Asthma point

Asthma point Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asthma point, Medical and health, Chittagong.

06/03/2023

হাঁপানি হল ফুসফুসীয় শ্বাসনালির দীর্ঘ মেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ।[৩] এর বৈশিষ্ট্য হল রোগটি বিভিন্ন মাত্রায় ও বার বার লক্ষন দেখা দেওয়া এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা না করলে খারাপ হতে থাকা, শ্বসনপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হওয়া, এবং সহজেই বা অল্পতেই ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসনালি সরু হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে যাওয়া যার ফলে হাঁপানি বেড়ে যায়।[৮][৯] লক্ষনগুলোর মধ্যে আছে শো শো শব্দ হওয়া, কাশি, বুকে চাপ অনুভব করা (বুকের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া), এবং স্বল্প মাত্রায় শ্বাস নিতে পারা।[২] এগুলো এক দিনে একাধিকবার হতে পারে আবার এক সপ্তাহে ধীরে ধীরে হতে পারে।[৩] ব্যক্তিভেদে হাঁপানির লক্ষনগুলো রাতে বেড়ে যেতে পারে বা ভারি কাজ বা ব্যায়াম বা খেলাধূলা করলেও বেড়ে যেতে পারে।[৩]

হাঁপানি জিনগত এবং পরিবেশগত কারনে হয় বলে ধারণা করা হয়।[৪] পরিবেশগত কারনগুলোর মধ্যে আছে বায়ু দূষন এবং বাতাসে এ্যালার্জেন বা এ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদানের উপস্থিতি।[৩] অন্য কারনগুলো হল এসপিরিনজাতীয় ঔষধ এবং বেটা ব্লক করে এমন এমন ঔষধ সেবন করা।[৩] লক্ষনের ধরন দেখে পরিক্ষা করা হয়, তার ভিত্তিতে যে ঔষধ প্রয়োগ করা হয় তা ব্যক্তির উপর কীভাবে কাজ করছে তা দেখা হয় (দীর্ঘ মেয়াদে) এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হয় স্পাইরোমেট্রি। [৫] হাঁপানি কতটুকু জটিল তা বুঝার জন্য লক্ষনগুলো কত দ্রুত দেখা দেয় তা দেখা হয়, সেই সাথে এক সেকেন্ডে প্রশ্বাসের ভলিউম কতটুকু তাও যোগ করা হয় যাকে (FEV1)বলে এবং পিক ফ্লো ব্যবহার করা হয়।[১০] এটপিক এবং নন এটপিক হিসেবেও একে ভাগ করা হয় যেখানে এটপিক হল টাইপ ১ ধরনের সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখানো।[১১][১২]

এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করাতে পারে এমন কোন ঔষধ তেরী হয়নি, কিন্তু এটিকে সহজেই চিকিৎসা করে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় রাখা যায়।[৩] উপসর্গগুলো দেখা দেবার পূর্বেই যে কারনগুলো হাঁপানির উদ্রেক করে যেমন এ্যালার্জেন, শ্বাসতন্ত্রের প্রতি হুমকি এমন পরিবেশ বা উপাদান, সেগুলো বন্ধ করতে পারলে এবং সেই সাথে কর্টিকোস্টেরয়েড গ্রহণ করলে হাঁপানির উপসর্গগুলো বন্ধ করা যায়।[১৩][১৪] শুধুমাত্র কর্টিকোস্টেরয়েড দিয়ে যদি হাঁপানি নিয়ন্ত্রিত না হয়, তাহলেদীর্ঘ-মেয়াদি বেটা এগনিস্ট অথবা এন্টিলিউকোট্রিন এজেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।[১৫][১৬] যখন দ্রুত হাঁপানি বাড়তে থাকে তখন শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা যেতে পারে স্বল্প মেয়াদি বেটা-২ এগনিস্ট যেমনসালবিউটেমল এবং কর্টিকোস্টেরয়েড যা দ্রুত রোগীর অবস্থা উন্নতি করে।[১৭] মারাত্মক উপসর্গের ক্ষেত্রে রোগীকে শিরায় কর্টিকোস্টেরয়েড, ম্যাগনেশিয়াম সালফেট এবং হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।[১৮]

সারা বিশ্বের প্রায় ১৫ কোটিরও বেশি মানুষ অ্যাজমা বা হাঁপানীতে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫০ হাজার লোক এই রোগে আক্রান্ত হয় এবং মাত্র পাঁচ শাতংশ রোগী চিকিৎসা লাভ করে।

এ্যা জমা বা হ্যা'পানী হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় ...
15/02/2023

এ্যা জমা বা হ্যা'পানী হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হা'নীর বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, কা শি, শ্বাস কষ্ট বু কে চাপ চাপ অনুভব করা দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি,
এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।

এ্যা জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালিতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা শি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।

এ্যা জমা / হাঁপানি যে কোন বয়সে হতেই পারে। তবে শিশুদের ক্ষেএে এইরোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে কার ও কার বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণে ও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে, পশু পাখির পালক ছএাক,মল্ট, ইস্ট, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি / শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। কারও কার ও ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েেল বা কার ও কার ও কিটনাশকের গন্ধ থেকে ও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

এ্যাজমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধি ও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।

☎️01841-709707 বিশেষ প্রয়োজনে

বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। বিশ্বাস করেই দেখুন, অবশ্যই রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ

14/02/2023

প্রশ্ন : অ্যাজমা রোগটি আসলে কী?

উত্তর : ফুসফুসের অনেক রোগ আছে। অ্যাজমা মানে হলো হাঁপানি রোগ। কিন্তু হাঁপানি যে শুধু অ্যাজমার কারণেই হয়, সেটি নয়। সিওপিডি আছে, নিউমোনিয়া আছে—এসব শুধু ফুসফুসজনিত কারণে হয়। আবার হার্টের কিছু কারণেও শ্বাসকষ্ট হয়। যেমন : একিউট লেফট ভ্যান্টিকুলার ফেইলিউর, মায়োকার্ডিয়াল ইনফেকশন, এগুলো হলো কার্ডিয়াক কারণ। আবার অন্য কিছু আছে, যেমন—এনিমিক হার্ট ফেইলিউর। শরীরে রক্ত অনেক কমে গেছে। তাহলেও শ্বাসকষ্ট হবে। আবার অধিক মোটা মানুষের শ্বাসকষ্ট হয়।

সুগারের মাত্রা যদি বেশি বেড়ে যায়, তাহলেও শ্বাসকষ্ট হয়। আবার ফাংশনাল ডিজঅর্ডার বলে একটি বিষয় রয়েছে, মানে রোগ নেই এর পর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। তাই হাঁপানি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তবে অ্যাজমাই এর একটি কারণ নয়।

প্রশ্ন : অনেক শ্বাসকষ্টের কথা বললেন। অ্যাজমার কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, সেটি বোঝার কি কোনো উপায় আছে?

উত্তর : আমরা বলি কার্ডিনাল ফিচার। কিছু লক্ষণ দেখলে বোঝা যাবে অ্যাজমা হয়েছে। যেমন : শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, বুকের ভেতর শোঁ শোঁ বা চি চি শব্দ করে, কাশি থাকবে, আর বুক ব্যথা করতে পারে, বুক ভার লাগে।

প্রশ্ন : রোগীরা সব সময় কি এই অভিযোগ নিয়েই আসে?

উত্তর : রোগীরা প্রধাণত বলে শ্বাস নিতে পারছি না। কাশি যাচ্ছে না।

প্রশ্ন : সাধারণত অ্যাজমায় কারা বেশি ভুগে থাকেন?

উত্তর : এক বছরের কম বয়সের কোনো বাচ্চার যদি হাঁপানি রোগ হয়, বোঝা যাবে না। এক বছর পর আমরা বুঝতে পারি, এটা কি অ্যাজমা, ব্রঙ্কিউলাইটিস, নিউমোনিয়া নাকি সিওপিডি। অ্যাজমা আর সিওপিডি দুটো পাশাপাশি রোগ। কিন্তু দুটো সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। অনেক সময় লক্ষণগুলো একইভাবে প্রকাশ পায়।

আমরা তাদের ইতিহাস নেই। জানব যে তার বাবা-মা, ভাইবোন, ছেলেমেয়ে তাদের অ্যাজমা আছে কি না। অনেক সময় ওষুধ খেলেও রোগটি একা একাই কমে-বাড়ে।

প্রশ্ন : অ্যাজমা রোগ নিশ্চিত হওয়ার জন্য কি কোনো পরীক্ষা আছে?

উত্তর : কিছু সাধারণ পরীক্ষা করি। বুকের এক্স-রে করি। অ্যাজমা রোগীর এক্স-রে স্বাভাবিক থাকতে পারে। স্পাইরোমোট্রি নামে একটি যন্ত্র আছে, সেটি দিয়ে নির্দিষ্টভাবে পরীক্ষা করি। যখন মনে করি রোগ নির্ণয়ে সমস্যা হচ্ছে, তখন এটি ব্যবহার করি। ইতিহাসই আসলে যথেষ্ট রোগটি বোঝার জন্য।

14/02/2023

শ্বাসকষ্ট মানেই অ্যাজমা নয়। অ্যাজমা ছাড়াও অনেক কারণে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। যেমন হৃদ্রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট হয়। এরপর যাদের রক্তশূন্যতা আছে, তাদের শ্বাসকষ্ট হয়। কিডনি রোগীরও শ্বাসকষ্ট হয়। তাই জেনে নেওয়া যাক অ্যাজমা-সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর:
সব খাবারে কি সবারই অ্যাজমা হতে পারে? : আসলে বিশেষ ব্যক্তির বিশেষ খাবারে অ্যাজমা হয়। যেমন গরুর মাংস খেলে কারও অ্যাজমার তীব্রতা বেড়ে যায়। আরেকজনের হয়তো গরুর মাংসে কোনো সমস্যাই হয় না। চিংড়ি মাছ খেলে হয়তো কারও সমস্যা বাড়ে। আরেকজনের ক্ষেত্রে হয়তো দেখা যায়, এ দুটি খেলে কিছুই হয় না। হয়তো বেগুন খেলে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এর অর্থ, একেকজনের একেকটা খাবারের প্রতি অ্যালার্জি থাকতে পারে।
অ্যাজমা কি ছোঁয়াচে রোগ?: না। বংশগতভাবে অ্যাজমা হতে পারে। কিন্তু এটা ছোঁয়াচে নয়। আক্রান্ত মায়ের বুকের দুধ খেয়ে শিশুর অ্যাজমা হওয়ার আশঙ্কা নেই। মায়ের সংস্পর্শে থাকলেও অ্যাজমা হবে না।
অ্যাজমা কি সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য?: অ্যাজমা পুরোপুরি ভালো হয় না। তবে অ্যাজমার যেসব আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে, সেগুলো সঠিকভাবে গ্রহণ করলে একজন অ্যাজমা রোগী প্রায় সুস্থ হয়ে উঠবে।
ইনহেলার ব্যবহারই কি অ্যাজমার শেষ চিকিৎসা?: অনেকে ভাবেন, যখন আর কোনো ওষুধ কাজ করে না; অর্থাৎ বড়ি, সিরাপ, ক্যাপসুল সবই ব্যর্থ; তখন হয়তো অ্যাজমার চিকিৎসায় ইনহেলার নেওয়া হয়। কথাটা মোটেও সত্য নয়। ইনহেলার দিয়েই কিন্তু প্রথমে চিকিৎসা করতে হবে। ইনহেলার কেন দেওয়া হয়? ইনহেলার দেওয়ার দু-তিন মিনিটের মধ্যে শ্বাসকষ্ট থাকে না। আরেকটি রয়েছে প্রতিরোধক; এটি শ্বাসনালির মধ্যে হওয়া প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে। ইনহেলারের ব্যবহারবিধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ব্যবহারবিধি না জানায় অনেকে এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।

14/02/2023

অ্যাজমা বা হাঁপানি ।
দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণকে বলে জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শাহরিয়ার জামান দীপ ।
১) ‘এটোপি’ বা বংশগত (Genetic) ও ‘এলার্জি’ পরিবেশগত উপাদান এবং
২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা (Bronchial hyper-responsiveness)
পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু ।
৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি । যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫% । পেশাগত ভাবে ‘potent sensitizer’ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% এজমায় আক্রান্ত হয় ।
অ্যাজমা রোগের লক্ষণ চেনার উপায় ।
- শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি ।
- শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ ।
- হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা ।
- ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠাণ্ডা কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট ।
- ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট ।
- বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট ।

চিকিৎসার জন্য দরকার প্রথমেই রোগ নির্ণয় । রক্ত পরীক্ষায় বিশেষত ইয়োসিনোফিল এবং সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা বেশি থাকে আছে কিনা দেখা হয় অ্যাজমা নির্ণয়ে ।
এবং এলার্জির জন্য স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয় । এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পরে । বুকের এক্স-রে করে দেখা হয় যে অন্য কোন কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট কি না তা জানতে । কিছু কিছু বিষয়ে সচেতনতা হাঁপানি থেকে দূরে রাখে ।
১. এলাজেন পরিহার : অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এলার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা । তাই এজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এলার্জি হয় ।
২. ওষুধপত্র : নানা ধরনের হাঁপানির ওষুধ আছে । প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন । সাধারণত দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয় ।
ক) শ্বাসনালির সঙ্কোচন বন্ধ করতে ওষুধ ব্যবহার করা, যেমন ব্রঙ্কোডাইলেটর, নালবিউটামল, থিউফাইলিন, ব্যামবুটারল
খ) প্রদাহ নিরাম

14/02/2023

হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ। কার্যত এটি শ্বাসনালীর অসুখ। শ্বাসকষ্টজনিত কারণে সাধারণত অ্যাজমা বা হাঁপানির সৃষ্টি হয়। হাঁপানি মানুষের দেহের এক অসহনীয় ও যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি। আর এই শ্বাসকষ্টের উপদ্রব হয় নানা রকম অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী অ্যালার্জেনের কারণে। এগুলো হচ্ছে- পুরাতন ধুলাবালি, ফুলের রেণু, মাইটের মল, পরিবেশের ধুলা, পোষা প্রাণীর লোম ইত্যাদি। অ্যালার্জিজনিত হাঁপানির একটি প্রধান কারণ হচ্ছে ধুলা। মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে ধুলাবালি এমন এক বিরক্তিকর জিনিস, যা কিনা এড়িয়ে চলা সম্ভব নয়। বাসাবাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা ধুলাবালি, অফিসের খাতাপত্র বা ফাইলে জমে থাকা ধুলা এবং রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত যে ধুলা উড়ছে, তা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের প্রধান উদ্রেককারী। ধুলাবালি মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। অন্য অ্যালার্জেনের চেয়ে ধুলা খুব সহজে নিঃশ্বাসের সঙ্গে মানুষের ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে। ফলে খুব দ্রুত সর্দি-কাশি হয় এবং শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি হয়। সারা বিশ্বে ৩০ কোটিরও বেশি মানুষ অ্যাজমা বা হাঁপানিতে আক্রান্ত। বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫০ হাজার মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশকে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। প্রতি বছর মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়। ধুলা বা ময়লা হাঁপানির জন্য ক্ষতিকর। কারণ এতে মাইট, ফুলের রেণু, তুলার আঁশ, পোষা প্রাণীর লোমে ব্যাকটেরিয়া ও বিভিন্ন প্রকার ছত্রাক মিশে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাইটের কারণেই প্রধানত ধুলাবালি অ্যাজমা রোগীদের জন্য বিপজ্জনক। মাইটের শরীর থেকে নির্গত মল, লালা, রস ধুলার সঙ্গে মিশে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে দেহে প্রবেশ করে অ্যালার্জির সৃষ্টি করে। আর ধুলাজনিত অ্যালার্জির কারণে অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা বেশি। গ্রামের তুলনায় শহরের বেশিরভাগ লোক এ রোগে আক্রান্ত হয়। শহরে দূষিত বায়ুর কারণে এ ধরনের রোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া ঋতু পরিবর্তনের ওপরেও হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের হ্রাস-বৃদ্ধি নির্ভর করে।

হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট থেকে বাঁচতে ধুলাবালিযুক্ত পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। ঘর পরিস্কার ও বিছানাপত্র ঝাড়ূ দেওয়ার সময় মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। মাইট বেড়ে ওঠার উপযুক্ত পরিবেশ যাতে সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের

14/02/2023

হাঁপানি হল ফুসফুসীয় শ্বাসনালির দীর্ঘ মেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ।[৩] এর বৈশিষ্ট্য হল রোগটি বিভিন্ন মাত্রায় ও বার বার লক্ষন দেখা দেওয়া এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা না করলে খারাপ হতে থাকা, শ্বসনপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হওয়া, এবং সহজেই বা অল্পতেই ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসনালি সরু হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে যাওয়া যার ফলে হাঁপানি বেড়ে যায়।[৮][৯] লক্ষনগুলোর মধ্যে আছে শো শো শব্দ হওয়া, কাশি, বুকে চাপ অনুভব করা (বুকের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া), এবং স্বল্প মাত্রায় শ্বাস নিতে পারা।[২] এগুলো এক দিনে একাধিকবার হতে পারে আবার এক সপ্তাহে ধীরে ধীরে হতে পারে।[৩] ব্যক্তিভেদে হাঁপানির লক্ষনগুলো রাতে বেড়ে যেতে পারে বা ভারি কাজ বা ব্যায়াম বা খেলাধূলা করলেও বেড়ে যেতে পারে।[৩]

হাঁপানি জিনগত এবং পরিবেশগত কারনে হয় বলে ধারণা করা হয়।[৪] পরিবেশগত কারনগুলোর মধ্যে আছে বায়ু দূষন এবং বাতাসে এ্যালার্জেন বা এ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদানের উপস্থিতি।[৩] অন্য কারনগুলো হল এসপিরিনজাতীয় ঔষধ এবং বেটা ব্লক করে এমন এমন ঔষধ সেবন করা।[৩] লক্ষনের ধরন দেখে পরিক্ষা করা হয়, তার ভিত্তিতে যে ঔষধ প্রয়োগ করা হয় তা ব্যক্তির উপর কিভাবে কাজ করছে তা দেখা হয় (দীর্ঘ মেয়াদে) এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হয় স্পাইরোমেট্রি। [৫] হাঁপানি কতটুকু জটিল তা বুঝার জন্য লক্ষনগুলো কত দ্রুত দেখা দেয় তা দেখা হয়, সেই সাথে এক সেকেন্ডে প্রশ্বাসের ভলিউম কতটুকু তাও যোগ করা হয় যাকে (FEV1)বলে এবং পিক ফ্লো ব্যবহার করা হয়।[১০] এটপিক এবং নন এটপিক হিসেবেও একে ভাগ করা হয় যেখানে এটপিক হল টাইপ ১ ধরনের সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখানো।[১১][১২]

এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করাতে পারে এমন কোন ঔষধ তেরী হয়নি, কিন্তু এটিকে সহজেই চিকিৎসা করে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় রাখা যায়।[৩] উপসর্গগুলো দেখা দেবার পূর্বেই যে কারনগুলো হাঁপানির উদ্রেক করে যেমন এ্যালার্জেন, শ্বাসতন্ত্রের প্রতি হুমকি এমন পরিবেশ বা উপাদান, সেগুলো বন্ধ করতে পারলে এবং সেই সাথে কর্টিকোস্টেরয়েড গ্রহণ করলে হাঁপানির উপসর্গগুলো বন্ধ করা যায়।[১৩][১৪] শুধুমাত্র কর্টিকোস্টেরয়েড দিয়ে যদি হাঁপানি নিয়ন্ত্রিত না হয়, তাহলেদীর্ঘ-মেয়াদি বেটা এগনিস্ট অথবা এন্টিলিউকোট্রিন এজেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।[১৫][১৬] যখন দ্রুত হাঁপানি বাড়তে থাকে তখন শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা যেতে পারে স্বল্প মেয়াদি

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asthma point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram