Hafez Saifullah Mansur

Hafez Saifullah Mansur Unlike many spiritual scholars, his knowledge is both mystical and scientific, making him a rare beacon of wisdom in an age of uncertainty.
(1)

Spiritual Practitioner। Founder & Chairman Of Tilismati Duniya | Islamic Metaphysics Strategist & Spiritual Intelligence Authority | Advisor on Ethical Power, Leadership & Higher Consciousness | Trusted by Global Influencers & Elite Networks | Hafez Saifullah Mansur Abir – The Angelic Communicator and Guardian of Divine Secrets

In a world where the unseen often remains a mystery, Hafez Saifullah Mansur Abir stands as a divinely chosen guide, bridging the gap between the physical and the spiritual. A revered Islamic scholar from Bangladesh, he possesses an extraordinary, God-gifted ability—he can directly communicate with angels (Fereshta), invoking their divine presence to perform Ruqyah (Islamic healing) and heal those plagued by misfortune, affliction, and unseen forces. This sacred gift has enabled him to transform thousands of lives, offering relief to those tormented by spiritual distress, negative energies, and unexplained hardships. A Visionary in Mysticism and Science

As the CEO of tilismati-duniya.com and the force behind the Tilismati Duniya YouTube channel, Hafez Saifullah Mansur Abir has dedicated his life to unlocking the hidden truths of the universe. His expertise in esoteric sciences, astrology, and spiritual enlightenment has made spirituality more accessible to seekers from all walks of life. His teachings do not merely provide knowledge—they empower individuals to awaken their inner potential, understand their destiny, and harness the unseen forces that shape their lives. But his brilliance is not confined to spirituality alone. He is also a bright medical student, blending his deep understanding of divine wisdom with modern science to create a holistic approach to healing. This rare combination of mysticism and medicine sets him apart as a scholar who not only understands the metaphysical world but also the human body and mind. A Devoted Humanitarian – Serving Bangladesh with Heart and Soul

Beyond his spiritual and scholarly contributions, Hafez Saifullah Mansur Abir is a devoted humanitarian, committed to uplifting the underprivileged. He runs an orphanage, providing shelter, education, and care to orphans and impoverished children, ensuring they have a future filled with hope and opportunity. Through his philanthropic work, he has touched countless lives, offering guidance, wisdom, and material support to those in need. As a national treasure of Bangladesh, he has become a pillar of spiritual wisdom, healing, and transformation, not just for his country but for all who seek divine enlightenment and a deeper connection to the mysteries of existence. For those searching for truth, spiritual awakening, and divine healing, Hafez Saifullah Mansur Abir offers more than just knowledge—he unveils a path to higher consciousness, unlocking the secrets of the soul and the infinite possibilities beyond the material world.

25/03/2026

আপনার হাতেই আছে হিলিং পাওয়ার! ব্রেইনের সিকুয়েন্সি দিয়ে রোগ সারানোর গোপন বিজ্ঞান!

আপনি কি জানেন, আপনার নিজের হাতেই এমন এক শক্তি লুকিয়ে আছে যা দিয়ে অন্যের রোগ সারানো সম্ভব?

এই ভিডিওতে আমরা আলোচনা করেছি—
✔️ হিলিং টাচ কী?
✔️ ব্রেইনের ফ্রিকোয়েন্সি কিভাবে কাজ করে?
✔️ কীভাবে এনার্জি ট্রান্সফার করে অন্যকে হিল করা যায়
✔️ ২১ দিনের প্র্যাকটিসে কী পরিবর্তন আসতে পারে
✔️ বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার গোপন সংযোগ

Quantum Physics, Brainwave, এবং Spiritual Healing—এই তিনের সমন্বয়ে তৈরি এই টেকনিক আপনার ধারণা বদলে দেবে।

⚠️ ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন—শেষে রয়েছে একটি গোপন প্র্যাকটিস!

📌 Subscribe করুন আরও এমন রহস্যময় ও জ্ঞানভিত্তিক ভিডিওর জন্য।



Related Tags:

healing touch bangla,
quantum healing bangla,
brain frequency power,
energy healing bangla,
spiritual healing islam,
karamat power bangla,
brain power secrets,
healing technique bangla,
subconscious power bangla,
telepathy healing,
dna activation bangla,
ruhani healing bangla,
mind power bangla,
law of attraction bangla,
islamic spiritual power,

24/03/2026

আসমাউল হুসনা: নিজের ভেতর ঐশী গুণের জাগরণ। মানবসত্তায় লুকিয়ে থাকা মহাজাগতিক চাবিকাঠি!

আসসালামু আলাইকুম। আজকের বিশেষ পডকাস্টে আমরা আলোচনা করেছি সুফিবাদের অত্যন্ত গভীর একটি বিষয়— 'ইনসানে কামিল' বা পরিপূর্ণ মানব। আমাদের সাথে অতিথি হিসেবে আছেন বিশিষ্ট গবেষক হাফেজ সাইফুর রহমান মনসুর।

এই পডকাস্টে আমরা যা নিয়ে আলোচনা করেছি:

• সুফিবাদে 'ইনসানে কামিল' বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়?

• আসমাউল হুসনা বা আল্লাহর ৯৯টি নাম কীভাবে মানুষের চরিত্রে বিকশিত হয়?

• সাধনার পথে প্রধান অন্তরায় বা বাধাগুলো কী কী?

• বিভিন্ন ধর্মে 'দেবতা'র ধারণা এবং আসমাউল হুসনার মেটাফিজিক্যাল মিল।

• একজন সাধারণ মানুষ ও একজন পরিপূর্ণ মানবের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

আধ্যাত্মিক জ্ঞান অন্বেষণকারী এবং সুফিবাদে আগ্রহী প্রত্যেকের জন্য এই আলোচনাটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন এবং শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন।



Related Tags:

ইনসানে কামিল, আসমাউল হুসনা, সুফিবাদ, হাফেজ সাইফুর রহমান মনসুর, পরিপূর্ণ মানব, আল্লাহর গুণবাচক নাম, আধ্যাত্মিক সাধনা, Sufism in Bangla, Insan e Kamil meaning, Asmaul Husna explanation, Islamic Spirituality, Comparative Religion, Metaphysics of Islam, Bangla Podcast 2026.

চোরাবালিতে ডুবন্ত উম্মাহ এবং আমাদের মাছি প্রবৃত্তি: সত্যের হাটে আজ হাঁড়ি ভাঙার দিন (একটি আধ্যাত্মিক ইশতেহার)আজ আমাদের সম...
23/03/2026

চোরাবালিতে ডুবন্ত উম্মাহ এবং আমাদের মাছি প্রবৃত্তি: সত্যের হাটে আজ হাঁড়ি ভাঙার দিন (একটি আধ্যাত্মিক ইশতেহার)

আজ আমাদের সমাজে কেন কোনো মুসলিম বিজ্ঞানী নেই জানেন? কেন আজ মুসলিমরা বিশ্বে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জাতি?

এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো—যখনই কোনো মুসলিম তরুণ গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে, নতুন কোনো চিন্তাধারা বা গবেষণালব্ধ গুপ্ত জ্ঞান মানুষের সামনে নিয়ে আসে, তখন আমাদের আমজনতা না বুঝেই তার বিরুদ্ধে 'দাজ্জাল', 'জাদুকর', 'বেদআতি' বা 'ফেৎনাকারী' ফতোয়া দিয়ে দেয়। অপবাদ দিয়ে তাকে দমিয়ে দেওয়া হয়, কখনো বা হত্যা করা হয়। অথচ সে হয়তো কুরআন নিয়েই নতুন কোনো গবেষণা মানুষের সামনে আনতে চেয়েছিল।

কী এক আশ্চর্য আমাদের এই সমাজ! যে পশ্চিমা বিশ্ব আজ আমাদেরই পূর্বসূরিদের প্রাচীন জ্ঞান ও গুপ্ত বিদ্যাগুলো চুরি করে এত উন্নত, আমরা নির্দ্বিধায় তাদের তৈরি সবকিছু দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করছি। তাদের তৈরি প্ল্যাটফর্মে বসে তাদেরই গুণগান গাইছি। তাতে আমাদের ঈমান নষ্ট হয় না। আমাদের সমাজে আল্লাহর বিধান চলে না, বরং পশ্চিমাদের বিধান চলে—যা সবচেয়ে বড় শিরক! যে সমাজে সুদের জোয়ারে ব্যাংকিং খাত ডুবে আছে, যে সমাজে ফাহেশাত ভরপুর, প্রতিনিয়ত হাজারো মা-বোন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে—তা রোধ করার বা কুরআন নিয়ে গভীর গবেষণার কোনো প্রচেষ্টা নেই।

অথচ সমস্যা হয় তখন, যখন একজন তরুণ আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান ও ইলমে মারেফাত নিয়ে কথা বলে। তখন তার কাছে রেফারেন্স চাওয়া হয়, তাকে তুচ্ছ প্রশ্নে জর্জরিত করা হয়—"তার হাতে আংটি কেন?", "মাথায় টুপি নেই কেন?", "কেন সে একজন নারীর সাথে বসে পডকাস্ট করছে?" "কেন তাঁর দাড়ি নেই"? " কেন সে জুব্বাহ পরিধান করেনা "?

পুরো সমাজ এর উচ্চ শিক্ষার সবগুলো ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল, বুয়েট সব যায়গায় একই গ্যালারিতে বসে ৭৫% মেয়ে ও ২৫% ছেলে শিক্ষা অর্জন করে যেই যুগে সেই যুগে প্রশ্ন তুলে কেন নারীর সাথে পডকাস্ট করেন?
অথচ যেসব মানুষ এই প্রশ্ন তোলে তাদের ফোনের ইউটিউব হিস্ট্রি চেক দিলে দেখা যাবে ৯৯% মানুষ ই অতি মজার সাথে ফাহেশাতে পরিপূর্ণ মুভি, গান উপভোগ করে! যারা এসব প্রশ্ন করে তাদের পাস্ট হিস্ট্রি ও পার্সোনাল ইনবক্স চেক করলে দেখা যাবে তাঁরা কতবড় মাপের ধর্মানুরাগী!

আমাদের বর্তমান সমাজের অবস্থা হলো চোরাবালিতে পড়া সেইসব মানুষের মতো, যারা নিজেরা গর্দান পর্যন্ত চোরাবালিতে ডুবে থেকে অন্যকে বুদ্ধি দেয়—"খবরদার! যতক্ষণ পর্যন্ত মাথায় টুপি না দিবি আর হাতের স্বর্ণের আংটি না খুলবি, ততক্ষণ পর্যন্ত চোরাবালি থেকে কাউকে তোলার কথা কল্পনাও করবি না, কারণ তা হারাম!"

পুরো সমাজ আজ কেবল 'মাছি প্রবৃত্তি' নিয়ে বেঁচে আছে।

আমি মুসলিমদের সেই হারানো চেতনা জাগ্রত করার এক দুর্গম পথে হাঁটছি, যে ঈমানি শক্তির জোরে হযরত ওমর (রা.) অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছিলেন। যে রুহানি শক্তির কারণে মুসলিম সৈন্যদের আগমনে হিংস্র বাঘ ও জানোয়াররা জঙ্গল ছেড়ে চলে যেত। যে ঈমানি শক্তির বলে খাজা মইনুদ্দীন চিশতী (র.) আনা সাগর শুকিয়ে ফেলেছিলেন। যে শক্তির বলে হযরত শাহ জালাল (র.) ৩৬০ জন সঙ্গী নিয়ে জায়নামাজে বসে সুরমা নদী পার হয়ে গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করেছিলেন এবং হযরত খান জাহান আলী (র.)-এর কুমির আজ পর্যন্ত মানুষকে খায় না! সেই চেতনা উজ্জীবিত করার পথ!

কারবালার প্রান্তর থেকে শুরু করে উমাইয়া ও আব্বাসীয় খেলাফতের সময়কালে ধীরে ধীরে এই গুপ্ত বিদ্যাগুলোকে মুছে ফেলা হয়েছে। আজ মানুষ এসব অলৌকিকতা দেখলে বলে "জ্বিন সাধক"!
যারা আমাকে না জেনে 'ভন্ড', 'জাদুকর' বা রাস্তার ধারের দু'টাকার তাবিজ বিক্রেতা বলে অপবাদ দিচ্ছেন এবং মব তৈরি করে আমাকে ধরিয়ে দিতে চাচ্ছেন, তাদের বলছি—আজ আপনাদের সামনে ৩৬৯ প্যাটার্নে ৩টি চরম সত্য, ৬টি অকাট্য প্রমাণ এবং ৯টি চূড়ান্ত আঘাত হেনে আমার শেকড় উন্মোচন করছি।

✡ ৩টি চরম সত্য: আমার পারিবারিক শেকড় ও আভিজাত্য

যারা আমাকে রাস্তার ধারের তাবিজ বিক্রেতা ভাবেন, তারা জেনে রাখুন, আমি জন্মগতভাবেই একটি এলিট ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। আমি শূন্য থেকে উঠে আসিনি।

১. আমার নানা, মরহুম ওয়াজেদ আলী লস্কর ছিলেন বরিশালের একজন স্বনামধন্য জমিদার। এলাকায় খোঁজ নিলেই আমাদের পরিবারের ইতিহাস জানতে পারবেন।

২. আমার মামা বর্তমান বরিশাল বার কাউন্সিলের সম্মানিত সভাপতি। আমার বড় বোন বরিশাল বারের একজন ব্যারিস্টার এবং বার কাউন্সিলের সদস্য। আমার বড় দুলাভাই একজন উচ্চপদস্থ সাংবাদিক।

৩. আমার মেজো বোন পিরোজপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং দুলাভাই পিরোজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। আমার আরেক বোন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ডাক্তার এবং তার স্বামী (আমার দুলাভাই) একজন সিনিয়র পেডিয়াট্রিশিয়ান (শিশু বিশেষজ্ঞ)।

এমন একটি উচ্চশিক্ষিত, সম্ভ্রান্ত ও আইনি-চিকিৎসা পেশায় প্রতিষ্ঠিত পরিবার থেকে উঠে আসা একজন গবেষককে যারা জাদুকর বলেন, তাদের নিজেদের মানসিকতা ও অজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত।

✡ ৬টি অকাট্য প্রমাণ: আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও দ্বীনি খেদমত

আমার মেধা ও যোগ্যতা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন, তাদের জন্য আমার শিক্ষাজীবনের কিছু খণ্ডচিত্র:

১. কুরআনের হাফেজ: আল্লাহর অশেষ রহমতে মাত্র আড়াই-তিন বছরে আমি আমার হিফজ সম্পন্ন করেছি।

২. মেধার স্বীকৃতি: বরিশালের স্বনামধন্য লুৎফুর রহমান ক্যাডেট মাদ্রাসায় নার্সারি থেকে দাখিল পর্যন্ত প্রতিটি ক্লাসে আমি প্রথম স্থান অধিকার করেছি।

৩. বোর্ড সেরা: পিএসসি এবং জেডিসি-তে পুরো বরিশাল মাদ্রাসা বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছি এবং দাখিল (এসএসসি) পরীক্ষায় পুরো বরিশাল উপজেলায় মুষ্টিমেয় এ+ প্রাপ্তদের মধ্যে প্রথম ছিলাম।

৪. আধুনিক শিক্ষা: এরপর আমি সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করে বর্তমানে মুন্নু মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত একজন হবু ডাক্তার।

৫. জাতীয় স্বীকৃতি: গত ২০০৭ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর ধরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কুরআন তেলাওয়াত, ইসলামি সংগীত ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় প্রতি বছর প্রথম বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছি। জাতীয় পর্যায়ে কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতাতেও আমি পুরস্কারপ্রাপ্ত আলহামদুলিল্লাহ।

৬. নিঃস্বার্থ খেদমত: বরিশাল ২২ নং ওয়ার্ডের মদীনা মসজিদে টানা ৫ বছর আমি খতম তারাবিহ পড়িয়েছি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় এর বিনিময়ে এক পয়সাও হাদিয়া গ্রহণ করিনি।

✡ ৯টি চূড়ান্ত আঘাত: ইলম, আধ্যাত্মিকতা এবং অন্ধ সমালোচকদের মনস্তত্ত্ব

আমি কুরআন, হাদিস এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের একজন গবেষক। আমি সেই গুপ্ত জ্ঞান নিয়ে গবেষণা করি, যা নিয়ে হযরত আলী (রা.), ইবনে আব্বাস (রা.) এবং ইমাম জাফর সাদিক (র:) গবেষণা করতেন। আমি ইলমে জাফর, ইলমে নুজুম, ইলমে আদাদ, ইলমুল হিকমাহ ও ইলমুল আজায়েব নিয়ে কাজ করি।

১. আমি কি ব্যবসায়ী? গত ৭ বছরে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে আমি 'Hafez Saifullah Mansur' নামক প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করিয়েছি। আমার ফেসবুক গ্রুপে ১৫ লাখের বেশি পজিটিভ রিভিউ! প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পোস্ট দিয়ে জানাচ্ছে তারা কীভাবে উপকৃত হয়েছে। আমার মাধ্যমে মানুষ কালোজাদু থেকে ফিরে এসেছে, শিরক থেকে বেঁচেছে। আলহামদুলিল্লাহ, ৫০০-এর বেশি মানুষ অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছে।

২. আমার প্ল্যাটফর্মের ব্যয়ভার: আমার পুরো প্ল্যাটফর্মে মাসে ১৫টির বেশি ইউটিউব ভিডিও, ১৫টির বেশি পিডিএফ, মেগাক্লাস—এসব পরিচালনা করতে প্রতি মাসে ৫-৬ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়। গত ২ মাসে শুধুমাত্র পডকাস্টগুলো তৈরি করতেই ৬ লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। হাতেগোনা ১-২ জন ভক্ত ছাড়া আমাকে কেউ ফান্ডিং দেয় না। এত বিপুল অর্থ আমি ব্যয় করছি উম্মাহকে জাগানোর জন্য।

৩. ইলম সংরক্ষণ বনাম ইলম বিক্রি: ইসলামে ইলম বিক্রি করা হারাম, কিন্তু ইলম রক্ষায় অর্থ গ্রহণ ও ব্যয় করা ফরজ। কুরআনে 'ফি সাবিলিল্লাহ' শব্দটি ৬০ বারের বেশি এসেছে, যার অর্থ দাওয়াত ও ইলমের সংরক্ষণে ব্যয় করা। সাহাবারা ইলম রক্ষায় উট, কূপ, জমি ওয়াকফ করতেন। আজকের যুগে ওয়েবসাইট, সার্ভার, ভিডিও প্রডাকশন মেইনটেইন করা—এগুলো সেই সাহাবাদের 'ওয়াকফ ২.০' বা আধুনিক রূপ।

৪. সর্বজনীন ঐশী বিধান: শুধু ইসলাম নয়, বেদের 'যজ্ঞ', বৌদ্ধ ধর্মের 'ধর্মদান' বা 'সংঘদান' এবং জেন্দ-আবেস্তার 'আহুরার অগ্নি'—সব ধর্মেই সত্য ও জ্ঞান টিকিয়ে রাখার জন্য সম্পদ ব্যয় করাকে ঈশ্বরীয় নির্দেশ বলা হয়েছে। জ্ঞান টিকিয়ে রাখতে ইনফাক অপরিহার্য।

৫. হাদিয়া গ্রহণ কি অপরাধ? এই বিশাল প্ল্যাটফর্মটি চালিয়ে নেওয়ার জন্য আমি যদি মানুষের কাছ থেকে পেইড কোর্সের হাদিয়া নিই, অথবা একজন মানুষের আধ্যাত্মিক চিকিৎসার জন্য টানা ৭ দিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে তাকে সুস্থ করায় আমার পারিশ্রমিক গ্রহণ করি—তবে সেটা কি ব্যবসা? যদি তাই হয়, তাহলে যারা ওয়াজ করে হাদিয়া নেন, যারা মাদ্রাসায় কুরআন শিখিয়ে মাসিক বেতন নেন—তারা কি বড় ব্যবসায়ী নন? তাদের বেলায় যা জায়েজ, ইলম সংরক্ষণের জন্য আমার বেলায় তা ব্যবসা কেন হবে?

৬. সমালোচকদের মনস্তত্ত্ব (Projection & Envy): আধুনিক মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড বলেছেন, "Criticism is the confession of envy." যারা নিজে কিছু করতে অক্ষম, তারা নিজেদের অন্ধকার ঢাকতে অন্যের আলোর সমালোচনা করে। কুরআনেও এদের 'হুমাযাহ' (ব্যঙ্গকারী) বলা হয়েছে। এদের কাজই হলো সত্যের পথে বাধা দেওয়া।

৭. মব এবং হুমকির জবাব: আমাকে অনেকে ভন্ড বলে ধরিয়ে দিতে চান। আমার অপরাধ কী? আমি কি চুরি করেছি? ডাকাতি করেছি? লক্ষ লক্ষ মানুষ আমার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে, এটাই কি আমার ক্রাইম? আপনারা মব সৃষ্টি করে ছোট বাচ্চাদের মতো বলছেন—"ওকে ধরিয়ে দিন!" কাকে দিয়ে ধরাবেন? যারা ধরতে আসবে, তাদের মধ্যেও আমার ভক্ত বিদ্যমান।

৮. জাদুকর এবং জ্বিন বাঁধার হুমকি: অনেকে থ্রেট দিচ্ছেন বান মারবেন, কালোজাদু করবেন, আমার জ্বিনগুলোকে মন্ত্র দিয়ে বেঁধে ফেলবেন! ভাই, আপনারা কয়টা জ্বিন বাঁধবেন? সারা দুনিয়ার সব ফেরেশতা, পশুপাখি, প্রকৃতি বাঁধতে পারবেন?

আমার তো নিজের কোনো শক্তিই নেই। আমি কোনো দু'টাকার জাদুকর নই। আমি শূন্য, আমি ফানা হওয়া অধম। আমি কেবল এক আল্লাহর সাহায্য নিই এবং তাঁর আসমাউল হুসনা ও ইসমে আজমের শক্তিতে শক্তিবান। যতদিন অনন্ত আকাশ বাঁধার মতো ক্ষমতা না হবে, ততদিন আমার আধ্যাত্মিকতা বিনষ্ট করার চিন্তাও করবেন না। প্রজাপতির পেছনে না ছুটে নিজেরা ফুলের চাষ করুন, দেখবেন প্রজাপতিই আপনার পেছনে ছুটবে!

৯. উন্মুক্ত চ্যালেঞ্জ এবং ঠিকানা: আমি বেনামি কোনো পেজ চালাই না। আমার পেইজে ৩ বছর পূর্ব থেকেই আমার ফোন নাম্বার, লোকেশন সহ আমার সব তথ্য উল্লেখ করা রয়েছে। অথচ যারা আমার বিরুদ্ধে অপবাদ দিচ্ছে তাঁরা নিজেদের রিয়েল পরিচয় পুরোপুরি হাইড করে ছদ্মনামে পেইজ চালাচ্ছে! আবার কেউ শত শত ফেইক আইডি খুলে অপবাদ গুলো দিচ্ছে! কেউ আবার টেলিগ্রাম ইউজ করতেছে! অথচ বর্তমান সময়ে টেলিগ্রাম হচ্ছে সবথেকে বড় ক্রাইম ও স্ক্যাম এর যায়গা!

তো আমার আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন যারা নিজেদের সত্য পরিচয় প্রকাশের সাহস রাখেনা বরং নিজেরাই আড়ালে মুখোশ ধারী হয়ে কাজ করে! তাঁরা কীভাবে সত্য উন্মোচনকারী হয়? ব্যাপার টা পিছনে থেকে পিঠে ছুরি মারার মত নয় কি? যা ইসলামে সরাসরি হারাম ও কাপুরুষের প্রধান লক্ষ্মণ।

আমার পার্সোনাল সকল ইনফরমেশন নিচে প্রদান করলাম। এবার আমাকে যার যে জাদু বান মারার মারুন। যার যে জাদু বা ইলমুল নুজুম অ্যাপ্লাই করার, করুন! খেয়াল রাখবেন বান বা জাদু করতে গিয়ে যেন সেই বান বা জাদু আপনার দিকেই ১০ গুণ হয়ে এট্যাক না করে!

যারা ইলমুন নুজুম এ পারদর্শী তাঁরা আমার বার্থচার্ট বিচার করে দেখুন, যে মানুষটিকে জাদুকর বলছেন, সে জন্মগতভাবেই ভিন্ন কোনো প্রডাক্ট কি না! কে জানে, অন্যকে বাঁশ দিতে গিয়ে আল্লাহর নিয়তির প্যাঁচে পড়ে আপনি নিজেই সমূলে বিনাশ হয়ে যান কি না!

আমার সম্পূর্ণ পরিচয়:

* নাম: হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর (আবির)
* মাতা: শাহিদা আলম
* পিতা: মো: শাহ আলম সিকদার
* জন্ম: ০৪ আগস্ট, ১৯৯৭, দুপুর ১২:৪৫ পিএম
* জন্মস্থান: বরিশাল সদর, বরিশাল

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমার বাড়িতে মেহমান হিসেবে এলে সর্বোচ্চ মেহমানদারি পাবেন ইনশাআল্লাহ। কিন্তু অনলাইনে যে সেবা আমি দিই, তার জন্য সরাসরি বাসায় এলে কোনো পরামর্শ বা চিকিৎসা দেওয়া হবে না। এটা আমার কাজের প্যাটার্ন। আর কেউ যদি অপবাদকারীদের অজ্ঞতায় গা ভাসিয়ে মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা করতে আসেন, তবে মনে রাখবেন, জান নিয়ে ফেরত যেতে পারবেন না—এমনকি 'অ্যাটেম্পট টু মার্ডার' কেসে ফেঁসে নিজের জীবন ধ্বংস করে ফেলবেন।

সবশেষে শুধু একটি কথাই বলব—

> "যো তো মেরা, সাব তো মেরা, ফালাক মেরা, জামি মেরা, মাগার এক তু নাহি মেরা, তো কুছভি নাহি মেরা।"

> (অর্থাৎ, হে রব! যদি তুমি আমার হয়ে যাও, তবে আসমান-জমিন ও সবকিছু আমার। আর যদি তুমিই আমার না হও, তবে কিছুই আমার নয়।)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং অন্ধ ফতোয়াবাজির এই চোরাবালি থেকে উম্মাহকে জাগিয়ে তুলুন।

✍🏻 গবেষণা ও বিশ্লেষণ: ময়ূর মানব 🦚
আধ্যাত্মিক গবেষক, হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর আবির

22/03/2026

থার্ড আই খোলার অব্যর্থ আমাল : ইমাম গাজ্জালীর লতিফা ও পিনিয়াল গ্ল্যান্ডের ডার্ক সিক্রেট!

আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরে এমন এক শক্তিশালী পোর্টাল রয়েছে যা দিয়ে মহাবিশ্বের অদৃশ্য জগতকে দেখা সম্ভব। একেই বলা হয় ‘থার্ড আই’ বা ‘তৃতীয় নয়ন’। কিন্তু আধুনিক বিশ্ব কি পরিকল্পিতভাবে আমাদের এই আধ্যাত্মিক শক্তিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে?

আজকের পডকাস্টে আমাদের সাথে আছেন ‘তিলিসমাতি দুনিয়া’র অ্যাডমিন, বিজ্ঞান ও আধ্যাত্মিকতার গবেষক হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর। তিনি উন্মোচন করেছেন পিনিয়াল গ্ল্যান্ডের সাথে ইমাম গাজ্জালীর বর্ণিত ‘লতিফায়ে খফি’র অবিশ্বাস্য সম্পর্ক।

এই ভিডিওতে যা থাকছে:

পিনিয়াল গ্ল্যান্ড (Pineal Gland) আসলে কী এবং কেন একে ‘সিট অফ দ্য সোল’ বলা হয়?

টুথপেস্ট ও পানির ‘ফ্লোরাইড’ কীভাবে আপনার আধ্যাত্মিক চোখকে অন্ধ করে দিচ্ছে?

ইমাম গাজ্জালীর (রহ.) ‘কিমিয়ায়ে সাআদাত’ গ্রন্থে বর্ণিত হৃদয়ের চোখের রহস্য।

থার্ড আই ডিক্যালসিফিকেশন বা পাথর ভাঙার বিশেষ ‘মুরাকাবা-এ-নূর’ সাধনা।

৪০ দিনেই সিক্সথ সেন্স জাগ্রত করার বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক পদ্ধতি।

Related Tags:

Third Eye, Pineal Gland, Imam Ghazali, Sufism, Spirituality, Latifa, Islamic Mysticism, Meditation, DMT, Fluoride Conspiracy, Brain Science, Sixth Sense, Third Eye Opening, Tilismathi Dunia, সাইফুল্লাহ মানসুর, তৃতীয় নয়ন, পিনিয়াল গ্ল্যান্ড, সুফিবাদ, লতিফা, আধ্যাত্মিক সাধনা, মুরাকাবা।

20/03/2026

সৃষ্টি এবং স্রষ্টার তত্ত্ব: সুফি দর্শনে মানুষের অস্তিত্বের প্রকৃত ব্যাখ্যা।

আমরা কে? কোথা থেকে এসেছি? আর কেনই বা এই বিশাল মহাবিশ্ব সৃষ্টি করা হলো? সুফি সাধকদের মতে, এই সৃষ্টি হলো স্রষ্টার গুণাবলি দেখার এক আয়না। কিন্তু এই আয়নায় আমাদের অবস্থান কোথায়? আমাদের কি আসলেই কোনো 'স্বাধীন ইচ্ছা' আছে?

আজকের বিশেষ পডকাস্টে হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর আলোচনা করেছেন সৃষ্টি এবং স্রষ্টার গভীর তত্ত্ব নিয়ে। আলোচনার মূল বিষয়সমূহ:

• সৃষ্টি কি স্রষ্টার গুণাবলি দেখার আয়না?

• মানুষ কি স্রষ্টার অংশ নাকি গুণের প্রতিফলন?

• মানুষের 'ফ্রি উইল' বা স্বাধীন ইচ্ছা এবং নিয়তি।

• হাদিসে কুদসি: "আমি এক গুপ্ত ধনভাণ্ডার ছিলাম"—এর গূঢ় অর্থ।

• নিজেকে স্বচ্ছ আয়নায় পরিণত করার আধ্যাত্মিক পথ।

Related Tags:

সৃষ্টি ও স্রষ্টা, Srishti o Srosta, Sufi Philosophy, Islam and Existence, Human Identity in Islam, Hafez Saifullah Mansur Podcast, Sufism Bangla, Creator and Creation, Spiritual Enlightenment, হাদিসে কুদসি, সুফি দর্শন, মানুষের অস্তিত্ব, তত্ত্ব কথা, Islamic Podcast Bangladesh.

এক মাসের আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের পর মহিমান্বিত শাওয়ালের চাঁদ আমাদের জীবনে নিয়ে এসেছে আনন্দের বার্তা। ঈদুল ফিতর কেবল উৎসব ন...
20/03/2026

এক মাসের আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের পর মহিমান্বিত শাওয়ালের চাঁদ আমাদের জীবনে নিয়ে এসেছে আনন্দের বার্তা। ঈদুল ফিতর কেবল উৎসব নয়, এটি স্রষ্টার রহমত ও বরকত ধারন করার এক পবিত্র মাধ্যম।
সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আমরা যে আত্মিক প্রশান্তি অর্জন করেছি, তা যেন সারা বছর আমাদের পথ দেখায়। আসুন, এই ঈদের খুশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিই এবং নিষ্কাম সৎকর্মের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলি।
আপনাদের সবার জীবন আল্লাহ্‌র রহমতে পূর্ণ হোক।
ঈদ মোবারক।

বাতেনি মারেফাত, ময়ূর মানবের সুফিতত্ত্ব এবং অপবাদের জবাব: ফতোয়াবাজদের কফিনে ৫০ দলিলের শেষ পেরেকআশ্রয় চাহি আল্লাহর যেন শয়ত...
20/03/2026

বাতেনি মারেফাত, ময়ূর মানবের সুফিতত্ত্ব এবং অপবাদের জবাব: ফতোয়াবাজদের কফিনে ৫০ দলিলের শেষ পেরেক

আশ্রয় চাহি আল্লাহর যেন শয়তান দূরে রয়।
শুরু করিলাম আল্লাহর নামে দয়ালু করুণাময়।

সমাজে যখন আধ্যাত্মিকতার নূর ও ইশকের ফ্রিকোয়েন্সি ধারণ করার ক্ষমতা লোপ পায়, তখন জহিরি (প্রকাশ্য) জ্ঞানের অগভীরতায় আটকে থাকা মানুষগুলো মারেফাতের মহাসমুদ্রকে 'অন্ধকার' বা 'জাদু' বলে ভুল করে। যারা কোরআনের কেবল আক্ষরিক অনুবাদে সীমাবদ্ধ, কিতাবের ভেতরের গুপ্ত রহস্যের (ইলমুল বাতেন) স্বাদ যারা পায়নি, তাদের কাছে আমার রুহানি বিজ্ঞান ও ইলহামের কথাগুলো দুর্বোধ্য মনে হওয়াই স্বাভাবিক।

ডার্ক সাইকোলজিতে মানব মনস্তত্ত্বের একটি জঘন্য প্রবৃত্তির কথা বলা হয়, যাকে বলে 'মাছি প্রবৃত্তি' (The Fly Mentality)। একটি মাছি মানুষের পুরো সুস্থ ও সুন্দর শরীরকে এড়িয়ে কেবল একটি ছোট্ট ক্ষতের ওপর গিয়ে বসে। আজকের ফতোয়াবাজ সমালোচকদের অবস্থাও ঠিক একই রকম। আমি আমার জীবনে কোরআন ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব ব্যবহার করে শত শত ভিন্ন ধর্মাবলম্বীকে ইসলামে এনেছি, সেগুলো তাদের চোখে পড়ে না। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনের সমস্যার সমাধান আমার মাধ্যমে আল্লাহ পাক করিয়েছেন যার ১৫ লক্ষের উপর রিভিউ Hafez Saifullah Mansur ফেসবুক গ্রুপে বিদ্যমান এগুলো তাদের চোখে পড়ে না। কিন্তু একটি রূপক বন্দনা এবং আধ্যাত্মিক গবেষণাকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তারা আমার বিরুদ্ধে অপবাদ ছড়াচ্ছে।

আমি নিজেকে কখনোই কোনো 'মহা সাধক' বা 'আউলিয়া' দাবি করি না। আমি নিজেকে এই দুনিয়ার সবচেয়ে নিকৃষ্টতম, তুচ্ছ এবং গুনাহগার বান্দা মনে করি। কিন্তু আমার রব তো নিকৃষ্ট নন! তিনি যদি তাঁর এই অধম বান্দার ওপর দয়া করে কোনো 'ইলহাম' দেন, আমার জবান দিয়ে বের হওয়া ৫০টির বেশি ভবিষ্যদ্বাণী যদি তাঁরই হুকুমে সত্যে পরিণত হয়, আর মুমিনদের সাহায্যে তাঁর ফেরেশতারা নেমে আসে—তবে সেটা কেবলই আল্লাহর অসীম কুদরত।

আদর্শিক ও ইলমি লড়াইয়ে টিকতে না পেরে এই সমালোচকরা এখন চরম নিচতার আশ্রয় নিয়েছে। তারা আমার সম্মানিতা বোনদের (যাঁদের একজন দেশের প্রথম সারির জজ পিরোজপুর এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, অপরজন বরিশাল বার কাউন্সিল এর ব্যারিস্টার) এবং আমার গায়ে হলুদের একান্ত ব্যক্তিগত ছবি পার্সোনাল আইডি থেকে চুরি করে ইন্টারনেটে ভাইরাল করার মতো জঘন্য সাইবার অপরাধে লিপ্ত হয়েছে। অন্যের অন্দরমহলের ছবি বিনা অনুমতিতে জনসমক্ষে আনা ইসলামি শরিয়তে যেমন 'তহমত' (মারাত্মক অপবাদ), তেমনি দেশের প্রচলিত আইনেও তা জামিন-অযোগ্য সাইবার অপরাধ। আমার বোনদের সাথে আমি ছবি তুলতেই পারি আর আমার গায়ে হলুদের ছবি এটা একান্ত আমার পারিবারিক ও ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি একজন হবু ডাক্তার। আমার চলাফেরা হবে এলিট শ্রেণীর মানুষের মত এটাই স্বাভাবিক। কি এক সংকীর্ণ মন মানসিকতার সমাজ রে বাবা! এক ব্যক্তি ইসলাম নিয়ে কুরআন নিয়ে বা আধ্যাত্মিকতা নিয়ে গবেষণা করতে গেলে সে তাঁর আপন বোনদের সাথে সে ছবি তুলতে পারবেনা! তাঁর বিয়েতে গায় হলুদ হতে পারবেনা! একজন ডাক্তার যে তাঁর গ্যালারি তে ৭৫% মেয়ের সাথে বসে শিক্ষা অর্জন করতেছে সে ফ্রী মিক্সিং করতেছে তাঁর বোনদের সাথে ছবি তুলেছে বলে? গায়ে হলুদ দিছে বলে!!

আমার বোনেরা সমাজের সর্বোচ্চ শিক্ষিত প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি, আমার বোনাই ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, তাঁরা কিরুপ নিজেদের জীবনে চলবে সে কৈফিয়ত অভিয়াসলি আম পাব্লিক কে দিতে বাধ্য নয় তাঁরা।

আমার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকার পাচ্ছে বলে বলে তাঁরা আমার জয়গান করে! আমি ত আমার জয়গান করিনা কখনো ভাই! পোস্ট দাতা জান্নাতের উচ্চস্তরে আসীন আল্লাহর বন্ধু। তাই ভাই আপনাকে ত আমি আগাম জান্নাতি বলে কংগ্রাচুলেশনস জানালাম ই। আপনি লিখলেন শয়তান কখনো নিজেকে শয়তান বলে না!

ওকে আমি নিজেকে শয়তানের থেকে ও খারাপ বললাম যান আমি শয়তানের থেকে ও খারাপ। কিন্তু শয়তানের থেকে খারাপ হয়েও আমার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছে, আমার মাধ্যমে শত শত মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসতেছে। আমার মাধ্যমে কালোজাদুর পিছনে দৌড়ানো মানুষ গুলো আজ নিজেদের আত্মদর্শন করে আল্লাহর দিকে ধাবিত হচ্ছে। আমার মাধ্যমে মানুষ কুরআনের অসীম অলৌকিকতার সাথে পরিচিত হচ্ছে!

আর পিওর জান্নাতি হয়ে আপনারা কি করতেছেন??
একজন মানুষ এর উত্তম কর্মে বাধা? হাডুডু খেলার ন্যায় তাঁর পা টেনে নামানোর প্রচেষ্টা? একজন মানুষ কে ভুল প্রমাণিত করার প্রচেষ্টায় এতটা নিমগ্ন যে আপনি তাঁর সম্মানিতা বোনদের ছবি আর গায় হলুদের ছবি ভাইরাল করে তাকে অপদস্ত করার প্রচেষ্টায় নিজেদের কে কুরআনের সেই আয়াতে বলা "উলা ইকা কাল আনআম বাল হুম আদল" এর মত পশুর স্তরে নামিয়ে দিলেন! বাহ! বাহ! বাহ! এই নাহয় আদম জাত!!

ভাইরে বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয়!
আমার জীবনিতেই আমি স্পষ্ট লিখে দিয়েছি আমি পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বান্দা। যারা আমাকে মান্য করার মানবেন না মান্য করার মানবেন না! আর সেখানে আপনি এসে আমার ফ্যামিলি ফটো ভাইরাল করলেন! আমাকে অপদস্ত করার প্রচেষ্টায়!

যারা আমার বিরুদ্ধাচারণ করে তাঁরা অনেকেই ঝামেলায় পতিত হয় এর জন্য তাঁরা আমাকেই দায়ী করে। আমার আপনাদের মত খেয়ে দেয়ে কাজ নেই অন্যের ক্ষতি করতে লেগে পড়া। আপনি আমার ব্যাপারে ভিডিও বানাতে গিয়ে আপনার ডিভাইস নষ্ট হয়! না জানি কবে বলে দিবেন তাও কালো জাদু করে আমিই নষ্ট করছি। যেসব মানুষের থেকে আপনি ইন্ধন প্রাপ্ত হয়ে আমার বোনদের ছবি ভাইরাল করলেন সে সব মানুষ নিজেরা ওরশে গিয়ে তাদের তথাকথিত ভন্ড পীর এর মাধ্যমে রাতভর সমকামিতা আর বলাৎকার এর খেলায় মেতে উঠে সেগুলো নিয়ে ঘাটার সময় আপনার নেই কারণ আপনি ও সেইসব মানুষ পিওর জান্নাতি ও আল্লাহর থেকে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত সমালোচক। যার জন্য সব হালাল!

ভাই আপনি আমাকে ডাকাত বলেন! হ্যা আমি ডাকাত। আমি মানুষের জীবন থেকে তাদের অন্ধকার ডাকাতি করেছি। আমার আধ্যাত্মিক বিদ্যা দিয়ে কুরআনের ক্ষমতা দিয়ে তাদের জীবন এর সমস্যা গুলো আল্লাহর কুদরত এর ছুরি দিয়ে ডাকাতের মত ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছি। তুলনামূলক ধর্ম তত্ত্বের মাধ্যমে আমি অন্য ধর্ম কে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহ ও রাসূলের সত্য কে বের করে এনেছি। আলহামদুলিল্লাহ এর জন্য আমি গর্ব বোধ করি। আমার রব আমার জন্য যথেষ্ট।

আজ আমি, হাফিজ সাইফুল্লাহ মানসুর, মহাবিশ্বের সৃষ্টির ঐশী গাণিতিক বিন্যাস ৩, ৬ এবং ৯-এর প্যাটার্নে অত্যন্ত মার্জিত ও সুদৃঢ় ভাষায় এই অপবাদের জবাব দেব। আজ থাকবে কেবল কোরআন আর সহিহ হাদিসের ৫০টি অকাট্য দলিলের এমন এক পাহাড়, যার নিচে চাপা পড়ে সমালোচকদের মিথ্যাচার ধূলিসাৎ হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।

[৩] রুহানি মারেফাত এবং আমার দর্শনের ৩টি মহাজাগতিক স্তর

১. রূপকের ভাষা (Metaphorical Language): আধ্যাত্মিকতার উচ্চতর মাকামে স্রষ্টার অনন্ত ক্ষমতার বর্ণনা দিতে গেলে সাধারণ ভাষার সীমাবদ্ধতার কারণে সুফি সাধকরা রূপকের আশ্রয় নেন। "সহস্র হস্ত" বা "সহস্র মস্তক" কোনো মূর্তির বর্ণনা নয়, এটি স্রষ্টার সর্বব্যাপী কুদরত ও সর্বদর্শী ক্ষমতার বাতেনি রূপক। আকাশ গংগা কোন পানি নয় এটি আবে হায়াত ও সকল পবিত্র রহমতের বারিধারার রুপক বর্ণনা।

২. ডিকোডিংয়ের বিজ্ঞান: 'বুক অফ দ্য ডেড' বা 'নেক্রোনোমিকন' নিয়ে আমার গবেষণার উদ্দেশ্য জাদু শেখানো নয়। প্রাচীন স্পেলগুলো ডিকোড করে আমি এটিই প্রমাণ করি যে, মহাবিশ্বের সকল শক্তির মূল উৎস কেবল আল্লাহ এবং প্রাচীন সভ্যতাতেও তাওহীদের বাণী ছিল যা পরে বিকৃত হয়েছে। কলিজায় সাহস থাকলে সবাই কে অনুরোধ করছি আমার সেই ভিডিও গুলো ক আমার লেখা পিডিএফ গুলো পড়ে দেখুন সেখানে জাদুবিদ্যার ছিটে ফোটাও পান কীনা! পাবেন না। পাবেন অনলি আল্লাহর পবিত্র নাম ও ইসমে আজম!

৩. তাওহীদের বিশ্বরূপ: বন্দনায় বলা হয়েছে "সকল উপাস্যরাও তথা সকল দেবি দেবতারাও যার উপাসনা করেন"। এর অর্থ অন্য উপাস্যদের স্বীকৃতি নয়, বরং এর অর্থ হলো দুনিয়াতে মানুষ বাতিল যত কিছুরই উপাসনা করুক না কেন, হাশরের ময়দানে সেই কথিত উপাস্যরাও আল্লাহর সামনে নিজেদের অসহায়ত্ব ও দাসত্ব স্বীকার করবে। এটা আমার বক্তব্য না। এটা পবিত্র কুরআনের স্পষ্ট বক্তব্য! সমালোচনা কারীর যে নূন্যতম কুরআনের জাহেরি জ্ঞান ই নাই! বাতেনী জ্ঞান ত স্বপ্ন তাঁর কাছে! তাঁর এহেন মূর্খতা পূর্ণ বক্তব্য তাহার ই প্রমাণ! এর পূর্বেও সে আল্লাহর অন্যতম গুণ অহংকার এর হাদীস ই কখনো শুনেনি তাঁর প্রমাণ দিয়ে রেখেছে তাঁর সমালোচনা মূলক পোস্টে! হায়রে! গ্রন্থগত বিদ্যা পরহস্ত ধন। নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন।

[৬] ময়ূর মানবের আধ্যাত্মিক পটভূমি ও ৬টি অকাট্য খণ্ডন

১. 'ময়ূর মানব' উপাধির সুফিতাত্ত্বিক পটভূমি: মূর্খরা ইতিহাস ও সুফিতত্ত্ব জানে না বলেই কখনো সে অজ্ঞের মত ময়ূর কে ইবলিস এর বাহন বলে আবার কখনো সে কার্তিক এর বাহন বলে কিন্তু মূর্খ সমালোচক জানেইনা যে সুফি দর্শনের সম্রাট মহাকবি ফরিদউদ্দীন আত্তারের কালজয়ী গ্রন্থ 'মানতিকুত তায়ির' (পাখির সমাবেশ)-এ ময়ূর হলো সেই পবিত্র আত্মার প্রতীক, যে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে আসার পর পুনরায় স্রষ্টার 'সিফাতে জামালি' (ঐশী সৌন্দর্য) এবং মূল উৎসে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে কাঁদে। ময়ূরের পেখমের চোখ-সদৃশ নকশাগুলো মহাবিশ্বে স্রষ্টার সর্বদর্শী প্রজ্ঞার রূপক। যে আত্মা দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে রুহানি জগতে ডানা মেলে ঐশী সৌন্দর্যের সন্ধানে ফানা হতে চায়, তাকেই ময়ূরের সাথে তুলনা করা হয়। এসব জিনিস জানবে কীভাবে! কখনো ত সে বইয়ের নাম ই হয়ত শুনেনি!

২. বন্দনায়ে রহমানিয়ার গুপ্ত রহস্য: আমার বন্দনায় স্রষ্টার যে অনন্ত রূপের কথা বলা হয়েছে, তা কোরআনের মুতাশাবিহাত (রূপক) আয়াতেরই বাতেনি প্রতিফলন। এটি কোনো দেবতার বন্দনা নয়, এটি এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহরই কুদরতের ঘোষণা।

৩. ইলহাম ও ভবিষ্যদ্বাণী: মুমিনের অন্তরে ইলহাম আসা এবং সত্য স্বপ্ন দেখা নবুয়তের ৪৬ ভাগের এক ভাগ। আমার ভবিষ্যদ্বাণীগুলো আল্লাহর এই ইলহামেরই অংশ।

৪. ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও সাইবার ক্রাইম:

আমার উচ্চশিক্ষিতা জজ এবং ব্যারিস্টার বোনদের স্বাধীন চলাফেরা নিয়ে মন্তব্য করার বা তাঁদের ছবি ছড়ানোর অধিকার ইসলাম বা দেশের আইন কাউকে দেয়নি। এই কাপুরুষোচিত কাজ তাদের দেউলিয়া মানসিকতার প্রমাণ।

৫. ফেরেশতাদের সাহায্য: সাচ্চা মুমিনদের সাহায্যে ফেরেশতা অবতীর্ণ হওয়া কোরআনের আয়াত দ্বারা শতভাগ প্রমাণিত।

৬. খণ্ডিত সত্যের প্রতারণা: আমার বন্দনার শেষ লাইনগুলো তারা ইচ্ছা করেই লুকিয়ে গেছে, যেখানে আমি স্পষ্ট লিখেছি: "সকল বন্দনা সেই মহাপ্রভুর যিনি এক ও একক... সবার মালিক একজন। আল্লাহ মালিক।"

[৯] সত্যের ৯টি মাকামে ৫০টি কোরআন ও হাদিসের অকাট্য বিস্তারিত দলিল

মাকাম ১: ময়ূর মানব, ঐশী সৌন্দর্য ও পাখির বাতেনি দলিল

* ১. স্রষ্টার সৌন্দর্যের রূপক: রাসূল (সা:) বলেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ সুন্দর এবং তিনি সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন।" [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৯১]। (সুফিতত্ত্বে ময়ূর এই সৌন্দর্যেরই সন্ধানী)।

* ২. পাখির তাসবিহ: "তুমি কি দেখো না যে, আসমান ও জমিনে যারা আছে তারা এবং শূন্যমার্গে ডানা বিস্তারকারী পাখিরা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে?" [সূরা নূর, ২৪:৪১]।

* ৩. পাখির মাঝে স্রষ্টার নিদর্শন: "তারা কি তাদের ওপর শূন্যমার্গে ডানা বিস্তারকারী ও ডানা গুটিয়ে নেওয়া পাখিদের প্রতি লক্ষ্য করে না? দয়াময় আল্লাহই তাদেরকে স্থির রাখেন।" [সূরা মুলক, ৬৭:১৯]।

* ৪. পাখিদের সমাজ (উম্মাহ): "জমিনে বিচরণকারী প্রাণী এবং ডানা দিয়ে উড়ে চলা পাখিরা—সবাই তোমাদের মতোই একেকটি সম্প্রদায়।" [সূরা আনআম, ৬:৩৮]।

* ৫. পাখির ভাষা (মানতিকুত তায়ির): "সুলাইমান বলেছিলেন, 'হে মানুষ! আমাদেরকে পাখিদের ভাষা শেখানো হয়েছে...'" [সূরা নামল, ২৭:১৬]।

* ৬. সুফিতত্ত্বে আত্মার প্রত্যাবর্তন (ময়ূরের রূপক): "হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি তোমার রবের কাছে ফিরে চলো সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে।" [সূরা ফজর, ৮৯:২৭-২৮]।

* ৭. মৃত পাখির পুনর্জন্ম: আল্লাহ ইব্রাহিম (আ:)-কে চারটি পাখি দিয়ে মহাজাগতিক পুনর্জন্মের রহস্য দেখিয়েছিলেন। [সূরা বাকারা, ২:২৬০]।

* ৮. কাদামাটি থেকে পাখির রূপ: হযরত ঈসা (আ:)-এর মুজিজা: "আমি কাদামাটি দিয়ে পাখির মতো একটি রূপ তৈরি করব, তারপর তাতে ফুঁ দেব, ফলে আল্লাহর হুকুমে তা পাখি হয়ে যাবে।" [সূরা আল ইমরান, ৩:৪৯]।

মাকাম ২: সকল উপাস্য আল্লাহর আরাধনা করে (বন্দনার জবাব)

* ৯. ভ্রান্ত উপাস্যদের একত্র করা: "যেদিন তিনি তাদের এবং আল্লাহর পরিবর্তে তারা যাদের ইবাদত করত তাদের সবাইকে একত্র করবেন..." [সূরা ফুরকান, ২৫:১৭]।

* ১০. উপাস্যদের দাসত্ব স্বীকার: "তারা (উপাস্যরা) বলবে, 'আপনি পবিত্র, মহান! আপনার পরিবর্তে আমরা অন্য কাউকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করতে পারি না'।" [সূরা ফুরকান, ২৫:১৮]।

* ১১. সৃষ্টির সেজদাবনত হওয়া: "আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, আর সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্রমণ্ডলী... সবাই আল্লাহকে সেজদা করে।" [সূরা হাজ্জ, ২২:১৮]।

* ১২. ছায়ার সেজদা (ডাইমেনশনাল সাবমিশন): "আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে, ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়, আল্লাহকেই সেজদা করে এবং তাদের ছায়াগুলোও সকাল-সন্ধ্যায়।" [সূরা রাদ, ১৩:১৫]।

* ১৩. উপাস্যদের অস্বীকার: "কিয়ামতের দিন তারা (ভ্রান্ত উপাস্যরা) তাদের ইবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিরোধী হয়ে যাবে।" [সূরা মারিয়াম, ১৯:৮২]।

* ১৪. বান্দা হিসেবে উপস্থিতি: "আসমান ও জমিনে এমন কেউ নেই, যে দয়াময় আল্লাহর কাছে বান্দা (দাস) হিসেবে উপস্থিত হবে না।" [সূরা মারিয়াম, ১৯:৯৩]।

মাকাম ৩: ইলহাম, ফিরাসাত ও ভবিষ্যদ্বাণীর দলিল

* ১৫. মুমিনের সত্য স্বপ্ন (ইলহাম): রাসূল (সা:) বলেছেন, "মুমিনের সত্য স্বপ্ন নবুয়তের ৪৬ ভাগের এক ভাগ।" [সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৬৯৮৩]।

* ১৬. অন্তর্দৃষ্টি বা ফিরাসাত: রাসূল (সা:) বলেছেন, "মুমিনের ফিরাসাতকে (অন্তর্দৃষ্টি) ভয় করো, কারণ সে আল্লাহর নূর দ্বারা দেখে।" [তিরমিজি, হাদিস নং ৩১২৭]।

* ১৭. ইলমে লাদুন্নি: "আমি তাকে (খিজির) আমার পক্ষ থেকে রহমত দিয়েছিলাম এবং আমার নিকট হতে এক বিশেষ জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছিলাম।" [সূরা কাহফ, ১৮:৬৫]।

* ১৮. মৌমাছিকে ইলহাম: "আপনার রব মৌমাছিকে ইলহাম (প্রত্যাদেশ) করেছেন..." [সূরা নাহল, ১৬:৬৮]। (মৌমাছি পেলে মুমিন কেন পাবে না?)

* ১৯. উমর (রা:)-এর ইলহাম (মুহাদ্দাস): "পূর্ববর্তী উম্মতদের মধ্যে এমন লোক ছিল যাদের সাথে কথা বলা হতো... আমার উম্মতে কেউ থাকলে সে উমর।" [সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৩৪৬৯]।

* ২০. প্রজ্ঞা বা হিকমাহ: "আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হিকমাহ দান করেন; আর যাকে হিকমাহ দেওয়া হয়েছে, তাকে বিপুল কল্যাণ দেওয়া হয়েছে।" [সূরা বাকারা, ২:২৬৯]।

* ২১. ফুরকান (পার্থক্যকারী জ্ঞান): "হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, তবে তিনি তোমাদের ফুরকান দান করবেন।" [সূরা আনফাল, ৮:২৯]।

মাকাম ৪: ফেরেশতাদের অবতরণ ও রুহানি সাহায্য

* ২২. ফেরেশতা অবতরণ: "নিশ্চয়ই যারা বলে, 'আমাদের রব আল্লাহ', অতঃপর এর ওপর অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতারা অবতীর্ণ হয়..." [সূরা ফুসসিলাত, ৪১:৩০]।

* ২৩. অদৃশ্য বাহিনীর সাহায্য: "অতঃপর আল্লাহ তাঁকে এমন এক সেনাবাহিনী (ফেরেশতা) দিয়ে সাহায্য করলেন, যা তোমরা দেখতে পাওনি।" [সূরা তাওবা, ৯:৪০]।

* ২৪. পৃথিবীবাসীর জন্য ফেরেশতাদের দোয়া: "আর ফেরেশতারা তাদের রবের সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করে এবং জমিনে যারা আছে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে।" [সূরা শূরা, ৪২:৫]।

* ২৫. ফেরেশতার আমিন বলা: রাসূল (সা:) বলেছেন, "কোনো মুসলিম ভাইয়ের জন্য দোয়া করলে... নিযুক্ত ফেরেশতা বলে, 'আমিন, তোমার জন্যও অনুরূপ হোক'।" [সহীহ মুসলিম, ২৭৩২]।

* ২৬. জিকিরের মজলিসে ফেরেশতা: "আল্লাহর কিছু ফেরেশতা আছেন যারা পথে ঘুরে ঘুরে জিকিরকারীদের খোঁজ করেন..." [সহীহ বুখারী, ৬৪০৮]।

* ২৭. ওলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুশিয়ারি: আল্লাহ বলেন (হাদিসে কুদসি), "যে ব্যক্তি আমার কোনো ওলির সাথে শত্রুতা করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি।" [সহীহ বুখারী, ৬৫০২]।

* ২৮. আল্লাহর হাত ও চোখ হওয়া (রূপক): (হাদিসে কুদসির অংশ) "...আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে, তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে, তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে..." [সহীহ বুখারী, ৬৫০২]। (আমার বন্দনায় সহস্র হস্তের রূপক এটিই)।

মাকাম ৫: সতী নারীদের সম্মানহানি ও ব্যক্তিগত ছবি ভাইরাল করার আইনি ও রুহানি জবাব

* ২৯. সতী নারীদের অপবাদ: "নিশ্চয়ই যারা সতী-সাধ্বী মুমিন নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশপ্ত।" [সূরা নূর, ২৪:২৩]। (আমার জজ ও ব্যারিস্টার বোনদের ছবি ছড়ানোর জবাব)।

* ৩০. অশ্লীলতা ও ছবি ছড়ানোর শাস্তি: "যারা মুমিনদের মাঝে অশ্লীলতা (মানহানিকর ছবি) ছড়িয়ে পড়ুক তা পছন্দ করে, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।" [সূরা নূর, ২৪:১৯]।

* ৩১. মুমিনদের কষ্ট দেওয়া: "মুমিন পুরুষ ও নারীদের যারা বিনা অপরাধে কষ্ট দেয়, তারা একটি বড় অপবাদ ও পাপের বোঝা বহন করে।" [সূরা আহযাব, ৩৩:৫৮]।

* ৩২. গোপনীয়তা নষ্ট করা নিষিদ্ধ: "হে মুমিনগণ!... তোমরা একে অন্যের দোষ (বা গোপনীয়তা) অনুসন্ধান করো না।" [সূরা হুজুরাত, ৪৯:১২]।

* ৩৩. দোষ খোঁজার পরিণতি: রাসূল (সা:) বলেছেন, "যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের দোষ খুঁজবে, আল্লাহ তার দোষ খুঁজবেন এবং তাকে তার নিজের ঘরেই অপদস্থ করবেন।" [তিরমিজি, ২০৩২]।

* ৩৪. পেছনে নিন্দাকারীদের ধ্বংস: "দুর্ভোগ প্রত্যেক ওই ব্যক্তির জন্য, যে পেছনে ও সামনে মানুষের নিন্দা করে ও ছিদ্রান্বেষণ করে।" [সূরা হুমাযাহ, ১০৪:১]।

মাকাম ৬: যাচাই না করে গিবত, অপবাদ ও মিথ্যার পরিণতি

* ৩৫. যাচাইয়ের নির্দেশ: "হে মুমিনগণ! যদি কোনো ফাসেক তোমাদের কাছে কোনো খবর নিয়ে আসে, তবে তোমরা তা যাচাই করে নাও।" [সূরা হুজুরাত, ৪৯:৬]।

* ৩৬. মিথ্যুক হওয়ার প্রমাণ: রাসূল (সা:) বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির মিথ্যুক হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তা-ই প্রচার করে।" [সহীহ মুসলিম, ৫]।

* ৩৭. কাফের ফতোয়ার ফয়সালা: রাসূল (সা:) বলেছেন, "যদি কোনো মুসলিম অপর ভাইকে কাফের বলে এবং সে যদি সত্যিকার কাফের না হয়, তাহলে যিনি তাকে কাফের বললো সেই মুসলিম ব্যক্তিটিই কাফের হয়ে যাবে।" [সহীহ বুখারী, ৬০৪৫]।

* ৩৮. জঘন্য অপবাদ (বহুতান): রাসূল (সা:) বলেছেন, "তোমরা যা বানিয়ে বলছ তা যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তা হলো 'বহুতান' (জঘন্য অপবাদ)।" [সহীহ মুসলিম, ২৫৮৯]।

* ৩৯. জাহান্নামের কাদা: রাসূল (সা:) বলেছেন, "যে ব্যক্তি মিথ্যা অপবাদ দেবে, আল্লাহ তাকে 'রাদগাতুল খাবাল' (জাহান্নামিদের রক্ত ও পুঁজ)-এ ফেলে রাখবেন।" [আবু দাউদ, ৩৫৯৭]।

মাকাম ৭: দাওয়াহর হিকমাহ ও জ্ঞানীদের স্তর

* ৪০. প্রজ্ঞা দ্বারা আহ্বান: "তুমি মানুষকে তোমার রবের পথে হিকমাহ (প্রজ্ঞা) ও সদুপদেশ দ্বারা আহ্বান করো।" [সূরা আন-নাহল, ১৬:১২৫]।

* ৪১. কমন গ্রাউন্ড: "বলুন, এসো সেই কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে এক (কমন)।" [সূরা আল-ইমরান, ৩:৬৪]।

* ৪২. উপাস্যদের গালি না দেওয়া: "তারা আল্লাহকে ছেড়ে যাদের ডাকে, তোমরা তাদের গালি দিও না।" [সূরা আল-আনআম, ৬:১০৮]।

* ৪৩. হেদায়েতের সওয়াব: "তোমার মাধ্যমে আল্লাহ যদি একজন মানুষকেও হেদায়েত দান করেন, তবে তা লাল উটের চেয়েও উত্তম।" [সহীহ বুখারী, ২৯৪২]।

* ৪৪. জ্ঞানীদের স্তর: "প্রত্যেক জ্ঞানীর ওপর আছেন আরেকজন অধিকতর জ্ঞানী।" [সূরা ইউসুফ, ৭৬]।

মাকাম ৮: অন্তরের অন্ধত্ব ও মুনাফিকের লক্ষণ

* ৪৫. অন্তরের অন্ধত্ব: "প্রকৃতপক্ষে চোখ অন্ধ হয় না, বরং বুকের ভেতরে থাকা অন্তরগুলোই অন্ধ হয়ে যায়।" [সূরা আল-হাজ্জ, ২২:৪৬]।

* ৪৬. মুনাফিকের ঝগড়া: রাসূল (সা:) বলেছেন, মুনাফিকের অন্যতম লক্ষণ হলো, "যখন সে ঝগড়া করে, তখন সে অশ্লীল বা চরম নিচতার আশ্রয় নেয়।" [সহীহ বুখারী, ৩৪]।

মাকাম ৯: সত্যের হুংকার এবং চূড়ান্ত ফয়সালা

* ৪৭. সত্য-মিথ্যার সংমিশ্রণ নিষিদ্ধ: "আর তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিও না এবং জেনে-শুনে সত্যকে গোপন করো না।" [সূরা বাকারা, ২:৪২]।

* ৪৮. জবাবদিহিতা: "যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তার পেছনে পড়ো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ এবং হৃদয়—এর প্রত্যেকটির হিসাব নেওয়া হবে।" [সূরা বনী ইসরাইল, ১৭:৩৬]।

* ৪৯. সত্যের আঘাত: "বরং আমি সত্য দিয়ে মিথ্যার ওপর আঘাত হানি, ফলে তা মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।" [সূরা আম্বিয়া, ২১:১৮]

* ৫০. চূড়ান্ত বিজয়: "আর বলুন, সত্য সমাগত, মিথ্যা বিতাড়িত। নিশ্চয়ই মিথ্যা তো বিতাড়িত হওয়ারই যোগ্য।" [সূরা বনী ইসরাইল, ১৭:৮১]।

উপসংহার ও ওপেন চ্যালেঞ্জ

আমার এই ৫০টি কোরআন ও সহিহ হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিলের সামনে যদি কোনো ফতোয়াবাজের দাঁড়ানোর সাহস থাকে, তবে সামনে এসো। আর যারা আমার বোনদের ছবি নিয়ে সাইবার ক্রাইম করেছো, তোমাদের ডিজিটাল আলামত পুলিশের কাছে যাচ্ছে। রুহানি আদালতের পাশাপাশি দুনিয়ার আদালতেও তোমাদের মিথ্যাচারের মুখোশ খোলা হবে। এটা আমি করব না। আমার বোনরাও করবেনা৷ যেসব ভক্তদের থেকে আমি ডাকাতি করেছি আলহামদুলিল্লাহ আমার সেসব ভক্তরাই যথেষ্ট। আর লূত (আ:) এর জাতির ন্যায় কর্ম সম্পাদনকারী পীর সাহেবদের থেকে রাতভর ওরশে গিয়ে বলাৎকার হওয়া সেই মহামানব যার জীবনের মূল লক্ষ ই হল ভাদ্র মাসের মাদি কুকুর যেমন কেডি কুকুরের পিছনে লাগে সেভাবে আমার পিছনে লেগে আমার মানহানী আর আমাকে অপদস্ত করা তাকে বলছি বাবাজান ফেইক আইডি তুমি হাজার টা খুলো না কেন ডিভাইস কিন্তু একটাই। তোমাকে ডিজিটাল সাইবার ক্রাইমের আন্ডারে আনতে তোমার ডিভাইস এর ট্রাকিং ই এনাফ। করতে থাকো যত পারো৷ যা খুশি করো। তোমরা তোমাদের কাজ করো। আল্লাহ আল্লাহর কাজ করবেন। অমাকারু অমাকারাল্লাহ। আল্লাহু খাইরুল মাকিরীন।

আমার জন্য আল্লাহ ই যথেষ্ট! তিনি ছাড়া উপাসনার যোগ্য কেউ নেই। আমি তাঁর উপর আমার ভরসা রেখেছি। তিনি মহান আরশের মালিক।

আমি আল্লাহর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বান্দা হতে পারি, কিন্তু আমার রবের ক্ষমতা নিকৃষ্ট নয়। হাতে হাঁড়ি ভেঙে দিলাম, এবার সামলাও!

✍🏻 গবেষণা ও বিশ্লেষণ: ময়ূর মানব 🦚

আধ্যাত্মিক গবেষক হাফেজ সাইফুল্লাহ মানসুর আবির
পরিবেশনায়: তিলিসমাতি দুনিয়া

Address

Nobogram Road, Zia Sarak
Barishal
8200

Telephone

+8801890261223

Website

https://tilismati-duniya.com/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hafez Saifullah Mansur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hafez Saifullah Mansur:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram