The Toukir Space

The Toukir Space Creative storyteller exploring unique perspectives, crafting engaging content, and conversations.
(4)

30/03/2026

নিম্নবর্গের সাংবাদিকতা ও তাজু ভাই
আরবানদের সংকট কোথায়?

১. স্থানীয় রাস্তাঘাটের অবস্থা নিয়ে আগের মতো মিডিয়াতে তেমন রিপোর্ট হয় না। আর যদি গ্রামের হয়, তাহলে তো প্রশ্নই ওঠে না সেটা নিয়ে মিডিয়া রিপোর্ট করবে। তাজু ভাই এলাকার লোকদের ধরে ধরে জিজ্ঞাসা করছেন, এলাকার কোন রাস্তাটি খারাপ। স্থানীয়রা সেটাতে মন্তব্য করছেন, নিজেদের ভোগান্তির কথা বলছেন।

তাজু ভাই শেষে বলছেন, নতুন সরকার, নতুন এমপি; এই সড়কগুলো যেন তারা ঠিক করে দেয়।

২. একই বিষয়ে আরেকটা কনটেন্ট তাজু ভাইয়ের দেখলাম। একটা এলাকার মানুষ নৌকায় উঠছে, মোটরসাইকেলও নৌকায় তুলছে। নৌকায় উঠতে যে কষ্ট হচ্ছে, সেটা তাজু ভাই তাঁর ভিডিওচিত্রে ফুটিয়ে তুলেছেন।

এটাও কুড়িগ্রামের নারায়ণপুর ইউনিয়নের যোগাযোগের করুণ দৃশ্যকে তুলে ধরেছে।

৩. কুড়িগ্রাম থেকে ট্রেনে কখন যেতে হবে, সেই সময়সূচির ওপর তাজু ভাইর একটি ছোট কনটেন্ট আছে। সেটা গরিব মানুষের জন্য দরকারি।

৪. রাজমিস্ত্রির শ্রমিকদের নিয়ে তাজু ভাইর একটি কনটেন্ট আছে। সেখানে তিনি দেখাচ্ছেন, শীতের রাতে শ্রমিকেরা কীভাবে কাজ করছেন; পেছনে আগুন জ্বালিয়ে কাজ করছেন। তাজু ভাইর এই কাজটি অসাধারণ। এই কনটেন্টের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারছি শ্রমিকেরা কী ভয়াবহ কষ্ট করেন। এই কষ্টের কথা মেইনস্ট্রিম মিডিয়া বলছে না।

৫. কৃষকদের ফসল উৎপাদন নিয়ে একটি কনটেন্ট তিনি বানিয়েছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সরিষাক্ষেতে সেচ দেওয়ার কারণে সরিষার ফলন ভালো হয়েছে—সেটা তিনি বলছেন।

ঢাকার বড় অংশের সাংবাদিকেরা জানেন না আদৌ সরিষা চাষ কীভাবে হয়। সরিষা আসলে রবিশস্য। এই শস্য উৎপাদনে পানি ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু তাজু ভাই আমাদের জানাচ্ছেন, সেচ ব্যবহার করলে শস্যের উৎপাদন বাড়ে। এটা বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য নতুন একটা জ্ঞান।

৬. কুড়িগ্রামের নারায়ণপুরে একটি নদীর দুর্ভোগের ওপর তাজু ভাইয়ের কয়েকটা কনটেন্ট আছে। তার মধ্যে এই কনটেন্টটি রীতিমতো দুর্দান্ত। তিনি বলছেন, কুড়িগ্রামের গরিব এলাকায় গরু নদী পার হয়ে ঘাস খেয়ে আবার নদী পার হয়ে আসে। কমেন্ট করে জানায় দেন, তাহলে নতুন সরকার নতুন এমপি নারায়ণপুরে একটা ব্রিজ করে দেবে।

৭. সব থেকে আলোচিত কনটেন্ট হলো—জিলাপির দাম কি সরকারি রেটে বিক্রি হচ্ছে? এই কনটেন্টটি দেখেছেন ৫৬ লাখ মানুষ। এই কনটেন্টটি নিয়ে তাজু ভাইর ওপর রীতিমতো হামলে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা।

২০২৬ সালের রমজান মাসে ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল ‘দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা’-তে প্রতি কেজি জিলাপির দাম ৪ হাজার টাকা ছিল। ইলিয়েন-এর পাঞ্জাবি আপনাদের বাচ্চা বাচ্চা নেতারা কেনেন ৩৫ হাজার টাকায়, 'হাউস অব আহমেদ'-এর একটি পাঞ্জাবির দাম ৫ লাখ টাকায় কেনেন আপনারা শহুরেরা। আর কুড়িগ্রামের এই চরের মানুষের হয়তো 'হাউস অব আহমেদ'-এর একটি পাঞ্জাবির দাম সমান তাদের জীবনের ৫ বছরের আয়। ফলে আপনারা কখনো বুঝবেন না—সরকারি রেটে কেন জিলাপি বিক্রি দরকার। কারণ আপনারা তো এক কেজি জিলাপি কিনতে পারেন ৪ হাজার টাকায়।

আপনাদের কখনোই বোঝা সম্ভব না, কুড়িগ্রামের তীব্র শীতের ভেতর খোলা জায়গায় নির্মাণশ্রমিকেরা যে কাজ করেন সেটা কত কষ্টের। তাদের মিনিমাম সেফটি ব্যবস্থা নেই। সেটাই তিনি তাঁর কনটেন্টে ফুটিয়ে তুলেছেন।

মিডিয়ার দায় কার কাছে?
গণমাধ্যমের প্রধান দুটি কাজ: ১. ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা। ২. ভয়েসলেস-এর ভয়েস বা ক্ষমতাহীনদের স্বার্থ রক্ষা করা। কিন্তু আমাদের মিডিয়া এসব কি করে? করে না। অবশ্য বৈশ্বিকভাবেও এই সাংবাদিকতা আজ নাই হয়ে গেছে।

ধরুন, ঢাকার একটি বড় ব্র্যান্ড হলো রাঁধুনী। আমরা রাঁধুনীর শুকনা মরিচের গুঁড়া কিনে খাই। ১০০ গ্রাম রাঁধুনী গুঁড়া মরিচ ও ১০০ গ্রাম হলুদের গুঁড়ার দাম ধরুন ৭৫ টাকা। ৫০০ গ্রাম ধনিয়ার গুঁড়ার দাম ৭৫০ টাকা। আপনারা কি জানেন, কুড়িগ্রামের ঠিক কত টাকা কেজিতে শুকনা লাল মরিচ বিক্রি করে কৃষক? আপনারা কি জানেন শুকনা হলুদ ও শুকনা ধনিয়ার কেজি কত?

কুড়িগ্রামের এসব গ্রাম এলাকায় এক কেজি শুকনা মরিচের দাম ৮০ টাকার নিচে, শুকনো হলুদের দাম কাছাকাছি কেজিতে বিক্রি হয়। সব থেকে অবাক হবেন ধনিয়ার দাম শুনলে। শুকনা ধনিয়া প্রতি কেজি সিজনে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা।

এটার সাথে গণমাধ্যমের দায় ও তাজু ভাইর কনটেন্ট বানানোর সম্পর্ক কী? খুব বড় সম্পর্ক রয়েছে। কৃষকরা যে ফসলের ন্যায্যমূল্য পায় না, আর সেই গরিব কৃষকের পণ্য ঢাকা বা শহরে এলে ৭ বা ৮ গুণ দামে আমরা ভোক্তারা কিনছি—এই প্রশ্নটাই করার কথা ছিল। যদি ধরেন এটাই তাজু ভাইর সরকারি রেট আর আপনারা বিদ্বান তাদের ভাষায় ন্যায্যমূল্য। এখন আপনারা তো দিনের পর দিন এই সাংবাদিকতা করেন নাই। কারণ কী?

কারণ হলো, রাঁধুনীর সাথে পত্রিকাওয়ালারা মিলে দিবস উদযাপন করে। তারা রাঁধুনীর নামে নারীকে তুলে ধরে, কিন্তু নারী কৃষকের যে ঘাম ঝরানো ফসলের দাম থেকে বঞ্চিত হয়, সেটা কিন্তু আধুনিক ঢাকার আরবান মিডিয়া বলে না। কারণ করপোরেট স্বার্থ। বছরে এই ধরনের করপোরেটের কাছ থেকে দেশের মিডিয়াগুলো শত শত কোটি টাকা আয় করে থাকে। তাহলে এই মিডিয়াগুলো তো করপোরেটের মুখ ও তার স্বার্থ ছাড়া কিছুই প্রকাশ করে না।

অন্যদিকে তাজু ভাই, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম বা রিসার্চ মেথডোলজি শিখায় এমন কোনো ডিপার্টমেন্টে পড়েন নাই। তিনি আঞ্চলিক শব্দ ছাড়া বলতে পারেন না। তাজু ভাই জানেনও না নোয়াম চমস্কি নামে একজন মানুষ আছেন, যিনি দেখিয়েছেন কনসেন্ট বা সম্মতি কেমনে আদায় করে। এই থিওরি তাজু ভাই জানেন না। কিন্তু যারা জানেন, সেই আরবান এলিট জার্নালিস্ট ও তাদের হাউস কোনোদিন কৃষকের ফসলের দাম না পাওয়ার গল্প এভাবে কানেক্ট করেন না যে এর জন্য রাঁধুনী দায়ী বা এরকম করপোরেট ব্র্যান্ডগুলো দায়ী। কারণ তাদের রসের ঠিলা তো করপোরেটের খেজুর গাছে বাঁধা আছে।

আর তাজু যে কিনা এসব জানেন না, না জেনেও অ্যাকাডেমিকভাবে ঠিকঠাক সাংবাদিকতা করে ফেলেন, ঠিক তখন আরবান মিডলক্লাসরা ব্যাপক ক্ষেপে যান। তখন আমরা বুঝতে পারি, ‘তোমার কোথায় কোথায় ব্যথা গো ললিতা।’

ভদ্রলোকের বাড়ি কুড়িগ্রামে। উনি ভিডিও বানিয়েছিলেন যেখানে দেখা যাচ্ছে তার এলাকার গরুগুলা  নদী পার হয়ে ওই পাশে ঘাস খেতে য...
30/03/2026

ভদ্রলোকের বাড়ি কুড়িগ্রামে।
উনি ভিডিও বানিয়েছিলেন যেখানে দেখা যাচ্ছে তার এলাকার গরুগুলা নদী পার হয়ে ওই পাশে ঘাস খেতে যাচ্ছে । একটা ব্রিজ থাকলে এই কষ্টটাই পোহাইতে হতো না।
পরে আরেকটা ভিডিওতে দেখি — গামবুট পইরা পানিতে দাঁড়িয়ে গ্রামের রাস্তার করুণ হাল তুলে ধরতেছেন।
লোকজন তারে নিয়া হাসা হাসি করছে । কিন্তু আমার চোখে উনি একজন সত্যিকারের সচেতন মানুষ।
কথাবার্তা বা পোশাক হয়তো স্মার্ট না — সেটা নিয়া কোন কথা নাই। কিন্তু উনি যা নিয়া কথা বলছেন সেটা একদম দরকারি কথা। এলাকার দুর্ভোগের কথা বলছেন, উন্নয়নের দাবি রাখছেন। এইটা বলতে গা-মাথা সুন্দর হওয়া লাগে না ।
Respect ভাই আপনাকে

30/03/2026

সৌদি আরবে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে ইরান।
আমেরিকার বন্ধুত্বের মাশুল দিচ্ছে বিন সালমান

হেতি আরেক হাগল
29/03/2026

হেতি আরেক হাগল

হাসনাত আবদুল্লাহকে সময় দেওয়া হলো ২ মিনিট। সে মোবাইলে টাইমার চালু করে বক্তব্য শুরু করেছে। এর আগে গণভোট নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে...
29/03/2026

হাসনাত আবদুল্লাহকে সময় দেওয়া হলো ২ মিনিট। সে মোবাইলে টাইমার চালু করে বক্তব্য শুরু করেছে।

এর আগে গণভোট নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারদলের অসহযোগিতায়। সেই বিষয়টাও কথা বলা দরকার। কিন্তু উপায় তো নেই।

ফলে শুরু করলেন এভাবে, "মাননীয় স্পিকার আজ আপনার যেই ধরনের অনুভূতি হচ্ছে, আমারও একই ধরনের অনুভূতি। কারণ নিয়মের বেড়াজালে আপনাকে কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়, আবার আমাকেও আটকে দেওয়া হয়। যারা রুল করে, তাদের অনুসারেই নিয়ম চলে, অলওয়েজ। নিয়ম যখন ফেভারে থাকে তখন সেটা নিয়ম, আর যখন বিরুদ্ধে যায় তখন সেটা কাস্টম। কোনটা সাংবিধানিক, আর কোনটা অসাংবিধানিক, এই বেড়াজালে সংসদ ঘুরপাক খাচ্ছে।"

দারুণ বলেছে। এত অল্প সময়ে একটা দলের হিপোক্রেসি এভাবে পয়েন্ট আউট করে বলা কঠিন। বাট হাসনাত বলেছে।

এরপর দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা সড়ক প্রসস্থকরণের দাবী তুলেন। যার ফলে ৪০ কিমি রাস্তা কম লাগবে, সাথে ব্যবসায়িক উন্নতি হবে।

শেষে আবার সাংবিধানিক মারপ্যাচকে ক্রিটিসাইজ করা শুরু করলে মাইক অফ করে দেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে যা বলার তা বলা হয়ে গেছে।

ইরান যুদ্ধ যেভাবে আগাচ্ছে, এর ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ বাংলাদেশের মতো ইকোনমির জন্যে।যদি ইরানে পদাতিক বাহিনী দিয়ে যুদ্ধ শুর...
29/03/2026

ইরান যুদ্ধ যেভাবে আগাচ্ছে, এর ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ বাংলাদেশের মতো ইকোনমির জন্যে।

যদি ইরানে পদাতিক বাহিনী দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে গোটা মিডিল ইস্ট থেকে প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফেরত আসা শুরু হবে। সেই ৮০ - ৯০ এর দশকের যুদ্ধ গুলোর মতো না হলেও, কাছাকাছি।

গত ১৫ বছরে মিডিল ইস্টের ডুবাই বা কাতারের মতো শহর গুলোতে শত শত কোটি টাকা পাচার হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। সেই অর্থ আটকে যাবে বা মার্কেট লসের মধ্যে পড়বে, যার প্রভাব পড়বে বাংলাদশের বিনিয়োগ পরিস্থিতিতে। কারণ অলিগার্করা রাজনৈতিক সরকার আসার পর টাকা যা ফেরত এনে দেশে বিনিয়োগ করতে পারতো, সেটা কম আনতে পারবে।

এই যুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নরমাল হতে হতে যদি ৬ মাস লেগে যায় তাহলে:

১.) ডলারের এগেইনস্ট টাকা ১৩০-১৩৫ টাকা ক্রস করতে পারে
২.) সরকারকে ট্যাক্স এর হার বাড়াতে হতে পারে ব্যাক্তি এবং ব্যবসা উভয় ক্ষেত্রেই
৩.) জ্বালানি এবং বিদ্যুতের দাম কম পক্ষে ১০% বাড়াতে হতে পারে
৪.) বাংলাদশের নতুন বেইল আউট লাগতে পারে ১-২ বিলিয়ন ডলারের, যেটাকে বেইল আউট বলা হবে না, নতুন কোন নামে আনা হবে
৫.) সারের সংকট সহ জ্বালানির সংকটে এবং রেমিটেন্স, পণ্য রপ্তানির হার কমে যাওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২-৩% এ নেমে আসতে পারে

এতো গুলো অর্থনৈতিক রিস্কের সামনে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে।

সবাই দোয়া করেন এই যুদ্ধ যেন আর ৩ সপ্তাহে শেষ হয়।

শুভ জন্মদিন অপু বিশ্বাস ও বাবলির জামাই শাকিব খান।প্রথম আলো একটা মারাত্বক নিউজ ছাপাইছে দেখেন
29/03/2026

শুভ জন্মদিন অপু বিশ্বাস ও বাবলির জামাই শাকিব খান।

প্রথম আলো একটা মারাত্বক নিউজ ছাপাইছে দেখেন

ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা
29/03/2026

ট্রাম্প বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা

আরব বিশ্ব কতটা দেউলিয়া হলে ইউক্রেনের সাথে চুক্তি করে।
29/03/2026

আরব বিশ্ব কতটা দেউলিয়া হলে ইউক্রেনের সাথে চুক্তি করে।

29/03/2026

আজ ইউরোপে সময় ১ ঘণ্টা এগিয়ে গেল।
এখন থেকে বাংলাদেশের সাথে সময়ের পার্থক্য হবে ৪ ঘন্টা।

রাত ২টা থেকে সরাসরি ৩টা! মানে এক ঘণ্টা কোথায় যেনো “হারিয়ে গেল”।
এটাকে বলে Daylight Saving Time (DST) — এখন থেকে সন্ধ্যা দেরিতে নামবে, দিনগুলো আরও লম্বা আর সুন্দর লাগবে।
এটার মূল উদ্দেশ্য হলো দিনের আলো বেশি কাজে লাগানো এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা।
শুরুতে একটু ঘুমের সমস্যা বা রুটিন বদল লাগতে পারে, কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই সব ঠিক হয়ে যায়।
নতুন দেশে নতুন অভিজ্ঞতা… ধীরে ধীরে সবকিছুই শিখছি।
আলহামদুলিল্লাহ 💙

29/03/2026

গভীর সমুদ্র থেকে জীবিত ফেরত এসেছে এই ছেলে, তার ভাষ‍্য শুনলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে!

লিবিয়া থেকে মোট রওনা দিয়েছিল ৪৩ জন, এর মধ‍্যে বাংলাদেশী ৩৮ জন, ১জন কিশোরগঞ্জের বাকিরা সিলেট অঞ্চলের, ডেস্টিনেশন ছিল গ্রীস, চুক্তি হয়েছিল বড় নৌকায় উঠাবে!
কিন্তু সাগর পাড়ে নিয়ে ছোট প্লাস্টিকের নৌকায় উঠিয়ে দেয় ৪৩জনকে। ২ দিন লাগার কথা ছিল, সেই অনুযায়ী কিছুটা প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু পথ ভুলে গভীর সমুদ্রের দিকে চলে যায়, ফলে দিকভ্রান্ত হয়ে ঘুরতে থাকে!
২ দিন পর পানি ও খাবার ফুরিয়ে যায়, মানুষ সব দূর্বল হতে থাকে! তৃতীয় দিন থেকে মানুষ ম/ রতে শুরু করে!
ছোট নৌকায় ৪৩ জন মানুষ এর মধ‍্যে আবার নিজেদের ভাই ব্রাদারদের মৃত লা /‘শ। নিজের পেটে নাই খাবার, পিপাসায় মরে গেলেও নাই খাবার পানি, রাত দিন সব সমান, এমন অবস্থায় তাদের পরিস্থিতি কেমন ছিল? কল্পনা করেন তো!
এমন পরিস্থিতিতেও ভাই বন্ধুদের লা /^শ কোলের উপর রেখেছে ২ দিন, ইচ্ছে ছিল কিনারায় পৌঁছাতে পারলে কবর দিয়ে দিবে। কিন্তু সমুদ্রের লোনা পানির কারণে দ্রুত প/চে গিয়ে গন্ধ বের হওয়া শুরু হয়। এদিকে নিজেরা প্রত‍্যেকে দূর্বল হয়ে পরে। তখন বাঁধ‍্য হয়ে সব লা/শ পানিতে ফেলে দেয়।
৬দিন এভাবে ঘুরতে থাকার পর গ্রীসের কোস্টগার্ডের নজরে পরে, তারা এসে এদের উদ্ধার করে। একে একে ১৮জন নিজেদের কোলে মা/রা যায়! এদের সবাইই বাংলাদেশী!

ভ/য়/ঙ্কর পার্ট হচ্ছে, এভাবে ইউরোপ পাড়ি দেয়ার জন‍্য লিবিয়া উপকূলবর্তী এলাকায় এখনো হাজার হাজার বাংলাদেশি অপেক্ষা করছে!
ভাই, যারা এই পথের যাত্রী আছিস তোদের পায়ে ধরি মাইন্ড বদলা, চলে আয়, এই পথে যাস নে। পয়সাই সব কিছু না। দেশে অটো চালিয়ে ডাল ভাত খাওয়ার মধ্যেও সুখ আছে, মর্যাদা আছে, টাকার জন‍্য নিজেদের এভাবে পশুর মত বানাসনে, প্লিজ ফিরে আয়

হাজারো এজেন্সি যেটা লুকিয়ে রাখে, সেই ফ্রান্স স্টুডেন্ট ভিসার ফুল গাইডলাইন আজ ফ্রি তে দিলাম!দেখো, ফ্রান্সে অর্নাস মাস্টার...
28/03/2026

হাজারো এজেন্সি যেটা লুকিয়ে রাখে, সেই ফ্রান্স স্টুডেন্ট ভিসার ফুল গাইডলাইন আজ ফ্রি তে দিলাম!

দেখো, ফ্রান্সে অর্নাস মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চাইলে ভিসার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ডকুমেন্টস, ইন্টারভিউ আর কিছু নিয়ম মেনে চললেই বর্তমান সময়ে ভিসা পাওয়ার সম্ভবনা প্রায় ১০০%। আমি ধাপে ধাপে বলছি যেন সহজে মনে থাকে।

প্রথমেই পারসোনাল ডকুমেন্টস লাগবে। তোমার পাসপোর্ট প্রথমেই লাগবে ভ্যালিড পাসপোর্ট, বাবা বা মায়ের এনআইডি লাগবে অনুবাদসহ, তোমার ও বাবার জন্মনিবন্ধন লাগবে, আর পাসপোর্ট সাইজ ছবি অবশ্যই শেঞ্জেন ফরম্যাটে ৩৫×৪৫ হবে। এরপর ক্যাম্পাস ফ্রান্স ফর্ম এবং ফ্রেঞ্চ ভিসা রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। CVEC সার্টিফিকেটের পেমেন্ট স্লিপও সঙ্গে রাখতে হবে।

এরপর একাডেমিক ডকুমেন্টস দরকার। এসএসসি, এইচএসসি, ব্যাচেলর সার্টিফিকেট আর ট্রান্সক্রিপ্ট লাগবে। ব্যাচেলরের মেইন সার্টিফিকেট না থাকলে প্রভিশনালও চলবে। এছাড়া একসেপ্টেন্স লেটার বা এনরোলমেন্ট লেটার, একাডেমিক সিভি ২ পৃষ্ঠার মধ্যে হতে হবে, ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি সার্টিফিকেট যেমন আইইলটিএস বা মই বা ফ্রেঞ্চ ল্যাংগুয়েজ সাটিফিকেট, ইন্টার্নশিপ বা এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেট,রেকমেন্ডে শন লেটার এবং মোটিভেশন লেটার সঙ্গে রাখতে হবে।

ফ্রান্সে কোথায় থাকবে তার প্রমাণ লাগবে। সেটা হতে পারে অ্যাপার্টমেন্ট, স্টুডেন্ট রেসিডেন্স বা হোস্টেল ভাড়া চুক্তিপত্র । যদি প্রমাণ না থাকে, তবে কেন নেই সেটা লিখে দিতে হবে।

ফিনানশিয়াল ডকুমেন্টস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের ভিসা এখানেই রিজেক্ট হয়। এখন কথা হচ্ছে কেমন ফান্ড দেখাতে হয়। তুমি যদি মাস্টার্স প্রোগ্রামের হয়ে থাকো তাহলে ১ বছরের টিউশন ফি এর সাথে ১ বছরের লিভিং এক্সপেন্স প্রতিমাসে ৭০০ইউরো থেকে ১০০০ ইউরো ধরে হিসেব করতে পারো এই সমপরিমাণ টাকা দেখাতে হবে। আনুমানিক ১০/২০ লাখ টাকা। স্পনসরের শেষ তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ব্যাংক সলভেন্সি ডিক্লারেশন, টিন সার্টিফিকেট, ট্যাক্স রিটার্ন, সোর্স অফ ফান্ড ২টি ট্রান্সলেটেড, ১টি নোটারাইজড, ফিনানশিয়াল অ্যাফিডেভিট, টিউশন ফি রিসিট এবং ফান্ড এক্সপ্লানেশন লেটার সব দিতে হবে। স্পনসরের এনআইডি ও জন্মনিবন্ধনও সঙ্গে রাখতে হবে।

ইন্টারভিউ দুই ধাপে হয়। প্রথম ধাপে ক্যাম্পাস ফ্রান্স একাডেমিক ইন্টারভিউ। এখানে সাধারণ প্রশ্নগুলো যেমন নিজেকে পরিচয় দেওয়া, কেন ওই বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছ, কেন ওই প্রোগ্রাম বেছে নিয়েছ, অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে কি, কেন ফ্রান্স বেছে নিয়েছ, টিউশন ফি কত, স্কলারশিপ আছে কি, স্পনসর কে, পড়াশোনা কিভাবে ক্যারিয়ারে সাহায্য করবে, অনার্স মাস্টার্স শেষে ক্যারিয়ার প্ল্যান কি, আগের পড়াশোনা বা প্রজেক্ট কিভাবে সম্পর্কিত, আর তোমার দেশ কিভাবে উপকৃত হবে এইসব প্রশ্ন আসে।

দ্বিতীয় ধাপে কালচারাল ইন্টারভিউ হয়। এখানে জানতে চাওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার কীভাবে পেয়েছ এজেন্সি, নিজে বা ক্যাম্পাস ফ্রান্স থেকে, ফ্রান্সের কালচার কেমন মনে হচ্ছে, মানিয়ে নিতে পারবে কি, পড়াশোনা শেষে কী করবে, কেন ওই বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিয়েছ, আর কোর্সের কারিকুলাম বিস্তারিত বলতে হবে।

এরপর ডিসিশনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

মোটিভেশন লেটার লিখতে হবে তোমার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রজেক্ট অব স্টাডিজ, পড়াশোনা শেষে বাংলাদেশে কী করবে, ফ্রান্সে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ, আর টিউশন ফি ও অ্যাকোমোডেশন কিভাবে ম্যানেজ করবে এই গুলোর সংমিশ্রণে।

শেষে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা কন্ডিশিনাল বা আন কন্ডিশনাল একসেপ্টটেন্স লেটার অবশ্যই লাগবে, একাডেমিক সিভি দুই পৃষ্ঠার মধ্যে হতে হবে, পাসপোর্ট কমপক্ষে দুই বছরের মেয়াদ থাকলে ভালো হয়, এসএসসি থেকে সবশেষ ডিগ্রি পর্যন্ত সব সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রেঞ্চ ল্যাঙ্গুয়েজ সার্টিফিকেট, আইইলটিএস, পূর্বের ডিগ্রির মিডিয়া ইনস্টাকশন যদি ইংলিশে হয় তাহলে মই সাটিফিকেট, অ্যাকোমোডেশন প্রুফ, রেকমেন্ডেশন লেটার, পোর্টফোলিও বা এটেস্টেশন লাগতে পারে। ক্যাম্পাস ফ্রান্স বাংলাদেশ জেনারেল ফর্ম ঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। সব ডকুমেন্ট আলাদা পিডিএফ আকারে পাঠাতে হবে, গুগল ড্রাইভ লিঙ্ক গ্রহণযোগ্য নয়। রেজিস্ট্রেশনের সময় অরিজিন ফটোকপি দুটোই সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

Address

125. 3 Mi , Zindabazar
Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Toukir Space posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram