Diabetic Foot and Burn Care Center

  • Home
  • Diabetic Foot and Burn Care Center

Diabetic Foot and Burn Care Center Diabetic Foot and Burn Care Center is a specialized foot care center for diabetic and non-diabetic persons.

It is the only foot and burn care provider in Sylhet, Bangladesh.

We treat any kind of burn patients. For burn and diabetic foot treatment please contact with Dr. M. Manjur Ahmed 0171197...
04/11/2021

We treat any kind of burn patients. For burn and diabetic foot treatment please contact with Dr. M. Manjur Ahmed 01711973291, Kajolhaor Diabetic Center, PDB Mosjid Point, Osmani Medical Road, Kajolshah, Sylhet.

18/12/2015

ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের যত্ন

আমাদের শরীরের অতি প্রয়োজনীয় অঙ্গ হল পা। পা ছাড়া আমরা অচল। সব সময় আমাদের পায়ের যত্ন নিতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের আরও বেশী যত্ন নিতে হবে। কেন, কিভাবে পায়ের যত্ন নিতে হবে? আসুন আমরা তা জেনে নিই।

সাধারণত, ১০ বছর বা তার চেয়ে বেশী দিন ডায়াবেটিস থাকলে রোগীর কিছু জটিলতা (Complication) দেখা দেয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে আরও কম সময়েও জটিলতা দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিক জটিলতা দুই ধরনেরঃ (১) ক্ষুদ্রতর রক্তনালীর জটিলতা (Micro Vascular Complication) (২) বৃহত্তর রক্তনালীর জটিলতা (Macro Vascular Complication)।

ক্ষুদ্রতর রক্তনালীর জটিলতাঃ (ক) ডায়াবেটিস জনিত চোখের রোগ (ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি) (খ) ডায়াবেটিস জনিত কিডনির রোগ (ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি) (গ) ডায়াবেটিস জনিত নার্ভের রোগ (ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি)

বৃহত্তর রক্তনালীর জটিলতাঃ (ক) হৃদরোগ (করোনারী আর্টারী ডিজিজ) (খ) মস্তিস্কের রক্তনালীর রোগ (সেরেব্রোভাস্কুলার ডিজিজ) (গ) দুরবর্তি রক্তনালীর রোগ (পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ – যেমন: হাত-পায়ের রক্তনালীর রোগ)

‘ডায়াবেটিক পা’ (Diabetic Foot) একটি ডায়াবেটিস মেলাইটাস জনিত পায়ের বৃহত্তর রক্তনালীর জটিলতা। ১৫% ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে এই জটিলতা দেখা দিতে পারে। পৃথিবীতে যত রোগীর পা কাটা লাগে তার মধ্যে ৮৪% হল ডায়াবেটিক পা। ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে আঘাত লাগলে বা ক্ষত হলে সেখানে ক্ষুদ্র রক্তনালীর বিকাশ, এক্সট্রাসেলুলার ম্যাট্রিক্স ও চামড়া ইত্যাদির বৃদ্ধি খুব ধীর গতিতে হয়। ফলে ক্ষত নিরাময় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয় এবং ক্ষত শুকাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে জীবানু সংক্রমনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে দুর্গন্ধযুক্ত পচন (গ্যাংগ্রীন) ধরে যায়। রোগীর জীবন রক্ষার্থে অনেক সময় পা কেটে বাদ দিতে হয়।

সাধারণ নিয়মে, হৃদপিন্ড থেকে যে অঙ্গের দূরত্ব যত বেশী, সে অঙ্গের ক্ষত শুকনোর গতি তত কম। এছাড়াও, শরীরের যে সব স্থানে চামড়ার ঠিক নীচেই হাড় থাকে, সেখানে চামড়ার ক্ষত শুকানোর গতিও কম। তাই, হাটুর নীচ থেকে পায়ের পাতা ও আঙ্গুলের কোন ক্ষত ধীর গতিতে শুকায়। আর ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে তা শুকানোর গতি আরও ধীর।

প্রতিরোধঃ
প্রথমতঃ ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে। নিয়মিত পায়ের যত্ন নিতে হবে, সব সময় পা পরিস্কার ও শুকনা রাখতে হবে, ডায়াবেটিক মোজা এবং জুতা ব্যবহার করতে হবে। পায়ে যাতে কোনও আঘাত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ঘরে বাইরে কোথাও খালি পায়ে হাঁটা যাবে না।

ঝুঁকি উপাদানঃ
ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে ক্ষত তৈরিতে প্রধান কারণগুলো হল (১) ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথী (২) কম রক্ত চলাচল ও (৩) জিবানু সংক্রমনের সম্ভাবনা। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথী হল পায়ে ব্যথার অনুভুতি কমে যাওয়া বা অসারতা। এর ফলে রোগী আঘাত পেলেও ব্যথা অনুভব করেন না, ফলে পা কেটে গেলে বা পায়ে ফোস্কা পড়লেও রোগী তা বুঝতে পারেন না। সাধারনতঃ পায়ের পাতা, পায়ের আঙ্গুল, গোড়ালি ও মেটা-টারসো ফ্যালানজিয়াল জয়েন্টে (পায়ের আঙ্গুলের জোড়া) ক্ষত সৃষ্টি হয়। ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের রক্তনালীতে এথেরোস্ক্লেরোটিক প্লাক (চর্বি জাতীয় বা রক্তের অন্যান্য জমাট ময়লা) জমে রক্তনালীর ভিতরটা সংকুচিত হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচল বাঁধাগ্রস্থ হয়। ফলে ক্ষতস্থানে পুষ্টি ও রক্তের জিবানুরোধক উপাদানগুলো পর্যাপ্ত পরিমানে পৌঁছাতে পারে না। অবশেষে সেখানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে, যেখান থেকে পায়ে গ্যাংগ্রীন দেখা দিতে পারে।

ঝুঁকিপূর্ন পাঃ
(নীচের এক বা একাধিক কারন থকলে তাকে ঝুঁকিপুর্ন পা হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাধারনতঃ ঝুঁকিপূর্ন পায়েই ডায়াবেটিস জনিত জটিলতা দেখা দেয়)
- পায়ে পূর্বের কোনও ক্ষত বা পায়ের কোনও অংশের অঙ্গচ্ছেদ থাকলে
- মোটা নখ, পায়ের হাড়ের জোড়ার সীমিত নড়াচড়া, হাড়ের অঙ্গবিকৃতি থাকলে
- পায়ে জীবাণুর সংক্রমন বা অন্যান্য সমস্যা যেমনঃ লাল চাকা, গরম হওয়া, কড়া পরা বা কড়ার নীচে রক্ত জমাট বাঁধা থাকলে
- পায়ের বিভিন্ন রক্তনালীর পালস বা ধমনীর গতি না পাওয়া গেলে
- পায়ের স্পর্শ অনুভুতি না থাকলে
- পায়ের তাপ অনুভুতি না থাকলে
- পায়ের কম্পন অনুভুতি না থাকলে

এছাড়াও পায়ের অঙ্গবিকৃতির কারনেও পা ঝুকিপূর্ণ হয়। যেমনঃ পায়ের কোনও আঙ্গুলের সামনের অংশ নীচের দিকে বেঁকে থাকা (Claw toes), পায়ের মেটা-টারসাল হাড় (পায়ের আঙ্গুলের গোঁড়ার পিছনের হাড়) উঁচু হয়ে থাকা, পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল ২য় আঙ্গুলের দিকে বেঁকে থাকা (Bunion), পায়ের কনিষ্ঠ আঙ্গুলের গোঁড়া ফুলে লাল হয়ে থাকা (Bunionnette), পায়ের ছোট ছোট ওজনবাহী হাড়ের ক্ষয় জনিত পদবিকৃতি (Charcot joint) ইত্যাদি।

ওয়াগনার’স গ্রেডিং / Wagner’s Grading of Diabetic Foot Lesion (ওয়াগনারের শ্রেনীবিভাগ)
ওয়াগনারের শ্রেণীবিভাগ (০-৫) অনুযায়ী ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের ক্ষত পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা হয়।
গ্রেড ০ = নিখুঁত চামড়া, কোনও ক্ষত নেই তবে ঝুঁকিপূর্ন পা
গ্রেড ১ = চামড়া বা চামড়ার নীচের টিস্যুর ক্ষত
গ্রেড ২ = গভীর ক্ষত কিন্তু হাড় অনাক্রান্ত, কোনও ফোঁড়া/পুঁজ হয়নি
গ্রেড ৩ = অস্থির প্রদাহ সঙ্গে গভীর ক্ষত, বা ফোড়া/পুঁজ হয়েছে
গ্রেড ৪ = পচা ঘা (পায়ের আঙ্গুল ও পায়ের সামনের অংশ)
গ্রেড ৫ = পচা ঘা (সম্পূর্ণ পা)

চিকিৎসা
- সংক্রমন ছাড়া পায়ের ছোটখাট ক্ষত থাকলে এন্টিসেপটিক সলিউশন, নিয়মিত ড্রেসিং ও পায়ের বিশ্রাম দিতে হবে।
- সংক্রমিত ক্ষত থাকলে তা চিকিৎসা কেন্দ্রের মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ঔষধ, জীবাণু মুক্ত গজ ও যন্ত্রপাতীর সাহায্যে ক্ষতস্থানের ড্রেসিং ও মৃত টিস্যু কেটে ফেলে দিতে হবে, পায়ের ক্ষত বেশী খারাপ হলে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট অংশ কেটে বাদ দিতে হবে।
- পায়ের উপর থেকে যে কোনও ধরণের চাপ কমাতে হবে।
- প্রয়োজন হলে ভাস্কুলার সার্জারী (পায়ের রক্ত নালীর অপারেশন) করাতে হবে।
- একই সাথে ডায়াবেটিস পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ওজন কমাতে হবে।
- ডায়াবেটিক পা এর চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত ইনসুলিন নিলে ক্ষত সাধারনতঃ দ্রুত শুকায়।
ডায়াবেটিক রোগীর পায়ের যত্নঃ (Foot care for Diabetic Patients)
- অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করবেন না, এতে পায়ের পাতা বা কোনও অংশ পুড়ে গেলে বা ফোস্কা পড়লেও পায়ের অনুভুতি কম থাকার কারনে বোঝা যায় না। তাই গরম পানি ব্যবহার করার সময় নিজে না দেখে ডায়াবেটিস নেই এমন কাউকে দিয়ে দেখতে হবে পানি বেশী গরম কিনা।
- হিটার বা আগুনের খুব কাছে বসবেন না, এতে অজান্তে পা পুড়ে যেতে পারে।
- পায়ে বেশী গরম পানির সেক দিবেন না, এতে ফোস্কা পড়তে পারে।
- ঘুমানোর সময় বিছানায় গরম পানির বোতল, বৈদ্যুতিক কম্বল ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না।
- পায়ে যে কোনও ধরনের আঘাতের সম্ভাবনা এরিয়ে চলবেন। যে সব খেলা ধুলায় পায়ে আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে, সে সব খেলা ধুলা পরিহার করতে হবে। এবড়ো-থেবড়ো রাস্তা দিয়ে না হেঁটে ভালো রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চেষ্টা করবেন। ভিড়ের মধ্যে হাঁটার সময় খেয়াল রাখবেন যাতে আপনার পায়ের উপর অন্য কারও পায়ের পাড়া না পরে।
- ঘরে সবসময় কাপড়ের জুতা বা নরম রাবারের জুতা পড়বেন। নরম স্পঞ্জের স্যান্ডেল পড়তে পারেন। তবে স্যান্ডেল না পড়াই ভালো, কারণ, ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের অনুভুতি কম থাকার ফলে পা থেকে স্যান্ডেল খুলে গেলেও তারা বুঝতে পারেন না।
- বাইরে বের হলে অবশ্যই ডায়াবেটিক জুতা-মোজা পরে বের হবেন। জুতা পড়ার সময় জুতার ভিতর ঝেড়ে নিতে হবে যেন ভিতরে কোন ইট, লোহা বা কোন কিছুর টুকরা না থাকে।
- গোসলের পর নখ কাটবেন, এসময় নখ নরম থাকে এবং সহজে কাটা যায়।
- নখ সব সময় সোজা করে কাটবেন, গভীর করে নখ কাটবেন না, নখের কোণা গভীর করে কাটবেন না।
- শেভিং ব্লেড দিয়ে নখ না কেটে নেইল কাটার দিয়ে সব সময় নখ কাটবেন। না হলে নখ বেশী কাটা হয়ে যেতে পারে এবং আঙ্গুলের চামড়া বা মাংশে ক্ষত সৃস্টি হতে পারে।
- পায়ের উপর পা রেখে বেশীক্ষণ বসা বা ঘুমানোর অভ্যাস ত্যাগ করুন। এতে পায়ে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- পায়ের কড়া, হাল, নখকুনী বা কোন টিউমার থাকলে নিজে নিজে তা কাটতে যাবেন না। আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- ধাতব কোনও বস্তু দিয়ে নখের নীচ পরিস্কার করবেন না।
- নখ কাটতে ব্যথা অনুভব করলে অথবা রক্ত বের হলে আপনার চিকিৎসকের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করুন।
- সম্ভব হলে প্রতিদিন আপনার পায়ের তলা, পায়ের আঙ্গুল, আঙ্গুলের ফাঁক পরীক্ষা করুন। এজন্য আয়না ব্যবহার করতে পারেন অথবা অন্য কাউকে দেখে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করুন।
- পায়ে নিয়মিত ভালো কোনও ময়েশ্চারাইজার মাখতে পারেন। কিন্তু পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে মাখবেন না।
- বৃস্টির পানিতে পা ভেজাবেন না।
- শীত কালে রাতে ঘুমানোর সময় ঢিলা মোজা পরে ঘুমান।
- পা ফাটা থাকলে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, নিজে নিজে কোনও চিকিৎসা করবেন না।
- দীর্ঘ সময় জুতা-মোজা পড়ার প্রয়োজন হলে ২ ঘণ্টা পর পর কিছু সময়ের জন্য জুতা-মোজা খুলে আবার পড়বেন। সম্ভব হলে কয়েক জোড়া জুতা-মোজা কিনে রাখবেন। প্রতিদিন একই জুতা না পরা ভালো।
- ভেজা পায়ে জুতা-মোজা পড়বেন না। ভেজা মোজা পড়বেন না।
- ভেজা পা আলাদা তোয়ালে দিয়ে চাপ দিয়ে চাপ দিয়ে মুছবেন, কখনই ঘষে ঘষে মুছবেন না।

ডায়াবেটিক জুতা ও মোজাঃ
সঠিক আকার ও সাইজের চামড়ার জুতা কিনতে হবে, যাতে জুতা টাইট বা বেশী ঢিলা না হয়। সম্ভব হলে অর্ডার দিয়ে জুতা বানিয়ে নিতে পারেন। সমান তল ও মোটা সোল বিশিষ্ট জুতা সব চেয়ে ভালো। জুতার সামনের অংশ চওড়া হতে হবে যাতে পায়ের আঙ্গুলগুলোর উপর চাপ না পরে। সামনের অংশ চিকন – এ ধরণের জুতা পড়বেন না। উঁচু হিলের জুতা বর্জন করুন। জুতা কিনবেন বিকাল বা সন্ধ্যার সময়। কারন, এ সময় পায়ের মাপ সর্বোচ্চ থাকে। মোজা কিনবেন সুতী বা উলেন দেখে। মোটা মোজা পরিধান করা উচিৎ। মোজা পড়ার সময় খেয়াল রাখবেন যেন মোজা কোথাও ছেঁড়া না থাকে। প্রতিদিন ধোয়া ও শুকনা মোজা পড়বেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যমাত্রাঃ
সকালের নাস্তার আগে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ৬.১ মিলিমোল/লিটার (১১০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার) এর নীচে, খাওয়ার পরে ৮ মিলিমোল/লিটার (১৪৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার) এর নীচে রাখতে হবে। HbA1c ৭% এর নীচে রাখতে হবে। LDL কোলেস্টেরল ১০০ এর নীচে, HDL কোলেস্টেরল ৪০ এর উপরে, Triglyceride (TG) ১৫০ এর নীচে, Blood Pressure (BP) ১৩০/৮০ এর নীচে রাখতে হবে। BMI (Body Mass Index) ২৫ কেজি/বর্গমিটার এর নীচে রাখতে হবে।

BMI মাপার পদ্ধতি হলঃ ওজন (কেজি) ÷ উচ্চতা (মিটার) X উচ্চতা (মিটার)। ধরুন, কোনও একজনের ওজন ৭০ কেজি, উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। মিটারে উচ্চতা হবে ১.৬৭ মিটার প্রায় (১৬৭ সেন্টি মিটার)। তাহলে BMI = ৭০÷১.৬৭X১.৬৭ = ২৫.১ কেজি/বর্গমিটার।

সব শেষে আবারও মনে করিয়ে দেই, ডায়াবেটিস রোগীদের পা কেটে ফেলার সম্ভাবনা সাধারণ রোগীর তুলনায় ২০ গুন বেশী। তাই ডায়াবেটিস পূর্ন নিয়ান্ত্রনে রাখতে হবে, ওজন কমাতে হবে, ধুমপান, সাদাপাতা-জর্দা দিয়ে পান খাওয়া বা মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করতে হবে। না হলে এত কষ্ট করে পায়ের যত্ন নিয়েও কোনও লাভ হবে না।

ডাঃ এম. মঞ্জুর আহমেদ (সজীব)
sajib1991@gmail.com

এমবিবিএস (সিইউ); পিজিটি (সার্জারী); সিসিডি (বারডেম); ইডিসি (বারডেম)
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি কর্তৃক অনুমোদিত ডায়াবেটিক চিকিৎসক

16/10/2014
05/08/2014
Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation. Total ulcer is healed without skin graft.(Contact for treatment:Dr. M. Manj...
28/02/2014

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation. Total ulcer is healed without skin graft.
(Contact for treatment:
Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 973291)

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation.(Contact for treatment:Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 973291)
28/02/2014

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation.
(Contact for treatment:
Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 973291)

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation. Much improved.(Contact for treatment:Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 97...
28/02/2014

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation. Much improved.
(Contact for treatment:
Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 973291)

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation. See the improvement.(Contact for treatment:Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1...
28/02/2014

Healing Diabetic Foot ulcer. H/O amputation. See the improvement.
(Contact for treatment:
Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 973291)

Lateral malleolar pressure ulcer with uncontrolled Diabetes.(Contact for treatment:Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 9...
03/10/2013

Lateral malleolar pressure ulcer with uncontrolled Diabetes.
(Contact for treatment:
Dr. M. Manjur Ahmed Sajib +880 1711 973291)

Address

22 Modhushohi, New Medical Road

3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diabetic Foot and Burn Care Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Diabetic Foot and Burn Care Center:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram