মাকনুন রুকইয়াহ - Maqnun Ruqyah

মাকনুন রুকইয়াহ - Maqnun Ruqyah Ruqyah For Spritual Healing
রাজশাহী শহরে রুকইয়াহ এর জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01829114729

22/01/2026

যে দু‘আ ফেরত দেওয়া হয় না তার বৈশিষ্ট্য। আর যদি এ সকল বৈশিষ্ট্যগুলো কোনো ব্যক্তি তার দু‘আয় একত্রিত করে, তবে তা অবশ্যই (১০০%) কবুল করা হবে।

শাইখুল ইসলাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,
“যখন কোনো দু‘আয় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো একত্রিত হয়, তবে এই দু‘আ প্রায় কখনোই ফেরত দেওয়া হয় না। বিশেষ করে, যদি তা এমন কোনো দু‘আর সাথে মিলে যায়, যা কবুল হওয়ার ব্যাপারে নবী (ﷺ) সুসংবাদ দিয়েছেন অথবা যার মধ্যে ‘ইসমে আ‘যম’ (আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ নামসমূহ) রয়েছে:
১. অন্তরের উপস্থিতি এবং প্রার্থনার বিষয়ে পূর্ণ মনোযোগ।
২. দু‘আটি কবুলের ছয়টি বিশেষ সময়ের কোনো একটিতে করা হয়। সময়গুলো হলো:
* রাতের শেষ তৃতীয়াংশ।
* আযানের সময়।
* আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়।
* ফরয নামাজসমূহের শেষ অংশে বা সালাম ফিরানোর পূর্বে।
* জুমু‘আর দিন ইমাম মিম্বরে বসা থেকে শুরু করে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়।
* এবং জুমু‘আর দিন আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত শেষ মুহূর্তটি।
৩. দু‘আর সময় অন্তরে বিনয় ও নম্রতা থাকে এবং রবের সামনে নিজেকে সম্পূর্ণরূপে সঁপে দেওয়া হয়, আকুতি ও কোমলতা প্রকাশ পায়।
৪. দু‘আকারী কিবলামুখী হয়।
৫. সে পবিত্র অবস্থায় থাকে।
৬. সে আল্লাহর পানে দুই হাত তুলে দু‘আ করে।
৭. সে আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) ও গুণকীর্তন দ্বারা দু‘আ শুরু করে।
৮. এরপর সে আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদের (ﷺ) ওপর দরূদ পাঠ করে।
৯. অতঃপর সে তার প্রয়োজনের কথা বলার আগে তওবা ও ইস্তিগফার করে নেয়।
১০. এরপর সে আল্লাহর সমীপে প্রবেশ করে এবং বারবার মিনতি সহকারে নিজের বিষয়টি পেশ করে, বিনয়ের সাথে আল্লাহর নৈকট্য চায় এবং আগ্রহ ও ভয় নিয়ে দু‘আ করে।
১১. সে তাঁর নাম, গুণাবলী ও তাওহীদের উসীলা দিয়ে প্রার্থনা করে।
১২. এবং দু‘আর আগে সে কিছু সদাকাহ করে।”

[আদ-দা-উ ওয়াদ-দাওয়া’, পৃষ্ঠা নং ১৬-১৭।]

অনুবাদক:
ফাহাদ ইবনু ইব্রাহীম ইবনি আহমাদ
©

21/01/2026

আসর থেকে মাগরিবের সময়টা বেশ ফায়দাজনক। দুআ কবুলের মোক্ষম সময় বলা যায়।

আসরের সালাতের পর মাগরিবের ওয়াক্ত হতে খুব বেশি সময় লাগে না। তাই সহজেই মাগরিবের সালাতের জন্য অপেক্ষা করা যায় জায়নামাজে বসেই। এক সালাতের পর অন্য সালাতের জন্য অপেক্ষায় থাকাবস্থায় আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়। দুআ কবুলের সম্ভাবনা বাড়ে। আবার সালাত আদায় করে অযু অবস্থায় থেকে সালাতের স্থান ত্যাগ না করলে ফেরেশতাদের দুআ পাওয়া যায়৷ লাভের উপর লাভ!

দিনের শেষ সময়টুকু অন্য সময়ের তুলনায় শান্ত থাকে। স্থির হয়ে যিকর করা যায়। দুআ করা যায়। কবুলিয়্যাতের সম্ভাবনাও বেশি থাকে। সেই সাথে কিছু সদকাহ্ করলে,জমজম পানি খেয়ে দুআ করতে পারলে আরও উত্তম!

যাদের আসরের পরের সময়টুকুতে ব্যস্ততা থাকে না, প্লিজ কাজে লাগাবেন। যারা দীর্ঘদিন ডিপ্রেশনে আছেন,এই সময়টুকুতে দুআ-যিকর করবেন। দেখবেন,দিলের ভার কমে এসেছে।
শেষরাতের ইবাদাতের পর আসর থেকে মাগরিবের সময়টুকু যিকর-আযকারের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রশান্তিদায়ক।

15/01/2026

পরিবারের সদস্যরা একে অপরকে সহ্য করতে না পারা,সামান্য কারণে প্রায় সময় অশান্তি, ভুল বোঝাবুঝি, সন্দেহ করা.....।

রিজিকে বরকত না পাওয়া, পরিবারের সদস্যরা প্রায় সময় অসুস্থ থাকা, এই সমস্যা গুলো পারিবারিক যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ......।

08/01/2026

সকাল-সন্ধার যিকির-আযকার
আপনার সকল বাহ্যিক অসম্ভব প্রত্যাশাগুলোকে
আপনার জন্যে সম্ভব ও প্রাপ্তিযোগ্য করে তুলবে,
ইং শা আল্লাহ।
তাই, কোনো অবস্থায়ই সকাল-সন্ধার যিকিরসমূহ
মিস করবেন না।

✍️ Mokhter Ahmad

04/01/2026

“ঈমানের সর্বোচ্চ চূড়া হলো আল্লাহর সিদ্ধান্তে ধৈর্য ধরা। যে পরিস্থিতি পাল্টানো যায় না, সেই পরিস্থিতিতে তাকদীরের ওপর সন্তুষ্ট থাকা। একমাত্র আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা এবং নিজেকে তাঁর নিকট সঁপে দেওয়া।”

~ আবু দারদা (রা.)
[তাহযিবু হিলয়াতিল আউলিয়া, ১/১৭২]

সংগৃহীত

31/12/2025

যখন কাউকে বলা হয় আপনার সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কুরআন তিলাওয়াত করুন— পরের দিনই সে বলে বসে, “আমি এখনো হতাশ, আমার মনে এখনো সন্দেহ।” যখন একজন ডাক্তার কোনো ঔষধ দেয়, ধরা যাক মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য, তখন ডাক্তার এ কথা বলে দেয় যে, ঔষধটা তিন-চার সপ্তাহ ধরে সেবন করুন, এরপর আপনি এর ফলাফল পাবেন এবং ঔষধ নেওয়া বন্ধ করবেন না। ঠিক একই বিষয়টা কুরআনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কুরআন থেকে ফল পেতে হলে, কুরআনের সাথে আমাদের গভীর সম্পর্ক থাকতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন নিরবিচ্ছিন্নভাবে অধ্যবসায়ের সাথে তিলাওয়াত করে যাওয়া।

— শায়খ আহমাদ মুসা জিবরীল (হাফি.)

©

30/12/2025

আপনার জীবনে নানা রকমের সিজন আসবে যাবে। কখনো মনে বসন্তকালের মতো ফুল ফুটবে, কখনো শীতকালের মত মনে হবে প্রকৃতি শূন্য হয়ে গেছে।

জীবনের সব ঋতুতেই কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখবেন—

১) প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যার জিকির কিছুতেই ছাড়বেন না। হয়তো প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট লাগবে। কিন্তু এতোটুকু ছেড়ে দিলে আপনি হয়তো আল্লাহর নিরাপত্তার ঢাল নিজের জন্য বন্ধ করে দিচ্ছেন।

২) আজকে যাকে প্রচন্ড আপন মনে হচ্ছে, কিছুদিন পর টেবিল ঘুরে যেতে পারে এবং তার সাথে সম্পর্কটা অন্যরকম হয়ে যেতে পারে। এর জন্য নিজের ভেতরের গভীর গোপন বিষয়/ সিক্রেট অনেক বেশি আপন কারো কাছেও না বলার চেষ্টা করুন। যদি আপনার এবং আল্লাহর মাঝে জিনিসটা রাখলে সুরাহা করা যায়, সেটাই করুন। মানুষকে যত বেশি আপনার দুর্বলতা জানাবেন, ততোই নিজেকে দুর্বল করে ফেলবেন।

৩) আপনার চিন্তাভাবনা দিয়ে আপনার সমস্ত আমল পরিচালিত হয়। আপনি যত পজিটিভ চিন্তা করবেন সুধারণা রাখবেন, তত বেশি সামনের দিকে এগিয়ে যাবেন। এমনকি সিম্পলি যদি আপনি সকালটা শুরু করেন এভাবে, "আজকে আমি প্রচন্ড বরকতপূর্ণ এবং প্রোডাক্টিভ একটা দিন সামনে পেতে যাচ্ছি, আল্লাহর অনুমতিতে, ইন শা আল্লাহ!" —এতটুকু বলার সাথে সাথেই আপনার ব্রেনের কেমিক্যাল আসলে পরিবর্তন হচ্ছে! এই একটা কথার বলেই হয়তো আপনি নিজের দিনটাকে গুছিয়ে নিতে পারবেন‌‌ ইন শা আল্লাহ

৪) যে মানুষগুলো আপনাকে পজিটিভ এনার্জি দেয়, যাদের জীবনের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে, যারা নিজের বাইরের গন্ডি নিয়ে চিন্তা করতে পারে, যারা আল্লাহ এবং আল্লাহর দ্বীন কে প্রাধান্য দেয়, এমন মানুষের আশেপাশে অবশ্যই থাকবেন। এ ধরনের মানুষের পাশে বসে যদি কেউ একদিন ও কাজ করে , দেখা যায় যে তার সাফল্যের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

৫) দুনিয়াতে তো সব মনমতো মিলবে না। কিন্তু মন খারাপ করবেন না। হতে পারে দুনিয়াতে এই জিনিসটা কম পাওয়ার মাধ্যমে আখেরাতে আপনি অনেক বড় কিছু পাবেন। হয়তো আপনি যেটা ভাবছেন এখন না পেলে আমার কি হবে? হয়তো ওই জিনিসটা হাতে পেলে আপনি আরো গাফেল হয়ে যেতেন। আল্লাহ যেটা জানেন, আপনি সেটা জানেন না।

৬) কুরআনের সাথে যত বেশি থাকবেন, তত জীবনে বরকত পাবেন। কুরআন বুঝে বুঝে না পড়লে জীবনের ষোল আনাই মিথ্যা হয়ে যাবে।

৭) যখন কোন বিষয় নিয়ে খুব অশান্তি বা ঝামেলা হচ্ছে, নিজেকে জিজ্ঞেস করবেন 'আমি যখন ৬ হাত মাটির নিচে কবরে শুয়ে থাকবো, তখন আজকের এই বিষয়টা নিয়ে আমার কি আফসোস থাকবে? আমি কেমন ভাবে জিনিসটা সুরাহা করে কবরে শুয়ে থাকতে চাই? আসলে এটা কতটুকু ম্যাটার করে?" দেখবেন আপনার সামনে অনেক কঠিন সমস্যার অনেক সহজ সমাধান চলে আসবে ইনশাআল্লাহ।

৮) গীবত থেকে দূরে থাকুন। আপনার মুখ থেকে যদি এমন কথা বের হয়, যার মাধ্যমে আপনার অন্য মুসলিম ভাই বোনের সম্মান নষ্ট হচ্ছে, দেখবেন কোথাও না কোথাও গিয়ে আপনার সম্মানও নষ্ট হচ্ছে। এবং আল্লাহ মাফ করুক গীবতের মাধ্যমে আপনি আপনার মৃত ভাইয়ের গোশত খাচ্ছেন, তাহলে এর প্রভাব আপনার জীবনের অন্যান্য বিষয়ে পড়বে। আপনার জীবনে বরকত অনেক কমে যাবে।

৯) মোটিভেশনের জন্য অপেক্ষা করলে এই অপেক্ষার কখনো শেষ নেই। যে কাজটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা করে ফেলতে হবে। আসলে কাজটা প্রথমে করে ফেলতে হয়, এরপর মোটিভেশন আসে। "মোটিভেশন আগে আসলে কাজ করব" এভাবে জীবন চলে না।

১০) নিজেকে আল্লাহর উপর যত নির্ভরশীল করবেন, যতই সফল হবেন। অন্যদের উপর ইমোশনালি যত কম নির্ভরশীল হবেন, ততই জীবনে প্যারা কমবে। যতটা দক্ষতার সাথে অন্যের সাথে কমিউনিকেট করতে পারবেন, ততই আনন্দ এবং সমৃদ্ধি বাড়বে। যত অন্যের ব্যাপারে সুধারণা রাখবেন, অন্তরের ভেতর বোঝা কমবে এবং কি দারুন এই দশ নম্বর পয়েন্টের প্রত্যেকটা কাজ আপনি প্রিয় রসূল ﷺ এর জীবনের বিভিন্ন ঘটনা এবং গল্প থেকে শিখে নিতে পারবেন।

✍️শারিন

21/12/2025

আজ থেকে শুরু করে, একেবারে ঠিক রামাদান পর্যন্ত, বিভিন্ন কাজের ফাঁকে ফাঁকে, মনে পড়লেই এই দুআটা পড়া সুন্নাত –

اللهمَّ بارِكْ لنا في رَجَبَ وشَعْبانَ. وبَلِّغْنا رمَضَانَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বান। ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।

অর্থ : ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে রজব ও শা’বানে বরকত দান করুন। আমাদের কাছে রামাদানকে পৌঁছে দিন।

কত ছোট্ট একটা দুআ। অথচ একবার পড়লেই একটা সুন্নাত আদায় করার সওয়াব। এক দুইদিন নয় বরং দুই মাস এই দুর্লভ সুযোগ থাকবে।

লিখা : আতিক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ
©

18/12/2025

গান সম্পর্কে ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহি.)-এর মতামত-

"গান জাদু ও দেহে থাকা জিনকে শক্তিশালী করে তোলে।"

[মাজমূ‘ আল-ফাতাওয়া - ১১/২৫৯]

সংগৃহীত

এজন্যই বারবার রুকিয়ার পেশেন্ট কে গান বাজনা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়।

16/12/2025

আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

الْمَلاَئِكَةُ تُصَلِّي عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِي مُصَلاَّهُ مَا لَمْ يُحْدِثْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ.

তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে থাকে তার উযূ ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত তার জন্য ফেরেশতাগণ এ বলে দু‘আ করেন যে, হে আল্লাহ্! আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন, হে আল্লাহ! আপনি তার উপর রহম করুন।

সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৫৯ (ফুআদ আবদুল বাকী তাহকীককৃত), ৬২৬ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)

সুস্থতা আল্লাহ'র সবচেয়ে বড় নিয়ামত।
08/12/2025

সুস্থতা আল্লাহ'র সবচেয়ে বড় নিয়ামত।

07/12/2025

আপনি নিজে যেই সমস্যায় আছেন,সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য নিজের পাশাপাশি এমন মানুষদের জন্যও দুআ করুন, যারা আপনার মতো একই সমস্যায় পতিত!

যেমন ধরুন_আপনি ঋণমুক্ত হতে চাচ্ছেন। যারা যারা ঋণে আছে,তাদের জন্যও দুআ করুন। নিজের বিয়ের জন্য দুআ করলে একই দুআ অন্যের জন্যও করুন। সন্তানের নিয়ামাহ্ পেতে চাইলে নিঃসন্তানদের জন্য দুআ করুন। পাশাপাশি,যারা নিয়ামাহ্-প্রাপ্ত ও সুখ-শান্তিতে আছে, তাদের হিংসা না করে বারাকাহ্-র দুআ করে দিবেন।

হিংসা/হাসাদ নিজের রিজিক কমিয়ে দেয়। আর অন্যের জন্য দুআ করলে নিজের দুআ কবুল হয়। জীবনে বারাকাহ্ আসে। ফেরেশতাদের দুআ পাওয়া যায়।

#দুআটিপস

Address

নর্দানের মোড়, রুয়েটের পকেট গেট, তালাইমারি রাজশাহী।
Rajshahi
6400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাকনুন রুকইয়াহ - Maqnun Ruqyah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মাকনুন রুকইয়াহ - Maqnun Ruqyah:

Share