Dr. Md. Ferdous Rayhan

Dr. Md. Ferdous Rayhan MBBS(DHAKA),BCS(HEALTH)
D-ORTHO(NITOR),MS-ORTHO(NITOR)
ORTHOPEDIC TRAUMA & SPINE SURGEON

আমরা অনেকেই ব্যস্ত জীবনে সময় বাঁচাতে ফাস্টফুডের ওপর নির্ভর করি। বার্গার, পিজ্জা, ফ্রাইড চিকেন এগুলো যেন এখন নিত্যদিনের খ...
30/03/2026

আমরা অনেকেই ব্যস্ত জীবনে সময় বাঁচাতে ফাস্টফুডের ওপর নির্ভর করি। বার্গার, পিজ্জা, ফ্রাইড চিকেন এগুলো যেন এখন নিত্যদিনের খাবারের অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, এই খাবারগুলো আপনার শরীরের ভেতরে, বিশেষ করে হাড়ের ওপর কী প্রভাব ফেলছে? বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও, ভেতরে ভেতরে হাড়ের ক্ষতি ধীরে ধীরে হতে পারে যেটা একসময় বড় সমস্যার রূপ নেয়।

সরাসরি না হলেও পরোক্ষভাবে ফাস্টফুড হাড়ের ক্ষতি করতে পারে। যেমনঃ-

☑️ অতিরিক্ত লবণ যা ক্যালসিয়াম ক্ষয় করে। ফাস্টফুডে সাধারণত লবণের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। এই অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দেয় ইউরিন এর মাধ্যমে।
ফলাফল হাড় দুর্বল হতে শুরু করে, দীর্ঘমেয়াদে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

☑️ নিয়মিত ফাস্টফুড খেলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়। ছোট বয়স থেকেই হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

☑️ ফাস্টফুডের সঙ্গে প্রায়ই সফট ড্রিংকস খাওয়া হয়। এতে থাকে ফসফরিক অ্যাসিড। এর প্রভাবে
শরীরে ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে, হাড়ের শক্তি কমিয়ে দেয়।

☑️ ফাস্টফুডে থাকা ট্রান্স ফ্যাট ও উচ্চ ক্যালোরি ওজন বাড়ায়। এর ফলে হাঁটু, কোমর, মেরুদণ্ডে বেশি চাপ পড়ে, জয়েন্টে ব্যথা ও ক্ষয় বাড়ে।

☑️ ফাস্টফুড শরীরে লো-গ্রেড ইনফ্ল্যামেশন তৈরি করে। এর ফলে হাড়ের টিস্যু ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, হাড়ের পুনর্গঠন বাধাগ্রস্ত হয়।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান

আমরা ভাবি খাওয়া কমালেই বা না খেলেই তো ওজন কমবে। বাস্তবেও অনেককে দেখা যায় হঠাৎ করে খাবার একদম কমিয়ে দেন বা দিনের পর দিন ন...
29/03/2026

আমরা ভাবি খাওয়া কমালেই বা না খেলেই তো ওজন কমবে। বাস্তবেও অনেককে দেখা যায় হঠাৎ করে খাবার একদম কমিয়ে দেন বা দিনের পর দিন না খেয়ে থাকার চেষ্টা করেন। প্রথমে ওজন একটু কমতে দেখলে তারা আরও উৎসাহিত হন। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই পদ্ধতি কি সত্যিই নিরাপদ ও কার্যকর?

হ্যাঁ, খুব স্বল্প সময়ের জন্য ওজন কমতে পারে। কারণ শরীরে ক্যালোরি কম ঢুকলে শরীর জমে থাকা গ্লাইকোজেন ও পানি ব্যবহার করে। কিন্তু এই ওজন কমাটা বেশিরভাগই পানি ও পেশি (muscle) থেকে আসে, চর্বি থেকে না। না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে বেশ কিছু ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটে যেমনঃ-

✅ মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়
শরীর বুঝে নেয় খাবার কম পাচ্ছে, তাই ক্যালোরি খরচ কমিয়ে দেয়। ফলে পরে স্বাভাবিক খাওয়া শুরু করলে দ্রুত ওজন বেড়ে যায়।

✅ পেশি কমে যায়
শরীর শক্তির জন্য পেশি ভাঙতে শুরু করে, যা ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে খারাপ দিক।

✅ পুষ্টিহীনতা
ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয়—যার ফলে চুল পড়া, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

✅ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়
বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

✅ অতিরিক্ত ক্ষুধা
অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়, যা ওজন আরও বাড়িয়ে দেয়।

না খেয়ে থাকা দ্রুত ফল দেখালেও এটি স্বাস্থ্যকর বা স্থায়ী সমাধান নয়। বরং এতে শরীরের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি বেশি। সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী খাবার, ব্যায়াম ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনই হলো নিরাপদভাবে ওজন কমানোর একমাত্র কার্যকর উপায়।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান

28/03/2026

হিল স্পার এর লক্ষনগুলো জেনে নিন-

হাঁটুর চারপাশে হঠাৎ ফুলে গেলে আমরা অনেকেই সহজে একটা কথা বলে দিই হাঁটুতে পানি জমেছে। কিন্তু বাস্তবতা এতটা সোজা না। সব ধরন...
27/03/2026

হাঁটুর চারপাশে হঠাৎ ফুলে গেলে আমরা অনেকেই সহজে একটা কথা বলে দিই হাঁটুতে পানি জমেছে। কিন্তু বাস্তবতা এতটা সোজা না। সব ধরনের ফোলাভাবই পানি জমার কারণে হয় না। অনেক সময় এটা শরীরের ভেতরের অন্য সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই শুধু দেখে আন্দাজ না করে, আসল কারণটা বোঝা খুব জরুরি।

হাঁটু ফুলে যাওয়ার সাধারণ কারণগুলোঃ-

✅ জয়েন্টে পানি জমা
এটা সবচেয়ে পরিচিত কারন। আঘাত, লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া, কার্টিলেজ ক্ষয় (Osteoarthritis),
সংক্রমণের ফলে হয়ে থাকে।

✅ আঘাতজনিত ফোলাভাব
হঠাৎ পড়ে যাওয়া, খেলাধুলায় চোট লাগা বা মোচড় খেলে হাঁটু ফুলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে শুধু পানি না, রক্তও জমতে পারে।

✅ সংক্রমণ
হাঁটুতে জীবাণু ঢুকলে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। এক্ষেত্রে ফোলকভাবের সাথে তীব্র ব্যথা, লালচে ও গরম হয়ে যাওয়া, জ্বর থাকতে পারে।

✅ বাত বা আর্থ্রাইটিস
বিভিন্ন ধরনের বাত হাঁটু ফুলিয়ে দিতে পারে যেমন অস্টিওআর্থ্রাইটিস, Rheumatoid arthritis, গাউট।

হাঁটুতে ফোলাভাব দেখা দিলে বিশ্রাম নিন, বরফ সেঁক দিন, হাঁটু একটু উঁচু করে রাখুন তবে মনে রাখবেন এগুলো সাময়িক ব্যবস্থা, আসল কারণ ঠিক না করলে সমস্যা থেকে যাবে। যদি হঠাৎ খুব বেশি ফোলা, প্রচণ্ড ব্যথা, হাঁটতে না পারা, জ্বর বা লালচে ভাবের মতো লক্ষন দেখা দেয় তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

স্বাধীনতা তুমিপতাকা-শোভিত স্লোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল।স্বাধীনতা তুমিফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।স্বাধীনতা তুমি অন্ধকারের খাঁ খ...
26/03/2026

স্বাধীনতা তুমি
পতাকা-শোভিত স্লোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল।
স্বাধীনতা তুমি
ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি।
স্বাধীনতা তুমি অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে
মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক।

উৎসব শেষ। বিষন্নতায় ভুগছেন? জেনে নিন কারন ও করনীয় আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ত জীবনের সাথে তাল মিলয়ে চলতে গিয়ে আমরা খুব বেশি ছ...
25/03/2026

উৎসব শেষ। বিষন্নতায় ভুগছেন? জেনে নিন কারন ও করনীয়

আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ত জীবনের সাথে তাল মিলয়ে চলতে গিয়ে আমরা খুব বেশি ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পাইনা। তাই কোনো উৎসব আসলে আমাদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যায়। তবে উৎসব যতই আনন্দের হোক এর শেষটা সবসময় শূন্যতাই নিয়ে আসে।

খেয়াল করলে দেখবেন উৎসব শেষ হয়ে যাওয়ার পরে কেমন খালি খালি অনুভূতি হয়। মনে হয় সব শেষ হয়ে গেছে। এই সমস্যাটাকে অনেক মনোবিজ্ঞানীরা Post Festival Blues বলে থাকে। এটা কেনো হয়? যখন উৎসব চলে তখন আমাদের আশেপাশে অনেক মানুষজন থাকে, সবার ব্যস্ততা, হাসাহাসি এসব আমাদের মনে একধরনের আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে। কিন্তু হঠাৎ করে যখন এসব কিছু বন্ধ হয়ে যায় তখন আমাদের মস্তিষ্কে একধরনের খালি জায়গা তৈরি হয়। যা আমাদের মন খারাপের প্রধান কারন। এছাড়াও উৎসবের সময় আমরা আমাদের পুরোনো সব রুটিন ভুলে যাই হঠাৎ করে যখন আবার সেই আগের অভ্যাসে ফেরত আসতে হয় তখন এইটা আমাদের মন মানিয়ে নিতে যথেষ্ট টাইম নিয়ে থাকে।

স্বাভাবিক প্রকৃতির নিয়ম এটাই। আজকে অনেক আনন্দ হঠাৎ করে কাল দেখবেন আপনি একা। এর সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়াই জীবন। এই অনুভূতি কিছুটা হলেও কমানোর জন্য নিজেকে সময় দিন, উৎসবের সময়ের ভালো সময় গুলো মনে করুন, ঐ টাইমের ছবি ভিডিও দেখতে পারেন না আমাদের মস্তিষ্কে আনন্দের অনুভূতি জাগাবে, আত্নীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগ রাখুন।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান

24/03/2026

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, মস্তিষ্ক এবং হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে নিয়মিত ঢেঁড়স খেতে পারেন।

আপনি কি খাচ্ছেন সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি কখন খাচ্ছেন এটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অস্বা...
23/03/2026

আপনি কি খাচ্ছেন সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি কখন খাচ্ছেন এটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভুল সময়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার সমান।আজ কথা বলবো ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে যা ভুল সময়ে খাওয়ার ফলে আপনার শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

🔹 রাতে টকদই খাওয়া: দই হজমের জন্য খুবই উপকারি। কিন্তু যাদের ঠান্ডার সমস্যা বা কফজনিত সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে রাতে খাওয়ার কারনে এটি সমস্যা বাড়িতে দিতে পারে।

🔹 রাতে মাত্রাতিরিক্ত টমেটো খাওয়া: টমেটোতে থাকা এসিড শরীরে এসিডিটি ও বুকজ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। অনেক সময় এটা ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

🔹 সকালে খালি পেটে বা রাতে খাওয়ার আগে কলা খাওয়া: কলায় প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম থাকে তাই খালি পেটে খাওয়া হলে হঠাৎ করে শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা বেড়ে যায় যা হার্টের জন্য ঝুঁকিপূর্ন হতে পারে।

🔹 সকালে খালি পেটে দুধ খাওয়া: দুধ আমাদের জন্য প্রচুর উপকারি হলেও খালি পেটে খেলে গ্যাস, হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

🔹 খালি পেটে টক জাতীয় ফল খাওয়া: খালি পেটে খাওয়ার ফলে গ্যাস্ট্রিক বাড়িয়ে শরীরে অস্বস্তি তৈরি করে। দীর্ঘদিন এরকম হলে শরীরে খনিজ উপাদান শোষন করতে পারেনা যা অনেক সময় হাড় দূর্বল করে দেয়।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

দীর্ঘ এক মাস রোজা পালন করার পর হঠাৎ করে ঈদের দিন অনেক ধরনের খাবার খেয়ে আমাদের অনেকেরই পেটের সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমাদের ...
22/03/2026

দীর্ঘ এক মাস রোজা পালন করার পর হঠাৎ করে ঈদের দিন অনেক ধরনের খাবার খেয়ে আমাদের অনেকেরই পেটের সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমাদের এই ব্যাপারে একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এই সমস্যা কে হালকা ভাবে নেয়া একদমই উচিৎ হবেনা । কারন এই সাধারণ পাতলা পায়খানা,বা বমি ই হতে পারে আপনার জন্য বড় বিপদের কারন।

প্রতিবার পাতলা পায়খানার পরে সেলাইন খান। পর্যাপ্ত পানি খান।খাবারের ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকুন। খেয়াল রাখবেন।কোনো ভাবেই শরীর কে পানিশূন্য হতে দেয়া যাবেনা।

পাতলা পায়খানা আপনার শরীর কে পানিশূন্য করে দিবে। তাই পর্যাপ্ত পানি এবং খাবার সেলাইন খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখুন।

এই সামান্য পাতলা পায়খানা,বমি,ডায়রিয়া থেকেই হতে পারে ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স, ডিহাইড্রেশন ইত্যাদি। তাই সচেতন থাকুন।
সুস্থ থাকুন।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক
20/03/2026

সবাইকে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক

রোজার সময় বা নিয়মিত নামাজে অনেকেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন বিশেষ করে তারাবিহর মতো নামাজে। তখন অনেকেরই হাঁটু বা পিঠে ব্যথা...
19/03/2026

রোজার সময় বা নিয়মিত নামাজে অনেকেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন বিশেষ করে তারাবিহর মতো নামাজে। তখন অনেকেরই হাঁটু বা পিঠে ব্যথা শুরু হয়। কেউ আবার ভাবেন এটা স্বাভাবিক বা সহ্য করতেই হবে। কিন্তু সত্যিটা হলো এই ব্যথা আপনার শরীরের একটা সিগন্যাল, যা ঠিকভাবে ম্যানেজ না করলে ধীরে ধীরে সমস্যা বাড়তে পারে।

ব্যথা এড়ানোর কার্যকর টিপসঃ-

🔸 সঠিক ভঙ্গিতে দাঁড়ান
শরীর সোজা রাখুন, কুঁজো হয়ে দাঁড়াবেন না, দুই পায়ের ওপর সমানভাবে ভর দিন, হাঁটু পুরোপুরি লক করে রাখবেন না, হালকা ভাঁজ রাখুন।

🔸 নামাজের মাঝে ছোট বিরতি নিন
দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে প্রতি কয়েক রাকাত পর পর ১-২ মিনিট বসে নিন।

🔸 আরামদায়ক জায়নামাজ বা নরম জায়গা ব্যবহার করুন
খুব শক্ত মেঝেতে দাঁড়ালে হাঁটু ও গোড়ালিতে চাপ বাড়ে। হালকা কুশনযুক্ত জায়নামাজ ব্যবহার করলে শক কম লাগে।

🔸 হালকা স্ট্রেচিং করুন (নামাজের আগে ও পরে)
বিশেষ করে হ্যামস্ট্রিং, লোয়ার ব্যাক, কাফ মাসল। এতে পেশি নমনীয় থাকে, ব্যথার ঝুঁকি কমে।

নামাজ ইবাদত, আর শরীর আল্লাহর দেওয়া আমানত। তাই ইবাদত করতে গিয়ে শরীরকে ক্ষতি করা বুদ্ধিমানের কাজ না। সঠিক ভঙ্গি, ছোট ছোট সচেতনতা আর নিয়মিত যত্ন এই তিনটাই আপনাকে ব্যথামুক্ত রাখতে পারে।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

রোজায় যা খাওয়া উচিত আর যা এড়িয়ে চলা উচিৎ-- ইফতার বা সেহরিতে কী খাওয়া উচিত আর কী এড়িয়ে চলা উচিত এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা অনে...
17/03/2026

রোজায় যা খাওয়া উচিত আর যা এড়িয়ে চলা উচিৎ--

ইফতার বা সেহরিতে কী খাওয়া উচিত আর কী এড়িয়ে চলা উচিত এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা অনেক সময় বিভ্রান্তিতে থাকি। ফলে অজান্তেই এমন কিছু খাবার খাওয়া হয়ে যায় যা শরীরের জন্য উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। সঠিক খাবার নির্বাচন করলে রোজার সময় শরীর সতেজ থাকে, শক্তি বজায় থাকে এবং নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

রোজায় যেসব খাবারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিতঃ-

🔸 কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট
🔸 প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
🔸 ফল ও শাকসবজি
🔸 বাদাম, বীজ
🔸 পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার

রোজায় যেসব খাবার কম খাওয়া বা এড়িয়ে চলা উচিতঃ-

🔸 অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার
🔸 অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার
🔸 ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
🔸 অতিরিক্ত লবনযুক্ত খাবার
🔸 অতিরিক্ত প্রসেসড ফুড

ডা: মো: ফেরদৌস রায়হান

Address

Popular Diagnostic Center
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Ferdous Rayhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Ferdous Rayhan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category