ে অনেকসময় ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

গর্ভকাল বাড়ার সাথে সাথে আপনার পেটের আকারও বাড়তে থাকে। পেট বড় হয়ে যাওয়ার কারণে আরামদায়ক অবস্থানে ঘুমাতে অসুবিধা হতে পারে।[৩] এটিও কখনো কখনো অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। গর্ভকাল যত বাড়ে, ঘুমের সমস্যাও তত বাড়তে পারে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থার একেবারে শেষের সপ্তাহগুলোতে পেটের আকারের জন্য আরাম করে ঘুমানো বেশ কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তবে এই বিষয়ে বেশি দুশ্চিন্তা না করে যতটুকু সম্ভব বিশ্রাম নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

ওপরের কারণগুলোর পাশাপাশি সাধারণ সময়ের কিছু কমন উপসর্গের কারণেও গর্ভাবস্থায় ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে। যেমন—

ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
বুক জ্বালাপোড়া
বমি বমি ভাব
পিঠ ব্যথা
গর্ভের শিশুর নড়াচড়া
পা কামড়ানো
অতিরিক্ত চিন্তা ও স্ট্রেস
দুঃস্বপ্ন
স্থূলতা
শ্বাসকষ্ট
‘রেস্টলেস লেগ সিন্ড্রোম’ অথবা অস্থিরতা থেকে ঘন ঘন পা নাড়ানো[৪]
গর্ভাবস্থায় অনিদ্রা কি ঝুঁকিপূর্ণ?
সাধারণত ৭–৯ ঘণ্টার ঘুমকেই আদর্শ বলে ধরা হয়।[৫][৬] এর চেয়ে কম ঘুম হলে সেটি আপনার ও গর্ভের শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।[৭] পর্যাপ্ত ঘুম না হলে দিনে ক্লান্তি ও বেখেয়ালি বোধ হতে পারে। ফলে দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

ঘুমের সমস্যা হলে প্রসবের সময়ে সিজারিয়ান অপারেশনের প্রয়োজন বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া অনিদ্রার সাথে সঠিক সময়ের আগে প্রসব হয়ে যাওয়ার মতো প্রসব সংক্রান্ত জটিলতা, প্রিএক্লাম্পসিয়া ও গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।[৮][৯]

এসবের পাশাপাশি জন্মের পর ১ মাস বয়সে শিশুর ঘুম ও বেশি কান্নাকাটি করার সাথেও মায়ের অনিদ্রার সম্পর্ক পাওয়া গিয়েছে।[১০] তাই অন্যান্য সময়ের মতো গর্ভাবস্থায়ও মায়ের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

গর্ভাবস্থায় অনিদ্রার ঘরোয়া চিকিৎসা
ঘুম ঠিকমতো না হওয়া নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করলে সেটি ঘুমাতে আরও বেশি সমস্যা তৈরি করতে পারে। এজন্য এটি নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে নিচের সহজ ও কার্যকর পরামর্শগুলো মেনে চলতে পারেন। এগুলো আপনার ঘুমের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করতে পারে।

১. ঘুমানোর পরিবেশ
ঘুমানোর জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বেছে নিন: যেই রুমে ঘুমাবেন সেটি অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত গরম, ঠান্ডা অথবা উজ্জ্বল আলোতে ভালোমতো ঘুমাতে অসুবিধা হতে পারে।[১১] ঘুমানোর সময়ে ঘরে যাতে কোনো ধরনের আলো না আসে, এজন্য জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও প্রয়োজন হলে ঘুমানোর সময় চোখে ‘আই মাস্ক’ ও কানে ‘ইয়ার প্লাগ’ ব্যবহার করতে পারেন। আই মাস্কের পরিবর্তে চোখের ওপর ছোটো কোনো কাপড় রেখেও ঘুমাতে পারেন।

ঘুমানো অথবা বিশ্রাম নেওয়া ছাড়া বিছানায় অন্য কিছু করা পরিহার করুন: বিছানা শুধুমাত্র ঘুমানোর জন্যই ব্যবহার করুন। বিছানায় টিভি দেখা, ফোন চালানো অথবা পড়ার অভ্যাস থাকলে সেটি বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন। এসব কাজ টেবিল-চেয়ার অথবা সোফায় বসে করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বিছানার কাছে না যাওয়ার চেষ্টা করুন।

ঘুমানোর আগে টিভি-মোবাইল দেখা পরিহার করুন: ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, টিভি অথবা কম্পিউটার—এ ধরনের ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বন্ধ রাখুন। এগুলোর উজ্জ্বল আলো ঘুম আসতে বাধা দিতে পারে। চেষ্টা করুন আপনার ঘুমানোর রুমে টিভি অথবা কম্পিউটার না রাখতে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফোন বিছানা থেকে দূরে রেখে এরপর ঘুমাতে যেতে পারেন।

২. ঘুমানোর নিয়ম
আরামদায়ক অবস্থানে ঘুমান: গর্ভাবস্থায় ঘুমের অবস্থান নিয়ে কখনো কখনো আপনার সমস্যা হতে পারে। এসময়ে পেট বড় হয়ে যাওয়ার কারণে উপুড় হয়ে ঘুমানো যায় না, আবার চিৎ হয়ে ঘুমালে নানান ক্ষতি হতে পারে।

বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম তিন মাসের পর থেকে চিৎ হয়ে শোয়ার ফলে জরায়ুতে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হতে পারে, ফলে আপনার মাথা ঘুরাতে পারে—এমনকি শিশুর শরীরে রক্ত প্রবাহ কমে গিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এজন্য এসময়ে একপাশ হয়ে, অর্থাৎ ডান অথবা বাম দিকে কাত হয়ে ঘুমালে সেটি সবচেয়ে ভালো।[১২]

ঘুমের সময় একটি অথবা দুটো হাঁটুই ভাঁজ করে রাখতে পারেন। পেটকে সাপোর্ট দিতে কাত হয়ে শোয়ার পরে পেটের নিচে একটা বালিশ আর দুই হাঁটুর মাঝে আরেকটা বালিশ ব্যবহার করতে পারেন। সুবিধা মনে হলে লম্বা কোলবালিশও ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও ঘুমানোর জন্য আপনার জন্য আরামদায়ক বালিশ, তোষক ও কাঁথা-কম্বল ব্যবহার করবেন। অস্বস্তিকর বালিশ ব্যবহার করলে ঘুম আসতে সমস্যা হতে পারে।

তবে ঘুমের অবস্থান নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না। আপনার শরীর হয়তো ঘুমের মধ্যে আপনাআপনি সবচেয়ে ভালো অবস্থানটি বেছে নিতে পারবে।

নিয়ম করে ঘুমানোর অভ্যাস করুন: প্রতিদিন ঘুমানোর জন্য একটি রুটিন বানাতে পারেন। এই রুটিন অনুযায়ী একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। এই অভ্যাস ঘুমকে নিয়মিত করতে সাহায্য করবে।

তবে কোনো কারণে এক রাতে রুটিন অনু্যায়ী ঘুম না হলে অথবা কম ঘুম হলে পরদিন দুপুরে কিংবা অন্য সময়ে বেশি করে ঘুমিয়ে সেটা পূরণের চেষ্টা করবেন না। এতে করে আপনার নিয়মিত ঘুমের রুটিনটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বরং একদিন একটু কম ঘুম হলেও পরের দিন আবার রুটিনমতো একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

দিনে ঘুমানো কমিয়ে দিন: দিনে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে সেটি বাদ দেওয়ার চেষ্টা করুন। কেননা এতে রাতে ঠিকমতো ঘুম আসতে সমস্যা হতে পারে। তবে এমন যদি হয় যে, রাতে ঘুমে অনেক সমস্যা হচ্ছে এবং দিনে না ঘুমালে প্রচুর ক্লান্ত লাগছে, তাহলে ক্লান্তি কাটানোর জন্য দুপুরের আগে অল্প কিছুক্ষণের জন্য ঘুমিয়ে নিতে পারেন।

ঘুম না আসলে অথবা মাঝরাতে ভেঙে গেলে উঠে হালকা কাজ করুন: ২০–৩০ মিনিট শুয়ে থাকার পরেও ঘুম না আসলে বিছানা থেকে উঠে যান। কিছুক্ষণের জন্য কোনো ছোটোখাটো কাজ করতে পারেন। যেমন: ঘর গোছানো অথবা শেলফ এর বই গোছানো। এতে একসময় ক্লান্তি আসলে তা ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে ফোন অথবা কম্পিউটার চালাবেন না, এতে ঘুমের সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

সময় হিসাব করে ঘুমাবেন না: সারাদিনের মোট কতক্ষণ ঘুমাচ্ছেন, ঘুম ঠিক পরিমাণে হচ্ছে কি না—এসব নিয়ে বেশি চিন্তা করবেন না। এগুলো নিয়ে মাথায় দুশ্চিন্তা থাকলে ঘুম আসতে আরও সমস্যা হতে পারে।

ঘুমানোর আগে উষ্ণ পানিতে গোসল করুন: রাতে ঘুমানোর ঘন্টাখানেক আগে উষ্ণ বা কুসুম গরম পানিতে গোসল করে নিতে পারেন। এটি আপনাকে রিল্যাক্স করিয়ে ঘুম আসতে সাহায্য করতে পারে।[১৩] তবে খুব গরম, অর্থাৎ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার পানিতে গোসল না করাই শ্রেয়।[১৪]

৩. ব্যায়াম
গর্ভাবস্থায় আপনার পছন্দের ব্যায়াম করা চালিয়ে যান। যেমন: হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো ও সাঁতার কাটা। আগে থেকে ব্যায়াম করার অভ্যাস না থাকলে হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করতে পারেন। নিয়মিত ব্যায়াম করলে (বিশেষ করে হাঁটলে অথবা সাঁতার কাটলে) তা গর্ভাবস্থার রাতে ভালো ঘুমে সাহায্য করে।[১৫] তবে ঘুমানোর ঠিক আগের চার থেকে ছয় ঘন্টার মধ্যে ব্যায়াম না করাই ভালো। এর আগে প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করে নিতে পারেন।[১৬]

৪. মানসিক চাপ কমানো
মেডিটেশন করার চেষ্টা করুন: মানসিক প্রশান্তির জন্য যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করতে পারেন। এ ধরনের ব্যায়াম স্ট্রেস কমানোর পাশাপাশি ঘুমে সাহায্য করতে পারে।[১৭] দুশ্চিন্তা কমানোর জন্য আপনি একটি সহজ ব্যায়াম করতে পারেন।

শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু বাড়ছে - শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাপক হারে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউ...
26/11/2025

শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু বাড়ছে -
শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাপক হারে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, টনসিলাইটিস, ব্রঙ্কিওলাইটিস, সাইনোসাইটিস, অ্যাজমা, চর্মরোগ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু থেকে বয়স্ক সব বয়সের মানুষ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। প্রতিটি হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে।

বয়স্ক ও শিশুদের শীতে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। শিশুদের শীতের পোশাক পরিধান করাতে হবে। সামান্য অবহেলার কারণে শিশুদের মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করে বিশেষজ্ঞরা বলেন, গ্রামাঞ্চলে অনেকে শীতের জন্য গোসল করে না। নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকে। এসব কারণে এ রোগের সংক্রমণ বেশি হয়।

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশায় দুপুরেও সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে দিনের উত্তাপ কমছে, চারদিকে যেন জবুথবু অবস্থা। এরই মধ্যে হিমেল বাতাসের কারণে শীত যেন শরীরে আরও কামড় বসাচ্ছে। এতে বাড়ছে শীতজনিত রোগ।

প্রসব-পরবর্তী বিষণ্ণতা প্রতিরোধ-জন্মের পর মা ও শিশুর শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি আমরা অনেক গুরুত্ব দেই, তবে সাধারণত উপেক্ষ...
25/11/2025

প্রসব-পরবর্তী বিষণ্ণতা প্রতিরোধ-

জন্মের পর মা ও শিশুর শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি আমরা অনেক গুরুত্ব দেই, তবে সাধারণত উপেক্ষিত থাকে মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটা। সদ্য প্রসূতি মায়েদের অনেকেই প্রসবপরবর্তী বিষণ্ণতায় ভুগেন যা একই সাথে মা ও শিশু দুজনের জন্যই ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

একজন সদ্য প্রসূতি মা যেন বিষণ্ণতায় না হারায় এবং মা যেন শিশুর নিবিড় যত্ন নিতে পারে–এই কারণেই প্রসবপরবর্তী বিষণ্ণতায় পরার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কয়েকটি ধাপে এটি করা যেতে পারে।

প্রথমত,

নিজেই নিজের দায়িত্ব নিন। প্রসবোত্তর বিষণ্ণতার যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে আপনার চিকিৎসকে খুলে বলুন। আপনার প্রসবোত্তর বিষণ্ণতার পূর্ব ইতিহাস থাকলে, আপনি কখনও বড়োরকমের বিষণ্ণতায় বা মানসিক রোগে ভুগে থাকলে এবং বর্তমানের বিষণ্ণতার যা যা লক্ষণ–সব ডাক্তারকে বললে তিনি উপযুক্ত থেরাপি এবং পরামর্শ দিতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত,

নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে। আপনার শিশুর জন্মের আগেই মোটামুটি একটি কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করুন এবং প্রয়োজনে তা লিখে রাখুন।

পাশাপাশি যেসব ব্যাপার আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সেগুলো হলো:

প্রয়োজনীয় ডাক্তার এবং চিকিৎসা কেন্দ্রের যোগাযোগের নাম্বার জোগাড় করে রাখা।
শিশুকে যত্ন নেওয়ার জন্য কাউকে আগে থেকেই ঠিক করতে হবে যাতে আপনি পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারেন।

বিষণ্ণতার যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে, আপনি ঠিক কী করবেন, কাকে যোগাযোগ করবেন।
স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
প্রতিদিনের ব্যায়াম করতে হবে।
আপনার শখের বা পছন্দের কোনো কাজ করতে হবে।
অবশ্যই প্রচুর ঘুমাতে হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রিয়জনের সাথে সবসময় কথা বলুন, সাথে থাকুন।
পরিবারে নতুন শিশুর আগমন ঘটলে স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসে। এ সকল পরিবর্তনের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেওয়া অনেক সময়ই খুব কঠিন মনে হতে পারে। এর মাঝে প্রসবপরবর্তী বিষণ্ণতা পারিবারিক জীবনকে আরো জটিল করে তুলতে পারে। তাই এ জাতীয় সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা আপনাকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে পেতে সাহায্য করবে।

শীতে যেভাবে শিশুর যত্ন নেবেন - সদ্যোজাত থেকে ৪০ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুকে বলা হয় নবজাতক। এ সময় শিশুর সবচেয়ে বেশি যত্নের প্র...
24/11/2025

শীতে যেভাবে শিশুর যত্ন নেবেন -
সদ্যোজাত থেকে ৪০ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুকে বলা হয় নবজাতক। এ সময় শিশুর সবচেয়ে বেশি যত্নের প্রয়োজন।

* সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর গায়ে যে সাদা সাদা নরম পদার্থ লেগে থাকে, সঙ্গে সঙ্গে তা পরিষ্কার করে ফেলবেন না। এটা শিশুকে বাইরের নতুন আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

* নবজাতকের চুলও তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই চুল কেটে ফেলা ঠিক না।

নবজাতককে যতটা সম্ভব মায়ের শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে রাখুন
নবজাতককে যতটা সম্ভব মায়ের শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে রাখুনছবি: পেক্সেলস ডটকম
* নবজাতককে যতটা সম্ভব মায়ের শরীরের সঙ্গে ঘেঁষে রাখতে হবে। মায়ের কোল ঘেঁষে শোয়াতে হবে। মায়ের বুকের ত্বকের সঙ্গে নবজাতকের ত্বক লেগে থাকবে। এতে শিশু উষ্ণ থাকবে এবং মায়ের সঙ্গে আন্তরিকতা বাড়বে।

* শিশুকে ঘন ঘন দুধ খাওয়াতে হবে। এতে শিশুর ব্যায়াম হবে এবং নড়াচড়ায় নিজে থেকেই উষ্ণতা তৈরি করতে পারবে। বুকের দুধ রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

* ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।

* নবজাতককে ৩০ মিনিট সকালের নরম, মিষ্টি রোদে রাখতে হবে।

* নবজাতককে পারতপক্ষে ঘরের বাইরে নেবেন না। ঘরে আগুন জ্বালিয়ে তাপমাত্রা বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।

আপনার নবজাতককে নরম আরামদায়ক পোশাকে মুড়ে রাখুন
আপনার নবজাতককে নরম আরামদায়ক পোশাকে মুড়ে রাখুনছবি: পেক্সেলস ডটকম
* কুসুম গরম পানি দিয়ে গা মুছে দিতে হবে। পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে ঘর উষ্ণ রাখুন।

* ঘরের কারও ঠান্ডা–কাশি থাকলে তাকে নবজাতক থেকে দূরে রাখুন।

* নরম আরামদায়ক পোশাকে মুড়ে রাখুন। কানটুপি পরাতে ভুলবেন না। প্রয়োজনে কান, মাথা নরম কাপড়ে পেঁচিয়ে রাখুন।

ডায়বেটিস রোগীদের খাদ্য তালিকা? প্রত্যেক ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যতালিকা পৃথক হবে। বয়স, ওজন ও উচ্চতা, কাজের ধরন, কায়িক শ্রমের...
23/11/2025

ডায়বেটিস রোগীদের খাদ্য তালিকা?

প্রত্যেক ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যতালিকা পৃথক হবে। বয়স, ওজন ও উচ্চতা, কাজের ধরন, কায়িক শ্রমের পরিমাণ, জীবনযাপন পদ্ধতি, আর্থিক অবস্থা সবকিছু বিবেচনায় এনে এ তালিকা করা হয়। ডায়াবেটিস হলেই সব খাওয়া নিষেধ, তা নয়। তবে খাদ্য বাছাইয়ে সতর্ক ও সুশৃঙ্খল হতে হবে। পুনরাবৃত্তি ও বিরক্তি ঠেকাতে রোজ একই ধরনের খাবার না খেয়ে বৈচিত্র্য আনারও চেষ্টা করতে হবে। অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতো একজন ডায়াবেটিস রোগী সব কটি খাদ্য উপাদান মানে শর্করা, আমিষ, চর্বি, খনিজ, ভিটামিন ইত্যাদি গ্রহণ করবেন।

ডায়াবেটিস ধরা পড়লে প্রথমেই যা করা দরকার তা হলো সাদা চিনিযুক্ত সব খাবার বর্জন করা। চিনি বা শর্করা অন্যান্য খাবারেও আছে, তাই সরাসরি চিনি বাদ দিলে ক্ষতি নেই। শর্করা খাবার হলো ভাত, রুটি, নুডলস ইত্যাদি। এসব সীমিত পরিমাণে খেতে হবে এবং সাদা চাল ও আটা বা ময়দার পরিবর্তে লাল চাল ও আটা খাওয়া ভালো। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বা জিআই কম।

খাবারে শর্করা বিশোষণের হ্রাস–বৃদ্ধির পরিমাপ হলো এই জিআই। এর সূচক ১ থেকে ১০০। যেসব খাবার উচ্চ জিআইযুক্ত, সেগুলো দ্রুত রক্তে শোষিত হয় ও রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে যেসব খাবারে নিম্ন জিআই, সেগুলো ধীরে ধীরে শোষিত হয় বলে শর্করা দ্রুত বাড়াতে পারে না।

● সূচক ৫৫–এর নিচে হলে তাকে নিম্ন জিআই খাবার বলা যায়। যেমন সব ধরনের শাক, ডাল, পাতলা দুধ, মাশরুম, বাদাম, পানিযুক্ত সবজি ইত্যাদি।

● মধ্যম জিআই (৫৫-৭০) খাবার হলো লাল চাল ও আটা, ভুট্টা, খই, মিষ্টি আলু, ব্রাউন নুডলস বা পাস্তা ইত্যাদি।

● উচ্চ জিআইযুক্ত খাবার (৭০ এর ওপর) হলো, ময়দার রুটি বা পরোটা, আতপ চাল, পোলাও, খেজুর, তরমুজ, কচুর মুখি ইত্যাদি।

খাবার বাছাইয়ের বেলায় জিআইয়ের বিষয়টা মাথায় রাখবেন। প্রতি বেলায় একটি নিম্ন জিআই খাবার বেছে নিন। উচ্চ জিআইযুক্ত খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।

● ডায়াবেটিস হলে ক্ষতিকর চর্বি জমে রক্তে ও যকৃতে। ফ্যাটি লিভার ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণে সতর্ক হবেন। সম্পৃক্ত চর্বি যেমন ঘি, মাখন, মাংসের সঙ্গে লেগে থাকা চর্বি ক্ষতিকর।

● অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন ওমেগা–৩, সামুদ্রিক মাছের তেল, বাদাম উপকারী। আমিষ বাছাইয়ের বেলায় যেসব আমিষে চর্বি কম যেমন মাছ, ডাল, ডিম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার বেছে নিন। ভোজ্যতেলের পরিমাণ কমান।

● প্রতিদিন তাজা ফলমূল খাবেন, তবে হিসাব করে।

● টক ফল প্রচুর খেতে পারেন। তবে একবারে বেশি পরিমাণ না খেয়ে সারা দিনের খাবার ৫ বা ৬ ভাগে ভাগ করে খান।

● দুটো খাবারের মধ্যে তিন–চার ঘণ্টার ব্যবধান রাখবেন। বিশৃঙ্খলভাবে যখন–তখন খাবেন না।

● ডেজার্ট হিসেবে মিষ্টি খাবারের বদলে টক দই, ফল খেতে পারেন।

●তামাক, জর্দা, অ্যালকোহল বর্জন করুন।

সিজারের পর করণীয় কী কী? সিজারিয়ান অপারেশনের পর যত দ্রুত সম্ভব হালকা কাজকর্মে ফিরে গিয়ে নিজেকে সক্রিয় রাখতে হবে। হালকা হা...
21/11/2025

সিজারের পর করণীয় কী কী?
সিজারিয়ান অপারেশনের পর যত দ্রুত সম্ভব হালকা কাজকর্মে ফিরে গিয়ে নিজেকে সক্রিয় রাখতে হবে। হালকা হাঁটাহাঁটি দিয়ে শুরু করতে পারেন। এসময়ে অপারেশনের কাটা স্থানের যত্ন নিতে হবে। ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামল অথবা আইবুপ্রোফেন সেবন করতে পারেন। যোনিপথে হালকা রক্তপাত হতে পারে, এজন্য স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করবেন।
একদিকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিবেন, অন্যদিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরে যেতে চেষ্টা করবেন। প্রচুর পানি পান করবেন। পরিমাণমতো পুষ্টিকর খাবার খাবেন। নিয়মিত ব্যায়াম করবেন। কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিস- গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রার থেকে বেড়ে গেলে তাকে গর্ভকাল...
20/11/2025

গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিস-
গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতীর রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রার থেকে বেড়ে গেলে তাকে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (গ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস)

বলা হয়। সাধারণত, সন্তান জন্মদানের পর এই ধরনের ডায়াবেটিস চলে যায়। এই ধরনের ডায়াবেটিস গর্ভকালীন যেকোনো সময়েই হতে পারে।

তবে ২য় অথবা ৩য় “ট্রাইমেস্টারে” এ ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহ:
অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগা,
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিবার প্রস্রাব করা,
মুখ শুকনো হয়ে থাকা,
দুর্বলতা,
অতিমাত্রায় ক্ষুধাবোধ হওয়া এবং আগের তুলনায় বেশি খাওয়া।
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হলে যেসব জটিলতা হতে পারে:

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হলে মা ও শিশু উভয়েরই ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সন্তানের ক্ষেত্রে:
অতিরিক্ত ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ,
নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জন্মগ্রহণ,
গুরুতর শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা,
রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা কমে যাওয়া,
স্থূলতা এবং পরবর্তী জীবনে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া,
জন্মদানের পূর্বে বা জন্মদানের পরে মৃত্যু,

মায়ের ক্ষেত্রে:
রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া,
গর্ভকালীন খিঁচুনি হওয়া,
ডেলিভারি অপারেশনের মাধ্যমে হওয়া,
জন্মদান পরবর্তী সময়ে ডায়াবেটিস হওয়া,

Address

321, Drive Ishaque Mansion, Dr. Ishaque Lane, Gopalpur
Pabna
6600

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 15:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801770976553

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Modern Diagnostic Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Modern Diagnostic Home:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram