গাইবান্ধা হিজামা সেন্টার - Gaibandha Best Hijama center

  • Home
  • গাইবান্ধা হিজামা সেন্টার - Gaibandha Best Hijama center

গাইবান্ধা হিজামা সেন্টার - Gaibandha Best Hijama center ""Top class & latest Physiotherapy & Hijama center In Gaibandha. You can visit us without any confusion."Thanks you

""Top class & latest Physiotherapy & Hijama center In Gaibandha.Gaibandha Physiotherapy & Hijama Center is the modern, well-equipped manual therapy based physiotherapy & Hijama center in Gaibandha. It is headed by 7 years Experts Physiotherapist.This center is also having female therapists and other qualified staffs.Gaibandha Physiotherapy & H'I'J'A'M'A always intended to spread the quality phy

siotherapy and rehabilitation services in Gaibandha. Best Physiotherapy & H'I'J'A'M'A center in the Gaibandha.We have outpatient services in a comfortable and welcoming environment. We also offer home based physiotherapy & Hijama services from our skilled and dedicated professionals.

এটি একটি ভাংগা পায়ের কবিরাজি চিকিৎসা।। এই রকম অনেক আজব চিকিৎসা পদ্ধতি আমরা আমাদের জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে (নিটোর) দেখ...
27/10/2024

এটি একটি ভাংগা পায়ের কবিরাজি চিকিৎসা।। এই রকম অনেক আজব চিকিৎসা পদ্ধতি আমরা আমাদের জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে (নিটোর) দেখতে পাই।
এই ধরনের অপচিকিৎসা থেকে সবাই সাবধান থাকুন। কবিরাজদের এইসব অপচিকিৎসার স্বীকার হয়ে অনেককেই হাত পা হারাতে হয়।
অর্থোপেডিকসের সকল ধরনের জটিল ও বিশ্বমানের চিকিৎসা আমাদের ঢাকাস্থ জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ( নিটোর) নিয়মিত হচ্ছে।

💥💥Stroke....মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত ক্ষরণের ফলে অক্সিজেন  সরবরাহ ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কের কোষ সমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মা...
13/06/2023

💥💥Stroke....
মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত ক্ষরণের ফলে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাঘাত ঘটলে মস্তিষ্কের কোষ সমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মাধ্যমে যে অবস্থা দ্রুত সৃস্টি হয় তাকে স্ট্রোক বলে।
দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে।কিন্তু মস্তিষ্কের কোষ গুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল অক্রিজেন বা শর্করা সরবাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষ গুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষ গুলো শরীরের যেই অংশ গুলো নিয়ন্ত্রণ করে,সেই অংশ গুলো পক্ষাঘাত গ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।
💥💥স্ট্রোকের ধরণ:
১. ইসকেমিক(ischemic)স্ট্রোক( আঞ্চলিক ভাবে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া)
২. হেমোরেজিক(Hemorrhagic) স্ট্রোক( মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ।
💥💥স্ট্রোক এর লক্ষণঃ
আমরা একটু সচেতন হলে সহজেই বুজতে পারবো,ইনশাআল্লাহ
FASTঃ
F: face( মুখ একদিকে বেঁকে যাবে)
A:arm(হাত উপরে উঠাতে পারবে না)
S:speech(কথা পেচিয়ে আসবে)অর্থাৎ তোতলানো
T:time(দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে)
এছাড়াও, মাথা ঘুড়ানো,হাটতে অসুবিধা হওয়া,ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারা,অবশ অবশ লাগা,চোখে অন্ধকার লাগা বা ডাবল মনে হওয়া, হঠাৎ মাথা ব্যাথা।ইত্যাদী
💥💥স্ট্রোক রোগ নির্ণয় পদ্বতি:
মস্তিষ্কের রক্ত ক্ষরণ জনিত স্ট্রোক একটি ভয়ানক জরুরি অবস্থা( critical condition).
মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ পর কোষ গুলো ফুলে উঠতে শুরু করে।মস্তিষ্কের করোটি বা স্কাল চারিদিকে থেকে প্রায় বদ্ধ, বিধায় আক্রান্ত মস্তিষ্ক দ্রুত জটিলতা শিকার হয়।মস্তিষ্কের হারনিয়েশন(hernia)হচ্ছে এর অবশ্যস্ভাবী পরিনিত-অর্থাৎ দুর্বল অংশ গলিয়ে মস্তিষ্কে গুরুত্বপূর্ণ অংশে বের হয়ে আসে এবং রোগী দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
-ব্লাট প্রেসার মাপা,রক্তে কোলেস্টেরল মাপা ডায়াবেটিস মাপা,অ্যামিনো এসিড মাপা,
- আল্ট্রাসাউন্ড
- আটরীয়গ্রাফি
- সিটি - স্কান
- এম আর আই (ইত্যাদী)
💥💥ঝুকিপূর্ণ কারণ
হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুকির কারন প্রায় একই রকম-
১. উচ্চ রক্তচাপ,
২. বেশি কোলেস্টেরল,
৩. ডায়াবেটিস,
৪. ধূমপান,
৫. স্থুলতা
৬. মদ্যপান,
৭. পজেটিপ পারিবারিক ইতিহাস।
💥💥স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানোর উপায়
স্বাস্থ্য সম্মত জীবন যাপন বজায় রাখতে পারলে অনেক অংশে ঝুকি কমানে যায়-
১. ব্লাট প্রেসার জানা, এবং কন্টোল করা
২.ধূমপান না করা
৩. চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া
৪. নিয়ম মাফিক খাবার খাওয়া.
৫.ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা
৬. নিয়ম করে হাটা এবং হালকা দৌড়ানো
৭.মাদক না নেওয়া, মদ্যপান না করা,
৮.সর্বোপরি দুশ্চিন্তা না করা।

💥💥💥বি.দ্র: 💥💥💥
-স্ট্রোক সাধারনত ৫৫ বছরের বেশি পুরুষদের বেশি হয়।
-স্ট্রোক এর ধরনের উপরে সুস্থ নির্ভর করে
-স্ট্রোক এর ৭২ ঘন্টা পর ফিজিওথেরাপি শুরু করতে হয়
- স্ট্রোক নিউরনে হয়, হার্টে না
- প্রপার ট্রেটমেন্টের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।

#ফিজিও_মোহাম্মদ:এমদাদুল হক পিটি
#ফিজিওথেরাপিস্ট(JPHC)
#শনিরআখড়া_যাত্রাবাড়ী,ঢাকা-১২০৪
২১-০৯-২০০২ ইং

12/06/2023

19/05/2023

ব্যথার ওষুধের ক্ষতিকর দিক গুলো।

29/03/2023

আসসালামু আলাইকুম রহমতুল্লাহ।
হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। তাই আসুন সবাই ওষুধের বিকল্প চিকিৎসা হিজামা গ্রহণ করি।সুখী সুন্দর জীবন গড়ি।💞

29/03/2023

হিমোফিলিয়া ও ফিজিওথেরাপি

হিমোফিলিয়া একটি বংশানুক্রমিক জিনগত রোগ। মানবদেহে রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা আছে। রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় কাজ করে রক্তের অণুচক্রিকা এবং বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টর (বিষয়)। এদের মধ্যে বিশেষ দুটি ফ্যাক্টর কম মাত্রায় উৎপাদিত হলে রক্তের জমাট বাঁধায় সমস্যা দেখা দেয়। এ রকম পরিস্থিতিতে শরীরের অভ্যন্তরে নিজে নিজেই রক্তক্ষরণ শুরু হতে পারে। একেই বলে হিমোফিলিয়া।
মূলত মেয়েরা এই রোগের জিন বহন করে, পুরুষরা আক্রান্ত হয়। তবে অল্প কিছু ক্ষেত্রে মেয়েরাও আক্রান্ত হতে পারে।
হিমোফিলিয়া দুই ধরনের—হিমোফিলিয়া এ, হিমোফিলিয়া বি। শতকরা ৮৫ ভাগ হিমোফিলিয়া রোগী হিমোফিলিয়া এ-তে আক্রান্ত। হিমোফিলিয়া বি-এর আরেক নাম ক্রিসমাস ডিজিজ।
লক্ষণ
অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণই হলো হিমোফিলিয়ার প্রধান লক্ষণ।
শিশুদের খতনা করার পর অনেক সময় দেখা যায় রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। দাঁত পড়ার সময় প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। অনেকের দেখা যায় হামাগুড়ি দেওয়ার কারণে হাঁটু ফুলে যায় অথবা সামান্য আঘাতে গিড়া ফুলে যায়। অস্ত্রোপচারের পর বা দুর্ঘটনাজনিত আঘাতের পর রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না।
রোগের মাত্রা ও রোগের মেয়াদ অনুযায়ী প্রকাশ পেতে পারে আরো কিছু লক্ষণ। দীর্ঘদিন ধরে অস্থিসন্ধিতে রক্তক্ষরণের কারণে অস্থিসন্ধির কর্মক্ষমতা নষ্ট হতে পারে। এ ছাড়া শরীরের অন্যান্য অংশেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে, যেটা খুবই মারাত্মক। এতে সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা না নিলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই সময় থাকতেই রোগটি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারলে এবং সে অনুযায়ী সতর্ক থাকলে মৃত্যুর ঝুঁকিটা কমানো যায়। রক্তক্ষরণের মাত্রা নির্ভর করে রক্তে রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান (ফ্যাক্টর ৮ ও ৯) কেমন পরিমাণে উপস্থিত আছে তার ওপর।
পরীক্ষা
রক্তের ফ্যাক্টর দুটির পরীক্ষা।
রক্তের জমাট বাঁধার ক্ষমতা পরীক্ষা।

চিকিৎসা
হিমোফিলিয়ার স্থায়ী কোনো চিকিৎসা নেই। শিরাপথে ইনজেকশনের মাধ্যমে সেই ফ্যাক্টর শরীরে প্রবেশ করানোই মূল চিকিৎসা। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে এবং সাবধানতার সঙ্গে জীবনযাপন করলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব।

ফিজিওথেরাপি

হিমোফিলিয়া ও ফিজিওথেরাপি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। হিমোফিলিয়া রোগীদের জয়েন্টে রক্তক্ষরণ সব থেকে বেশি হয়। জয়েন্টে রক্তক্ষরণের ফলে জয়েন্টগুলো ফুলে যায় এবং শেষ পরিণতি হয় পঙ্গুত্ব। ফিজিওথেরাপি একজন হিমোফিলিয়া রোগীকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষা করে।

হিমোফিলিয়া রোগীদের প্রতি কিছু পরামর্শ

১) যেসব খেলাধুলায় ব্যথা পাওয়ার আশঙ্কা থাকে যেমন : ক্রিকেট, হকি, ফুটবলজাতীয় খেলা পরিহার করা।
২) হালকা ব্যায়াম করা (যেমন : সাঁতার কাটা, হাঁটা ইত্যাদি)।
৩) ব্যথা নিরাময়ের জন্য অ্যাসপিরিন-জাতীয় ওষুধ গ্রহণ না করা। তবে প্যারাসিটামল, আইব্রুফেন ও টোরাডল-জাতীয় ওষুধ গ্রহণ নিরাপদ। তবে ওষুধ গ্রহণ করবেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।
৪) জয়েন্টে বা মাংসপেশিতে রক্তক্ষরণ হলে ঘরে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। যেমন : আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে পাঁচ মিনিট বরফ দিয়ে চেপে ধরতে হবে । তারপর পাঁচ থেকে ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে পুনরায় পাঁচ থেকে ১০ মিনিট বরফের সেক দিতে হবে। রক্তক্ষরণ বেশি হলে ফ্যাক্টর ইনজেকশন দিতে হবে।
৫) হিমোফিলিয়া রোগীদের মাংসপেশিতে কোনো ইনজেকশন দেওয়া যাবে না।
৬) হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ-এর সদস্য হতে হবে এবং সব সময় হিমোফিলিয়ার পরিচিতি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে যাতে করে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে চিকিৎসার কাজে সহায়তা হয়।
৭) একজন হিমোফিলিয়াক ঝুঁকিপূর্ণ পেশা গ্রহণ না করে নিরাপদ পেশা যেমন : কম্পিউটার অপারেটর, শিক্ষকতা ও অফিসের ডেস্ক জব করা নিরাপদ।

হিমোফিলিয়ার চিকিৎসা ও ওষুধ বাংলাদেশে সম্ভব হলেও খুব একটা সুলভ নয়। সচেতন হলে এই রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকখানি কমে যায়। তাই হিমোফিলিয়া সম্পর্কে সবার সচেতন থাকা একান্ত জরুরি।

 আমার পুত্রের কাবা শরীফের প্রতি একধরনের অমোচনীয় আগ্রহ আছে। সে অনেক ছোটবেলা থেকেই সেখানে যেতে চায়। তাকে কথা দেয়া ছিলো যে ...
13/12/2022


আমার পুত্রের কাবা শরীফের প্রতি একধরনের অমোচনীয় আগ্রহ আছে। সে অনেক ছোটবেলা থেকেই সেখানে যেতে চায়। তাকে কথা দেয়া ছিলো যে একসময় তাকে মক্কাহ ও মদিনায় নিয়ে যাওয়া হবে।

সে গত দশ বছর এরও বেশি সময় রোজ জানতে চাইতো সে কবে কাবাঘরে যাবে।

যেহেতু সে একজন বিশেষ শিশু তাকে এতদুর নিয়ে যাওয়ার জন‍্য ও সে যাতে পবিত্র স্থানে আদবের সাথে ভ্রমন সম্পন্ন করতে পারে সেজন‍্য তাকে প্রস্তুত করতে হয়েছে।

একসময় সে উড়োজাহাজ ও শব্দকে তীব্র ভয় পেতো। তাকে নিয়ে বহুবার উড়োজাহাজ এ উঠে এই ভয় মোচন করতে হয়েছে।

উড়োজাহাজের প্রসাধন ও প্রক্ষালনকক্ষে বিকট শব্দে ফ্লাশ হয়। ইমিগ্রেশনের ছবি ও আঙুলের ছাপ লাগে। এরকম বহু কিছুতে তাকে অভ‍্যস্ত করিয়ে নিতে হয়েছে।

আমার পুত্র কোরআন শরীফের একটি বড় অংশ মুখস্থ করেছে। এসবই মহান স্রষ্টার করুণা।

আমি এর আগে মোট এগারোবার উমরাহ সম্পন্ন করেছি। সবই বয়স ছত্রিশ হবার আগে। এরপর দীর্ঘদিন আমি সেখানে যাই নাই কারণ আমি আমার পুত্রের সাথে সেখানে যাবো বলে মনস্থ করেছিলাম।

এরমাঝে আমি বেশ কয়েকবার সৌদি আরবে প্রভাবশালি কিছু নিকটজনকে আমার পুত্রের উমরাহকে সহজ করার জন‍্য সেখানে অবস্থানরত কোন সাহায‍্যকারি দিয়ে সহায়তা চাইলে তারা সযতনে সেটা এড়িয়ে যান। সেই সময় আমার পুত্র খুব ছটফটে স্বভাবের ছিলো। তাকে দেখে রাখতে আলাদা লোক লাগতো। সে এখন অনেক শান্ত হওয়ায় ভ্রমন সহজতর হয়েছে।

আল্লাহ সেইসব নিকটজনকে চিনতে সাহায‍্য করেছেন।

এখন কাবাঘরে প্রবেশের জন‍্য অবশ‍্যই ইহরামের পোশাক পরতে হয়। তাছাড়া মহানবীর রওজা মুবারক জিয়ারাত ও রিয়াজুল জান্নাতে প্রবেশের জন‍্য মোবাইল অ‍্যাপের মাধ‍্যমে নির্ধারিত সময়ে যেতে হয়।

আমার ছেলে জায়নামাজ ছাড়া শক্ত মার্বেলে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে অস্বস্তি অনুভব করে। কখনো কখনো ভীড় এর কারণে মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারলে বাইরে দাঁড়াতে হতো। তাই সাথে তার জন‍্য একটি জায়নামাজ নিতে হতো। একটিবার ভুলে সেটি না নেয়ায় আমি যখন ভাবছি কি করবো; কোন এক অপরিচিত আরব কিশোর এসে তার নিজের জায়নামাজটি আমার পুত্রর জন‍্য বিছিয়ে দিয়ে তার পাশে দাড়িয়ে গেলো। কিভাবে এটা হলো আমি জানি না। এমন নয় যে আমি কাউকে বলেছি বা জায়নামাজ খুঁজেছি।

আমার ছেলে আমাকে স‍্যার বলে আদর করে। আমিও স‍্যার বলি তাকে। সে একাই হেঁটে কিভাবে যেনো তাওয়াফের সময় কাবাঘরের গিলাফ ছুঁয়ে কোরানের আয়াত বলে দোয়া করেছে। তাকে এই ভীড়ে ধাক্কাধাক্কি করা আফ্রিকান ও ভারত পাকিস্তানের লোকজন নিজেরাই সরে গিয়ে পথ করে দিয়েছে। বলতে হয় নাই কাউকে। আমরা একসাথে সব ঐতিহাসিক পবিত্র স্থানে দু রাকাত নামাজ পড়েছি। সে প্রতিবার নামাজ এর আগে ও পরে জমজমের পানি পান করার কথা ভুলে গেলেই মনে করিয়ে দিয়েছে। আমরা কাবাঘরের সীমানাতে একবেলা ঘুমিয়েও থেকেছি জোহর ও আসরের মধ‍্যবর্তি সময়ে।

রাসুল সা. আ. এর রওজা মুবারকে প্রবেশের নির্ধারিত সময়ে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর পর আমি যখন ভাবছি অনেকটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, ঠিক তখনি বহুদুর থেকে শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা দুজন সৌদি নাগরিক এগিয়ে এসে আমার পুত্র ও আমাকে আলাদা করে নিয়ে গেলেন ও সময় হবার সাথে সাথে আলাদা দরোজা দিয়ে সরাসরি রিয়াজুল জান্নাতে নিয়ে প্রথম সারীতে দাঁড়াতে দিলেন।

আমি কাউকে কোনো অনুরোধ করি নাই কিন্তু যখন আমার পুত্রের হাত ধরে উঁচু দরোজা পার হয়ে সেখানে যাচ্ছি তখন আমার মনে হলো এভাবেই হয়তো আমার পুত্রের হাতটি আল্লাহ আমার জন‍্য নির্দিষ্ট করেছেন যে হাত ধরে আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষ পরকালেও বিচারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারবো।

আমার মনে হলো রওজা মুবারকের পাশে রিয়াজুল জান্নাতের অংশটুকু এই পাপে পূর্ণ পৃথিবীতে বেহেশতেরই বাগান; প্রকৃতই শান্তির এক টুকরো জমি। আমি এর আগেও সেখানে গেছি। অনেকবার। কিন্তু এই তীব্র মানসিক অনুভূতি উপলব্ধি করি নাই।

পিতা ও পুত্রের জীবনে সেই আধাঘন্টা ইবাদতের সময়টুকু আমাকে মৃত‍্যুর পরবর্তী জীবনের জন‍্য কিছুটা সঞ্চয় করিয়েছে। ২০০৪ সালে ঠিক যেখানে দাঁড়িয়ে আমি আমার পুত্র ও কন‍্যার জন‍্য একা হাত তুলেছিলাম ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়ে এবার আমি স্রষ্টাকে কৃতজ্ঞতা জানালাম। তিনি না চাইলে আমরা কখনোই একসাথে সেখানে যেতে পারতাম না।

আমি পূণ‍্যবান নই। আমি কেবল কখনো হারাম বস্তু স্পর্শ করি না। সাধ‍্য অনুযায়ী ইবাদত করি। আমার কাছে উপাসনা স্রষ্টার ক্ষমা ও নৈকট‍্য লাভ ও স্রষ্টার প্রতি আমার ভালোবাসা প্রকাশের উপায়। আমি আল্লাহর সাধারণ পাপী বান্দা।

আল্লাহ আমার হাত ধরে নিয়ে যাওয়ার জন‍্য নিষ্পাপ কোমল বিশেষ এক শিশু, আমার পুত্রকে আমার ঘরে পাঠিয়েছেন। এজন‍্য তার কাছে কৃতজ্ঞতা জানালাম।

আমার চোখে পানি দেখে আমার ছেলে সেটা মুছিয়ে দিয়ে জানতে চাইলো বাবা; ব‍্যাথা? বাবা কোথায় ব‍্যাথা!

আমি তাকে বলতে পারি নাই এই অশ্রু তার হাত ধরতে পারায় আনন্দের অশ্রু। আমি এতো সাধারণ হয়েও অসাধারণ হয়েছি তার হাত ধরতে পারায়।

আমরা বুঝি না। অধৈর্য হই। সৃষ্টিকর্তা রহস‍‍্যময়। তিনি এক অনির্বচনীয় উপায়ে তার করুণাধারায় আমাদের নিমজ্জিত করেন। বিশ্বাসীদের অন্তরকে তিনি তার নিদর্শন উপলব্ধি করার জন‍্য খুলে দেন।

আমি প্রার্থনা করলাম কোরআনের সেই আয়াতগুলি স্মরন করে যেখানে তিনি অবিশ্বাসীদের হৃদয় সীলমোহর করার কথা বলেছেন। সম্মান ও সম্পদ যে তিনি ইচ্ছামতো দেন ; যাকে ইচ্ছা দেন অথবা নিয়ে নেন সেই কথা বলেছেন।

আমি ও আমার পুত্র যখন প্রার্থনা শেষে ফিরছি ; সেই পুরো পথ সে আমাকে হাত ধরে নিয়ে এলো। আমরা কোনো কথা বলি নাই।

কিন্তু আমাদের হৃদয় কি বলছিলো সেটা আমরা দুজন ছাড়া কেবল স্রষ্টাই জানেন।
Abdun Nur Tushar

 #হিজামা_কি??হিজামা হলো একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ চিকিৎসা,হিজামা (حِجَامَة )এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’থেকে এসেছে,যার অর্থ চ...
24/08/2022

#হিজামা_কি??

হিজামা হলো একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ চিকিৎসা,হিজামা (حِجَامَة )এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’থেকে এসেছে,যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। যা নবী (স:) ১৪০০ শত বছর আগেই নিজ শরীরে হিজামা চিকিৎসা নিয়েছেন ও তার প্রিয় উম্মতকে এ চিকিৎসা নিতে উৎসাহ করে গেছেন

👉হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি,এটি রোগের জন্য চিকিৎসা, সুস্থ ব্যক্তির জন্য রোগ প্রতিরোধক।

👉প্রাচীনতম এ চিকিৎসা পদ্ধতিকে আধুনিক পরিভাষায় (Cupping Therapy) বলে।যেটা বাংলাদেশে এক সময় শিংগা নামে পরিচিত ছিল।

👉ইবনে আব্বাস রাঃ হতে বর্নিত নবী করিম (সঃ)বলেন, রোগমুক্তি তিনটি জিনিষের মধ্যে নিহিত,শিঙ্গা বা হিজামা লাগানো,মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।

(বুখারী ৫৬৮১)

#হিজামা_যে_সকল_রোগের_জন্য_কাজ_করেঃ

👉হিজামা ইমিউনিটি ও নাইট্রিক অক্সাইড বুস্ট করে শরীরের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে,

👉হিজামা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ডিরেক্ট এন্টি ভাইরাল ইফেক্ট দেয়,

👉সুস্থ মানুষের জন্যেও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,

👉 অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এর নিয়ন্ত্রন করে,

👉ফুসফুসের শ্বাস প্রশ্বাস এর সাথে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা সমন্বয় করে,

👉হাই প্রেসার বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে,

👉নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীকে প্রসারিত রাখে,

👉নাইট্রিক অক্সাইড অনাকাংক্ষিত ব্লাড ক্লট প্রিভেন্ট করে,

👉শরীরকে ডিটক্সিফাই করে,

👉রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে,

👉সৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে,

👉দেহের জীবনীশক্তি ও টেস্টোস্টেরন হরমন বৃদ্ধি করে তথা যৌনশক্তি স্বাভাবিক রাখে,

👉রক্ত, ত্বক, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে,

👉শরীরের চাবানী কামড়ানী ব্যাথা দূর করে,

👉দির্ঘ দিনের বাতের ব‍্যথা ভাল করে,

👉ডায়াবেটিস ও মুটিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ রাখে,

👉পুরাতন কোমরের ব‍্যাথা ও হাটুর ব‍্যথা ভাল হয়,

👉চুল পড়া ও মাইগ্রেন জনীত দীর্ঘমেয়াদী

মাথা ব‍্যাথা ভাল হয়,

👉ব্রন,মেসতা,ও রক্তদূষন ভাল হয়,

👉হরমোন ও মেয়েদের অন‍্যান‍্য সমস‍্যার জন্য কাজ করে,

👉কোলস্টোরলের সমস্যা দূর হয়,

👉ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)দূর করে,

👉চর্মরোগ Skin Diseases) ভাল হয়,

👉জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain) ভাল হয়,

👉ইউরিক এসিড বেশি বেরে গেলে,হিজামা করালে অতি দূত ইউটিক এসিডের লেবেল কমে আশে।

👉রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব ভাল হয়

 #হিজামা_সেন্টার_গাইবান্ধা  #হিজামা_
28/07/2022

#হিজামা_সেন্টার_গাইবান্ধা
#হিজামা_

 #আমাদের_এখানে_পাবেন : #ফিজিওথেরাপি, #হিজামা/কাপিং #থেরাপি, এবং প্রতিবন্ধী রোগের #ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা 👉হিজামা একটি জনপ্র...
27/07/2022

#আমাদের_এখানে_পাবেন :
#ফিজিওথেরাপি,
#হিজামা/কাপিং #থেরাপি,
এবং প্রতিবন্ধী রোগের #ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা

👉হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি,এটি রোগের জন্য চিকিৎসা, সুস্থ ব্যক্তির জন্য রোগ প্রতিরোধক।

্যায়_হিজামা_উপকারী:
১. দীর্ঘ দিনের কোমর ব্যথা,পিঠে ব্যথা,ঘাড়ে ব্যথা,আঘাত জনিত ব্যথা,হাঁটুতে ব্যথা,জয়েন্ট জয়েন্ট ব্যথা সহ দীর্ঘদিনের যে কোন ব্যথা হিজামাতে ভাল হয়।

২.যারা দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা,ব্রংকাইটিস,
COPD,সাইনুসাইটিস,নিউমোনিয়া, লাং ইনফেকশন মত রোগে ভোগে থাকেন তাদের জন্য হিজামা একটি কার্যকরী চিকিৎসা।

৩,হাই প্রেশার,হাই কোলেস্টেরল, হার্ট ব্লক,অতিরিক্ত ওজন,গ্যাসটিকের সমস্যা,বুক জ্বালা পোড়া করা,পেটের ব্যথা,ফিসার,

পাইলস,ফ্যাটি লিভার,IBS,নিদ্রা জনিত সমস্যা,মানসিক সমস্যা,Erectile Dysfunction, Ej*******on Dysfunction সহ অন্যান্য যৌন সমস্যা হিজামাতে ভাল হয়।

৪,অস্টিওপরোসিস, রিউমাডয়েট আথ্রাটিস,জিবিস,পারকিনস্নস,Gout,সহ থাইরয়েড জনিত সমস্যায় হিজামা একটি কার্যকরী চিকিৎসা।

👉ফিজিওথেরাপি এবং হিজামা থেরাপি হলো সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ন্যাচারিলি চিকিৎসা পদ্ধতি।

#আমাদের_বৈশিষ্ট্য:
👉ডিজিটাল মেশিনের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি প্রদান করা হয়।
👉মহিলাদের মহিলা থেরাপিস্ট দ্বারা চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

প্রয়োজনে মোবাইল নাম্বার :
01914-95 86 11
01780-92 53 64

বি.দ্র:প্রয়োজনে বাসায় গিয়ে যত্নসহকারে ফিজিওথেরাপি এবং হিজামা থেরাপি দেওয়া হয়

 #হিজামা_কি??হিজামা হলো একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ চিকিৎসা,হিজামা (حِجَامَة )এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’থেকে এসেছে,যার অর্থ চ...
29/06/2022

#হিজামা_কি??
হিজামা হলো একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ চিকিৎসা,হিজামা (حِجَامَة )এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’থেকে এসেছে,যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। যা নবী (স:) ১৪০০ শত বছর আগেই নিজ শরীরে হিজামা চিকিৎসা নিয়েছেন ও তার প্রিয় উম্মতকে এ চিকিৎসা নিতে উৎসাহ করে গেছেন

👉হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি,এটি রোগের জন্য চিকিৎসা, সুস্থ ব্যক্তির জন্য রোগ প্রতিরোধক।

👉প্রাচীনতম এ চিকিৎসা পদ্ধতিকে আধুনিক পরিভাষায় (Cupping Therapy) বলে।যেটা বাংলাদেশে এক সময় শিংগা নামে পরিচিত ছিল।

👉ইবনে আব্বাস রাঃ হতে বর্নিত নবী করিম (সঃ)বলেন, রোগমুক্তি তিনটি জিনিষের মধ্যে নিহিত,শিঙ্গা বা হিজামা লাগানো,মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি।
(বুখারী ৫৬৮১)

#হিজামা_যে_সকল_রোগের_জন্য_কাজ_করেঃ
👉হিজামা ইমিউনিটি ও নাইট্রিক অক্সাইড বুস্ট করে শরীরের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে,
👉হিজামা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ডিরেক্ট এন্টি ভাইরাল ইফেক্ট দেয়,
👉সুস্থ মানুষের জন্যেও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,
👉 অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এর নিয়ন্ত্রন করে,
👉ফুসফুসের শ্বাস প্রশ্বাস এর সাথে রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা সমন্বয় করে,
👉হাই প্রেসার বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে,
👉নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীকে প্রসারিত রাখে,
👉নাইট্রিক অক্সাইড অনাকাংক্ষিত ব্লাড ক্লট প্রিভেন্ট করে,
👉শরীরকে ডিটক্সিফাই করে,
👉রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে,
👉সৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে,
👉দেহের জীবনীশক্তি ও টেস্টোস্টেরন হরমন বৃদ্ধি করে তথা যৌনশক্তি স্বাভাবিক রাখে,
👉রক্ত, ত্বক, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে,
👉শরীরের চাবানী কামড়ানী ব্যাথা দূর করে,
👉দির্ঘ দিনের বাতের ব‍্যথা ভাল করে,
👉ডায়াবেটিস ও মুটিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ রাখে,
👉পুরাতন কোমরের ব‍্যাথা ও হাটুর ব‍্যথা ভাল হয়,
👉চুল পড়া ও মাইগ্রেন জনীত দীর্ঘমেয়াদী
মাথা ব‍্যাথা ভাল হয়,
👉ব্রন,মেসতা,ও রক্তদূষন ভাল হয়,
👉হরমোন ও মেয়েদের অন‍্যান‍্য সমস‍্যার জন্য কাজ করে,
👉কোলস্টোরলের সমস্যা দূর হয়,
👉ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)দূর করে,
👉চর্মরোগ Skin Diseases) ভাল হয়,
👉জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain) ভাল হয়,
👉ইউরিক এসিড বেশি বেরে গেলে,হিজামা করালে অতি দূত ইউটিক এসিডের লেবেল কমে আশে।
👉রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব ভাল হয়,
👉থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) ঠিক হয়,
👉 সাইনুসাইটিস (Sinuses problem)সহ
এ সকল সমস্যার স্থায়ী নিরাময় হয়, ইনশা-আল্লাহ।
👉মানসিক রোগ ভাল হয়।

#হিজামার_উপর_গবেষণার_ফলাফল
☘️দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের (Damascus University) সাবেক ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাবীল আল শরীফ এর অধীনে ২০০১ সালে হিজামার উপকারিতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারে বিজ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরীক্ষাটি ৩০০ জন ব্যক্তির উপর পরিচালিত হয়। পরিচালিত পরীক্ষায় নিম্নোক্ত তথ্যসমূহ বেরিয়ে আসে; যা হিজামার উপকারিতার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বহন করে-

১. উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।

২. নিম্ম রক্তচাপের ক্ষেত্রে রক্তচাপ বেড়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।

৩. ECG এর পূর্বের গ্রাফের তূলনায় পরের গ্রাফে তাৎপর্যপূর্ণ উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে।

৪. ESR কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।

৫. RBC এর সংখ্যা স্বাভাবিক হয়েছে।

৬. Polycythemia এর ক্ষেত্রে Hemoglobin কমে স্বাভাবিক হয়েছে।

৭. Hemoglobin স্বল্পতার ক্ষত্রে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক হয়েছে। এটি নতুন নতুন স্বাভাবিক RBC উৎপন্ন হওয়ায় ইংগিত প্রদান করে; যা শরীরের কোষ সমূহে অক্সিজেনের প্রবাহ বৃদ্ধি করে থাকে।

৮. হিজামা গ্রহনকারীদের ৬০% ক্ষেত্রে রক্তে Leukocyte বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় পৌঁছেছে।

৯. সকল Rheumatic রোগাক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে Neutrophil বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।

১০. রক্তের শ্বেতকণিকা (WBC) ৭১.৪% ক্ষেত্রে বেড়েছে। এটি প্রমান করে যে Rheumatic ও অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগ হিজামা করার পর সেড়ে গেছে।

১১. হাঁপানি রোগীদের ৮৩.৩% ক্ষেত্রে Neutrophil এর সংখ্যা বেড়েছে।

১২. হিজামা করানোর কারনে Neutrophil এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি কমে গিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে।

১৩. হৃদরোগীদের ৭৬.৯% ক্ষেত্রে Neutrophil সংখ্যা কমে স্বাভাবিক হয়েছে।

১৪. রক্তের Thrombocyte ৫০.৬% ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৫. অনুচক্রিকার স্বল্পতার সকল ক্ষেত্রে তা বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় পৌঁছেছে।

১৬. Essential Thrombocythemia এর ৫০% ক্ষেত্রে Thrombocytes কমে গিয়ে স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

১৭. ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের রক্তে চিনির পরিমাণ ৯২.৫% ক্ষেত্রে কমেছে।

১৮. রক্তের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত Creatinine ৬৬.৬৬ ক্ষেত্রে কমেছে।

১৯. সকল ক্ষেত্রে হিজামার মাধ্যমে বের হওয়া রক্তে Creatinine এর পরিমান খুবই বেশী ছিল।

২০. যেসকল রোগীদের রক্তে Creatinine বেশী ছিল, হিজামার পর তাদের ৫৭% ক্ষেত্রে রক্তে এর মাত্রা কমে গিয়েছিল।

২১. ৬৬.৬৬% ক্ষেত্রে রক্তে Uric acid এর মাত্রা কমে গিয়েছে।

২২. Uric acid বৃদ্ধির ফলে যেসকল অসুবিধা দেখা দিয়েছিল, ৭৩.৬৮% ক্ষেত্রে সেসকল অসুবিধা দূর হয়েছে।

২৩. যাদের রক্তে Urea level বেড়ে গিয়েছিল, তাদের মধ্যে ৮০% ক্ষেত্রে তা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

২৪. যাদের রক্তে SGPT বেড়ে গিয়েছিল, ৮০% ক্ষেত্রে তাদের উক্ত মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে গিয়েছে। এটি হিজামা করানোর দ্বারা যকৃতের কার্যকারিতা বৃদ্ধির ইংগিত বহন করে।

২৫. হিজামার পর কেন ECG এর উন্নতি হয়েছিল; SGPT এর নিম্নগামীতার মাধ্যমে তার ব্যাখ্যা পাওয়া গেল।

২৬. Alkaline phosphate এর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মাত্রা ৬২.৮২% ক্ষেত্রে কমে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমেছে।

২৭. ৫৪.৯% ক্ষেত্রে Amylase এর মাত্রা কমেছে।

২৮. সকল ক্ষেত্রে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত Albumin কমে স্বাভাবিক হয়েছে।

২৯. রক্তের বর্ধিত Cholesterol এর মাত্রা ৮৩.৬% ক্ষেত্রে কমেছে।

৩০. যাদের রক্তে Triglyceride অধিক ছিল, হিজামা করানোর পর তাদের ৭৫% ক্ষেত্রে তা কমেছে।

৩১. Ca, Na, K আয়নের মাত্রা ৯০% ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে।

৩২. বর্ধিত CPK ৬৬.৬৬% ক্ষেত্রে কমে স্বাভাবিক হয়েছে।

৩৩. হিজামার মাধ্যমে বের হওয়া রক্তে সকল RBC-ই ছিল অস্বাভাবিক আকৃতির। যেমনঃ Hypochromic, Burr, Target, Crenated, Spherocytes, Poikilocytes, Anisocytes, Schistocytes, Acanthocytes ইত্যাদি।

৩৪. বের হওয়া রক্তে Leukocyte এর সংখ্যা শিরার রক্তের ১০% এরও কম ছিল। এটি শরীরের Immunity রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান; যা হিজামার মাধ্যমে বের না হওয়ার ইংগিত বহন করে।

৩৫. ৬৬% ক্ষেত্রে রক্তে লৌহের ঘনত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

৩৬. প্রায় ৯৩% ক্ষেত্রে CPK এবং LDH স্বাভাবিক মাত্রায় ছিল।

৩৭. শিরার রক্তে TIBC এর স্বাভাবিক মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ২৫০-৩৭০ মাইক্রো গ্রাম। কিন্তু হিজামার মাধ্যমে বের হওয়া রক্তে TIBC এর মাত্রা ছিল প্রতি ডেসিলিটারে ৪২২-১০৫৭ মাইক্রো গ্রাম অর্থাৎ খুবই বেশী।
পরীক্ষাটি এই ইংগিত দেয় যে হয়তো এমন বিশেষ কোন কারণ রয়েছে; যার ফলে হিজামার কর্তিত অংশের মাধ্যমে পর্যাপ্ত লৌহ অণু বেরিয়ে আসতে পারেনা। বরং লৌহ অণুগুলো রক্তনালীতে রয়ে যায়; যাতে নতুন নতুন RBC উৎপাদনে ব্যবহৃত হতে পারে।

সুতরাং, উপরোক্ত Laboratory Test থেকে এটা দিবালাকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হিজামা গ্রহণের জন্য যে তাগিদ দিয়েছেন; তা সত্যিই আমাদের জন্য অত্যন্ত কল্যানকর।

🩸বিভিন্ন_রিসার্চ_থেকে_আরো_জানা_যায়_যেঃ কোন সুস্থ মানুষ যদি বছরে ২-৩ বার হিজামা থেরাপি নেন, তবে তিনি ৮০--৯০ ভাগ রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকবেন। তাই,সুস্থ্য-অসুস্থ্য যে কেউ এই চিকিৎসা অনায়াসেই নিতে পারে। নিয়মিত হিজামা নিলে অলসতা,অবসাদগ্রস্ততা বিদূরিত হয়,রোগজীবাণু সহজেই আক্রান্ত করতে পারে না, রক্ত পরিশুদ্ধ হয়,শরীর রোগ প্রতিরোধক্ষম হয়ে উঠে।
👉একটি সুন্নাহকে জিন্দা করার জন্য হলেও আমাদের প্রত্যেকেরই মাঝে মাঝে হিজামা থেরাপি নেওয়া উচিৎ।

শুধু তাই নয়,হিজামার উপকারিতা পেয়ে মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে বিশ্বসেরা অনেক সেলিব্রেটি নিয়মিত হিজামা করান। কিন্তুু আমরা মুসলিমরা আজ এই সুন্নাহ চিকিৎসা হারিয়ে ফেলেছি। এখনো আরবদেশ গুলোতে এই চিকিৎসা বিদ্যমান আছে।
তাই আসুন রাসূল (সাঃ) এর মৃত্যু প্রায় সুন্নাহ চিকিৎসা হিজামাকে পুনরুজ্জীবিত করি।

#হিজামা_সংক্রান্ত_কয়েকটি_সহিহ_সমূহ:

➡️হযরত জাবির (রাদি.) থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।”
সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২২০৫)

➡️মহানবী (সা.) বলেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’ (মুস্তাদরাকে হাকিমঃ৭৪৭০)

➡️ রাসূল (সা.)বলেন, ‘আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, ‘হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন’।’’ (তিরমিজি শরিফঃ২০৫৩)

➡️ মহানবী (সা.) বলেন, ‘গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (মুস্তাদরাকে হাকিমঃ৭৪৮২)

➡️ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হিজামাকারী কতই না উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।’
(তিরমিজি শরিফঃ২০৫৩)

➡️ হযরত জাবির (রাদি.) থেকে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।”
সহীহ মুসলিমঃ২২০৫)

বছরে ৩-৪ বার হিজামা করানো উত্তম। কারণ হিজামা মাধ্যমে অনেক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,
দেহের জীবনী শক্তি ও যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীরের রক্ত পরিষ্কার , ত্বক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, কিডনি, লিভার ও হার্ট পরিষ্কার করে
দেহের সব ধরণের ব্যথা দূর সহ হরমোন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

💢আসুন জেনে নেই মাথায় হিজামা করার ব্যপারে নবীকরিম সঃ কি বলেছেন!!👇

➡️ আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস (রা:) বর্ণনা করেন, রাসুলূল্লাহ সা: যখন ইহরাম অবস্থায় তখন একগুঁয়ে মাথাব্যথার জন্য হিজামা ব্যবহার করেন।
(সহীহ বুখারী /৫৭০১)

➡️সালমা (রা:) বলেন. যখন কেউ রাসুলুল্লাহ (সা:) এর নিকট এসে মাথাব্যথার কথা বলতেন,
তিনি তাদেরকে হিজামা লাগানোর কথা বলতেন ।
(আবু দাউদ ৩৮৫৮)

➡️ কালো যাদু বা কুফরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্য **
ইবনুল কাইয়ুম (রহ:) মন্তব্য করেন রাসুলুল্লাহ (সা:) যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হোন তখন তিনি মাথায় শিঙ্গা লাগান। এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিক ভাবে করা হয়। ( যাদুল মায়াদ ৪/১২৫-১২৬)

💢মাথায় হিজামা লাগানোর দ্বারা বিশেষভাবে কিছু রোগের উপকার হয় সেটা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হল💢

♦️নিয়মিত মাথায় হিজামা করালে চুল বৃদ্ধি পায়, চুল পড়া কমে, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়,
♦মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘ মেয়াদী মাথাব্যথা এবং সাধারন মাথাব্যথা ভাল হয়,
♦ উচ্চ রক্তচাপ,
♦ রক্তদূষন,
♦ঘুমের ব্যঘাত,
♦ স্মৃতি ভ্রষ্টতা,
♦ঘাড়ে ব্যথা,
♦সাইনুসাইটিস,
♦মানসিক সমস্যা,
♦চুল পড়া,
♦ মাদকাসক্তি,

➡️হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক চিকিৎসা এবং এর সাথে কোন মেডিসিন গ্রহণ করতে হয় না।

➡️ব্যাথার ঔষধ খেলে কিডনি, লিভার ড্যামেজ হবার প্রবল আশংকা থাকে। অথচ হিজামা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও নিরাপদ চিকিৎসা।

➡️ সুতরাং চিকিৎসাক্ষেত্রে হিজামার গুরুত্ব যে কত অপরিসীম তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
#আমাদের_সেবা_সমূহ
♦️হিজামা ড্রাই কাপিং,
♦️হিজামা ওয়েট কাপিং,
♦️হিজামা ফায়ার কাপিং,
♦️ফিজিওথেরাপি

👉আসার আগে কল করে সিরিয়াল নিশ্চিত করে আসবেন।

আমরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঢাকা সিটি,ধানমন্ডী,মিরপুর,উত্তরা নারায়ণগঞ্জ,মুন্সিগন্জ,গাজিপুর,জয়দেবপুর,টঙ্গী,কেরানীগঞ্জে,যাএাবাড়ী,মতিঝিল,সাইন বোর্ড,গুলশান,বনানী,গিয়ে হিজামা করি এবং বেশী ক্লাইন্ড হলে ঢাকার বাহিরেও আমরা হিজামার জন্য ট্রাভেলস করি।

প্রায়ই আমরা হিজামার উপর ডিসকাউন্ট বা অফার দিয়ে থাকি,তাই পেজের সাথে থাকুন ও সময় মত অফারটি লুফে নিন।

#যোগাযোগের_ঠিকানাঃ (প্রধান শাখা)
#যাত্রাবাড়ী ফিজিওথেরাপি এন্ড হিজামা সেন্টার
🏠১/১৯ স্বাধীনতা ভবন, শনিরআখড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, যাএাবাড়ী ঢাকা-১২৩৬

#দ্বিতীয়_শাখা
🏡চিটাগাং রোড,সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

#তৃতীয়_শাখা:
🏡 মহিমাগন্জ রোড,গোবিন্দগঞ্জ,গাইবান্ধা


মোবাইল: 01914-95 86 11
(Imo+Whatsapp)(bKash personal)
☎️০১৭৫১-৮৮৮ ৪৪৬
☎️০১৭৮০-৯২ ৫৩ ৬৪

#বিঃদ্রঃ মহিলাদের জন্য শরীয়া মোতাবেক পর্দার সাথে অভিজ্ঞ মহিলা হিজামা থেরাপিস্ট দিয়ে কাজ করানো হয়।চেম্বারে মহিলা আসলে মাহরাম সঙ্গে নিয়ে আসার বিনীত অনুরোধ থাকবে।

#হিজামা_বাংলাদেশ





,








Hijama is the best Alternative medicine treatment,
29/06/2022

Hijama is the best Alternative medicine treatment,

Address

Gobindaganj

5740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাইবান্ধা হিজামা সেন্টার - Gaibandha Best Hijama center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to গাইবান্ধা হিজামা সেন্টার - Gaibandha Best Hijama center:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share