Shefa Homeo Care

Shefa Homeo Care Homeopathic Treatment

12/10/2021
24/08/2021

জরায়ু অপূর্নতাবশত ঋতু দেখা দেয়না বা স্তন উঠেনা,সঙ্গম বেদনাদায়ক,যোনিপথে কৃমি,যোনি অত্যান্ত দুর্গন্ধযুক্ত,যোনি দিয়ে বাতাস নিঃসরণ এসব রোগে সালফার উপযোগী,
,
বিঃদ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত ঔষধ সেবন নিষেদ৷

আজ আমি আপনাদেরকে পিত্ত পাথুরি ( Gall stone)/Cholelithiasis  কি, এর কারণ এবং এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে সংক্ষেপে আল...
25/07/2021

আজ আমি আপনাদেরকে পিত্ত পাথুরি ( Gall stone)/Cholelithiasis কি, এর কারণ এবং এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব।
হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে এই খুব সহজেই সারা সম্ভব।
পিত্ত পাথুরি ( Gall stone) কি :- কোনও কারণবশত পিত্তকোষে/ পিত্তথলিতে বা পিত্তবাহী নালীতে পিত্তরস জমাট বেঁধে প্রস্তর কণার আকার ধারণ করে, একে পিত্ত পাথুরি বলা হয়।
এর কারণ :- আহারাদির দোষে বা পিত্ত কোষের বা পিত্তনালীর প্রদাহজনিত কারণে এই পিত্ত প্রবাহ বিঘ্নিত হতে পারে বা পিত্তথলিতে অতিরিক্ত পিত্ত জমলে এর ফলে পিত্তরস জমাট বেঁধে যায় এবং ধীরে ধীরে পিত্ত পাথুরী দেখা দেয়। আবার পিত্তনালী (Cystic duct, common bile duct) ছোট/ চিকন হয়ে যাওয়ায় ঠিকমতো bile নিঃসরন হতে না পরলেও পিত্তথলিতে পাথর সৃষ্টি হতে পারে

এবার আসুন এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :-
লক্ষণ সাদৃশ্যে জেনে নিই কি কি মেডিসিন আসতে পারে :-
1. Cardous mari
2. Ceanothus
3. Cholesterinum
4. Chelidonium maj
5. Barberis vul
6. Laurocerasus
7. China off
8. Cal.carb
9. Digitalis
10. Dioscoria
11. Natrum sulph
12. Lycopodium
13. Hydrastis can. ect....
উপরোক্ত ঔষধ থেকে লক্ষণ সাদৃশ্যে সঠিক ঔষধ প্রয়োগ করলে খুব সহজেই পিত্ত পাথুরি নির্মূল করা সম্ভব।
শেফা হোমিও কেয়ার
ডাঃ মোঃ আশরাফ উদ্দিন M.A. ( DHMS. BHB. DHAKA)
01831-930755

কোমর ব্যথার কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকার,এমন মানুষ হয়ত পৃথিবীতে পাবেন না যিনি তার জীবনে একবারও কোমরে ব্যথা অনুভব করেননি। মে...
24/07/2021

কোমর ব্যথার কারণ, লক্ষণ এবং প্রতিকার
,
এমন মানুষ হয়ত পৃথিবীতে পাবেন না যিনি তার জীবনে একবারও কোমরে ব্যথা অনুভব করেননি। মেরুদণ্ডের নিচের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের ফলে এ ব্যথার সুত্রপাত হয়। তরুণাস্থির এই পরিবর্তনের সাথে সাথে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে সংবেদনশীলতার পরিবর্তন হয়। সাধারণত এ পরিবর্তন ৩০ বছর বয়স থেকে শুরু হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ রোগের কোনো উপসর্গ থাকে না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রোগের উপসর্গও বাড়তে থাকে।
,
কোমর ব্যথার কারণঃ
সাধারণত দেখা যায় মেরুদণ্ডের মাংসপেশি, লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক সমস্যা, কশেরুকার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে কোমর ব্যথা হয়ে থাকে। চলাফেরা, খুব বেশি ভার বা ওজন তোলা, মেরুদণ্ডের অতিরিক্ত নড়াচড়া, একটানা বসে বা দাড়িয়ে কোন কাজ করা, মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া, সর্বোপরি কোমরের অবস্থানগত ভুলের জন্য হয়ে এ ব্যথা দেখা যায়।
অন্যান্য কারণের মধ্যে বয়সজনিত মেরুদণ্ডে ক্ষয় বা বৃদ্ধি, অস্টিওআথ্র্যাটিস বা গেঁটে বাত, অস্টিওপোরেসিস, এনকাইলজিং স্পনডাইলাইটিস, মেরুদণ্ডের স্নায়ুবিক সমস্যা, টিউমার, ক্যান্সার, বোন টিবি, কোমরের মাংসে সমস্যা,বিভিন্ন ভিসেরার রোগ বা ইনফেকশন, বিভিন্ন স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা, মেরুদণ্ডের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুড়ি, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি।
,
কোমর ব্যথার লক্ষণঃ
কোমরের ব্যথা আস্তে আস্তে বাড়তে পারে বা হঠাৎ প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। নড়াচড়া বা কাজকর্মে ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে। ব্যথা কোমরে থাকতে পারে বা কোমর থেকে পায়ের দিকে নামতে পারে অথবা পা থেকে কোমর পর্যন্ত উঠতে পারে। অনেক সময় কোমর থেকে ব্যথা মেরুদণ্ডের পেছন দিক দিয়ে মাথা পর্যন্ত উঠতে পারে। রোগী অনেকক্ষণ বসতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ব্যথার সঙ্গে পায়ে শিন-শিন বা ঝিন-ঝিন জাতীয় ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যেকোন এক পায়ে নামতে পারে। অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে রোগীর কোমর ও পায়ের মাংসপেশীর ক্ষমতা কমে আসে এবং শুকিয়ে যেতে পারে, সর্বোপরি রোগী চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
আধুনিক এই যুগেও কোমর ব্যথা একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাস্থ্য সমস্যা। এ সমস্যার সমাধানে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।
কোমর ব্যথার প্রতিকার
,
ফার্মাকোথেরাপি :- চিকিৎসকরা রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সাধারণত ব্যথানাশক এনএসএআইডিএস গ্রুপের ওষুধ, মাসল রিলাক্সজেন ও সেডেটিভজ জাতীয় ওষুধ দিয়ে থাকেন। যেহেতু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে সেজন্য অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ খাওয়া উচিত।
,
ফিজিওথরাপি :- কোমর ব্যথাজনিত সমস্যার অত্যাধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে ফিজিওথেরাপি। এই চিকিৎসাব্যবস্থায় চিকিৎসক রোগীকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন, আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি, লাম্বার ট্রাকশন শর্টওয়েভ ডায়াথার্মি, অতিলোহিত রশ্মি, ইন্টারফেরেনশিয়াল থেরাপি, ইনফারেড রেডিয়েশন, ট্রান্স কিউটেনিয়াস ইলেকট্রিক নার্ভ ইস্টিমুলেটর, ইলেকট্রিক নার্ভ ও মাসেল ইস্টিমুলেটর, অটো মেনুয়াল ট্রাকশন, হাইড্রোথেরাপি, লেজার থেরাপি ও বিভিন্ন প্রকার ব্যায়ামের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। তা ছাড়া চিকিৎসা চলা অবস্থায় কোমরে নির্দিষ্ট অর্থোসিস বা ব্রেস প্রয়োগ করে থাকেন।
,
সার্জারি :- যদি দীর্ঘদিন ফার্মাকোথেরাপি ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর-মেরুদন্ডের অপারেশন বা সার্জারির করনোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিত্সকরা।সার্জারির পরবর্তীতে রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নির্দেশ মতো নির্দিষ্ট ব্যায়াম দীর্ঘ দিন চালিয়ে যেতে হয়।
দৈনন্দিন কাজে সতর্কতা
নিচ থেকে কিছু তোলার সময়-
কোমর ভাঁজ করে কিংবা ঝুঁকে তুলবেন না। হাঁটু ভাঁজ করে তুলুন।
কোনো কিছু বহন করার সময়
ঘাড়ের ওপর কিছু তুলবেন না।
ভারি জিনিস শরীরের কাছাকাছি রাখুন।
পিঠের ওপর ভারি কিছু বহন করার সময় সামনের দিকে ঝুঁকে বহন করুন।
শোয়ার সময়
উপুড় হয়ে শোবেন না। ভাঙ্গা খাট, ফোম বা স্প্রিংয়ের খাটে শোবেন না।
সমান তোশক ব্যবহার করুন।
বিছানা শক্ত, চওড়া ও সমান হতে হবে। শক্ত বিছানা বলতে সমান কিছুর ওপর পাতলা তোশক বিছানোকে বোঝায়।
দাঁড়িয়ে থাকার সময়
১০ মিনিটের বেশি দাঁড়িয়ে থাকবেন না।
হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না।
দীর্ঘক্ষণ হাঁটতে বা দাঁড়াতে হলে উঁচু হিল পরবেন না।
অনেকক্ষণ দাঁড়াতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন।
দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন।
বসে থাকার সময়
আপনার চেয়ারটি টেবিল থেকে বেশি দূরে নেবেন না।
সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না।
কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন।
এমনভাবে বসুন যাতে ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে।
নরম গদি বা স্প্রিংযুক্ত সোফা বা চেয়ারে বসবেন না।
যানবাহনে চড়ার সময়
গাড়ি চলানোর সময় স্টিয়ারিং হুইল থেকে দূরে সরে বসবেন না। সোজা হয়ে বসুন।
ভ্রমণে ব্যথার সময় লাম্বার করসেট ব্যবহার করুন।
,
কোমর ব্যথা বেশি হলে বিছানা থেকে শোয়া ও ওঠার নিয়ম
চিৎ হয়ে শুয়ে এক হাঁটু ভাঁজ করুন।
এবার অন্য হাঁটুটি ভাঁজ করুন। হাত দুটি বিছানায় রাখুন।
এবার ধীরে ধীরে এক পাশ কাত হোন।
পা দু’টি বিছানা থেকে ঝুলিয়ে দিন, এবার কাত হওয়া দিকের হাতের কনুই এবং অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
দুই হাতের ওপর ভর দিয়ে বসুন এবং মেঝেতে পা রাখুন।
এবার দুই হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনে ঝুঁকে দাঁড়ান।
মেয়েরা যেসব নিয়মকানুন মেনে চলবেন
অল্প হিলের জুতো বা স্যান্ডেল পরুন, বিভিন্ন জুতোর হিলের উচ্চতা বিভিন্ন না হওয়াই উচিত।
তরকারি কাটা, মসলা পেষা, কাপড় কাচা ও ঘর মোছার সময় মেরুদ- সাধারণ অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।
,
কোমর ঝুঁকে বাচ্চাকে কোলে নেবেন না। ঝাড়ু দেয়া, টিউবওয়েল চাপার সময় কোমর সোজা রাখবেন।
মার্কেটিং বা শপিংয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট দাঁড়ানো বা হাঁটার পরে বিশ্রামের জন্য একটু বসবেন।
বিছানা গোছানোর সময় কোমর ভাঁজ না করে বরং হাঁটু ভেঙে বসা উচিত।
,
ওজন কমান, খাদ্যাভাস পরিবর্তন করুন
গরু, খাসির মাংস, ডালজাতীয় খাবার, মিষ্টিজাতীয় খাবার, তৈলাক্ত খাবার খাদ্য তালিকা থেকে কমিয়ে শাকসবজি, তরিতরকারি, ফলমূল খাদ্য তালিকায় বেশি করে রাখুন। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন এবং যাদের দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস আছে, তা বন্ধ করে রাতে শিগগিরই শুয়ে পড়ুন।
,
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা
প্রয়োজনবোধে কিছু মেডিকেল টেস্ট করে যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিলে কোমর ব্যথা সেরে যায় সারা জীবনের জন্য। কারণ এর পেছনে অবশ্যই কোনো না কোন কারণ থাকে, হোমিও ঔষধ ঐ কারণটাকেই একেবারে রুট লেভেল থেকে নির্মূল করে দেয় আর তখন কোমর ব্যথা থাকার প্রশ্নই আসে না।

23/07/2021

আজ আমি আপনাদের অম্ল (Acidity) ও অজীর্ণরোগ(Dyspepsia) সম্পর্কে এবং এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় অম্ল ও অজীর্ণ রোগ খুব সহজেই সারা সম্ভব।
তাহলে আসুন আমরা জেনে নিই অম্ল ও অজীর্ণ কি, এর কারণ, এর প্রকারভেদ ও হোমিও চিকিৎসা
অম্ল ও অজীর্ণ কি :- পরিপাক ক্রিয়ার যে কোনও গোলযোগের জন্য এই রোগের সৃষ্টি।
এর কারণ:- অপরিমিত, অনিয়মিত এবং খাদ্যদ্রব্য ভাল করে না চিবিয়ে আহার। গুরূপাক( অতিরিক্ত ঘি, চর্বিযুক্ত রান্না), তৈলাক্ত দ্রব্য, নানাবিধ ঔষধ সেবন, অতিরিক্ত চা, তামাক, কফি ইত্যাদি গ্রহণ। রক্তহীনতা, রাত্রি জাগরণ, পরিপাক যন্ত্রের যান্ত্রিক পরিবর্তন, পাচক রসের পরিমানগত এবং গুনগত তারতম্য। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ,স্যাতঁ সেঁতে ঘরে বসবাস এবং অতিরিক্ত ঠান্ডা গরমে ইত্যাদি।
প্রকারভেদ:- তরুন এবং পুরাতন। হঠাৎ আক্রমন করে, আহারের হেরফের এটি তরুন। আবার এই রোগ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে। সহজে সারতে চায় না। একে পুরাতন রোগ বলে।
এখন আসি, লক্ষণ সাদৃশ্যে এর হোমিও চিকিৎসা
1. Pulsatilla
2. Nux vom
3. Nat. mur.
4. Nat. carb.
5. Acid sulp
6. China
7. Carbo veg.
8. Arsenic alb.
9. Lycopodium
10. Sulphur
11. Arg.nit.
12. Carica pap.
13. Bryonia
14. Hydrastis
15. Alumina
16. Nat. sulph
17. Mag. carb . ect.....
লক্ষণ সাদৃশ্যে উপরোক্ত মেডিসিন থেকে সঠিক মেডিসিন প্রয়োগ করলে সহজেই এই রোগ সারা সম্ভব।
শেফা হোমিও কেয়ার
ডাঃ মোঃ আশরাফ উদ্দিন এম. এ.( ডি. এইচ. এম. এস) বি. এইচ. বি. (ঢাকা)
মোবাইল- 01831-930755

Vহোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে অশ্ব বা গেজ  (piles) রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। আজ আমি আপনাদের অশ্ব কি, কত প্রকার, এর কার...
20/07/2021

Vহোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে অশ্ব বা গেজ (piles) রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। আজ আমি আপনাদের অশ্ব কি, কত প্রকার, এর কারণ ও এর হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করব
অশ্ব কি :- মলদ্বারের বাইরে বা ভিতরে চারিদিকের শিরাগুলো যদি কোনও কারণবশত ফুলে ওঠে এবং প্রসারিত হয় এবং মটর দানার মতো হয় তবে এই লক্ষণকে অশ্ব বলে। স্ফীত এবং প্রসারিত শিরাগুলোকে বলি বলে। এই বলি কখনও একটিমাত্র বা কখনও আঙুর ফলের গুচ্ছের মতো দেখা যায়।
প্রকার:- রূপ ও আকৃতি অনুসারে অশ্বকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। ১। বাহির বলি (External piles) ২। অন্তর বলি (Internal piles) ৩। মিশ্রিত বলি (Mixed piles)
অশ্বের কারন:- ১। কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ এবং কুন্থন স্বভাব ২। উগ্র জাতীয় বা উত্তেজক জাতীয় ঔষধ সেবন ৩। সর্বদা বসে কাজ করা ৪। উগ্র মসল্লা যুক্ত খাবার গ্রহন ৫। যকৃতে রক্তাধিক্য ৬।অজীর্ণ রোগ এবং পরিপাক যন্ত্রের বিকলতা ৭। পূর্ণ গর্ভাবস্থায় জরায়ুর চাপ ৮। পুরাতন আমাশয় রোগ ৯। বংশগত রোগ ইত্যাদি
এবার আসি লক্ষন অনুসারে এর হোমিও চিকিৎসা
লক্ষন অনুসারে এই মেডিসিন থেকে পরিপূর্ণ চিকিৎসা করতে হবে
1. Collinsonia
2. Retanhia
3. Aesculus
4. Nux
5. Graphites
6. Sulphur
7. Hamamelis
8. Aloes
9. Millefolium
10.Capsicum
11. Acid nit
12. Merc sol
13. thuja
14. Acid mur
15. Acid sulp
ect.....

অপারেশন ছাড়া অত্যাধুনিক এবং ন্যাচারাল পদ্ধতিতে নাকের পলিপাস নির্মূল করা হয়,ডাঃ মোঃ আশরাফ উদ্দিনডি,এইচ,এম,এস(বি,এইচ,বি)ঢ...
26/06/2021

অপারেশন ছাড়া অত্যাধুনিক এবং ন্যাচারাল পদ্ধতিতে নাকের পলিপাস নির্মূল করা হয়
,
ডাঃ মোঃ আশরাফ উদ্দিন
ডি,এইচ,এম,এস(বি,এইচ,বি)ঢাকা
গভ রেজিঃ হোমিওপ্যাথিক কনসালট্যান্ট
যোগাযোগ-
শেফা হোমিও কেয়ার
মুহুরী প্রজেক্ট বাজার,জোরারগঞ্জ,মিরসরাই,চট্টগ্রাম
প্রতি শুক্রবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত৷
মোবাঃ 01831930755

24/06/2021

যারা পিত্তপাথুরীর রোগী তাদের সারা দিনের মধ্যে ছয় ঘন্টার বেশী সময় না খেয়ে থাকা ঠিক নয়৷

21/06/2021

জোলাপ বা পায়খানা করার ঔষধ : জোলাপ সর্বদাই যকৃতের উপর কাজ করিয়া তথা হইতে অধিক পরিমানে যকৃত রস নি:সরণ করে পেট থেকে মল বাহির করায়। পরিশ্রমমোর পর যেমন বিশ্রামের প্রয়োজন হয় তেমনিভাবে জোলাপ নিবার পরও লিভার কিছুটা নিস্তেজ হইয়া পড়ে। ফলে পুনরায় কোষ্ঠোকাঠিন্য দেখা দেয়।

Address

Muhuri Project Bazar
Chittagong
4325

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shefa Homeo Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Shefa Homeo Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram