23/12/2025
ছোটদের "রেইকি" শেখা কেন দরকার?
আমরা দেখে থাকি বেশির ভাগ সময় বাড়ির বড়রা বা টিচাররা বলে থাকে মন দিয়ে পড়ো, মন দিয়ে পড়ো। কিন্তু বাচ্চারা পড়ায় মনটা কি ভাবে দেবে কেও বলে দেয় না।
আসলে নিজেরাই জানে না মন টা কি ভাবে দিতে হয়। তারা নিজেরাই confuse, বাচ্চা দের ও confuse করে দেয়। যেমনটা আমার Mobile ফোনটা অন্য কাওকে যদি দিয়ে বলি এটা ব্যবহার করো, আর তাকে পাসওয়ার্ড টা না জানাই তাহলে কি সে ফোন টা ব্যবহার করতে পারবে?
মন দিয়ে পড়া, পড়াটা মনে রাখা, পড়াশোনা করার সময় বুদ্ধি খাটানো, মনের মধ্যে সাহস নিয়ে আসা, পড়াশোনার মধ্যে মন টা কেমন ভাবে দিলে সেটা মাথা, তার মধ্যে ধরে রাখতে পারবে সেটা এমনি এমনি হয় না।
একটা বাচ্চা সকালে উঠে পড়তে বসছে, তার পর স্কুলে যাচ্ছে, স্কুল থেকে এসে খেলতে যাচ্ছে অথবা অন্য কিছু শিখতে যাচ্ছে, বাড়ি ফিরে আবার হয় পড়তে যাচ্ছে বা বাড়িতেই পড়তে বসছে। তার পড়াশোনা টা কি সত্যি সত্যি তখন করতে ইচ্ছে করছে? তখন বাচ্চাটার হয়তো ঘুম পাচ্ছে, নয় পড়ায় যে মন টা দিতে বলছেন সেটা দিতে পাচ্ছে না। আপনার বাচ্চা টা শরীরের শক্তি ক্ষয় করে সব কিছু করছে। তাই সে হাঁপিয়ে পড়ছে। কি ভাবে নিজের শরীরে শক্তি কমে গেলে সেটা বাড়িয়ে তুলতে হয় সেটা সেখান। কারন তার শরীরের মধ্যে সেই এনার্জি টা নেই। ব্যাটারির যেমন charge ফুরিয়ে যায়, তেমন তার শরীরে চার্জ ফুরিয়ে গেছে। আর এই চার্জ টা হয় প্রান শক্তি দ্বারা। প্রান শক্তি বা রেইকি। রেইকি পারে আপনার বাচ্চার শরীরে, মনে, মাথায় সেই চার্জ টা করে দিতে, যেটার সাহায্যে সে পড়াশোনা বলুন আর অন্য কোনো কিছু মন টা সঠিক ভাবে দিতে পারবে। হাপিয়ে যাবে না, নিজেকে সুস্থ রেখে অন্যদের থেকে সবকিছুতে এগিয়ে যেতে স্বক্ষম হবে। আপনি শিখুন, বাচ্চা কে রেইকি শেখান, পরিবারের সকলে মিলে সুস্থ থাকুন, আপনার বাচ্চা একজন মেধাবী, স্থির, বুদ্ধিমান, সুস্থ, প্রানশক্তিতে ভরপুর বাচ্চা হয়ে উঠুক।
ধন্যবাদ.... Dibyajyoti Healing Science.
WhatsApp - 7890315153/9073735615
আপনার সন্তানের বয়স যদি ১৪ বছরের নিচে হয়ে, তাকে আমরা ফ্রিতে "প্রথম ডিগ্রী" রেইকি শেখাবো, সর্ত বাবা বা মায়ের মধ্যে কোনও একজনকে "প্রথম ও দ্বিতীয়" রেইকি শিখতে হবে.
📚ছাত্র ছাত্রীদের জন্য রেইকি-র উপকারিতা
🧘🏻১. মনোসংযোগ বাড়ায়
রেইকি শক্তি মনকে শান্ত করে ও চিন্তার অস্থিরতা কমায়। ফলে পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
🧘🏻♂️২. স্মৃতিশক্তি উন্নত করে
রেইকির মাধ্যমে মস্তিষ্কে শান্ত ও ইতিবাচক কম্পন তৈরি হয়, যা তথ্য ধরে রাখা ও মনে করার ক্ষমতা বাড়ায়।
🧘🏻♂️ ৩. পরীক্ষার ভয় ও মানসিক চাপ কমায়
পরীক্ষার আগে টেনশন, দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা—এসব কমাতে রেইকি খুব কার্যকরী। এতে ছাত্ররা আত্মবিশ্বাস নিয়ে পড়াশোনায় মন দিতে পারে।
🧘🏻♂️ ৪. ঘুমের গুণমান ভালো হয়
নিয়মিত রেইকি করলে গভীর ও আরামদায়ক ঘুম হয়। যথেষ্ট ঘুম ছাত্রদের স্মৃতি, মনোযোগ ও মানসিক সতেজতার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
🧘🏻♂️ ৫. মানসিক ভারসাম্য তৈরি করে
রেইকি আবেগগত অস্থিরতা কমিয়ে ছাত্রকে স্থির, শান্ত ও ইতিবাচক থাকতে সাহায্য করে। ফলে বিরক্তি, হতাশা, রাগ—এসব কমে যায়।
🧘🏻♂️ ৬. সৃজনশীলতা বাড়ায়
রেইকি হৃদয় ও মন খুলে দেয়, যার ফলে নতুন ভাবনা, আইডিয়া ও সৃজনশীল চিন্তা সহজে আসে।
🧘🏻♂️ ৭. স্বনিয়ন্ত্রণ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
ছাত্ররা নিজের প্রতি বিশ্বাস বাড়াতে পারে—“আমি পারব”—এই ধারণা শক্তিশালী হয়। পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
🧘🏻♂️ ৮. শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করে
দীর্ঘ সময় পড়াশোনা করলে শরীর ও মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। রেইকি সেই ক্লান্তি দূর করে নতুন শক্তি যোগায়।
🧘🏻♂️ ৯. নেতিবাচক ভাবনা দূর করে
রেইকি নেতিবাচক এনার্জি পরিষ্কার করে ইতিবাচক চিন্তা স্থাপন করে। ফলে ছাত্ররা লক্ষ্য স্থির রাখতে পারে।
🧘🏻♂️ ১০. একাডেমিক পারফরম্যান্স উন্নত হয়
মনোযোগ, স্মৃতি, আত্মবিশ্বাস, মানসিক শান্তি—এই চারটি জিনিস বাড়লে পড়াশোনার ফলাফলও স্বাভাবিকভাবেই ভালো হয়।