আদর্শ হিজামা এন্ড ন্যাচারাল কেয়ার, ভৈরব

  • Home
  • Libya
  • Tripoli
  • আদর্শ হিজামা এন্ড ন্যাচারাল কেয়ার, ভৈরব

আদর্শ হিজামা এন্ড ন্যাচারাল কেয়ার, ভৈরব সুন্নাহ ভিত্তিক হিজামা (কাপিং থেরাপি) সহ প্রাথমিক ও প্রাকৃতিক (TCM) স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হয়।

গ্রুপ: হিজামা: একটি সুন্নাহ চিকিৎসা

আদর্শ হিজামা এন্ড টিসিএম সেন্টার - একটি প্রাথমিক ও প্রাকৃতিক চিকিৎসা কেন্দ্র। এখানে সুন্নাহ ভিত্তিক চিকিৎসা হিজামা বা কাপিং থেরাপিসহ টিসিএম (TCM) এর সেবা সমূহ দেওয়া হয়।

11/12/2025

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

বীর্যের উৎপাদন অবস্থান: কুরআনের ও বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা 🔹চলুন আগে জেনে নিই বিজ্ঞান কি বলে?বীর্য (semen) কোনো একটি নির্দিষ্ট...
27/11/2025

বীর্যের উৎপাদন অবস্থান: কুরআনের ও বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা

🔹চলুন আগে জেনে নিই বিজ্ঞান কি বলে?
বীর্য (semen) কোনো একটি নির্দিষ্ট অঙ্গে উৎপন্ন হয় না, বরং এটি পুরুষ প্রজননতন্ত্রের (Male Reproductive System) বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে আসা তরল পদার্থের একটি জটিল মিশ্রণ।

বীর্য মূলত শুক্রাণু (S***m) এবং শুক্ররস (Seminal Fluid) বা অন্যান্য তরল নিয়ে গঠিত, যা প্রধাণত চারটি স্থান থেকে আসে। যথা:

১. শুক্রাশয় (Te**es)
উৎপাদিত উপাদান: শুক্রাণু (S***m)।
পরিচিতি: শুক্রাণু হলো বীর্যের সেই অংশ যা বংশবিস্তারে সক্ষম। শুক্রাশয়ের ভেতরে অবস্থিত সেমিনিফেরাস টিউবিউলস (Seminiferous Tubules)-এর মধ্যে এই শুক্রাণু তৈরি হয়। শুক্রাণুর উৎপাদনকে স্পার্মাটোজেনেসিস (S***matogenesis) বলা হয়।

২. শুক্রথলি (Seminal Vesicles)
উৎপাদিত উপাদান: শুক্রথলির তরল (Seminal Vesicle Fluid)।
পরিচিতি: এটি বীর্যের পরিমাণের বৃহত্তম অংশ (প্রায় ৬৫% থেকে ৭৫%)। এই তরলটি ফ্রুক্টোজ নামক শর্করা সমৃদ্ধ, যা শুক্রাণুর জন্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।

৩. প্রোস্টেট গ্রন্থি (Prostate Gland)
উৎপাদিত উপাদান: প্রোস্টেট তরল (Prostatic Fluid)।
পরিচিতি: এটি বীর্যের পরিমাণের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ (প্রায় ২৫% থেকে ৩০%)। এই তরলটি ঈষৎ ক্ষারীয় (slightly alkaline), যা যোনিপথের (va**na) অ্যাসিডিক পরিবেশ থেকে শুক্রাণুকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

৪. বাল্বোইউরেথ্রাল গ্রন্থি (Bulbourethral Glands)
বীর্যের অন্যান্য ক্ষুদ্র অংশ আসে এই বাল্বোইউরেথ্রাল গ্রন্থি (Bulbourethral Glands) বা কাউপার্স গ্ল্যান্ড (Cowper's Glands) থেকে, যা মূলত পিচ্ছিলকারক (lubricant) তরল নিঃসরণ করে।

বুঝা গেল, এটি একক অঙ্গের কাজ নয়, বরং কয়েকটি অঙ্গের প্রক্রিয়া।

🔹কুরআন কি বলে?
আল্লাহ বলেন,
يَخْرُجُ مِنْ بَيْنِ الصُّلْبِ وَالتَّرَائِبِ
“তা (বীর্য) নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষ অস্থির মাঝ (অবস্থান) থেকে।” (সূরা ত্বরিক:৭)

আয়াতে الصلب এর শাব্দিক অর্থ মেরুদণ্ড (Backbone/Spine)।
আর الترائب এটি বহুবচন, এর শাব্দিক অর্থ বক্ষের অস্থিসমূহ বা পাঁজরের খাঁচাসমূহ (Ribcage/Breastbone)।

সুতরাং, আক্ষরিক অর্থে আয়াতটি বীর্য এমন স্থান থেকে নির্গত হওয়ার ইঙ্গিত দেয় যা মেরুদণ্ড ও বক্ষ অস্থিসমূহের মাঝখানে তার অবস্থান। আর বিজ্ঞানের যে আলোচনা করলাম, তা থেকে বুঝা গেল- এ দুটোর নিচের দিকে মাঝ বরাবর অবস্থিত।

আসুন বুঝে নিই তা কিভাবে:

১. ভ্রূণতত্ত্বের প্রেক্ষাপট (Embryological Origin)
এটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
যখন কোনো মানব ভ্রূণ গঠন শুরু হয়, তখন শুক্রাশয় (Te**es) এবং ডিম্বাশয় (Ovaries)—যে অঙ্গগুলো যথাক্রমে পুরুষ ও নারীর জননকোষ (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) উৎপাদন করে—প্রাথমিকভাবে কিডনি ও অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির কাছাকাছি মেরুদণ্ড এবং পাঁজরের নিচের অংশের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত থাকে। এই আদিম জননাঙ্গগুলো ভ্রূণের এমন স্থানে বিকশিত হয় যা বস্তুত পৃষ্ঠ (মেরুদণ্ড) এবং পাঁজরের (বক্ষ) মধ্যেকার একটি কেন্দ্রীয় অঞ্চল।
দেহস্থানগত পরিবর্তন: যদিও বয়ঃসন্ধিকালে শুক্রাশয় দুটি উদর গহ্বর থেকে নিচে নেমে অণ্ডকোষ থলিতে চলে আসে, কিন্তু তাদের উৎপত্তির স্থান (Embryological Origin) এবং রক্তনালী ও স্নায়ুর সংযোগগুলো তাদের আদিম অবস্থান অর্থাৎ মেরুদণ্ড ও বক্ষের মধ্যবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।

২. স্নায়ু ও রক্ত সঞ্চালনের প্রেক্ষাপট
জননাঙ্গগুলোর (Te**es/Ovaries) স্নায়ু এবং রক্তনালীগুলো মেরুদণ্ড এবং বক্ষ অঞ্চলের তলদেশ থেকে উদ্ভূত হয় বা ঐ অঞ্চলে মিলিত হয়। বীর্য উৎপাদক অঙ্গগুলোতে রক্ত সরবরাহকারী রেনাল আর্টারি (Renal Artery) এবং Aorta মেরুদণ্ডের খুব কাছাকাছি থাকে।

৩. উদ্দীপনা
বীর্যপাতের জন্য প্রয়োজনীয় স্নায়বিক উদ্দীপনা পৃষ্ঠদেশীয় (thoracic) এবং কটিদেশীয় (lumbar) স্নায়ু থেকে আসে, যা মেরুদণ্ড এবং এর আশপাশের অঞ্চলে অবস্থিত। এই স্নায়ু উদ্দীপনা ছাড়া বীর্য নির্গত হতে পারে না।

সুতরাং কুরআনের বক্তব্য একদম সঠিক এবং বিজ্ঞানের এ তথ্য আবিস্কৃত হবার বহু আগেই এ ব্যপারে কুরআন বলেছে। সুবহানাল্লাহ!

✍🏻
মুফতি রাকিবুল ইসলাম হোযায়ফী

17/11/2025

ঘুম না আসা নিয়ে আমাদের চিন্তা থাকে, কিন্তু জোর করে ঘুম আনা যায়না।

রাত ৩টায় যখন চোখ খোলা থাকে, আমরা ভাবতে শুরু করি “কালকে নিশ্চয়ই পুরো দিনটা নষ্ট হবে।”

এই ভাবনাটাই ধীরে ধীরে আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়ায়।

যখন আমরা ঘুমকে জোর করে আনতে চাই, তখন মন আরও সজাগ হয়ে যায়। চিন্তাগুলো আরও ঘন হয়ে আসে। আর আমরা ধীরে ধীরে এক অদৃশ্য চক্রে আটকে যাই যেখানে চলে আসে উদ্বেগ, এবং এই উদ্বেগে ঘুম না আসা।

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের জন্য লড়াই না করে বরং মেনে নেওয়া “এ মুহূর্তে আমি ঘুমাতে পারছি না” মনকে অনেক শান্ত করে।

সচেতনভাবে নিজের চিন্তাকে পর্যবেক্ষণ করা, তাকে থামানোর চেষ্টা না করা এই অভ্যাসই ধীরে ধীরে উদ্বেগ কমায় এবং ঘুম ফিরিয়ে আনে।

ঘুম জোর করে আসে না। আপনার রাতে যদি অতিরিক্ত চিন্তা আসে চিন্তা গুলোকে গুছিয়ে ফেলুন, জোর করে চোখ বন্ধ রাখলেই ঘুম আসবেনা।

যখন আপনার মস্তিষ্ক সব চিন্তা গুলোকে গুছিয়ে ফেলবে মন শান্ত হয়ে যাবে ঘুম আস্তে আস্তে চলে আসবে। এছাড়াও নিজের ঘুমের সময় টাকে ঠিক রাখতে হবে।

Copy from Life Spring

With মনচূড়া কফি হাউজ – I'm on a streak! I've been a top fan for 3 months in a row…!! 🎉
01/11/2025

With মনচূড়া কফি হাউজ – I'm on a streak! I've been a top fan for 3 months in a row…!! 🎉

উনি ইরিউসিক এসিড থাকায় সরিষার তেলকে ক্ষতিকর বলে, কিন্তু তাহলে মানুষ কোন তেল খাবে জিজ্ঞেস করলে আর উনার সদুত্তর পাওয়া যায় ...
26/10/2025

উনি ইরিউসিক এসিড থাকায় সরিষার তেলকে ক্ষতিকর বলে, কিন্তু তাহলে মানুষ কোন তেল খাবে জিজ্ঞেস করলে আর উনার সদুত্তর পাওয়া যায় না!

ইরিউসিক এসিড কোনো বি/ষ নয়। এটি একটি প্রাকৃতিক উদ্ভিজ্জ মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড। এটি প্রধানত পাওয়া যায় সরিষা, রেপসিড, ওয়ালফ্লাওয়ার ইত্যাদি বীজের তেলে। মানুষের স্বাভাবিক খাদ্যাভাসে এর কোনো প্রমাণিত ক্ষতি নেই।
তাই কেউ এভাবে শুধু ইঁদুরের ওপর করা গবেষণার ভিত্তিতে সরিষার তেলকে ক্ষতিকর বলে প্রচার করাটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্রান্ত হতে পারে!

'ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস' এর একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে- খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩০০০ সালে সিন্ধু সভ্যতার যুগেই উপমহাদেশে সরিষার তেল ব্যবহার করা হতো। ঐতিহ্যগতভাবে বাংলা ও পাঞ্জাবে সরিষার তেল ছিল অন্যতম প্রধান রান্নার তেল। অর্থাৎ, বাঙালি হাজার বছর ধরে কঞ্জিউম করে আসছে দেশি সরিষার তেল! এখন সরিষার তেলের যেসব ক্ষতির কথা প্রচার করা হয় তখন কি এসব ক্ষতি ছিল?

এমনিতেই সরিষার তেলের দাম লিটারে ৪০/৫০ টাকা বেশি হবার কারণে মানুষ কিনতে চায়না। তার উপর এসব প্রপাগাণ্ডা ছড়ালে মানুষ কিনবেই না। এদিকে দেশের কোটি কোটি মানুষ তো আর তেল ছাড়া রান্না করবে না।
মানুষে কইবো– "ধুর বাল! সরিষার তেলরে নিরাপদ মনে করসিলাম এইটাও দেখি ক্ষতিকর, আবার দামও বেশি। সবকিছুই ক্ষতিকর। এখন তেল তো খাইতেই হইবো, তাইলে কম দামে সয়াবিনই খামু।"

মানুষ তো আর ফুড-ফার্মা কমপ্লেক্স এর ইনভেস্টমেন্ট সাইকেল বুঝে না! মানুষ বুঝে একটু ৫০/১০০ টাকা খরচ বাঁচে কোথায়!
আর এভাবেই ফাঁদে পড়ে জনগণ।
এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের বাজারই বছরে ২০,০০০ কোটি টাকার!
কঞ্জিউমার ক্যাপিটালিজম মানুষকে প্রথমে সস্তা খাবারে অসুস্থ করে, তারপর অসুস্থতা থেকে প্রফিট জেনারেট করে!
লোকাল জায়ান্ট প্রাণ, স্কয়ার, আকিজ গ্রুপগুলো ফুড, ফার্মা ও হাসপাতালে সমান্তরালভাবে বিনিয়োগ করে। অর্থাৎ একই কর্পোরেট গ্রুপ একইসাথে ফুড, ফার্মা, হাসপাতালে বিনিয়োগ করছে!

বাংলাদেশ বছরে কয়েক বিলিয়ন ডলারের ভোজ্য তেল আমদানি করে! যার অধিকাংশই পাম ও সয়াবিন তেল। আম্রিকা এদেশে আরো বেশি সয়াবিন আমদানি বাড়ানোর জন্য অপচেষ্টা করতেছে। অথচ দেশে এখনো কৃষকদের দেশি তৈলবীজ উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত করা হচ্ছে না। তিল, সরিষা, চিনাবাদামের চাষ কমে যাচ্ছে। ফলে ভোজ্যতেল আমদানি বাড়ছেই। দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বেরিয়ে যাচ্ছে আর আমরা পাচ্ছি অস্বাস্থ্যকর রিফাইন্ড তেল!

আবার, দেশ যখন পাম বা সয়াবিন তেল আমদানি করে তখন আমরা শুধু তেল পাই, খৈল পাই না!
ঘানি ও এক্সপেলার নির্ভর স্থানীয় উৎপাদনে সবরকম তৈলবীজ থেকে গড়ে ৩০% তেল হয় ধরে নিলে বাকি ৭০% যা পড়ে থাকে তা খৈল। এই খৈল অত্যন্ত হাই প্রোটিন এবং বিভিন্ন ভিটামিন সমৃদ্ধ, যা এতকাল পশুখাদ্য হিসাবে ব্যবহার হয়ে এসেছে।
প্রতি বছর মিলিয়ন মিলিয়ন মেট্রিক টন ভোজ্যতেল আমদানি হচ্ছে! এই পরিমান তেল দেশে উৎপাদিত হলে আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন মেট্রিক টন খৈলও পেতাম, আমাদের গবাদি পশু, পোল্ট্রি, ডেইরি আরো সস্তায় প্রোটিন সমৃদ্ধ ফিড পেত, আমরাও কম দামে ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ইত্যাদি প্রোটিন পেতাম!

দিনশেষে জনগণ তেল কঞ্জিউম করবেই। কাজেই দেশি সরিষার তেল যে বিদেশি রিফাইন্ড তেলের চেয়ে উত্তম এটা সবাইকে বুঝাতে হবে। (আর কেউ যদি উল্টা ভুংচুং বুঝায় তাহলে অবশ্যই ডালমে কুচ কালা হে!)
সরিষার তেলের কঞ্জাম্পশন বাড়লে দেশের স্থানীয় অর্থনীতি স্বনির্ভর হতে শুরু করবে, কৃষক লাভবান হবে, শতশত অয়েল মিলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, ফরেন কারেন্সির রিজার্ভ বাড়বে, দেশের মানুষ অসুস্থ কম হবে।

সয়বিন, সানফ্লাওয়ার, সাফফ্লাওয়ার, কর্ন, কটনসিড, রাইসব্র‍্যান ইত্যাদি তেলে ওমেগা-৩ এর চেয়ে ওমেগা-৬ এর পরিমান অনেক অনেক বেশী থাকে। ওমেগা-৬ ৪০-৭০% পর্যন্ত থাকে। রিফাইন করলে আবার ওমেগা-৬ আরো বেড়ে যায় + ওমেগা-৩ অল্প যা ছিল তা নষ্ট হয়ে যায়! এসব তেলের মধ্যে ফ্যাটি এসিডগুলোর ভারসাম্য থাকে না।
এসব তেল খেলে দেহে বিরামহীন ইনফ্লামেশন হতে থাকে!

যেসব কারণে মানুষের গড় আয়ু কমে যায়, নানা রকম ক্রনিক রোগ দেখা দেয় তার মধ্যে ইনফ্লামেশন অন্যতম! ইনফ্লামেশন বেশী হয়ে গেলে কোষ পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না, তাতে শরীরের শক্তি উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। ইনফ্লামেশন দূর করার চেষ্টা করতে গিয়ে আমাদের দেহ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি ব্যয় করে ফেলে। ফলে দেহের অনেক জরুরী কাজে পুষ্টিগুলোর ঘাটতি দেখা দেয়, এদের মধ্যে ভিটামিন ডি, সি অন্যতম।

একবার সয়বিন বা উচ্চ ওমেগা ৬ যুক্ত খাবার খেলে সেটা কয়েক ঘন্টার মধ্যে দেহকোষের অংশ হয়ে যায়। কিন্তু এটা দেহ থেকে দূর হতে পুরো ২ বছর সময় লাগে! অর্থাৎ একবেলা খেয়ে পুরো ২ বছরের জন্য ইনফ্লামেশন সঙ্গী করে নিলাম! আর বছরের পর বছর, ১০/২০ বছর ধরে খেলে কি অবস্থা হবে? শরীরে বেশ বড় একটা অংশের কোষঝিল্লি ক্রমাগত ইনফ্লামেশনের উৎস হয়ে ফ্যাট বার্ণে বাঁধা দিবে, পুষ্টি ঘাটতি ঘটাবে। যার ফলাফল নিশ্চিতভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, স্থুলতা, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, কিডনি নষ্ট, গাট সমস্যা, ঘন ঘন ইনফেকশন, অস্টিওপোরেসিস, আলঝাইমার, ডিমেনশিয়া, এ্যালার্জি, সোরিয়াসিস, একজিমা, এ্যাজমা সহ এমন কোন রোগ নেই হবে না!

বিদেশি তেলের এতো এতো সমস্যার মধ্যে দেশি সরিষার তেলের দুই-একটা তথাকথিত ও অপ্রমানিত সমস্যা আসলে কিছুই না!
আর যদি কারো সরিষার তেলে সমস্যা মনেই হয়, তাহলে তার উচিত ঘি, পশু চর্বি, তিল, তিসি, এ্যাভোকাডো, নারকেল, অলিভ ইত্যাদি তেল ব্যবহার করা।

ক্যাপ্টেন গ্রিন

সায়াটিকা পেইন অনেক যন্ত্রনার। আজ একজন সায়াটিকা পেইনের জন্য হিজামা নিলেন। হিজামা গ্রহণ করার পর পর আরামবোধ করছেন।আল্লাহ ...
12/10/2025

সায়াটিকা পেইন অনেক যন্ত্রনার। আজ একজন সায়াটিকা পেইনের জন্য হিজামা নিলেন। হিজামা গ্রহণ করার পর পর আরামবোধ করছেন।

আল্লাহ উনাকে সুস্থ করে দিন। আমিন।।

১০ বছর বয়সী বাচ্চা জিদান। তার কোন এক নিকট আত্মীয় খেলনা হিসেবে তাকে লেজার লাইট উপহার  দেয়।নিজের অজান্তেই জিদান লাইটের আলো...
10/10/2025

১০ বছর বয়সী বাচ্চা জিদান। তার কোন এক নিকট আত্মীয় খেলনা হিসেবে তাকে লেজার লাইট উপহার দেয়।

নিজের অজান্তেই জিদান লাইটের আলো নিজের ডান চোখে ফেলে। এর পর থেকে সে চোখে কম দেখতে থাকে। এই ঘটনা ভয়ে সে পরিবারের কাছে গোপন করে। গত এক বছরে তার দৃষ্টি শক্তি মারাত্মক ভাবে কমে যায় যা চশমা দিয়েও এখন তার উন্নতি হচ্ছে না।

আজ তার চোখ পরীক্ষা করে দেখা যায়, লেজার আলো দিয়ে চোখের সবচেয়ে আলোক সংবেদনশীল অংশ ( ম্যাকুলা) মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বি:দ্র : লেজার আলোর সাধারণ আলো নয়, এটি মূহুর্তেই আপনার চোখ চিরস্থায়ী ভাবে অন্ধ করে দিতে পারে। এটি খেলনা ভেবে বাচ্চাদের হাতে দিবেন না। ধন্যবাদ!

#সাস্থসচেতনতা

গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১০০ মিলি কাগজের কফি কাপ থেকে গরম পানিতে প্রায় ২৫,০০০ মাইক্রন আকারের মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা মিশে...
30/09/2025

গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১০০ মিলি কাগজের কফি কাপ থেকে গরম পানিতে প্রায় ২৫,০০০ মাইক্রন আকারের মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা মিশে যায় মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই।

ডিসপোজেবল কাগজের কাপের ভেতরের প্লাস্টিক আস্তরণ গরম পানির সংস্পর্শে এসে ভেঙে পড়তে শুরু করে। এটি মূলত কাগজের সমস্যা নয় বরং প্রতিটি ডিসপোজেবল কাপের ভেতরে থাকা গোপন প্লাস্টিক কোটিং-এর সমস্যা।

গবেষণায় দেখা গেছে, কাপের প্লাস্টিক আস্তরণ থেকে তাপের কারণে একাধিক ক্ষতিকর পদার্থ বের হয় যেমন:
মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা: মাত্র ১৫ মিনিটে ১০০ মিলি কাপে প্রায় ২৫,০০০ কণা মিশে যায়।
হেভি মেটাল: লেড, ক্রোমিয়াম ও ক্যাডমিয়াম হাইড্রোফোবিক ফিল্মে পাওয়া গেছে।
রাসায়নিক যৌগ: কাপ তৈরির সময় ব্যবহৃত ফথালেট ও অন্যান্য প্লাস্টিসাইজার।
আয়ন: ফ্লোরাইড, ক্লোরাইড ও নাইট্রাইট পানীয়তে মিশে যায়।

স্বাস্থ্যগত উদ্বেগ: সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য প্রভাব এখনো গবেষণাধীন, তবে ইতিমধ্যেই মানুষের রক্ত, মস্তিষ্ক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

এর সমাধান একেবারেই সহজ: এমন বিকল্প ব্যবহার করুন যেখানে প্লাস্টিকের আস্তরণ নেই। পুনঃব্যবহারযোগ্য কাপ: স্টেইনলেস স্টিল, কাচ বা সিরামিক মগ ব্যবহার করুন যাতে মাইক্রোপ্লাস্টিক এক্সপোজার একেবারেই থাকে না। যখন ডিসপোজেবল কাপ ব্যবহার করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই তখন গরম পানীয় কিছুটা ঠান্ডা করে তারপর ডিসপোজেবল কাপে ঢালুন, অথবা কফি শপে সিরামিক মগ চাইতে পারেন।

সূত্র : Ranjan VP, et al. "Microplastics and other harmful substances released from disposable paper cups into hot water." J Hazard Mater. 2021;404(Pt B):124118.
PMID: 33050139;

Joseph A, et al. "Drinking hot beverages from paper cups: Lifetime intake of microplastics." Chemosphere. 2023;317:137844.
PMID• 36716899

©

ব্রেন ধ্বংস হচ্ছে… কিন্তু টেরও পাচ্ছি না!🧠 একটা কথা বলি —আমাদের ব্রেন, মানে এই মস্তিষ্কটা আজকাল নিজের হাতে আমরা নিজেরাই ...
09/09/2025

ব্রেন ধ্বংস হচ্ছে… কিন্তু টেরও পাচ্ছি না!
🧠
একটা কথা বলি —
আমাদের ব্রেন, মানে এই মস্তিষ্কটা আজকাল নিজের হাতে আমরা নিজেরাই ধ্বংস করছি।
আর সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো —
আমরা জানিও না, কিভাবে ধীরে ধীরে আমাদের চিন্তাভাবনা, স্মৃতিশক্তি, মনসংযোগ… সব শেষ হয়ে যাচ্ছে!

👇 জানো কী কী জিনিস আমাদের ব্রেন শেষ করে দিচ্ছে?

1️⃣ অতিরিক্ত মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া –
ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রল করে করে আমরা মস্তিষ্কের ফোকাস পাওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতেছি।
বুকের ভেতর মরে যাচ্ছে স্বপ্ন…

2️⃣ ঘুম না হওয়া –
রাত জেগে ফোন, গেম, সিরিজ…
এইসবই ব্রেনকে বিষ খাওয়ানোর মতো।
ঘুম ছাড়া ব্রেন "সফটওয়্যার ক্র্যাশ" হয়ে যায়!

3️⃣ একসাথে অনেক কিছু করার চেষ্টা (Multitasking) –
আমরা ভাবি আমরা স্মার্ট…
আসলে আমরা আমাদের ব্রেনকে গাধার মতো ব্যবহার করছি।
ব্রেন একসাথে সব হ্যান্ডেল করতে পারে না, ধীরে ধীরে বিপর্যস্ত হয়।

4️⃣ নেগেটিভ চিন্তা আর স্ট্রেস –
"আমি কিছুই পারি না",
"আমার কিছু হবে না" —
এই কথাগুলো ব্রেনকে ধ্বংস করে, ভেতর থেকে।

5️⃣ অস্বাস্থ্যকর খাবার আর জলের অভাব –
হ্যাঁ, খেয়াল করো —
মগজটা তৈরি হয়েছে ৭০% জল দিয়ে।
জল না খেলে ও ভুল খাবার খেলে ব্রেন শুকিয়ে যেতে থাকে… সত্যি!

---

আর শেষে একটা কথা…
ব্রেন যদি শেষ হয়ে যায়, জীবন আর কিছুই না!
তাই এখনই সাবধান হও।
নিজের মস্তিষ্কটাকে বাঁচাও, না হলে জীবনে কিছুই থাকবে না — শুধু একটা ফাঁকা খোলস…

লেখা ও ছবি সংগৃহীত

আলহামদুলিল্লাহ... গত সপ্তাহে, নরসিংদী থেকে একজন চাচি এসেছিলেন আমাদের হিজামা চেম্বারে। দুই পায়ের ব্যথায় তিনি প্রায় ১৫ ...
27/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ...

গত সপ্তাহে, নরসিংদী থেকে একজন চাচি এসেছিলেন আমাদের হিজামা চেম্বারে। দুই পায়ের ব্যথায় তিনি প্রায় ১৫ বছর কষ্ট করছেন।

প্রথম সেশন হিজামা গ্রহণ করার পর, আল্লাহর অশেষ রহমতে এখন অনেকটাই আরাম বোধ করছেন।।


আলহামদুলিল্লাহ...আমাদের এখানে হিজামা চলমান...।অনুগ্রহ করে সাক্ষাতের পূর্বে কথা বলে আসবেন।
23/08/2025

আলহামদুলিল্লাহ...
আমাদের এখানে হিজামা চলমান...।
অনুগ্রহ করে সাক্ষাতের পূর্বে কথা বলে আসবেন।

হাতের কোন আঙুল চাপলে কোন রোগ সারে, জানেন কি?আমি ভাবতেও পারিনি যে শুধু হাতে ম্যাসাজ করেই আমাদের পেট—এমনকি কিডনিরও যত্ন নে...
16/08/2025

হাতের কোন আঙুল চাপলে কোন রোগ সারে, জানেন কি?

আমি ভাবতেও পারিনি যে শুধু হাতে ম্যাসাজ করেই আমাদের পেট—এমনকি কিডনিরও যত্ন নেওয়া সম্ভব! আসুন, জেনে নিই হাতের কোন অংশ শরীরের কোন অঙ্গের সাথে যুক্ত।

বৃদ্ধাঙ্গুলি (Thumb)
এটি আমাদের মস্তিষ্ক, চোখ, কান এবং মুখের সাথে সংযুক্ত। আমি তো না জেনেই কতবার এটা টিপেছি, এখন বুঝলাম এর উপকারিতা!

তর্জনী ও মধ্যমা (Index and Middle Fingers)
এই দুটি আঙুলের পয়েন্টগুলো জরায়ুর সাথে যুক্ত। পিরিয়ডের ব্যথার সময় এখানে ম্যাসাজ করলে দারুণ আরাম পাওয়া যায়!

অনামিকা ও কনিষ্ঠা (Ring and Pinky Fingers)
এগুলো আমাদের অন্ত্র এবং কিডনির সাথে জড়িত। পেট ফাঁপা লাগলে কড়ে আঙুল চাপ দিলে কেন আরাম লাগে, এখন বুঝতে পারছি!

বৃদ্ধাঙ্গুলির গোড়া এবং হাতের তালুর কেন্দ্র
এই জায়গাগুলো ফুসফুসের সাথে সংযুক্ত। এখানে হালকা ম্যাসাজ করে লম্বা শ্বাস নিলে আশ্চর্যজনকভাবে প্রশান্তি অনুভব করবেন।

হাতের তালুর নীচের অংশ
এই স্থানটি আমাদের পেট, লিভার, গলব্লাডার এবং প্লীহার সাথে সম্পর্কিত। এখানে আলতো করে চাপ দিন, গভীর শ্বাস নিন এবং শরীরকে শিথিল করুন...

একবার চেষ্টা করেই দেখুন না!

Address

Bhairab
Tripoli
2341

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আদর্শ হিজামা এন্ড ন্যাচারাল কেয়ার, ভৈরব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share