Salvation Homeo Chamber

Salvation Homeo Chamber হাসান ভিলা,হুসাইনিয়া মাদ্রাসা বাজার ?

29/04/2025

🎋গ্রাফাইটিস~যে কোন ধরনের চর্মরোগ এমনকী চোখের পাতায় একজিমা, চর্মোদ্ভেদ ভেজা ভেজা ও চামড়া ফাটা ফাটা, চোখের পাতা লাল ও কিনারাগুলো আঁস বা মামড়ী পড়ে ঢেকে থাকে,তাতে উপযোগী।
📚Graphites
♦গ্রাফাইটিস
♦ ডা.এইচ.সি.এলেন
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
♦ #নিজস্বকথাঃ~
১। স্থুলতা ও কোষ্টবদ্ধতা।
২। ফাঁটা চর্ম ও চটচটে রস।
৩। শঙ্কা ও সতর্কতা।
৪। মাছ, মাংস, সঙ্গীত ও সঙ্গমে অনিচ্ছা।
#মূলকথাঃ
১। দ্বিধাগ্রস্ত, উৎকণ্ঠিত, বিমর্ষ, মনোযোগ দিতে কষ্ট, সকল বিষয়ে সতর্ক ও ভীত।
২। শরীর সর্বদা শীতল, মাথার তালুতে জ¦ালা।
৩। কানে কম শোনে, কিন্তু গোলমালের ভিতর ভাল শুনতে পায়।
৪। সর্দি লাগার প্রবণতা ও ঠান্ডায় রোগের বৃদ্ধি।
৫। মাছ মাংস ইত্যাদি আমিষ দ্রব্য, মিষ্টি ও লবণে অরুচি।
৬। বসে কোন কাজ করার সময় পা নাড়তে থাকে।
৭। শরীরের কোথাও একটু কেটে গেলে বা আঁচড় লাগলে তাতে পূঁজ জন্মে, পুরাতন ক্ষত চিহ্নে আবার ঘা হয়, চর্ম উদ্ভেদ হতে পাতলা আঠালো বা মধুর মত স্বচ্ছ রস ঝরে।
৮। চর্মরোগের উদ্ভেদ শক্ত মোটা, ফাটা রসানি যুক্ত।
৯। ইন্দ্রিয়গুলি অতিরিক্ত তী², সেজন্য গান শুনলে রোগীর কান্না পায়, ফুলের গন্ধ সহ্য হয় না।
# উপযোগিতাঃ
১। যে সব মহিলারা মোটা হতে থাকেন, যারা দিনের পর দিন কোষ্টকাঠিন্যে ভোগেন, যাদের ঋতুস্রাব দেরীতে হওয়ার ইতিহাস থাকে তাদের পক্ষে উপযোগী। বয়ঃসন্ধিকালের যেসব লক্ষণে পালসেটিলা ব্যবহৃত হয়, রজোনিবৃত্তিকালের সেই সেই লক্ষণে গ্রাফাইটিস কার্যকরী।
২। অত্যাধিক সর্তভাব, ভীরুস্বভাব, সব কিছুতেই ইতস্ততঃ করে, কোন বিষয়ের স্থির মীমাংসা করতে পারে না (পালস)। কোন কাজ করতে বসলে হাত-পা নাড়াতে থাকে (জিঙ্কাম)। বিষণ্ন, হতাশভাব, গান শুনলে কান্না আসে, শুধুমাত্র মৃত্যু সম্বন্ধেই চিন্তা করে (গান শোনা অসহ্য- নেট-কা, স্যাবাইনা)।খুব সকালে অসুস্থভাব।
৩। চোখের পাতায় একজিমা, চর্মোদ্ভেদ ভেজা ভেজা ও চামড়া ফাটা ফাটা, চোখের পাতা লাল ও কিনারাগুলো আঁস বা মামড়ী পড়ে ঢেকে থাকে। মাথার উপরে একটি গোলাকার স্থানে জ্বালাকর (ক্যাল্কে.কার্ব, সালফ), (ঐ স্থানটি ঠাণ্ডাভাব- সিপিয়া, ভিরেট্রাম)।
৪। ঋতুস্রাব পরিমাণ খুবই কম, রঙ ফ্যাকাসে, নির্দিষ্ট সময়ের দেরীতে হয়- সাথে ভয়ানক শূলবেদনা হয। ঋতুস্রাব অনিয়মিত- পানিতে কাজ করে বা পানিতে পা ভিজে স্রাব নির্দিষ্ট সময়ের পরে হয (পালস)। ঋতুস্রাবের সময় সকালে গা বমি বা বমিভাব ঐ সময় অত্যন্ত দূর্বল ও অবসণ্ন হয়ে পড়ে (এলুমি, কার্ব-এনি, ককুলাস)। রাতে ঋতুস্রাবের সময় ও পরে রোগ লক্ষণ বাড়ে।
৫। শ্বেতপ্রদর বা প্রদরস্রাবে জ্বালা হয়, হেজে যায়- ঝলকে ঝলকে রাত-দিন বের হতে থাকে। ঋতুর আগে বা পরে শ্বেতপ্রদর হতে থাকে (ঋতুর আগে- সিপিয়া, ঋতুর পরে- ক্রিয়োজোট)।
৬। স্তনের ফোঁড়া সেরে গিয়ে কঠিন ক্ষতচিহ্ন থেকে যায়। এতে দুগ্ধস্রাবে বাধা আসে- ঐ ক্ষতচিহ্ন বা বারে বারে ফোড়া হবার ফলে স্তনের ক্যান্সার হয।
৭। দেহের চামড়া অপরিষ্কার, কর্কশ, অসুস্থ; আঘাত লাগলেই পেকে ওঠে (হিপার), পুরাতন ক্ষতচিহ্নে নতুন করে পূজঁ হয়ে পেকে ওঠে। কানের উপর, হাত-পায়ের আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে, শরীরের বিভিন্ন অংশে চর্মরোগ হয়, তা থেকে পানির মত স্বচ্ছ ও চটচটে রস ঝরতে থাকে।
৮। নখ ভঙ্গুর, ভেঙ্গে যায়, বিকৃত হয়ে যায় (এ-ক্রড), নখে ব্যথা যেন ঘা হয়েছে, নখ পুরু ও কুঁচকে যায়। আঙুলের মাথায়, স্তনের বোটায়, ঠোটে ও যোনির ওষ্ঠের সংযোগস্থলে, মলদ্বারে, পায়ের আঙুলের ফাঁকে ফেটে যায় বা ছিড়ে যায়।
৯। একটুতেই ঠান্ডা লেগে সর্দি হয়- প্রবল বাতাসে অত্যনুভূতি (বোরাক্স, ক্যাল্কে.কার্ব, হিপার, নাক্স)। পিড়িত অঙ্গ শুকিয়ে যায়। শিশু নির্লজ্জ, অবাধ্য, ভদ্রতা জানে না- বকলে হাসতে থাকে। অতিরিক্ত যৌনাচারিতা করে জননেন্দ্রিয়ের দুর্বলতা। স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই সঙ্গমে নিতান্ত অনিচ্ছা।
১০। মূর্চ্ছাগ্রস্থভাব- রোগীর জ্ঞান থাকে কিন্তু নড়াচড়া করার বা কথা বলার শক্তি থাকে না। গোলমালের মধ্যে বা গাড়ীতে চড়লে যখন শব্দ হতে থাকে তখন ভাল শুনতে পায় (এ-নাই)। কপালে যেন মাকড়সার জাল জড়িয়ে আছে, হাত দিয়ে ঝেড়ে ফেলতে চায়- এরূপ অনুভূতি (ব্যারাইটা, বোরাক্স, ব্রোমি, র‌্যানান)।
১১। উদরাময়ঃ ঘন বাদামি, তরল, অজীর্ণ দ্রব্য মেশানের ও অসহ্য দূর্গন্ধ থাকে- প্রায়ই উদ্ভেদ চাপা পড়ে উদরাময় হয় (সোরিন)।
১২। কোষ্ঠবদ্ধতাঃ বহুদিনের পুরাতন কোষ্ঠবদ্ধতা- মলত্যাগে কষ্ট, মল বড়, শক্ত, গিটগিট মত, দলাদলা মত, মলে সুতার মত সরু সরু শ্লেষ্মা জড়ানো থাকে। অত্যান্ত লম্বা মল (সালফ), মলত্যাগের পরে মলদ্বারে চিড়িকমারা, ঘায়ের মত ব্যথা বেদনা হয়।
১৩। ইরিসিপেলাসঃ কানেকটিভ টিস্যুতে প্রদাহ হয়ে ইপিসিপেলাস- তাতে জ্বালা ও হুলফোটানো ব্যথা থাকে, ডান দিকে শুরু হয়ে বাদিকে বিস্তৃত হয়। আয়োডিন লাগানোর পর ঔরূপ বিসর্প বা ইরিসিপেলাস হলে ব্যবহার্য।
১৪। অনুপূরক- কস্টি, হিপার, লাইকো। ঋতুসম্বন্ধীয় রোগে লাইকো ও পালসের সমগুণ। লাইকো, পালসের পর এ ঔষধ ভাল খাটে। অল্পবয়সী মহিলাদের মোটা হওয়া রোগে প্রচুর পরিমাণে অস্বাস্থ্যকর মেদযুক্ত তন্তু হতে থাকলে ক্যাল্কে.কার্ব এর পর এ ঔষধ ব্যবহার্য। চর্মরোগে সালফারের পর ও বেগে শ্বেতপ্রদর হতে থাকা লক্ষণে সিপিয়ার পর গ্রাফাইটিস ভাল ফল দেয়।
✒️হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবনের নিয়ম: সাধারণত ১-২ ফোটা সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে ৩ বেলা খাবার আগে সেব্য অথবা গ্লোবিউলস বা পিলে সিক্ত করে ৪ টি করে পিল ৩ বেলা খাবার আগে চুষে খেতে পরেন।

📑Compilation: Homoeopathic Tips
যে কোন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই রেজিঃপ্রাপ্ত ফিজিশিয়ানের সাথে পরামর্শ করবেন।

29/04/2025

🏖️------থুজা---✴---🔷 Thuja-------🎋
-----🫒 কবিতা---🫒---
ছন্দে ছন্দে থুজার লক্ষন মনে রাখার সহজ কৌশল।

থুজার আঁচিল দানা দানা ফুলকপির মত
এলোমেলো সারা গায়ে থাকে অবিরত
চর্বিযুক্ত টিউমার বা স্তনের মাঝে গোটা
নিয়ম করে ক্ষেতে হবে এক বা দুই ফোঁটা।

শ্রেষ্মাপ্রধান,রসপ্রধান,মোটা ও থলে
গায়ের রং ফাকাশে সবাই রক্তহীন বলে।
মুখমন্ডল তৈলাক্ত, পা দুখানি কাঁপে,
একপাশে ঠান্ডা তাহার সর্ব সময় চাপে।

টিকা কিংবা প্রমেহ হতে
শারিরীক কোন বিকৃতি
মানষিক রোগ,অনৃভূতিহীন
থুজাতেই তার নিষ্কৃতি।

সন্দেহপ্রবন,কলহপ্রিয়,খিটখিটে স্বভাব
ঈর্ষাপরায়ন,ক্রোধী বটে,সংযমতার অভাব।
বিমর্ষ,নির্জনপ্রিয়,স্বভাব অতি চাপা,
অবান্তর গল্প বলে,যায়না যাহা ভাবা।

সূচিবাইগ্রস্হ,স্পর্শকাতর,চিন্তাভাবনা কম
ঘন ঘন স্বপ্নদোষের থুজাই আসল যম।
জননেন্দ্রিয়, মলদ্বার,মূত্রযন্ত্র, চর্ম
এন্টিসাইকোটিক রিমেডি বটে,ইহাই থুজার কর্ম।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিম্পটম আছে বাঁকী,
অর্ধেক মল নির্গত হয়,অর্ধেক যায় থাকি।
বসে থাকলে বেদনা বেশী,অশ্ব যদি থাকে,
চর্বি খেলে রোগ বাড়বে,জেনে রাখবেন আগে।

বদ্ধমূল ধারনা,স্বপ্নবহুল ঘুম
চোখ বুজলে মাথা ঘোরে বিরক্তি একদম।
পেটের ভিতর জীবিত প্রানী,করে নারাচাড়া
এমন অনুভূতি নিয়ে,কষ্টেতে বেচারা।

টিকার কুফল,মাথায় খুশকি,এমন যদি হয়
থুজা দিয়েই রোগ মুক্তি,পাবেন নিশ্চয়।
গ্যাংলিয়ন,পলিপাস বা চর্বিযুক্ত টিউমার
এক ডোজে নির্মুল হবে,ফিরবেনা বারবার।

27/04/2025
21/05/2024

থুজা-

একটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন
হোমিওপ্যাথিতে বহুল ব্যবহৃত ও গুরুত্বপূর্ণ একটি মেডিসিনের নাম থুজা অক্সিজেন্টালিস (Thuja Occaidentalis ) সংক্ষেপে থুজা। হোমিওপ্যাথিতে আঁচিলের ভাল চিকিৎসা হয়। তাই অনেকেই মনে করেন থুজা আঁচিলের প্রধান ঔষধ। কথাটা সত্য। তবে শুধু আঁচিল নয়, থুজা একটি সুগভীর ক্রিয়া ঔষধ এবং প্রধান সাইকোসিস হিসেবে এর ক্রিয়া অনেক বিস্তৃত ও গুরুত্বপূর্ণ।

হোমিওপ্যাথিতে রোগের নয়, রোগীর চিকিৎসা করা হয়। হোমিওপ্যাথি একটি লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। তাই লক্ষণানুযায়ী নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় থুজা ব্যবহার করা যায়।

থুজার উৎস-
এক প্রকার ঝাউ গাছ। কানাডার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহে এই প্রকার গাছ জন্মায়। এই গাছে যখন ফুল ফুটে, তাজা পাতা সংগ্রহ করে তা থেকে মূল আরক বা মাদার টিংচার প্রস্তুত করা হয়।

থুজার প্রুভার-
ডা. স্যামুয়েল হ্যানিমান।
থুজা রোগীর ধাতুগত লক্ষণ- শ্লেষ্মাপ্রধান, রসপ্রধান, মোটা-স্থুলকায় ও থলথলে দেহ, ফ্যাকাশে-রক্তহীন। গায়ের বর্ণ কাল হলেও রক্তহীনতার কারণে মুখ, হাত-পা সাদা দেখায়। সর্বদা পা দুটি কাঁপে। চক্ষুরোগপ্রবণ। শরীরের অনাবৃত অংশ ঘামে। মুখমণ্ডল তৈলাক্ত, মাথার চুল শুষ্ক ও চেরাচেরা, নখ ফাটা ফাটা, শরীরের এক পাশে ঠাণ্ডা, বাম পার্শ্বে রোগাক্রমণ।

মানসিক লক্ষণ-
রোগী সন্দেহপ্রবণ, ঝগড়াপ্রিয়, কলহপ্রিয়, ঈর্ষাপরায়ণ। ক্রোধ এবং জেদ বেশি, খিটখিটে স্বভাব। ‘খিটখিটে স্বভাব’ বিষয়ে একটা কথা মনে রাখা দরকার- সে বাড়ির লোকজন এবং পরিচিতদের সাথে খিটখিটে মেজাজে কথা বলে, কিন্তু অপরিচিতদের সাথে সংযত আচরণ করে। এটা সাইকোসিসের লক্ষণ। সাইকোসিস প্রতারণাপরায়ণ। থুজা বাড়ির লোকজনের সাথে খিটখিটে মেজাজ দেখালেও অপরিচিতদের সাথে সংযত আচরণের মাধ্যমে সাইকোসিসের লক্ষণ প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। অর্থাৎ অপরিচিতদের সাথে সংযত ও ভাল আচরণ এটা তার প্রতারণা।
সর্বদা বিমর্ষ, জীবনের প্রতি বিতৃঞ্চা। নির্জনপ্রিয়, চাপা স্বভাব, সব কিছু চেপে রাখতে চায়, কোন কিছু সহজে প্রকাশ করতে চায় না। একাকী থাকতে পছন্দ করে, অপরিচিত লোকজনের কাছে যেতে ভয় পায়।
সত্য গোপন করার জন্য চলচাতুরির আশ্রয় নেয়া, অবান্তর গল্পকাহিনী বানানো থুজার একটি বৈশিষ্ট্য।
কোন বিষয় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করতে পারে না, মনে জোর পায় না। কথা বলার সময় কথা হারিয়ে যায়। তাই কথা বলে অতি ধীরে ধীরে। বার বার ঢোক গিলে কথা বলে যেন কথা খুঁজে খুঁজে বের করছে। তবে ক্রুদ্ধাবস্থায় সে খুব দ্রুতগতিতে কথা বলে। কথা বলার সময় জিহ্বায় কামড় লাগাও থুজার একটি বিশেষ লক্ষণ। লেখার সময় ভুল করে, যা বলে তা লিখে না, ভুল হয়।
রোগী নানা রকম ভ্রান্ত ধারণায় বিশ্বাসী। তার ধারণা সে কোন দৈবশক্তি দ্বারা পরিচালিত। মনে করে কেউ যেন তাকে পেছন থেকে অনুসরণ করছে। অপরিচিত লোকজন তার পাশে বসে আছে বা শুয়ে আছে।
একবার কোন ধারণা বা বিশ্বাস জন্মালে তা থেকে সে সহজে নড়ে না। সুচিবাইগ্রস্ত, স্পর্শকাতর। সহজে কাউকে স্পর্শ করতে দেয় না। মনে করে তাতে অপবিত্র হয়ে যাবে। সঙ্গীত শুনে কান্না করে।
থুজার রোগী মনে করে তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাঁচ বা এ জাতীয় ভঙ্গুর পদার্থ দিয়ে তৈরি যা যেকোন সময় অতি সহজেই ভেংগে যাবে বা ভেংগে পড়তে পারে।

রোগীর বদ্ধমূল ধারণা-
পেটের ভেতর কোন জীবন্ত প্রাণী আছে, কিছু একটা নড়চড়া করছে। মহিলারা মনে করে- সে গর্ভবর্তী হয়েছে, পেটের ভেতরে বাচ্চা নড়াচড়া করছে, পেটে মরা বাচ্চা রয়েছে। এটাও তার বদ্ধমূল ধারণা। এ ধারণা থেকে তাকে সহজে টলানো যায় না।
স্বপ্নবহুল নিদ্রা থুজার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। রোগী যতসব অদ্ভূত অদ্ভূত স্বপ্ন দেখে। মৃত ব্যক্তির স্বপ্ন, উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন, পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন থুজার বৈশিষ্ট্য। ঘন ঘন স্বপ্নদোষে থুজার কথা স্মরণ করা যায়।

ক্রিয়াস্থল:-
থুজার মূল ক্রিয়াস্থল চর্ম, জনেন্দ্রীয়, মলদ্বার ও মূত্রযন্ত্র। তবে প্রধান এন্টিসাইকোটিক মেডিসিন হিসেবে থুজা শরীরের প্রায় সর্বত্রই কার্যকর।
টিকার কুফলে থুজার ব্যবহার আশ্চর্যজনক ফল দেয়। টিকাজনিত শারীরিক মানসিক যে কোন কুফল বা উপসর্গে প্রথমেই থুজা স্মরণীয়।
হাম ও বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে থুজা খুবই চমৎকার।
টিকা নেয়ার পর এবং হাম ও বসন্তের পর যে সব উপসর্গ দেখা দেয় তাতে প্রথমেই থুজা স্মরণীয়।

বৃদ্ধি:
বর্ষাকালে, ঠান্ডায়, স্যাঁতসেঁতে আদ্র আবহাওয়ায়, টিকা দেয়ার পর, চাঁদের আলোয়, ভোর ৩টায়, সকালে, আহারের পর, স্পর্শে, ঋতু পরিবর্তনে।

উপশম:
গরমে, বিশ্রামে, চাপে, মাথা পেছনের দিকে হেলান দিয়ে রাখলে অর্থাৎ মাথা পেছনের দিকে রেখে উপরের দিকে তাকালে শির পীড়া উপশম। থুজা ঠান্ডা বৃদ্ধি ও গরমে উপশম হলেও বাত-বেদনা এবং দন্তশূল ঠান্ডায় উপশম।
লবণ এবং তিক্ত দ্রব্যের প্রতি আগ্রহ, আলু অপ্রিয়। চা, পেঁয়াজ ও টক অসহ্য।
লবনপ্রিয়তায় দুটি ঔষধের মধ্যে অনেকে ন্যাট্রাম মিউরকে দ্বিতীয় স্থানে রেখে থুজাকেই প্রথম বলেছেন।

আঁচিল বা এজাতীয় উদ্ভেদ সাইকোসিসের প্রধান লক্ষণ। সুতরাং আঁচিল বা আঁচিল সদৃশ উদ্ভেদে এন্টি সাইকোটিক থুজাই প্রধান মেডিসিন।

হোমিওপ্যাথি যেহেতু মায়াজমেটিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, তাই এন্টি সাইকোটিক হিসেবে প্রথমেই থুজার কথা স্মরণ করা উচিৎ।

গরুর গোস্ত পোলাও খেতে যারা ভয় পান বা খেলে সমস্যা হয়।তাঁরা ভাজা পোড়া গুরুপাক দ্রব্যাদী খাওয়ার পরে সমস্যা। এক ফোঁটা পালসেট...
29/07/2023

গরুর গোস্ত পোলাও খেতে যারা ভয় পান বা খেলে সমস্যা হয়।তাঁরা ভাজা পোড়া গুরুপাক দ্রব্যাদী খাওয়ার পরে সমস্যা। এক ফোঁটা পালসেটিলা খান সম্পুর্ন নিরাপদ থাকবেন ইনশাআল্লাহ। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Location:Salvation Homeo Chamber 01712-138887
23/04/2023

Location:
Salvation Homeo Chamber
01712-138887

Homeopathic pharmacy

এনাল ফিসার বা গেজ রোগে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।  ডাঃ শরীফ মোহাম্মদ নূর।০১৭১২১৩৮৮৮৭এনাল ফিসারের সহজ বাংলা অর্থ পায়ুপথ ফেটে য...
20/01/2023

এনাল ফিসার বা গেজ রোগে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

ডাঃ শরীফ মোহাম্মদ নূর।
০১৭১২১৩৮৮৮৭

এনাল ফিসারের সহজ বাংলা অর্থ পায়ুপথ ফেটে যাওয়া। পায়খানা করার সময় খুব বেশি জ্বালাপোড়া হওয়া অথবা ছুরির ধারের মত ব্যথা করা — এটি একটি পরিচিত সমস্যা। কারো কারো ক্ষেত্রে এই ব্যথা এতই তীব্র হয় যে নিয়মিত মলত্যাগ করাই তাদের জন্য অসহনীয় হয়ে দাঁড়ায়। এই লক্ষণগুলো সাধারণত এনাল ফিসার রোগের লক্ষণ। বাংলায় এটি গেজ রোগ নামেও পরিচিত।

পায়ুপথের রোগ বলে অনেকেই এই সমস্যায় দীর্ঘদিন ভোগা সত্ত্বেও সহজে ডাক্তার দেখাতে চান না। ফলে দিন দিন গেজ রোগ জটিল আকার ধারণ করে। একপর্যায় অপারেশন করা ছাড়া এই রোগ প্রতিকারের উপায় নাই -এমন ধারণা সঠিক নয়। প্রাথমিক গেজ রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া গেলে খুব সহজেই এই জটিল পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।

পায়ুপথের পেছনের যেই অংশে মল জমা থাকে তার নাম রেক্টাম বা মলাশয়। মলাশয় থেকে মল বা পায়খানা মলদ্বার দিয়ে বের হয়ে আসে। মলদ্বারের মুখের চারপাশে যেই মাংসপেশি থাকে তাতে চাপ প্রয়োগ করে পায়খানার রাস্তার মুখ বন্ধ করা এবং খোলা যায়।

মলত্যাগের সময় খুব জোরে চাপ দিলে বা পায়খানা শক্ত হলে মলদ্বারের মুখের চারপাশের চামড়া অনেকসময় ফেটে বা চিড়ে যায়৷ মলদ্বারের এই ক্ষতকে এনাল ফিসার বা গেজ রোগ বলে।

গেজ রোগ হলে মলত্যাগের সময় এই ফাটা বা চিড়ে যাওয়া অংশে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া বা তীক্ষ্ণ ব্যথা অনুভব হয়। সেই সাথে পায়ুপথের মাংসপেশি টানটান হয়ে যায়। মাংসপেশি টানটান হলে পায়ুপথের মুখটাও সরু হয়ে আসে বা টাইট হয়ে থাকে। ফলে মলত্যাগের প্রক্রিয়াটি ভীষণ কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়।

চিড়ে যাওয়া স্থানে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে ফাটল সারতে দীর্ঘদিন সময় লাগতে পারে। এভাবে অনেকের দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক এনাল ফিসারের সমস্যা দেখা দেয়।

এনাল ফিসারের লক্ষণসমুহঃ
১. পায়খানার রাস্তায় তীব্র ও ধারালো ব্যথা হওয়া
এনাল ফিসার বা গেজ রোগের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো মলত্যাগের সময় মলদ্বার ফেটে যাওয়া । অনেক সময় রোগীদের মনে হয় যেন পায়ুপথ দিয়ে ধারালো কাঁচের টুকরো বের হচ্ছে। এনাল ফিসারের রোগীদের জন্য এই ব্যথাটাই সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক। সাধারণত পায়খানার পর মলদ্বারে এই জ্বালা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে।

২. পায়খানার সাথে উজ্জ্বল লাল রঙের রক্ত যাওয়া
পায়খানার গায়ে বা ব্যবহৃত টয়লেট পেপারে তাজা লাল রক্তের ছোপ দেখা যেতে পারে। শুধুমাত্র চামড়ার কিছু অংশ ছিঁড়ে রক্ত যায় বলে এক্ষেত্রে সাধারণত বেশি রক্তপাত হয় না। যেহেতু পায়ুপথের মুখের কাছাকাছিই এই রক্তক্ষরণ হয়, তাই রক্তের রঙ উজ্জ্বল লাল হয়ে থাকে। আরও ভেতর থেকে রক্তক্ষরণ হলে রক্তের রঙ গাঢ় বা কালচে লাল হতো।

৩. পায়ুপথে চুলকানি হওয়া
এনাল ফিসার রোগে পায়খানার রাস্তার মুখে চুলকানি হতে পারে।

এনাল ফিসার কেন হয়?
গেজ রোগের সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো কষা পায়খানা বা কোষ্ঠকাঠিন্য। পায়খানা শক্ত হলে অনেকে টয়লেটে যেতে চায় না, কারণ তখন মলত্যাগ করতে কিছুটা কষ্ট হয়। কিন্তু পেটের ভেতর পায়খানা জমিয়ে রাখলে সেটা দিন দিন আরও শক্ত থাকে। একসময় সেই শক্ত পায়খানা বের করতে গেলে পায়ুপথের চামড়া ছিঁড়ে গিয়ে দেখা দেয় এনাল ফিসার।

গর্ভবতী অবস্থায়, বিশেষ করে শেষ তিন মাসে ও নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে বাচ্চা হওয়ার পরে এনাল ফিসার দেখা দিতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে গেজ রোগ হওয়ার পদ্ধতি একটু ভিন্ন।

কখনও কখনও ডায়রিয়ার কারণেও গেজ রোগ হতে পারে। আরও কিছু অসুখ বা ওষুধের কারণেও এনাল ফিসার হতে পারে। যে সব রোগের কারণে এনাল ফিসার দেখা দিতে পারে-

পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ বা ইনফ্ল্যামেটরি বাওয়েল ডিজিজ (IBD)
কোলোরেক্টাল বা পায়ুপথের ক্যান্সার
যৌনরোগ, যেমন, এইচআইভি, সিফিলিস ও হার্পিস সিমপ্লেক্স
সোরিয়াসিস নামক ত্বকের প্রদাহজনিত রোগ
Pruritus ani নামের পায়ুপথের মুখের চুলকানি রোগ
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস সংঘটিত চর্মরোগ
যেসব ওষুধ সেবন করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এনাল ফিসার দেখা দিতে পারে—

Angina-জাতীয় বুকের ব্যথায় ব্যবহৃত নিকোর‍ান্ডিল
কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত কিছু ওষুধ
আফিমজাতীয় ব্যথার ওষুধ (Opioids), যেমন ট্রামাডল, টাপেন্টাডল, মরফিন ও পেথিডিন।

মলদ্বারের ব্যথা কমানোর উপায়
১. মলত্যাগের পর গরম পানির সেঁক নেয়া
একটি বোলে বা ডিশে কুসুম গরম পানি নিয়ে সেটাতে কিছুক্ষণ বসতে পারেন, যাতে কোমর থেকে মলদ্বার পর্যন্ত পানির নিচে থাকে। কুসুম গরম পানি মলদ্বারের মাংসপেশিকে রিল্যাক্স বা শিথিল করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যথা কমে আসে। একে ইংরেজিতে সিটজ ব্যাথ (Sitz bath) বলে।

শুধু মলত্যাগ করার পরেই এটি নেওয়া যাবে, বিষয়টা এমন নয়। দিনে ২ থেকে ৩ বার গরম পানির সেঁক নেওয়া যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছে গেজ রোগে তারা বেশ স্বস্তি পেয়েছে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় এই রোগটি স্থায়ীভাবে আরোগ্য হয়।
তাই অভিজ্ঞতা আছে এমন ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
চেম্বার- স্যালভেশন হোমিও চেম্বার।
বৈদ্যপাড়া হুসাইনিয়া মাদ্রাসার পিছনে বাজারের দক্ষিণ পাশে।

Ashwagandha Q :কার্যকারিতা :স্নায়ুমন্ডল ও স্নায়বিক দুর্বলতা এবং অত্যাচার জনিত পুরুষাঙ্গের দুর্বলতার মহৌষধ। স্নায়ুমন্ড...
24/09/2022

Ashwagandha Q :

কার্যকারিতা :
স্নায়ুমন্ডল ও স্নায়বিক দুর্বলতা এবং অত্যাচার জনিত পুরুষাঙ্গের দুর্বলতার মহৌষধ। স্নায়ুমন্ডল, জননেন্দ্রিয় ও মুত্রযন্ত্রের পীড়া, সর্বপ্রকার স্নায়ুবিক দুর্বলতা (Nervous Debility) শুক্রমেহ, মধুমেহ, ধ্বজভঙ্গ, মুত্রযন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীর পীড়া শ্বেতপ্রদর অবসাদপ্রাপ্ত স্নায়ুতন্ত্রগুলি সরব করে ও মুত্রযন্ত্রস্থিত ঝিল্লীর (Mucous membrane) নানা প্রকার উপসর্গ দূরীভূত করে।

সুতরাং পুরুষাঙ্গের দুর্বলতা, স্বপ্নযোগে, রেতক্ষলন, স্ত্রী সহবাসে অতি দ্রুত ধাতু নির্গমন ইত্যাদি যাবতীয় উপসর্গে নিরাময় হয়ে থাকে।

স্ত্রীলোকের শ্বেত প্রদরেও অশ্বগন্ধা Q অত্যুৎকৃষ্ট ক্রিয়া পরিদৃষ্ট হয়। যারা উক্তরোগে দীর্ঘকাল ভুগে অত্যন্ত দুর্বল ক্ষীণ হয়ে পরেছেন, অশ্বগন্ধা Q তাদের হৃতস্বাস্থ্য সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনে। রোগজীর্ণ দেহকে কমনীয় সুঠাম সাবলীল করে তোলে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি লক্ষণ ভিত্তিক সদৃশ্য বিধান। যেকোন ঔষধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে রোগীর শারিরীক, মানসিক যাবতীয় লক্ষণের সহিত ঔষধের লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। হোমিওপ্যাথিক যেকোন ঔষধই ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাতিত সেবন করা উচিত নয়।

রোগ মুক্তি আল্লাহর ইচ্ছে ও রহমতে হয়। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি লক্ষণ ভিত্তিক সদৃশ্য বিধান। যেকোন রোগের সমস্যার জন্য অসংখ...
22/09/2022

রোগ মুক্তি আল্লাহর ইচ্ছে ও রহমতে হয়। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি লক্ষণ ভিত্তিক সদৃশ্য বিধান। যেকোন রোগের সমস্যার জন্য অসংখ্য ঔষধ আছে। চিকিৎসক রোগীর লক্ষনের সাথে মিল রেখে চিকিৎসার নিয়মনীতি অনুসরণ করে চিকিৎসা করলে আল্লাহর রহমতে সুস্থতা সম্ভব। চিকিৎসা গ্রহণ করার পূর্বে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে একজন রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। যেসকল ঔষধ সেবন করবেন তা অবশ্যই জার্মানী ইম্পোর্টের ঔষধ হতে হবে। একজন ডাক্তার আপনার রোগী লিপি করে সমস্ত কথা শুনে ঔষধ লিখে দিলেন এবং ঔষধ দিয়ে দিলেন। আপনি শতভাগ জার্মানী ঔষধ পেলেন না অথবা চিকিৎসক দিলেন না তখন চিকিৎসার পরিপূর্ণ ফলাফল পাবেন না। সেজন্য সকল দিক খেয়াল রেখে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কখনই অসম্পূর্ণ ও অস্থায়ী নয়। যেকোন রোগের চিকিৎসার জন্য ঔষধের পাওয়ার ও চিকিৎসা অনুযায়ী ৫/৬ মাস সময় নিয়ে ঔষধ সেবন করা উওম।

ফেইসবুক একাউন্ট নিরাপদ রাখতে অন্তত ১০টি বিষয় মাথায় রাখা উচিত।ছোটখাটো কিছু বিষয়ে সচেতন থাকলে আপনি অনলাইনে সেইফ থাকতে পারব...
14/08/2022

ফেইসবুক একাউন্ট নিরাপদ রাখতে অন্তত ১০টি বিষয় মাথায় রাখা উচিত।

ছোটখাটো কিছু বিষয়ে সচেতন থাকলে আপনি অনলাইনে সেইফ থাকতে পারবেন একেবারেই সহজে।

যেমনঃ
১। কোনোভাবেই ফিশিং ওয়েবসাইটে ফেইসবুক একাউন্টের তথ্য দেয়া যাবেনা। অর্থাৎ Log in করার সময় ভালো করে দেখে নিবেন এড্রেস বারে https://www.facebook.com/....... বা https://m.facebook.com/....... দিয়ে ওয়েব এড্রেস শুরু হয়েছে কিনা।

২। তুলনামূলক শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন যেখানে বিভিন্ন ধরণের অক্ষর এর কম্বিনেশন থাকে সাথে কিছু স্পেশাল ক্যারেক্টার এর কম্বিনেশন রাখা যায়৷ যেমনঃ 7882A@

৩। ফোন নাম্বার অথবা google authenticator দিয়ে ফেইসবুক একাউন্টের সিকিউরিটি অপশন থেকে 2 Factor Authentication চালু রাখুন।

৪। সাইবার ক্যাফে/অন্য কারও ডিভাইসে একাউন্ট লগিন করার ক্ষেত্রে ব্রাউজারের গেস্ট মুডে গিয়ে লগিন করবেন।

৫। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছেঃ অবিশ্বস্তত কোনো ওয়েবসাইট থেকে কোনো সফটওয়্যার বা কোনো ক্র‍্যাক সফটওয়্যার ইনস্টল করলে সব কিছু হ্যাক হবার ঝুকি থাকে। তখন সাথে ফেইসবুক একাউন্ট ও হ্যাক হতে পারে।

৬৷ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে কোনো ওয়েবপেইজ/ইমেইল বা লিংক ভিজিট এর সময় ক্লিক করার আগে ভালো করে দেখবেন। কিছু ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেই অটোমেটিক সফটওয়্যার ডাউনলোড হয়ে যায় এবং তা অটো রান হবার চেষ্টা করে।

৭৷ কম্পিউটার ডিভাইসের ক্ষেত্রে বিশেষ করে উইন্ডোজ এর ক্ষেত্রে কিছু প্রোগ্রাম রান করার সময় তখন allow করলে yes চাপতে বলে। তখন কিছু সময় ইউজার এডমিন পাসওয়ার্ড দিতে বলে।
তাই allow করা অথবা পাসওয়ার্ড দিয়ে পার্মিট দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত।

৮। বিভিন্ন লোভনীয় অফার পেয়ে ব্রাউজারের জন্য ক্রোম/মজিলা সহ বিভিন্ন ব্রাউজারে টেস্টিং করব/অন্যান্য কারণে কোনো অবিশ্বস্ত সোর্স থেকে টুল বা এডন ডাউনলোড করা বা ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এই উপায়ে আধুনিক হ্যাকার রা অনেকের অনেক ধরণের একাউন্টই হ্যাক করে থাকে।

৯। সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। যেমনঃ আপনি টুইটার/ইনস্টাগ্রামে/বা example.com এ যেই পাসওয়ার্ড দিয়েছেন সেই পাসওয়ার্ড আপনার ফেইসবুক একাউন্টে না দেয়াই ভালো। কিছুটা পরিবর্তন হলেও রাখা উচিত। এতে অন্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার পাসওয়ার্ড কেউ বুঝতে পারলেও ফেইসবুকের টা বুঝতে পারবে না।

তাছাড়াও, আপনার কোনো পাসওয়ার্ড ই কারও সাথে শেয়ার করা উচিত নয়। শেয়ার করলে তার পক্ষে আপনার নতুন পাসওয়ার্ড বা ফেইসবুকের পাসওয়ার্ড ও ধারণা করা সহজতর হবে।

১০। পাসওয়ার্ড ব্রাউজারেই সেইভ না করে রাখা উচিত। যদি কেউ গুগল একাউন্টে সেইভ করেন, তাহলে তার এটা মনে রাখতে হবে, কেউ যদি কোনোভাবে জিমেইল একাউন্ট হ্যাক করে নেয়, তখন হ্যাকার চাইলেই অন্যান্য সকল একাউন্টই হ্যাক করতে পারবে। তাই পাসওয়ার্ড সেইভ করা গুগল একাউন্টের নিরাপত্তা দেয়া অতীব জরুরি।
অন্যথায় কোথাও (ব্রাউজার/একাউন্ট) পাসওয়ার্ড সেইভ না রাখাই ভালো।

আরও অন্যান্য কিছু টিপস এবং সাইবার সেবা ও তথ্য পেতে Cyber & Special Crime Division, DB, DMP এর অফিশিয়াল ফেইসবুক পেইজ লাইক ও ফলো করে সাথেই থাকুন।

Address

স্যালভেশন হোমিও চেম্বার, বৈদ্যপাড়ার মোড়, হুসাইনিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন, নথুল্লাবাদ, বরিশাল।
Barishal

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Friday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 13:00
17:00 - 21:00

Telephone

+8801712138887

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Salvation Homeo Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Salvation Homeo Chamber:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category