Dr. Md. Ferdous Rayhan

Dr. Md. Ferdous Rayhan MBBS(DHAKA),BCS(HEALTH)
D-ORTHO(NITOR),MS-ORTHO(NITOR)
ORTHOPEDIC TRAUMA & SPINE SURGEON

28/02/2026

পানি কম খেলে শরীরের যেসব ক্ষতি হয়-

27/02/2026

সেহেরিতে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার (ডিম, ডাল, মাংস, শাকসবজি) রাখলে দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখা সহজ হয় এবং অতিরিক্ত পিপাসাও কম লাগে।

রোজার মাসে একটা প্রশ্ন খুবই কমন কি খেলে সারাদিন এনার্জি থাকবে? সেহরিতে কি খাব, ইফতারে কি খাব? অনেকে মনে করেন বেশি খেলে শ...
26/02/2026

রোজার মাসে একটা প্রশ্ন খুবই কমন কি খেলে সারাদিন এনার্জি থাকবে? সেহরিতে কি খাব, ইফতারে কি খাব? অনেকে মনে করেন বেশি খেলে শক্তি বেশি থাকবে। বাস্তবে বিষয়টা উল্টো। ভুল খাবার খেলে দুপুরের আগেই দুর্বলতা, মাথা ব্যথা, তন্দ্রা বা অস্বস্তি শুরু হয়। তাই এবারের রোজায় আমাদের লক্ষ্য হবে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখা, শরীরের পানির ভারসাম্য ঠিক রাখা এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা।

✅ সেহরিতে যা খাবেন:
সেহরি হলো পুরো দিনের ফুয়েলিং টাইম। এখানে এমন খাবার দরকার যা ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়। সেহেরিতে রাখুন লাল চালের ভাত/আটার রুটি/ওটস/ ডাল। এগুলো ধীরে হজম হয়, ফলে রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে এবং দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকে। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখুন যেমন ডিম/মাছ/মুরগির মাংস/ডাল। প্রোটিন পেট ভরা রাখে এবং পেশি শক্ত রাখে। শুধু ভাত খেলে দ্রুত ক্ষুধা লাগবে। সাথে অবশ্যই ফাইবারযুক্ত খাবার রাখুন যেমন সবজি, শসা, ফল (আপেল, পেয়ারা)। এগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, পেট ভরা রাখে। পর্যাপ্ত পানি খেতে ভুলবেন না। ২-৩ গ্লাস পান

✅ ইফতারে যা খাবেন:
সারাদিন না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ বেশি খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়ে ফলে দুর্বলতা, ঘুমভাব, অস্বস্তি হয়। ধীরে ধীরে অল্প খাবার খান। ১-২টি খেজুর এক গ্লাস পানি দিয়ে ইফতার শুরু করুন।খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি ও পটাশিয়াম আছে যা দ্রুত কিন্তু নিরাপদ এনার্জি দেয়। এরপরে ফল, ছোলা, স্যুপ খেতে পারেন। তারপর মাগরিবের নামাজের পর ভারি খাবার খান। ব্যালান্সড ডিনার যেমন: পরিমিত ভাত/রুটি, প্রোটিন (মাছ/মুরগি/ডাল), প্রচুর সবজি।

সারাদিন কর্মক্ষম থাকতে চাইলে বেশি খাওয়া নয়, সঠিকভাবে খাওয়া জরুরি। সেহরিতে ধীরে হজম হয় এমন খাবার, ইফতারে নিয়ন্ত্রিত ও ব্যালান্সড খাবার খান।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান

25/02/2026

মটরশুঁটির উপকারিতাগুলো জেনে নিন।

রমজানে ওজন কমানো সম্ভব। কিন্তু শর্ত হলো ক্যালরি কন্ট্রোল, সঠিক খাবার নির্বাচন, পর্যাপ্ত ঘুম, হালকা ব্যায়াম। যখনই আপনার দ...
24/02/2026

রমজানে ওজন কমানো সম্ভব। কিন্তু শর্ত হলো ক্যালরি কন্ট্রোল, সঠিক খাবার নির্বাচন, পর্যাপ্ত ঘুম, হালকা ব্যায়াম। যখনই আপনার দৈনন্দিন রুটিনে এই ৪ টা জিনিসের সমন্বয় থাকবে তখন আপনার ওজন কমবে। এবং মনে রাখবেন ওজন কমানো কোনো ম্যাজিক নয় যে, বললাম আর হয়ে গেলো। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আপনাকে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে। তবেই ফলাফল পাবেন।

এবার আসুন, কিভাবে এই রমজানে ওজন কমাবেন সে প্রসঙ্গে--

১. পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। পানি কম খেলে মেটাবলিজম প্রসেস স্লো হয়ে যায় ফলে ওজন কমার সম্ভাবনাও কমে যায়।

২. ইফতারের পরে একটু রেস্ট নিয়ে ৩০ মিনিট হাঁটুন। এটি ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করবে।

৩. অপর্যাপ্ত ঘুম ওজন কমানোর পথে অন্তরায়৷ তাই ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।

৪. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, চিনির খাবার এসব এড়িয়ে চলতে হবে। এবং পর্যাপ্ত পরিমানে ফাইবার ( শাকসবজি, ফলমূল ), প্রোটিন (ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল) , হেলদি ফ্যাট ( বাদাম ) এবং অল্প পরিমানে কার্বোহাইড্রেট ( ভাত, রুটি ) গ্রহন করতে হবে।

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান

রোজার মাসে অনেকেই একটা ভুল করেন ঘুম ভাঙাতে কষ্ট হবে, ক্ষুধা কম লাগবে, বা একদিন না খেলে কিছু হবে না ভেবে সেহরি বাদ দেন। ক...
23/02/2026

রোজার মাসে অনেকেই একটা ভুল করেন ঘুম ভাঙাতে কষ্ট হবে, ক্ষুধা কম লাগবে, বা একদিন না খেলে কিছু হবে না ভেবে সেহরি বাদ দেন। কেউ কেউ ওজন কমানোর আশায় ইচ্ছা করে সেহরি খান না। কিন্তু দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার আগে শরীরকে প্রস্তুত না করলে তার প্রভাব শরীরে গভীরভাবে পরে।

সেহরি বাদ দিলে শরীরে যেসব পরিবর্তন হয়ঃ-

🔹 রক্তে শর্করা দ্রুত কমে যেতে পারে
🔹 ডিহাইড্রেশন বাড়ে
🔹 এসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়ে
🔹 অতিরিক্ত ক্লান্তি হয় ও কর্মক্ষমতা কমে যায়
🔹 ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হয়
🔹 হরমোনাল ব্যালেন্সে খারাপ প্রভাব পরে

যারা বিশেষভাবে সতর্ক থাকবেনঃ-

🔹 ডায়াবেটিস রোগী
🔹 উচ্চ রক্তচাপের রোগী
🔹 গর্ভবতী নারী
🔹 কিডনি রোগী
🔹 গ্যাস্ট্রিক/আলসার রোগী
🔹 যারা নিয়মিত ওষুধ খান
এদের ক্ষেত্রে সেহরি বাদ দেওয়া জটিলতা বাড়াতে পারে।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

22/02/2026

ব্যায়াম শুরুর আগে এই ভুলগুলো করবেন না-

মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা
21/02/2026

মাতৃভাষা দিবসে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

20/02/2026

রোজায় দীর্ঘক্ষণ না খাওয়ার ফলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালান্স হতে পারে তাই শুধু পানি নয়, ইফতারে রাখুন লেবু পানি।

শিশুদের খাবারে একটু-আধটু মিষ্টি থাকলেই কি ক্ষতি? নাকি একদমই চিনি বন্ধ রাখা উচিত? এ প্রশ্নটা প্রায় সব অভিভাবকের মনেই ঘোরে...
19/02/2026

শিশুদের খাবারে একটু-আধটু মিষ্টি থাকলেই কি ক্ষতি? নাকি একদমই চিনি বন্ধ রাখা উচিত? এ প্রশ্নটা প্রায় সব অভিভাবকের মনেই ঘোরে। বাচ্চারা মিষ্টি পছন্দ করে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু পছন্দ আর নিরাপদ পরিমাণ এক জিনিস না। শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি, দাঁতের স্বাস্থ্য, এমনকি ভবিষ্যতের রোগঝুঁকির সাথেও চিনি খাওয়ার সম্পর্ক আছে। তাই বিষয়টা নিয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। শিশুর খাবারে চিনি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না, তবে পরিমাণ খুব নিয়ন্ত্রিত হওয়া দরকার। বিশেষ করে আলাদা চিনি যোগ করা-ই আসল সমস্যা। বয়সভিত্তিক চিনির মাত্রা আলাদা আলাদা হয়ে থাকে৷ চলুন জেনে নেই কোন বয়সে কতটুকু চিনি শিশুর জন্য নিরাপদ।

🔸 ০-২ বছর: এই বয়সে আলাদা করে চিনি দেওয়া উচিত নয়। শিশু মায়ের দুধ, ফর্মুলা মিল্ক বা স্বাভাবিক খাবার থেকেই প্রয়োজনীয় স্বাদ ও পুষ্টি পায়।

🔸 ২-১৮ বছর: প্রতিদিন মোট ক্যালরির ১০% এর কম, চিনি থেকে আসা উচিত। বাস্তবে এর মানে দাঁড়ায় দিনে প্রায় ৪-৬ চা চামচের বেশি নয় (বয়স, ওজন ও খাবারের ধরন অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে)।

অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ক্ষতিঃ-
🔸 দাঁতের ক্ষয়
🔸 ওজন বৃদ্ধি ও ওবেসিটি
🔸 ডায়াবেটিস ও হরমোনাল সমস্যা
🔸 আচরণগত পরিবর্তন
🔸 খাওয়ার অভ্যাস নষ্ট হওয়া

ডাঃ মোঃ ফেরদৌস রায়হান

পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা
18/02/2026

পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা

বাড়িতে কয়েকজন শিশু একসাথে খেলছে কেউ লাফাচ্ছে, কেউ দৌড়াচ্ছে, কেউ আবার খাটে উঠছে নামছে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে তারা...
17/02/2026

বাড়িতে কয়েকজন শিশু একসাথে খেলছে কেউ লাফাচ্ছে, কেউ দৌড়াচ্ছে, কেউ আবার খাটে উঠছে নামছে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতে পারে তারা শুধু দুষ্টুমি করছে। কিন্তু আসলে এই লাফানো-দৌড়ানোর মাঝেই শিশুর শরীরের বড় পেশিগুলো কাজ করছে, আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে গ্রস মোটর স্কিল।

গ্রস মোটর স্কিল হলো শরীরের বড় বড় মাসল যেমন পা, হাত, কাঁধ, ঘাড় ও কোমর নিয়ন্ত্রণ করে নড়াচড়া করার ক্ষমতা। শিশু যখন নিজে নিজে হাঁটা শেখে, দৌড়ায়, লাফ দেয়, বল ছুঁড়ে বা ধরে এসবই এই দক্ষতার অংশ। এই দক্ষতা ঠিকভাবে গড়ে উঠলে শিশু সহজে দৌড়াতে ও খেলাধুলা করতে পারে, শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারে, সাইকেল চালানো বা সিঁড়ি ওঠা-নামা দ্রুত শিখে, আত্মবিশ্বাসী হয়, স্কুল ও দৈনন্দিন কাজকর্মে কম হোঁচট খায়। দুর্বল গ্রস মোটর স্কিল থাকলে শিশুর চলাফেরা ধীর হয়ে যেতে পারে, বারবার পড়ে যেতে পারে বা খেলাধুলায় আগ্রহ কমে যেতে পারে।

গ্রস মোটর স্কিল শুধু শক্ত পেশি নয়, আরও কিছু বিষয়ের সমন্বয়ে তৈরি হয় যেমন: ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষমতা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়ার দক্ষতা, নিজের শরীরের অবস্থান বোঝার ক্ষমতা, ফাইন মোটর স্কিলের সমন্বয়, পেশির শক্তি ও সহনশীলতা। শিশুকে নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ দিন। নিরাপদ পরিবেশ রাখুন, কিন্তু অযথা খেলায় বাঁধা দিবেন না।দড়ি লাফ, বল খেলা, দৌড়ঝাঁপ এসবে উৎসাহিত করুন। শিশুর দৌড়ঝাঁপ মানেই কেবল দুষ্টুমি নয় এটাই তার শরীরের শক্তি, ভারসাম্য আর সমন্বয় গড়ে তোলার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই খেলার মধ্যেই শিশুর বিকাশের বড় ধাপগুলো লুকিয়ে থাকে। বারবার পড়ে যাওয়া, হাঁটতে দেরি হওয়া বা খুব অস্বাভাবিক দুর্বলতা চোখে পড়লে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডা. মোঃ ফেরদৌস রায়হান
সহকারী অধ্যাপক,( অর্থোপেডিক সার্জারী)।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

Address

Popular Diagnostic Center
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Ferdous Rayhan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md. Ferdous Rayhan:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category