29/06/2022
#হিজামা_কি??
হিজামা হলো একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ চিকিৎসা,হিজামা (حِجَامَة )এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’থেকে এসেছে,যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। যা নবী (স:) ১৪০০ শত বছর আগেই নিজ শরীরে হিজামা চিকিৎসা নিয়েছেন ও তার প্রিয় উম্মতকে এ চিকিৎসা নিতে উৎসাহ করে গেছেন
👉হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি,এটি রোগের জন্য চিকিৎসা, সুস্থ ব্যক্তির জন্য রোগ প্রতিরোধক।
👉প্রাচীনতম এ চিকিৎসা পদ্ধতিকে আধুনিক পরিভাষায় (Cupping Therapy) বলে।যেটা বাংলাদেশে এক সময় শিংগা নামে পরিচিত ছিল।
👉ইবনে আব্বাস রাঃ হতে বর্নিত নবী করিম (সঃ)বলেন, রোগমুক্তি তিনটি জিনিষের মধ্যে নিহিত,শিঙ্গা বা হিজামা লাগানো,মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।
(বুখারী ৫৬৮১)
#হিজামা_যে_সকল_রোগের_জন্য_কাজ_করেঃ
👉হিজামা ইমিউনিটি ও নাইট্রিক অক্সাইড বুস্ট করে শরীরের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে,
👉হিজামা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ডিরেক্ট এন্টি ভাইরাল ইফেক্ট দেয়,
👉সুস্থ মানুষের জন্যেও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,
👉 অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এর নিয়ন্ত্রন করে,
👉ফুসফুসের শ্বাস প্রশ্বাস এর সাথে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা সমন্বয় করে,
👉হাই প্রেসার বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে,
👉নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীকে প্রসারিত রাখে,
👉নাইট্রিক অক্সাইড অনাকাংক্ষিত ব্লাড ক্লট প্রিভেন্ট করে,
👉শরীরকে ডিটক্সিফাই করে,
👉রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে,
👉সৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে,
👉দেহের জীবনীশক্তি ও টেস্টোস্টেরন হরমন বৃদ্ধি করে তথা যৌনশক্তি স্বাভাবিক রাখে,
👉রক্ত, ত্বক, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে,
👉শরীরের চাবানী কামড়ানী ব্যাথা দূর করে,
👉দির্ঘ দিনের বাতের ব্যথা ভাল করে,
👉ডায়াবেটিস ও মুটিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ রাখে,
👉পুরাতন কোমরের ব্যাথা ও হাটুর ব্যথা ভাল হয়,
👉চুল পড়া ও মাইগ্রেন জনীত দীর্ঘমেয়াদী
মাথা ব্যাথা ভাল হয়,
👉ব্রন,মেসতা,ও রক্তদূষন ভাল হয়,
👉হরমোন ও মেয়েদের অন্যান্য সমস্যার জন্য কাজ করে,
👉কোলস্টোরলের সমস্যা দূর হয়,
👉ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)দূর করে,
👉চর্মরোগ Skin Diseases) ভাল হয়,
👉জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain) ভাল হয়,
👉ইউরিক এসিড বেশি বেরে গেলে,হিজামা করালে অতি দূত ইউটিক এসিডের লেবেল কমে আশে।
👉রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব ভাল হয়,
👉থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) ঠিক হয়,
👉 সাইনুসাইটিস (Sinuses problem)সহ
এ সকল সমস্যার স্থায়ী নিরাময় হয়, ইনশা-আল্লাহ।
👉মানসিক রোগ ভাল হয়।
#হিজামার_উপর_গবেষণার_ফলাফল
☘️দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের (Damascus University) সাবেক ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাবীল আল শরীফ এর অধীনে ২০০১ সালে হিজামার উপকারিতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারে বিজ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরীক্ষাটি ৩০০ জন ব্যক্তির উপর পরিচালিত হয়। পরিচালিত পরীক্ষায় নিম্নোক্ত তথ্যসমূহ বেরিয়ে আসে; যা হিজামার উপকারিতার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বহন করে-
১. উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।
২. নিম্ম রক্তচাপের ক্ষেত্রে রক্তচাপ বেড়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।
৩. ECG এর পূর্বের গ্রাফের তূলনায় পরের গ্রাফে তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে।
৪. ESR কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।
৫. RBC এর সংখ্যা স্বাভাবিক হয়েছে।
৬. Polycythemia এর ক্ষেত্রে Hemoglobin কমে স্বাভাবিক হয়েছে।
৭. Hemoglobin স্বল্পতার ক্ষত্রে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক হয়েছে। এটি নতুন নতুন স্বাভাবিক RBC উৎপন্ন হওয়ায় ইংগিত প্রদান করে; যা শরীরের কোষ সমূহে অক্সিজেনের প্রবাহ বৃদ্ধি করে থাকে।
৮. হিজামা গ্রহনকারীদের ৬০% ক্ষেত্রে রক্তে Leukocyte বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় পৌঁছেছে।
৯. সকল Rheumatic রোগাক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Neutrophil বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।
১০. রক্তের শ্বেতকণিকা (WBC) ৭১.৪% ক্ষেত্রে বেড়েছে। এটি প্রমান করে যে Rheumatic ও অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগ হিজামা করার পর সেড়ে গেছে।
১১. হাঁপানি রোগীদের ৮৩.৩% ক্ষেত্রে Neutrophil এর সংখ্যা বেড়েছে।
১২. হিজামা করানোর কারনে Neutrophil এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি কমে গিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।
১৩. হৃদরোগীদের ৭৬.৯% ক্ষেত্রে Neutrophil সংখ্যা কমে স্বাভাবিক হয়েছে।
১৪. রক্তের Thrombocyte ৫০.৬% ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেয়েছে।
১৫. অনুচক্রিকার স্বল্পতার সকল ক্ষেত্রে তা বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় পৌঁছেছে।
১৬. Essential Thrombocythemia এর ৫০% ক্ষেত্রে Thrombocytes কমে গিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
১৭. ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের রক্তে চিনির পরিমাণ ৯২.৫% ক্ষেত্রে কমেছে।
১৮. রক্তের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত Creatinine ৬৬.৬৬ ক্ষেত্রে কমেছে।
১৯. সকল ক্ষেত্রে হিজামার মাধ্যমে বের হওয়া রক্তে Creatinine এর পরিমান খুবই বেশী ছিল।
২০. যেসকল রোগীদের রক্তে Creatinine বেশী ছিল, হিজামার পর তাদের ৫৭% ক্ষেত্রে রক্তে এর মাত্রা কমে গিয়েছিল।
২১. ৬৬.৬৬% ক্ষেত্রে রক্তে Uric acid এর মাত্রা কমে গিয়েছে।
২২. Uric acid বৃদ্ধির ফলে যেসকল অসুবিধা দেখা দিয়েছিল, ৭৩.৬৮% ক্ষেত্রে সেসকল অসুবিধা দূর হয়েছে।
২৩. যাদের রক্তে Urea level বেড়ে গিয়েছিল, তাদের মধ্যে ৮০% ক্ষেত্রে তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
২৪. যাদের রক্তে SGPT বেড়ে গিয়েছিল, ৮০% ক্ষেত্রে তাদের উক্ত মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে গিয়েছে। এটি হিজামা করানোর দ্বারা যকৃতের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ইংগিত বহন করে।
২৫. হিজামার পর কেন ECG এর উন্নতি হয়েছিল; SGPT এর নিম্নগামীতার মাধ্যমে তার ব্যাখ্যা পাওয়া গেল।
২৬. Alkaline phosphate এর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মাত্রা ৬২.৮২% ক্ষেত্রে কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমেছে।
২৭. ৫৪.৯% ক্ষেত্রে Amylase এর মাত্রা কমেছে।
২৮. সকল ক্ষেত্রে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত Albumin কমে স্বাভাবিক হয়েছে।
২৯. রক্তের বর্ধিত Cholesterol এর মাত্রা ৮৩.৬% ক্ষেত্রে কমেছে।
৩০. যাদের রক্তে Triglyceride অধিক ছিল, হিজামা করানোর পর তাদের ৭৫% ক্ষেত্রে তা কমেছে।
৩১. Ca, Na, K আয়নের মাত্রা ৯০% ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে।
৩২. বর্ধিত CPK ৬৬.৬৬% ক্ষেত্রে কমে স্বাভাবিক হয়েছে।
৩৩. হিজামার মাধ্যমে বের হওয়া রক্তে সকল RBC-ই ছিল অস্বাভাবিক আকৃতির। যেমনঃ Hypochromic, Burr, Target, Crenated, Spherocytes, Poikilocytes, Anisocytes, Schistocytes, Acanthocytes ইত্যাদি।
৩৪. বের হওয়া রক্তে Leukocyte এর সংখ্যা শিরার রক্তের ১০% এরও কম ছিল। এটি শরীরের Immunity রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান; যা হিজামার মাধ্যমে বের না হওয়ার ইংগিত বহন করে।
৩৫. ৬৬% ক্ষেত্রে রক্তে লৌহের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩৬. প্রায় ৯৩% ক্ষেত্রে CPK এবং LDH স্বাভাবিক মাত্রায় ছিল।
৩৭. শিরার রক্তে TIBC এর স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ২৫০-৩৭০ মাইক্রো গ্রাম। কিন্তু হিজামার মাধ্যমে বের হওয়া রক্তে TIBC এর মাত্রা ছিল প্রতি ডেসিলিটারে ৪২২-১০৫৭ মাইক্রো গ্রাম অর্থাৎ খুবই বেশী।
পরীক্ষাটি এই ইংগিত দেয় যে হয়তো এমন বিশেষ কোন কারণ রয়েছে; যার ফলে হিজামার কর্তিত অংশের মাধ্যমে পর্যাপ্ত লৌহ অণু বেরিয়ে আসতে পারেনা। বরং লৌহ অণুগুলো রক্তনালীতে রয়ে যায়; যাতে নতুন নতুন RBC উৎপাদনে ব্যবহৃত হতে পারে।
সুতরাং, উপরোক্ত Laboratory Test থেকে এটা দিবালাকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হিজামা গ্রহণের জন্য যে তাগিদ দিয়েছেন; তা সত্যিই আমাদের জন্য অত্যন্ত কল্যানকর।
🩸বিভিন্ন_রিসার্চ_থেকে_আরো_জানা_যায়_যেঃ কোন সুস্থ মানুষ যদি বছরে ২-৩ বার হিজামা থেরাপি নেন, তবে তিনি ৮০--৯০ ভাগ রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকবেন। তাই,সুস্থ্য-অসুস্থ্য যে কেউ এই চিকিৎসা অনায়াসেই নিতে পারে। নিয়মিত হিজামা নিলে অলসতা,অবসাদগ্রস্ততা বিদূরিত হয়,রোগজীবাণু সহজেই আক্রান্ত করতে পারে না, রক্ত পরিশুদ্ধ হয়,শরীর রোগ প্রতিরোধক্ষম হয়ে উঠে।
👉একটি সুন্নাহকে জিন্দা করার জন্য হলেও আমাদের প্রত্যেকেরই মাঝে মাঝে হিজামা থেরাপি নেওয়া উচিৎ।
শুধু তাই নয়,হিজামার উপকারিতা পেয়ে মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে বিশ্বসেরা অনেক সেলিব্রেটি নিয়মিত হিজামা করান। কিন্তুু আমরা মুসলিমরা আজ এই সুন্নাহ চিকিৎসা হারিয়ে ফেলেছি। এখনো আরবদেশ গুলোতে এই চিকিৎসা বিদ্যমান আছে।
তাই আসুন রাসূল (সাঃ) এর মৃত্যু প্রায় সুন্নাহ চিকিৎসা হিজামাকে পুনরুজ্জীবিত করি।
#হিজামা_সংক্রান্ত_কয়েকটি_সহিহ_সমূহ:
➡️হযরত জাবির (রাদি.) থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।”
সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২২০৫)
➡️মহানবী (সা.) বলেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’ (মুস্তাদরাকে হাকিমঃ৭৪৭০)
➡️ রাসূল (সা.)বলেন, ‘আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, ‘হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন’।’’ (তিরমিজি শরিফঃ২০৫৩)
➡️ মহানবী (সা.) বলেন, ‘গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (মুস্তাদরাকে হাকিমঃ৭৪৮২)
➡️ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হিজামাকারী কতই না উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।’
(তিরমিজি শরিফঃ২০৫৩)
➡️ হযরত জাবির (রাদি.) থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।”
সহীহ মুসলিমঃ২২০৫)
বছরে ৩-৪ বার হিজামা করানো উত্তম। কারণ হিজামা মাধ্যমে অনেক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,
দেহের জীবনী শক্তি ও যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীরের রক্ত পরিষ্কার , ত্বক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে
দেহের সব ধরণের ব্যথা দূর সহ হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
💢আসুন জেনে নেই মাথায় হিজামা করার ব্যপারে নবীকরিম সঃ কি বলেছেন!!👇
➡️ আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা:) বর্ণনা করেন, রাসুলূল্লাহ সা: যখন ইহরাম অবস্থায় তখন একগুঁয়ে মাথাব্যথার জন্য হিজামা ব্যবহার করেন।
(সহীহ বুখারী /৫৭০১)
➡️সালমা (রা:) বলেন. যখন কেউ রাসুলুল্লাহ (সা:) এর নিকট এসে মাথাব্যথার কথা বলতেন,
তিনি তাদেরকে হিজামা লাগানোর কথা বলতেন ।
(আবু দাউদ ৩৮৫৮)
➡️ কালো যাদু বা কুফরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্য **
ইবনুল কাইয়ুম (রহ:) মন্তব্য করেন রাসুলুল্লাহ (সা:) যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হোন তখন তিনি মাথায় শিঙ্গা লাগান। এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিক ভাবে করা হয়। ( যাদুল মায়াদ ৪/১২৫-১২৬)
💢মাথায় হিজামা লাগানোর দ্বারা বিশেষভাবে কিছু রোগের উপকার হয় সেটা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হল💢
♦️নিয়মিত মাথায় হিজামা করালে চুল বৃদ্ধি পায়, চুল পড়া কমে, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়,
♦মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘ মেয়াদী মাথাব্যথা এবং সাধারন মাথাব্যথা ভাল হয়,
♦ উচ্চ রক্তচাপ,
♦ রক্তদূষন,
♦ঘুমের ব্যঘাত,
♦ স্মৃতি ভ্রষ্টতা,
♦ঘাড়ে ব্যথা,
♦সাইনুসাইটিস,
♦মানসিক সমস্যা,
♦চুল পড়া,
♦ মাদকাসক্তি,
➡️হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক চিকিৎসা এবং এর সাথে কোন মেডিসিন গ্রহণ করতে হয় না।
➡️ব্যাথার ঔষধ খেলে কিডনি, লিভার ড্যামেজ হবার প্রবল আশংকা থাকে। অথচ হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ চিকিৎসা।
➡️ সুতরাং চিকিৎসাক্ষেত্রে হিজামার গুরুত্ব যে কত অপরিসীম তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
#আমাদের_সেবা_সমূহ
♦️হিজামা ড্রাই কাপিং,
♦️হিজামা ওয়েট কাপিং,
♦️হিজামা ফায়ার কাপিং,
♦️ফিজিওথেরাপি
👉আসার আগে কল করে সিরিয়াল নিশ্চিত করে আসবেন।
আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঢাকা সিটি,ধানমন্ডী,মিরপুর,উত্তরা নারায়ণগঞ্জ,মুন্সিগন্জ,গাজিপুর,জয়দেবপুর,টঙ্গী,কেরানীগঞ্জে,যাএাবাড়ী,মতিঝিল,সাইন বোর্ড,গুলশান,বনানী,গিয়ে হিজামা করি এবং বেশী ক্লাইন্ড হলে ঢাকার বাহিরেও আমরা হিজামার জন্য ট্রাভেলস করি।
প্রায়ই আমরা হিজামার উপর ডিসকাউন্ট বা অফার দিয়ে থাকি,তাই পেজের সাথে থাকুন ও সময় মত অফারটি লুফে নিন।
#যোগাযোগের_ঠিকানাঃ (প্রধান শাখা)
#যাত্রাবাড়ী ফিজিওথেরাপি এন্ড হিজামা সেন্টার
🏠১/১৯ স্বাধীনতা ভবন, শনিরআখড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, যাএাবাড়ী ঢাকা-১২৩৬
#দ্বিতীয়_শাখা
🏡চিটাগাং রোড,সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
#তৃতীয়_শাখা:
🏡 মহিমাগন্জ রোড,গোবিন্দগঞ্জ,গাইবান্ধা
মোবাইল: 01914-95 86 11
(Imo+Whatsapp)(bKash personal)
☎️০১৭৫১-৮৮৮ ৪৪৬
☎️০১৭৮০-৯২ ৫৩ ৬৪
#বিঃদ্রঃ মহিলাদের জন্য শরীয়া মোতাবেক পর্দার সাথে অভিজ্ঞ মহিলা হিজামা থেরাপিস্ট দিয়ে কাজ করানো হয়।চেম্বারে মহিলা আসলে মাহরাম সঙ্গে নিয়ে আসার বিনীত অনুরোধ থাকবে।
#হিজামা_বাংলাদেশ
,