Dr Subhasish Pati

Dr Subhasish Pati This page brings education on pain and movement health from Dr Subhasish Pati, Specialist in Interventional Pain Management and Rehabilitation Medicine.
(1)

Learn about early signs, proven treatments and daily habits that support pain free living.

“এই দুই নম্বর ওষুধটা কি গ্যাসের ওষুধ লিখলেন ডাক্তারবাবু? ১০ দিনের জন্য? ওটা লিখতে হবে না… ওটা তো আমি রোজ খাই!”✍️আমি পেনট...
23/02/2026

“এই দুই নম্বর ওষুধটা কি গ্যাসের ওষুধ লিখলেন ডাক্তারবাবু? ১০ দিনের জন্য? ওটা লিখতে হবে না… ওটা তো আমি রোজ খাই!”

✍️আমি পেনটা থামিয়ে ওনার দিকে তাকালাম। চশমাটা ঠিক করে নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “মানে? আপনি প্রতিদিন এই ওষুধ খাচ্ছেন? কোনো ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই?”

📍রমেশ বাবু হাসিমুখে উত্তর দিলেন, “এই তো বছর পাঁচেক হয়ে গেল… এখন তো এটা অভ্যেস হয়ে গেছে। সকালে একটা না খেলে দিনটা ঠিক জমে না।”

আমাদের চারপাশে এমন রমেশ বাবু বা মুখার্জি বাবু অজস্র আছেন। আমরা ভাবি ‘গ্যাসের বড়ি’ তো খুব সাধারণ একটা জিনিস। কিন্তু এই ‘নির্দোষ’ মনে হওয়া ওষুধটা যদি বছরের পর বছর খান, তবে শরীরে কী কী ঘটতে পারে জানেন?

🔬 এই ওষুধ আসলে আপনার শরীরে কী করে?

আমাদের পাকস্থলীর দেওয়ালে “Parietal Cell” নামে কিছু বিশেষ কোষ থাকে। এদের কাজ হলো খাবার হজম করার জন্য অ্যাসিড (Hydrochloric Acid বা HCl) তৈরি করা।
আপনি যখনই এই গ্যাসের ওষুধ (যাকে আমরা বিজ্ঞানের ভাষায় বলি PPI - Proton Pump Inhibitor) খান, তখন এটি গিয়ে ওই কোষগুলোর ‘অ্যাসিড তৈরির পাম্প’ বা রাস্তাটাকে একদম তালা মেরে বন্ধ করে দেয়। ফলে পেট আর আগের মতো অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। শুরুতে আপনার মনে হয় ‘আহ্, বুক জ্বালা কমল, শান্তি!’ কিন্তু এই তালাটা যদি ৫ বছর ধরে লাগানো থাকে, তবেই বিপদ শুরু হয়।

🛡️ অ্যাসিড আপনার শত্রু নয়, ‘বডিগার্ড’
আমাদের পাকস্থলীর অ্যাসিড কোনো রোগ নয়, বরং শরীরের জন্য খুব জরুরি। কেন?

1. হজম: বিশেষ করে মাছ-মাংস বা প্রোটিন হজম করতে এই অ্যাসিড মাস্ট। অ্যাসিড না থাকলে খাবার পেটে পচতে থাকে (Fermentation), আর তা থেকেই উল্টে আরও বেশি গ্যাস ও দুর্গন্ধযুক্ত ঢেকুর হয়।
2. জীবাণুনাশক: অ্যাসিড হলো শরীরের ন্যাচারাল ‘স্যানিটাইজার’। খাবার বা জলের সাথে যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া আমাদের পেটে ঢোকে, অ্যাসিড তাদের সাথে যুদ্ধ করে মেরে ফেলে।

⚠️ দিনের পর দিন গ্যাসের ওষুধ খেলে যে বিপদগুলো ওত পেতে থাকে:
• হাড়ের বারোটা বেজে যাওয়া: ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজগুলো শরীরে শোষিত হওয়ার জন্য অ্যাসিডের উপস্থিতি জরুরি। ৫ বছর ধরে ওষুধ খেয়ে অ্যাসিড বন্ধ রাখলে হাড় খড়কুঠোর মতো ভঙ্গুর হয়ে যায় (Osteoporosis)।

• হাত-পা ঝিঁঝিঁ করা: ভিটামিন B12 শোষণের জন্য অ্যাসিড লাগে। নিয়মিত গ্যাসের ওষুধ খেলে শরীরে B12 কমে যায়, ফলে স্নায়ু দুর্বল হয়, হাত-পা অবশ ভাব লাগে এবং স্মৃতিশক্তিও কমতে থাকে।

• কিডনির নিরব ক্ষতি: অনেক সময় দেখা যায় কোনো লক্ষণ ছাড়াই কিডনির ছাঁকনি ব্যবস্থা নষ্ট হতে শুরু করেছে (Chronic Kidney Disease)।

• পেটের ইনফেকশন: অ্যাসিড কম থাকলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (যেমন C. difficile) পেটে বাসা বাঁধে, যা থেকে বারবার ডায়রিয়া বা পেটের অসুখ হতে পারে।

✅ তাহলে উপায় কী?
ওষুধটাকে নিজের ‘বস’ বানিয়ে ফেলবেন না। যদি রমেশ বাবুর মতো আপনারও এই অভ্যেস থাকে, তবে:
• হুট করে বন্ধ করবেন না: দীর্ঘদিনের অভ্যেস হঠাৎ ছাড়লে হিতে বিপরীত হতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডোজ ধীরে ধীরে কমান।
• আসল রোগ সারান: আপনার গ্যাস কি লিভারের সমস্যার জন্য? নাকি খাবারে অনিয়ম? নাকি পেটে কোনো ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ? আগে সেটা জানুন।
• জীবনযাত্রা বদলান: পর্যাপ্ত জল খান, সময়মতো খাবার খান এবং প্রোবায়োটিক (যেমন টক দই) ডায়েটে রাখুন।

( আমি কিন্তু গ্যাসের ডাক্তার নয় , অসুবিধে হলে মেডিসিন বা গ্যাস্ট্রো ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিন 🙏)
fans

"ডাক্তারবাবু, ১০০০০ স্টেপস ডেইলি কি হাঁটতেই হবে? আর একটা কথা, আমার স্ত্রীর হাঁটুতে অস্টিওআর্থ্রাইটিস আছে, ও কি আমার সাথে...
20/02/2026

"ডাক্তারবাবু, ১০০০০ স্টেপস ডেইলি কি হাঁটতেই হবে? আর একটা কথা, আমার স্ত্রীর হাঁটুতে অস্টিওআর্থ্রাইটিস আছে, ও কি আমার সাথে হাঁটতে পারবে?"

🔍চেম্বারের নিস্তব্ধতা ভেঙে অনিমেষবাবু যখন এই জোড়া প্রশ্নটা করলেন, তখন ওনার চোখেমুখে এক অদ্ভুত দ্বিধা। পাশে বসা ওনার স্ত্রী মিতাদেবীর মুখটা একটু ম্লান। হয়তো মনে মনে ভাবছিলেন, হাঁটা মানেই তো হাঁটুর ওপর বাড়তি চাপ, আর হাড় যেখানে ক্ষয়ে যাচ্ছে সেখানে হাঁটলে কি বিপদ আরও বাড়বে?

🖌️আমি পেনটা সরিয়ে রেখে ওনাদের দিকে তাকালাম। এই '১০,০০০ পা' আর 'আর্থ্রাইটিসে হাঁটা'—এই দুটো বিষয় নিয়ে মানুষের মনে পাহাড়প্রমাণ ভুল ধারণা জমে আছে।

✍️১০,০০০ সংখ্যাটা কি সত্যিই ধ্রুবসত্য?

অনিমেষবাবুকে সহজ করে বোঝালাম, এই ১০,০০০ সংখ্যাটা আসলে কোনো ডাক্তার বা বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেননি। ১৯৬০-এর দশকে জাপানি একটি কোম্পানি তাদের স্টেপ-কাউন্টার মেশিন বিক্রি করার জন্য 'Manpo-kei' (১০,০০০ পা মাপার যন্ত্র) নামে একটা চমৎকার মার্কেটিং ক্যাম্পেইন করেছিল। ব্যাস, সেই থেকেই এই সংখ্যাটা আমাদের মাথায় গেঁথে গেছে।

📚 সাম্প্রতিক অনেক গবেষণায় দেখা গেছে:

• ৭,০০০ থেকে ৮,০০০ পা: হার্টের রোগ বা অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে এই সংখ্যাটাই যথেষ্ট কার্যকরী।
• ধারাবাহিকতা: আপনি একদিন ১০,০০০ হাঁটলেন আর বাকি চারদিন সোফায় বসে থাকলেন, তাতে লাভ নেই। বরং রোজ ৫,০০০-৬,০০০ পা হাঁটা অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
• তীব্রতা (Intensity): শুধু খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা নয়, একটু ঘাম ঝরিয়ে জোরে হাঁটা (Brisk Walking) অল্প সময়ে বেশি উপকার দেয়।

🚶‍♀️আর্থ্রাইটিস নিয়ে কি হাঁটা যায়?
মিতা বৌদির দিকে ফিরে বললাম, "বৌদি, আপনি কি জানেন—বসে থাকা বা একদম না হাঁটা আপনার হাঁটুর জন্য উল্টে বেশি ক্ষতিকর হতে পারে?"

আর্থ্রাইটিস মানেই বিশ্রাম নয়। হাড়ের জয়েন্টের স্বাস্থ্যের জন্য 'মুভমেন্ট' অত্যন্ত জরুরি। কেন, সেটা একটু বুঝিয়ে বলি:
📍লুব্রিকেশন: আমাদের জয়েন্টের ভেতরে একধরণের তরল থাকে (Synovial Fluid)। আপনি যখন হাঁটেন, সেই তরলটা পুরো জয়েন্টে ছড়িয়ে পড়ে, যা হাড়ের ঘর্ষণ কমায়। অনেকটা ইঞ্জিনে মোবিল দেওয়ার মতো।
📍পেশির শক্তি: নিয়মিত হাঁটলে হাঁটুর চারপাশের পেশিগুলো মজবুত হয়। পেশি শক্তিশালী হলে শরীরের ভার হাড়ের ওপর কম পড়ে।
📍ওজন নিয়ন্ত্রণ: হাঁটু ক্ষয়ের প্রধান শত্রু হলো শরীরের বাড়তি ওজন। হাঁটাচলা করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা পরোক্ষভাবে হাঁটুকে আরাম দেয়।

🙏অনিমেষবাবুকে বললাম, "উনি আপনার সাথে হাঁটতে পারবেন ঠিকই, কিন্তু ওনাকে আপনার সমান তালে দৌড়ালে চলবে না। ওনার জন্য কিছু নিয়ম আলাদা"

1. সঠিক জুতো: শক্ত চটি বা স্যান্ডেল একদম নয়। ভালো কুশন দেওয়া স্পোর্টস শু (Cushioned Shoes) মাস্ট।
2. রাস্তার ধরণ: খুব শক্ত কংক্রিটের রাস্তায় বা এবড়োখেবড়ো জমিতে না হেঁটে সমতল ঘাস বা মাটির পথে হাঁটা ভালো।
3. গতি ও সময়: শুরুতে খুব জোরে হাঁটার দরকার নেই। যদি হাঁটুতে ব্যথা বাড়ে, তবে সঙ্গে সঙ্গে বিরতি নিন।
4. বরফ সেঁক: হাঁটার পর যদি হাঁটুতে একটু গরম ভাব বা অস্বস্তি লাগে, তবে ১০-১৫ মিনিট আইস প্যাক দিয়ে সেঁক দিন।

🩺অনিমেষবাবু আর মিতা বৌদি যখন চেম্বার থেকে বেরোলেন, ওনাদের দুজনের মুখেই তখন অনেকটা স্বস্তি। আমি শুধু মনে করিয়ে দিলাম—শরীরটা মেশিন নয়। নম্বর মিলিয়ে ১০,০০০ করার চেয়ে নিজের সামর্থ্য বুঝে সচল থাকাটাই আসল সুস্থতা।
fans

18/02/2026

প্রতিদিনের ব্যথাকে স্বাভাবিক ভেবে নেবেন না।

CTVN PLUS–এর পডকাস্টে আমি ব্যথার বিভিন্ন কারণ ও তার আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, কোমর ব্যথা, সারভাইক্যাল সমস্যা, জয়েন্ট পেইন, স্পোর্টস ইনজুরি, নার্ভ পেইন এবং নন-সার্জিক্যাল রিহ্যাবিলিটেশন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করেছি।

❎ব্যথা সহ্য করা সমাধান নয়।
সঠিক ডায়াগনোসিস ও পরিকল্পিত চিকিৎসাই আপনাকে স্বস্তির জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে।

পুরো পডকাস্টটি দেখুন এবং সচেতন থাকুন।
fans
Dr Subhasish Pati CTVN AKD PLUS

"ডাক্তারবাবু, হাঁটুতে কেন এমন খট্ খট্ শব্দ হচ্ছে? ভেতরে কি কিছু ভেঙে গেল?"— গত সপ্তাহে চেম্বারে ঢুকেই ষাটোর্ধ্ব অমরবাবু ...
16/02/2026

"ডাক্তারবাবু, হাঁটুতে কেন এমন খট্ খট্ শব্দ হচ্ছে? ভেতরে কি কিছু ভেঙে গেল?"— গত সপ্তাহে চেম্বারে ঢুকেই ষাটোর্ধ্ব অমরবাবু এই প্রশ্নটা করলেন। উনার চোখেমুখে স্পষ্ট দুশ্চিন্তার ছাপ।

🩺আমি একটু হেসে ওনাকে বসতে বললাম। অমরবাবুর মতো অনেকেই এই 'খট্ খট্' বা মটমট শব্দ শুনে ভয় পেয়ে যান। ডাক্তারি ভাষায় একে আমরা বলি 'ক্রেপিটাস' (Crepitus)।

🖌️অমরবাবুকে সহজ করে বুঝিয়ে বললাম, "ভয় পাবেন না অমরবাবু। এই শব্দের পেছনে মূলত তিনটি সাধারণ কারণ থাকতে পারে:"

১. গ্যাসের বুদবুদ: আমাদের জয়েন্টের ভেতরে থাকা পিচ্ছিল রসে (Synovial Fluid) অনেক সময় কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ছোট ছোট বুদবুদ তৈরি হয়। হাঁটাচলার সময় সেগুলো ফাটলে অনেকটা পপকর্ন ফাটার মতো শব্দ হতে পারে।

২. টেনডনের ঘর্ষণ: জয়েন্টের চারপাশের লিগামেন্ট বা টেনডন যখন হাড়ের ওপর দিয়ে পিছলে যায়, তখন গিটারের তারের মতো একধরণের আওয়াজ হয়।

৩. বয়স বাড়লে হাড়ের ওপরের নরম আস্তরণ বা কার্টিলেজ খসখসে হয়ে যায়। তখন এক হাড়ের সাথে অন্য হাড়ের ঘষায় এমন শব্দ হয়। এটি সাধারণত আর্থ্রাইটিসের প্রাথমিক লক্ষণ।

🖌️অমরবাবু উদগ্রীব হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তা হলে কি সব শব্দই স্বাভাবিক?"
আমি ওনাকে সতর্ক করে বললাম, "খট্ খট্ শব্দের সাথে যদি 'ব্যথা' (Pain) থাকে, তবেই সেটা বিপদের সংকেত।"
নিচের লক্ষণগুলো থাকলে দেরি করবেন না:

✅শব্দের সাথে তীব্র যন্ত্রণা: যদি হাঁটু নাড়াতে গেলে বা হাঁটলে শব্দ হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা হয়।
✅হাঁটু ফুলে যাওয়া বা গরম হওয়া: শব্দের সাথে যদি হাঁটু লালচে হয়ে ফুলে যায়।
✅হাঁটু আটকে যাওয়া (Locking): যদি মনে হয় হাঁটু সোজা বা ভাঁজ করতে গিয়ে মাঝপথে আটকে যাচ্ছে।

🔍অমরবাবু নিজের হাঁটুটায় একবার হাত বুলিয়ে দেখে নিলেন। তারপর একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, "যাক বাবা! আমার শুধু আওয়াজটাই হয়, ব্যথাটা কিন্তু এখনও নেই। এখন কী করলে এই আওয়াজ বন্ধ হবে?"

📍ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের প্রতি ১ কেজি ওজন কমলে হাঁটুর ওপর থেকে ৪ কেজি চাপ কমে। তাই ওজন কমানো মানেই হাঁটুকে ছুটি দেওয়া।
📍কোয়াড্রিসেপস এক্সারসাইজ: পায়ের ওপরের দিকের পেশি শক্ত করার ব্যায়াম করলে হাড়ের ওপর চাপ কম পড়ে এবং জয়েন্ট মজবুত হয়।
📍সুষম খাবার: হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার ডায়েটে রাখা জরুরি।
📍সঠিক জুতো: শক্ত বা উঁচু হিলের বদলে নরম সোলের (Cushioned) জুতো পরা শুরু করুন। এটি হাঁটুর শক-অ্যাবজরবার হিসেবে কাজ করে।

অমরবাবু আশ্বস্ত হয়ে হাসিমুখে বিদায় নিলেন। মনে রাখবেন, হাঁটুতে শুধু শব্দ হওয়া বার্ধক্যের একটা জানান মাত্র, কিন্তু ব্যথা শুরু হওয়া মানেই চিকিৎসার প্রয়োজন।
fans

২৯ বছর বয়সী আইটি (IT) পেশাদার সতীশ একদিন আতঙ্কিত মুখে আমার ক্লিনিকে এল। ঘরে ঢুকেই বলল, "আমার পিঠের ব্যথা টা কিন্তু ক্যা...
12/02/2026

২৯ বছর বয়সী আইটি (IT) পেশাদার সতীশ একদিন আতঙ্কিত মুখে আমার ক্লিনিকে এল। ঘরে ঢুকেই বলল, "আমার পিঠের ব্যথা টা কিন্তু ক্যান্সার এর জন্যই , আপনি ফোন টা দেখুন "

🔍আমি ওর অস্থির মুখটার দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললাম, "শান্ত হও সতীশ। একটা লম্বা শ্বাস নাও। তোমার কেন মনে হচ্ছে যে এটা ক্যানসার?"

📱ও পকেট থেকে ফোন বের করে তিনটে আলাদা এআই (AI) প্ল্যাটফর্ম দেখাল। সে সেখানে ‘persistent lower back pain’ লিখে সার্চ করেছিল এবং সবকটি প্ল্যাটফর্মই সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ‘স্পাইনাল ম্যালিগন্যান্সি’ বা ‘হাড়ের ক্যানসার’-এর নাম লিখেছে। তালিকার চার বা পাঁচ নম্বরে ওই নাম থাকলেও, সতীশের কাছে ওইটুকুই ছিল যথেষ্ট।

🛜ইন্টারনেটের দেওয়া এই অহেতুক দুশ্চিন্তায় (Digital-induced anxiety) সে উপরের সাধারণ কারণগুলো খেয়ালই করেনি।
পরের দশ মিনিট আমি তাকে শান্ত করলাম এবং তার প্রতিদিনের রুটিন সম্পর্কে জানলাম। দেখা গেল, সতীশ দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা ল্যাপটপের সামনে কুঁজো হয়ে বসে থাকে, তাও কোনো সঠিক এরগোনমিক চেয়ার ছাড়াই।

🔍শারীরিক পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেল যে তার ক্যানসার হয়নি। সে ‘ফ্যাসেট আর্থ্রোপ্যাথি’ (Facet Arthropathy)-তে ভুগছিল—যা মূলত মেরুদণ্ডের ছোট হাড়ের জোড়গুলোর ক্ষয়, যা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে হয়েছে।

🙂সতীশ যখন ক্লিনিক থেকে বেরোল, সে অনেকটা স্বস্তিতে ছিল। তবে তার এই গল্পটি ‘সাইবারকন্ড্রিয়া’র (Cyberchondria) একটি ধ্রুপদী উদাহরণ—যেখানে প্রযুক্তি আমাদের স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার চেয়ে মানসিক চাপ বেশি বাড়িয়ে দেয়।

📚ক্যানসার ও পিঠের ব্যথা: কখন সতর্ক হবেন?
যদিও সতীশের মতো বেশিরভাগ পিঠের ব্যথা ‘মেকানিক্যাল’ বা সাধারণ হাড়-পেশির সমস্যা, তবুও কিছু ক্ষেত্রে এটি ক্যানসারের সংকেত হতে পারে।

১. রাতে ব্যথা বেড়ে যাওয়া: সাধারণ পেশির ব্যথা শুয়ে থাকলে কমে। কিন্তু বিশ্রাম নেওয়ার সময় যদি ব্যথা বাড়ে বা ঘুমের ঘোরে ব্যথায় ঘুম ভেঙে যায়, তবে তা গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত।

২. অকারণে ওজন হ্রাস: ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই যদি দ্রুত ওজন কমতে থাকে এবং সাথে পিঠের ব্যথা থাকে, তবে এটি একটি বড় ক্লিনিক্যাল লক্ষণ।

৩. ক্যানসারের ইতিহাস: আগে যদি স্তন, ফুসফুস বা প্রোস্টেট ক্যানসার হয়ে থাকে, তবে নতুন করে পিঠের ব্যথা হলে অবহেলা করবেন না। কারণ এই ক্যানসারগুলো মেরুদণ্ডে ছড়িয়ে পড়ার (Metastasis) প্রবণতা রাখে।

৪. স্নায়বিক দুর্বলতা: পায়ে হঠাৎ দুর্বলতা, হাঁটতে অসুবিধা হওয়া বা মল-মূত্র ত্যাগের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা একটি জরুরি অবস্থা (Emergency)।

৫. চিকিৎসায় উন্নতি না হওয়া: ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ সঠিক ফিজিওথেরাপি বা ওষুধ খাওয়ার পরেও যদি ব্যথার বিন্দুমাত্র উন্নতি না হয়, তবে এমআরআই (MRI) করা প্রয়োজন।

কোমর ব্যথা কে ভয় পাবেন না কিন্তু অবহেলা ও করা উচিত নয় I

🦀"ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে পিঠের ব্যথা কিন্তু মাত্র ০.৬৬% থেকে ১% ক্ষেত্রে দেখা যায় আর মেকানিক্যাল ব্যথা ৯০% এর বেশি ক্ষেত্রে হয় I

🙏প্রযুক্তি একটি দারুণ হাতিয়ার, কিন্তু ক্লান্ত পেশি আর মরণব্যাধি টিউমারের পার্থক্য বোঝার মতো ‘ক্লিনিক্যাল টাচ’ বা অভিজ্ঞতা এখনো কেবল একজন চিকিৎসকেরই আছে I
fans

"সব তো বুঝলাম ডাক্তারবাবু, শেষে শুধু একটা কথা বলে দিন— তাহলে ব্যথা তে আমি কী খাব আর কী খাব না?"মুখার্জি বাবু চেম্বার থেক...
09/02/2026

"সব তো বুঝলাম ডাক্তারবাবু, শেষে শুধু একটা কথা বলে দিন— তাহলে ব্যথা তে আমি কী খাব আর কী খাব না?"
মুখার্জি বাবু চেম্বার থেকে বেরোনোর মুখে ঠিক এই প্রশ্নটাই করলেন। ওনার হাতে ধরা একগুচ্ছ রিপোর্ট আর প্রেসক্রিপশন। আমি ওনাকে আবার সামনের চেয়ারটায় বসতে বললাম ।

📍"মুখার্জি বাবু, আমার উত্তরটা একটু অন্যরকম। পাড়ার লোকের বা প্রতিবেশীদের পরামর্শে আজ থেকে এটা-ওটা খাওয়া বন্ধ করবেন না। আমার সোজা কথা হলো— আপনি সব খাবেন।"

উনি আকাশ থেকে পড়লেন। "সব খাব? মানে টক, ডাল, পুঁইশাক— সব?"

🩺একটু হেসে বললাম, "হ্যাঁ, সব। তবে একটা ছোট শর্ত আছে। যদি দেখেন কোনো নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার পর আপনার ব্যথাটা হঠাৎ বেড়ে যাচ্ছে বা কোনো অস্বস্তি হচ্ছে, তাবেই সেই খাবারটা নিজের তালিকা থেকে বাদ দেবেন। অন্যের কথা শুনে নিজের প্রিয় খাবার ত্যাগ করার কোনো মানে নেই।"

🩺আমাদের প্রত্যেকের শরীরের গঠন আলাদা। কোনো বিশেষ খাবার আপনার শরীরে Pro-inflammatory Cytokines নামক কিছু প্রোটিনের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এগুলো আগুনের মতো আপনার জয়েন্টে প্রদাহ বা Inflammation তৈরি করে।
যেহেতু সবার হজম শক্তি বা Gut Microbiome এক নয়, তাই একজনের জন্য যা বিষ, অন্যজনের জন্য তা অমৃত হতে পারে। তাই নিজের শরীরের 'সিগন্যাল' বুঝতে শিখুন। আপনার শরীরই আপনাকে বলে দেবে কোনটা আপনার সহ্য হচ্ছে আর কোনটা হচ্ছে না।

🔍মুখার্জি বাবুর দিকে তাকিয়ে বললাম, "খাবারের তালিকার চেয়েও বেশি জরুরি হলো খাবারের পরিমাণ। জয়েন্টের ব্যথার সবচেয়ে বড় শত্রু কিন্তু কোনো সবজি নয়, বরং আপনার শরীরের ওজন।"
বিজ্ঞান বলছে: আপনার ওজন যদি মাত্র ১ কেজি বাড়ে, তবে হাঁটার সময় আপনার হাঁটুর ওপর তার চাপ পড়ে প্রায় 4 কেজি! এই অতিরিক্ত চাপই হাড়ের ক্ষয় আর ব্যথা বাড়িয়ে দেয়।

📍তাও একটু জেনে নি জয়েন্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে এই জিনিস গুলো নিয়মিত খাওয়া উচিত নয় I

* চিনি ও মিষ্টি: অতিরিক্ত চিনি শরীরে ইনসুলিন বাড়িয়ে দেয় এবং জয়েন্টের ফোলাভাবকে উসকে দেয়।
* ময়দা ও রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট: লুচি, পরোটা বা সাদা পাউরুটি নিয়মিত খেলে শরীরে প্রদাহ বাড়ে।
* সফট ড্রিংকস ও সোডা: এগুলোতে থাকা ফসফরাস হাড়ের ক্যালসিয়াম শুষে নেয়।
* অতিরিক্ত লবণ: বেশি লবণ শরীরে জল জমিয়ে রাখে (Water Retention), যা জয়েন্টে চাপ সৃষ্টি করে।
* রিফাইনড ভেজিটেবল অয়েল: ডালডা বা সস্তা তেলে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে, যা শরীরের ভেতরে ছোট ছোট 'আগুন' বা ইনফ্লামেশন তৈরি করে।

📍জয়েন্টের বন্ধু খাবার গুলো একটু জেনে নি

* ওমেগা-৩ (Omega-3): আখরোট, তিসি (Flaxseeds) এগুলো জয়েন্টের জন্য 'গ্রিজ' বা লুব্রিকেন্টের কাজ করে।
* ভিটামিন সি: আমলকী, লেবু বা পেয়ারা। এগুলো কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা হাড়ের সংযোগস্থলের কুশন বা কার্টিলেজ ঠিক রাখে।
* হলুদ ও আদা: হলুদের Curcumin হলো এক শক্তিশালী ন্যাচারাল পেইন-কিলার।
* ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি: দুধ, ছানা বা ডিম— হাড়ের শক্তি বজায় রাখতে এগুলো অপরিহার্য।

🔍মুখার্জী বাবু জিজ্ঞেস করলেন মাছ বা মাংস ?
মাছ জয়েন্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী, বিশেষ করে ছোট মাছ বা সামুদ্রিক মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ব্যথা কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে; আর মাংসের ক্ষেত্রে খাসির মাংস বা রেড মিট একটু এড়িয়ে চিকেন বা মুরগির মাংস বেছে নিন, কারণ এটি ওজন না বাড়িয়েই শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে।

🖌️সবশেষে ওনাকে মনে করিয়ে দিলাম, "মুখার্জি বাবু, এই পরামর্শগুলো হলো আপনার অস্টিওআর্থ্রাইটিস বা সাধারণ হাড়ের ব্যথার জন্য। যদি আপনার ইউরিক অ্যাসিড (Uric Acid) জনিত সমস্যা থাকে, তবে কিন্তু নিয়মগুলো একটু বদলে যাবে। সেটা নিয়ে আমরা পরে অন্য একদিন বিস্তারিত কথা বলব।"

মুখার্জি বাবু আশ্বস্ত হয়ে চেম্বার থেকে বেরোলেন। এখন তিনি জানেন, খাবারের সাথে কুস্তি লড়ে নয়, বরং নিজের শরীরকে বুঝে চললেই ব্যথা কে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে সাত বছরের তিতলির কান্নায় ঘুমটা ভেঙে গেল মায়ের। দৌড়ে গিয়ে দেখলেন, তিতলি বিছানায় বসে নিজের দুই পা জ...
07/02/2026

রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে সাত বছরের তিতলির কান্নায় ঘুমটা ভেঙে গেল মায়ের। দৌড়ে গিয়ে দেখলেন, তিতলি বিছানায় বসে নিজের দুই পা জাপটে ধরে কাঁদছে। "মা, আমার পায়ের ভেতরে খুব ব্যথা করছে, আমি একদম ঘুমাতে পারছি না!"

মা দ্রুত পায়ে হাত বুলিয়ে দেখলেন—কোথাও কোনো চোট নেই, ফোলা নেই, এমনকি মচকানোর কোনো চিহ্নও নেই। অথচ বিকেলেও মেয়েটা পার্কে দাপিয়ে খেলে বেরিয়েছে। মায়ের হঠাৎ মনে পড়ে গেল, তিতলির বড় ভাই যখন এই বয়সের ছিল, ওরও ঠিক এমন হতো। ডাক্তারবাবু বলেছিলেন, সাধারণত ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যেই এই সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, কারণ এটাই তাদের বাড়ন্ত সময়।
এই যে রাতে হঠাৎ পায়ের পেশিতে কামড়ানো ব্যথা, যা সকাল হতেই জাদুর মতো ভ্যানিশ হয়ে যায়—চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একেই বলা হয় 'গ্রোয়িং পেইন' (Growing Pains)।

🔍 গ্রোয়িং পেইন আসলে কী?
নাম 'গ্রোয়িং পেইন' হলেও, হাড় বড় হওয়ার সাথে এই ব্যথার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত বাড়ন্ত বয়সে সারাদিনের অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ এবং শারীরিক পরিশ্রমের ফলে পেশির ক্লান্তির বহিঃপ্রকাশ। আগেই যেমন বলা হয়েছে, ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী চঞ্চল শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা সবথেকে বেশি দেখা যায়।

🔍 এর প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?
• এই ব্যথা সাধারণত বিকেল বা রাতের দিকে শুরু হয়। অনেক সময় বাচ্চার ঘুমের ঘোরে ব্যথা বাড়ে, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠলে সে একদম স্বাভাবিক হয়ে যায়।
• ব্যথা সাধারণত দুই পায়ের ঊরু (Thighs), হাঁটুর পেছনে বা পায়ের ডিমের পেশিতে (Calf muscles) হয়। এটি কোনো জয়েন্ট বা গাঁটের ব্যথা নয়।
• এটি পেশির ভেতরে কামড়ানো বা চিনচিন করার মতো অনুভূতি। এটি নিয়মিত হয় না, বরং মাঝেমধ্যে হয় এবং নিজে থেকেই সেরে যায়।

🔍আপনার শিশুর এই অস্বস্তি কমাতে নিচের সহজ পদ্ধতিগুলো দারুণ কাজ করে:
১. হাতের তালু দিয়ে ব্যথার জায়গায় হালকা গরম তেল দিয়ে মালিশ করলে পেশি শিথিল হয় এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ে।
২. হিটিং প্যাড বা ইষদুষ্ণ জলের সেঁক দিলে পেশির টান কমে এবং শিশু দ্রুত আরাম পায়।
৩. দিনের বেলা বা রাতে শোয়ার আগে পায়ের হালকা কিছু ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করালে পেশি নমনীয় থাকে।
৪. অনেক সময় শিশু ব্যথায় ভয় পেয়ে যায়। তাকে জড়িয়ে ধরা বা গল্প শোনানো ব্যথার অনুভূতি ভুলিয়ে দিতে সাহায্য করে।

🔍 কখন চিন্তার কারণ হতে পারে?
সব পা ব্যথাই গ্রোয়িং পেইন নয়। নিচের লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
• যদি ব্যথার জায়গা লাল হয়ে ফুলে যায় বা খুব গরম হয়ে থাকে।
• যদি বাচ্চার জ্বর থাকে বা সে অস্বাভাবিক ক্লান্তি বোধ করে।
• যদি সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শিশু ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে হাঁটে।
• ব্যথা যদি সবসময় কেবল একটি নির্দিষ্ট পায়েই হয়।
• যদি কোনো পড়ে যাওয়া বা আঘাত পাওয়ার পর থেকে ব্যথা শুরু হয়।

📍 এটি কোনো রোগ নয় বরং বড় হওয়ার পথের একটি ছোট ধাপ। পর্যাপ্ত জল, সুষম খাবার (বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি) এবং পরিমিত বিশ্রামই এই সমস্যা থেকে শিশুকে মুক্তি দিতে পারে।

📚 গ্রোয়িং পেইন সাধারণত বংশগত হতে পারে। যদি বাবা বা মায়ের ছোটবেলায় এমন ব্যথার ইতিহাস থাকে, তবে সন্তানের ক্ষেত্রেও এটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
fans

Satish, a 29-year-old IT professional, came to me with a panicked face and said, "Doctor, I have cancer, and see—it’s ca...
04/02/2026

Satish, a 29-year-old IT professional, came to me with a panicked face and said, "Doctor, I have cancer, and see—it’s causing this back pain!"
I looked at his frantic expression and said, "Relax, Satish. Take a deep breath. Why do you think it's cancer?"

He pulled out his phone and showed me three different AI platforms. He had typed in "persistent lower back pain," and all of them had listed "spinal malignancy" or "bone cancer" as a possible cause. It was usually the fourth or fifth point on the list, but for Satish, it was the only one that mattered. In his state of digital-induced anxiety, he had completely missed the simple, more likely causes listed above it.

I spent the next ten minutes cooling him down and asking about his daily routine. It turned out Satish spent 10 to 12 hours a day hunched over a laptop in a non-ergonomic chair. After a physical examination, it became clear he wasn't suffering from cancer at all. He had Facet Arthropathy—essentially wear and tear of the small joints in the spine—likely caused by his prolonged sedentary lifestyle.

He left the clinic significantly more relaxed, but his story is a classic example of "Cyberchondria," where technology gives us more tension than clarity.

However, on World cancer day , it is important to know when back pain is more than just a desk job injury and may be secondary to Cancer !!

🦀While most back pain is mechanical (like Satish’s), you should consult a specialist if your pain is accompanied by these "red flags":

1. Pain That Worsens at Night: Most muscle or joint pain improves when you lie down. If your pain gets worse when you are resting or wakes you up from a deep sleep, it requires investigation.

2. Unexplained Weight Loss: If you are losing weight rapidly without changing your diet or exercise routine, and you have persistent back pain, this is a significant clinical sign.

3. History of Previous Cancer: If a patient has a history of breast, lung, or prostate cancer, any new and persistent back pain is treated with high suspicion, as these cancers often spread (metastasize) to the spine.

4. Neurological Deficits: Sudden weakness in the legs, difficulty walking, or a new loss of bladder or bowel control are emergency signs that something is pressing on the spinal cord.

5. Pain Unresponsive to Conservative Treatment: If your back pain does not improve at all after 4 to 6 weeks of physical therapy, or anti-inflammatory medication, it’s time for advanced imaging (like an MRI).

🔍The Statistics
How common is it? The numbers are actually quite reassuring for the general population:
• Primary Symptom: In the general primary care setting, back pain is the first symptom of cancer in only about 0.66% to 1% of cases.
• Mechanical vs. Serious: Over 90% of back pain cases are "mechanical" (strains, posture, or disc issues), meaning the odds are overwhelmingly in favor of a non-cancerous cause.

🖌️Technology is a great tool, but it lacks the "clinical touch" to tell the difference between a tired muscle and a serious tumor.

( Picture : During my short training period in cancer pain and Palliative care in Tata Cancer , Mumbai )

সুচিত্রা সেদিন সকালে আলমারি গোছাচ্ছিল। হঠাৎ বাঁ হাতের কবজির ওপর দিকে নজর যেতেই সে থমকে গেল। সেখানে মার্বেলের মতো গোল একট...
03/02/2026

সুচিত্রা সেদিন সকালে আলমারি গোছাচ্ছিল। হঠাৎ বাঁ হাতের কবজির ওপর দিকে নজর যেতেই সে থমকে গেল। সেখানে মার্বেলের মতো গোল একটা ফোলা অংশ। টিপলে কিছুটা শক্ত, আবার কিছুটা নরম। কোনো ব্যথা নেই, কিন্তু জিনিসটা দেখে সে বেশ ঘাবড়ে গেল। ভাবল, এটা কি কোনো টিউমার? নাকি হাড় বেড়ে গেল? এই চিন্তায় তার রাতের ঘুম উধাও। শেষমেশ ডাক্তারবাবুর কাছে গিয়ে সে জানল, এটি আসলে কোনো বড় রোগ নয়, বরং এর নাম 'গ্যাংলিয়ন সিস্ট' (Ganglion Cyst)।

🔍গ্যাংলিয়ন সিস্ট আসলে কী?
আমাদের জয়েন্ট বা সন্ধি এবং লিগামেন্টের চারপাশে এক ধরনের পিচ্ছিল রস থাকে (যাকে Synovial Fluid বলে), যা জয়েন্টগুলোকে সচল রাখতে সাহায্য করে। অনেক সময় জয়েন্টের ক্যাপসুল বা লিগামেন্টের আবরণ দুর্বল হয়ে গেলে সেই রসটুকু বাইরে বেরিয়ে এসে একটি ছোট থলির মতো তৈরি করে। এটাই হলো গ্যাংলিয়ন সিস্ট।

এটি কোনো ক্যানসার বা টিউমার নয়। সাধারণত কবজির ওপরের দিকে বা নিচের দিকে এটি বেশি দেখা যায়।

🔍কেন এটি হয়?
ঠিক কী কারণে এটি হয় তা সবসময় স্পষ্ট নয়, তবে কিছু সম্ভাব্য কারণ হলো:
• অতিরিক্ত চাপ: যারা হাতে কবজির কাজ বেশি করেন।
• পুরানো চোট: কবজিতে কোনো সময় আঘাত পেয়ে থাকলে।
• জয়েন্টের ক্ষয়: বয়সজনিত কারণে হাড়ের সন্ধিস্থল দুর্বল হয়ে পড়লে।

🔍চিকিৎসা কী?
গ্যাংলিয়ন সিস্টের চিকিৎসা নির্ভর করে সেটি কতটা অস্বস্তি তৈরি করছে তার ওপর।

1. পর্যবেক্ষণ (Wait and Watch): যদি কোনো ব্যথা না থাকে, তবে ডাক্তারবাবু এটিতে হাত না দেওয়ার পরামর্শ দেন। অনেক সময় এটি নিজে থেকেই মিলিয়ে যায়।

2. স্থির রাখা (Immobilization): হাতের নড়াচড়া বেশি হলে সিস্টের আকার বাড়তে পারে। তাই ব্রেস বা স্প্লিন্ট ব্যবহার করলে এটি ছোট হয়ে আসতে পারে।

3. অ্যাসপিরেশন (Aspiration): সিরিঞ্জের মাধ্যমে সিস্টের ভেতরে থাকা তরল বের করে নেওয়া হয়। তবে এতে অনেক সময় সিস্ট আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে।

4. অপারেশন (Surgery): যদি সিস্টটি বেশ বড় হয়ে যায় বা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে ছোট একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এটিকে গোড়া থেকে বাদ দেওয়া হয়।

🔍কখন চিন্তার কারণ হতে পারে?
সব গ্যাংলিয়ন সিস্ট ভয়ের নয়, কিন্তু নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
• যদি সিস্টটি কোনো নার্ভ বা স্নায়ুর ওপর চাপ দেয় এবং তার ফলে হাতে ঝিনঝিন বা অবশ ভাব অনুভূত হয়।
• যদি কবজির জয়েন্ট নাড়াচাড়া করতে ভীষণ ব্যথা হয়।
• যদি সিস্টের আকার খুব দ্রুত বাড়তে থাকে।

📍USG স্ক্রিনে কালো এলাকাটি (Black area) দেখছেন, এটিই প্রমাণ করে যে ভেতরে কোনো শক্ত টিউমার নেই, বরং এটি তরল বা জেলিতে পূর্ণ একটি থলি। বিজ্ঞানের ভাষায় একে 'অ্যানেকয়িক' (Anechoic) বলা হয়। চিকিৎসার সময় যখন আমরা একটি সরু সিরিঞ্জ দিয়ে এই থলিটি ফুটো করি, তখন এই কালো অংশের ভেতরে থাকা আঠালো পিচ্ছিল রসটুকুই টেনে বের করে আনা হয়। এই পদ্ধতিকেই বলা হয় অ্যাসপিরেশন (Aspiration)। রসটুকু বেরিয়ে গেলেই কালো অংশটি মিলিয়ে যায় এবং ফোলা ভাব কমে যায় I

📚গ্যাংলিয়ন সিস্টকে অনেক সময় "Bible Bump" বলা হতো। কারণ আগেকার দিনে মানুষ বড় বা ভারী কোনো বই (যেমন বাইবেল) দিয়ে জোরে আঘাত করে এটি ফাটিয়ে ফেলার চেষ্টা করত। তবে বর্তমানে ডাক্তাররা এটি একেবারেই নিষেধ করেন, কারণ এতে হাড় বা টিস্যুর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে
fans

02/02/2026

Rheumatoid Arthritis is not the same as regular age-related joint pain.

It’s an autoimmune condition that affects joints in a very different way.

On the occasion of Rheumatoid Arthritis Awareness Day, lets get insights into what people often misunderstand about Rheumatoid Arthritis.

Because awareness begins with understanding, not assumptions.



[ Rheumatoid Arthritis awareness, autoimmune arthritis, joint pain causes, inflammatory arthritis, morning stiffness joints, arthritis symptoms, rheumatoid arthritis education, PMR doctor, musculoskeletal specialist, arthritis awareness day ]

“ইউরিক অ্যাসিড তো এখন নরমাল( Normal)? ওষুধটা কি খাব?”রামবাবু আজ বেশ হাসি হাসি মুখে ক্লিনিকে ঢুকলেন। হাতে লেটেস্ট ব্লাড র...
31/01/2026

“ইউরিক অ্যাসিড তো এখন নরমাল( Normal)? ওষুধটা কি খাব?”

রামবাবু আজ বেশ হাসি হাসি মুখে ক্লিনিকে ঢুকলেন। হাতে লেটেস্ট ব্লাড রিপোর্ট। টেবিলের ওপর রিপোর্টটা রেখে বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে বললেন— “ডাক্তারবাবু, দেখুন ইউরিক অ্যাসিড একদম নরমাল হয়ে গেছে! এবার কি ওষুধটা বন্ধ করে দেব?”
রামবাবুর মতো এই ভুলটা অনেকেই করেন। রিপোর্ট ‘নরমাল’ দেখলেই মনে করেন রোগ সেরে গেছে। কিন্তু আসল সত্যিটা একটু অন্যরকম।

ইউরিক অ্যাসিড আর গাউট আসলে কী?

সহজ ভাবে বললে, ইউরিক অ্যাসিড হলো আমাদের শরীরের এক ধরণের বর্জ্য পদার্থ। যখন আমাদের শরীর এটা ঠিকমতো বাইরে বের করতে পারে না, তখন রক্তে এর মাত্রা বেড়ে যায়। আর এই বাড়তি ইউরিক অ্যাসিড যখন হাড়ের জয়েন্টে ছোট ছোট ‘কাঁচের কুচি’ বা সূঁচের মতো দানার আকারে জমতে শুরু করে, তখন তাকে আমরা বলি গাউট (Gout)। অসহ্য ব্যথা, জয়েন্ট ফুলে যাওয়া আর লাল হয়ে যাওয়াই এর প্রধান লক্ষণ।

রিপোর্ট নরমাল হলেও ওষুধ কেন চলবে?

ওষুধ খাওয়ার ফলে আপনার রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমেছে ঠিকই, কিন্তু জয়েন্টের ভেতরে জমে থাকা সেই ‘সূঁচের দানাগুলো’ রাতারাতি ভ্যানিশ হয়ে যায় না।

ওষুধ হুট করে বন্ধ করা কেন বিপজ্জনক?

রিবাউন্ড অ্যাটাক: ওষুধ বন্ধ করলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিড আবার বাড়তে শুরু করবে এবং নতুন করে জয়েন্টে জমবে। ফলে কয়েকদিন পর আরও মারাত্মক ব্যথা নিয়ে ফিরতে হতে পারে।
কিডনির ক্ষতি: শুধু হাড় নয়, এই অ্যাসিডের দানা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
হাড়ের স্থায়ী ক্ষতি: বারবার গাউট অ্যাটাক হলে জয়েন্ট চিরতরে বেঁকে যেতে পারে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

খাওয়া-দাওয়ায় কী মেনে চলবেন?

অনেকেই মনে করেন ডাল বা পালং শাক বন্ধ করলেই কেল্লাফতে! কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা।

কি কি এড়িয়ে চলবেন?
• রেড মিট: খাসির মাংস বা লিভার একদম নয়।
• চিনিযুক্ত পানীয়: কোল্ড ড্রিঙ্কস বা প্যাকেটের ফলের রস।
• অ্যালকোহল: বিশেষ করে বিয়ার ইউরিক অ্যাসিড দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
• সামুদ্রিক মাছ: কিছু বিশেষ সামুদ্রিক মাছ এড়িয়ে চলাই ভালো।

কী কী খাবেন?
• প্রচুর জল: দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল খান।
• ভিটামিন সি: লেবু বা টক জাতীয় ফল ইউরিক অ্যাসিড বের করতে সাহায্য করে।
• কম ফ্যাটযুক্ত দুধ বা দই: এটি ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।
• শাক-সবজি: সব ধরণের ডাল বা সবজি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যায়, তাতে খুব একটা ক্ষতি হয় না।

রিপোর্ট নরমাল হয়েছে মানে আপনার চিকিৎসা সঠিক পথে এগোচ্ছে। তাই নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ বন্ধ না করে, আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মনে রাখবেন, গাউট কেবল একটা ‘ব্যথা’ নয়, এটি একটি মেটাবলিক সমস্যা যা সঠিক নিয়মে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

Is my phone causing joint pain ? Can cracking joints cause Arthritis? And the list goes on …… Get answers to most of you...
28/01/2026

Is my phone causing joint pain ?
Can cracking joints cause Arthritis?
And the list goes on ……

Get answers to most of your doubts in the book!! Still got a doubt ? Just message.. we are there to help !!

Click the link for answers !!

Joint Pain Decoded: Facts, Myths and Answers to Your Most Googled Questions Why do your joints hurt—and what’s the real reason behind it? Every day, millions of people search online for answers about arthritis, stiffness, and joint pain—but end up more confused than before. In Joint Pain Decod...

Address

16, Hill Cart Road
Siliguri
734001

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm

Telephone

+917003996890

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Subhasish Pati posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Subhasish Pati:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram