সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট

সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিকেল ও ডেন্টাল ছাত্রছাত্রী দ্বারা পরিচালিত একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান
(1)

১৯৭৭ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষ (নতুন) এর ই ব্যাচের ছয়জন ছাত্র মোস্তাফিজুর রহমান স্বপন, মোশাররফ হোসেন মুক্ত, মোঃ ইদ্রিস আলী মঞ্জু, মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, মোস্তফা সেলিমুল হাসনাইন ও খুরশীদ আহমেদ অপু কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সন্ধানী পরবর্তীতে কালের আবর্তনে সময়ের সাথে সাথে স্বীয় কর্মকান্ডের মাধ্যমে সেবা পরিমন্ডলের সুপরিচিত বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়। সন্ধানী, চট্টগ্রাম মেডিকে

ল কলেজ ইউনিটের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮২ সালের শেষের দিকে। নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখে সন্ধানী ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে আসা ডাঃ শহীদুল্লাহ, ডাঃ আলতাফ ও ডাঃ আজাদ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রধান পুরুষ ছাত্রাবাসের ৩২/সি (ডাঃ মুকিত শফিউল আলম টুকু এর রুম)-এ ডাঃ মুকিত শফিউল আলম টুকু, ডাঃ তোসাদ্দেক হোসেন সিদ্দিকী জামাল, ডাঃ রিন্টু, ডাঃ নিয়ামুল, ডাঃ এনাম, ডাঃ সব্বির, ডাঃ সাখাওয়াৎ, ডাঃ ওবায়েদ, ডাঃ সালাম প্রমূখের সাথে সন্ধানীর কার্যক্রম আলোচনা করেন। কলেজে সন্ধানীর ইউনিট গঠনের ব্যাপারে সবাই একমত হন। ডাঃ মুকিত শফিউল আলম টুকু এবং আরো কয়েকজন উদ্যমী তরুণের আগ্রহে ডাঃ তোসাদ্দেক হোসেন সিদ্দিকী জামালকে আহবায়ক করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এবং এই কমিটি পরবর্তীতে একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী কমিটি গঠন করে।

সন্ধানী চ.মে.ক ইউনিটের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১৯৮২ সালের ২রা ডিসেম্বর স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যেখানে শিরিনাজ বেগম স্বাতী প্রথম রক্তদান করেন। ১৯৮৫ সালে হাসপাতালের তৎকালীন পরিচালক কর্নেল মোঃ মহসীন সন্ধানীকে একটি রুম, কিছু চেয়ার টেবিল ও ঔষধ রাখার জন্য একটি বড় আলমারী দান করেন। পরবর্তীতে কাজের পরিধির বিস্তৃতির সাথে সাথে সন্ধানীর অফিস রুমেরও বিস্তৃতি ঘটেছে। সন্ধানী চমেক ইউনিট সমাজকল্যান পরিদপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে ১৯৮৬ সালের ২রা ডিসেম্বর (রেজি: নং চট্ট১২৪৮/৮৬)।

সংগঠনটির আর্থিক সংকট নিরসনে প্রথম যারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তারা হলেন হাসপাতালের সামনের দোকানগুলোর মালিক সমিতি। সন্ধানীর নিজস্ব তহবিল গঠনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। ১৯৮৮-৮৯ কার্যবর্ষে তিন দিন ব্যাপী “তোমরাই” নাটক মঞ্চায়ন, ১৯৯০-৯১ কার্যবর্ষে জুয়েল আইচের যাদু প্রদর্শনীর আয়োজন এই কার্যক্রমের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

সন্ধানী কার্যক্রম শুধু অফিস কেন্দ্রিক না করে চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস চালানো হয় ১৯৮৯-৯০ কার্যবর্ষে। এই কার্যবর্ষে মহেশখালী দ্বীপে দুই দিন ব্যাপী স্বেচ্ছায় রক্তদান, উদ্বুদ্ধকরন ও জনস্বাস্থ্য সচেতনতামূলক প্রচারনা চালানো হয়। একই বছর মাইজদী, ফেনী, ছাগলনাইয়া, কক্সবাজার, বোয়ালখালী ও সীতাকুন্ডে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। পরের বছরই প্রথম বিজয় মেলায় উম্মুক্ত স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মানবতার সেবায় নিবেদিত প্রাণ সন্ধানীর কর্মীরা শুধু মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করেই ক্ষান্ত হয়নি। প্রয়োজনে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ৪র্থ বর্ষের মেডিকেল ছাত্র শহীদ মাহমুদ মুন্নার চিকিৎসা বাবদ এক লক্ষেরও অধিক টাকা সংগ্রহ করে তার পরিবারকে প্রদান করে। একই ভাবে সাহায্য করেছে আবু ওসমানীর পরিবারকেও। ৯১-এর ভয়াল ঘুর্ণিঝড়ে দুর্গত এলাকায় প্রেরিত মেডিকেল টিম দীর্ঘ একমাস তাদের কার্যক্রম চালু রেখেছিল। শুধু নিকটবর্তী জায়গাগুলোতে নয় এই কার্যক্রম সন্দ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছেছিল। জাপানস্থ ডাঃ হাসিনা প্রজেক্টের সহায়তায় ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের জন্য চকোরিয়ায় ৩১টি টিউবয়েল বিতরণ করা হয়। এছাড়া ঘুর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত চকোরিয়ার মেহের নামা হাইস্কুল পুনঃনির্মান এবং হারবাং-এ আরো একটি নতুন স্কুল স্থাপন করা হয়। এভাবে সন্ধানী পৌঁছে গেছে মানুষের খুব কাছে।

১৯৯২-৯৩ কার্যবর্ষে অর্থের অভাবে যাদের লেখাপড়া সম্ভব হয়ে উঠে না, সেইসব অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়ে যাওয়া কুঁড়িদের আবার নতুন করে বিকশিত হবার সুযোগ করে দিয়েছে ‘আশিনাগা ওবাসান’ ও ‘শিনসু সন্ধানী’ প্রকল্পের আওতায় বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে। এই প্রকল্পের জন্য সন্ধানী প্রথমতঃ ডাঃ কাজুইউকি ফুনাৎসু ও দ্বিতীয়তঃ মিসেস মিৎসুকো হরিউচির নিকট কৃতজ্ঞ।

১৯৮৯ সালে শ্রীলংকার মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের সফল পথ প্রদর্শক ডাঃ হাডসন সিলভার বাংলাদেশে আগমনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামেও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি গঠিত হয়।

১৯৯৪-৯৫ কার্যবর্ষে সন্ধানী চ.মে.ক. এর জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটে। এই বছর সন্ধানীতে ইনার হুইল ক্লাবের সহযোগিতায় প্রথম স্ক্রিনিং সিস্টেমের প্রচলন করা হয়। একই বছর সন্ধানীর সংগ্রহে সংযুক্ত হয় একটি কম্পিউটার। ১৯৯৬-৯৭ কার্যবর্ষে সন্ধানী ৪৫০ জনকে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন প্রদানের মাধ্যমে শুরু করে স্বল্পমূল্যে নিয়মিত হেপাটাইটিস বি ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচী। সন্ধানীর সংগৃহীত রক্ত সংরক্ষণের জন্য ১৯৯৯-২০০০ কার্যবর্ষে একটি ব্লাড ব্যাঙ্ক রেফ্রিজারেটর ক্রয় করা হয়। ২০০৬-০৭ কার্যবর্ষে চালু হয় ELISA মেশিনের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ স্ক্রিনিং সিস্টেম। ২০০৭ এর ৭ই ডিসেম্বর সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট পালন করে তার গৌরবময় মানবসেবার রজতজয়ন্তী। ২০০৯ সালে সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট সফলতার সাথে আয়োজন করে ২৮তম কেন্দ্রীয় বার্ষিক সম্মেলন এবং ২০১৪ সালে আয়োজন করে ৩৩ তম কেন্দ্রীয় বার্ষিক সম্মেলন। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে সংযুক্ত হয় নতুন আরেকটি সায়েন্টিফিক ব্লাড স্টোরেজ রেফ্রিজারেটর। ২০১৬-১৭ সেশন অফিস রেকর্ড ডিজিটালাইজেশনের কাজ।
২০১৯-২০ সেশনে সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট তার মানবসেবায় তার গৌরবময় অবদানের জন্য "অমর একুশে স্মারক সম্মাননা পদকে" ভূষিত হয়। এছাড়াও চালু হয় ইউনিটের নিজস্ব ওয়েবসাইট www.sandhanicmcu.org। উদ্বোধন হয় নতুন স্থায়ী কার্যালয়।

"নব আনন্দে জাগো আজি, নব রবিকিরণে"আজ ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন।বাংলা নববর্ষ—বাঙালীর হৃদয়ের খুব ক...
14/04/2026

"নব আনন্দে জাগো আজি, নব রবিকিরণে"

আজ ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন।
বাংলা নববর্ষ—বাঙালীর হৃদয়ের খুব কাছের এই দিনটি আমাদের জন্য কেবল বর্ষপঞ্জির পৃষ্ঠাবদল নয়, বরং এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন।

বাংলা নববর্ষ বাঙালীর জাতীয়তাবোধ, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং একাত্মতার প্রতীক।
শোভাযাত্রা, পান্তা-ইলিশ, হালখাতা, লোকজ মেলা, বৈশাখী গান সব মিলিয়ে এই দিনটি রূপ নেয় এক বর্ণিল আবহে। এটি শুধুই আনন্দের উৎসব নয়, এটি আমাদের শিকড়ে ফেরার দিন, সংস্কৃতির গর্ব কে জাগিয়ে তোলার দিন।

বাংলা নববর্ষ সকল ধর্ম, বর্ণ, জাতিগোষ্ঠী, শ্রেণি ও পেশার মানুষকে একত্র করে একটি উদার, মানবিক সমাজ নির্মাণের অনুপ্রেরণা জোগায়।

পহেলা বৈশাখ আমাদের মনের ভেতরের জড়তা ভেঙে নতুন উদ্যমে পথচলার সাহস দেয়।
আজ নববর্ষের শুরুতে আমাদের এই প্রার্থনা- নতুন আলোয় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মন, প্রতিটি ঘর, প্রতিটি প্রান্তর।

সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে
সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা ভালোবাসা।
শুভ নববর্ষ ১৪৩৩।

আজ ৭ই এপ্রিল ২০২৬, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।এই বছরের প্রতিপাদ্য: “Together for Health: Stand with Science”বিশ্ব স্বাস্থ্য দি...
07/04/2026

আজ ৭ই এপ্রিল ২০২৬, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।

এই বছরের প্রতিপাদ্য: “Together for Health: Stand with Science”

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—স্বাস্থ্য শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটি একটি সামষ্টিক দায়িত্ব। সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত, সচেতনতা এবং সবার সম্মিলিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।
বর্তমান বিশ্বে সংক্রামক রোগ, অসংক্রামক রোগ, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, অপুষ্টি ও পরিবেশ দূষণ—সবই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সুখবর হলো, সঠিক জ্ঞান, বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা ও সচেতনতা থাকলে অনেক রোগই প্রতিরোধযোগ্য।

স্বাস্থ্যের গুরুত্ব ও বাস্তবতা:
✔ সঠিক তথ্য ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা অনুসরণ করলে রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
✔ গুজব বা ভুল তথ্য অনেক সময় চিকিৎসা বিলম্বিত করে এবং ঝুঁকি বাড়ায়।
✔ টিকা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও নিয়মিত চেকআপ—এসবই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি।
✔ মানসিক স্বাস্থ্যও শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই গুরুত্বপূর্ণ—এটি অবহেলা করা যাবে না।

আমাদের করণীয়:
1️⃣ বিজ্ঞানের পাশে দাঁড়ান: যাচাই করা তথ্য গ্রহণ করুন, গুজব ও ভুল ধারণা থেকে দূরে থাকুন।
2️⃣ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গড়ে তুলুন: সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
3️⃣ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন: ছোট লক্ষণকে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
4️⃣ সচেতনতা ছড়ান: পরিবার ও সমাজে সঠিক স্বাস্থ্য তথ্য পৌঁছে দিন।

মনে রাখবেন:
👉 স্বাস্থ্যসেবা সবার অধিকার—এটি নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
👉 বিজ্ঞানের ওপর আস্থা রাখাই সুস্থ ভবিষ্যতের পথ।
👉 ব্যক্তিগত সচেতনতা থেকেই শুরু হয় একটি সুস্থ সমাজ।

থ্যালাসেমিয়া, একটি বহুল পরিচিত জিনঘটিত রোগ যার কারণে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন কণার উৎপাদন হয় না কিংবা কমে...
05/04/2026

থ্যালাসেমিয়া, একটি বহুল পরিচিত জিনঘটিত রোগ যার কারণে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন কণার উৎপাদন হয় না কিংবা কমে যায়। এতে থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষের মধ্যে অ্যানিমিয়া বা রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। রক্ত স্বল্পতায় ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে একজন রোগীর অঙ্গহানি (প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া) কিংবা মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। এটি একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ। যদি স্বামী-স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়া বাহক বা একজন থ্যালাসেমিয়া বাহক এবং একজন হিমোগ্লোবিন ই এর বাহক হয় তবে প্রতি গর্ভাবস্থায়- এ রোগে আক্রান্ত শিশু জন্ম নেয়ার সম্ভাবনা থাকে শতকরা ২৫ ভাগ। বাহক শিশু জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে শতকরা ৫০ভাগ। আর সুস্থ শিশু জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে শতকরা ২৫ ভাগ।
স্বামী স্ত্রী দুজনের যেকোন একজন যদি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকেন, তাহলে নবজাতকের থ্যালাসেমিক হবার কোন সম্ভাবনা থাকে না। তবে নবজাতক থ্যালাসেমিয়ার বাহক হতে পারে যা কোন রোগ নয়।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা জরুরি কেনোঃ

⚫ একজন থ্যালাসেমিয়া রোগীকে প্রত্যেক মাসেই রক্ত দিতে হবে এবং তার চিকিৎসা খরচও ব্যয়বহুল।

⚫ বার বার রক্ত পরিবর্তনের কারণে থ্যালাসেমিয়ার রোগীদের রক্তবাহিত বিভিন্ন রোগ যেমন-হেপাটাইটিস হতে পারে।

⚫ অতিরিক্ত আয়রন জমা হয়ে হার্ট, প্যানক্রিয়াস, লিভার, অণ্ডকোষ ইত্যাদি অঙ্গের কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়। অস্থিমজ্জা প্রসারিত হয়ে যায় এবং এতে হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। এতে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

⚫ এছাড়া বিভিন্ন রোগের জটিলতার কারণে থ্যালাসেমিক ব্যক্তি অল্প সময় বাঁচতে পারে ।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল, এ রোগের বাহকদের শনাক্ত করা। এজন্য ব্যাপক স্ক্রিনিং কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। বাহকদের চিহ্নিত করে তাদের প্রত্যেককে বংশবিষয়ক পরামর্শ দিতে হবে। দু’জন বাহক যদি একে অন্যকে বিয়ে না করে তাহলে কোনো শিশুরই থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করা সম্ভব নয়।

তাই এই অভিশাপ থেকে বাঁচাতে প্র‍য়াত উপদেষ্টা ডাঃ তরুন তপন বড়ুয়ার স্মরনে রক্তরোগ বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এর হেমাটোলোজি বিভাগের সহযোগিতায় সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট চালু করেছে "ডা তরুন তপন বড়ুয়া থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং প্রজেক্ট" যার মাধ্যমে বিনামূল্যে "হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস" পরীক্ষা করা হবে।

🔴 কারা পরীক্ষাটি বিনামূল্যে করাতে পারবেনঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের যেকোনো শিক্ষার্থী এবং থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির ভাই বোন এবং নিকট আত্মীয়

🔴 কোথায় করানো হবেঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজী বিভাগে (ওয়ার্ড নং ৩৭)

এ রোগের প্রতিহত করার মাধ্যমে সমাজে নতুন থ্যালাসেমিক শিশুর জন্ম হ্রাস করা যায়। সুতরাং দেরী না করে পরীক্ষা করতে যোগাযোগ করুন সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের অফিসে। অফিসে এসে প্রথমে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর পূর্বের ইলেকট্রোফরেসিস রিপোর্টসংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

অফিসের ঠিকানাঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এর নিউ একাডেমিক ভবনের নিচ তলা।

যে কেউ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হতে পারেন। তাই আপনি বাহক কি-না, তা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জেনে নিন। বাহক হওয়া কোনো লজ্জার বিষয় নয়। থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে নিজে সতর্ক হোন, অন্যকে সচেতন করুন ।

📣📣📣 বিঃদ্রঃ আগামী ৬ এপ্রিল,সকাল ১১:০০ টায় হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস টেস্ট করানো হবে। কেউ টেস্ট করাতে আগ্রহী হলে কমেন্ট বক্সে ইন্টারেস্টেড লিখার বিনীত অনুরোধ করছি।

গত ৩রা এপ্রিল ২০২৬ইং, রোজ শুক্রবারসন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটে হেপাটাইটিস-বি, টাইফয়েড, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং জরায়ুমু...
04/04/2026

