Health Tips

Health Tips ℹ️Please Like and Follow this Page to get more Advice and Information and video content.🧠🫀🫁🦷💀
(2)

Like this page to get Health Service and Medical Advice in your every day life.

20/02/2026
20/02/2026

🧓 জনসচেতনতা ও সতর্কতা মূলক পোস্ট:: কিছু মানুষ আছেন যারা বাচ্চা দেখলেই নিজেকে সামলাতে পারেন না।
গাল টিপে দেন…
কপালে চুমু খান…
হাত ধরে চুমু দিয়ে বলেন,
“আহা! কি মিষ্টি বাচ্চা!”
আমরা নিজেরাও হয়তো করেছি।
কারণ আমরাও ভাবি এটা তো ভালোবাসা।
কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন,
এই ভালোবাসাটাই কখনো কখনো
একটা শিশুর জন্য আজীবনের অভিশাপ হয়ে যেতে পারে?
মাত্র ২ বছরের একটা মেয়ের কথা বলি,
একজন কাছের মানুষ তাকে আদর করে চুমু দিয়েছিল।
কয়েকদিন পর শিশুটির চোখে ইনফেকশন হয়।
সংক্রমণ এতটাই ভয়ংকর ছিল
শেষ পর্যন্ত একটি চোখের দৃষ্টি চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। পরে জানা যায় তাঁকে যে চুমু দিয়েছিল তিনি হার্পিসে আক্রান্ত..

ভাবুন একবার
একটা সাধারণ চুমু…
আর তার মূল্য সারাজীবনের অন্ধত্ব।
আমাদের মুখে সবসময়ই অসংখ্য জীবাণু থাকে।
বড়দের শরীর সেগুলোর সাথে লড়তে পারে।
কিন্তু নবজাতক বা ছোট শিশুর
চোখ, নাক, মুখ, ত্বক
সবই খুব নরম, খুব সংবেদনশীল।
একটা ছোট্ট চুমুই
ভাইরাসের জন্য দরজা খুলে দিতে পারে।

আমরা অনেকেই বুঝে না বুঝে তর্ক করি
“এতে কি হয়?”
কিন্তু হাসপাতালের বিছানায়
অসংখ্য মা-বাবা বসে কাঁদেন
এই “কি আর হবে” কথাটার জন্যই।
মনে রাখবেন
শিশুকে ভালোবাসা মানে তাকে নিরাপদ রাখা।
চুমু না খেলেও ভালোবাসা কমে না।
বরং দায়িত্বশীল ভালোবাসাই
একটা শিশুকে সুস্থ রাখে।

আপনি আদর দিচ্ছেন,
নাকি অজান্তেই ঝুঁকি দিচ্ছেন?

অনেকেই আছে নিজের শিশুকে অন্য কারো চু/মু দিতে দেননা, আর এর জন্য খোঁটাও শুনতে হয়।
নিজের বাচ্চার নিরাপত্তার জন্য শুনলেও পাত্তা দিবেন না।
কারন রোগ হলে কষ্ট টা আপনার ও আপনার সন্তানের হবে, খোঁটা দেওয়া মানুষ গুলো খোঁজ নিতেও আসবেনা...

লেখক:: ডা.আব্দুর রহমান
#স্বাস্থ্যসচেতনতা #হেলথটিপস

20/02/2026

🧑‍🦰 সবধরনের মাথাব্যথা এক রকম নয় আগে ধ'রন চিনুন, স'মাধান নিন👇👇
🔴 ১. টেনশন হেডেক (Tension Headache)
লক্ষণ: মাথা শ'ক্ত করে ধরা মতো চাপ।
করণীয়:
১৫ মিনিট গরম সেঁ'ক দিন।
বিশ্রাম নিন।

🔴 ২. মাইগ্রেন (Migraine)
লক্ষণ: মাথার একপাশে ধু"কপুক ব্যথা।
করণীয়:
ঠান্ডা সেঁ'ক দিন।
বিশ্রাম নিন।

🔴 ৩. সাইনাস হেডেক (Sinus Headache)
লক্ষণ: চোখের পেছনে চাপ অনুভব হওয়া।
করণীয়:
১০ মিনিট গ'রম পানির ভাপ নিন।
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

🔴 ৪. পানিশূন্যতা (Dehydration Headache)
লক্ষণ: পুরো মাথা জু'ড়ে ব্যথা করা।
করণীয়:
১৬ আউন্স (প্রায় ২ গ্লাস) পানি পান করুন।
পানির সাথে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন।

🧠 মাথাব্যথার ধরন বুঝলে, চিকিৎসা সহজ হয়।

Credit:: Healthy Lifestyle
#স্বাস্থ্যসচেতনতা #হেলথটিপস

20/02/2026
ল্যাবরেটরী টেস্টের নরমাল ভ্যালু কতো?
19/02/2026

ল্যাবরেটরী টেস্টের নরমাল ভ্যালু কতো?

শরীরের  জন্য কোন্ ভিটামিন কতটুকু দরকার এবং কোন্ ভিটামিনের অভাবে কোন্ রোগ হয়?
19/02/2026

শরীরের জন্য কোন্ ভিটামিন কতটুকু দরকার এবং কোন্ ভিটামিনের অভাবে কোন্ রোগ হয়?

♦️অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হল ঘুম-সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের একটি ব্যাধি। এই রোগে ঘুমানোর সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাস অনিয়ম...
19/02/2026

♦️অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হল ঘুম-সম্পর্কিত শ্বাস-প্রশ্বাসের একটি ব্যাধি। এই রোগে ঘুমানোর সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাস অনিয়মিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শ্বাস কখনও শুরু হয়, কখনও আচমকা বন্ধ হয়ে আসে। বিভিন্ন ধরনের স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তবে সবচেয়ে বেশি যা দেখা যায়, তা হল অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া। এই রোগে আক্রান্তের গলার পেশি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি শিথিল হয়ে আসে। এই পেশি মুখগহ্বরের টাকরা, আল জিভ, জিহ্বা ও টনসিলের মতো অংশগুলোকে ধরে রাখে। ফলে এই পেশির শিথিলতায় শ্বাস নেওয়ার পথটি রুদ্ধ হয়ে আসে ও ঘুমের সময় আচমকা শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। অবসট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা সাধারণ মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই রোগের ফলে ঘুমের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন মানুষ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০ সেকেন্ডের বেশি এমন অবস্থা থাকলে দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশ কমে যেতে পারে।

অতিরিক্ত ওজন, বার্ধক্য উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, শ্বাসনালীর সমস্যা এই রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অনেকটাই।

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন যে কেউ, তবে সকলের ক্ষেত্রে ভয়াবহ পরিস্থিতি নাও হতে পারে। কোন কোন লক্ষণ দেখলে বুঝবেন অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’র মতো সমস্যা হচ্ছে? জেনে নিন এই অসুখটি সম্পর্কে।

কী এই অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া?
এটি মূলত শ্বাসযন্ত্রের উপরিভাগের সমস্যা। ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাসনালীর উপরের দিকে বাধা এলে তাকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বলা হয়।

সাধারণত নাক, মুখ হয়ে গলা দিয়ে বায়ুর স্বাভাবিকভাবে চলাচল করার কথা। ঘুমের মধ্যেও এটি সচল থাকারই কথা। কিন্তু তাতে বাধা পড়লেই, সেই সমস্যাটিকে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া বলা হয়।

কী কী কারণে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে?
১. এর সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে মেদ। টনসিল বড় হয়ে গেলেও এটি হতে পারে।
২. হাইপারটেনশন, পলিসিস্টিক ওভারির মতো সমস্যার কারণেও এই অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হতে পারে।
৩. হাঁপানি-সহ ফুসফুসের অন্য সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে।
৪. স্নায়ুর সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে। তাতে বুকের পেশির উপর মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ কমে যায়।
৫. হৃদযন্ত্র এবং কিডনির সমস্যাতেও এটি হয়।
৬. অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রেও এটি দেখা যেতে পারে।
৭. ধূমপানের অভ্যাস থাকলেও এটি হতে পারে।

অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার সম্ভাব্য লক্ষণসমূহঃ-
১. নাক ডাকা এর প্রধান লক্ষণ।
২. ঘুমের মধ্যে শ্বাস আটকে যাওয়া, গলা শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে এতে।
৩. সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন অনেকে। এটিও অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ।
৪. ক্লান্তিও হতে পারে এর ফলে।
৫. শিশুদের ক্ষেত্রে অবসাদ বাড়তে পারে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার কারণে।
৬. অনেকে যৌনসম্পর্কের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন এই সমস্যায়।

তথ্যসূত্র: মায়োক্লিনিক, এনএইচএস ইউকে, বিএলএফ ইউকে।

✅ ভুয়া ডাক্তার চেনার উপায়:
19/02/2026

✅ ভুয়া ডাক্তার চেনার উপায়:

Address

Sher-E-Bangla Nagar
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Health Tips:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram