Bando Global Co., Ltd.

Bando Global Co., Ltd. RMG TEXTILES IMPORT EXPORT

18/12/2025

**রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোতে ৬ মাসের ইন্টার্নশিপ—মাসিক ভাতা ১০,০০০ টাকা**

---

চাকরি খুঁজছেন? অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চান? তাহলে এই সুযোগটা আপনার জন্য।

**বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)** ছয় মাস মেয়াদি **ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন** আহ্বান করেছে।

---

# # # **ইন্টার্নশিপের বিবরণ**

📌 **প্রতিষ্ঠান:** রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)
📌 **মেয়াদ:** ৬ মাস
📌 **মাসিক ভাতা:** ১০,০০০ টাকা
📌 **সনদ:** ইন্টার্নশিপ শেষে সনদ প্রদান করা হবে

---

# # # **কারা আবেদন করতে পারবেন?**

✅ **যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিম্নলিখিত বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরা:**

- বিবিএ-এমবিএ
- অর্থনীতি
- পরিসংখ্যান
- লোকপ্রশাসন
- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

✅ **যারা বর্তমানে পরীক্ষায় অবতীর্ণ (Appeared):** সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন।

⚠️ **শর্ত:** স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের **দুই বছরের মধ্যে** আবেদন করতে হবে।

---

# # # **আবেদনের নিয়ম**

📧 **ই-মেইলে:** vc@epb.gov.bd

📮 **ডাকযোগে:**
সচিব, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
টিসিবি ভবন (৫ম তলা)
১ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫

📄 **জীবনবৃত্তান্ত (CV)** পাঠাতে হবে।

---

# # # **আবেদনের শেষ তারিখ**

🗓️ **১৫ জানুয়ারি ২০২৬**

---

# # # **পরীক্ষার তারিখ কীভাবে জানবেন?**

পরীক্ষার তারিখ ও সময় **ই-মেইল, ডাকযোগে অথবা মুঠোফোনে** জানানো হবে।

---

# # # **কেন এই ইন্টার্নশিপ করবেন?**

✅ **সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা।**
✅ **রপ্তানি উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্কে হাতেকলমে শেখার সুযোগ।**
✅ **মাসিক ১০,০০০ টাকা ভাতা।**
✅ **ইন্টার্নশিপ শেষে সনদ—যা আপনার CV তে মূল্য যোগ করবে।**
✅ **ভবিষ্যতে চাকরির জন্য নেটওয়ার্কিং।**

---

# # # **শেষ কথা—সুযোগ হাতছাড়া করবেন না**

যদি আপনি বিবিএ, এমবিএ, অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, লোকপ্রশাসন বা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন—এবং স্নাতক/স্নাতকোত্তর শেষ করার দুই বছরের মধ্যে আছেন—তাহলে **আজই আবেদন করুন।**

**শেষ তারিখ: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬**

---

** **
** **
** **
** **
** **
** **
** **
** **

15/11/2025

🇧🇩 বাংলাদেশের সমুদ্র বাণিজ্যে নতুন যুগের সূচনা — চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ 'গ্রিন পোর্ট' টার্মিনাল

বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্ববিখ্যাত APM Terminals BV (AP Moller–Maersk Group)–এর মধ্যে সই হলো ঐতিহাসিক ৩০ বছরের পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) চুক্তি।
এটি বাংলাদেশের বন্দরের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক।

📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর
🏗️ প্রকল্প: লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল
💰 বিদেশি বিনিয়োগ: প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ডলার

🌐 দেশ বদলে দেওয়া যেসব উন্নয়ন আসছে

🔹 বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রিন পোর্ট—পরিবেশবান্ধব টেকসই প্রযুক্তি
🔹 ২৪/৭ অপারেশন + নাইট নেভিগেশন—এখন রাতেও বড় জাহাজ চলাচল করবে
🔹 বৃহৎ কনটেইনার জাহাজ হ্যান্ডলিং ক্ষমতা—আসবে রিজিয়নাল ট্রানজিট সুবিধা
🔹 কনটেইনার হ্যান্ডলিং দ্বিগুণ বৃদ্ধি—দ্রুত লোড–আনলোড
🔹 ফ্রেইট খরচ কমবে—রপ্তানি হবে আরও প্রতিযোগিতামূলক
🔹 বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি—শিক্ষিত–দক্ষ–নতুন কর্মী নিয়োগ
🔹 গ্লোবাল শিপিং কানেক্টিভিটি দৃঢ় হবে—বাংলাদেশের বিশ্ববাণিজ্য আরও শক্তিশালী-

📣 এটা কেন বড় বিষয়?

এই প্রকল্পটি শুধু একটি টার্মিনাল নয়—
এটি বাংলাদেশের আগামী ৩০ বছরের বাণিজ্যিক সক্ষমতার ভিত্তি।
রপ্তানি বাড়বে, আমদানি সহজ হবে, এবং গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে বাংলাদেশ আরও শক্ত অবস্থানে দাঁড়াবে।
👉 আপনার মতামত গুরুত্বপূর্ণ!

🇧🇩 আপনি কি মনে করেন এই PPP চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে?
💬 আপনার মতামত কমেন্টে লিখুন।
🔁 পোস্টটি শেয়ার করুন, যেন আরও অনেকে জানতে পারেন আমাদের বন্দর উন্নয়নের নতুন অধ্যায়ের কথা।

""

14/11/2025

# 🇧🇩 বাংলাদেশের সমুদ্র বাণিজ্যে নতুন যুগের সূচনা — চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ 'গ্রিন পোর্ট' টার্মিনাল

বন্ধুরা, আজ আমি আপনাদের সাথে এমন একটি খবর শেয়ার করতে যাচ্ছি যা বাংলাদেশের অর্থনীতির ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই খবরটি শুধু চট্টগ্রামের মানুষের জন্য নয়, পুরো বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য গর্বের এবং আশার।

# # ঐতিহাসিক চুক্তি সই হয়ে গেছে

বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিপিং ও লজিস্টিক কোম্পানি APM Terminals BV (যা AP Moller–Maersk Group এর অংশ) এর মধ্যে একটি ঐতিহাসিক ৩০ বছরের পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরে নির্মিত হবে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং অত্যাধুনিক "লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল"।

এটি শুধু একটি টার্মিনাল নয়, এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ভবিষ্যৎ। এটি আমাদের দেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে।

# # কত বড় বিনিয়োগ আসছে?

APM Terminals এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা! এটি বাংলাদেশের বন্দর খাতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগ।

এই বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ দিয়ে কী হবে? আসুন বিস্তারিত জেনে নিই।

# # কেন এই প্রকল্প এত গুরুত্বপূর্ণ?

# # # ১. বাংলাদেশের প্রথম 'গ্রিন পোর্ট'

এই টার্মিনালটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পরিবেশবান্ধব বা 'গ্রিন পোর্ট'। এর মানে হলো:

- কম কার্বন নির্গমন
- পরিবেশবান্ধব যন্ত্রপাতি ব্যবহার
- আধুনিক ইলেকট্রিক ক্রেন এবং যন্ত্র
- ধোঁয়া ও দূষণ কমানোর প্রযুক্তি
- টেকসই উন্নয়নের আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ

বিশ্ব এখন পরিবেশ রক্ষায় সচেতন। আমাদের বন্দরও এখন সেই আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হবে।

# # # ২. ২৪/৭ অপারেশন এবং নাইট নেভিগেশন

এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে রাতের বেলা বড় জাহাজ চলাচল করতে পারতো না। কিন্তু লালদিয়া টার্মিনালে থাকবে:

- ২৪ ঘণ্টা কনটেইনার লোড-আনলোড সুবিধা
- রাতেও বড় কার্গো জাহাজ আসা-যাওয়া করতে পারবে
- সপ্তাহে ৭ দিনই পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ হবে

এর ফলে জাহাজগুলো আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে না। দ্রুত লোড-আনলোড মানে কম খরচ এবং দ্রুত ডেলিভারি।

# # # ৩. বৃহৎ কনটেইনার জাহাজ হ্যান্ডলিং

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে মাঝারি আকারের জাহাজ আসতে পারে। কিন্তু লালদিয়া টার্মিনালে আসতে পারবে:

- বিশাল কনটেইনার ক্যারিয়ার জাহাজ (Mother Vessels)
- একসাথে হাজার হাজার কনটেইনার বহনকারী জাহাজ
- আধুনিক পোস্ট-প্যানাম্যাক্স সাইজ জাহাজ

এর মানে, আমাদের আর ছোট জাহাজে করে মালামাল ট্রান্সশিপমেন্ট করতে হবে না। সরাসরি বড় জাহাজ আসবে, যাতে খরচ কমবে প্রায় ২০-৩০%।

# # # ৪. কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা দ্বিগুণ

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর বছরে প্রায় ৩০-৩৫ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডল করতে পারে। লালদিয়া টার্মিনাল যুক্ত হলে:

- প্রথম পর্যায়ে অতিরিক্ত ১৫ লাখ কনটেইনার ক্ষমতা
- পরবর্তীতে সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও বাড়বে
- মোট ক্ষমতা দাঁড়াবে ৫০+ লাখ কনটেইনারে

আমাদের গার্মেন্টস, চামড়া, পাটজাত, কৃষি পণ্য রপ্তানি বাড়ছে প্রতিবছর। এই বাড়তি ক্ষমতা আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

# # # ৫. ফ্রেইট খরচ কমবে উল্লেখযোগ্য হারে

এই টার্মিনালের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো:

- সরাসরি বড় জাহাজ আসায় ট্রান্সশিপমেন্ট খরচ বাঁচবে
- দ্রুত লোড-আনলোড মানে ডিমারেজ চার্জ কমবে
- আধুনিক সিস্টেমে সময় বাঁচবে
- কম খরচে রপ্তানিকারকরা বেশি প্রতিযোগিতামূলক হবে

বর্তমানে একটি কনটেইনার পরিবহনে যা খরচ হয়, তা প্রায় ১৫-২০% কমবে। এটা আমাদের রপ্তানিকারকদের জন্য বিশাল সুবিধা।

# # # ৬. বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি

এই প্রকল্প থেকে কর্মসংস্থান হবে বিভিন্ন পর্যায়ে:

**নির্মাণ পর্যায়ে (২-৩ বছর):**
- প্রায় ৫,০০০-৭,০০০ শ্রমিক নিয়োগ
- সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার
- বিভিন্ন সাপ্লাই চেইন সংশ্লিষ্ট কর্মী

**অপারেশনাল পর্যায়ে (দীর্ঘমেয়াদী):**
- সরাসরি ৩,০০০-৫,০০০ স্থায়ী চাকরি
- ক্রেন অপারেটর, লজিস্টিক ম্যানেজার
- কাস্টমস অফিসার, ডকুমেন্টেশন এক্সপার্ট
- আইটি ও সফটওয়্যার প্রফেশনাল
- নিরাপত্তা কর্মী

**পরোক্ষ কর্মসংস্থান:**
- ট্রাক ড্রাইভার, ফোরকলিফট অপারেটর
- প্যাকেজিং, ওয়্যারহাউসিং কর্মী
- আনুষাঙ্গিক ব্যবসা (হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ট্রান্সপোর্ট)
- মোট পরোক্ষ কর্মসংস্থান প্রায় ১৫,০০০-২০,০০০

এর মানে, চট্টগ্রাম অঞ্চলে হাজার হাজার পরিবারের ভাগ্য বদলে যাবে।

# # # ৭. রিজিয়নাল ট্রানজিট হাব

এই আধুনিক টার্মিনাল বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব বানাতে পারে:

- নেপাল, ভুটান, উত্তর-পূর্ব ভারতের মালামাল
- মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধি
- আসিয়ান দেশগুলোর সাথে সংযোগ
- চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের সাথে সংযুক্তি

ট্রানজিট বাণিজ্য থেকে বাংলাদেশ অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে।

# # # ৮. গ্লোবাল শিপিং কানেক্টিভিটি

APM Terminals হলো Maersk Group এর অংশ, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শিপিং কোম্পানিগুলোর একটি। এর মানে:

- বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়ায় সংযোগ
- Maersk এর গ্লোবাল নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের প্রবেশ
- নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য শিপিং রুট
- আন্তর্জাতিক মানের সেবা

এটা আমাদের রপ্তানিকারকদের জন্য বিশাল সুবিধা।

# # কীভাবে কাজ করবে এই টার্মিনাল?

লালদিয়া টার্মিনাল হবে সম্পূর্ণ আধুনিক এবং স্বয়ংক্রিয়:

**আধুনিক প্রযুক্তি:**
- সুপার পোস্ট-প্যানাম্যাক্স ক্রেন (বিশালাকার কনটেইনার ক্রেন)
- অটোমেটেড কনটেইনার হ্যান্ডলিং সিস্টেম
- রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ও মনিটরিং
- ডিজিটাল ডকুমেন্টেশন (পেপারলেস)
- এআই-চালিত লজিস্টিক ম্যানেজমেন্ট

**পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ:**
- ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড যন্ত্রপাতি
- সোলার প্যানেল ব্যবহার
- বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা
- কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা
- সবুজ এলাকা ও বৃক্ষরোপণ

**নিরাপত্তা:**
- আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান (ISPS Code)
- সিসিটিভি নজরদারি
- সাইবার সিকিউরিটি
- ফায়ার সেফটি সিস্টেম

# # PPP মডেল কীভাবে কাজ করবে?

এই প্রকল্প পরিচালিত হবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে:

**সরকারের ভূমিকা:**
- জমি প্রদান
- নীতি সহায়তা
- নিয়ন্ত্রক কাঠামো
- কাস্টমস ও নিরাপত্তা

**APM Terminals এর ভূমিকা:**
- সম্পূর্ণ বিনিয়োগ (৫৫০ মিলিয়ন ডলার)
- নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা
- অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ
- প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তর

**রাজস্ব বণ্টন:**
- সরকার পাবে লিজ ফি ও ট্যাক্স
- APM Terminals পাবে অপারেশনাল আয়
- ৩০ বছর পর সম্পূর্ণ টার্মিনাল সরকারের হবে

এটি একটি Win-Win পরিস্থিতি — সরকারের খরচ নেই, কিন্তু আয় আছে এবং দেশ পাচ্ছে বিশ্বমানের টার্মিনাল।

# # কিছু উদ্বেগ এবং তার সমাধান

কিছু স্থানীয় সংগঠন এবং ব্যবসায়ী গ্রুপ কিছু উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন:

**উদ্বেগ ১: বিদেশি কোম্পানিকে দীর্ঘমেয়াদী লিজ**

উত্তর: এটি সাধারণ PPP মডেল। বিশ্বের অনেক দেশেই এভাবে বন্দর পরিচালিত হয়। ৩০ বছর পর সম্পূর্ণ টার্মিনাল বাংলাদেশ সরকারের হয়ে যাবে — বিনা খরচে, আধুনিক সুবিধা সহ।

**উদ্বেগ ২: স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ক্ষতি**

উত্তর: বরং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। কম খরচে দ্রুত সেবা পেলে রপ্তানিকারকরা বেশি প্রতিযোগিতামূলক হবেন। এছাড়া, হাজার হাজার চাকরি সৃষ্টি হবে যা স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থ আনবে।

**উদ্বেগ ৩: পরিবেশগত প্রভাব**

উত্তর: এই টার্মিনাল 'গ্রিন পোর্ট' মান অনুসরণ করবে। পরিবেশ প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) সম্পন্ন হয়েছে এবং সব পরিবেশগত নিয়ম মানা হবে।

**উদ্বেগ ৪: জাতীয় নিরাপত্তা**

উত্তর: কাস্টমস, নিরাপত্তা, এবং নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ সরকারের হাতে থাকবে। APM শুধুমাত্র কনটেইনার হ্যান্ডলিং অপারেশন পরিচালনা করবে।

# # বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব

এই প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রভাব বিশাল:

**রপ্তানি বৃদ্ধি:**
- বর্তমান রপ্তানি: প্রায় ৫৫ বিলিয়ন ডলার
- লক্ষ্য ২০৩০: ১০০ বিলিয়ন ডলার
- এই টার্মিনাল সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক

**জিডিপিতে অবদান:**
- বন্দর দক্ষতা বাড়লে জিডিপি বাড়ে
- বিশ্বব্যাংক গবেষণা বলছে ১% বন্দর দক্ষতা = ০.৩% জিডিপি বৃদ্ধি
- এই প্রকল্প জিডিপিতে অতিরিক্ত ০.৫-১% যোগ করতে পারে

**বৈদেশিক মুদ্রা আয়:**
- রপ্তানি বৃদ্ধি
- ট্রানজিট ফি
- বন্দর সেবা চার্জ
- অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা আয়

**বিনিয়োগ আকর্ষণ:**
- ভালো বন্দর সুবিধা = বেশি বিদেশি বিনিয়োগ
- নতুন কারখানা স্থাপন সহজ
- সাপ্লাই চেইন উন্নত

# # অন্যান্য দেশের উদাহরণ

অনেক দেশ PPP মডেলে বন্দর উন্নয়ন করে সফল হয়েছে:

**শ্রীলঙ্কা - কলম্বো পোর্ট:**
- চীন Merchant Port Holdings পরিচালনা করে
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ট্রানজিট হাব
- শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি

**ভিয়েতনাম - Cai Mep Port:**
- APM Terminals পরিচালনা করে
- ভিয়েতনামের রপ্তানি বৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা

**সিঙ্গাপুর:**
- বেসরকারি কোম্পানি PSA পরিচালনা করে
- বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ বন্দর

**ভারত - মুন্দ্রা পোর্ট:**
- প্রাইভেট কোম্পানি Adani পরিচালনা করে
- ভারতের সবচেয়ে বড় কমার্শিয়াল পোর্ট

এই উদাহরণগুলো থেকে স্পষ্ট, PPP মডেল সফল এবং কার্যকর।

# # টাইমলাইন: কবে শুরু, কবে শেষ?

**২০২৫:**
- চুক্তি সই সম্পন্ন ✓
- প্রাথমিক সমীক্ষা ও পরিকল্পনা

**২০২৬-২০২৭:**
- নির্মাণ কাজ শুরু
- ভূমি উন্নয়ন
- প্রাথমিক অবকাঠামো

**২০২৮-২০২৯:**
- মূল টার্মিনাল নির্মাণ
- ক্রেন ও যন্ত্রপাতি স্থাপন
- কর্মী প্রশিক্ষণ

**২০৩০:**
- আংশিক অপারেশন শুরু
- প্রথম কনটেইনার হ্যান্ডলিং

**২০৩১-২০৩২:**
- পূর্ণ সক্ষমতায় অপারেশন
- সম্পূর্ণ টার্মিনাল চালু

**২০৫৫:**
- ৩০ বছর পূর্তি
- সম্পূর্ণ টার্মিনাল বাংলাদেশ সরকারের হস্তান্তর

# # আপনার কী জানা দরকার?

**যদি আপনি রপ্তানিকারক হন:**
- আগামী ৫ বছরে আপনার শিপিং খরচ কমবে
- দ্রুত ডেলিভারি সম্ভব হবে
- নতুন বাজারে প্রবেশ সহজ হবে

**যদি আপনি চাকরি খুঁজছেন:**
- হাজার হাজার নতুন চাকরির সুযোগ
- নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ
- আন্তর্জাতিক মানের কর্মপরিবেশ

**যদি আপনি ব্যবসায়ী হন:**
- নতুন ব্যবসার সুযোগ (ট্রান্সপোর্ট, ওয়্যারহাউসিং, সাপ্লাই)
- চট্টগ্রাম অঞ্চলে অর্থনীতি বৃদ্ধি

**যদি আপনি সাধারণ নাগরিক হন:**
- আমদানি পণ্যের দাম কমবে (কম শিপিং খরচ)
- দেশের উন্নয়নে অবদান
- ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শক্তিশালী অর্থনীতি

# # এটা কেন আমাদের সবার বিষয়?

অনেকে ভাবতে পারেন, "আমি তো ব্যবসা করি না, এটা আমার কীভাবে প্রভাবিত করবে?" উত্তর সহজ:

- যখন রপ্তানি বাড়ে, সরকারের আয় বাড়ে
- সরকারের আয় বাড়লে, উন্নয়ন বাজেট বাড়ে
- উন্নয়ন বাজেট বাড়লে, রাস্তা, স্কুল, হাসপাতাল তৈরি হয়
- চাকরি বাড়লে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে
- ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে, সব ব্যবসা ভালো যায়

এটা একটা চেইন রিঅ্যাকশন। বন্দর উন্নয়ন মানে পুরো দেশের উন্নয়ন।

# # রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র

এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে:

- বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল প্রেস রিলিজ
- চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি (CPA) ওয়েবসাইট
- APM Terminals অফিসিয়াল ঘোষণা
- Maersk Group কর্পোরেট নিউজ
- শিপিং মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
- PPP অথরিটি বাংলাদেশ
- প্রথম আলো, দৈনিক স্টার, বিডিনিউজ২৪
- বিশ্বব্যাংক পোর্ট পারফরম্যান্স রিপোর্ট
- এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) স্টাডি

সব তথ্য যাচাইকৃত এবং নির্ভরযোগ

 ---🌟 সারাকে হয়তো ক্যানাডায় দেখা যেত, তবে তাঁর মন এখন গাজীপুরে — বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে নতুন মঞ্চে তুলে দিচ্ছেন তিনি।ছ...
22/10/2025


---
🌟 সারাকে হয়তো ক্যানাডায় দেখা যেত, তবে তাঁর মন এখন গাজীপুরে — বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে নতুন মঞ্চে তুলে দিচ্ছেন তিনি।

ছয় বছরের বিদেশি জীবনের পর Sara ২০২১ সালে দেশে ফিরে এলেন। তাঁর বাবা প্রতিষ্ঠিত করেছিল Craftsman Footwear & Accessories Ltd.— গাজীপুরে এক কারখানা, চামড়া তৈরিতে অভিজ্ঞ শ্রমিক দল। কিন্তু Sara বলছেন, “কারখানা তো ছিল, কিন্তু চাওয়া ছিল নিয়মনীতি, ওইচেতনা (conscience)।”

কী কী করছেন Sara?

তাঁরা একদিকে বিদেশে রপ্তানির জন্য তৈরী করছেন চামড়ার জুতো ও অ্যাকসেসরিজ; অন্যদিকে দেশে নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করছেন যাতে বাংলাদেশিরাও গর্ব করে কিনতে পারে।

কারখানার পরিবেশ বদলে দেওয়া হয়েছে—মিউজিক বাজে, চায়ের বিরতি আছে, ও কর্মীদের জন্য ছোট পুরস্কারও দেওয়া হচ্ছে। নারী কর্মীর ছুটি, শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়োগসহ অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কৃতির দিকে এগোচ্ছে প্রতিষ্ঠান।

পরিবেশ-দৃষ্টিকোণেও উদ্যোগ নিচ্ছেন—চামড়া ফেলার পরিবর্তে রি-ইউজ করা হচ্ছে ব্যাগ, স্ট্র্যাপ ইত্যাদিতে; প্যাকেজিং স্বল্প ও বায়োডিগ্রেডেবল পছন্দ।

Sara বলছেন, “আমরা একটু ধীরে যাচ্ছি, দ্রুত ব্র্যান্ড হয়ে উঠছি না—তবে বিশ্বাস রয়েছে, মাটিতে দাঁড়িয়ে গড়ছি।”

কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
বাংলাদেশের চামড়া শিল্প বড় হলেও অনেক সময় আন্তর্জাতিক বাজারে ‘অনেক ভালো কিন্তু অজানা’ অবস্থায় ছিল। Sara এসব বদলে দিচ্ছেন—উৎপাদনের মান, কর্মসংস্থান, পরিবেশ সচেতনতা, ব্র্যান্ড-চিন্তা সব মিলিয়ে।
---





18/10/2025

ইন্না লিল্লাহ্
ঢাকা শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন |
কার্গো ভিলেজ স্টোরেজ এরিয়াল থেকে আগুনের সূত্রপাত।

👉গতকাল মিরপুরের রূপনগর শিল্প এলাকায় সংঘটিত অগ্নিবিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো পরিদর্শন করেন বিজিএমইএ ওয়ান ...
16/10/2025

👉গতকাল মিরপুরের রূপনগর শিল্প এলাকায় সংঘটিত অগ্নিবিস্ফোরণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো পরিদর্শন করেন বিজিএমইএ ওয়ান স্টপ সেলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া এর নেতৃত্বে বিজিএমইএ-এর একটি প্রতিনিধি দল। দুর্ঘটনাটি একটি ওয়াশিং কারখানা, একটি প্রিন্ট কারখানা ও একটি কেমিক্যাল গুদামে ঘটে এবং সেগুলো বিজিএমইএ-এর সদস্যভুক্ত কোনো তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান নয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ও আহত সকলের প্রতি বিজিএমইএ গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছে। পাশাপাশি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে বিজিএমইএ।👈

আসসালামু আলাইকুম।🫵সাধারণ ব্যবসায়ী, গার্মেন্টস, মার্চেন্ডাইজার বা ব্যাংক অফিসারদের জন্য দারুন এক খবর👇🇧🇩🤝🇲🇽 বাংলাদেশের পণ্...
16/10/2025

আসসালামু আলাইকুম।
🫵সাধারণ ব্যবসায়ী, গার্মেন্টস, মার্চেন্ডাইজার বা ব্যাংক অফিসারদের জন্য দারুন এক খবর
👇
🇧🇩🤝🇲🇽 বাংলাদেশের পণ্যে আগ্রহী মেক্সিকোর বৃহৎ ব্যবসায়ীরা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, প্রসাধনী, ইলেকট্রনিকস ও ফার্নিচারের গুণগতমান এখন মুগ্ধ করছে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোকে।
মেক্সিকোর অন্যতম বৃহৎ রিটেইলার প্রতিষ্ঠান “কোপেল (Coppel)” জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য সম্পর্ক গড়তে চায়।

🔹 বর্তমানে কোপেলের রয়েছে মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনাজুড়ে প্রায় ২,০০০টিরও বেশি স্টোর — যেখানে বিশ্বের নানা দেশের পণ্য বিক্রি হয়।
তারা এখন বাংলাদেশ থেকেই নিয়মিতভাবে রেডিমেড গার্মেন্টস, হোম ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী।

সম্প্রতি কোপেলের প্রতিনিধি মারিয়া এলেনা ক্যাস্টিলো ঢাকায় এসে কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন —

> “বাংলাদেশে তৈরি পোশাক ও কসমেটিকস আন্তর্জাতিক মানের এবং দামে বেশ সাশ্রয়ী।
আমরা ল্যাটিন আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের পণ্য নেওয়ার বিষয়ে খুবই আগ্রহী।”

📍 মারিয়া আল মুসলিম গ্রুপ (সাভার)-এর কারখানা পরিদর্শন করে পণ্যের মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখেছেন।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের কারখানাগুলোর মান ও উৎপাদন দক্ষতা অনেক উন্নত। এখানে তৈরি পণ্য সত্যিকারের গ্লোবাল লেভেলের।”

মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর উদ্যোগে এ ধরনের বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও বাড়ছে।
ব্যবসায়ী নেতারা মনে করছেন—
এই উদ্যোগ ল্যাটিন আমেরিকার বিশাল বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সুযোগ বাড়াবে এবং নতুন কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথ খুলে দেবে।

💬 আল মুসলিম গ্রুপের এমডি আব্দুল্লাহ বলেন—

> “ল্যাটিন আমেরিকা অনেক বড় ও জনবহুল বাজার।
মেক্সিকোসহ এই অঞ্চলে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা তৈরি হলে রপ্তানি অনেক বাড়বে।
দূতাবাসের সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে।”

🌎 বাংলাদেশ এখন শুধু এশিয়ার নয়, ল্যাটিন আমেরিকারও বাণিজ্যিক অংশীদার হতে যাচ্ছে।

---
এরকম গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল পোস্ট চাইলে এই পেইজটির সঙ্গেই থাকুন। শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।
📣আপনি আর কি ধরনের পোস্ট চান তাও জানান🤝

📣**🔥 বাংলাদেশের ইম্পোর্ট খাতে বড় খুশির খবর! 📈**  📢সবাইকে জানাই, বাংলাদেশে সেপ্টেম্বর মাসে লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) খোলা ...
16/10/2025

📣**🔥 বাংলাদেশের ইম্পোর্ট খাতে বড় খুশির খবর! 📈** 📢

সবাইকে জানাই, বাংলাদেশে সেপ্টেম্বর মাসে লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) খোলা হয়েছে ৬.৩ বিলিয়ন ডলারের মতো! এটা আগস্ট মাসের থেকে ১৭.২৯% বেড়েছে। গত আট মাস ধরে ইম্পোর্ট কমছিল, কিন্তু এখন আবার উঠে এসেছে। এটা আমাদের অর্থনীতির জন্য ভালো লক্ষণ।

চলুন, বিস্তারিত জেনে নেই। আমি সাধারণ ভাষায় বলছি, যাতে কমার্শিয়াল ডিপার্টমেন্টের কর্মী থেকে শুরু করে অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টের বাংলাদেশী কর্মচারীরা সহজে বুঝতে পারেন।

---

# # # **লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) কী?**
- 🏦 এলসি হলো একটা ব্যাংকের গ্যারান্টি, যা বিদেশ থেকে মাল আমদানি করার জন্য ব্যবহার হয়। এটা দিয়ে ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ইম্পোর্ট করতে পারেন।
- সেপ্টেম্বরে খোলা এলসির পরিমাণ: ৬.৩ বিলিয়ন ডলার।
- আগস্টে ছিল: ৫.৩৮ বিলিয়ন ডলার।
- জানুয়ারিতে ছিল সবচেয়ে বেশি: ৬.৮৪ বিলিয়ন ডলার।

এই বাড়তি হওয়ার কারণ? ব্যাংকগুলোতে ডলারের সাপ্লাই ভালো হয়েছে, আর বাংলাদেশ ব্যাংক সব ধরনের ইম্পোর্টের উপর কড়া শর্তগুলো শিথিল করেছে।

---

# # # **কী ধরনের মাল আমদানি হচ্ছে?**
- 🍚 ভোক্তা পণ্য (যেমন: খাবার-দাবার, দৈনন্দিন জিনিস)।
- 🌾 কাঁচামাল (ফ্যাক্টরিতে ব্যবহারের জন্য)।
- 🌱 সরকারি সার (কৃষির জন্য)।

ব্যাংকের একজন সিনিয়র অফিসার বলেছেন, প্রতি মাসে ৬ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা যথেষ্ট। কিন্তু আমাদের অর্থনীতি পুরোদমে চালু রাখতে আরও ২ বিলিয়ন ডলারের ইম্পোর্ট দরকার, মানে মোট ৮ বিলিয়ন।

---

# # # **কেন এখনো পুরোদমে বাড়ছে না?**
- 🗳️ ব্যবসায়ীরা পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের অপেক্ষায় আছেন। নির্বাচনের পর নতুন বিনিয়োগ বাড়বে, তখন ইম্পোর্টও বাড়বে।
- ⚙️ এখন ক্যাপিটাল মেশিনারি (বড় যন্ত্রপাতি) আমদানি কমছে, কারণ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার জন্য নতুন বিনিয়োগ কম।
- 💸 প্রাইভেট সেক্টরে ঋণ বাড়ছে না (আগস্টে মাত্র ৬% এর নিচে), যা গত ১০ বছরের সর্বনিম্ন। ব্যাংকগুলো নতুন লোন দেওয়ায় সতর্ক।

তবে, সেপ্টেম্বরে হঠাৎ বাড়ার একটা কারণ: ক্রিসমাস সিজন আসছে, যার জন্য ইম্পোর্ট বাড়বে এবং এক্সপোর্টের সাথে মিলবে।

---

# # # **বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ**
- 🌙 রমজানের আগে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সাপ্লাই নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে এলসি খোলার নির্দেশ দিয়েছেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
- ডলারের সাপ্লাই নিশ্চিত করা হবে।
- মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতি কমাতে প্রাইভেট ক্রেডিট গ্রোথ ৮% এর নিচে রাখা হয়েছে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৪-২৫)।

---

# # # **আরও ভালো খবর**
- 💰 রেমিট্যান্স (প্রবাসীদের পাঠানো টাকা) এবং এক্সপোর্ট আয় এই ফিসকাল ইয়ারে অনেক বেড়েছে।
- তাই ব্যাংকগুলোতে ডলার বেশি, যা আরও এলসি খোলার সুযোগ দিচ্ছে।

এই তথ্যগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসিক ইকোনমিক ইন্ডিকেটরস রিপোর্ট থেকে নেওয়া।

---

# # # **এলসি খোলার পরিমাণের সারাংশ টেবিল**

| **মাস** | **এলসির পরিমাণ (বিলিয়ন ডলার)** |
|-------------------|-----------------------------------|
| জানুয়ারি ২০২৫ | ৬.৮৪ |
| আগস্ট ২০২৫ | ৫.৩৮ |
| সেপ্টেম্বর ২০২৫| ৬.৩ |

---

এটা আমাদের অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের লক্ষণ! আপনার কী মনে হয়? কমেন্ট করুন, শেয়ার করুন। 📲
সব মিলিয়ে, ডলার সংকট কাটিয়ে আমদানিতে এই গতি ফেরাটা সবার জন্য স্বস্তির খবর। এর ফলে বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং শিল্পখাতও ধীরে ধীরে গতি পাবে বলে আশা করা যায়।

🫵আপনারা কি বলেন।

#বাংলাদেশ #অর্থনীতি
Sources
helpnet
.netcom

#বাংলাদেশঅর্থনীতি #ইম্পোর্ট #এলসি #ব্যাংকিং #রমজান #ক্রিসমাস #বাংলাদেশব্যাংক

10/10/2025

by أي قطعة بدينار الجبل الشمالي

🌿 ফেলনা আনারস পাতা থেকে ইউরোপ-আমেরিকায় যাচ্ছে ফাইবার সুতা! 🇧🇩✨ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের পাহাড়ি অঞ্চলে এখন ফেলনা আনারস পাতাই ...
10/10/2025

🌿 ফেলনা আনারস পাতা থেকে ইউরোপ-আমেরিকায় যাচ্ছে ফাইবার সুতা! 🇧🇩✨

ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের পাহাড়ি অঞ্চলে এখন ফেলনা আনারস পাতাই হয়ে উঠেছে রপ্তানির নতুন খনি! 🍍
যে পাতাগুলো আগে কোনো কাজেই লাগতো না, সেগুলো থেকেই এখন তৈরি হচ্ছে উচ্চমানের ফাইবার সুতা — যা পৌঁছে যাচ্ছে ইউরোপ ও আমেরিকার নামকরা ফ্যাশন ব্র্যান্ডে। 💫

এই সুতার নাম ‘পাইনা’ বা ‘পিনা ফাইবার’, যা একসময় ফিলিপাইনের ঐতিহ্যবাহী পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।
এখন আবারও বিশ্ব ফ্যাশন দুনিয়ায় এর দারুণ চাহিদা তৈরি হয়েছে। 👗👜

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া ও টাঙ্গাইলের মধুপুরের গ্রামে “মেসার্স রনি এগ্রো ফাইবার প্রসেসিং ফার্ম” হাতে-কলমে তৈরি করছে এই ফাইবার।
গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ প্রতিদিন আনারস পাতার তন্তু আলাদা করে, ধুয়ে, শুকিয়ে, মোম মেখে তৈরি করছেন মসৃণ ও টেকসই সুতা।

এই সুতা দিয়ে এখন তৈরি হচ্ছে ফ্যাশনেবল ব্যাগ, পোশাক, টেবিল ম্যাটসহ নানা বিলাসবহুল পণ্য। 🌸

👩‍🌾 কৃষকরা এখন ফলের পাশাপাশি আনারসের পাতা বিক্রি করেই বাড়তি আয় করছেন।
একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে রপ্তানি আয়ও বাড়ছে — যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনার আলো। 💚

🌎 যদি এই শিল্প আরও বড় পরিসরে গড়ে ওঠে, তবে আনারস চাষ বাংলাদেশের জন্য হতে পারে টেকসই রপ্তানি খাতের নতুন দিগন্ত।
🫵আপনার কি মনে হয়, লিখে জানাতে পারেন কমেন্টস এ
👇

#বাংলাদেশের_গর্ব 🇧🇩
#আনারস_পাতার_সুতা 🍍
#টেকসই_ফ্যাশন 👗


#ময়মনসিংহ #টাঙ্গাইল

♻️ টেক্সটাইল সেক্টরে নতুন দিগন্ত 🧵বিশ্বের প্রথম লিড প্ল্যাটিনাম সনদপ্রাপ্ত ডেনিম টেক্সটাইল মিল এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড এব...
30/09/2025

♻️ টেক্সটাইল সেক্টরে নতুন দিগন্ত 🧵
বিশ্বের প্রথম লিড প্ল্যাটিনাম সনদপ্রাপ্ত ডেনিম টেক্সটাইল মিল এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড এবার বর্জ্য কাপড় থেকে সুতা উৎপাদন শুরু করেছে!

📌 রাজধানীর মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী নতুন ‘Waste Fabric Recycling Plant’ চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
✅ প্রতিদিন উৎপাদন হবে প্রায় ১২ টন সুতা
✅ বিনিয়োগ: ২৩.৭ কোটি টাকা (৭০% ঋণ, ৩০% নিজস্ব অর্থায়ন)
✅ বছরে যোগ হবে প্রায় ৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয়

🌱 টেকসই টেক্সটাইল উৎপাদনে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।
👉 এতে শুধু ব্যবসায়িক সুবিধাই নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা আরও বাড়বে।

📊 কোম্পানির আশা, শেয়ারহোল্ডারদের জন্যও দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি মূল্য তৈরি করবে এই উদ্যোগ।

🔖

🌍 বাংলাদেশে আইএমএফের নতুন চাপআন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবার সরাসরি সীমা বেঁধে দিয়েছে— ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ...
29/09/2025

🌍 বাংলাদেশে আইএমএফের নতুন চাপ

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবার সরাসরি সীমা বেঁধে দিয়েছে— ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ৮.৪৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিতে পারবে। এর বেশি আর নেওয়া যাবে না।

🔹 কেন এই শর্ত?

২০২৩ সালে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের প্রোগ্রাম অনুমোদন করেছিল আইএমএফ।

পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলার।

সর্বশেষ ডেটা বিশ্লেষণে দেখা গেছে: বাংলাদেশের ঋণ পরিস্থিতি এখন আর "কম ঝুঁকির" পর্যায়ে নেই, বরং "মধ্যম ঝুঁকিতে"।

🔹 বর্তমান অবস্থা

বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১২.১৫ বিলিয়ন ডলার (≈১৩.৬৮ লাখ কোটি টাকা)।

ঋণ-রফতানি অনুপাত বেড়ে হয়েছে ১৬২.৭% (প্রাক্কলনের চেয়ে অনেক বেশি)।

শুধু জুনেই নেওয়া হয়েছে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ।

🔹 বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

অর্থনীতিবিদরা এটিকে বড় সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

প্রকল্প বাছাই ও বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি এবং সুশাসন নিশ্চিতের পরামর্শ দিচ্ছেন।

অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা ভবিষ্যতে অর্থনীতিকে বিপদে ফেলতে পারে।

🔹 সামনে কী অপেক্ষা করছে?

রিজার্ভ কিছুটা বেড়ে ২৬-৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ালেও তা যথেষ্ট নয়।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে, তবে বিনিয়োগ খাত স্থবির।

আইএমএফের বার্তা স্পষ্ট: নিজস্ব আয় না বাড়ালে বিদেশি ঋণ আর সমাধান নয়, বরং নতুন সংকট তৈরি করবে।

👉 আপনার মতে, বাংলাদেশ কি এখন থেকেই ঋণনির্ভরতা কমিয়ে রাজস্ব ও রফতানি বাড়ানোর দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত?

🔖

Address

Dhaka EPZ, Ganakbari, Dhaka, Bangladesh
Savar
1349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bando Global Co., Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram