Asthma Medication

Asthma Medication আপনাদের সন্তুষ্টি আমাদের সফলতা

হাঁপানির বৈশিষ্ট্য হল বারবার শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে শো শো শব্দ হওয়া ও কষ্ট সহকারে শ্বাস নেয়া, বুকে চাপ ধরা বা বুকের পেশ...
11/03/2023

হাঁপানির বৈশিষ্ট্য হল বারবার শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে শো শো শব্দ হওয়া ও কষ্ট সহকারে শ্বাস নেয়া, বুকে চাপ ধরা বা বুকের পেশি শক্ত হওয়া, শ্বাস প্রশ্বাসের স্বল্পতা (শ্বাসকষ্ট) এবং কাশি।

11/03/2023

এ-জ-মা/হাঁ-পা-নি
----------------------
এ-জ-মা / হাঁ-পা-নি মূলত ফুসফুসীয় শ্বা-স-না-লি-র দীর্ঘ মেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ।

এই রোগের বৈশিষ্ট্য হল রোগটি বিভিন্ন মাত্রায় ও বার বার লক্ষন দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা না করলে খারাপ হতে থাকে।
শ্ব-স-ন প্র-ক্রি-য়া বাধাগ্রস্থ হওয়া, এবং সহজেই বা অল্পতেই ব্র-ঙ্কো-স্পা-জ-ম বা শ্বা-স-না-লি সরু হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে যাওয়া, যার ফলে হাঁ-পা-নি বেড়ে যায়।

রোগের লক্ষনগুলোর মধ্যে আছে বুকের ভেতর থেকে গলা পর্যন্ত শো শো শব্দ হওয়া, কাশি, বুকে চাপ অনুভব হওয়া (বুকের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া)এবং স্বল্প মাত্রায় শ্বা-স নিতে পারা।

এগুলো এক দিনে একাধিকবার হতে পারে আবার এক সপ্তাহে ধীরে ধীরে হতে পারে।

ব্যক্তিভেদে হাঁ-পা-নি'র লক্ষনগুলো রাতে বেড়ে যেতে পারে বা ভারি কাজ বা ব্যায়াম বা খেলাধূলা করলেও বেড়ে যেতে পারে।

হাঁ-পা-নি জিনগত এবং পরিবেশগত কারনে হয় বলে ধারণা করা হয়।
আবার কখনো কখনো রক্তে অতিমাত্রায় এ-লা-র্জি ও ক্ষতিকর টক্সিন এর প্রভাবে এই রোগের উপদ্রব লক্ষ্য করা যায়।
পরিবেশগত কারনগুলোর মধ্যে আছে বায়ু দূষন এবং বাতাসে এ্যা-লা-র্জে-ন বা এ্যা-লা-র্জি উদ্রেককারী উপাদানের উপস্থিতি।

স্ব-চেতনতা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ জীবন যাপন করা যায়।

বিগত কয়েক দশকে এজমা ও এলার্জি রোগ ও রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সময়ের অধিক ক্ষমতার ঔষধ উপসর্গ ভিত্ত...
11/03/2023

বিগত কয়েক দশকে এজমা ও এলার্জি রোগ ও রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সময়ের অধিক ক্ষমতার ঔষধ উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসায় কার্যকর প্রমাণিত হলেও এরোগ সমূহের নিরাময় ও পুরাপুরি আরোগ্য লাভে অকার্যকর।

অধুনা ব্যবহৃত ঔষধসমূহ এজমা ও এলার্জি রোগের উপশম ও নিয়ন্ত্রণে ‘সক্ষম’, কিন্তু ‘রোগ-প্রকৃতি’ (Disease process) পরিবর্তনে সম্পূর্ণভাবে অসমর্থ। ফলে ভুক্ত-ভুগিরা ঔষধ-নির্ভরতায় আজীবন এ রোগের সাথে যুদ্ধ করে চলে।

রোগের ‘মূল-প্রকৃতি পরিবর্তনে’ সক্ষম এমন একটি চিকিৎসা-ব্যবস্থার অভাব অনেকদিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল। যাতে এ ধরণের রোগ থেকে সম্পূর্ণ নিরাময় বা আরোগ্য লাভ সম্ভব হয়। যা বহুল প্রত্যাশিত ও সময়ের দাবি।

‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ (Allergen Immunotherapy AIT) বিশেষ ধরনের এলার্জি চিকিৎসা, যা ইতিপূর্বে Hyposensitization বা Desensitization নামে অভিহিত এবং অধুনা Allergy Vaccine নামে পরিচিত।

‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ (AIT)- এজমা ও এলার্জিক রোগীর অসংযত, বিচ্যুত ‘প্রতিরোধ ব্যবস্থা’কে (Immune System) ইতিবাচক সংযত ও পরিমিত পরিবর্তনে যথাযথ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ রোগের ‘মূলীয় প্রকৃতি পরিবর্তনে’ (Disease process Modifying) কার্যকর বলেই এজমা ও এলার্জি –এ পদ্ধতিতে আরোগ্যলাভে সক্ষম। ইহাই অধুনা বিজ্ঞান ভিত্তিক এলার্জি চিকিৎসা।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

নিম পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা অনেক । নিম একটি গাছ । নিম গাছের ছাল , পাতা ও বীজ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহত হয় । নিম পাতা চোখের রো...
10/03/2023

নিম পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা অনেক ।
নিম একটি গাছ । নিম গাছের ছাল , পাতা ও বীজ ওষুধ তৈরিতে ব্যবহত হয় । নিম পাতা চোখের রোগ , রক্তাক্ত নাক , কুষ্ঠ রোগ , পেট খারাপ হওয়া , ত্বকের সমস্যা , জ্বর , ডায়বেটিস , মাড়ির রোগ ও লিভারের জন্য ব্যবহত হয় । নিম পাতা শুধু যে উপকার করে তা না , এর কিছু অপকারিতাও আছে

নিম পাতার উপকারিতা :
১। নিম অ্যান্টি এজিং বৈশিষ্ট্যের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত । এর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে নিম ক্ষতিকারক UV রশ্মি , দূষণ ও অন্যান্য পরিবেশগত কারণ থেকে ত্বককে রক্ষা করে । নিমের ভিটামিন ও ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করে এবং বজায় রাখে , বলি রেখাও কমায় ত্বকের । এটি আপনাকে ও আপনার ত্বককে পুনরুজ্জীবিত ও তরুণ দেখাবে ।

২। ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় নিম পাতা ব্যবহার করা হয় । এগুলো চিকেন পক্সের পাশাপাশি আঁচিলের চিকিৎসার জন্য ও ব্যবহার করা হয় । নিম পাতার পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগালে বা নিম সিদ্ধ করা পানি দিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে গোসল করালে আক্রান্ত ব্যক্তি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায় ।

৩। নিমের পাতা আমাদের শরীরের হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে । নিম পাতায় শক্তিশালী ক্যালসিয়াম ও খনিজ উপাদান আছে যা আমাদের শরীরের প্রতিটি হাড় মজবুত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে ।

আপনি চাইলে নিমের পাতার তেল বানিয়ে নিতে পারেন । এই তেল বয়স্ক রোগীদের বাতের ব্যথা ও বয়সের সাথে সাথে আসা যেকোনো শক্ততা বা ব্যথা উপশম করতে পারে ।

৪। বাড়ির চারপাশের পোকামাকড় তাড়াতে নিম খুবই উপকারি । নিম পাতা পুড়িয়ে পোকামাকড় থেকে রক্ষা পেতে পারেন । এটি অত্যন্ত কার্যকর । মশা তাড়াতেও সাহায্য করে এই নিম পাতা ।

৫। নিম পাতা বিভিন্ন জীবাণুকে আপনার শরীরে আক্রমণ থেকে রক্ষা করে । নিয়মিত নিমপাতা বা নিম পাতার বড়ী খেলে ভালো ফল পাওয়া যাবে ।

নিম পাতা চিবানোর কারণে আমাদের মুখের লালায় একটি PH স্তর বজায় থাকে যা মুখের স্বাস্থ্যকে যেকোনো ধরনের ক্ষয় থেকে রক্ষা করে । এই কারণে নিম বিভিন্ন ধরনের টুথপেস্টে উপস্থিত একটি সক্রিয় উপাদান ।

৬। নিম চা জ্বর কমাতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে । বিশেষ করে ম্যালেরিয়া ।

৭। দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও যত্নের জন্য নিমের ডাল চিবানো একটি বহু প্রাচীন ঐতিহ্য । আগের যুগের মানুষেরা নিমের ডাল দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতো । তবে বর্তমান যুগে নিম ভিত্তিক টুথপেস্ট পাওয়া যায় । যার অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়া , অ্যান্টি ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যের কারণে দাঁতের সমস্ত ধরনের সংক্রমণ ও রোগকে দুরে রাখে ।

৮। নিম চুলের গুনমানকে শক্তিশালী করতে ও চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে । চুলের কন্ডিশনার হিসেবেও নিমের পেস্ট ব্যবহার করা হয় ।

৯। নিমের পেস্ট ত্বকের ব্রণ কমাতে ও ব্রণের দাগ সাড়াতে সাহায্য করে । নিমের পেস্ট ত্বকের সূক্ষ্মতা , চুলকানি ও লালভাব দুর করে ।

হাঁপানি কিভাবে প্রবেশ করে?মানবদেহে হাঁপানি তিনভাবে প্রকাশ হতে পারেঃআপাত সুস্খ লোকের হঠাৎ শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়ে কয়েক মিনি...
09/03/2023

হাঁপানি কিভাবে প্রবেশ করে?

মানবদেহে হাঁপানি তিনভাবে প্রকাশ হতে পারেঃ

আপাত সুস্খ লোকের হঠাৎ শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়ে কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পরে কষ্ট উপশম এবং রোগী আবার নিজেকে সুস্খ মনে করেন।

শ্বাসকষ্ট হঠাৎ আরম্ভ হয়ে আর কমে না; উপরন্তু বেড়ে যেতে থাকে। কোনো ওষুধে হাঁপানি কমে না। যদি এ অবস্খা বারো ঘণ্টার বেশি স্খায়ী হয়, তবে সে ধরনের হাঁপানিকে বলা হয় স্ট্যাটাস অ্যাজম্যাটিকাস বা অবিরাম তীব্র হাঁপানি।

একশ্রেণীর রোগীর শ্বাসপথে বাতাস চলাচলে সব সময়েই অল্প বাধা থাকে। বহু দিন এ অবস্খা থাকার ফলে কষ্টের অনুভূতি কম হয় এবং রোগী অল্প কষ্ট অনুভব করেন। কোনো কারণে শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে আরো বাধার সৃষ্টি হলে তখনই হাঁপানির কষ্ট অনুভূত হয়।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

বাসাবাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা ধুলোবালি, অফিসের খাতাপত্র বা ফাইলে জমে থাকা ধুলো এবং রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত যে ধুলো উড়ছ...
09/03/2023

বাসাবাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা ধুলোবালি, অফিসের খাতাপত্র বা ফাইলে জমে থাকা ধুলো এবং রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত যে ধুলো উড়ছে তা হাঁ'পানি বা শ্বাস'কষ্টের প্রধান উদ্রেককারী।

ড্রাই ফ্রুটের মধ্যে আমাদের কাছে অন্যতম পরিচিত হচ্ছে কিশমিশ। পোলাও, পায়েসসহ বিভিন্ন রান্নায় মূলত কিশমিশ ব্যবহার করা হয়ে থ...
09/03/2023

ড্রাই ফ্রুটের মধ্যে আমাদের কাছে অন্যতম পরিচিত হচ্ছে কিশমিশ। পোলাও, পায়েসসহ বিভিন্ন রান্নায় মূলত কিশমিশ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার স্বাস্থ্য সচেতনদের অনেকেই কিশমিশ ভেজানো পানি পান করে থাকেন।

বিভিন্ন খাবারে কিশমিশ দিলে স্বাদ যেন কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া চীনাবাদাম, আলমন্ড বা কাজুবাদামের মতো ড্রাই ফ্রুট খেতে যদি স্বাদ না পান, তবে স্বাদ বৃদ্ধি করতে সেগুলো কিশমিশের সঙ্গে চিবিয়ে খেতে পারেন।

কিশমিশ অনেক পরিচিত হলেও কিন্তু এর স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেকেই জানেন না। গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ বিভিন্ন রোগে অনেক উপকারী ভূমিকা রাখে এটি। জানুন কিশমিশ খাওয়ার সাত স্বাস্থ্য উপকারিতা—

১. হজমে সহায়তা করে
প্রতিদিন কয়েকটি কিশমিশ খেলে পেট ভালো থাকে। এতে ফাইবার থাকে, যা পানির উপস্থিতিতে ফুলে উঠতে শুরু করে। আর এগুলো পেটে রেচক প্রভাব দেয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতিদিন কিশমিশ খেলে তা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়মিত রাখে এবং তাতে থাকা ফাইবারগুলো বিষাক্ত পদার্থ ও বর্জ্য পদার্থকে সিস্টেমের বাইরে রাখতেও সাহায্য করে।

২. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমায়
কিশমিশে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম অনেক ভালো মাত্রায় থাকে। আর এগুলো অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া সিস্টেম থেকে টক্সিন অপসারণ করার পাশাপাশি আর্থ্রাইটিস, গাউট, কিডনিতে পাথর এবং হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

৩. রক্তাল্পতায় উপকারী
কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স থাকায় তা রক্তাল্পতার চিকিৎসায় সাহায্য করে। আর কিশমিশে থাকা তামা লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতেও সাহায্য করে।

৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে
কিশমিশে ক্যাটেচিং নামের একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে এটি শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল কার্যকলাপ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, যা টিউমার এবং কোলন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

৫. সংক্রমণের চিকিৎসায় সাহায্য করে
কিশমিশে পলিফেনলিক ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকে যেটি অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে সুপরিচিত। আর এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলো প্রদর্শন করায় তা জ্বরের ঝুঁকি কমাতে এবং ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। এ জন্য দিনে কয়েকটি কিশমিশ খেলে তা আপনার ঠাণ্ডা এবং অন্যান্য সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

৬. ওজন বৃদ্ধি করতে উপকারী
আপনি যদি ওজন বৃদ্ধি করতে চান, তা হলে আপনার জন্য সেরা হতে পারে কিশমিশ। এটি ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ সমৃদ্ধ এবং আপনাকে প্রচুর শক্তি দিতে পারে। আর এটি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল না জমতে দিয়ে ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৭. ত্বকের জন্য উপকারী
কিশমিশ ত্বককে ভেতর থেকে রক্ষা করে কোষকে যে কোনো ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ, কোলাজেন এবং ইলাস্টিনের ক্ষতি থেকে ফ্রি র্যাডিকেলগুলোকে বাধা দেয়। এ কারণে এটি বার্ধক্যের লক্ষণ যেমন বলি, সূক্ষ্ম রেখা ও ত্বকে দাগ দেখা দেওয়ার সমস্যা বিলম্ব করতে সাহায্য করে।

এ'জমা থেকে মুক্তি নিন স্থায়ীভাবে ,,,ই'ন,হেলার ছেড়ে দিন ১৫-২০দিনের মধ্যেই!শতভাগ ন্যাচরাল সমাধান! সঠিক সমাধান পেতে আপনার ন...
09/03/2023

এ'জমা থেকে মুক্তি নিন স্থায়ীভাবে ,,,ই'ন,হেলার ছেড়ে দিন ১৫-২০দিনের মধ্যেই!শতভাগ ন্যাচরাল সমাধান!

সঠিক সমাধান পেতে আপনার নাম ও নাম্বার ইনবক্সে প্রদান করুন আমাদের স্পেশালিষ্ট আপনার সাথে যোগাযোগ করবে!

এজমা কি? এজমা থেকে মুক্তির উপায়বর্তমানে এজমা সমস্যার নাম শুনে নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমরা নিজেরা কিংবা আমাদে...
07/03/2023

এজমা কি? এজমা থেকে মুক্তির উপায়

বর্তমানে এজমা সমস্যার নাম শুনে নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমরা নিজেরা কিংবা আমাদের আশেপাশে বহু লোক এই এজমা সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ কারনবশত শ্বাসনালী সরু বা সংকুচিত হয়ে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা তৈরী হয়। সেটাই এজমা বা হাঁপানি। বিশেষজ্ঞদের মতে হাপানি স্থায়ী ও বংশানুক্রমিক একটি অসুখ। আরো বলা হয় এই রোগের কোনো নিরাময় নেই৷ অর্থাৎ এমন কোনো সমাধান নেই যার ফলে একবারে এজমা সমস্যা নির্মূল হয়ে যাবে৷

তবে চিন্তার কোনো কারন নেই। এজমা কোনো মরণব্যাধী রোগ নয়। এজমা থেকে মুক্তি কিংবা সাময়িক নিরাময়ের অনেক উপায় রয়েছে। এসব চিকিৎসা করালে এবং জীবনযাপনের সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চললে, এজমা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাপনে কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না এজমা থেকে মুক্তির উপায় কি। এ কারনে এজমার প্রকোপ অনেক মানুষকে নাজেহাল করে দেয়। তাই আমরা আজকে এজমা কি? কেন হয়? এবং এজমা থেকে মুক্তির উপায় গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

বিষয় বস্তুসমূহঃ

এজমা কি?এজমার কারনএজমার ধরনঅ্যাজমার উপসর্গএজমা থেকে মুক্তির উপায় চিকিৎসার মাধ্যমে এজমা থেকে মুক্তিদ্রুত ত্রাণ বা উদ্ধারকারী ঔষধদীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণজীবনধারার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এজমা থেকে মুক্তিশিশুর এজমা সমস্যা ও চিকিৎসাশেষকথা

এজমা কি?

শ্বাসনালীতে অনেক সময় ইওসিনোফিল কোষ ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়। ফলে শ্বাসনালীর ছিদ্রপথ সংকুচিত হয়ে যায়। তখন শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয় ও শ্বাসনালিতে প্রদাহ তৈরী হয়। শ্বাসনালী সরু হয়ে যাওয়া ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী এই অবস্থাকেই বলা হয় এজমা। তবে অনেকেই শ্বাসকষ্ট ও এজমাকে এক করে ফেলেন। এজমার কারনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে এজমা ও শ্বাসকষ্ট এক জিনিস নয়। শ্বাসকষ্ট অনেক রোগের উপসর্গ মাত্র।

এজমার কারন

প্রকৃতপক্ষে কি করনে এজমা হয় তা এখনও জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন বংশগত কিংবা পরিবেশগত কারনে এজমা হতে পারে। সব বয়সের মানুষেরই এজমা হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ গুরুতর। সাধারণত শীতকালে, শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাসের উপস্থিতিতে এজমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ধুলাবালি, আগাছা, কীটপতঙ্গ, পশুপাখির পালক অথবা বিভিন্ন খাবারের প্রভাবে এজমা দেখা যায়।

এলার্জি খুবই সাধারণ একটি রোগ। তবে ব্যক্তি ভেদে এর ধরনে ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন, অনেকের ধুলোবালির সংস্পর্শে আসলে কিংবা নির...
07/03/2023

এলার্জি খুবই সাধারণ একটি রোগ। তবে ব্যক্তি ভেদে এর ধরনে ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন, অনেকের ধুলোবালির সংস্পর্শে আসলে কিংবা নির্দিষ্ট কিছু খাবার যেমন, গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, বেগুন ইত্যাদি খেলে এলার্জি জনিত প্রদাহ দেখা যায়।

অনেকের আবার ফুলের রেণু, পারফিউম, সাবান ইত্যাদি থেকেও এলার্জি হতে পারে। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও আমাদের এলার্জি হয়ে থাকে।

তাছাড়া, এলার্জির লক্ষণও বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন -

🔹 ত্বকের রঙ পরিবর্তন হওয়া, যেমন, লাল লাল দাগ দেখা দেওয়া
🔹 চুলকানি হওয়া
🔹 ব্রণের মত ফুসকুড়ি হওয়া
🔹 ত্বকে ফাটল
🔹 জ্বালাপোড়া ভাব

প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে আপনি হাত-মুখ ভাল করে পানি দিয়ে ধুয়ে ধুলোবালি থেকে দূরে থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। তবে অবস্থা বেগতিক হলে অবশ্যই একজন চর্ম বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন।

চুল, ত্বক এবং নখের যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে যোগাযোগ করুন। রোগীগণ জরুরী প্রয়োজনে টেলিমেডিসিনে সেবা গ্রহন করতে পারেন।

আসসালামু আলাইকুম। এজমা- হাঁপানি -এলার্জি নিয়ে ভয় আর নয়।বাংলাদেশ সাইন্সল্যাবের অনুমোদনপ্রাপ্ত ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্ট স...
07/03/2023

আসসালামু আলাইকুম।
এজমা- হাঁপানি -এলার্জি নিয়ে ভয় আর নয়।
বাংলাদেশ সাইন্সল্যাবের অনুমোদনপ্রাপ্ত ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্ট সেবন করে ইনশাআল্লাহ ৭থেকে ১০দিনের মধ্যে মেডিসিন/ইনহেলার পরিহার করুন।

সারাদেশে হোম ডেলিভারি এবং ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাসহ বুঝে নিন আমাদের পন্য।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা যোগাযোগ এর জন্য ফোন করুন☎️ 01612130998 নাম্বারে

Address

Muradpur
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asthma Medication posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Asthma Medication:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram