Upasam Physio Centre

Upasam Physio Centre Upasam Physio Centre provides Physiotherapy Consultation and Treatment for wide range of Conditions

৭০% PLID রোগীদের SI জয়েন্ট ডিসফাংশন থাকে। আর তার ডায়াগনোসিস করতে শুধু Xray তে নয়, ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন সবচেয়ে বেশি জরুর...
02/12/2025

৭০% PLID রোগীদের SI জয়েন্ট ডিসফাংশন থাকে। আর তার ডায়াগনোসিস করতে শুধু Xray তে নয়, ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন সবচেয়ে বেশি জরুরি।

এ সকল রোগীদের PLID ব্যথা ভাল হয়ে যাবে, মানে কোমরে বা পায়ে তেমন ব্যথা থাকবে না। SLR ৭৫ ডিগ্রীর বেশি থাকবে, পায়ে দূর্বলতা থাকবে না। কিন্তু কোমরে এক পাশে বা দুই পাশে কোমর বরাবর বা বাটকের নিচে একটা গভীর ব্যথা থাকবে যা বসে থাকলে বাড়ে, হাটাচলা করলে কিছুটা বাড়ে, আর বিছানায় এপাশ ওপাশ কাত হতে বা বিছানা থেকে উঠতে ব্যথা লাগবে।

Xray নরমাল আসতে পারে, কিন্তু ফিজিক্যাল টেস্ট অনুযায়ী রোগ নির্নয় করতে হবে। ইরানের একটা গবেষণা PLID রোগীদের SI জয়েন্ট এর সমস্যা কেমন হতে পারে ও ফিজিক্যাল টেস্ট কি হতে পারে সেটি নিয়ে গবেষণা প্রকাশ করেছে।

১) ৯৮% PLID রোগীদের দাঁড়ানো অবস্থায় PSIS এ হাত দিয়ে ধরে রাখলে, যদি সামনে ঝুকে তবে একদিক উচু আরেকদিক নিচু হয়। এ টেস্টের আরেকটা ভ্যারিয়েশন হলো, দাঁড়ানো অবস্থায় দুইপাশের PSIS একটা সমান লেভেলে থাকলেও, সামনে ঝুকে আবার সোজা হয়ে দাড়ালে দুই পাশের PSIS অসমান থাকে।

২) ৮৫% রোগীদের প্যাট্রিকস ফেভার টেস্ট পজিটিভ থাকে। চিত হয়ে শোয়া অবস্থায় এক পা সোজা রেখে তার হাটুর উপর আরেক হিপ জয়েন্টে ভাজ করে, হাটু ভাজ করে,গোড়ালী রেখে চাপ দেয়া হয় তখন SI জয়েন্ট বরাবর বা কোমরে ব্যথা হয়।

৩) ৯১% রোগীদের লং সিটিং টেস্ট পজিটিভ থাকে। চিত হয়ে শুয়ে দুই পা সোজা করে গোড়ালী মেলানো হয়, তারপর পা লম্বা রেখেই উঠে বসলে দেখা যায় গোড়ালী উচু নিচু হচ্ছে।

৪) ৮২% রোগীর গিলেটস টেস্ট পজিটিভ থাকে। রোগী দাঁড়ানো অবস্থায় ফিজিও এক বৃদ্ধাংগুল দিয়ে PSIS ও আরেকটি দিয়ে S2 স্পাইনাস প্রসেস ধরবে। রোগী বৃদ্ধাংগুল দিয়ে PSIS এর দিকের পায়ে ভর দিয়ে অন্য হাটু ভাজ করে পা উচু করলে PSIS, S2 এর তুলনায় পিছনের দিকে ও নিচের দিকে মুভ করবে না।

৫) ৯১% রোগীর স্ফিংস টেস্ট পজিটিভ থাকে। রোগী উপুড় হয়ে শুয়ে নৌকার মত বুক উপরে তুললে দুই পাশের সেক্রাল সালকাস ও ইনফেরিয়র এংগেল উচু নিচু হবে।

ডা: কে এম আমরান পিটি

শিশুর গলায় ছোট ছোট গুটি দেখলে বাবা–মায়ের দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে যা জানা দরকার, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি সার্ভি...
21/11/2025

শিশুর গলায় ছোট ছোট গুটি দেখলে বাবা–মায়ের দুশ্চিন্তা স্বাভাবিক। কিন্তু এখানে যা জানা দরকার, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি সার্ভিকাল লিম্ফ্যাডেনোপ্যাথি – মানে ঘাড়ের লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া, এবং এর মূল কারণ সাধারণ সংক্রমণ। এখন বিষয়টা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করি।

লিম্ফ নোড আসলে শরীরের পাহারাদার। কোন জীবাণু আক্রমণ করলে এরা ফুলে ওঠে, কারণ ভেতরে রোগ প্রতিরোধের লড়াই চলছে। তাই সামান্য infection–এ গলায় গুটি হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

এবার কারণগুলো সহজভাবে দেখি।

সবচেয়ে সাধারণ কারণ ভাইরাল সংক্রমণ। সর্দি–কাশি, ফ্লু, হাম–রুবেলা, চিকেনপক্স, EBV বা CMV সবই লিম্ফ নোড ফুলিয়ে দিতে পারে। ভাইরাল ইনফেকশনে গুটি সাধারণত নরম থাকে, একটু নড়াচড়া করে, আর ব্যথা কমবেশি থাকতে পারে। এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগ নোড কয়েক সপ্তাহে নিজে থেকেই ছোট হয়ে যায়।

ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণেও একই ঘটনা হতে পারে। স্ট্রেপ থ্রোট, টনসিলাইটিস, কানের ইনফেকশন, ত্বকের ইনফেকশন, দাঁত বা মাড়ির সমস্যা—এসব কারণে ঘাড়ের নোড ফুলে উঠতে পারে। এগুলো সাধারণত বেশি ব্যথা দেয় এবং শিশুর জ্বর থাকতে পারে। ঠিকমতো চিকিৎসা পেলে গুটি কমে আসে।

আরো কিছু কমন কারণ আছে। বিড়ালের আঁচড়ের পর Bartonella নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে নোড ফুলে থাকে। আবার TB–তেও ঘাড়ের নোড বড় হয়, কিন্তু এটি তুলনামূলক কম দেখা যায়। খুব কম ক্ষেত্রে অটোইমিউন রোগ বা রক্তের ক্যান্সারের মতো জটিল সমস্যায়ও নোড বড় হতে পারে, কিন্তু এগুলো বিরল।

এখন প্রশ্ন হলো—কখন চিন্তা করবেন, কখনই বা দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে?

যদি গুটিটা ২ সেন্টিমিটারের বেশি বড় হয়, খুব শক্ত লাগে বা নড়াচড়া না করে, তাহলে একটা চেকআপ দরকার। যদি গুটির উপরিভাগ লাল হয়ে যায়, স্পর্শে ব্যথা বাড়ে, বা পুঁজ হওয়ার মতো মনে হয়—এটাও সতর্ক হওয়ার বিষয়। তিন–চার সপ্তাহ কেটে গেলেও যদি গুটি কমে না আসে বা বরং বাড়ে, তখন দেরি করবেন না।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিগনাল আছে। শিশুর বারবার জ্বর, রাতে ঘাম, ওজন কমে যাওয়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি—এগুলো থাকলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে। আর গুটি যদি কলার বোনের উপর (supraclavicular area) দেখা যায়, সেটাও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।

সংক্ষেপে বললে, গলা বা ঘাড়ে গুটি দেখা মানেই বড় সমস্যা নয়। অধিকাংশ সময় কারণ সাধারণ সংক্রমণ আর কয়েক সপ্তাহে সব ঠিক হয়ে যায়। তবুও যেসব লক্ষণ বললাম, সেগুলো দেখলে দ্রুত মূল্যায়ন করালে ভালো।

Dr.Tanvir Ahmed

21/11/2025

Exciting news from the world of medical research: GLP-1 drugs, including popular treatments like Ozempic, have been linked to a lower risk of colorectal cancer de@th. This finding could open new avenues for cancer prevention alongside diabetes and weight management therapies.

Researchers studied patients using GLP-1 receptor agonists and found that these drugs may have protective effects beyond blood sugar control. By influencing metabolism, inflammation, and cell growth in the gut, GLP-1 drugs could reduce the progression of colorectal cancer, one of the leading causes of cancer-related de@th worldwide.

While more research is needed to fully understand the mechanisms, this discovery is significant because it suggests a dual benefit: managing diabetes and potentially lowering colorectal cancer risk. Experts emphasise that patients should continue medications as prescribed and discuss any health concerns with their doctors.

This revelation highlights the growing importance of drugs that not only treat chronic conditions but also provide unexpected protective effects, potentially reshaping preventive healthcare strategies for high-risk populations.

]
21/11/2025

]

🌟 মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ানো—এটা কঠিন নয়, দরকার শুধু সঠিক অভ্যাস! 🌟

আমাদের মস্তিষ্ক একটা পেশির মতো—যত ব্যবহার করা হবে, ততই শক্তিশালী হবে।
ঠিক এই সত্যটাই মনে করিয়ে দেয় সংযুক্ত ছবির তথ্যগুলো। ✨

আজকের ব্যস্ত জীবনে ভুলে যাওয়া, মনোসংযোগে সমস্যা, ক্লান্তি… এসব খুবই সাধারণ।
কিন্তু একটু সচেতন হলে আমরা নিজেরাই বদলে দিতে পারি মস্তিষ্কের শক্তি ও স্মৃতিশক্তি। 🧠💪💡

👉 নিয়মিত ব্যায়াম,
👉 মস্তিষ্কের খেলা (Puzzle, Sudoku, Chess)
👉 এক কাজে মনোযোগ রাখা,
👉 পর্যাপ্ত ঘুম,
👉 নতুন কিছু শেখা,
👉 দৈনন্দিন অভ্যাসে ছোট পরিবর্তন—এসবই পারে আপনার মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ, শান্ত ও কার্যকরী করে তুলতে।

যারা পড়াশোনা করেন, চাকরি করেন বা একজন ব্যস্ত গৃহিণী—সবার জন্যই এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ সুস্থ মস্তিষ্কই পারে আপনার প্রতিদিনকে বদলে দিতে!
চলুন, আজ থেকেই শুরু করি ছোট ছোট পরিবর্তন…
মস্তিষ্ককে দিন তার প্রাপ্য যত্ন। 🌿✨

#মস্তিষ্ক_সুস্থতা #স্বাস্থ্য_শিক্ষা

21/11/2025
19/11/2025
13/11/2025
অতি প্ৰয়োজনীয়, সবায় পড়েন, শেয়াৱ কৱেন 💙❤💚কৃমিনাশক খাওয়ানোর নিয়ম::যে কোন ডাক্তারের জন্যই বিব্রতকর হলো রোগীর গার্জিয়া...
12/11/2025

অতি প্ৰয়োজনীয়, সবায় পড়েন, শেয়াৱ কৱেন 💙❤💚
কৃমিনাশক খাওয়ানোর নিয়ম::

যে কোন ডাক্তারের জন্যই বিব্রতকর হলো রোগীর গার্জিয়ান এসে যখন বলে, " গতমাসে কৃমির ঔষধ দিলেন, এ মাসে তো দেখি আবারও কৃমি হইছে। এখন কি করবো? "

এই ক্ষুদ্র পরজীবিটি শরীরে নাই এমন কেউ বোধহয় আমাদের দেশে নাই। কারণ, আমরা মাটির কাছাকাছি থাকি, ধূলাবালি প্রচুর, খালি পায়ে হাঁটি। তারপরও যখন উপসর্গ দেখা দেয় তখন ঔষধ খেয়ে কমিয়ে রাখতে হয়।

আমরা সবসময় যে ভুলটা করি তা হলো একটু পেটব্যথা বমি বা আমাশয় হলেই মনে করি কৃমি হয়েছে। হুট করে কৃমির ঔষধ খাইয়ে দেই বাচ্চাদের।
এতে কি কি বিপদ হতে পারে?

১. খাবারে অরুচি বেড়ে যাওয়া
২. ক্রমাগত বমি
৩. পেটব্যথা
৪.পেট ফুলে যাওয়া, এমনকি পেটের নাড়ী বন্ধ হয়ে যাওয়া
৫.সারা শরীরে এলার্জিক র‍্যাশ দেখা দেয়া
৬. নাক মুখ দিয়ে কৃমি বের হয়ে আসা যাকে আমরা এসকারিয়াসিস (Ascariasis crisis) বলি।
৬. কৃমি শরীরের পিত্তথলিতে গিয়ে লুকিয়ে থাকতে পারে। পরে সেখানে ইনফেকশন ও জমাট বেঁধে পিত্ত নালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করতে পারে পাথরের মতো।

কৃমি কেন হয়?
এটা একটি চলমান চক্রাকার প্রক্রিয়া। কোন উপায়ে কৃমি বাচ্চার পেটে গেলে ( মুখ বা পায়ের চামড়া ভেদ করে) খাদ্য নালীতে কৃমি বাসা বাঁধে এবং রাতের বেলা মলদ্বারের আশে পাশে ডিম পাড়ে। এসব ডিম পায়খানার রাস্তা চুলকালে হাতের নখ থেকে আবার মুখের মাধ্যমে পেটে যাওয়ার সুযোগ পায়।

কখন কখন কৃমির ঔষধ খাওয়াবেন না?

১. বাচ্চা মাত্র কোন অসুখ থেকে সুস্থ হলো
২. জ্বর বা বমি থাকলে
৩.পাতলা পায়খানা চলা অবস্থায়
,👇👇👇👇👍👇👍
কখন খাওয়াবেন?

১. দুই বছরের নিচে পায়খানায় কৃমি দেখলে
২. দুই বছর বা এর উপরে ৬ মাস পর পর রুটিন করে
৩. .বাসার একজন খেলে বাকিরাও রুটিন হিসেবে।

কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়মাবলি

১. কৃমির উপদ্রপ বেশী হলে বা এসকারিয়াসিসের ভয় থাকলে আগে বাচ্চাকে সাতদিন এন্টিহিস্টামিন খাওয়াতে হবে। এতে কৃমিগুলে নির্জীব হয়ে যাবে এবং মৃত শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে শরীরে এলার্জিক রিয়াকশন করতে পারবে না।

২. এরপর যেদিন কৃমিনাশক খাওয়াবেন সে রাতে বাচ্চাকে ঔষধ খাইয়ে তার পায়খানা রাস্তা ভালো করে পরিস্কার করে নিজের হাতও ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আবার বাচ্চার পায়খানার রাস্তা ভালো করে ধুয়ে নিজেকে পরিস্কার করবেন। এতে মৃত কৃমির ডিমগুলো থেকে পুনরায় কৃমি পেটে ঢোকার সুযোগ কমে যায়।

৩. পরিবারের বাকিরাও কৃমিনাশক খাবেন এবং কৃমিনাশক দেয়ার পর বাচ্চার যেন অরুচি না হয় এজন্য একটা ভিটামিন সিরাপ খাওয়াতে হবে।

৪. পায়খানার রাস্তা বেশী চুলকালে মলম,ভেসলিন দিতে হবে ও পুরো জায়গাটা শুকনা রাখতে হবে।

কৃমি প্রতিরোধের উপায়

১.পরিস্কার পরিছন্নতাই একমাত্র উপায় কৃমি না হওয়ার।

২. বাচ্চার নখ কেটে সমান করে দিতে হবে এবং পরিস্কার রাখতে হবে।

৩. মুখে হাত দেয়া ও দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

৪.কোন কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই যেন হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে, এটা বাচ্চাকে খুব ভালো করে শেখাতে হবে।

৫. খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা যাবে না এবং বাচ্চাকে ধূলাবালি ময়লায় হাত দিতে মানা করতে হবে।

৬. রাতে বাচ্চা ঘুমের ঘোরে পায়খানার রাস্তা চুলকানোর চেষ্টা করলে, লম্বা পায়জামা পরাতে হবে বা ভেসলিন বা মলম দিতে হবে মলদ্বারে যেন চুলকানি না হয়।

৭. পায়খানা কষা হলে কৃ্মি পেটে বাসা বাঁধতে সুযোগ পায়। এজন্য নিয়মিত পায়খানা হওয়ার জন্য বেশী করে পানি ও শাকসবজি খেতে হবে।

৮. নিয়মিত ৬ মাস পর পর বাসার সবাই (কাজের লোকসহ) কৃমির ঔষধ খেতে হবে।
💚❤💙 গৱম, ঠান্ডা, মেঘ, বৃষ্টিপাত ইত্যাদির সাথে কৃমিনাশক খাওয়ানোৱ কোন সম্পৰ্ক নেই ।

কাজেই ছোট বলে অবহেলা নয়
নিয়মিত বাচ্চাকে কৃমিনাশক খাওয়াতে হয়।

Osteoporosis হলো এমন একটি হাড়ের রোগ, যেখানে হাড়ের ঘনত্ব (bone density) কমে যায় এবং হাড়গুলো দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে ...
12/11/2025

Osteoporosis হলো এমন একটি হাড়ের রোগ, যেখানে হাড়ের ঘনত্ব (bone density) কমে যায় এবং হাড়গুলো দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙে যেতে পারে — বিশেষ করে কোমর, কব্জি ও মেরুদণ্ডের হাড়ে।

🦴 সংজ্ঞা (Definition):

Osteoporosis হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে হাড়ের খনিজ উপাদান (বিশেষত ক্যালসিয়াম) কমে গিয়ে হাড়ের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে fracture-এর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

⚠️ কারণ (Causes):

1. বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে হাড়ের ক্ষয়

2. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা — বিশেষত মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে

3. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর ঘাটতি

4. শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভাব

5. ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ

6. দীর্ঘদিন কর্টিকোস্টেরয়েড ওষুধ সেবন

7. জেনেটিক কারণ

🧍‍♀️ লক্ষণ (Symptoms):

শুরুতে কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে

পিঠে বা কোমরে ব্যথা

উচ্চতা কমে যাওয়া

পিঠ বাঁকা হয়ে যাওয়া (Stooped posture)

সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়া

🔬 নির্ণয় (Diagnosis):

Bone Mineral Density (BMD) test — DXA scan দ্বারা হাড়ের ঘনত্ব মাপা হয়।

X-ray — দেরিতে হাড়ের ক্ষয় বোঝা যায়।

রক্ত পরীক্ষা — ক্যালসিয়াম, ভিটামিন D ইত্যাদি পরিমাপ করা হয়।

💊 চিকিৎসা (Treatment):

1. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D সাপ্লিমেন্ট

2. Bisphosphonates (যেমন alendronate, risedronate)

3. Hormone therapy — মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের জন্য

4. Calcitonin বা Denosumab

5. নিয়মিত ব্যায়াম ও রোদে থাকা

6. ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার

🍎 প্রতিরোধ (Prevention):

ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার (দুধ, দই, মাছ, ডিমের কুসুম, শাকসবজি) খাওয়া

নিয়মিত হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করা

সূর্যের আলোতে প্রতিদিন কিছু সময় থাকা

ওজন ঠিক রাখা

অ্যালকোহল ও ধূমপান এড়িয়ে চলা।

🌿যেকোন প্রকার বাত ব্যথা; ঘাড়, কোমর,হাটুর ব্যথা,প্যারালাইসিস; স্ট্রোক,টি.বি., সেরেব্রাল পলসি, নিউরোপ্যাথি,মায়োপ্যাথি, ডায়াস্ট্যাসিস রেকটাই ( গর্ভদান পরবর্তী মায়ের মুটিয়ে যাওয়া), টি.এম.যে. ডিস্ফাংশন এবং হাড় ভাঙ্গা পরবর্তী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা গ্রহণ করতে

যোগাযোগ করুন:

উপশম ফিজিও সেন্টার
১৫৫৮,সেঞ্চুরি টাওয়ার, হাজীপাড়া,
আগ্রাবাদ অ্যাক্সেস রোড, চট্টগ্রাম
মোবাইলঃ ০১৩০৭-৭৬২১৪৩, ০২৩৩৩৩২০৬৮৬

প্রতিদিন বিকাল ৪টা- রাত ৯ টা
(শুক্রবার বন্ধ)

কোমর ব্যথা? সকালে ঘুম থেকে উঠলে ধরে থাকে? বিছানায় এপাশ ওপাশ করতে বা বিছানা থেকে উঠতে কস্ট হয়? Xray, MRI, Blood test নরমা...
11/11/2025

কোমর ব্যথা? সকালে ঘুম থেকে উঠলে ধরে থাকে? বিছানায় এপাশ ওপাশ করতে বা বিছানা থেকে উঠতে কস্ট হয়? Xray, MRI, Blood test নরমাল? ব্যথার ঔষধ আর মাসল রিলাক্সেন খাচ্ছেন, খাওয়া বন্ধ করলে ব্যথা আবার চলে আসে? এ প্রশ্নগুলো আমার না, বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্য সাময়িকী 'দ্যা নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন' এ প্রকাশিত ক্লিনিক্যাল গাইডলাইনের। যদি সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যায় তবে আপনার 'নন-স্পেসিফিক লো ব্যাক পেইন'।

এ ব্যথার জন্য ব্যথার ঔষধ খাওয়া আর মাসল রিলাক্সেন খাওয়া একদম না খাওয়ার মতই [লো-কোয়ালিটি এভিডেন্স], এর ভালো কোয়ালিটি এভিডেন্স বলে এখানে ম্যানুয়েল থেরাপি আর এক্সারসাইজ থেরাপি সবচেয়ে ভাল কাজ করে [মডারেট কোয়ালিটি এভিডেন্স]। আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে আকুপাংচার ভালো কাজ করে।

ডা: কে এম আমরান পিটি

10/11/2025

Upasam Physio Centre provides Physiotherapy Consultation and Treatment for wide range of Conditions

Address

Century Tower, 1558, Hazipara, Agrabad Access Road
Chittagong
4100

Opening Hours

Monday 16:00 - 21:00
Tuesday 16:00 - 21:00
Wednesday 16:00 - 21:00
Thursday 16:00 - 21:00
Saturday 16:00 - 21:00
Sunday 16:00 - 21:00

Telephone

+8801307762143

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Upasam Physio Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Upasam Physio Centre:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram