Ai Amirul ISLAM

Ai Amirul ISLAM The Qur'an & Modern Science��� My Education is for my Society �

29/08/2022

ফিরে এসো মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাদের প্রতিপালক মহান আল্লাহ র দিকে, এটাই একমাত্র পথ যা তোমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে ও দুনিয়ার ফেতনা থেকে রক্ষা করতে পারে। আল্লাহ ব্যতীত আল্লাহর সৃষ্টি মানুষ ও মানুষের দ্বারা তৈরি কবর ও কবরে শুয়ে থাকা ব্যক্তি তোমার কোন উপকার করতে পারবে না।

30/04/2021

(৭) যারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে। আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) স্তূপ করে রাখা খাদ্যশস্যের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি স্তূপের ভেতর হাত প্রবেশ করালে আঙুলগুলো ভিজে গেল। স্তূপের মালিককে জিজ্ঞেস করলেন, ব্যাপার কী? মালিক জবাব দিল, হে আল্লাহর রাসুল! বৃষ্টির পানিতে তা ভিজে গিয়েছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: তবে তা ওপরে রাখলে না কেন, যেন মানুষ তা দেখতে পায়? এবং তিনি বলেন:
"যে ব্যক্তি প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত নয়।"
(সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- ১০১)

(৮) যারা মুসলিমদের বিপক্ষে অস্ত্র ধারণ করে।রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:
"ওই ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়, যে আমাদের ওপর (মুসলমানদের বিরুদ্ধে) অস্ত্র তোলে। আর যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সেও আমাদের দলভুক্ত নয়।’
(মুসলিম শরিফ, হাদিস : ১০২)
(৯) মৃত্যুশোক প্রকাশে যে নারী বা পুরুষ বিলাপ করে কাঁদে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:
"মৃত্যুশোক প্রকাশে যে মাথা মুড়িয়ে বিলাপ করে কাঁদে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে সে আমাদের (মুসলমানদের) দলভুক্ত নয়।’
(আবু দাউদ, হাদিস : ৩১৩০)
অন্য হাদিসে এসেছে, যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গালে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে বা জাহিলি যুগের মতো চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।’
(বুখারি, হাদিস : ১২৯৭)

(১০) যে ব্যক্তি কারো স্ত্রীকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে প্ররোচিত করে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:
"যে ব্যক্তি কারো স্ত্রীকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে অথবা দাসকে তার মনিবের বিরুদ্ধে প্ররোচিত করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।"
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২১৭৫)

আল্লাহ আমাদেরকে এ জাতীয় পাপ থেকে হেফাজত করুন।

30/04/2021

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু
১০ শ্রেণীর মানুষকে রাসুল (ﷺ) হাদীসে নিজের উম্মত নয় বলে ঘোষনা দিয়েছেন। নিম্মে তাদের তালিকা দেওয়া হলো।

(১) যারা নবী (সা:) এর সুন্নাহ এড়িয়ে চলে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন:
‘যে ব্যক্তি আমার সুন্নাহের প্রতি বিমুখ, সে আমার উম্মতভুক্ত নয়।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৭৭৬)।
(২) যারা কুরআন তেলাওয়াতের সময় সুন্দর করে পড়ে না। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন:
"যে ব্যক্তি কুরআন তেলাওয়াতের সময় সুর করে সুন্দর করে পড়ে না, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।" (সহীহ বুখারী)
(৩) যারা বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করে না।
উবাদা ইবনু সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন,
‘সে আমার উম্মতভুক্ত নয়, যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না এবং আমাদের ছোটকে স্নেহ করে না, আর আমাদের আলেমের অধিকার বিষয়ে সচেষ্ট নয়।’ (মাজমাউজ জাওয়াইদ : ৮/১৪)

(৪) যারা বিভিন্ন মাধ্যমে ভাগ্যের ভালো-মন্দ যাচাই করে। ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:
"যে ব্যক্তি পাখি উড়িয়ে ভাগ্যের ভালো-মন্দ যাচাই করল, অথবা যার ভাগ্যের ভালো-মন্দ যাচাই করার জন্য পাখি ওড়ানো হলো, অথবা যে ব্যক্তি ভাগ্য গণনা করল, অথবা যার ভাগ্য গণনা করা হলো, অথবা যে ব্যক্তি জাদু করল অথবা যার জন্য জাদু করা হলো অথবা যে ব্যক্তি কোনো গণকের কাছে এলো, অতঃপর সে গণক যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে ব্যক্তি মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর যা নাজিল করা হয়েছে তা অস্বীকার করল
(মাজমাউজ জাওয়াইদ : ৫/১২০)

(৫) যারা অমুসলিমদের সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে।
আমর ইবনু শুয়াইব (রা:) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন:
"যে ব্যক্তি অমুসলিমদের সঙ্গে সাদৃশ্য রাখে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়। তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের সঙ্গে সাদৃশ্য অবলম্বন করো না। কেননা ইহুদিদের অভিবাদন হলো আঙুল দ্বারা ইশারা করা আর খ্রিস্টানদের অভিবাদন হলো হাতের তালু দিয়ে ইশারা করা।"
(সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৬৩৮)
(৬) যে নারী পুরুষের সঙ্গে এবং যে পুরুষ নারীর সঙ্গে সাদৃশ্য অবলম্বন করে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন,
"যেসব নারী পুরুষের সঙ্গে সাদৃশ্য অবলম্বন করে এবং যেসব পুরুষ নারীর সাদৃশ্য অবলম্বন করে, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।"
(মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৫৮০)

(৭) যারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে। আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

29/04/2021
পর্দাহীনতার ক্ষতি:-পর্দাহীনতার দ্বারা পরিবারে অবিশ্বাস ও অশান্তি নেমে আসে তা পূর্বেই বলা হয়েছে। তেমনিভাবে বেপর্দেগীর দ্...
27/04/2021

পর্দাহীনতার ক্ষতি:-

পর্দাহীনতার দ্বারা পরিবারে অবিশ্বাস ও অশান্তি নেমে আসে তা পূর্বেই বলা হয়েছে। তেমনিভাবে বেপর্দেগীর দ্বারা পাশ্চাত্যের বল্গাহীন জীবনধারায় অভ্যস্ত হয়ে নারীরা তাদের দ্বীন ও ঈমান বরবাদ করে দেয়। বলতে কি, বল্গাহীন চলাফেরার ফলেই পাশ্চাত্যবাসীদের নৈতিক ও চারিত্রিক কাঠামো আজ চূড়ান্ত বিপর্যয়ের সম্মুখীন।

তেমনিভাবে বেপর্দার দ্বারা সমাজে ইভটিজিং জন্ম নেয় এবং যৌন সন্ত্রাস প্রকট আকার ধারণ করে। এর বাস্তবতা আজ আমাদের নখদর্পণে।

অনুরূপভাবে পর্দাহীনতার পরিবেশে নারীদেরকে তাদের নিজস্ব কর্মক্ষেত্র থেকে টেনে এনে পুরুষের কর্মক্ষেত্রে নামিয়ে দেয়া হয়। তখন নারী তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বাতন্ত্র্যকে বিসর্জন দিয়ে পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়। এর ফলে নানা অঘটনসহ ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবন বিপর্যস্ত হয় – যার বাস্তব চিত্র পেপার-পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে।

তদুপরি বেপর্দার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হল – এর কারণে হারাম ও কবীরা গুনাহ হয় এবং আল্লাহ ও রাসূল তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হন। যদ্দরুণ দুনিয়াতে অশান্তি ও দুর্ভোগের শাস্তিসহ পরকালে তারা কঠিন আজাবের সম্মূখীন হবে।

পরিশেষে আমাদের মনে রাখতে হবে – নারীদের যেমন পর্দা করা ফরজ, তেমনি তাদেরকে পর্দামত চলতে সুযোগ দেয়া পুরুষের উপর ফরজ। আর যেসব পুরুষরা নারীদের অভিভাবক, তাদের জন্য ফরজ হল – নারীদেরকে পর্দায় রাখা।

উল্লিখিত তারা সকলেই বেগানা। তাদের সাথে পর্দা করা ফরজ। এক কথায়, যাদের সাথে বিবাহ বৈধ, তারা সবাই গাইরে মাহরাম। তাই তাদের ...
27/04/2021

উল্লিখিত তারা সকলেই বেগানা। তাদের সাথে পর্দা করা ফরজ। এক কথায়, যাদের সাথে বিবাহ বৈধ, তারা সবাই গাইরে মাহরাম। তাই তাদের সাথে দেখা দেয়া জায়িয নয়।

আর যাদের সাথে বিবাহ জায়িয নয়, বরং তা চিরতরে হারাম, তাদেরকে মাহরাম বলা হয়। মেয়েদের জন্য যারা মাহরাম অর্থাৎ যাদের সাথে দেখা সাক্ষাত জায়িয, তারা হচ্ছে -

১। স্বামী।
২। স্বামীর পিতা, দাদা যত উপরে যাক।
৩। আপন পিতা, দাদা যত উপরে যাক।
৪। আপন ভাই, বিমাতা ভাই, বৈপিত্রিক ভাই।
৫। সতীনের ছেলে।
৬। আপন মামা।
৭। আপন চাচা।
৮। আপন ছেলে।
৯। আপন ভাইয়ের ছেলে (যত নীচে যাক)।
১০। আপন ভগ্নির পুত্র (যত নীচে যাক)।

এছাড়াও নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিগণের সাথে নারীর দেখা দেয়া জায়িয -

১০। নাবালিগ ছোট ছেলে – নারীদের বিষয়ে এখনো যার বুঝ হয়নি।
১১। ঈমানদার স্ত্রীলোক। (কাফির-বেদ্বীন স্ত্রীলোকের সঙ্গে দেখা দেয়া দুরস্ত নয়।)
১৪। অশীতিপর বৃদ্ধ যার একেবারে চাহ্ওয়াত নেই এবং স্ত্রীলোকের প্রতি কোনরকম আসক্তি নেই।

উল্লিখিত লোকদের সাথে নারীর দেখা দেয়া জায়িয অর্থাৎ দেখা দিলে কোন গুনাহ হবে না। এদের ছাড়া সকল পুরুষ থেকে নারীদের পর্দা করতে হবে। তাদের কারো সামনে নারীর পর্দা ছাড়া আসা বা দেখা দেয়া জায়িয হবে না। তা সম্পূর্ণ হারাম ও কবীরা গুনাহ।

পর্দার উপকারিতা

ইসলামে যে পর্দার বিধান দেয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করলে আমরা এর তিনটি উপকারিতা উপলব্ধি করতে পারি -

প্রথমত এতে নারী ও পুরুষের নৈতিক চরিত্রের হিফাজত হয় এবং নর-নারীর অবাধ ও প্রতিবন্ধকহীন মেলামেশা পথ রুদ্ধ হয়।

দ্বিতীয়ত নারী ও পুরুষের কর্মক্ষেত্র পৃথক হওয়ার দ্বারা প্রকৃতি নারীদের ওপর যে গুরুদায়িত্ব ন্যস্ত করেছে, তা তারা নির্বিঘেœ ও সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে।

তৃতীয়ত পারিবারিক ব্যবস্থা সুরক্ষিত ও সুদৃঢ় হয়। কারণ, পর্দার দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পরকিয়াবিহীন পবিত্র জীবন গঠিত হয় এবং চরিত্রহীনতা ও অবিশ্বাস তাদের থেকে বিদায় নেয়।

পক্ষান্তরে বেপর্দা থেকে পরকিয়া ও চরিত্রহীনতার জন্ম হয়। আর এর দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিশ্বাস উঠে গিয়ে অশান্তির উদ্ভব হয়।

বেগানা নারীর প্রতি বদ নিয়তে দেখা হারাম ও কবীরা গুনাহ এবং বিনা নিয়তে বা ফ্রিমাইন্ড নিয়ে দেখাও নাজায়িয। কোন নারী অথবা ...
27/04/2021

বেগানা নারীর প্রতি বদ নিয়তে দেখা হারাম ও কবীরা গুনাহ এবং বিনা নিয়তে বা ফ্রিমাইন্ড নিয়ে দেখাও নাজায়িয। কোন নারী অথবা পুরুষের গোপনীয় অঙ্গের প্রতি দেখা মারাত্মক গুনাহর কাজ। এছাড়া কারো গোপন বিষয় দেখার জন্য তার গৃহে উঁকি মেরে বা বেড়ার ফাঁক দিয়ে গোপনে দেখা জঘন্য পাপ।

যৌনাঙ্গকে হিফাজত করতে হবে

যৌনাঙ্গকে হিফাজত করা ও সংযত রাখা পর্দার বড় বিধান। আল্লাহ তা‘আলা নারী-পুরুষ উভয়কে যৌনাঙ্গ হিফাজত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

যৌনাঙ্গকে হিফাজত করার অর্থ হল – কুপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করার যত পন্থা প্রক্রিয়া আছে, সবগুলো থেকে যৌনাঙ্গকে দূরে রাখা। এতে ব্যভিচার, সমমৈথুন, হস্তমৈথুন, ঘর্ষণ ইত্যাদি সব কাম চরিতার্থমূলক কর্ম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কাম প্রবৃত্তির প্রথম ও প্রারম্ভিক কারণ হচ্ছে দৃষ্টিপাত করা ও দেখা এবং সর্বশেষ পরিণতি হচ্ছে ব্যভিচার। সূরাহ নূরের ৩১ নং আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা এসব বিষয় জোড়ালোভাবে নিষিদ্ধ করে হারাম করে দিয়েছেন। সেই সাথে এতদুভয়ের অন্তর্বতী ভূমিকাসমূহ যেমন – পরস্পর কথাবার্তা বলা, শোনা, স্পর্শ করা, চিঠিপত্র বা এসএমএস আদান-প্রদান করা ইত্যাদি সবই নিষিদ্ধ ও হারাম পরিগণিত হয়েছে।

গাইরে মাহরামদের সংশ্রব থেকে দূরে থাকতে হবে

নারীদের পর্দা রক্ষার জন্য বিশেষভাবে জরুরী হল – সকল বেগানা পুরুষের সং¯্রব থেকে দূরে থাকতে হবে। এ জন্য মাহরাম ও গাইরে মাহরামদের সম্পর্কে পূর্ণরূপে অবগত হওয়া তাদের কর্তব্য।

যেসব পুরুষদেরকে দেখা দেয়া নারীদের জন্য জায়িয নয়, তারা হচ্ছে বেগানা বা গাইরে মাহরাম। নিম্নে তাদের কিছু ফিরিস্তি তুলে ধরা হল -

১। হুরমতের রক্তের সম্পর্কহীন যে কোন বেগানা পুরুষ – নিজ গ্রামের লোক হোক বা ভিন্ন গ্রামের এবং চাই একই স্কুল বা কলেজ বা ভার্সিটির হোক না কেন, কিংবা কাসমেট বা সহপাঠি হোক না কেন বা একই অফিসে চাকুরী করুক না কেন, তারা গাইরে মাহরাম।

২। ধর্মবাপ, ধর্মভাই, উকিল বাপ, মুখডাকা বাপ-ভাই বা মামা-চাচা, শিক্ষক, পীর প্রমুখ গাইরে মাহরাম।

৩। দুলাভাই।
৪। খালু, ভাসুর ও ভাসুরের ছেলে।
৫। দেবর ও দেবরের ছেলে।
৬। ননদের স্বামী ও তার ছেলে।
৭। চাচার ছেলে/চাচাতো ভাই।
৮। জেঠাতো ভাই।
৯। মামার ছেলে/মামাতো ভাই।
১০। স্বামীর অন্য যত প্রকারের ভাই বা দুলাভাই আছে।

পরের পাতায় আরও কিছু আছে---

সুতরাং হিন্দু বা খৃষ্টান মেয়েলোক বা যেকোন বেদ্বীন বা বেপর্দা মেয়ে হতেও পর্দানেশীন নারীর পর্দা করা ওয়াজিব। তাদের সামনে...
27/04/2021

সুতরাং হিন্দু বা খৃষ্টান মেয়েলোক বা যেকোন বেদ্বীন বা বেপর্দা মেয়ে হতেও পর্দানেশীন নারীর পর্দা করা ওয়াজিব। তাদের সামনে কেবলমাত্র মুখম-ল, হাতের পাতা ও পায়ের পাতা ব্যতীত শরীরের কোন অংশ খোলা রাখা জায়িয নয়।

ধাত্রী যদি অমুসলিম মহিলা হয়, তবে শুধু জরুরী স্থান ব্যতীত হাতের বাজু, পায়ের নলা, মাথা বা গলা তাকে দেখালে গুনাহগার হবে।

মেয়েদের জন্য নতুন বর বা ভিন্ পুরুষদেরকে সামনাসামনি অথবা বেড়ার ফাঁক দিয়ে কিংবা ছাদে উঠে বা জানালার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে দেখা জায়িয নয়। তেমনিভাবে পুরুষদের জন্য বেগানা মেয়ে বা নতুন বউ দেখা জায়িয নয়।

স্ত্রীলোকদের নিজের পীরকেও দেখা দেয়া জায়িয নয়। তেমনি ধর্মবাপ, ধর্মভাই, উকিল বাপ, খালু, দুলাভাই, দেবর, ভাসুর, বেয়াই, নন্দাই, চাচাতো ভাই, মামাতো ভাই, খালাতো ভাই, খালাশ্বশুর, চাচাশ্বশুর ইত্যাদি গাইরে মাহরাম আত্মীয়দের সাথে দেখা দেয়া জায়িয নয়।

চুড়ি বিক্রেতা পুরুষতো দূরের কথা, বেদ্বীন স্ত্রীলোকের হাতে, এমনকি যে সকল মুসলিম মহিলা বেপর্দায় চলে, তাদের হাতেও চুড়ি পরা জায়িয নয়।

তেমনিভাবে বেগানা পুরুষের সাথে কখনো কোথাও আসা-যাওয়া করা বা দেখা দেয়া দুরস্ত নয়।

(ফাতাওয়া আলমগীরী)

পর্দার অন্যান্য বিধান

অনুমতি ছাড়া কারো ঘরে প্রবেশ নিষেধ

আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন – “হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্যান্য গৃহে প্রবেশ করো না – যে পর্যন্ত আলাপ-পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে (অনুমতির জন্য) সালাম না দাও। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।” (সূরাহ আন-নূর, আয়াত : ২৭)

উক্ত আয়াতের নির্দেশ অনুযায়ী, যে কারো গৃহে প্রবেশ করতে হলে, আগে অনুমতি নিতে হবে। এমনকি নিজের মায়ের ঘরে প্রবেশেও এ হুকুম।

বিনানুমতিতে কারো গৃহে প্রবেশ করলে, মাহরাম নয় এমন নারীর উপর দৃষ্টি পড়তে পারে কিংবা মাহরাম কেউ নিজ ঘরে কখনো বেহাল অবস্থায় থাকতে পারে, তখন অনুমতি ছাড়া ঢুকলে, তাদের সেই অনাকাক্সিক্ষত অবস্থা চোখে পড়ে যাবে – যা বড়ই লজ্জাকর বিষয়। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে – পর্দা ও সতর রক্ষার জন্যই অপরের ঘরে বিনানুমতিতে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

দৃষ্টি নত রাখতে হবে

দৃষ্টি নত রাখা পর্দার একটি বিধান। আল্লাহ তা‘আলা নর-নারীদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন দৃষ্টি নত রাখতে।

দৃষ্টি নত রাখার অর্থ – দৃষ্টিকে এমন বস্তু থেকে ফিরিয়ে রাখা, যার প্রতি দেখা শরীয়তে নিষিদ্ধ ও অবৈধ।

ইসলামে নারীর পর্দার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:- পেজ নং ২:-হাদীস শরীফে পর্দার নির্দেশরাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন – “যে সতর...
27/04/2021

ইসলামে নারীর পর্দার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:- পেজ নং ২:-

হাদীস শরীফে পর্দার নির্দেশ

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন – “যে সতর দেখবে এবং যে দেখাবে, তাদের উপর আল্লাহ লা‘নত করেন।” (বাইহাকী)

রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো ইরশাদ করেন – “স্ত্রীজাতির পর্দায় গুপ্ত থাকার সত্তা। কিন্তু যখনই তারা পর্দার বাহিরে আসে, তখন শয়তান তাদের দিকে ঝুঁকে।” (তিরমিযী)

রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো ইরশাদ করেন – “খবরদার! কোন পুরুষ যেন কোন মেয়েলোকের সাথে একাকী না থাকে। কেননা, যখনই কোন পুরুষ কোন মেয়েলোকের সাথে একাকী হয়, তখনই শয়তান তাদের তৃতীয়জন হয়ে যায় এবং তাদের পিছনে লাগে।” (তিরমিযী)

নবীজী (সা.) আরো ইরশাদ করেন – “মেয়েরা যখন বালিগা হয়ে যায়, তখন তাদের শরীরের কোন অংশ দেখা বা দেখানো জায়িয নয়। অনেক কাপড় পরিধানকারিণী (পাতলা কাপড়ের কারণে) কিয়ামতের দিন উলংগ সাব্যস্ত হবে।” (মুসলিম)

ফিকহের আলোকে পর্দার হুকুম

ফিকহের মাসআলা হল, মেয়েদের জন্য পর্দা করা ফরজ। গাইরে মাহরাম পুরুষের সামনে সে পর হোক বা আপন হোক, মেয়েদের একটি চুলও উন্মুক্ত রাখা জায়িয নয়। তেমনিভাবে মেয়েলোকদের জন্য কোন মেয়েলোকের সামনে হাটু হতে নাভী পর্যন্ত উন্মুক্ত করা জায়িয নয়।

গর্ভকালে বা প্রসবকালে অথবা অন্য কোন কারণে যদি ধাত্রী দ্বারা পেট মালিশ করার দরকার পড়ে, তবে নাভীর নীচের কোন অংশ খোলা যাবে না। কোন কাপড় রেখে তার উপর দিয়ে মালিশ করবে। বিনা প্রয়োজনে সতর ধাত্রীকে দেখানোও জায়িয নয়। সাধারণত কোন মেয়ের পেট মলবার সময় মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদী, নানী, ননদ এবং বাড়ীর অন্যান্য লোকেরাও দেখে থাকে, এটা জায়িয নয়।

প্রত্যেক গাইরে মাহরাম পুরুষের প্রত্যেক গাইরে মাহরাম স্ত্রীলোকের সামনে যে পরিমাণ পর্দা করা ফরজ, কাফির-ফাসিক মেয়েলোক হতেও মুমিন মেয়েদের সে পরিমাণ পর্দা করা ওয়াজিব।

সুতরাং হিন্দু বা খৃষ্টান মেয়েলোক বা যেকোন বেদ্বীন বা বেপর্দা মেয়ে হতেও পর্দানেশীন নারীর পর্দা করা ওয়াজিব। তাদের সামনে কেবলমাত্র মুখম-ল, হাতের পাতা ও পায়ের পাতা ব্যতীত শরীরের কোন অংশ খোলা রাখা জায়িয নয়।

ধাত্রী যদি অমুসলিম মহিলা হয়, তবে শুধু জরুরী স্থান ব্যতীত হাতের বাজু, পায়ের নলা, মাথা বা গলা তাকে দেখালে গুনাহগার হবে।

ইসলামে নারীর পর্দার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:-পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, যখন তোমরা নামাজে দণ্ডায়মান হতে চাও,...
27/04/2021

ইসলামে নারীর পর্দার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:-
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, যখন তোমরা নামাজে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত করো, মাথা মাসেহ করো এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত করো)। (সুরা : মায়েদা, আয়াত :৬

ইসলামে নারীর পর্দার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:-

নারীকে হাদীস শরীফে ‘আওরত’ বলা হয়। আওরত শব্দের অর্থ – গুপ্ত বা আবৃত। সুতরাং নারীর নামেই বুঝা যায় – নারীর জন্য পর্দা আবশ্যকীয়। পারিপার্শ্বিকতার বিবেচনায় বিবেকের দাবীও তাই। তেমনি শরীয়তে নারীর জন্য পর্দাকে ফরজ করা হয়েছে।

পবিত্র কুরআনে পর্দার নির্দেশ

আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন : “(হে নারীগণ!) তোমরা তোমাদের ঘরের (বাড়ীর চতুর্সীমানার) ভিতর অবস্থান কর এবং বাইরে বের হয়োনা – যেমন ইসলামপূর্ব জাহিলী যুগের মেয়েরা বের হত।” (সূরাহ আহযাব, আয়াত : ৪৩)

আল্লাহ তা‘আলা আরো ইরশাদ করেন : “(হে নবী!) আপনি আপনার পত্মীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, যখন কোন প্রয়োজনে বাইরে বের হতে হয়, তখন তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। (যেন পর্দার ফরজ লংঘন না করে। এমনকি চেহারাও যেন খোলা না রাখে। তারা যেন বড় চাদরের ঘোমটা দ্বারা নিজেদের চেহারাকে আবৃত করে রাখে।) ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সূরাহ আহযাব, আয়াত : ৬০)

আল্লাহ তা‘আলা অন্যত্র ইরশাদ করেন : “মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হিফাজত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা রয়েছে। নিশ্চয় তারা যা করে, আল্লাহ তা অবহিত আছেন। আর ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হিফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান – তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের ওড়না বক্ষদেশে দিয়ে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্তবাদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক – যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে।” (সূরাহ নূর, আয়াত : ৩০ – ৩১)

রমজান মাসের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা:->সৎ কাজের প্রতিদান বেড়ে যাওয়ার মাসরমজান মাসে ভালো কাজের প্রতিদান বহুগুণে বাড়িয়ে ...
14/04/2021

রমজান মাসের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা:-

>সৎ কাজের প্রতিদান বেড়ে যাওয়ার মাসরমজান মাসে ভালো কাজের প্রতিদান বহুগুণে বাড়িয়ে দেওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে কোনো একটি নফল ইবাদত করল, সে যেন অন্য মাসের একটি ফরজ আদায় করল। আর রমজানে যে ব্যক্তি একটি ফরজ আদায় করল, সে যেন অন্য মাসের ৭০টি ফরজ আদায় করল।’ (ইবনে খুজায়মা)
> হজের সাওয়াব পাওয়ার মাসরমজান মাসে ওমরাহজ পালনে রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা। এ মাসে একটি ওমরাহ করলে পাওয়া যাবে হজের সাওয়াব। আর তা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে আদায় করার মর্যাদা রাখে। হাদিসে এসেছে-- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, ‘যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজ থেকে ফিরে আসলেন তখন উম্মে সিনান নামক এক আনসারি নারীকে জিজ্ঞাসা করলেন- কে তোমাকে হজ করা থেকে নিষেধ করল?উত্তরে ওই নারী সাহাবি বলল- উমুকে পিতা (তার স্বামী)। তার দুই জন পানি প্রদানকারী রয়েছে, তাদের একজন হজ পালন করবে, অপরজন আমাদের জমিতে সেচ দেবে। এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-‘রমজান মাসের ওমরাহ আমার সঙ্গে হজ আদায় করার সমতুল্য।’ (বুখারি)
>হজরতিইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন আনসারি নারীকে বললেন, ‘যখন রমজান মাস আসে তখন তুমি ওমরাহ কর। কেননা রমজান মাসের ওমরাহ হজের মর্যাদা রাখে।’ (নাসাঈ)
>রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এক নারী এসে জিজ্ঞাসা করল- কোন ইবাদত আপন সঙ্গী হয়ে হজ করার সমতুল্য সাওয়াব পাওয়া যায়? উত্তরে তিনি বললেন, ‘রমজান মাসে ওমরাহ করা।’ (আবু দাঊদ)
> রোজাদারের বিশেষ সম্মানের মাসরমজান মাসের রোজা পালনকারীদের জন্য রয়েছে বিশেষ সম্মান। জান্নাতের একটি দরজা শুধু রমজানের রোজা পালনকারীদের জন্যই নির্ধারিত। এ দরজা দিয়ে অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এ ছাড়া রমজান মাসের অনেক ফজিলত ও মর্যাদা রয়েছে। যা মেনে চলা প্রত্যেম মুমিন মুসলমানের একান্ত করণীয়।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের ফজিলত ও বিশেষ বেশিষ্ট্যগুলো যথাযথভাবে পালনের তাওফিক দান করুন। রমজানের রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত লাভে তাওফিক দান করুন। আমিন।

14/04/2021

রমজান মাসের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা:-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কাছে রমজান মাস আগমন করেছে। … এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো সে মূলত সব কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল।’ (নাসাঈ)দোয়া কবুল হওয়ার মাসরমজান মাসের দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করে নেন বলে জানিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-‘রমজান মাসে প্রত্যেক মুসলমান আল্লাহর সমীপে দোয়া করে। আর তা কবুল হয়ে যায়।’ (মুসনাদে আহামদ)

> জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাসএ মাসকে তিন দশকে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে শেষ দশক হলো জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। হাদিসে এসেছে-রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-‘আল্লাহ তাআলা (রমজান মাসের) প্রতি রাত ও দিনে অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা করেন এবং প্রতিটি রাত ও দিনের বেলায় প্রত্যেক মুসলমানের দোয়া ‘মোনাজাত’ কবুল হয়ে থাকে।’ (মুসনাদে আহামদ)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন রমজানের প্রথম রাত আগমন করে, তখন শয়তান এবং অবাধ্য জিনদের আবদ্ধ করা হয়। আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর একটি দরজাও খোলা হয় না। (এ মাসের) প্রত্যেক রাতে একজন ঘোষণাকারী এ বলে ডাকতে থাকে যে, হে কল্যাণের অনুসন্ধানকারী! তুমি আরও অগ্রসরহও। হে অসৎ কাজের পথিক! তোমরা অন্যায় পথে চলা বন্ধ কর। (তুমি কি জানো?) এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ তাআলা কত লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন?’ (তিরমিজি)

> ক্ষমা পাওয়ার মাসক্ষমার মাস রমজান। রমজান পাওয়ার পরও যারা নিজেকে পাপ থেকে মুক্ত করতে পারল না; তাদের ধিক্কার জানিয়েছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৩ ব্যক্তির ব্যাপারে) বলেছেন-- ‘ওই ব্যক্তির নাক ধূলায় ধুসরিত হোক, যার সামনে আমার আলোচনা হলো; কিন্তু সে আমার প্রতি দরূপ পড়লো না।- ওই ব্যক্তির নাম ধূলায় ধুসরিত হোক, যার কাছে রমজান মাস এসে চলে গেল; অথচ তার পাপগুলো ক্ষমা করিয়ে নিতে পারল না।- ওই ব্যক্তির নাক ধূলায় ধুসরিত হোক, যে তার বৃদ্ধ বাবা-মাকে পেল; কিন্তু তাদের মধ্যমে জান্নাত উপার্জন করতে পারল না।’ (তিরমিজি)

Next page more information....

14/04/2021

রমজান মাসের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা১. ফরজ রোজা পালন২. কুরআন নাজিল৩. জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়ার মাস৪. জাহান্নামের দরজা বন্ধ ৫. শয়তানকে শৃঙ্খাবদ্ধ করা৬. লাইলাতুল কদর পাওয়া৭. দোয়া কবুল হওয়া৮. জাহান্নাম থেকে মুক্তি৯. ক্ষমা পাওয়া১০. সৎ কাজের প্রতিদান বহুগুণে বেড়ে যাওয়া১১. হজের সাওয়াব পাওয়া১২. রোজাদারের বিশেষ সম্মানজান্নাতের দরজা খুলে দেয়ার মাসরমজান মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয়। রমজানের সম্মানে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং এ মাসর বরকত লাভে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রাখা হয়। হাদিসে এসেছে-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন রমজান আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় আর জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের আবদ্ধ করে রাখা হয়।’ (বুখারি, মুসলিম)এ বৈশিষ্ট্যের অন্যতম ফলাফল হলো- রমজান মাসে মানুষ ধর্ম-কর্ম ও নেক আমলের দিকে বেশি তৎপর হয় এবং নতুন-পুরাতন সব মানুষকেই মসজিদমুখী হতে দেখা যায়।

> লাইলাতুল কদরের মাসএ মাসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ‘লাইলাতুল কদর’। রাতটি হাজার মাসের (৮৩ বছর ৪ মাস) ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এ রাতে কুরআনুল কারিম নাজিল করা হয়েছে। রমজানের শেষ দশকের বেজোড় যে কোনো একটি রাতই ‘লাইলাতুল কদর’। আল্লাহ তাআলা বলেন-- وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ - إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَশপথ সুস্পষ্ট (কুরআনের) কিতাবের। আমি একে নাজিল করেছি এক বরকতময় রাতে। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।’ (সুরা দুখান : আয়াত ২-৩) - إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ- وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ - لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ - تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ - سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ ‘আমি একে (কুরআনকে) নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে। আপনি কি জানেন কি লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। সুরা কদর : আয়াত ১-৫)

14/04/2021

রোজাদারের জন্য দুটি আনন্দ : এক. ইফতারের মুহূর্তে দুই. রবের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্তে। আর রোজাদারের মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহর কাছে মেশকের চেয়েও উত্তম। সহিহ মুসলিম হাদিস : ১১৫১।
অপর হাদিসে এসেছে, হজরত সাহ্হল ইবনে সাদ থেকে বর্ণিত, জান্নাতে রাইয়ান নামে একটি দরজা আছে। এই দরজা দিয়ে শুধু রোজাদাররা প্রবেশ করবে। ঘোষণা করা হবে, রোজাদার কোথায়? তখন তারা উঠে দাঁড়াবে। যখন তারা প্রবেশ করবে তখন ওই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং তা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ করবে না। —সহিহ বুখারি হাদিস : ১৮৯৬।

অন্য রেওয়াতে আছে, জান্নাতে একটি দরজা আছে, যার নাম রাইয়ান। শুধু রোজাদারগণ এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে। আর যে তাতে প্রবেশ করবে সে কখনো পিপাসার্ত হবে না। —জামে তিরমিজি ৭৬; ইবনে মাজাহ : ১৬৪০

অন্য হাদিসে এসেছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘রোজা এবং কোরআন কিয়ামতের দিন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। রোজা বলবে, আমি তাকে দিনের বেলায় পানাহার ও প্রবৃত্তির চাহিদা মেটানো থেকে বিরত রেখেছি। সুতরাং তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। কোরআন বলবে, আমি তাকে রাতে ঘুম থেকে বিরত রেখেছি। সুতরাং আমার সুপারিশ কবুল করুন। তখন দুজনের সুপারিশই গ্রহণ করা হবে। — মুসনাদে আহমদ হাদিস : ৬৫৮৯; তাবরানি, মাজমায়ু যাওয়াইদ ৩/৪১৯

রোজাদারের করণীয় : রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রোজা হচ্ছে ঢাল। যখন তোমাদের কেউ রোজা থাকে সে যেন অশ্লীল কথাবার্তা না বলে এবং মূর্খের ন্যায় কাজ না করে। কেউ যদি গালি দেয় বা ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয় তাহলে সে যেন বলে, আমি রোজাদার, আমি রোজাদার। সহিহ বুখারি হাদিস : ১৯০৪; সহিহ মুসলিম হাদিস : ১১৫১

অন্য হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও মন্দ কাজ বর্জন করল না তার পানাহার বর্জনে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। সহিহ বুখারি হাদিস : ১৯০৩

নিয়মিত তারাবি পড়ুন : এ মাসের বিশেষ আমলের মধ্যে তারাবি নামাজ অন্যতম। এ নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্কাদায়। হাদিস শরিফে এসেছে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পূর্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে দণ্ডায়মান হয় তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। সহিহ বুখারি হাদিস : ২০০৯

14/04/2021

[২:১৮৫] আল বাকারা
شَهرُ رَمَضانَ الَّذي أُنزِلَ فيهِ القُرآنُ هُدًى لِلنّاسِ وَبَيِّناتٍ مِنَ الهُدى وَالفُرقانِ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهرَ فَليَصُمهُ وَمَن كانَ مَريضًا أَو عَلى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِن أَيّامٍ أُخَرَ يُريدُ اللَّهُ بِكُمُ اليُسرَ وَلا يُريدُ بِكُمُ العُسرَ وَلِتُكمِلُوا العِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلى ما هَداكُم وَلَعَلَّكُم تَشكُرونَ
রমযান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে তবে অন্যান্য দিবসে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আল্লাহ তোমাদের সহজ চান এবং কঠিন চান না। আর যাতে তোমরা সংখ্যা পূরণ কর এবং তিনি তোমাদেরকে যে হিদায়াত দিয়েছেন, তার জন্য আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা কর এবং যাতে তোমরা শোকর কর।
[২:১৮৭] আল বাকারা
أُحِلَّ لَكُم لَيلَةَ الصِّيامِ الرَّفَثُ إِلى نِسائِكُم هُنَّ لِباسٌ لَكُم وَأَنتُم لِباسٌ لَهُنَّ عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُم كُنتُم تَختانونَ أَنفُسَكُم فَتابَ عَلَيكُم وَعَفا عَنكُم فَالآنَ باشِروهُنَّ وَابتَغوا ما كَتَبَ اللَّهُ لَكُم وَكُلوا وَاشرَبوا حَتّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الخَيطُ الأَبيَضُ مِنَ الخَيطِ الأَسوَدِ مِنَ الفَجرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيامَ إِلَى اللَّيلِ وَلا تُباشِروهُنَّ وَأَنتُم عاكِفونَ فِي المَساجِدِ تِلكَ حُدودُ اللَّهِ فَلا تَقرَبوها كَذلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ آياتِهِ لِلنّاسِ لَعَلَّهُم يَتَّقونَ
সিয়ামের রাতে তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন হালাল করা হয়েছে। তারা তোমাদের জন্য পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের জন্য পরিচ্ছদ। আল্লাহ জেনেছেন যে, তোমরা নিজদের সাথে খিয়ানত করছিলে। অতঃপর তিনি তোমাদের তাওবা কবূল করেছেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন। অতএব, এখন তোমরা তাদের সাথে মিলিত হও এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা অনুসন্ধান কর। আর আহার কর ও পান কর যতক্ষণ না ফজরের সাদা রেখা কাল রেখা থেকে স্পষ্ট হয়। অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর। আর তোমরা মাসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে মিলিত হয়ো না। এটা আল্লাহর সীমারেখা, সুতরাং তোমরা তার নিকটবর্তী হয়ো না। এভাবেই আল্লাহ তাঁর আয়াতসমূহ মানুষের জন্য স্পষ্ট করেন যাতে তারা তাকওয়া অবলম্বন করে।

কোরআন হাদিসের আলোকে রমজানের ফজিলত ও করণীয়:-ফারসি শব্দ রোজার আরবি অর্থ হচ্ছে সওম, বহুবচনে সিয়াম। সওম বা সিয়ামের বাংলা অ...
14/04/2021

কোরআন হাদিসের আলোকে রমজানের ফজিলত ও করণীয়:-
ফারসি শব্দ রোজার আরবি অর্থ হচ্ছে সওম, বহুবচনে সিয়াম। সওম বা সিয়ামের বাংলা অর্থ বিরত থাকা।বছরের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ মাস হলো রমজান। প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে রমজানের গুরুত্ব অপরিসীম। রমজান হলো পুণ্য অর্জনের শ্রেষ্ঠ মৌসুম। দীর্ঘ এক মাসের রোজা, তারাবি, তাহাজ্জুদ, কোরআন তেলাওয়াত ও অন্যান্য নেক আমলের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য অর্জন করে এবং সব ধরনের গুনাহ থেকে বিরত থেকে অর্জন করে হৃদয় ও আত্মার পরিশুদ্ধি। এ লক্ষ্যেই রমজানকে সামনে রেখে কোরআন হাদিস ও আছারের আলোকে রমজানের কিছু ফাজাইল ও করণীয় সম্পর্কে নিম্নে উল্লেখ করা হলো।

রোজা একমাত্র আল্লাহর জন্য। শুধু আল্লাহর ভয়েই বান্দা পানাহার থেকে বিরত থাকে। হাদিস শরিফে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, বনি আদমের প্রতিটি আমলের প্রতিদান বহু গুণে বৃদ্ধি হতে থাকে, ১০ গুণ থেকে ৭০০ গুণ, এমনকি আল্লাহ চাইলে তার চেয়েও বেশি দেন।

আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন,রোজা একমাত্র আমার জন্য এবং আমি স্বয়ং এর প্রতিদান দিব। বান্দা একমাত্র আমার জন্য পানাহার ও প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ থেকে বিরত থাকে।
[২:১৮৩] আল বাকারা
يا أَيُّهَا الَّذينَ آمَنوا كُتِبَ عَلَيكُمُ الصِّيامُ كَما كُتِبَ عَلَى الَّذينَ مِن قَبلِكُم لَعَلَّكُم تَتَّقونَ
হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।
[২:১৮৪] আল বাকারা
أَيّامًا مَعدوداتٍ فَمَن كانَ مِنكُم مَريضًا أَو عَلى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِن أَيّامٍ أُخَرَ وَعَلَى الَّذينَ يُطيقونَهُ فِديَةٌ طَعامُ مِسكينٍ فَمَن تَطَوَّعَ خَيرًا فَهُوَ خَيرٌ لَهُ وَأَن تَصوموا خَيرٌ لَكُم إِن كُنتُم تَعلَمونَ
নির্দিষ্ট কয়েক দিন। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ হবে, কিংবা সফরে থাকবে, তাহলে অন্যান্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে। আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদয়া- একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা। অতএব যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সৎকাজ করবে, তা তার জন্য কল্যাণকর হবে। আর সিয়াম পালন তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা জান।
Next page more information---

..............বিজ্ঞানীদের ধারণামতে পৃথিবীর ভার বা ওজন  ৫ সেক্সটিলিয়ন ৯৭২ কুইন্টিলিয়ন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিবছর...
11/04/2021

..............
বিজ্ঞানীদের ধারণামতে পৃথিবীর ভার বা ওজন ৫ সেক্সটিলিয়ন ৯৭২ কুইন্টিলিয়ন। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে প্রতিবছর পৃথিবী তার মোট ওজন থেকে ৫০০ টন ভার হারাচ্ছে। এ ছাড়া অক্সিজেনের ভাগ প্রতিনিয়ত কমে আসাও হালের বিজ্ঞানীদের কাছে স্বীকৃত বিষয়। যা থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে পৃথিবীর পরিধি ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। অন্যদিকে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা কি দেখে না আমি ভূপৃষ্ঠের পরিধি ক্রমেই সংকুচিত করে আনছি, এর পরও কি তারাই বিজয়ী!’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৪৪)

পৃথিবী দ্রুতগতিতে ছুটছে!

পবিত্র কোরআনে পৃথিবী স্থির কিংবা সূর্যের পাশে ঘূর্ণমান কোনোটিই বলা হয়নি। বরং এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে যা এসেছে তার সারকথা হলো, পৃথিবী আপন কক্ষপথে দ্রুতগতিতে সাঁতার কাটার মতো ঢেউ খেলে ছুটে চলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর চলন প্রকৃতি প্রধানত দুই ধরনের। প্রথমত, পৃথিবীর নিজস্ব ঘূর্ণায়ন যা ঘণ্টায় প্রায় এক হাজার ৬০০ কিলোমিটার। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘মহান আল্লাহ যিনি আসমান জমিন যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং দিনকে রাতের ওপর এবং রাতকে দিনের ওপর আচ্ছাদিত করেন।’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৫) আর এ কথা শিরোধার্য, কোনো বৃত্ত আকৃতির জিনিসকে অনুরূপ অন্য কোনো জিনিস দ্বারা বারবার আচ্ছাদিত করার জন্য, তা ঘূর্ণমান হওয়ার বিকল্প নেই। দ্বিতীয়ত, সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর সন্তরণ। বহুকাল যাবৎ মানুষ এ ধারণা পোষণ করে আসছে যে পৃথিবী সূর্যের পাশে ঘূর্ণমান। তবে খুব সাম্প্রতিক সময়ে মহাকাশ গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর চলার ধরনটাকে ঘূর্ণন শব্দে ব্যাখ্যা করা যথাযথ নয়। বরং পৃথিবীসহ আরো অনেক গ্রহ উপগ্রহ সর্বদা সূর্যকে ঘিরে সাঁতার কাটার মতো ওপর-নিচ ঢেউ তুলে সম্মুখপানে অগ্রসর হচ্ছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবীর আলোচনা টেনে বলেন, প্রত্যেকেই আপন কক্ষপথে সন্তরণ করছে। (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৪০)

পৃথিবীর নিচে বিপুল পানির উৎস

টিউবওয়েল চেপে পানি তুলছেন কিংবা পাম্পের সাহায্যে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন ভূগর্ভের এই বিপুল পরিমাণ পানির উৎস কোথায়? তাহলে জেনে নিন, মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি আসমান থেকে পরিমাণমতো পানি বর্ষণ করি, অতঃপর তা ভূগর্ভে সংরক্ষণ করে রাখি।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ১৮)

***পৃথিবী নিয়ে কোরআনের বিস্ময়কর পাঁচ তথ্য:---***📝পবিত্র কোরআন সত্যিই একগুচ্ছ বিস্ময়ের সমষ্টি। অক্ষর থেকে শব্দ, শব্দ থেকে...
11/04/2021

***পৃথিবী নিয়ে কোরআনের বিস্ময়কর পাঁচ তথ্য:---***📝

পবিত্র কোরআন সত্যিই একগুচ্ছ বিস্ময়ের সমষ্টি। অক্ষর থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য অজানা সব জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্মুক্ত বিশ্বকোষ। তেমনি যে গ্রহে বসবাস করি, অর্থাৎ পৃথিবী এ সম্পর্কেও কোরআনে রয়েছে বৃহৎ তথ্যভাণ্ডার। মহান আল্লাহ বলেন, বিশ্বাসীদের জন্য পৃথিবীতে অসংখ্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। (সুরা : জারিয়াত, আয়াত : ২৩)

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি বিস্ময়কর তথ্য এখানে উল্লেখ করা হলো—

মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে পৃথিবীর সূচনা:---
খুব বেশি দিনের কথা নয় যে মানুষ জানতে পেরেছে মহাবিশ্বের সূচনা এক মহাবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ঘটেছে। আইনস্টাইনের ক্ষেত্র সমীকরণ থেকে ফ্রিদমান সমীকরণ। তার পর বিশ্বতত্ত্ব নীতি এবং হোবল নীতি। সর্বশেষ ১৯৬০ সালে মহাজাগতিক অণুতরঙ্গের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান যখন ক্লান্ত, তখন দেখা গেল আজ থেকে প্রায় এক হাজার ৫০০ বছর আগেই বিশ্বস্রষ্টা তাঁর মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে এ ব্যাপারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। ‘অবিশ্বাসীরা কি দেখে না যে সপ্তাকাশ ও পৃথিবী পুঞ্জীভূত হয়ে ছিল। অতঃপর আমি উভয়টি এক মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে সূচনা করেছি।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৩০)


পৃথিবীর সৃষ্টি মহাকাশ সৃষ্টির আগে

মহাকাশ নাকি পৃথিবী? আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র, নাকি পৃথিবীর গাছপালা, কোনটি আগে সৃষ্টি হয়েছে? উত্তর খুঁজতে বেশি দূর যেতে হবে না। আপনার ঘরের পবিত্র কোরআন খণ্ডটি হাতে নিন। তাতে চোখ বুলালেই দেখতে পাবেন, ‘আপনি বলুন, সত্যিই কি তোমরা সেই মহাপ্রভুকে অস্বীকার করছ! যিনি পৃথিবীকে মাত্র দুদিনে সৃষ্টি করেছেন এবং তার অংশীদার নির্ধারণ করছ? তিনি তো সমস্ত জগতের প্রতিপালক। যিনি পৃথিবীতে তার উপরাংশে পাহাড় স্থাপন করেছেন এবং জমিনের ভিতরাংশ বরকতপূর্ণ করেছেন আর ভূগর্ভে সুষমরূপে খাদ্যদ্রব্য মজুদ করেছেন মাত্র চার দিনে। সব যাচনাকারীর জন্য সমানভাবে। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন আর তা ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। (সুরা : ফুসিসলাত, আয়াত : ৯-১১) এখানে পর্যায়ক্রমে প্রথমে পৃথিবী সৃষ্টি এরপর ভূগর্ভস্থ বিষয়াবলির আলোচনার পর আসমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।



পৃথিবীর পরিধি ক্রমে সংকীর্ণ হয়ে আসছে

পদার্থবিজ্ঞানীদের গবেষণামতে পৃথিবী তার সূচনালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ভূগর্ভস্থ পানির এক-চতুর্থাংশ পানি হারিয়েছে।
..............

*📝কুরআনের বৈজ্ঞানিক নিদর্শন:-* কুর’আনের ১১৪টি সূরা বিবিধ বিষয়ে আলোচনার দাবী রাখে। কুর’আনের মোট ৬২৩৬ টি আয়াতে মাত্র তিনশত...
11/04/2021

*📝কুরআনের বৈজ্ঞানিক নিদর্শন:-*

কুর’আনের ১১৪টি সূরা বিবিধ বিষয়ে আলোচনার দাবী রাখে। কুর’আনের মোট ৬২৩৬ টি আয়াতে মাত্র তিনশতটির মতো আয়াতে বিভিন্ন বিধিনিষেধের আলোচনা করা হয়েছে। আর বাকি বিভিন্ন আয়াতে মানুষের বোধগম্যতার জন্য বিভিন্ন উদাহরণ প্রদান করা হয়েছে। অতীতের নবী রাসূলদের সংগ্রাম এবং তাদের জাতির অবাধ্যতার ইতিহাসের পাশাপাশি এই গ্রন্থে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল্লাহর এই বিশাল সৃষ্টি জগতের দিকে। মানুষকে পথপ্রদর্শনের জন্য কুর’আনে এরূপ বিবিধ নিদর্শনের উল্লেখ কুর’আনকে পরিণত করেছে ‘নিদর্শনের গ্রন্থে’।

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে হচ্ছে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টি, আর তোমাদের ভাষা ও তোমাদের বর্ণের বৈচিত্র্য। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। (সূরা রুম, আয়াত- ২২)

তিনি সকল বিষয় পরিচালনা করেন, নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা স্বীয় পালনকর্তার সাথে সাক্ষাত সম্বন্ধে নিশ্চিত বিশ্বাসী হও। (সূরা রাদ, আয়াত-২)

আল্লাহর নির্দেশিত পথে মানুষকে চলার গুরুত্বস্বরূপ কুর’আনে বারবার পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে বিভিন্ন নিদর্শনসমূহের উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূল (সা.) এর সময় তৎকালীন বিজ্ঞানচর্চা ছিলো একদম প্রাথমিক পর্যায়ের। বর্তমানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্রমাগত অগ্রসরতায় কুর’আনের এই ‍নিদর্শনগুলো আমাদের সামনে উদ্ভাসিত হচ্ছে। পূর্বে যে বিষয়সমূহ মানুষের বোধগম্যতার অতীত ছিলো, আধুনিক বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কারে তার ব্যাখ্যা মানুষের সামনে পরিষ্কার হচ্ছে।

কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কুর’আনে উল্লেখিত এই নিদর্শনগুলো সীমাবদ্ধ নেই, বরং মহাবিশ্ব থেকে শুরু করে ভূগোল, উদ্ভিদ ও প্রাণীবিদ্যা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে কুর’আনের উদাহরণসমূহ বিবৃত করা হয়েছে।.............

Address

Kolkata

Telephone

+919932739981

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ai Amirul ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ai Amirul ISLAM:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Other Kolkata clinics

Show All