আস সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার

আস সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিজামা ও রুকইয়াহ সেবার জন্য যাবতীয় যোগাযোগ : 09647613047, 01636613047

28/03/2026

ঘুমে চেপে ধরা, শরীরে আচরের দাগ, ঘুম ভাঙ্গলে প্রচুর ক্লান্ত বা শরীর ব্যথা থাকা- আশিক জিনে আক্রান্ত থাকার লক্ষণ।

মানুষ কত কষ্টে আছে আর অনেকে বিশ্বাসই করে না।আল্লাহ সকল ভুক্তভোগীদের ক্ষমা করুন, সুস্থতার নেয়ামত দান করুন।
28/03/2026

মানুষ কত কষ্টে আছে আর অনেকে বিশ্বাসই করে না।

আল্লাহ সকল ভুক্তভোগীদের ক্ষমা করুন, সুস্থতার নেয়ামত দান করুন।

28/03/2026

হে মুমিনগণ! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।

28/03/2026

দীর্ঘ ৬ মাসের নির্ঘুম রাত, নিরলস গবেষণা আর হাজারো সেবাপ্রার্থীর বোবাকান্না মোচনের এক আপ্রাণ চেষ্টার পর অবশেষে একটি সুসংবাদ!

আলহামদুলিল্লাহ! দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর “নূরুর রুকইয়াহ” [বিজ্ঞান ও সুন্নাহর আলোকে অদৃশ্য ব্যাধি মুক্তির গাইডলাইন] বইটির মৌলিক লেখা সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে সম্পাদনা ও অলংকরণের কাজ। ইনশাআল্লাহ, আগামী এক মাসের মধ্যেই বইটি আপনাদের হাতে তুলে দিতে পারব।

এটি গতানুগতিক কোনো ঝাড়ফুঁকের বই নয়। এটি মনস্তত্ত্ব, নিউরোসায়েন্স এবং ইসলামি আক্বিদার এক অভাবনীয় সমন্বয়।

বইটিতে যা যা থাকছে তার এক ঝলক:
• সঠিক ডায়াগনোসিস: ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশন, হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও অদৃশ্য আছরের (জাদু/বদনজর) মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্য।

• চিকিৎসা ও বিজ্ঞান: জাদুর নবায়ন (রিনিউ) এবং বদনজরের বিজ্ঞানসম্মত ও আধ্যাত্মিক চিকিৎসা।

• সেলফ-রুকইয়াহ: অভিজ্ঞ রাকির সঠিক তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় থেকে কীভাবে ঘরে বসে নিজেই নিজের শেফার হাতিয়ার হয়ে উঠবেন, তার প্র্যাকটিক্যাল গাইডলাইন।

• বাস্তব কেস স্টাডি: হতাশার অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসা সেবাপ্রার্থীদের অনুপ্রেরণাদায়ক বাস্তব গল্প।

• শেফার হাতিয়ার: রুকইয়ার সবচেয়ে বরকতময় আয়াত ও মাসনুন দোয়ার এক স্বয়ংসম্পূর্ণ সংকলন।

প্রায় 300 পৃষ্ঠার এটি কেবল একটি বই নয়; ভণ্ড কবিরাজ আর তাবিজের শিরকি ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এটি হবে আপনার আসমানি শেফার হাতিয়ার।

মহান আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন এবং এটিকে হাজারো মজলুমের শেফার উছিলা বানিয়ে দিন।

মোহাম্মদ জুহাইর
[২৮ মার্চ ২০২৬, ৫:৪৭ PM]

28/03/2026

বিখ্যাত ইসলামি স্কলার ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) তাঁর কালজয়ী গ্রন্থ 'মাদারিজুস সালিকিন' (مدارج السالكين)-এ অত্যন্ত চমৎকার একটি কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, "আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় বান্দাকে রোগের মাধ্যমে শাস্তি দেন না, বরং তাকে পরিশুদ্ধ করেন।"

28/03/2026

রুকইয়ার ফি কি আসলেই বেশি?

যেখানে হাজার হাজার টাকা দিয়ে (5-10মিনিটে) ডাক্তারের ভিজিট আর টেস্ট করিয়েও কোন রোগই পাচ্ছেন না, সেখানে রুকইয়াহ করে একজন রাকী আপনার রোগ নির্ণয় করছেন এবং চিকিৎসা করে যাচ্ছেন, সেই রাকী ও রুকইয়াহ ট্রিটমেন্ট এর ফি লাখ টাকা হওয়া কি যুক্তিযুক্ত নয়?

তবুও রাকীগণ ঘন্টার পর ঘন্টা সময় দিয়ে, জিন শয়তানের বিরোদ্ধে নিজের ও পরিবারের জীবনের ঝুকি নিয়ে সামান্য কয়েক হাজার টাকা চার্জ করেন, যার মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সকল খরচ অন্তর্ভূক্ত। সে খরচ কিভাবে বেশি?

আসলে আমরা মূল বিষয়টা চিন্তা করি না।

28/03/2026

রুকইয়াহ করে সুস্থ হওয়ার পরেও কেন আবার আক্রান্ত হয়?

আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি অত্যন্ত পরিচিত শব্দ হলো 'রিল্যাপ্স' (Relapse) বা রোগের পুনরাবৃত্তি। যখন কোনো রোগীকে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়, তখন ব্যাকটেরিয়াগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগী সুস্থতা অনুভব করেন। কিন্তু রোগী যদি কোর্স শেষ না করেই ওষুধ ছেড়ে দেন, তবে অবশিষ্ট ব্যাকটেরিয়াগুলো মিউটেশন ঘটিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসে, যাকে বলা হয় 'অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স'। তখন পুরনো ওষুধ আর কাজ করে না।

নিউরোসায়েন্স ও মনস্তত্ত্বের ভাষায়, জিনের বা জাদুর প্রভাবে থাকা একজন সেবাপ্রার্থীর ক্ষেত্রেও হুবহু এই 'স্পিরিচুয়াল রিল্যাপ্স' (Spiritual Relapse) ঘটে। রুকইয়াহর পর যখন আপনি সুস্থতা অনুভব করে নিজের প্রাত্যহিক আমল বা সুন্নাহ লাইফস্টাইল ছেড়ে দেন, তখন আপনার ব্রেনের 'আধ্যাত্মিক ইমিউন সিস্টেম' বা সুরক্ষার দেয়াল ভেঙে পড়ে। এই সুযোগে জাদুর অবশিষ্ট নেতিবাচক এনার্জি বা জিনের ফ্রিকোয়েন্সি আপনার নিউরোলজিক্যাল সিস্টেমে আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি শক্তিতে আঘাত হানে।

28/03/2026

দু'দিন আগে একজন সেবাপ্রার্থী আসলেন। তার মূল সমস্যা হল, সে বার বার অজ্ঞান হয়ে যায়। বিশেষ করে পরীক্ষা দেওয়ার পর, ক্লাসের সময়, নামাজ পড়তে গেলে ইত্যাদি। তাছাড়া কিছুই ক্ষেতে পারে না, অস্বস্তি লাগে।

ডাক্তার বলেছেন শারীরিক কোন সমস্যা রিপোর্টে নাই। কিছু মেডিসিন দিয়েছেন, তবে রোগ ভালো হচ্ছে না। অবশেষে তার অভিভাবকগণ নিয়ে আসলেন সেন্টারে। ডায়াগনোসিস রুকইয়াহ করে বুঝা গেলো, আশিক শয়তান। পেটের জাদুর জীবাণু, হরমোনাল ইমব্যালেন্স আছে।

ট্রিটমেন্ট চলছে গতকাল ২দিন গেল। জিজ্ঞেস করেছিলাম, কী হালত? তারা সমস্বরে জানালেন, আলহামদুলিল্লাহ। সকল মেডিসিন অফ (যদিও ঔষধগুলো সাধারণই ছিল), খাবার ক্ষেতে পারছে। আগে যেখানে নামাজে দাড়াতেই পারত না, এখন ফজরও পড়তে কোন অসুবিধা হচ্ছে না। শারীরিক কিছু কিছু ব্যথাজাতীয় সমস্যা আছে (হিজামা ও কফি এনেমা করলে, এগুলোও থাকবে না ইন শা আল্লাহ), তবে সার্বিকভাবে তারা ৬০% সুস্থতা অনুভব করছে।

উল্লেখ্য : আমরা টানা কয়েকটা সেশন রুকইয়াহ ও সাথে বিভিন্ন থেরাপি, সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করে রোগীকে শারীরিক ও মানষিকভাবে আমলের উপযোগী করার পূর্ণাঙ্গ চেষ্টা করি, আল্লাহর ইচ্ছায় তা হয়ে গেলে ৪০দিনের সেল্ফ রুকইয়াহ শুরু হয়, যা মূল চিকিৎসা। এটা ঠিকঠাক হলেই রোগী স্থায়ী সুস্থতা পায়।

আল্লাহ তা'য়ালা এই রোগীসহ সকল জিন-জাদু ও আইন-হাসাদ এ আক্রান্ত রোগীদের শিফা দান করুন।

28/03/2026

মু'মিনের জীবনে যত নেগেটিভ, রাগ-ক্ষোভ, অন্যায়-ফাসাদ সব কিছুই শয়তানের প্ররোচনায়। তাই বেশি বেশি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়তে হয়।

27/03/2026

জিন-জাদুতে আক্রান্ত রোগীদের ৬ ওয়াক্ত নামাজ বাধ্যতামূলক আদায় করা উচিত (যদিও সবার জন্যই কাম্য)। তাহাজ্জুদ ছাড়া সুস্থতা প্রায় অসম্ভব।

মাথা ব্যথার চিকিৎসায় হিজামা: যন্ত্রণার অবসান হোক সুন্নাহর ছোঁয়ায়!​দিনের পর দিন মাইগ্রেন বা তীব্র মাথা ব্যথায় ভুগছেন? পেই...
27/03/2026

মাথা ব্যথার চিকিৎসায় হিজামা: যন্ত্রণার অবসান হোক সুন্নাহর ছোঁয়ায়!

​দিনের পর দিন মাইগ্রেন বা তীব্র মাথা ব্যথায় ভুগছেন? পেইনকিলারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে আপনার জীবন? একটু ভাবুন তো, কোনো রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া ব্যথামুক্ত একটি সতেজ সকাল আপনার জীবনের কর্মচাঞ্চল্য কতটা বাড়িয়ে দিতে পারে!

​রাসূল (ﷺ)-এর দিকনির্দেশনা:
হিজামা কেবল একটি চিকিৎসা নয়, এটি একটি মহিমান্বিত সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
​"خَيْرُ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ"
"তোমরা যেসব চিকিৎসা গ্রহণ করো, তার মধ্যে সর্বোত্তম হলো হিজামা।" (সহীহ বুখারী: ৫৬৯৬)

​আধুনিক বিজ্ঞান ও চিকিৎসকদের মতামত কী বলে?
ক্লিনিক্যাল রিসার্চ এবং আধুনিক নিউরোলজিক্যাল স্টাডি প্রমাণ করেছে, মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেনের জন্য হিজামা অত্যন্ত কার্যকরী।

* ​রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি: হিজামা থেরাপি মাথার নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোতে রক্ত সঞ্চালন (Blood circulation) স্বাভাবিক করে এবং পেশির টান দ্রুত কমিয়ে আনে।

* ​প্রাকৃতিক পেইনকিলার: চিকিৎসকদের রেফারেন্স অনুযায়ী, হিজামা করার সময় শরীর থেকে 'এন্ডোরফিন' নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মস্তিষ্কে প্রাকৃতিক পেইনকিলার হিসেবে কাজ করে।

* ​টক্সিন রিমুভাল: এটি ত্বকের নিচ থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে এনে নার্ভাস সিস্টেমকে রিলাক্স করে।

​আমাদের বিশ্বাস ও সমাধান:
আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, একমাত্র আরোগ্য দানকারী মহান আল্লাহ। হিজামা হলো সুস্থতার জন্য একটি অত্যন্ত শক্তিশালী উসিলা। সুন্নাহ এবং বিজ্ঞানের এই চমৎকার সমন্বয়ের মাধ্যমে আমাদের অসংখ্য সেবাপ্রার্থী আজ দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যথার যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হয়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

​সুস্থতার এই সুন্নাহসম্মত উসিলা গ্রহণ করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

27/03/2026

কুমিল্লা মুরাদনগরের একজন রোগী, আজকে সে ৯০% সুস্থ হয়ে সেল্ফ রুকইয়ার উপযোগী হয়ে বাড়ি ফিরছে। পরবর্তী ৪০দিন ঠিকভাবে আমল করলে স্থায়ীভাবে সুস্থ হবে ইন শা আল্লাহ।

Address

W4X8+3V Brahmanbaria
Brahmanbaria
3400

Telephone

+8801636613047

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আস সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আস সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার:

Share