medialoy

medialoy medialoy is a BanGLiSh MeDiCaL PLaTFoRm who LeaDS By DoCToRS wiThouT BoRDeRS :) :-*

একটা জরায়ুর সাধারণত নরমাল ওজন ৪০-৫০ গ্রাম। বলা যায় একটা ছোট ডিমের সমান এবং ধারন ক্ষমতা মাত্র ১০ এম এল। মানে দুই চামচ !•আ...
29/03/2023

একটা জরায়ুর সাধারণত নরমাল ওজন ৪০-৫০ গ্রাম। বলা যায় একটা ছোট ডিমের সমান এবং ধারন ক্ষমতা মাত্র ১০ এম এল। মানে দুই চামচ !

আর গর্ভধারণ করা জরায়ুর ওজন সর্বোচ্চ ৮০০-৯০০ গ্রাম এবং ধারণ ক্ষমতা হয় ৫০০০ এম এল বা ৫ লিটার।

আবার সেই ৫ লিটার ধরা জরায়ু নরমাল ডেলিভারির পর ৬ সপ্তাহের মধ্যে আবার প্রায় পুরানো অবস্থায় ফিরে যায়।

মানুষের শরীর এক আশ্চর্য ম্যাজিকবক্স 😊

medialoy

•CaTaRaCT || ছানি :°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°ছানি (ইংরেজি: Cataract) হলো চোখের এমন একটি সমস্যা বা অসুখ যেখানে চোখের লেন্স অস্...
15/03/2023

•CaTaRaCT || ছানি :
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
ছানি (ইংরেজি: Cataract) হলো চোখের এমন একটি সমস্যা বা অসুখ যেখানে চোখের লেন্স অস্বচ্ছ বা ঘোলা (Opaque) হয়ে যায়, ফলে দেখতে অসুবিধা হয়।

চোখে ছানি প্রধানত চারটি কারণে হতে পারে :

১. বার্ধক্যজনিত কারণে (Age related cataract)

২. চোখ ব্যতীত শরীরের অন্য অসুখের কারণে
(Cataract in systemic disease)

৩. চোখের কোন অসুখের জটিলতার ফলে (Secondary or Complicated cataract)

৪. আঘাতজনিত কারণে
(Traumatic cataract)

১. বার্ধক্য জনিত ছানি (Age related cataract)
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের শরীরে বিভিন্ন জটিল জৈব-রাসায়নিক পরিবর্তন হতে থাকে। এর প্রভাবে চোখের লেন্স আস্তে আস্তে অস্বচ্ছ হয়ে দৃষ্টিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। দৃষ্টি শক্তির এই অসুবিধা যদি স্বল্প পরিমানে থাকে, তবে চশমা ব্যবহারের মাধ্যমে কিছুদিন চালিয়ে নেয়া যেতে পারে। ছানি ধীরে ধীরে পরিপক্ক হতে থাকে এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর অপারেশনের মাধ্যমে ছানি অপসারন করতে হয়। ছানি কতটা পরিপক্ক তার উপর ভিত্তি করে একে তিনভাগে ভাগ করা হয় :

Immature cataract-ছানির রং সাধারনত ধূসর হয়ে থাকে
Mature cataract-ছানির রং হয় মুক্তার মত সাদা
Hypermature cataract-ছানির রং হয় দুধের মত সাদা

২. চোখ ব্যতীত শরীরের অন্য অসুখের কারণে (Cataract in systemic disease)

শরীরের যেসব অসুখের প্রভাবে চোখে ছানি পড়তে পারে :

Diabetes mellitus- ডায়াবেটিস
Myotonic dystrophy

৩. চোখের কোন অসুখের জটিলতার ফলে (Secondary or Complicated cataract)
মূল অসুখটাও চোখে, যার প্রভাবে পরবর্তীতে ছানি পড়তে শুরু করে :

Acute congestive angle-closure
High myopia- অতিমাত্রার নিকটদৃষ্টি জনিত ত্রুটি
Hereditary fundus dystrophy

৪. আঘাতজনিত কারণে (Traumatic cataract)
যে চোখে আঘত লেগেছে, সেই চোখেই ছানি পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই একচোখে ছানি পড়ার এটা অন্যতম কারণ। চোখের ভেতরে কিছু ঢুকে গেলে, ভারী কোন বস্তুর দ্বারা আঘাত পেলে, অবলোহিত রশ্মি (Infrared radiation-IR) বা অন্য কোন বিকিরনের (X-ray) ফলে এধরনের ছানি পড়তে পারে।

চিকিৎসা:
°°°°°°°°°
ছানি পড়ার কারণ যাই থাকুক, চশমা দিয়ে যদি দৈনন্দিন কাজ করা না যায় তাহলে অপারেশন করে ছানি অপসারন করতে হবে। প্রধানত তিন ধরনের অপারেশন করা হয়ে থাকে!

medialoy মেডিয়ালয় :-*

07/03/2023

সৃষ্টিকর্তা মেয়েদের দুইটি গুণ ছেলেদের থেকে বেশি দিয়েছেন।
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
প্রথমত, কথা বলার #ফ্লুয়েন্সি। গবেষণায় দেখা গেছে ছেলেদের Language Formulation এ শুধু Dominant Cerebral Hemisphere কাজ করে। অপর দিকে মেয়েদের Language Formulation এ দুই Hemispheres ই অংশ নেয়। এই জন্য করিম সাহেব এবং রাহেলা বানু ঝগড়া লাগলে । করিম সাহেব একটি প্রত্যুত্তর দিতে না দিতেই রাহেলা বানু ১০ টা শব্দ বোমা ছুড়ে মারে ।করিম সাহেবেরা এখানে বড়ই অসহায়!

দ্বিতীয়ত , :
মেয়েরা একটা বিষয় যত খুটিনাটি লক্ষ্য করতে পারে , আমরা ছেলেরা সেটা পারিনা। চাচা চাচী যখন ভাতিজার জন্য মেয়ে দেখতে যায়, দেখবেন মেয়ের হাসি দেখেই চাচা বলে ওঠে
" মাশাল্লাহ! মেয়ে আমাদের পছন্দ হইছে।"
কিন্তু চাচী ?
চাচী দেখবেন ঐটুকু সময়ের মধ্যে মেয়ের গাত্র বর্ণ, দাত, চুল, এমনকি নাক খানি দেখতে কেমন সেটার পর্যন্ত সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ করে ফেলে।
এই কারনে কোন কিছু পছন্দ করার ব্যাপারে মেয়েদের Priority দেয়া উচিৎ । তাদের কথা শোনা উচিৎ । কারন They use to note everything in details ❤️

medialoy

02/03/2023

•••🔰Dompiridonদাম্পত্য জীবনের শত্রু🔰•••
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥
অবিবাহিত মেয়েদের বুকে দুধ চলে আসে, যা নিয়া পরিবারে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয় মেয়েদের,,,,,,,,,

Dompiridon হতে পারে দাম্পত্য জীবনের শত্রু।
(মোটিগাট,ডিফ্লাস্ক,ডমিন,ডন এ ইত্যাদি)

সামান্য বমির ভাব, খাবারে অরুচি। গেলেন ফার্মেসীতে। ব্যাস ফার্মেসী ওয়ালা ধরিয়ে দিলেন আপনার হাতে বমি, গ্যাস ও অরুচির মহাঔষধ Don A বা ডমপিরিডন গ্রুপের কিছু।

আমাদের দেহে ( নারী পুরুষ উভয়ই) Prolactin নামের একটি হরমোন যেটা নিঃসৃত হয় পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে। যদি এর মাত্রা বেশি হয়ে যায় তখন এটি GnRH এর কাজকে ব্যাহত করে ফলশ্রুতিতে FSH & LH কম নিঃসৃত হয়।

FSH কমে গেলে ওভারিয়ান ফলিকল পরিপূর্ণ ভাবে তৈরি হতে পারে না যার ফলে ওভুলেশন হয় না । সৃষ্টি করে বন্ধ্যাত্ব।

অতিরিক্ত মাত্রায় PROLACTIN বেড়ে গেলে এটা ESTROGEN এবং TESTOSTERONE এর মাত্রা কমায় দিয়ে একটা পুরুষকে তার পুরুষালি বৈশিষ্ট্য এবং একটা মেয়েকে তার মেয়েলি বৈশিষ্ট্য কমিয়ে দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা তৈরি করে।

এই Don-A বা Dompiridon দেহে প্রোলাক্যাটিন লেভেল বাড়িয়ে দেয়।

ইভেন ম্যামারী গ্ল্যান্ড থেকে ব্রেস্ট মিল্ক ও সিক্রেইশন করে
যার কারনে,,,,

( অবিবাহিত মেয়েদের বুকে দুধ চলে আসে, যা নিয়া পরিবারে অনেক ঝামেলায় পড়তে হয় মেয়েদের)

in female:-
°°°°°°°°°°°°
1.Vaginal dryness (estrogen is important for vaginal lubrication)
2.Anovulatory cycle (low FSH)
3.Ireegular menstruation ( Low estrogen)
4.Production of milk while in non pregnancy (excess stimulation on brest tissue)

in male:-
°°°°°°°°°°
1.Erectyle dysfunction (low testosterone)
2.Reduce muscle mass & body hair

বমি বমি ভাব হলেই মুড়ির মতো মোটিগাট/ডন-এ/ডিফ্ল্যাক্স এগুলা না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মতো মেডিসিন সেবন করুন।
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ পেতে পেজটি medialoy ফলো করতে পারেন, আর ফলো না করলেও সমস্যা নাই আমি আপনার কাছে পৈছে যাবো ।
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

  :)
25/02/2023

:)

•••••জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন••••••••••••••২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ সোমবার••••••••••🔥•••••••••••••••••••••••••••••••...
20/02/2023

•••••জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন••••••
••••••••২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ সোমবার••••••••••
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

আগামী ২০ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৩ খ্রীঃ সোমবার সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন এপ্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হইবে। উক্ত ক্যাম্পেইন চলাকালীন নিকটস্থ ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে/ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে আপানার শিশুকে নিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করুন।

মনে রাখবেন, ভিটামিন এ শুধুমাত্র শিশুদেরকে অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করে তাই নয়, ভিটামিন এ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুকি কমায়।

তাই বাংলাদেশে ভিটামিন এ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় পুষ্টিসেবা, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্টান বছরে দুইবার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে থাকে।

★★ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্যঃ 👇
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
✅ ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ভিটামিন এ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগের প্রাদুর্ভাব এক শতাংশের নিচে কমিয়ে আনা এবং তা অব্যাহত রাখা।
✅ ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অপুষ্টিজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা
★★ ক্যাম্পেইনের লক্ষমাত্রাঃ 👇
✅ ৯০ শতাংশের বেশি যাদের বয়স ১২-৫৯ মাস, তাদের প্রতি ছয় মাস অন্তর বছরে দুইবার একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ (দুইলক্ষ আই ইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানো।
✅ ৯০ শতাংশের বেশি যাদের বয়স ৬-১১ মাস, তাদের প্রতি ছয় মাস অন্তর বছরে দুইবার একটি করে নীল রঙের ভিটামিন এ একলক্ষ আই ইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানো।
ভিটামিন এ এর বার্তা সমুহঃ
✅ ভিটামিন এ অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে শিশুদের রক্ষা করে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল কমায় এবং শিশুমৃত্যুর ঝুকি কমায়।
✅ জেরোফথ্যালমিয়া, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া, হাম ও মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান।
✅ জাতীয় ভিটামিন এপ্লাস ক্যাম্পেইন এর দিন আপনার ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করুন।
✅ যদি কোন শিশু গত ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেয়ে থাকে তবে সেই শিশুকে ক্যাম্পেইনে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।
✅ ভিটামিন এ ক্যাপসুল ভরাপেটে খাওয়ানো ভাল।
✅ ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুর জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।
✅ মনে রাখবেন, আপনি যেখানেই থাকুন না কেন দেশের যে কোন ক্যাম্পেইন কেন্দ্র থেকে আপনার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবেন।
✅ ভ্রমনে থাকাকালীন সময়েও আপনি রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটে অবস্থিত ক্যাম্পেইন কেন্দ্র থেকে আপনার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবেন।

★★ ক্যাম্পেইনের পুষ্টি বার্তাসমুহঃ 👇
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
📢 জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ সহ মায়ের দুধ খাওয়ানো শুরু করুন।
📢 জন্মর প্রথম ৬ মাস ( ১৮০ দিন) শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ান। এ বয়সে পানি, মধু, চিনি বা মিস্রির পানি ইত্যাদি শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।
📢 শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণমত ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ান।
📢 মায়ের এবং শিশুর পুষ্টির জন্য গর্ভবতি ও প্রসূতি মায়েদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমানে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ প্রাণীজ খাবার (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, কলিজা ইত্যাদি) ও উদ্ভিজ্জ খাবার ( হলুদ ফলমূল ও রঙিন শাক-সবজি) খেতে দিন।
📢 পরিবারের রান্নায় ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্য তেল ব্যবহার করুন।
ভিটামিন এ এর উৎস
📢 প্রাণীজ উৎসঃ মায়ের দুধ বিশেষ করে শাল দুধ, ডিম, দুধ, কলিজা, মাছ বিশেষ করে মলা মাছ, মাংস ইত্যাদি।
উদ্ভিজ্জ উৎসঃ
📢 গাঢ় রঙের শাক সবজি যেমন মিষ্টি আলু, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, পালংশাক ইত্যাদি
📢 হলুদ ফলমূল যেমন পাকা আম, পাকা পেঁপে, পাকা কাঁঠাল, খেজুর ইত্যাদি।

★★ ক্যাম্পেইনে যাদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না👇
❌ ৬ মাসের কম বয়সী শিশু
❌ ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশু
❌ ৪ মাসের মধ্যে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল প্রাপ্ত শিশু
❌ অসুস্থ শিশু

★★ ক্যাম্পেইনে যে সকল সতর্কতা মেনে চলতে হবে।👇
✅ ভিটামিন এ ক্যাপসুল অবশ্যই প্রশিক্ষিত মাঠকর্মী/এনজিওকর্মী/স্বেচ্ছাসেবি দ্বারা খাওয়াতে হবে। কোন অবস্থাতেই অভিভাবক/ শিশুর হাতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া যাবে না।
✅ কান্নারত অবস্থায় কিংবা জোর করে শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।
✅ ক্যাপসুলের মুখ কেটে শুধুমাত্র ক্যাপসুলের ভিতরের তরল ভিটামিন টুকু শিশুকে খাওয়াতে হবে। কোন অবস্থাতেই আস্ত বা খোসাসহ ভিটামিন এ শিশুকে খাওয়ানো যাবে না।
✅ ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পর একটি নির্দিষ্ট স্থানে ক্যাপসুলের খোসাটি রাখতে হবে।

💗💗 আপনার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ান, শিশুমৃত্যুর ঝুকি কমান।💗💗
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

20/02/2023

ভাইটামিন এ

13/02/2023

••🔰জলবসন্ত || চিকেনপক্স প্রতিরোধী টিকা🔰••
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥
"জলবসন্ত নিয়ে ভয় নয়-প্রতিরোধের এখনি সময়"

" #চিকেনপক্স_প্রতিরোধ_করুন"

.

িকেনপক্স_বা_জলবসন্ত_কী°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
চিকেনপক্স একটি ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ যা ভেরিসেলা জোস্টার ভাইরাসের (VZV) সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। সাধারণত বসন্তকালে বা ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী এই সময়ের মধ্যে চিকেনপক্স সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগ বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের মধ্যে বেশি ছড়ায়।

িকেনপক্স_কি_সংক্রামক?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
চিকেনপক্স অতিমাত্রায় সংক্রামক একটি রোগ। আক্রান্ত রোগীর লালা (থুতু), ফোসকা থেকে নির্গত তরল পদার্থ এবং কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। ফুসকুড়ি শুরু হওয়ার প্রায় ২ দিন আগে থেকে যতক্ষণ না সব ফোসকা পুরোপুরি শুকিয়ে যায় ততক্ষণ পর্যন্ত এটি সংক্রামক।

#কাদের_আক্রান্ত_হবার_সম্ভাবনা_বেশি?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
১.যাদের আগে কখনো বসন্ত হয়নি।
২.স্কুলগামী যেকোন বয়সের বাচ্চাদের ।
৩.যারা ভেরিসেলা ভ্যাকসিন নেয়নি
বা অন্য কোনো রোগের কারণে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে আছে,
সেই সমস্ত ব্যক্তির জলবসন্ত আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
৪.যে সকল ব্যক্তি বা বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা খুব দুর্বল সেক্ষেত্রে চিকেনপক্স একবার আক্রান্ত হওয়ার পর আবার ২য় বার চিকেনপক্সে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।
৫.গর্ভবতী মায়ের চিকেনপক্সে আক্রান্ত হওয়ার মাধ্যমে গর্ভের বাচ্চা আক্রান্ত হয়ে থাকে যা পরবর্তীতে কনজেনাইটাল ডিফেক্ট সহ অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়।

্রতিরোধ_ব্যবস্থা_কী?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
চিকেনপক্সকে খুব সহজে প্রতিরোধ করা যায় কার্যকরী ভ্যাকসিন নেওয়ার মাধ্যমে। চিকেনপক্সের কার্যকরী টিকা Varizost 0.5ml (Varicella Zoster Virus, Live attenuated Vaccine) যা ১ বছর বয়সী বাচ্চাদের থেকে শুরু করে সকল বয়সের সুস্থ ব্যক্তির জন্য।
১ম ডোজঃ যে কোন দিন,
২য় ডোজঃ ১ম ডোজ থেকে ৬ সপ্তাহ পর।
#প্রয়োগের_স্থানঃ সাবকিউটেনিয়াস বা SC.

#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ- যে সকল মেয়েরা গর্ভাবস্থায় চিকেনপক্সের আক্রমণ থেকে নিরাপদে থাকতে টিকা নিতে চান তারা অবশ্যই গর্ভধারণের ৩ মাস আগে এই টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করবেন।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ পেতে medialoy পেজটি ফলো করতে পারেন ।
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

••🔰জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা 🔰••🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥 #আমরা_আপনাদের_মাঝে_সচেতনতা_পৌঁ...
11/02/2023

••🔰জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা 🔰••
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥
#আমরা_আপনাদের_মাঝে_সচেতনতা_পৌঁছে_দিতে_চাই

" #জরায়ু_মুখের_ক্যান্সার_মুক্ত_বাংলাদেশ_গড়ার_প্রত্যয়ে"-

" জরায়ু মুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা- " ".

জরায়ুমুখ ক্যান্সারে প্রতি বছর ১০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়। দেশের ৫ কোটি নারী এই ক্যান্সারের ঝুঁকিতে রয়েছে।

৯-৪৫ বছর বয়সের সকল নারী এই ভ্যাকসিনটি নিয়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সার সহজেই প্রতিরোধ করতে পারে।

োজঃ
°°°°°°°°°°°°°°°
🟥 ৯-১৪ বছর বয়স পর্যন্ত ২ টি ডোজ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
✅১ম ডোজঃ যে কোন দিন
✅২য় ডোজঃ ১ম ডোজের ৬ মাস পরে।

🟥১৫-৪৫ বছর বয়সি নারীদের জন্য ৩টি ডোজ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
✅১ম ডোজঃ যেকোন দিন
✅২য় ডোজঃ ১ম ডোজের ১ মাস পর।
✅৩য় ডোজঃ ১ম ডোজের ৬ মাস পর।

শীঘ্রই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং নিয়ম মেনে টিকা নিন, সুস্থ্য থাকুন, এগিয়ে চলুন জরায়ু মুখ ক্যান্সার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।

সূত্রঃ ভ্যাকসিন ফর বাংলাদেশ

মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ পেতে medialoy পেজটি ফলো করতে পারেন ।
🔥•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

••••••••••••🔰Anencephaly🔰•••••••••••••🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ংকর মেডিকেল কেসগ...
11/02/2023

••••••••••••🔰Anencephaly🔰•••••••••••••
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥
বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ংকর মেডিকেল কেসগুলোর একটি💥

গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি।
রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কান্না আর কান্না । এটা স্বাভাবিক, একজন মা ৪-৫ বা ৬মাসের সময় আল্ট্রা করতে এসে যদি শুনে বাচ্চার হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, মেশিনে দেখা যাচ্ছে শিশুটি নড়াচড়া করছে কিন্তুু মাথার (খুলির) স্ক্যাল অংশ নাই +ব্রেইন তৈরি হয় নাই তখন সেই মা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে আর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে।

#তাদের_অনেক_প্রশ্নঃ_কেন এমনটা হলো?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
কোনো বাতাস লাগে নাইতো, আমি কি এমন পাপ করলাম, আল্লাহ আমার উপর নারাজ কেন ইত্যাদি?
এখন তাহলে কি হবে? এটা কি ভালো হবে? ট্রীটমেন্ট কি?

#আসুন_বিষয়টা_একটু_জানিঃঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
এই সমস্যাকে Anencephaly বলা হয়। এটা সাধারণত নিউরাল টিউব ডিফেক্টে হয়। এই নিউরাল টিউব কনসিভের পর ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনের মধ্যে তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনোক্ষেএে টিউবের কোনো অংশ বন্ধ না হয় তখনই নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়ে জন্মগত এই ত্রুটি Anencephaly হয়।
আর এই নিউরাল টিউব ডিফেক্টের কিছু কারন যেমনঃ মা-বাবার জীনগত কিছু সমস্যা, আরো ফলিক এসিড এর ঘাটতি, কিছু এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস, ওপিয়ড ঔষধ যা গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ২মাসে খেলে ইত্যাদি।

#কিভাবে_এই_সমস্যা_বুঝা_যাবে?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। এছাড়াও মায়ের Serum Alpha-fetoprotein(elevated), MRI, Amniocentesis ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।

িকিৎসা_কি?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°এর কোনো চিকিৎসা নাই।

#কোনো_প্রতিরোধ_ব্যবস্থা??
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কনসিভ করার পর থেকে প্রথম ৩মাস ফলিক এসিড সেবন করতে হবে। এমনকি যারা কনসিভ করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খেতে হবে। প্রথম দুইমাস কোনো প্রকার ওপিয়ড মানে ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস খাওয়া যাবেনা।

িশু_কি_জন্মের_পর_বেঁচে_থাকবে?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
এরা অনেক সময় গর্ভেই নস্ট হয়ে যায় অথবা মারা যায়।
আর জন্মের সাথে সাথে বা কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে এটা প্রমানিত এই ধরনের শিশুরা জন্মের পর ১বছরের মধ্যে ১০০% ক্ষেএে মারা যায়। এরা হয় অন্ধ নয়তো বধির আর এদের কনসাসনেস থাকে না।

#কেন_এই_পোস্ট?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°° সচেতনতা বৃদ্ধি।

অনেকেই অনেক কথা বলেনঃ আগেকার যুগের মানুষতো ডাক্তার দেখাতোনা, আমারতো এখন কোনো সমস্যা নাই তাহলে কেন ডাক্তার দেখাবো, আমি ঔষধ খেতে পারিনা বমি আসে, ৬মাসে আল্ট্রা করবো এতো আগে আল্ট্রা করে কি লাভ, আবার অনেকে বলেন হয় ৮মাসে আল্ট্রা করবো অথবা আল্ট্রাই করবোনা।

আশা করি যারা পোস্টটি ভালোভাবে পড়েছেন তারা বুঝতে পেরেছেন কেন প্রথমদিকে একটা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয় আর কেন সবসময় ডাক্তারের চেকআপে থাকতে হয়।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে সুস্থ ও ভালো রাখুন🤲।
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ পেতে medialoy পেজটি ফলো করতে পারেন ।
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••🔥

🎯নারীদের ওভারি সিস্ট কি, কেন হয় এবং করণীয়⁉️°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°•♦️নারীদের ওভারি বা ডিম্...
11/02/2023

🎯নারীদের ওভারি সিস্ট কি, কেন হয় এবং করণীয়⁉️
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

♦️নারীদের ওভারি বা ডিম্বাশয়ে সিস্ট হওয়া বর্তমানে কমন একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইদানিং অনেক নারী এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে তে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত ৫০ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে। মূলত ডিম্বাশয়ে পানিপূর্ণ থলেকে ওভারিয়ান সিস্ট বলা হয়। নারীদের নানা ধরনের সিস্ট হয়ে থাকে।

চলুন জেনে নিই সে ধরনগুলো কী।
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
🔴ফাংশনাল সিস্ট:
°°°°°°°°°°°°°°°°°° সাধারণত বেশির ভাগ নারীর ক্ষেত্রে ফাংশনাল সিস্ট হয়ে থাকে।ওভারি থেকে ডিম না ফুটলে অথবা ডিম ফোটার পরও ফলিকলগুলো চুপসে না গেলে সিস্ট সৃষ্টি হতে পারে ।

🟦সমস্যা :
°°°°°°°°°°° এতে সাধারণত তেমন কোনো সমস্যা হয় না। অনেকেরই এটি হতে পারে।

🔴পলিসিস্টিক (পিসিওএস) সিস্ট:
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° ওভারিতে যে ছোট ফলিকল থাকে সেগুলো পূর্ণাঙ্গ না হলে পলিসিস্টিক সিস্ট হয়।

🟦সমস্যা:
°°°°°°°°°° এ ক্ষেত্রে রোগী যদি অবিবাহিত হন তাহলে সমস্যা হতে পারে। ছোট বয়সের মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক হয়। বিবাহিতদের অনিয়মিত মাসিক হতে পারে। বন্ধ্যত্বও হতে পারে।

🔴এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট:
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° ওভারিতে যে টিস্যুগুলো থাকে সেই টিস্যুগুলো যদি জরায়ু ছাড়া পেটের অন্য কোথাও হয়ে থাকে তখন তাকে এন্ডমেট্রিওটিক সিস্ট বলা হয়। এগুলো ডিম্বাশয়ে এমনিতেই থাকতে পারে এবং বেশি পরিমাণ থাকতে পারে।

🟦সমস্যা:
°°°°°°°°°° বন্ধ্যত্ব হতে পারে এবং মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

🔴ডারময়েড সিস্ট:
°°°°°°°°°°°°°°°°°° এই সিস্টের ভেতর চামড়া, চুল, দাঁতও থাকতে পারে। এটিও সচরাচর থাকে। এর ফলে ক্যানসার হতে পারে।

🟦সমস্যা:
°°°°°°°°°° অনেক সময় তীব্র ব্যথা করে। যেকোনো সময় ওভারি পেঁচিয়ে যেতে পারে। এর কারণে বিনাইন ক্যানসার হতে পারে।

🔴সিস্ট এডোনোমা :
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° ডিম্বাশয়ে এক ধরনের তরল জাতীয় পদার্থই জমাট বেঁধে এই ধরনের সিস্ট হয়।

🟦সমস্যা :
°°°°°°°°°° এতে সমস্যা নাও হতে পারে।

🟦কারণ:
°°°°°°°°° ওজনাধিক্যের কারণে সিস্ট হতে পারে। বন্ধ্যত্ব রোগের চিকিৎসায় যে ওষুধ ব্যবহার করা হয় তার জন্যও এই সমস্যা হতে পারে। হরমোনজনিত কারণে হতে পারে।
বংশগত কারণে হতে পারে।
ওভারি ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসার, খাদ্যনালির ক্যানসার বিশেষ করে বিআরসিএ জিন যাদের থাকে তাদের এ সমস্যা হতে পারে।

🟦লক্ষণ:
°°°°°°°°° ওভারি সিস্ট হলে খাওয়ার অরুচি হয়। ওজন বেড়ে যেতে পারে। যদি এর কারণে ক্যানসার হয় তখন ওজন কমে যেতে পারে। বমি হয়ে থাকে, পায়খানা কষা হয় এবং পেট তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যায়। কিছু সিস্টের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে।

🟩রোগ নির্ণয়:
°°°°°°°°°°°°°° এই রোগ নির্ণয় করতে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। এ ছাড়া সিটি স্ক্যান, এমআরআই, হরমোন লেভেল দেখা, লেপারোস্কোপি ইত্যাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। আবার কিছু টিউমার মার্কার দিয়েও রোগ নির্ণয় করা হয়। যেমন : সিএ ১২৫ পরীক্ষা করা হয়।

🟩চিকিৎসা:
°°°°°°°°°°°° কিছু কিছু বিনাইন টিউমারে যেগুলোর ক্ষেত্রে ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে না সেগুলোতে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। আর যদি বেশি সমস্যা হয়, ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে, প্রচণ্ড ব্যথা হয়, সিস্ট বড় হতে থাকে তখন সার্জারি করা হয়। এ ছাড়া লেপারেস্কোপি, লেপারেকটমিও করা হয়। আর ক্যানসার হলে ক্যামোথেরাপি বা রেডিও থেরাপি করতে হয়।

🟦জীবনযাপনে পরিবর্তন:
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° ওজন কম রাখা (পেলসেপটিক ওভারির ক্ষেত্রে) এন্ডমেট্রিওটিকের ক্ষেত্রে বিয়ে করা এবং সন্তান নেওয়া।
কিছু কিছু টিউমার আছে যারা নীরব ঘাতক। তাই নিজের উদ্যোগে নিয়মিত চেকআপ করা।

যদি বংশে থাকে তাহলে ঝুকি বেশি থাকে। সে ক্ষেত্রে সন্তান গ্রহণের পর ডিম্বাশয় ফেলে দেওয়া যেতে পারে।

মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ পেতে medialoy পেজটি ফলো করতে পারেন ।
🔥••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••

11/02/2023

জিহ্বা সাদা হয়ে যাওয়া যে রোগের গুরুতর লক্ষণঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
👉জিহ্বা সাদা হওয়া বা হোয়াইট টাঙের সম্ভাব্য কিছু কারণ আছে। মুখের দুর্গন্ধ ও শুষ্কতা হলো ‘সাদা জিহ্বা’র প্রাথমিক লক্ষণ। এক্ষেত্রে জিহ্বার উপরে পুরু সাদা আস্তরণ পড়ে, আবার কারও কারও জিহ্বায় দাগ পড়ে।

🟡ব্রাশ করলে কিংবা টাঙ স্ক্র্যাবার ব্যবহারের পরও এই দাগ সহজে যায় না। অনেকটা সাদা লোমের মতো দেখায় জিহ্বা। সেগুলো আসলে জৈব কণা, ব্যাকটেরিয়া ও মৃত কোষ দ্বারা সৃষ্ট প্লেক বা ফলক।

🔵জিহ্বায় সাদা ফলক (যা হলুদও হতে পারে) বিভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে, যেমন জ্বালা বা সংক্রমণের কারণে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ সমস্যা কিছুদিন পরেই অদৃশ্য হয়ে যায়।

👉যদি পরিস্থিতি কয়েক সপ্তাহের জন্য পরিবর্তিত না হয় ও খাওয়া বা কথা বলার সময় ব্যথার সৃষ্টি করে তাহলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

জিহ্বার রং বদলে যাওয়া নানা রোগের ইঙ্গিত দেয়। যদিও বাদামি জিহ্বা খুব বেশি কফি বা চা পান করার কারণে হয়। অন্যদিকে হলুদ জিহ্বা লিভারের রোগের ইঙ্গিত দেয়। আবার একটি লাল জিহ্বা ভিটামিন বি এর ঘাটতিকে বোঝায়।

🔴কেন জিহ্বা সাদা হয়ে যায়?
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
জিহ্বা সাদা হয়ে যায় ব্যাকটেরিয়া, খাবারের অবশিষ্ট ও আটকে থাকা মৃত কোষের কারণে। এভাবেই ধীরে ধীরে জিহ্বার পৃষ্ঠে সাদা দাগের সৃষ্টি হয়।

কখনো কখনো অসুস্থতার কারণেও প্লেক দেখা দেয় জিহ্বায়। উদাহরণস্বরূপ, ভৌগলিক জিহ্বার ক্ষেত্রেও সাদা দাগ দেখা যায়।
এটি বেশ বিরল ও কারণ অজানা, তবে এক্ষেত্রে জিহ্বায় প্রচণ্ড জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হয়। মানসিক চাপ, অসুস্থতা বা হরমোনের পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়াও এটি হতে পারে।

🔴আরও যেসব কারণে জিহ্বা সাদা হয়ে যায়-
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
১. বয়স
২. অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ (মুখে ছত্রাকের সংক্রমণ হলে সাদা-হলুদ ফলক দেখা যায়)
৩. এমন একটি খাদ্য যাতে পর্যাপ্ত ফল, শাকসবজি, ভিটামিন বি ১২ ও আয়রনের অভাব আছে
৪. দুর্বল ইমিউন সিস্টেম
৫. মুখের স্বাস্থ্যবিধি খারাপ থাকা
৬. ডেন্টাল প্রস্থেটিক্স বা অন্যান্য বস্তু যা জিহ্বার ক্ষতি করতে পারে
৭. ডিহাইড্রেশন ও মুখের শুষ্কতা

🟡সাদা জিহ্বার কারণে ছোট ছোট ছিদ্রের মতো দেখা দেয় জিহ্বায়। এর কারণ হলো জিহ্বায় ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে যাওয়া। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল মাউথওয়াশ ব্যবহারের
মাধ্যমে এটি থেকে পরিত্রাণ মিলবে।

এছাড়া জিহ্বার ছিদ্রের চারপাশে একটি রিং থাকতে পারে, যা স্বাভাবিক। এর মানে টিস্যু নিরাময় হচ্ছে। যদি আঘাতের কারণে প্লেক উপস্থিত হয় (ছিদ্র সহ), তা নিরাময়ে প্রায় দেড় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এক্ষেত্রে গরম, মসলাদার, টক খাবার ও পানীয় এড়ানো উচিত।

🔴সাদা জিহ্বা থেকে পরিত্রাণ মিলবে যেভাবে
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
১. মুখের স্বাস্থ্যবিধি ভালো রাখার অনুশীলন করা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান করা।
৩. নরম টুথব্রাশ ব্যবহার করে দাঁত ব্রাশ করা।
৪. হালকা ফ্লোরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন, যেটিতে সোডিয়াম লরিল সালফেট নেই।
৫. ফ্লোরাইড মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
৬. জিহ্বা ব্রাশ করুন বা স্ক্র্যাবার ব্যবহার করুন।
৭. মসলাদার, নোনতা, অ্যাসিডিক বা তাপমাত্রায় খুব গরম খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলুন।

Address

Dhaka
1930

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when medialoy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to medialoy:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram