Dr. Sukumar Sur Roy

Dr. Sukumar Sur Roy I'm a general physician, practicing at ibne sina Prime Diagnostic Centre, ullapara, Sirajganj.

I want to disseminate medical general knowledge to common people thereby update their health consciousness...

৩ মার্চ, ২০২৪।
03/03/2026

৩ মার্চ, ২০২৪।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ৩ মার্চ,২০২২,   বাংলাদেশের জন্য বড়ই গৌরবের দিন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেকানিক্যাল হার্ট ট্রা...
03/03/2026

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ৩ মার্চ,২০২২, বাংলাদেশের জন্য বড়ই গৌরবের দিন।
বাংলাদেশে প্রথমবারের মত মেকানিক্যাল হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন হয়েছে( কৃত্তিম হার্ট প্রতিস্থাপন) ।
প্রখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন প্রফেসর ডাঃ জাহাঙ্গীর কবিরের নেতৃত্বে রাজধানীর গুলশানস্থ ইউনাইটেড হাসপাতালে এই অসাধারণ কাজটি করা হয়েছে।
অভিনন্দন জানাই প্রফেসর জাহাঙ্গীর কবির।

আই সি ইউ (ICU)************আমি এই মুহূর্তে রাতে ঢাকা থেকে বগুড়াগামী বাসে বাড়ি ফিরছি। ধর্মঘট জনীত কারনে রাস্তা কিছুটা ফাঁক...
02/03/2026

আই সি ইউ (ICU)
************
আমি এই মুহূর্তে রাতে ঢাকা থেকে বগুড়াগামী বাসে বাড়ি ফিরছি।
ধর্মঘট জনীত কারনে রাস্তা কিছুটা ফাঁকা থাকায় বাসের গতি কিছুটা বেশি। স্বভাবতই খারাপ রাস্তায় ঝাঁকুনিও বেশি। যাত্রিরা কিছুটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে কেউ কেউ চেঁচামেচি করে চালকের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করছে।

আমি এসব বিষয়ে নির্বিকার, বরং উপভোগ করছি।

আমি যখন বাসে উঠেছি, তখনি আমার জীবন চালকের হাতে সঁপে দিয়েছি। চালককে আমি ধরে নিয়েছি যে তিনি দক্ষ। তার অদক্ষতার জন্য যদি আমার মৃত্যু হয় তার জন্য দায়ী থাকবে রাষ্ট্র। কারন কে দক্ষ আর কে দক্ষ নয় সেটা আমার জানার কথা নয়। দক্ষ বলেই সে চালকের লাইসেন্স পেয়েছে, ( অবৈধ ভাবে পেয়ে থাকলেও ) ।
তাই তার হাতে জীবন সঁপে দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় আছে বলে আমার জানা নাই।
বাসের ড্রাইভার কে তো নাগালে পাচ্ছি, কিন্তু বিমানের পাইলটের ব্যাপারে কী হবে,?

তাই আস্থা না রেখে উপায় নাই।

ইদানীং হাসপাতালের আসিইউ নিয়ে বিস্তর কথা হচ্ছে। শুধু দেশে নয় প্রতিবেশী দেশেও! আইসিইউ তে নাকি যা তা কান্ড ঘটছে! বাণিজ্যিক কারনে!

আই সি ইউ হচ্ছে এমন এক জায়গা যেখানে সর্বশেষ চিকিৎসা হয়। এমনকি চিকিৎসক রা যখন মনে করছেন ক্লিনিক্যাল ডেথ হয়ে গেছে তখনও আইসিইউ তে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া বা বাঁচিয়ে রাখার সর্বশেষ চেষ্টা করার সুযোগ আছে।
মনে রাখতে হবে, এটা ক্রিটিক্যাল একটা জায়গা। আর চিকিৎসা বিজ্ঞান এর এই শাখার নাম "critical medicine department"।
রোগী থাকে এখানে জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে।

অপারেশন থিয়েটারে আধুনিক পদ্ধতিতে যেভাবে একজন রোগী কে অজ্ঞান করে কৃত্তিম ভাবে তার শ্বাস প্রশ্বাস পরিচালিত করা সহ সব কিছু মনিটর করা হয়, একইভাবে আই সি ইউ তেও সব কিছু কৃত্তিম ভাবে চলে।
আর এর সব কিছুই পরিচালিত হয় ক্রিটিক্যাল মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রি ধারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা। মারা যাওয়ার পরেও সেখানে অবৈধ ভাবে বিল বাড়ানোর জন্য দীর্ঘক্ষণ জীবন্ত আছে বলে চালিয়ে দেওয়া সুযোগ নেই। কারণ অল্প সময়ের মধ্যেই পঁচন শুরুভহয়ে যাবে।
এখন বাসের ড্রাইভারের মত এইসব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের উপরেও যদি বিন্দুমাত্র আস্থা না থাকে, তাহলে চরম মুহূর্তে নিকটাত্মীয়কে আইসি ইউ তে না নিয়ে বাড়িতে রেখে তেল পড়া, ঝাড়ফুঁক, ইত্যাদি চালয়ে যাওয়াই ভাল।
( আসলে ড্রাইভারের দক্ষতা অদক্ষতা নির্ভর করে
বিআরটিএ অথরিটির উপরে। তাঁরা যদি ঘুষ খেয়ে অদক্ষ ড্রাইভারকে লাইসেন্স দিয়ে দেয় তাহলে তাহলে সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। একইরকম ভাবে একজন দক্ষ চিকিৎসকের লাইসেন্স দেয়ার ক্ষমতা থাকে বিএমডিসি কর্তৃপক্ষের। তাঁরাও যদি একই কাজ করেন সেখানেও সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট জতে বাধ্য। এভাবেই রাষ্ট্রের সমস্ত কার্যকম পরস্পরের উপরে নির্ভরশীল। আর সকল ক্ষেত্রে যথাযথ আইন মেনে কার্যক্রম পরিচালিত হলেই বলা যাবে যে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তখনই শুধু মব কালচার দূর হওয়া সম্ভব।

ডাঃ সুকুমার সুর রায়।

যুদ্ধ শুরু হল। ( Operation Epic Fury) । এক বিশ্বকেন্দ্রীক, একনায়কতান্ত্রিক যুদ্ধ। বিশ্বে একটি 'সোভিয়েত ইউনিয়নে'র অস্তিত্...
28/02/2026

যুদ্ধ শুরু হল। ( Operation Epic Fury) ।
এক বিশ্বকেন্দ্রীক, একনায়কতান্ত্রিক যুদ্ধ।
বিশ্বে একটি 'সোভিয়েত ইউনিয়নে'র অস্তিত্ব থাকলে এই যুদ্ধ শুরু হতে পারতো না।
মধ্যপ্রাচ্য কি মোড়লের পদানত হবে?
তারপরে রাশিয়া, চীন?
নাকি যুদ্ধ দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়বে?
তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সূচনা হবে?
তাহলে তো পরিনতি হবে ভয়াবহ!
আর যদি ধীরগতির দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ হয়?
তবুও ফলাফল ভয়াবহ।
নৌ ও বিমান যোগাযোগ ব্যাহত হবে।
জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাবে।
কৃষি ও শিল্প উৎপাদন কমে যাবে।
ব্যবসা বানিজ্য থেমে যাবে।
খাদ্য ও পন্য উৎপাদন ও পরিবহন থেমে যাবে।
ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয় দেখা যাবে।
প্রথম ও প্রধান শিকার হবে বাংলাদেশের মত গরীব দেশ।

বিমান ভ্রমনের তাজা খবর। (লিখিতং ফেব্রুয়ারি, ২০১৮।)  সকালে যাত্রা ভালোই শুরু হয়েছিলো।  আমরা যে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছি...
27/02/2026

বিমান ভ্রমনের তাজা খবর।
(লিখিতং ফেব্রুয়ারি, ২০১৮।)

সকালে যাত্রা ভালোই শুরু হয়েছিলো। আমরা যে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছি তার হাতে নাতে প্রমান পাওয়া গেল। বাসা থেকে স্মার্ট ফোনে 'উবারে' যোগাযোগ করতেই ড্রাইভার আব্দুল্লাহ তার মুখচ্ছবি, গাড়ির নম্বর, সম্ভাব্য ভাড়া, এবং আমার বাসায় পৌছাতে তার মাত্র পাঁচ মিনিট সময় লাগবে ইত্যাদি তথ্যসহ আমার ফোনের স্ক্রিনে ধরা দিলেন। সম্মতিসূচক বোতাম টিপে দিলে তিনি যথাকালে দোরগোড়ায় হাজির হয়ে আমাকে বিস্মিত করে তুললেন। অতঃপর অবর্ননীয় জ্যাম ঠেলতে ঠেলতে অলি গলি ঘুরে সুড়ুৎ করে গাবতলি বাস টার্মিনালে পৌছে দিয়ে একগাল আকর্ণ হাসি উপহার দিয়ে যেন - 'যে সমস্ত সিএনজি ড্রাইভার গন্তব্যে যেতে নিতান্ত অনিহা প্রকাশ করে থাকে এবং নিদারুন দুর্ব্যবহার করে থাকে তাদের গালে সজোরে চপেটাঘাত করলেন!

পাবনাগামী শাহজাদপুর ট্রাভেলসের কাউন্টারে উঁকিঝুঁকি মারতেই তেনারা সগর্বে বলে উঠলেন' -" এখনই নতুন এসি গাড়ি বিমানের মতো সিট 'পাবনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে তাত্তাড়ি টিকিট কেটে ল'ন।"
বললাম - ভাই, নন এসি গাড়ি নেই ? সদ্য ফাল্গুনের প্রথম বৃষ্টিপাত হয়েছে, ধূলা বালির কিছুটা হলেও প্রশমন ঘটেছে, গাছ পালা মাঠঘাট বৃষ্টির ছোঁয়ায় অনেকটাই সবুজ হয়ে উঠেছে, গাড়ির খোলা জানলা দিয়ে দুই চোখ মেলে সেই সব উপভোগ করবো, ফাল্গুনি বাতাসের ঝাপটা খাবো তা যদি কিছুটা ধুলি মিশ্রিত থাকে এবং মাথার চুল আঠালো করেও দেয় তাতেও কোন অসুবিধা নেই। বাড়ি যাচ্ছিতো! সাবান শ্যাম্পু দিয়ে স্নান করে দুপুরে বাড়ির খাবার খেতে পারবো,এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে!
" শাহজাদপুর ট্রাভেস'' - অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে মোবাইল ফোনে খাজুরে কথা বলতে বলতে নির্বিকার ভাবে বললেন - " নন এসি গাড়ি এর পরে আছে, বিমানের মত এসি গাড়িতে আরামে তাত্তাড়ি বাড়ি যেতে চাইলে তাত্তাড়ি টিকিট নেন, অনলাইনে সব টিকিট বুক হয়ে গেল বলে। অগত্যা দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে দুই খানা বিমানের' সিট কিনে স্ত্রীকে নিয়ে লাউঞ্জে বসে রইলাম।
অত:পর বিমান এলো। ক্রুগন বিমানে আরোহন করার জন্য হাঁক ডাক শুরু করে দিলেন।
বিমানে উঠে সত্যিই সত্যিই ঘাবড়ে গেলাম! এযে সত্যিই বিমানের মতই বটে। ব্যাগ ব্যাগেজ রাখবার কেবিন খুলতে গিয়ে নাস্তা নাবুদ হতে হলো। পাশের বিশাল বপু ভদ্রলোক যথেষ্ট সহযোগীতা করলেন এমনকি অনেক কিছু শিখিয়ে পড়িয়ে দিলেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতার অন্ত রইল না। কিছুক্ষন পরে অবশ্য মনে হতে লাগল, বিশাল বপুকে কোথায় যেন দেখেছি! হ্যাঁ, মনে পড়েছে! তিনি স্কয়ার ফার্মা কোম্পানির উর্ধতন মার্কেটিং কর্মকর্তা । তিনি আমাকে চিনতে পারেন নাই। তাতে যথেষ্ট মঙ্গল হয়েছে। তাঁর সাথে প্যাঁচাল চলতে থাকলে এই লেখালেখির প্রতি অখন্ড মনোযোগ নিঃসন্দেহে বিঘ্নিত হতো।
বিমানে উঠবার কিছুক্ষন পরেই এক বোতল জল ও একখানা দৈনিক খবরের কাগজ সরবরাহ করা হল । প্রথমে ভেবেছিলাম খবরের কাগজ কোন পত্রিকার হকার দিচ্ছে। পয়সা দিয়ে 'ফকা মার্কা ' পত্রিকা কিনবো না বলে তা প্রত্যাখ্যান করতে চেয়েছিলাম। যখন বুঝলাম বিমান কোম্পানি সরবরাহ করছে বিনামুল্যে, তখন মাগনা আলকাতরা খাবো বলে তা একেবারে লুফে নিলাম।
অত:পর যাত্রা শুরু হলো।
প্রথমে ভালই গতিতে উড়াল দিলো। পর্দা সরিয়ে কাঁচের জানলা ভেদ করে বাইরের বৃষ্টিস্নাত গাছ গাছালি দেখতে লাগলাম। আমার স্ত্রীও নন এসি বাস ও ধুলার বদলে নতুন এসি বাসের নরম গদিযুক্ত সিটে বসে আহ্লাদিত হয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই আরামের ঘুমে ঢুলে ঢুলে পড়তে লাগল। কিছু সময় পরে আমারো চক্ষু মুদে আসতে লাগল। ভাগ্য অতীব ভালো যে গাবতলি বিমান বন্দরে অসাধু পরিবহন শ্রমিকদের খপ্পরে পড়ে নাস্তা নাবুদ হতে হয় নাই। বাড়ি হতে বের হয়ে ডিজিটাল ' উবার' সার্ভিসের' আব্দুল্লাহ ড্রাইভারের স্মিত হাসি, উবার হতে নেমেই "শাহজাদপুরট্র‍্যাভেলস" এর স্ক্যানিয়া এসি গাড়িতে উঠে 'বিমানের 'স্বাদ আস্বাদন করতে করতে মনে হতে লাগলো , আহা! দেশ অনেক এগিয়ে গেছে! আমরা সত্যিই ডিজিটাল জমানায় প্রবেশ করেছি! খুব শিগগীরই আমরা ' উচ্চ মধ্যবিত্ত দেশ' হিসেবে নিজেদের পরিচয় পাকাপোক্ত করতে চলেছি।
যারা নিম্নবিত্ত থাকবে তারাও 'উপচে পড়া ' অর্থনীতির সুফল ভোগ করতে থাকবে... এইসব সুন্দর আশার কথা ভাবতে ভাবতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।
হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গলো শাহজাদপুরের জব্বার ভাইয়ের কর্কশ ফোনের শব্দে! তিনি বেমক্কা জিজ্ঞেস করলেন, " দাদা, বাড়িতে পৌছেছেন?"
হঠাৎ ঘুম ভেঙে ঠাহর করা যাচ্ছিল না ঠিক কোথায় আছি! প্রথমে ঘড়ি দেখলাম। বিকাল তিনটা বাজে। দশটায় বিমানে চেপেছি। পাঁচ ঘন্টা সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। তবে কি ঘুমের ঘোরে আমার বাড়ি পাড় হয়ে গিয়েছি? দেখলাম বিমান মাটিতে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে সাইনবোর্ড খুঁজতে লাগলাম। স্পষ্ট অক্ষরে লেখা সাইনবোর্ড দেখতে পেলাম - " মা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট " আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা!
কী আশ্চর্য কথা!পাঁচ ঘন্টা বিমান ভ্রমণ করার পর মাত্র চল্লিশ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছি?
" মা হোটেলের " সাইনবোর্ড এবং সেই সাইনবোর্ডে গরু, ছাগল, মুর্গী ও কাতল মাছের ছবি দেখে পেটের ক্ষিধা চাগাড় দিয়ে উঠলো। বাড়িতে পৌছে লাঞ্চ করার কথা ছিল।বিকালে চেম্বারে বসবো বলে ইতিমধ্যে দুই একজনকে বলে দিয়েছিলাম । জব্বার ভাই ফোনে বললেন- বাড়িতে গিয়ে ডিনার 'করতে পারলে তাকেই ভাগ্য বলে মেনে নিতে হবে।'
একথা শুনে পেটের ভিতরে আরো বেশি মোচড় দিয়ে উঠল।
বোঝা গেল, বিমান টেকঅফ করে নাই - মাটি দিয়ে যাচ্ছে! সকাল বেলার ' উবারের ড্রাইভার ' আব্দুল্লাহর ডিজিটাল স্মিত হাসি' ক্রমেই মলিন হতে হতে হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে লাগল।
--- সুকুমার সুর রায়।

আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ- চিহ্ন! আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন। আমি চির বিদ্রোহী - বীর-আমি বিশ্ব ছা...
26/02/2026

আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ- চিহ্ন!
আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন।
আমি চির বিদ্রোহী - বীর-
আমি বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির উন্নত শির!

মৃত্তিকার ঘ্রান ____'বসন্ত বাতাস' __ আমাদের ছোট বেলায় শীতকাল ছিল খুব কঠিন কাল। আজকের দিনে যেমন নানা রকম শীতবস্ত্রের নাম ...
25/02/2026

মৃত্তিকার ঘ্রান

____'বসন্ত বাতাস' __


আমাদের ছোট বেলায় শীতকাল ছিল খুব কঠিন কাল।
আজকের দিনে যেমন নানা রকম শীতবস্ত্রের নাম শোনা যায় - সোয়েটার, জ্যাকেট, ব্লেজার, কার্ডিগ্যান ইত্যাদি, তখনকার আমলে আমরা এসব কোন কিছুর নাম জানতাম না।
শহরে হয়তো এসব কম বেশি ছিল। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য! অজ গ্রামে জন্ম হওয়ায় এসব জানার কোন সৌভাগ্য আমাদের ছিল না।
আমাদের বলছি এই কারনে যে, সমগ্র দেশটাই ছিল প্রকৃতপক্ষে একটি বড় গ্রাম!
তাই যদি না হবে জীবনে প্রথম যখন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থায় চাকরি করতে গেলাম, তখন 'বস' যিনি ছিলেন একজন আমেরিকান ভদ্রলোক, 'ডঃ জন ক্লিমেন্স, একদিন কথা প্রসঙ্গে বলে বসলেন-- " হোল বাংলাদেশ ইজ এ বিগ ভিলেজ এন্ড ঢাকা ইজ দ্য হাটখোলা"।
সে যাই হোক, সোয়েটার, ব্লেজার না থাকুক; শীত নিবারনের জন্য আমাদের ছিল এক ধরনের গায়ের কাপড় বা চাদর। আমরা চাদর বললেও গ্রামের সবাই বলতো - 'গেলাপ'।
সেই 'গেলাপ ' গায়ে দিয়ে শীত নিবারন করা ছিল খুব কঠিন। কারন অনেক ছোট বেলায় ' গেলাপ' ম্যানেজ করা ছিল আরো কঠিন।
একদিক গায়ে দিতে গেলে আরেক দিক ঝুলে পড়ে যেত। তখন বাধ্য হয়ে আমাদের মমতাময়ী মা গায়ের চাদরটি পেঁচিয়ে দিয়ে ঘাড়ের পেছনে একটি গিট্টু মেরে দিতেন। আমরা চাদরের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে বাড়ির এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াতাম আর রোদের অপেক্ষায় থাকতাম।
ভোরবেলায় সহজে লেপের ওম ছেড়ে বাইরে বের হতে মন চাইতো না।
বের হলেও 'গেলাপ' গায়ে পেঁচিয়ে নিয়েও মাঘের কিটকিটানি ঠান্ডায় কাঁপতে হত। তখন ভরসা ছিল উঠানের এক কোনায় ঠিকি করে রাখা মালের কাঁটা।
মালের কাঁটায় আগুন দিয়ে আমরা গোল হয়ে বসে আগুন পোহাতাম ।
আবার আনন্দও ছিল। পৌষ সংক্রান্তিতে নানা রকম পিঠা পুলি পায়েসের আয়োজন হত। আগুন তাফাতে তাফাতে কিংবা রোদে পিঠ দিয়ে বসে পিঠা খাওয়া হত। কোন কোন সকালে গরম ভাতের সাথে ঘি, আলু ভর্তা, অথবা শীতে জমে যাওয়া উপরে সড় পড়া বিলের সরপুঁটি মাছ ফুলকপি সহযোগে বড়ই উপাদেয় ছিল।

এভাবেই একদিন চলে আসতো শ্রীপঞ্চমী তিথি।
স্বরস্বতী পুজার দিনে আবহাওয়া অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে যেত।
এর কয়েকদিন পরেই চিরাচরিত বসন্তের আগমন ঘটতো।
তবে আজকের দিনের মত ঘটা করে নয়। আমরা কখনো হলুদ রঙের পাঞ্জাবি পরি নাই, বকুল তলায় বসন্ত বরণের কথা কখনো শুনি নাই। ফুল যে বেঁচা -কেনা হতে পারে তাও জানা ছিল না।

শীতের শেষের দিকে হঠাৎ খেয়াল হত,কেন যেন আর ' গেলাপ ' গায়ে দেয়া লাগছে না। রোদের তেজ হঠাৎই যেন বেড়ে গেছে! বেশি দৌড়াদৌড়ি করলে গা'টা চিটমিট করতো।
বাড়ির দক্ষিন পাশের খেতে শীতের সবজিগুলির গাড় সবুজ রঙ পরিবর্তন হয়ে গেছে।
সেই সব সবজিতে ফুল দেখা যেত।
মূলার ফুল, পেঁয়াজের ফুল, ধনেপাতার ফুল ফুটে বের হত। সেই সব নানান জাতের সব্জি ফুলে দেখা যেত রঙিন প্রজাপতিরা উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে এ ফুল থেকে সে ফুলে চড়ে বেড়াচ্ছে মনের আনন্দে!
বাড়ির গাছ গাছালির দিকে তাকালে দেখা যেত হঠাৎ কেমন করে যেন আমগাছে মো'ল এসেছে, কাঁঠালের মুচি গুলি বড় হয়ে গেছে। সজনের ডালগুলি হঠাৎ সাদা ফুলে ঢেকে গেছে। হলুদ বুলবুলি পাখিটি কোথা থেকে এসে সজনের ডালে বসে চঞ্চল হয়ে এদিকে ওদিকে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে।

পুকুরের চারিদিকের আমগাছ মুকুলে ছেয়ে গেছে। মেঠোপথের দুই ধারে বুনো মান্দার গাছ ফুলে ফুলে ঢেকে গেছে। দূরের শিমুল গাছ কেমন লাল ফুলে নিজেকে মুড়িয়ে নিয়েছে।
হঠাৎ কোথা থেকে এক দমকা পশ্চিমা ঝামাইল বাতাস ঘুর্নি দিয়ে এসে ঝরা পাতা উড়িয়ে নিয়ে গেল।
কচিপাতার কোন গোপন ডালে বসে কোকিল গেয়ে উঠলো - কু.. উ.. উ।
আগের রাতের এক পশলা বৃষ্টিতে মাটির পোমের গন্ধ বুনোফুলের গন্ধে একাকার হয়ে মিশে গেল।
মনের গোপন কোনে সহসাই এক 'মন কেমন করা ' ভাবের উদয় হল।
মন থেকে 'শরীরের আপাদমস্তক ' এক শির শিরানি অনুভূতি ঢেউ খেলে গেল!

এইটিই - 'বসন্ত বাতাস ' কিনা জানা নাই। তবে আজকের অতিমাত্রায় কৃত্তিম ও বানিজ্যিক 'বসন্ত বাতাসের ' সাথে তার আদৌ কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।।

সুকুমার সুর রায়।।

ঢাকা বইমেলা, ২০২৩।
19/02/2026

ঢাকা বইমেলা, ২০২৩।

10/02/2026
চুম্বলী বরই। এঁদো ডোবাটির ঠিক ওপারেছোনের ঘরের সোলার বেড়াতার উত্তরে বাঁশের আড়া গরুর গোরার, শূন্য বেড়া দক্ষিনে তার গোয়াল ঘ...
31/01/2026

চুম্বলী বরই।

এঁদো ডোবাটির ঠিক ওপারে
ছোনের ঘরের সোলার বেড়া
তার উত্তরে বাঁশের আড়া
গরুর গোরার, শূন্য বেড়া
দক্ষিনে তার গোয়াল ঘরে।

বরই গাছটি আছে হেলে
নুইয়ে আছে ঝাঁকড়া ডালে
সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে
লালচে হলুদ বরই দোলে
ঢেকে আছে কুয়াশা চাদরে।

সেই ঘরেতে বসত করে
আজও তারেই মনে পড়ে
নামটি তাহার 'হুসনে আরা'
আজও গাছে বরই ধরে
তাহার কথাই মনে পড়ে।

বিয়ান বেলা পউষ মাসে
নেউরে ভেজানো ঘাসে ঘাসে
মাটিও ভেজা, পাতাও ভেজা
টাপুর টুপুর শিশির ঝরে
লালচে হলুদ বরই ঝরে।

সেই শীতের সকাল বেলায়
যাই লুকিয়ে বরই তলায়
কাহার আশায় কী যে নেশায়
চুম্বলী বরই! 'হুসনে আরা'!
জীবনের ছয় দশকের পরে
আজ তাহার কথাই মনে পড়ে।

সুকুমার সুর রায়।

31/01/2026

I got over 100 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

Address

Thana Mor, Ullapara
Sirajganj
6760

Opening Hours

Monday 09:00 - 14:00
17:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 14:00
17:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 14:00
17:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 14:00
Friday 09:00 - 14:00
Sunday 09:00 - 14:00

Telephone

+8801711301759

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sukumar Sur Roy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category