10/10/2023
আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
মানসিক স্বাস্থ্য: আমাদের মানব সমাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়এটি আমাদের জীবনের প্রতি দিনের চ্যালেঞ্জ এবং এটির সাথে ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভাবে পর্যাপ্ত যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা নির্বাচন এবং সচেতনতা বাড়াতে ।
আমাদের সবার জীবনেই কখনো কখনো মন খারাপ হতে পারে। কিন্তু সেটা বেশিক্ষণ বা বেশিদিন থাকার কথা নয়। অথবা ভালো কোন ঘটনায়, খবরে সেটা ভালো হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে যদি টানা মনখারাপ ভাব বা বিষণ্ণতা থাকে, তখন সেটা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা উপসর্গ বলে ধরে নিতে হবে।
মনের কোনো সমস্যা হলে তার অনেকগুলো শারীরিক প্রভাবও দেখা যায়। যেমন মাথাব্যথা, বুকে ব্যথা, শ্বাসে সমস্যা, অনীহা বা দুর্বলতা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা যায়।
তখন পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে যদি দেখা যায় যে, তার আসলে শারীরিক কোন সমস্যা নেই, তারপরেও তিনি এরকম সমস্যায় ভুগছেন। এটা মানসিক কারণে হতে পারে বলে আমরা সন্দেহ করি।
শিশুদের ক্ষেত্রেও তাই। অনেক সময় দেখা যায়, তার আচরণে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সে খুব রেগে যাচ্ছে, ভাঙচুর করছে, বাবা-মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে পারছে না। পড়ালেখায় আগ্রহ নেই, ঘুম হচ্ছে না, খাওয়াদাওয়া ঠিকমতো করছে না। এসব লক্ষণ দেখা গেলে তার মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা-তে দুই ধরণের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। তার একটি হচ্ছে কাউন্সেলিং বা পরামর্শ সেবা। আরেকটি ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা।
কেউ মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে মনোরোগবিদদের পরামর্শ নিতে পারেন। অনেক সময় কাউন্সেলিং থেরাপির মাধ্যমে সহজেই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া এবং সমস্যা সম্পর্কে সামাজিক সমর্থন দেওয়া মানব সমাজের করণীয়,
মনের সাথে সিকোলোজিক্যাল কাউন্সেলিং সেন্টার
মৈত্রী মুখার্জী
সিকোলোজিক্যাল কাউন্সেলর এন্ড থেরাপি প্রাক্টিশনার
৯০৬২৬৪৭৭৯৪