গত ৩রা এপ্রিল ২০২৬ইং, রোজ শুক্রবার
সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটে হেপাটাইটিস-বি, টাইফয়েড, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

ভ্যাক্সিন গ্রহীতাঃ
#হেপাটাইটিস_বি_ভ্যাক্সিন (Hepa-B)-
১ম ডোজ- ০৪ জন
সর্বমোট- ১৬ জন

#টাইফয়েড ভ্যাক্সিন( vaxphoid)-
সর্বমোট- ০০ জন

#ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাক্সিন (Influvax Tetra)-
সর্বমোট- ০০ জন

#জরায়ুমুখক্যান্সার ভ্যাক্সিন (Papilovax)-
১ম ডোজ- ০৫ জন
সর্বমোট- ০৬ জন

#নিউমোক্কাল ভ্যাক্সিন
এভিমার ১৩ -০০ জন
প্রিনোভ্যাক্স ২৩- ০০ জন

অংশগ্রহণেঃ
৬৪তম প্রজন্ম- তুহি, সাদিয়া
৬৫তম প্রজন্ম- তাসনিয়া, হুমায়রা, অহর্না
অফিস সহকারী- সুরুজ

সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

গত ২রা এপ্রিল, ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট কর্তৃক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বি...
03/04/2026

গত ২রা এপ্রিল, ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট কর্তৃক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে টিকা প্রদান সম্পর্কিত একটি মোটিভেশনাল প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।
অংশগ্রহণেঃ

৬৪তম প্রজন্মঃ তুহি
৬৭তম প্রজন্মঃ নাঈম, প্রিয়ন্তী, নাবা

সমন্বয়কঃ ফাবলিহা জাকির নাবা

***সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামীকাল (০৩/০৪/২০২৬), রোজ শুক্রবার সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের নিয়মিত...
02/04/2026

***সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামীকাল (০৩/০৪/২০২৬), রোজ শুক্রবার সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের নিয়মিত ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি চলবে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি চালু থাকবে।***

সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট (নতুন একাডেমিক ভবনের নিচতলায়, ফোন নংঃ ০১৮৪১৮৫৬৬২৫, ০২৩৩৩৩৫৬৬২৫) হেপাটাইটিস বি, টাইফয়েড, ইনফ্লুয়েঞ্জা ,জরায়ুমুখ ক্যান্সার & নিউমোনিয়া প্রতিরোধে ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।

#হেপাটাইটিস_বি
*ভ্যাক্সিনঃ HEPA B
*ডোজঃ ০, ১, ২, ১২ মাস
*মূল্যঃ (প্রতি ডোজ)
৫৫০ টাকা - (মেডিকেল স্টুডেন্ট, ডাক্তার, নার্স )
৬০০ টাকা - নন মেডিকেল
*স্ক্রিনিং চার্জ - ১০০টাকা (১ম ডোজের সময়)

#টাইফয়েড
*ভ্যাক্সিনঃ Vaxphoid
*ডোজঃ ১টি (৩ বছর পর পর একটি করে বুস্টার ডোজ দিতে হয়)
বয়স সীমাঃ ২ বছরের ঊর্ধ্বে।
*মূল্যঃ ৫০০ টাকা

#ইনফ্লুয়েঞ্জা
*ভাক্সিনঃ Influvax tetra
*ডোজঃ ১টি ( প্রতি বছর একটি করে দিতে হয়)
*মূল্যঃ ৯৫০ টাকা

#জরায়ুমুখক্যান্সার
* ভ্যাক্সিনঃ Papilovax
*ডোজঃ
১) ৯-১৪ বছর (২টি) - ০, ৬ মাস
২) ১৫-৪৫ বছর (৩টি) - ০, ১, ৬ মাস
*মূল্যঃ (প্রতি ডোজ)
২৪০০ টাকা - (মেডিকেল স্টুডেন্ট, ডাক্তার, নার্স)
২৫০০ টাকা - নন মেডিকেল

#নিউমোনিয়া
*ভ্যাক্সিনঃএভিমার ১৩
*ডোজঃ
১)২-৬ মাস(৪টি) - ০,২,৪,১২
২)৭-১১ মাস(৩টি) - ০,২,১২
৩)১২-২৩ মাস(২টি) - ০,২
৪)২ বছরের উর্ধ্বে - ১টি
*মূল্যঃ৩৭০০ টাকা

*ভ্যাক্সিনঃপ্রিনোভ্যাক্স ২৩
*ডোজঃ১টি (৫ বছর পর বুস্টার)
বয়স সীমাঃ ২ বছরের ঊর্ধ্বে।
*মূল্যঃ ২৩০০ টাকা

আসুন ঘাতকব্যাধি হেপাটাইটিস বি, টাইফয়েড, ইনফ্লুয়েঞ্জা,নিউমোনিয়া এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

২৬শে মার্চ ২০২৬: মহান স্বাধীনতা দিবস"এক সাগর রক্তের বিনিময়ে,বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা,আমরা তোমাদের ভুলবো না..."— গৌরী ...
26/03/2026

২৬শে মার্চ ২০২৬: মহান স্বাধীনতা দিবস

"এক সাগর রক্তের বিনিময়ে,
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা,
আমরা তোমাদের ভুলবো না..."
— গৌরী প্রসন্ন মজুমদার

স্বাধীনতা শুধুই একটি অর্জন নয়, এটি বাঙালি জাতির অস্তিত্বের পরিচয়, আত্মমর্যাদার প্রতীক। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ সেই চেতনার জাগরণ ঘটে, যার পথ ধরে দীর্ঘ সংগ্রামের পর অর্জিত হয় আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ছয় দফা, গণঅভ্যুত্থান এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ—সবকিছুর সম্মিলিত রূপ এই স্বাধীনতা।

এই মহান দিনে, সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই সকল বীর শহীদদের, যাঁদের অসীম ত্যাগে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের প্রিয় লাল-সবুজের পতাকা।

আজ ২৪ মার্চ ২০২৬, বিশ্ব টিউবারকুলোসিস (TB) দিবস।এই বছরের প্রতিপাদ্য: “Yes! We Can End TB”বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগগুলোর মধ্...
24/03/2026

আজ ২৪ মার্চ ২০২৬, বিশ্ব টিউবারকুলোসিস (TB) দিবস।

এই বছরের প্রতিপাদ্য: “Yes! We Can End TB”

বিশ্বজুড়ে সংক্রামক রোগগুলোর মধ্যে টিউবারকুলোসিস (TB) এখনো একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন এবং অনেকেই দেরিতে শনাক্ত হওয়ার কারণে জটিলতার মুখে পড়েন। তবে সময়মতো সচেতনতা, সঠিক পরীক্ষা এবং পূর্ণ চিকিৎসা গ্রহণ করলে TB সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

টিউবারকুলোসিস Mycobacterium tuberculosis নামক জীবাণুর মাধ্যমে হয়, যা বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি বা কথা বলার সময় জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে দেয় এবং অন্যরা শ্বাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে।

এই রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ মনে হয়, যেমন দীর্ঘদিন কাশি, হালকা জ্বর, দুর্বলতা বা ওজন কমে যাওয়া। ফলে অনেকেই অবহেলা করেন, যার কারণে রোগটি দেরিতে ধরা পড়ে এবং চিকিৎসা জটিল হয়ে যায়।

টিউবারকুলোসিসের লক্ষণ ও ঝুঁকি:

✔ ২ সপ্তাহের বেশি কাশি
✔ কাশির সাথে রক্ত আসা
✔ দীর্ঘস্থায়ী জ্বর (বিশেষ করে বিকেল বা রাতে)
✔ ওজন কমে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা ও দুর্বলতা
✔ রাতে অতিরিক্ত ঘাম
✔ অপুষ্টি, ধূমপান, ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহার, ইমিউনিটি কম থাকা এবং ভিড়যুক্ত ও অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলযুক্ত পরিবেশে বসবাস TB হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

চিকিৎসা:
TB সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ। সাধারণত ৬ মাস বা তার বেশি সময় নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয়। চিকিৎসার মাঝে ওষুধ বন্ধ করলে রোগ পুনরায় ফিরে আসতে পারে এবং Drug-resistant TB হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা চিকিৎসা করা আরও কঠিন।

🌱 আমাদের করণীয়:

1️⃣ ২ সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে দেরি না করে পরীক্ষা করুন।
2️⃣ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ সময়জুড়ে নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করুন।
3️⃣ কাশি/হাঁচির সময় মুখ ও নাক ঢাকুন এবং আশেপাশের মানুষকে সুরক্ষিত রাখুন।
4️⃣ বাসা ও কর্মস্থলে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন।
5️⃣ পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান।
6️⃣ পরিবার ও সমাজে TB সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন।

💡 মনে রাখবেন:

👉 TB লুকিয়ে রাখার রোগ নয়—দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসাই একমাত্র সমাধান
👉 সময়মতো চিকিৎসা নিলে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব
👉 রোগীকে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন না করে সহানুভূতি ও সহায়তা প্রদান করা জরুরি।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে ভাগাভাগি। এই পবিত্র দিনে সবার জীবনে আসুক শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার আলো। আমাদের আশেপাশের অসহায়...
21/03/2026

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে ভাগাভাগি। এই পবিত্র দিনে সবার জীবনে আসুক শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার আলো। আমাদের আশেপাশের অসহায় মানুষের মুখেও ফুটে উঠুক ঈদের হাসি।

আসুন, আমরা মানবতার সেবায় আরও এগিয়ে আসি এবং সমাজে ভালোবাসা ও সহানুভূতির বন্ধন আরও দৃঢ় করি।

সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ হতে সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

⚪  বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ ( ৮ই মার্চ - ১৪ই মার্চ ):"চোখের সুরক্ষায় সচেতন হোন"চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ। কিন্তু গ্লুকোমা না...
14/03/2026

⚪ বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ ( ৮ই মার্চ - ১৪ই মার্চ ):
"চোখের সুরক্ষায় সচেতন হোন"

চোখ আমাদের অমূল্য সম্পদ। কিন্তু গ্লুকোমা নামের একটি নীরব রোগ ধীরে ধীরে চোখের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত করে দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করতে পারে। অনেক সময় শুরুতে কোনো ব্যথা বা স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না, তাই বেশিরভাগ মানুষ দেরিতে বুঝতে পারেন।

🔎 গ্লুকোমা সম্পর্কে জানা জরুরি

⚠️ কারা বেশি ঝুঁকিতে?
• ৪০ বছরের ঊর্ধ্বে ব্যক্তিরা
• পরিবারে গ্লুকোমার ইতিহাস থাকলে
• ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
• চোখে আঘাতের ইতিহাস থাকলে
• দীর্ঘদিন স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ ব্যবহার করলে

👨‍⚕️ সতর্ক থাকার উপায়
• নিয়মিত চোখের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করান
• চোখের চাপ ও অপটিক নার্ভ পরীক্ষা করান
• চোখে ঝাপসা দেখা, আলোতে সমস্যা বা পার্শ্বদৃষ্টি কমে গেলে দ্রুত ডাক্তার দেখান

🟢 মনে রাখুন:
গ্লুকোমা প্রতিরোধ করা না গেলেও নিয়মিত পরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা যায়।

✨ এই বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহে প্রতিজ্ঞা করি — চোখের যত্ন নেবো, নিয়মিত পরীক্ষা করবো এবং পরিবার-পরিজনকেও সচেতন করবো।

ইদ মানে আনন্দ। আর সকলের সাথে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়াতে আলাদা একধরনের পরিতৃপ্তি পাওয়া যায়। কারো মুখে হাসি ফোঁটাতে পা...
13/03/2026

ইদ মানে আনন্দ। আর সকলের সাথে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়াতে আলাদা একধরনের পরিতৃপ্তি পাওয়া যায়। কারো মুখে হাসি ফোঁটাতে পারাই জীবনের প্রকৃত আনন্দ খুঁজে নিতে সাহায্য করে। মানুষের সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টিও লাভ করা যায়। কিছু অস্বচ্ছল মানুষকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা, দুর্বিষহ জীবনে মুখে এক চিলতে হাসির রূপরেখা তৈরির জন্য সন্ধানী জন্মলগ্ন থেকেই সামাজিক মানবতামূলক কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের মতো এই বছরও পবিত্র মাহে রমজানে অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট।
গত ১২ই মার্চ, ২০২৬ ইং, সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটের ৩ জন, পটিয়ার ২ টি পরিবার এবং আসকার দিঘীর পাড় সংলগ্ন এলাকার ১০ টি পরিবারকে ইদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ইদ সামগ্রী হিসেবে দেওয়া হয়েছে :
(১) ৫ কেজি চাল
(২) ১ কেজি ডাল
(৩) ১ কেজি চিনি
(৪) আধা কেজি লবন
(৫) আধা কেজি সেমাই
(৬) ১ কেজি ছোলা
(৭) ১ কেজি পেঁয়াজ
(৮) ১ লিটার সয়াবিন তেল

প্রতি বছরের মত এ বছরও সন্ধানীর উদ্যোগে যাকাত সংগ্রহ করা হচ্ছে।
জয় হোক মানবতার, জয় হোক সন্ধানীর।

🔴 যাকাতের অর্থ প্রেরণের মাধ্যমঃ
বিকাশঃ 01975-062965
নগদঃ 01975-062965
রকেটঃ 01975-0629656
Account:
A/C no:
0200003021839
SHANDHANI JAKAT FUND
Agrani Bank Ltd.
Chattogram Medical College Branch,
Panchlaish, Chattogram.
দেশের বাইরে থেকে সাহায্য পাঠানোর ক্ষেত্রেঃ

A/C no: 0200003021839
SHANDHANI JAKAT FUND
Routing: 010154933
Br.Code: 2706
Swift code: AGBKBDDHOCH
Agrani Bank Ltd.
Chattogram Medical College Branch,
Panchlaish, Chattogram.

"জয় হোক মানবতার, জয় হোক সন্ধানীর"

[ বি.দ্রঃ মোবাইল ব্যাংকিং(বিকাশ, রকেট, নগদ)এ টাকা পাঠানোর পর উক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করে নিশ্চিত করার অনুরোধ রইলো।

ইদ মানে আনন্দ। আর সকলের সাথে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়াতে আলাদা একধরনের পরিতৃপ্তি পাওয়া যায়। কারো মুখে হাসি ফোঁটাতে পা...
13/03/2026

ইদ মানে আনন্দ। আর সকলের সাথে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়াতে আলাদা একধরনের পরিতৃপ্তি পাওয়া যায়। কারো মুখে হাসি ফোঁটাতে পারাই জীবনের প্রকৃত আনন্দ খুঁজে নিতে সাহায্য করে। মানুষের সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে মহান আল্লাহ তা'য়ালার সন্তুষ্টিও লাভ করা যায়। কিছু অস্বচ্ছল মানুষকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা, দুর্বিষহ জীবনে মুখে এক চিলতে হাসির রূপরেখা তৈরির জন্য সন্ধানী জন্মলগ্ন থেকেই সামাজিক মানবতামূলক কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি বছরের মতো এই বছরও পবিত্র মাহে রমজানে অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট।
গত ১১ই মার্চ, ২০২৬ ইং, সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৩ জন স্টাফ, কান্তা ছাত্রী নিবাসের ১৯ জন সর্বমোট ২২ জন কর্মচারীবৃন্দ, মেডিকেল সংলগ্ন এলাকার ২০ জনকে ইদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ইদ সামগ্রী হিসেবে দেওয়া হয়েছে :
(১) ৫ কেজি চাল
(২) ১ কেজি ডাল
(৩) ১ কেজি চিনি
(৪) আধা কেজি লবন
(৫) আধা কেজি সেমাই
(৬) ১ কেজি ছোলা
(৭) ১ কেজি পেঁয়াজ
(৮) ১ লিটার সয়াবিন তেল

প্রতি বছরের মত এ বছরও সন্ধানীর উদ্যোগে যাকাত সংগ্রহ করা হচ্ছে।
জয় হোক মানবতার, জয় হোক সন্ধানীর।

🔴 যাকাতের অর্থ প্রেরণের মাধ্যমঃ
বিকাশঃ 01975-062965
নগদঃ 01975-062965
রকেটঃ 01975-0629656
Account:
A/C no:
0200003021839
SHANDHANI JAKAT FUND
Agrani Bank Ltd.
Chattogram Medical College Branch,
Panchlaish, Chattogram.
দেশের বাইরে থেকে সাহায্য পাঠানোর ক্ষেত্রেঃ

A/C no: 0200003021839
SHANDHANI JAKAT FUND
Routing: 010154933
Br.Code: 2706
Swift code: AGBKBDDHOCH
Agrani Bank Ltd.
Chattogram Medical College Branch,
Panchlaish, Chattogram.

"জয় হোক মানবতার, জয় হোক সন্ধানীর"

[ বি.দ্রঃ মোবাইল ব্যাংকিং(বিকাশ, রকেট, নগদ)এ টাকা পাঠানোর পর উক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করে নিশ্চিত করার অনুরোধ রইলো। ]

Address

Chattogram Medical College (Ground Floor Of New Academic Building), Panchlaish
Chittagong
4203

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801841856625

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিট:

Share