31/03/2024
ঋতুরাজ বসন্তে রাত্রে একটু ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব আর দিনে গরম। সারাদেশে তাপমাত্রা বেড়ে চলেছে এবং এর সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাইরাস জ্বর, হিটস্ট্রোকসহ বিভিন্ন রোগ। #আবহাওয়া_পরিবর্তন ও #প্রচন্ড_গরমের কারণে #ভাইরাসজড়িত_জ্বরে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এ থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন বাড়তি সর্তকতা।
#ভাইরাস_জ্বর_কি ?
ভাইরাস জ্বর একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। ডেঙ্গু, জন্ডিসসহ নানা কারণে ভাইরাস জ্বর হতে পারে। ভাইরাসজড়িত কারণে মানুষ ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত। আবহাওয়া পরিবর্তন ও প্রচন্ড গরমে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
#ভাইরাস_জ্বরের_লক্ষণগুলো_কি_কি ?
সাধারণত ভাইরাস আক্রমণের দুই থেকে সাত দিন পর এই জ্বর হয়। এই জ্বর হলে শীত শীত ভাব, মাথা ব্যথা, শরীরে ও গিরায় ব্যথা, খাওয়ার অরুচি, ক্লান্তি, দুর্বলতা, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া, সারা শরীরে চুলকানি, অস্থিরতা ও ঘুম কম হওয়ার মতো লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে।
#ভাইরাস_জ্বর_প্রতিকারে_করণীয়_কি ?
ভাইরাস জ্বর সাধারণত তেমন কোনো ভয়াবহ রোগ নয়। তাই ভাইরাস জ্বর হলে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। চিকিৎসকের পরামর্শে ঔষধ সেবন করলে এই রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম প্রয়োজন। ভাইরাস জ্বর হলে খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। খাবারের মধ্যে ভিটামিন সি ও জিঙ্কযুক্ত খাবার প্রাধান্য দিতে হবে। সাবধানে চলাফেলা করতে হবে। গরম এড়িয়ে চলতে হবে। পরিশ্রমের কারণে শরীরে ঘাম দেখা দিলে অবশ্যই পরিস্কার করতে হবে। যারা কর্মসংস্থানের কারণে অধিকাংশ সময় অফিসের বাহিরে থাকতে হয় তারা অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করবে।
পোষাক হতে হবে অবশ্যই আরামদায়ক ও ঢিলেঢলা। যাতে খুব সহজে শরীরের ঘাম বের হয়ে যায়। বিশেষ করে যারা শ্রমিক, বাচ্চা এবং বয়স্কদের বাড়তি সর্তক থাকতে হবে। এছাড়া রাস্তার খোলা খাবার পরিত্যাগ করে হবে সঙ্গে সঙ্গে সম্ভব হলে বাড়িতে তৈরি খাবার গ্রহণ করতে হবে। তবে যারা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত হবে তাদের অবশ্যই কিছুক্ষণ পর পর শরীর পাতলা গামছা বা কাপড় দিয়ে স্পঞ্জ করতে হবে ও মাথায় পানি দিতে হবে। শরীর গরম হলেই থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মেপে ওষুধ খেতে হবে। জ্বর আক্রান্ত স্থায়িত্বকাল ৪-৫ দিন। তবে জ্বরের তীব্রতা বাড়লে অবশ্যই ডাক্তারের পরার্মশ নিতে হবে।
#সম্প্রতি_ভাইরাস_জ্বরের_আক্রান্তের_সংখ্যা_বাড়ছে ? কেন এমনটি হচ্ছে ?
মূলত ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে আবহাওয়ারও বেশ কিছু পরিবর্তন হয়। এ পরিবর্তনে রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ও মানবদেহে রোগ সৃষ্টিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়। অতিরিক্ত গরম, বাতাসের আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও পরিবেশ শরীরের জন্য অনুকূল নয়। যে কারণে আমাদের দেহ বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস জন্ম নেয়। শরীরে ভাইরাস দেখা দেওয়ার এক সপ্তহের মধ্য ভাইরাস জ্বর দেখা দেয়।
#ভাইরাস_জ্বরে_আক্রান্ত_ব্যক্তির_খাবারের_তালিকায়_কি_কি_খাবার_রাখা_ভালো ?
খাবারের তালিকায় অবশ্যই মৌসুমী ফল রাখতে হবে। যেমন- আনরস, আম কলা, খোসাযুক্ত ফলা খাদ্য তালিকায় রাখা ভাল। তরল জাতীয় খাবার যেমন, স্যুপ, ফলের শরবত, স্যালাইন, লেবুর শরবত, ডাবের পানি খেতে হবে। পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হবে। রোগীকে সব সময় মশারির নিচে রাখতে হবে। গলা ব্যথা থাকলে কুসুম গরম পানি খেতে হবে।
আমাদের এজিক সিরাপ সেবন করলে ভাইরাস জ্বরে অনেক উপকার পাবেন।
#সিরাপ_এজিক
(জ্বরনাশক, ঠান্ডা, হাম,গুটি ও জলবসন্ত এবং টাইফয়েড জ্বরে কার্যকর)
#বিস্তারিত
খাকসী, ওন্নাব, মৌরি, গাওজবান এবং অন্যান্য পরিমিত উপাদান দিয়ে তৈরি সিরাপ এজিক যা বিভিন্ন ধরণের জ্বর, হাম, গুটি ও জলবসন্ত এবং টাইফয়েড জ্বরে অত্যন্ত উপকারি। এটি মাথা ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, স্নায়ুবেদনা ও বাত ব্যথায় কার্যকরী।
#উপাদান
প্রতি ৫ মিলিতে জলীয় নির্যাস আকারে আছে-
খাকসী (Sisymbrium irio)………......২৫০ মিঃগ্রাম।
ওন্নাব (Zizyphus vulgaris)……………২৫০ মিঃগ্রাম।
মৌরি (Foeniculum vulgare)……..…২৫০ মিঃগ্রাম।
গাওজবান (Borago officinalis)…...…১৫০ মিঃগ্রাম।
অন্যান্য উপাদান পরিমাণমত।
সূত্রঃ বা.জা.ই.ফ. (শরবত খাকসী)
#নির্দেশনা
বিভিন্ন ধরণের জ্বর, হাম, গুটি ও জলবসন্ত, টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড ও জ্বরনাশকে কার্যকরী।
#সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্কঃ ১০-২০ মিঃলিঃ করে ঔষধ দিনে ২-৩ বার সেব্য।
অপ্রাপ্তবয়স্কঃ ২.৫-৭.৫ চা চামচ করে দিনে ২-৩ বার অথবা রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
#প্রতিলক্ষণ
কোন প্রতিনির্দেশ নেই।
#সতর্কতা
শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
#সংরক্ষণাগার
শুষ্ক ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করুন, সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন।
#পরিবেশনা ও মূল্য
১০০ মিলি..................... ৫০ টাকা
২০০ মিলি..................... ১০০ টাকা
৪৫০ মিলি.................... ২৫০ টাকা
আম্বার পেট বোতলে।
#পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
No significant side effect has been reported in therapeutic dosage.
প্রাকৃতিক (ইউনানী -আয়ুর্বেদিক) চিকিৎসা নিন,
সুস্থ জীবন উপভোগ করুন।
যোগাযোগ :
সিলেট বিভাগীয় পরিবেশক
আশরাফুল ল্যাবরেটরীজ,
মোবাইল : ০১৭১২-৪৮২৭৬৫, ০১৩১৬-১৫৫৫৭৫