Dr. Nuruddin Khandakar

Dr. Nuruddin Khandakar Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nuruddin Khandakar, Doctor, Rangpur Medical College Hospital, Rangpur.

08/01/2025

আগুন নিভাতে পানির প্রয়োজন হয়। জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি পেতেও সহায়ক হতে পারে পানি। সেটা হতে পারে কনকনে শীতে সালাত আদায়ের জন্য ব্যবহৃত অজুর পানি, অথবা আল্লাহর কাছে নিজের পাপমুক্তির জন্য ফেলা অনুতপ্ত চোখের পানি।

কিন্তু যদি এ দুটো পানির কোনোটার সাথেই আমাদের সম্পর্ক না থাকে, তাহলে জাহান্নামের আগুন নিভানোর জন্য আমরা আসলে কী প্রস্তুতি নিচ্ছি? ভেবে দেখা উচিত আমাদের।

01/07/2023
07/08/2022

আমাদের মন খারাপের অন্যতম একটা উৎস অন্য মানুষের খারাপ ব্যবহার। কিন্তু একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই এ মন খারাপ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করি। কেউ যদি আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে বা গালিগালাজ করে এতে মূলতঃ আমার কোনো ক্ষতি নেই। বরং তারই ক্ষতি। তবে আমি যদি তার খারাপ আচরণ বা গালিগালাজকে বেশি গুরুত্ব দিতে থাকি, সেটা নিয়ে বেশি ভাবতে থাকি তখন আমার মানসিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজকর্মেও ব্যাঘাত ঘটার সম্ভাবনা আছে।

এজন্য কেউ আপনার সাথে অন্যায়ভাবে খারাপ আচরণ করলে বা বাজে কথা বললে আপনি সেটাকে ইগনোর করুন। নিজের সব কাজ, সব দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করুন। এতে করে আপনার মানসিক কষ্ট অনেকাংশে কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

05/08/2022

আমাদের মনের চাওয়াগুলো পূরণ না হওয়ার পিছনে অন্যতম একটি কারণ হলো আমরা সঠিক জায়গায় চাই না। এ পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কিছুর মালিক তো আল্লাহ। সুতরাং ভালো লাগার বস্তু বা মানুষের পিছনে ছুটোছুটি না করে যদি ঐ বস্তু বা মানুষগুলোর প্রকৃত মালিকের কাছে ভালোভাবে চাওয়া যায়, তাহলেই কিন্তু কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি পাওয়া সহজ হয়। কিন্তু একে তো আমরা সঠিক জায়গায় সঠিক পন্থায় চাই না, এর পর আবার গুনাহ করে কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি পাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেই।

05/08/2022

প্রিয় কেউ মারা গেলে মনে হয় যে- যদি আবার বেঁচে উঠত!

সেটা তো আর সম্ভব না।

কিন্তু ঘুম নামক মৃত্যু থেকে যে আল্লাহ আমাদের প্রতিদিন বাঁচিয়ে তুলছেন, এখান থেকে শিক্ষা নিচ্ছি কোথায়? শিক্ষা নেয়া উচিত। হতে কি পারত না ওটাই আমার জীবনের শেষ ঘুম? আল্লাহ যে ঘুম থেকে জাগিয়ে আমাকে আরো একটা দিন দান করেছেন, এ দিনটার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে।

03/08/2022

ইভেনিং রাউন্ড শেষে ডাক্তারের রুমের দরজা বন্ধ করে কী মনে করে যেন আবার ওয়ার্ডে ঢুকলাম। একটা রোগী প্রচণ্ড কাঁপছে। শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু প্যারাসিটামল কিনে আনার মত কেউ নেই রোগীর সাথে। রোগীর সাথে যে বয়স্ক মহিলা আছেন উনি বেশি কিছু বোঝেন না। বাধ্য হয়ে আমি ঔষধ কিনে দিয়ে আসলাম। রোগীটাকে চার ব্যাগ রক্ত দিতে হবে। কিভাবে যেন এক ব্যাগ ম্যানেজ করেছেন। বাকি তিন ব্যাগ এখনো ম্যানেজ করতে পারেন নি এ অসহায় গরীব মানুষগুলো, আদৌ ম্যানেজ করতে পারবেন কি না আল্লাহ ভালো জানেন। রোগীটাকে হিউম্যান অ্যালবুমিন দিতে হবে ৩ বোতল। একেক বোতলের দাম সম্ভবত ৩৮০০ টাকার মত। এক ব্যাগ হয়তো মেডিকেলের সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে ম্যানেজ করে দেয়া যাবে। বাকি দুই বোতলের টাকা কোথায় পাবেন? এ রোগীটার অসহায়ত্ব দেখে আজ খুব কষ্ট পেলাম।

এর আগে একদিন নাইট ডিউটিরত অবস্থায় ওয়ার্ডে গিয়ে দেখলাম যে এক বয়স্ক মহিলার অবস্থা খুব খারাপ। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন স্যাচুরেশন চেক করে দেখলাম অনেক কম। সম্ভবত ৬৫% এরও নিচে। দ্রুত রোগীকে অক্সিজেন দেয়ার ব্যবস্থা করলাম। রোগীর এত খারাপ অবস্থা সত্ত্বেও ডাক্তারের রুমে গিয়ে ডাক্তার ডেকে আনার মত যোগ্য ও দায়িত্ববান কোনো লোক রোগীর সাথে নেই।

সরকারি মেডিকেলে এরকম অসহায় গরীব অসংখ্য রোগী ভর্তি হন। বিভিন্নমুখী সমস্যায় পড়তে হয় তাদেরকে। যেমন-

১.ঔষধ কেনা, টেস্ট করানোসহ বিভিন্ন কাজের জন্য লোকের অভাব।

২.কোনো কোনো রোগীর সাথে যে লোকজন আসে তারা কিছু বোঝে না। ডাক্তার হয়তো ঔষধ ঠিকভাবে লিখে দিয়েছেন। কিন্তু রোগী ঠিকভাবে ঔষধ খাচ্ছে না।

৩.বিভিন্ন ঔষধ কেনা ও টেস্ট করানোর টাকার অভাব।

৪.রক্ত দরকার হলে রক্ত ম্যানেজ করা কঠিন হয় তাদের জন্য।

৫.সুযোগসন্ধানী দালালরা বিভিন্ন কৌশলে এসব রোগীর কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে নেয়।

৬.দালালের খপ্পরে পড়ে বিভিন্ন মানহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টেস্ট করায়। ফলে ভুল রিপোর্ট আসার সম্ভাবনা থাকে। টাকাটাও অপচয় হয়ে যায়।

এ ধরণের আরো বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখী হতে হয় তাদের। এসব অসহায় রোগী বা এদের লোকজনের সাথে ২-১ মিনিট সুন্দর করে কথা বললেও এরা অনেক খুশি হয়ে যায়। এদের জন্য কিছু করা দরকার বলে মনে করি।

★আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গরীব-অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়াবেন সময় দিয়ে সহযোগিতা করার মাধ্যমে- এমন কিছু স্বেচ্ছাসেবক দরকার। রংপুর শহরে থাকেন এবং অসহায়দের সহযোগিতা করতে চান এমন কোনো আগ্রহী ভাই থাকলে আমাকে ইনবক্সে জানাবেন প্লিজ। হতে পারে আপনি প্রতিদিন ১-২ ঘণ্টা বা সপ্তাহে ১-২ ঘণ্টা সময় দিতে পারবেন সওয়াবের নিয়তে। তবুও জানাবেন প্লিজ।

★যারা আর্থিকভাবে গরীব রোগীদের সাহায্য করতে চান তারা জানাবেন প্লিজ।

★যারা রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করতে চান তারাও জানাবেন প্লিজ।

★কিভাবে কিভাবে গরীব-অসহায় রোগীদের সহযোগিতা করা যায়, কী কী কর্মপন্থা অবলম্বন করলে ভালো হয়, উপরের সমস্যাগুলোর সমাধান কিভাবে করা যায়, সাহায্য-সহযোগিতার ধারা যেন অব্যাহত থাকে সেজন্য কী কী করা যায় ইত্যাদি ব্যাপারে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পরামর্শ কামনা করছি। কমেন্টে বা ইনবক্সে পরামর্শ দিবেন প্লিজ।

সময়/অর্থ/রক্ত/পরামর্শ এ চারটার যে কোনো একটা দিয়ে হলেও পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি।

31/07/2022

মেডিকেলে ডিউটি করতে গিয়ে অনেক রোগী পাওয়া যায় পয়জনিংয়ের। আত্মহত্যা করার জন্য বিষ খায় তারা। তাছাড়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা, ট্রেনের নিচে লাফ দিয়ে আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন উপায়ে আত্মহত্যার অনেক খবর পাওয়া যাচ্ছে ইদানিং। এসব আত্মহত্যার পিছনে কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় হয়তো হতাশা, নয়তো কারো সাথে অভিমান, বা সম্মানহানির ভয়, অথবা কোনো কিছু না পাওয়ার বেদনা ইত্যাদি।

আমার কাছে মনে হয়েছে জীবনের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণে ভুল করার কারণেই মানুষ এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আমি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পাব আর মানুষ আমাকে বাহবা দিবে-এটার নামই কি জীবন? আমাকে আমার প্রিয় কোনো মানুষ কখনো কষ্ট দিবে না বা কখনো ভুল বুঝবে না-এটাই কি জীবন? আমি যেসব কাজে হাত দিব তার অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফল হওয়ার নামই কি জীবন? কোনো একটা বড় ভুল আমি করে ফেলেছি বলেই কি আমার জীবনের মূল্য শেষ হয়ে গেলো? মানুষ আমাকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কিছু বললেই কি আমার জীবনের মূল্য শেষ হয়ে গেলো? না।

আত্মহত্যা বা হতাশা থেকে বাঁচতে চাইলে আমাকে সবার আগে যে কাজটি করতে হবে সেটি হচ্ছে জীবনের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ। কী হবে সেটা? সেটি হচ্ছে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জন এবং এর পুরস্কার হিসেবে জান্নাত লাভ। এটা শুধু মুখে মুখে নয়, খুব শক্তভাবে হৃদয়-মনে লালন করতে হবে এটি। আমি একটা পরীক্ষায় ফেল করেছি, এতো তো আমার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায় নি, অতএব নো টেনশন। আমাকে মা-বাবা, ভাই-বোন বা প্রিয় কোনো মানুষ ভুল বুঝছে, কিন্তু এর দ্বারা তো আমার পরকাল নষ্ট হচ্ছে না, অতএব নো টেনশন। আমি একটা হারাম রিলেশনশিপে জড়িত ছিলাম, কিন্তু ব্রেক আপ হয়ে গেছে হঠাৎ, এতে তো আমার পরকালীন জীবনের কোনো ক্ষতি হয় নি, বরং উপকারই হয়েছে, অতএব নো টেনশন।

এখন কথা হচ্ছে, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার রাস্তায় কি কখনো হতাশা আসতে পারে না? জি, আসতে পারে। যেমন-আমি অনেক বড় একটা গুনাহ বারবার করে ফেললাম অথবা নামাজ ঠিকভাবে পড়তে পারছি না অথবা এত নিয়ত করেও তাহাজ্জুদের নামাজের জন্য উঠতে পারি না অথবা আল্লাহর কাছে অনেক দুআ করার পরও কবুল হচ্ছে না। এসব কারণেও হতাশা আসতে পারে এই ভেবে যে আমি মনে হয় আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারব না, আমি মনে হয় জান্নাতে যেতে পারব না। কিন্তু এ জাতীয় হতাশার সমাধানটা অত্যন্ত সহজ। কারণ আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হলে সেখান থেকে কামব্যাক করা অর্থাৎ ফিরে আসা অত্যন্ত সহজ, যেটা অন্য ক্ষেত্রে সহজ না। ধরুন, আমি একটা পরীক্ষায় ফেল করলাম। এখন এ পরীক্ষা আবার দিয়ে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে যদি আমার হতাশা দূর করতে চাই তাহলে মোটামুটি বড় একটা সময়ের প্রয়োজন আছে। কারণ এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হোক বা এডমিশন টেস্ট হোক বা এমবিবিএস ফাইনাল প্রফ হোক-এসব পরীক্ষা তো ছয় মাস বা এক বছর পরপর হয়। আবার আমার প্রিয় মানুষ আমাকে কোনো কষ্ট দিলো। আমি চাইলেই তো আর তার দেয়া কষ্ট দূর করতে পারব না। কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে যদি কখনো কোনো সমস্যা দেখা দেয় বা হতাশাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তবে সেখান থেকে ফিরে আসা এক মুহুর্তের ব্যাপার। আমি হয়তো খুব বড় কোনো পাপ করে ফেললাম, এর মাধ্যমে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হয়ে গেলেন, আর এটার চিন্তায় আমি হতাশ হয়ে গেলাম। সমাধান খুব সোজা। কারণ যে আল্লাহ গুনাহ করলে রাগ করেন, অসন্তষ্ট হন, সে আল্লাহই তওবা করলে অনেক খুশি হন এবং তওবাকারীকে ভালোবাসেন। যে গুনাহ ছিল আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ, তওবা করলে সেটিই যেন হয়ে গেলো আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার উছিলা। (তবে ইচ্ছাকৃতভাবে গুনাহ করতেই থাকব আর নামেমাত্র তওবা করব বিষয়টি এমন না। ভালোভাবে চলতে চলতে কখনো গুনাহ হয়ে গেলে খাঁটি তওবা করব, এরপর আবার কখনো গুনাহ করে ফেললে আবার তওবা করব, এভাবেই চলতে থাকবে আমরণ)।

আমি যে বিষয়টি বুঝাতে চাচ্ছি, জীবনের মূল লক্ষ্য যদি নির্ধারণ করি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, তখন বাকি বিষয়গুলোকে ঠুনকো মনে হবে। বাকি বিষয়গুলোতে কখনো ব্যর্থতা দেখা দিলেও সেটার জন্য আত্মহত্যা করতে মন সায় দিবে না। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনকে মূল হিসেবে রেখে দুনিয়াবী বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার জন্য আমি চেষ্টা করব, কিন্তু সফল না হলেও আমি চিন্তিত হব না। সুযোগ থাকলে ঐ বিষয়ে সফলতার জন্য আবার চেষ্টা করব, সুযোগ না থাকলে এ পর্যন্তই শেষ, ওটা নিয়ে আর ভাবব না। বরং সামনে আমার কী দায়িত্ব সেটা নিয়ে ভাবব। এভাবে চিন্তাভাবনা করলে আশা করি হতাশা কমানো সম্ভব।

Address

Rangpur Medical College Hospital
Rangpur

Telephone

+8801704218287

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nuruddin Khandakar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Nuruddin Khandakar:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category