07/11/2025
অ্যাজমা বা হাঁপানি (পর্ব-১)
অ্যাজমা বা হাঁপানি আসলে শ্বাসনালির অসুখ। যদি কোনো কারণে শ্বাসনালি অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন ধরনের উত্তেজনায় উদ্দীপ্ত হয়, তখন বাতাস চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি হয়, ফলে শ্বাস নিতে বা ফেলতে কষ্ট হয়।
🫁অ্যাজমা কেন হয় :
* জেনেটিক কারণে যাদের অ্যালার্জি হয়।
* বংশে মা-বাবা, দাদা-দাদি বা অন্য কারো হাঁপানি থাকলে হতে পারে।
*পেশাগত কারণেও কখনো কখনো এ রোগটি হতে পারে। কিছু উত্তেজক উপাদান (যেমন- শ্বাসনালির সংক্রমণ, অ্যালার্জি জাতীয় কোন বস্তুর সংস্পর্শ, ধুলা, বায়ুদূষণ, সিগারেটের ধোঁয়া ইত্যাদি) অনেক সময় অতি সংবেদনশীল রোগীর শ্বাসকষ্টের কারন হতে পারে।
*কিছু ওষুধ, যেমন বিটা ব্লকার (উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য এ ওষুধটি ব্যাবহার করা হয়), এন এস এ আই ডি (ব্যথা নিরাময়ের জন্য ব্যাবহার করা হয়), এসপিরিন ইত্যাদি ওষুধের কারনেও হাঁপানি হতে পারে।
🗣কখন বাড়ে :
*ঘরবাড়ির ধুলা, ময়লা, মাইটেপোড়া, ফুলের রেণু, পাখির পালক, জীব-জন্তুর পশম, ছত্রাক ইত্যাদি অ্যালার্জিজনিত পদার্থ থেকে হাঁপানি হতে পারে। ফ্রিজের ঠান্ডা পানি, আইসক্রিম বা অন্যান্য ঠান্ডা পদার্থও হতে পারে হাঁপানি।
*কারও কারও গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, হাঁসের ডিম, পুঁইশাক, বেগুন, মিষ্টিকুমড়া, ইত্যাদি খাবারের প্রতি সংবেদনশীলতা আছে, খেলে চুলকায় অথবা নাক দিয়ে পানি পড়ে। তবে সাধারনভাবে খাবারের মাধ্যমে যে অ্যালার্জি হয় তাতে খুব কম সংখ্যক মানুষেরই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। কারও কারও আবার নানান রকম সুগন্ধি, মশার কয়েল বা কীটনাশকের গন্ধের কারনেও শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পেতে পারে।
👉উপসর্গ :
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ
* বুক ভার হয়ে থাকা
* দম বন্ধ ভাব
* ঘনঘন কাশি
--------------------------------------------------------------------------এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন --
ডা. মো. হোসনে সাদাত পাটোয়ারী,
এমবিবিএস, বিসিএস, এমডি (চেস্ট)
এ্যাজমা ও বক্ষব্যাধি বিশষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক ,রেসপিরেটরী মেডিসিন
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
👉পার্কভিউ হসপিটাল, প্রতি রবি,মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার
যোগাযোগ : 01325344680
👉এপিক হেলথ্ কেয়ার, প্রতি শনি, সোম ও বুধবার
যোগাযোগ : 01814759306