RadioHannan.com

RadioHannan.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RadioHannan.com, Kuala Lumpur.

 #মৃত্যুশয্যায় সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ। দূর্বল কন্ঠে তাঁর স্ত্রীকে বিছানায় পাশে বসতে বললেন। খুব প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্নের ...
10/07/2020

#মৃত্যুশয্যায় সাহাবী খালিদ বিন ওয়ালিদ।
দূর্বল কন্ঠে তাঁর স্ত্রীকে বিছানায় পাশে বসতে
বললেন। খুব প্রয়োজনীয় একটি প্রশ্নের উত্তর
জানা যে বাকি রয়ে গেছে! এই সেই মহাবীর
খালিদ যিনি সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনা-
প্রধান। যার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ১০০ টির
ও বেশি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং কোনোটাতেই
পরাজয় বরণ করেনি।তার রণকৌশল আজও
বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের সময়
পাঠ্য হিসাবে শিখানো হয়! তাঁর নামে মুসলিম দেশগুলোতে আজও অনেক ব্রিগেড,যুদ্ধবিমান
ও নৌযানের নামকরণ করা হয়।

এই সেই খালিদ বিন ওয়ালিদ যাকে স্বয়ং
রাসূল মুহাম্মদ (সা.) 'সাইফুল্লাহ' উপাধি
দিয়েছিলেন, যার মানে আল্লাহর তরবারি।
এই সেই খালিদ যিনি মুসলিম বাহিনীর সেনা-
প্রধান হিসেবে তুখোড় বিজয়ী আর ক্যারিয়া-
রের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তৎকালীন খলিফা
উমর ইবনুল খাত্তাবের নির্দেশে বিনা বাক্য
ব্যয়ে সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে
সাধারণ সৈনিক হিসেবে লড়াই করা শুরু
করেন। নেতার নেতৃত্ব মানতে হবে, এতো
ইসলামে ভীষণ জোড় দিয়ে বলা। নেতার
নির্দেশের প্রতি আনুগত্য একজন সত্যিকার
বীরের মহত্ব।

স্ত্রীকে খালিদ বললেন, 'প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি
বেশিক্ষণ বাঁচবো বলে মনে হচ্ছেনা।
একটা আফসোস এই বিদায় বেলায় ভীষণ কষ্ট দিচ্ছে,
তুমি কি উত্তর দিতে পারো'?

খালিদের স্ত্রী বিনয়ের সাথে জিজ্ঞাসা করলেন,
'হে মহাবীর, কি প্রশ্ন আপনার মনে'?
৫৭ বছরের খালিদ বললেন, 'তুমি আমার সারাটা শরীর
পরীক্ষা করে দেখো, এমন কোনো স্থান কি
আমার শরীরে আছে যেখানে শত্রুর তরবারীর
আঘাত নেই'? দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা করে স্ত্রী উত্তর
দিলেন, 'না, আল্লাহর রাস্তায় আপনি এতো
বেশি যুদ্ধ করেছেন যে শত্রুর আঘাত আপনার
সারাটা শরীরেই আছে'। খালিদ বিন ওয়ালিদ
তখন দুঃখ নিয়ে বললেন, 'আল্লাহর কসম,
প্রতিটা জিহাদে আমার নিয়ত থাকতো যেনো
আমি ময়দানে শত্রুর আঘাতে মারা যাই, তাতে
যেনো শহীদের মর্যাদা পাই। কিন্তু আফসোস,
দেখো আজ যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যু না হয়ে আমার
মৃত্যু হচ্ছে আমারই বিছানায়!
আমায় কি আল্লাহ শহীদদের মাঝে রাখতে চাননা'?

স্বামীর আফসোস দেখে স্ত্রী কিছুক্ষণ মৌন
রইলেন। এরপর করলেন সেই বিখ্যাত উক্তি,
'আপনার নাম স্বয়ং রাসূল (সা.) রেখেছিলেন ‘সাইফুল্লাহ’- এমন কোনো তরবারী কি দুনিয়ায়
আছে যেটা আল্লাহর তরবারীর মোকাবেলা
করতে পারে? তাইতো ময়দানে আপনার মৃত্যু
হয়নি কারন আল্লাহ তাঁর তরবারী মাটিতে
লুটিয়ে যেতে দেননি'। ভীষণ খুশি হলেন খালিদ
বিন ওয়ালিদ, বুঝতে পারলেন আল্লাহর ইচ্ছা
এবং কিছুক্ষণ পরে শান্তিতে বেহেস্তের রাস্তায়
চলে গেলেন।

আমরা অনেকেই সম্রাট জুলিয়াস সিজারের
গুনগান করি, আলেকজান্ডারের ঘটনা মন
দিয়ে শুনি, নেপোলিয়ানকে শ্রেষ্ঠ বলি। অথচ
নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে গবেষণা করলে সবাই এক
বাক্যে স্বীকার করবে যে জেনারেল খালিদ
বিন ওয়ালিদের নেতৃত্বগুণ, বীরত্ব আর রণ
কৌশলের সামনে অন্য যেকোনো সেনানায়কই
তুচ্ছ। খালিদ বিন ওয়ালিদকেই আমার সর্ব
কালের সর্বশ্রেষ্ঠ যোদ্ধা মনে হয়। আর এসব
কোনো কল্পকাহিনী নয়, ইতিহাস ঘাটলেই তাঁর
শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানিত হয়।
এমন বীর সাহাবীদের জীবনী যেনো আমাদের
প্রতিদিনের পথচলায় অনুপ্রেরণার উৎস হয়😍

সংগ্রহীত।।

28/06/2020

এই ভিডিওটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। যাতে তাদের বাপ মায়ের কাছে পৌঁছে যায়।এই কয়েকজন মেয়ের কারনে আরো অনেক মেয়ে নষ্ট হতে চলেছে। এসব নোংরা স্কুল কে ঘৃণা করি।

03/06/2020

যারা মি.মওদুদীর অনুসারী রগকাটা ককটেল বাহিনী, ১৬ কোটি মানুষের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি,ইসলাম,দেশ ও মানবতার শক্রদের সাথে আত্মীয়তা ও মায়া-কান্নায় ব্যস্ত এই সমস্ত নামধারী কলঙ্ক আলেমের জন্যই এই
বয়ানটি।

Coppyবরারব,মাননীয়মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি সাহেব!অধুনিক ও প্রযুক্তির জামানায় নিশ্চয় আপনি একজন উপযুক্ত বক্তা,সর্বমহলে ...
03/06/2020

Coppy
বরারব,
মাননীয়
মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারি সাহেব!

অধুনিক ও প্রযুক্তির জামানায় নিশ্চয় আপনি একজন উপযুক্ত বক্তা,সর্বমহলে প্রশংসিত আপনার এমন যোগ্যতা। বক্তৃতার ময়দানে আপনাকেই প্রয়োজন মুসলিম উম্মাহর জন্য ।
কিন্তু অত্যন্ত কষ্ট হয় তখন, যখন আপনি ভুল মাসয়ালা দিয়ে সমাজের মাঝে ফেতনা সৃষ্টি করেন। আসলে আপনি মনেহয় জানেনই যে, উলুমুল হাদিস আর উলুমুল ফিকাহ এক বিষয় নয়। এ দুই বিষয়ের মাঝে রয়েছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান।
মাসয়ালার বিষয়ে "ইমাম আ'যম আবু হানিফা (নূ'মান বিন সাবিত) (রহ:) নাম্বার ওয়ান, আর হাদিসের বিষয়ে ইমাম বুখারি (রহ:)নাম্বার ওয়ান।তারা দুজনই কিন্তু শ্রেষ্ঠ।কিন্তু একই বিষয়ে নয়।দুই বিষয়ে। তাছাড়া ইমাম বুখারি( রহ:) যার কাছ থেকে
ইলম শিখেছেন তিনি কিন্তু অন্য কেউ নয়।
ইমাম আবু হানিফা (রহ:) এরই ছাত্র।অর্থাৎ ইমাম আবু
হানিফা (রহ:) ও ইমাম বুখারি( রহ:) এর মাঝে
দাদা নাতির সম্পর্ক।
মাওলানা আজহারি সাহেব! আপনার কি স্মরণ আছে?
ইমাম বুখারি (রহ:) এর কাছ থেকে মাত্র একটা মাসয়ালা চাওয়া হয়েছিল,বকরির প্রশাব পাক নাকি নাপাক? তখন কিন্তু তিনি ভুল ফতোয়া দিয়েছিলেন যে বকরির প্রশাব পাক। আর এই ভুল ফতোয়া দেওয়ার কারণে ফেতনা ছড়িয়ে পড়েছিল সমাজে।
যার কারণে তাঁকে নিজ জন্মভূমি বুখারা শহর ছাড়তে বাধ্য
হতে হয়েছিল!
আজহারি সাহেব! আমি কিন্তু সলিমুদ্দিন - কলিমুদ্দিনের ঘটনা বলছি না। আমি বলছি হাদিসের সর্ব শ্রেষ্ঠ ইমাম, সহিহ বুখারি শরিফের লেখক,ইমাম বুখারি (রহ:) এর ঘটনা। যার রাবির নাম সহ ১ লক্ষ যঈফ হাদিসই মুখস্থ ছিল।আজহারি সাহেব! ইমাম বুখারি (রহ:)
এর শিক্ষার অভাব ছিল নাকি মেধা কম ছিল!!?
অযোগ্য মানুষ ছিলেন তিনি!? জ্বী না।
তিনি শিক্ষিত,মেধাবি ও যোগ্য, এমনিকি যোগ্যর চেয়েও যোগ্য লোক ছিলেন ।কিন্তু মাসয়ালা বিষয়ে নয়,বরং হাদিস বিষয়ে।
মাওলানা সাহেব! ইমাম বুখারি (রহ:) এর এই ঘটনা থেকে মাত্র একটি মেসেজে গ্রহণ করুন,বুখারি শরিফ মাসয়ালার কিতাব নয়
বরং হাদিসের কিতাব। আর আপনি সেই সহিহ হাদিসের কিতাব থেকে মাসয়ালা দিচ্ছেন।
ফলে কী হচ্ছে! আপনার দ্বারা সমাজে ফেতনা ছড়াচ্ছে।
যেই কিতাবের লেখককে ভুল ফতোয়া দেওয়ার কারণে নিজ শহর ছাড়তে হলো,সেই কিতাবের হাদিস দিয়ে ভুল মাসয়ালা দেওয়ার কারণে আপনার নিজ এলাকা কুমিল্লাতে আপনার মাহফিল বন্ধ
হয়ে যায়। আপনার নিজ এলাকার মানুষ আপনাকে ফেতনাবাজ ভাবে।আপনি বিশ্ব জয় পরে করুন!প্রথমে নিজ এলাকা জয় করুন!কারণ আপনাকে নিয়ে বিশ্ব গর্ব করার চেয়েও উত্তম
আপনার এলাকার মানুষের গর্ব করা।....
মাওলানা সাহেব!
আমরা আপনার শত্রু নয়।আপনাকে ছোট করছি না।
আপনার প্রতি হিংসাও করছি না।আপনি যোগ্য তবে বক্তা হিসেবে। মুফতি হিসেবে আপনি কিছুই না।
সুতরাং আপনার কাজ আপনি করুন। মুফতি সাহেবদের কাজ
মুফতি সাহেবদের হাতে ছেড়ে দিন।
আর যদি মাসয়ালা দিতেই চান, তাহলে উলুমুল ফিকাহ
এর কিছু উসুল পড়ুন। কিছু ফেকহি কিতাব মুতালায়া করুন। মাসয়ালার কিতাব থেকেই মাসয়ালা দিন,তবেই আর কোনো প্রশ্ন থাকবে না।...
আজহারি সাহেব! আপনার সাথে বাপ দাদার সম্পতি নিয়ে কোনো দন্দ বাঁধেনি যে আমরা আপনার বিরধীতা করবো।
খুবই খুশি হই, যখন আল্লামা আহমদ শফি সাহেবের (দা:বা:)এর
কাছে থেকে দোয়া নিতে যান। আপনাকে নিয়ে গর্ব করি যখন মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের সাথে প্রোগ্রাম করেন।
এই পুরো পৃথিবীটা এই মুহূর্তে লকডাউন পড়ে আছে জীবন চলা, কদম ফেলা যেখানে অনিশ্চিত, সেখানে আমরা কেনই বা আপনার পিছু লাগতে যাব?এটা ঐক্যের সময়, সারা বিশ্বে মুসলিম যেখানে নির্যাতিত, মুসলমানদের অধিকার ফিরিয়ে নিতে আমাদের এই হওয়া জরুরী ভঙ্গন না! মজলুম মুসলমানদের মুখে হাসি ফুটাতে আজ
আপনাদের মত আরো তরুন বক্তার বড়ই প্রয়োজন!..
অতএব কোন কাজ করতে সচেতনতার সাথে করুন এতে সমাজ ও ভালো থাকবে আপনিও ।

জরুরী কিছু কথা। (সবাই পড়বেন,মতামত দিবেন)ডাক্তারদের মাঝে যেমন বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে। কেউ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, কেউ সার্জন, ...
02/06/2020

জরুরী কিছু কথা।
(সবাই পড়বেন,মতামত দিবেন)

ডাক্তারদের মাঝে যেমন বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে। কেউ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, কেউ সার্জন, কেউ স্পেশালিট, কেউ অন্যকিছু।

তেমনি আলেমদের মাঝেও বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে। কেউ শুধু মাওলানা, কেউ মুফতী,কেউ মুহাদ্দিস, কেউ মুফাসসির,কেউ কারী।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার যদি সার্জনের কাজ শুরু করে দেয় রোগীর কি অবস্থা হবে? ডেন্টাল স্পেশালিস্ট যদি হার্ট সার্জারী করা শুরু করে রোগী কি বাঁচবে?

ঠিক সেম অবস্থা হচ্ছে বর্তমানে, এক বিষয়ের স্পেশালিস্ট আলেম অন্যবিষয়ে সমাধান দিচ্ছেন। মুফাসসির মুফতীর কাজ করা শুরু করছেন। কারী মুহাদ্দিসের কাজ করা শুরু করেছেন।

ফলে কী হল? সারাদেশে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হল। মানুষ নানা দলে বিভক্ত হল। একবক্তা আরেক বক্তাকে জুতা দেখাল। এক ভক্ত আরেক ভক্তের চৌদ্দগুষ্ঠী উদ্ধার করল।

আসলে মূল সমস্যাটা কোথায়? ফিকহী মতবিরোধ তো আগেও ছিল কিন্তু এই অবস্থা কেন সৃষ্টি হল। তার কারণ বুঝতে চারজন বিখ্যাত ব্যক্তির উপমা তুলে ধরলাম।

১. মাওলানা তারিক জামিল হাফিযাহুল্লাহ. বর্তমান সময়ে সারাবিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিখ্যাত আলেম। তার তুলনা তিনি নিজেই। তবে তিনি হচ্ছেন দাওয়াহ স্পেশালিস্ট। তাই মাসআলা বলা, ফতওয়া দেয়া এসব তিনি কৌশলে এড়িয়ে চলেন। এজন্য সারাবিশ্বে তাকে নিয়ে কোন বিতর্ক নেই।। তার কোন হেটার্স নেই। কারণ তিনি তার গন্ডির বাহিরে গিয়ে কখনোই আলোচনা করেন না।

২. ড. জাকির নায়েক হাফি. সারাবিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী আরেক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। তিনি তুলনামূলক ধর্মত্বত্ত্বে স্পেশালিষ্ট। এ বিষয়ে তিনি সেরাদের অন্যতম। এটা সব আলেমগণই স্বীকার করেন। কিন্তু তাকে নিয়ে সারা বিশ্বে বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞ আলেমগণ তার গবেষণা মাঝে বহু ভুলত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন। কেন? হিংসায়? নাহ,
তিনি যখন ধর্মতত্ত্বের লেকচার দিতেন,ডিবেট করে বিভিন্ন অমুসলিম পণ্ডিতদের হারিয়ে দিতেন তখন সব দেশের বিজ্ঞ আলেমগণ তাকে সাপোর্ট করত। কিন্তু তিনি যখন নিজের গন্ডির বাহিরে গিয়ে ফিকাহ ও ফতওয়া নিয়ে লেকচার দিতে শুরু করেছেন। তখন আলেমগন তার সমালোচনা শুরু করলেন, তার ভুলগুলো তুলে ধরলেন। কেননা তিনি উক্ত বিষয়ে স্পেশালিস্ট ছিলেন না।

৩. মাওলানা দেলাওয়ার হুসাইন সাইদী হাফি. বাংলাদেশের ইতিহাসে বিখ্যাত একজন মুফাসসীর। তিনি ছিলেন তাফসীর স্পেশালিস্ট। এজন্য তিনিও মাসআলা বলা, ফতওয়া দেয়া এসব কৌশলে এড়িয়ে চলতেন। তাই এখনো বাংলার যমীনে তিনি সর্বজনপ্রিয়। মুফাসসীর হিসেবে তাকে নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। কারণ তিনি নিজের গন্ডির বাহিরে গিয়ে কিছু বলতেন না। (আল্লাহ তাকে যুলুম থেকে মুক্ত করুন)

৪. মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী হাফি. সময়ের আরেক আলোচিত নাম। আল্লাহ তাকে চমৎকার প্রেজেন্টেশনের গুণ দান করেছেন। তিনিও তাফসীর স্পেশালিস্ট। মিশরের জামিয়া আল আজহার থেকে এ ডিগ্রি নিয়েছেন। কিন্তু তিনি ক্ষণে ক্ষণে বিতর্কিত হচ্ছেন। বিজ্ঞ আলেমগণ তার আলোচনায় বহু ভুল খুঁজে পাচ্ছেন। কেন?হিংসায়? ব্যবসা লাটে উঠেছে বলে? নাহ। তিনি যখন নিজের গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে আলোচনা করতেন। বিজ্ঞ আলেমগণ তাকে আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত মনে করতেন। কিন্তু তিনি যখন নিজের গন্ডি ভুলে ফিকাহ ও ফতওয়া বিষয়েও সমাধান দেওয়া শুরু করলেন তখনই বিজ্ঞ আলেমগণ তার সমালোচনা শুরু করলেন। তার ভুলগুলো তুলে ধরলেন। কেননা তিনি উক্ত বিষয়ে স্পেশালিস্ট নন।

আশা করি ক্লিয়ার বুঝতে পেরেছেন মূল সমস্যাটা কোথায়।

সুতরাং আপনার যখন মেডিসিন (দাওয়াহ/দ্বীনি অনুপ্রেরণা ) এর প্রয়োজন হবে অভিজ্ঞ মেডিসিন স্পেশালিস্ট (মুফাসসীর) এর কাছে যাবেন। তার প্রেসকিপশান (ওয়াজ) মোতাবেক আমল করবেন।

আর যখন অপারেশন (ফতওয়া/হারাম- হালাল,জায়েজ - নাজায়েজ প্রশ্নের উত্তর ) এর প্রয়োজন হবে তখন অভিজ্ঞ সার্জন ( মুফতী) এর কাছে যাবেন। তার সার্জারী (ফতওয়া ) মতো আমল করবেন। এটাই সুস্থ বিবেকের দাবী।

তারপরও কেউ অন্ধভক্তি দেখালে সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমার কিছু বলার নেই। কেননা, কুরআনে এ ধরণের ব্যক্তিকেই সালাম বলে ইগনোর করতে বলা হয়েছে।

সংগ্রহীত

01/06/2020

আজহারির মতন ব্রান্ত আকিদা। ব্রান্ত ফতুয়া জাদের আছে। তারা সবাই মওদুদীর দালাল। ভুল ফতুয়া দিয়ে কিভাবে টিকতে পারে বাংলাদেশে।

ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই নাস্তিকের ফাঁসি চাই ।কাল মুফতি মামুনুল হক সাহেবের লাইফ চলাকালীন। এক নাস্তিক আমাদের প্রিয় নবী হযরত ম...
22/05/2020

ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই নাস্তিকের ফাঁসি চাই ।কাল মুফতি মামুনুল হক সাহেবের লাইফ চলাকালীন। এক নাস্তিক আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বাজে কমেন্ট করেছে। আমরা তার ফাঁসি চাই। পোস্টটি শেয়ার করে আইনের কাছে পৌঁছে দিন।

আফগানিস্তান হচ্ছে বর্তমান পৃথিবীরঅন্যতম একটি দরিদ্র দেশ(দারিদ্রতারর্যাঙ্কিং এ তৃতীয় বা চতুর্থ) এবং একটিঅশিক্ষিত দেশ। যে...
07/05/2020

আফগানিস্তান হচ্ছে বর্তমান পৃথিবীর
অন্যতম একটি দরিদ্র দেশ(দারিদ্রতার
র্যাঙ্কিং এ তৃতীয় বা চতুর্থ) এবং একটি
অশিক্ষিত দেশ। যে দেশের প্রায়
অধিকাংশ জনগণ পড়তে এবং লিখতে
জানেনা। যে দেশের সাক্ষরতার হার
মাত্র ২৮%। তারপরেও কেন বিশ্বের
প্রত্যেকটি Super Power তাঁদের নিজস্ব
সময়ে (যখন Ruling State of the World) এই
দরিদ্র, অশিক্ষিত দেশটিকে আক্রমন
করেছে। সেই সাথে অবাক করা বিষয় হচ্ছে
প্রত্যেকটি Super Power ই এই
আফগানিস্তানে পরাজিত হয়েছে এবং এর
পরেই তাঁদের সাম্রাজ্য অস্তমিত হয়েছে।
আক্রমণের কারণ হিসেবে এমনটি বলতে
পারবেন না যে দেশটি প্রাকৃতিক সম্পদে
সমৃদ্ধ, তেলের খনি আছে বা স্বর্ণের খনি
আছে আর তাই এই সম্পদ লুঠ করার জন্যেই
প্রত্যেকটি Super Power দেশটিতে আক্রমন
করেছে। যখন ইউরোপ সারা পৃথিবী শাসন
করেছে, সারা পৃথিবীকে তাঁদের
কলোনিতে পরিণত করেছে তখন তারাও এই
আফগানিস্তান অঞ্চলটিকে নিজদের
কলোনিতে পরিণত করার জন্যে প্রানপ্রন
চেষ্টা করেছে কিন্তু সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ
হয়েছে। যখন ব্রিটিশরা পৃথিবীর Super
Power ছিল তখন তারাও এই আফগানিস্তানে
আক্রমণ চালিয়েছে। ব্রিটিশরা প্রথম
আক্রমণ চালায় ১৮৩৯ সালে। যেটা First
Anglo-Afgan War নামে পরিচিত এবং সেটি
স্থায়ী হয়েছিল ১৮৩৯ সাল থেকে ১৮৪২ সাল
পর্যন্ত। দ্বিতীয়বার আক্রমণ চালায় ১৮৭৮
সালে। যেটা Second Anglo-Afgan War নামে
পরিচিত এবং সেটি স্থায়ী হয়েছিল ১৮৭৮
সাল থেকে ১৮৮০ সাল পর্যন্ত। উল্লেখ্য
হচ্ছে দুটি যুদ্ধেই ব্রিটিশরা শোচনীয়ভাবে
পরাজিত হয় এবং এর মধ্য দিয়েই ব্রিটিশ
সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। তারপর Super
Power হয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন
(বর্তমান রাশিয়া)। তারাও ১৯৭৯ সালে
আফগানিস্থানে আক্রমণ চালায় এবং ১০
বছর যুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন
আফগানিস্থানে পরাজিত হয় এবং এই
পরাজয়ের মধ্য দিয়েই সোভিয়েত
সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। তারপর বিশ্বের
Super Power হয় বর্তমান আমেরিকা এবং
তারাও ২০০১ সালে আফগানিস্থান আক্রমণ
করে। ইনশাল্লাহ তারাও সেখানে পরাজিত
হবে এবং এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই পৃথিবীর
বুকে আমেরিকান সাম্রাজ্যের পতন শুরু
হবে। তারপর Super Power হবে ইসরায়েল
এবং তারাও আফগানিস্থানে সর্বাত্মক যুদ্ধ
পরিচালনা করবে এবং সেখানে পরাজিত
হয়েই বর্তমান পৃথিবীর মানচিত্র থেকে
বর্তমান ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটবে।
(ইসরায়েল রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ সামনে
বিস্তারিত আলোচনা করা হবে)। এখন
আপনার কাছে প্রশ্ন হচ্ছে কেন প্রত্যেকটি
Super Power তাঁদের নিজস্ব সময়ে পৃথিবীর
এই দরিদ্রতম অঞ্চলটিকে
(আফগানিস্থানকে) আক্রমণ করেছে এবং
প্রত্যেকেই সেখানে পরাজিত হয়েছে এবং
এই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই প্রত্যেকের
সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়েছে? বিশেষভাবে
উল্লেখ্য যে যারাই আফগানিস্তান
অঞ্চলটিকে আক্রমণ করেছে তারা
প্রত্যেকেই ছিল আধুনিক অস্ত্রে-সস্ত্রে ও
গোলাবারুদে সজ্জিত। অপরদিকে
আফগানদের অস্ত্র-সস্ত্র ও জনবল বলতে
উল্লেখ করার মত তেমন কিছুই ছিলনা।
আক্রমণকারীদের তুলনায় একেবারে নগন্য।
তারপরেও আফগানরা প্রত্যেকবার বিজয়ী,
এটাই সত্য, এটাই ইতিহাস!!!
:
খ) আমেরিকা আফগানিস্থান আক্রমণ
করেছে ২০০১ সালে । পরবর্তীতে
আমেরিকার সাথে যোগ দিয়েছে NATO।
NATO হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের
অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী এবং
সামরিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর
একটি সামরিক সংঘটন। যারা আধুনিক
পারমাণবিক অস্ত্র-সস্ত্র, গোলাবারুদ,
ট্যাঙ্ক, ড্রোন ও পর্যাপ্ত জনবলে সজ্জিত।
অপরদিকে আমেরিকা ও NATO যাদের উপর
আক্রমণ করেছে তারা হচ্ছে অত্যন্ত দরিদ্র
ও অশিক্ষিত একটি জনগোষ্ঠী।
আফগানিস্থানে আমেরিকা ও NATO এর
সৈন্য সংখ্যা হচ্ছে ১৫০০০০ বা তাঁর কিছু
বেশী বা কম। অপরদিকে আফগান
মুজাহিদিনদের (তালিবানের) সৈন্য
সংখ্যা হচ্ছে ২০০০০-২৫০০০ যাদের হাতে
অস্ত্র-সস্ত্র বলতে উল্লেখ করার তেমন
কিছুই নেই। একবার চিন্তা করে দেখুন
আধুনিক পারমাণবিক অস্ত্রে-সস্ত্রে,
ট্যাঙ্ক, গোলাবারুদে, এবং ড্রোনে সজ্জিত
১৫০০০০ সৈন্যের ২০০০০/২৫০০০ সৈন্যকে
পরাজিত করতে ১১ বছর লাগে!!!জয় দূরের
কথা বরং আধুনিক অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত
সাম্রাজ্যবাদী শক্তিই আস্তে আস্তে পিছু
হটছে। কয়েকদিন আগে একটা সংবাদে
দেখলাম NATO নাকি গোপনে ৩০০০০ হাজার
সৈন্য দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন প্রশ্ন
হচ্ছে কেন আধুনিক অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত
এবং অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী ১৫০০০০
সৈন্য ২৫০০০ সৈন্যের সাথে পারতেছেনা?
আমেরিকা ও NATO চাইলে তো একদিনেই
তালিবানদেরকে মাটির সাথে মিশিয়ে
দিতে পারে। তাহলে কেন তা করছেনা বা
করতে পারছেনা?
:
গ) একবার চিন্তা করে দেখুনতো
তালিবানদের কি এমন প্রয়োজন যে
নিশ্চিত ও সুন্দর পারিবারিক জীবনের
মায়া ছেড়ে বছরের পর বছর বনজঙ্গলে ঘুরে
ঘুরে প্রতিনিয়ত মৃত্যুটাকে সাথে নিয়ে যুদ্ধ
করার। এরা কি পারে না আমেরিকা ও
NATO এর সাথে আপোষ করতে। আমেরিকা ও
NATO তো আপোষ করার প্রস্তাব
তালিবানদেরকে বার বার দিচ্ছে। কেন
তালিবানরা মরতে রাজি আছে কিন্তু এইসব
কুফফারদের সাথে আপোষ করতে রাজি না?
:
-ইনশাল্লাহ উপরের তিনটি প্রশ্নের উত্তর
পাওয়া যাবে আল্লাহ্ রাসুল(সাঃ) এর একটি
ভবিষ্যৎবানীর আলোচনার মাধ্যমে।
:
৩) কি সেই আল্লাহ্ রাসুলের ভবিষ্যৎবাণী?
:
হাদিস নং-১।
:
আবদুল্লাহ ইবনে হারিস থেকে বর্ণিত।
রাসুল(সাঃ) বলেন,“পূর্বদিক(খোরাসান)
থেকে কিছু লোক বের হয়ে আসবে যারা
ইমাম মাহদির খিলাফত প্রতিষ্ঠায়
সাহায্য করবে এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠা সহজ
করে দিবে।”- সুনান ইবনে মাজাহ, খণ্ড ৩,
হাদিস নং-৪০৮৮
হাদিস নং-২। আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত।
তিনি বলেন, রাসুল(সাঃ) বলেছেন,
“খোরাসান থেকে কালো পতাকাবাহী
একদল লোক বের হয়ে আসবে। পৃথিবীর কোন
শক্তিই তাঁদেরকে থামাতে পারবেনা এবং
সবশেষে তারা জেরুজালেম পৌছবে এবং
সেখানে তারা তাঁদের বিজয়ের পতাকা
উড়াবে।”-জামে আত তিরমিজি।
:
হাদিস নং-৩।
:
থাওবান(রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুল(সাঃ)
বলেন, “যদি দেখ খোরাসান থেকে কালো
পতাকাবাহী দল বের হয়ে আসছে তবে
অবশ্যই তাদের সাথে যোগদান করবে।
এমনকি এর জন্যে যদি বরফের উপর হামাগুড়ি
দিতে হয় তাও……………।”- মুসনাদে আহমাদ,
ইবনে মাজাহ, আল হাকিম।
তাহলে এখন স্বাভাবিকবভাবেই প্রশ্ন
জাগে যে কোথায় সেই ঐতিহাসিক
খোরাসান? পাকিস্তানের বিখ্যাত
ইসলামী চিন্তাবিদ ডঃ ইসরার আহমদের
মতে, রাসুল(সাঃ)এর সময়ে বর্তমান নর্থ-
ওয়েস্ট পাকিস্তান, নর্থ-ইষ্ট ইরান, সমগ্র
আফগানিস্তান এবং উজবেকিস্তাবের কিছু
অংশ নিয়েই খোরাসান । তবে
আফগানিস্তান হচ্ছে খোরাসানের
কেন্দ্রবিন্দু অর্থাৎ Afganistan is the heart of
Khorasan.নিচের চিত্রটির মাধ্যমে
খোরাসানের অবস্থান দেখানো হলঃ-
এই অঞ্চলটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট হচ্ছে
এই অঞ্চলটিকে কেউ কখনো শাসন করতে
পারেনি। ইউরোপিয়ানরা কখনো এই
অঞ্চলটিকে তাঁদের কলোনিতে পরিণত
করতে পারেনি, ব্রিটিশরা এই অঞ্চলটিকে
শাসন করতে চেয়েছে কিন্তু তারাও
পারেনি, সোভিয়েত ইউনিয়ন শাসন করতে
চেয়েছে তারাও পারেনি, বর্তমানে
আমেরিকা চাচ্ছে কিন্তু তারাও
পারছেনা। ভবিষ্যতে ইসরাইল শাসন করতে
চাইবে কিন্তু ইনশাল্লাহ তারাও
পারবেনা। যা আগেই বলা হয়েছে।
আফগানিস্তানে পরাজিত হওয়ার পর
তৎকালীন সোভিয়েত বাহিনীর কমান্ডার
বলেছিলেন,
“কেউ কোনদিন আফগানিস্তান জয় করতে
পারেনি এবং কোনদিন পারবেও না।

কপি→ উস্তাদ আহমাদ শাকের

Address

Kuala Lumpur

Telephone

1845584296

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RadioHannan.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram