ডাঃ রাশেদুন নবী হাসান

ডাঃ রাশেদুন নবী হাসান MBBS
FCPS (Medicine)
Medicine Specialist

08/01/2026

সচেতনতামূলক স্বাস্থ্য বার্তাঃ



নতুন বছর ২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে। ✊✊একজন ডাক্তার হিসেবে নতুন বছরের প্রার্থনা খুব সাধারণ কিন্তু গভীর। এই দেশের প্রতিটি মানুষ...
31/12/2025

নতুন বছর ২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে। ✊✊

একজন ডাক্তার হিসেবে নতুন বছরের প্রার্থনা খুব সাধারণ কিন্তু গভীর। এই দেশের প্রতিটি মানুষ সুস্থ থাকুক, নিরাপদ থাকুক।

বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের অশুভতা, অনাচার ও অনিশ্চয়তা দূর হোক। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক, ঘরে ঘরে ফিরে আসুক স্বস্তি আর শান্তি।

হিংসা, লোভ, পরচর্চা আর বিভাজন পেছনে ফেলে আমরা যেন মানবিকতা, সহমর্মিতা আর সততার পথে হাঁটতে পারি। ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ আর ন্যায়ের চর্চায় গড়ে উঠুক একটি সুখী, সুন্দর ও সুস্থ বাংলাদেশ।

নতুন বছরে সবার জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা।

আজ যেই নামটুকু মানুষ চেনে—ডা. রাশেদুন নবী হাসান,তার সব অর্জন, সব আত্মবিশ্বাস, সব লড়াইয়ের আঁতুড় ঘরসিলেট এম এ জি ওসমানী ম...
24/12/2025

আজ যেই নামটুকু মানুষ চেনে—
ডা. রাশেদুন নবী হাসান,
তার সব অর্জন, সব আত্মবিশ্বাস, সব লড়াইয়ের আঁতুড় ঘর
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ।
প্রায় ১৫ বছর পর, আজ আবার সেই প্রিয় চত্বরে ফিরে এলাম—
এবার ছাত্র হিসেবে নয়,
একজন ডাক্তার হিসেবে,
আর সবচেয়ে বড় কথা—
নিজের দুই সন্তানের হাত ধরে।
এই করিডোরগুলো, এই আকাশ, এই বাতাস—
আজও সাক্ষী আছে আমার স্বপ্ন দেখা দিনের,
হোস্টেলের রাত জাগা পড়াশোনা,
পরীক্ষার টেনশন,
আর “একদিন ভালো ডাক্তার হব” সেই নিরব দোয়ার।
আজ বাচ্চাদের চোখে যখন জায়গাটা দেখাচ্ছিলাম,
নিজেই অজান্তে নস্টালজিক হয়ে গেলাম।
মনে হলো—
সময় বদলেছে, ভূমিকা বদলেছে,
কিন্তু কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা ঠিক আগের মতোই আছে।
আলহামদুলিল্লাহ 🤲
এই আঁতুড় ঘরের প্রতি আজীবন ঋণী।

Sylhet MAG Osmani Medical College
স্মৃতি, কৃতজ্ঞতা ও শিকড়ের কাছে ফেরা❤️❤️❤️

15/11/2025

রোগী দেখার সময় প্রতিটি মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফোন বাজা বা কথা বলার কারণে চিকিৎসায় মনোযোগ ব্যাহত হয়।”

15/11/2025

রোগী দেখার সময় প্রতিটি মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফোন বাজা বা কথা বলার কারণে চিকিৎসায় মনোযোগ ব্যাহত হয়। #
“দয়া করে চেম্বারে ফোন সাইলেন্ট রাখুন।”



゚viralfbreelsfypシ゚viral

fans

★যেখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার সুযোগ কম, সেখানে সাধারণ মানুষ দ্রুত সহজ বিনোদন-এর দিকে ঝুঁকে পড়ে।➡ বই, ...
15/11/2025

★যেখানে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার সুযোগ কম, সেখানে সাধারণ মানুষ দ্রুত সহজ বিনোদন-এর দিকে ঝুঁকে পড়ে।
➡ বই, শিল্প, সঙ্গীত, সংস্কৃতি নয়—বরং সহজ হাস্যরসই প্রধান বিনোদন হয়ে ওঠে।
এটি সমাজে বৌদ্ধিক দারিদ্র্য বা সাংস্কৃতিক সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দিতে পারে।

★রাজনৈতিক বা সামাজিক নেতৃত্ব দুর্বল হলে কখনও কখনও
➡ মানুষ সিরিয়াস লিডারদের প্রতি আস্থা হারায়
➡ গুণী মানুষ নয়, বরং বিনোদনকারীকে “হিরো” বানিয়ে ফেলে
এটি নেতৃত্ব সংকটের একটি ক্লাসিক লক্ষণ।

★তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সেলিব্রেটি-সংস্কৃতির বিস্তার করার কারনে
সোশ্যাল মিডিয়া এমনভাবে কাজ করছে যে:
✔ যিনি বেশি আকর্ষণীয়
✔ বেশি মজার
✔ বেশি ভাইরাল
তিনিই “বড় মানুষ” হয়ে যান।
জ্ঞানী, নৈতিক বা গুরুতর মানুষ থাকেন আড়ালে।
এটি সমাজে ফলোয়ার-চালিত জনপ্রিয়তার বিকৃতি তুলে ধরে।

08/11/2025

🩺 ডাঃ রাশেদুন নবী হাসান
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
“মানসিক স্বাস্থ্যও শারীরিক স্বাস্থ্যেরই অংশ”
clonazepam, bromazepam, sertraline, escitalopram এগুলো ঘুমের ওষুধ নয়।

06/11/2025

21/08/2025

বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে “অতিরিক্ত টেস্ট” নিয়ে রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হচ্ছে, বিশেষত বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে। এর কারণ যেমন আছে, তেমনি সমাধানের উপায়ও আছে।
🔎 কেন বিভেদ হচ্ছে?
• অনেক রোগী মনে করেন ডাক্তার কমিশনের জন্য অতিরিক্ত টেস্ট দেন।
• রোগীর আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকে—অনেক টেস্ট একসাথে করতে কষ্ট হয়।
• রোগীরা সবসময় বোঝেন না যে রোগ নির্ণয়ে টেস্ট আসলেই কতটা দরকার।
• কিছু ক্ষেত্রে সত্যিই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি টেস্ট দেয়া হয়, যার ফলে সন্দেহ বাড়ে।
✅ পরিত্রাণের উপায়: ডাক্তারের করনীয়
• রোগীকে পরিষ্কার করে বোঝানো
• টেস্ট কেন দরকার, কোন রোগ সন্দেহে দিচ্ছেন, কোন টেস্ট না করলে কী ঝুঁকি হতে পারে—এগুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে হবে।
• রোগী যদি বুঝতে পারেন টেস্ট আসলেই চিকিৎসার জন্য অপরিহার্য, তবে তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকবেন।
• টেস্টের অগ্রাধিকার ঠিক করা
• সব টেস্ট একসাথে না দিয়ে ধাপে ধাপে করা যায় (Stepwise Investigation)।
• জরুরি টেস্ট আগে, বাকি পরে করা যায়।
• বিকল্প ব্যাখ্যা দেয়া রোগীকে , "এই টেস্ট করলে আমরা নিশ্চিত হব, তবে চাইলে প্রথমে এই বেসিক টেস্টগুলোও করতে পারি।"
• এতে রোগী মনে করবেন আমি তার অর্থনৈতিক দিকও ভাবছেন।
• নিজস্ব সততা বজায় রাখা
• কমিশনের কারণে টেস্ট না দেয়া।
• একেবারে প্রয়োজন ছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো যাবে না।
• রোগী শিক্ষিতকরণ (Patient Education)
• অপেক্ষমান কক্ষে ছোট পোস্টার/ভিডিওতে দেখানো যেতে পারে যে টেস্ট রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
• যেমন: ডায়াবেটিস নিশ্চিত করার জন্য রক্ত পরীক্ষা ছাড়া উপায় নেই।
• বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করা
• রোগীর সাথে আন্তরিক আচরণ, ধৈর্য নিয়ে কথা শোনা, ও প্রয়োজনে সাশ্রয়ী টেস্ট সাজেস্ট করা—এসব করলে রোগী মনে করবেন ডাক্তার সত্যিই তার ভালোর জন্য কাজ করছেন।
👉 মূল কথা হলো:
অতিরিক্ত টেস্ট এড়ানো, রোগীকে বোঝানো, ধাপে ধাপে টেস্ট দেয়া এবং সততার সাথে চিকিৎসা করলে বিভেদ অনেকাংশে কমে যাবে।

বাংলাদেশ সরকার যদি এই সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেয়, তবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো কার্যকর হতে পারে:
• Guideline তৈরি করা
• সাধারণ রোগ যেমন জ্বর, সর্দি, ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসার ইত্যাদির জন্য স্ট্যান্ডার্ড টেস্ট লিস্ট তৈরি করা।
• ডাক্তার কোন রোগে কোন টেস্ট প্রাথমিকভাবে দেবেন এবং কোন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টেস্ট দরকার হবে, তা স্পষ্টভাবে গাইডলাইনে উল্লেখ করা।
• সরকারি পর্যায়ে মনিটরিং
• প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর উপর নজরদারি বাড়ানো।কমিশন বাদ দিয়ে টেস্টের মূল্য যা হবে তা বাধ্যতামূলকভাবে ঠিক করে দেওয়া।
• অপ্রয়োজনীয় টেস্ট দিয়ে রোগীদের আর্থিক ক্ষতি করা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।
• টেস্টের সরকার নির্ধারিত রেট (কমিশন বাদ দিয়ে, তাহলে আর কমিশনেও থাকবে না, কেউ দিবেও না কেউ নিবেও না )
• প্রতিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া এবং সেটি সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা।
• এতে ডাক্তারদের প্রতি রোগীর আস্থা বাড়বে এবং অতিরিক্ত খরচ কমবে।
• রোগীকে শিক্ষা দেওয়া (Patient Education)
• টেস্ট কেন দেয়া হচ্ছে, কিভাবে রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করবে, তা সহজভাবে রোগীকে জানানো।
• স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রচার কার্যক্রম চালানো যেতে পারে।
• ডাক্তারের ট্রেনিং ও সাপোর্ট
• চিকিৎসকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া, যাতে তারা evidence-based medicine ব্যবহার করেন।
• সরকারি পর্যায়ে ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (EMR) চালু করা, যাতে প্রতিটি টেস্টের যুক্তি সংরক্ষণ থাকে।
• স্বচ্ছতা (Transparency) নিশ্চিত করা
• ডাক্তার যে টেস্ট লিখছেন, তার পাশে “কারণ” উল্লেখ করার সিস্টেম চালু করা যেতে পারে।
• রোগী যেন বুঝতে পারে, কেন এই টেস্ট দরকার।
👉 এভাবে সরকার পদক্ষেপ নিলে রোগী ও ডাক্তারের মধ্যে বিশ্বাস, সম্মান ও স্বচ্ছ সম্পর্ক তৈরি হবে।

07/06/2025

ত্যাগ শুধু পশুর নয়, অহংকার ও বিভেদেরও হোক। আসুন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমাদের সম্পর্ককে পবিত্র করি। ঈদ মোবারক!

07/05/2025

• অনেকের প্রশ্ন থাকে, ডিমে কোলেস্টেরল থাকে, তাই ডিম খাওয়া যাবে কি না?

★ডিমের কুসুমে প্রায় ১৮৬ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে।
★যার মধ্যে বেশির ভাগ এইচডিএল বা ভালো কোলেস্টেরল। ★প্রতিদিন আমাদের এর চেয়ে বেশি কোলেস্টেরল প্রয়োজন।
★ প্রতিদিন একটি বা দুটি ডিমের কুসুম শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়; বরং উপকারী।

06/05/2025

একটি ডিমের পুষ্টিগুণ :

★ প্রায় ৭৮ ক্যালরি
★ ৬ গ্রাম প্রোটিন
★৫ গ্রাম চর্বি
★ভিটামিন এ ৮ শতাংশ
★ ৬ শতাংশ ফোলেট
★১৫ শতাংশ বি৫ বা প্যানটোথেনিক অ্যাসিড
★২৩ শতাংশ বি১২
★২০ শতাংশ বি২
★ এ ছাড়া পাবেন ফসফরাস, সেলেনিয়াম, ভিটামিন ডি, ই, বি৬, ক্যালসিয়াম ও জিংক।

Address

Raipur

Telephone

+8801672240483

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ রাশেদুন নবী হাসান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ রাশেদুন নবী হাসান:

Share