Prof. Dr. Mohammad Musa

Prof. Dr. Mohammad Musa Prof. Dr. Mohammad Musa
MBBS, BCS (Health)
MD (Child), DCH
ESPID Training (Germany, UK)
Professor, Pediatrics, CMCH

27/11/2025

🌿 পার্কভিউ হাসপাতাল-এ নিয়মিত রোগী দেখছেন
👶 নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ

প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মুসা

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (শিশু), ডিসিএইচ (বিএসএমএমইউ)
ইএসপিআইডি ট্রেনিং (জার্মানি, যুক্তরাজ্য)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, অধ্যাপক
শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সিএমসিএইচ)

📞 সিরিয়াল ও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
০১৮৩৯–৬০৮৫৬৯
০৩১–২৫৫৫০৭১-৫
০৩১–৬৫৭৯০১-৫
০১৯৭৬–০২২৩৩৩
০১৯৭৬–০২২১১১

🔗 অফিসিয়াল পেজ:
https://www.facebook.com/pediatrcs/

Prof. Dr. Mohammad Musa
MBBS, BCS (Health)
MD (Child), DCH
ESPID Training (Germany, UK)
Professor, Pediatrics, CMCH

11/09/2022

সহীহ হাদীসের দলীলসহ ৫ ওয়াক্ত সালাতের বিভিন্ন দুয়া ও আমল এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দুয়াসমূহ জানতে আমাদের বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।

03/05/2021
শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান। সংযমের এই মাসে সবার সুস্থতা প্রত্যাশা করছি।
13/04/2021

শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান। সংযমের এই মাসে সবার সুস্থতা প্রত্যাশা করছি।

11/02/2021

শিশুদের ডায়রিয়া বা পেটের অসুখ:
**ডায়রিয়া, বা উদরাময়, বা পেটের অসুখ হয়না এ রকম শিশু বিরল। আমাদের দেশের ভূ-প্রাকৃতিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং আমাদের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতার ঘাটতি এ গুলোর মূল কারণ। আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের ফলে পূর্বের তুলনায় শিশুদের ডায়রিয়ার হার অনেক কমে গেলেও এখনো অনূর্ধ-৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ডায়রিয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রোগ হিসেবে বিদ্যমান। শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান কারণগুলি নিম্নরূপঃ

১। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব

২। ‘বাহিরের’ জিনিস খাওয়ানোর অভ্যাস- বর্তমানে মানুষের মধ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার যথেষ্ট উন্নতি ঘটেছে, ফলে ঘরের জিনিস খেয়ে ডায়রিয়া হবার সম্ভাবনা খুবই কম। নলকূপের পানি খেলে ও ব্যবহার করলে ডায়রিয়া হবার ঝুঁকি নেই বললেই চলে। কিন্তু অসাধু ও অসচেতন ব্যবসায়ীরা যেসব মুখরোচক ও আকর্ষনীয় খাবার তৈরী ও বিপণন করে তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মানা হয়না। ফলে এ ধরণের খাবার খেয়ে শিশুরা সহজেই পেটের অসুখে আক্রান্ত হয়।
 অনেক অভিভাবক শিশুদের খুশী করার জন্য রেডিমেইড খাবার যেমন- চিপস, চকোলেট, আচার, জুস, চানাচুর, লাসসি ইত্যাদি দোকান থেকে কিনে দেন। এগুলি খেয়ে প্রায়ই শিশুদের খাবারের অরূচি, বদহজম, বমি, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি অসুখ দেখা দেয়।
 আবার সবসময় এসব খেলেই যে প্রতিবার অসুখ হবে, ব্যাপারটা তাও নয়। তবে যে কোন সময় হতে পারে।
 আবার অনেক অভিভাবক আছেন মোটামুটি সচেতন। তাঁরা সাধারণতঃ বাহিরের জিনিস দেননা। কিন্তু দেখা যায় বাচ্চাকে বিভিন্নজন- বড়, ছোট অনেকেই আদর করে কোলে নেন; এদিক সেদিক নিয়ে যান এবং টুকিটাকি এটা সেটা আদর করে খেতে দেন। অনেক সময় বাচ্চা নিজেই অন্যের হাতে দেখে বায়না ধরে, ফলে ঘরের বাইরের আদরকারীরা টুকিটাকি কিছু একটা মুখে দিয়ে দেন। ঘরে ফিরার পর মা বা অভিভাবক টেরই পাননা। ফলে দেখা যায় হঠাৎ হঠাৎ বাচ্চা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়।

৩। আলগা দুধ বা কৌটার দুধঃ
যে কোন ফরমুলা দুধ বা গরুর দুধ খেলে পেটের অসুখ হতে পারে। এটা মূলতঃ ওই দুধের এমন কোন গঠনগত বস্তু যা হয়ত ওই শিশুর পেটে হজমের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। বিশেষ করে যখন কোন দুধ নতুন দেয়া হয়, তখন ওই দুধ কোনো কোনো শিশুর পেটে মানিয়ে নিতে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। কিছুদিন খাওয়ানোর পর ধীরে ধীরে মানিয়ে যায়। তবে অনেকের পেটে কখনোই তা মানিয়ে নিতে পারেনা। সে ক্ষেত্রে ওই দুধ না খাওয়ানোই ভালো।

৪।বোতলের দুধঃ
যে সব শিশুকে ফিডার বোতল দ্বারা দুধ খাওয়ানো হয় তাদের মাঝে মাঝেই পেটের অসুখ হয়। এটা মূলতঃ দুধের দোষ নয়, বরং ঠিকমত বোতল ও বাঁট বা নিপল জীবাণুমুক্ত না করার কারণে হয়। ঠাণ্ডা বা সাধারণ গরম পানি দিয়ে ধুলেই বোতল বা বাঁট জীবাণুমুক্ত হয়না, বড়জোর পরিষ্কার হয়। আমাদের অনেকের কাছে মনে হয়, দেখতে সাদা বা পরিষ্কার মনে হলেই হলো। প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর পর বোতল ও বাঁটের ভাঁজে যদি দুধের কিছু ‘ছানা’ বা ‘কণা’ থেকে যায়, তখন সেখানে ধীরে ধীরে জীবাণু জমতে থাকে যা খালি চোখে দেখা যায়না। এভাবে যত পুরাতন হতে থাকবে, অদৃশ্য জীবাণু ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে থাকবে, তারপর কোন একসময় হঠাৎ করে শিশু পেটের অসুখে আক্রান্ত হয়।
 আবার অনেক সময় দেখা যায় বাচ্চা একবারে বোতলের পুরা দুধ খেয়ে শেষ করতে পারেনা। এ ক্ষেত্রে অনেকে মনে করেন, আচ্ছা একটু পরে হয়ত খাবে; এই আশায় রেখে দেন। কিছু পরে হয়ত খাওয়ান, অথবা দেরী করে ওই দুধ বা মিশিয়ে নতুন দুধসহ খাওয়ান। এর মধ্যে কোনো কোনো বার হয়ত জীবাণু সংক্রমণ হয়ে যায়।
 এক বারের দুধ কোনো অবস্থাতেই দ্বীতিয় বার খাওয়ানো উচিৎ নয়। না খেলে ওই দুধ সাথে সাথে ফেলে দিতে হবে।
 ফিডারের বাঁট বা বোতল দেখতে যত পরিষ্কারই মনে হউকনা কেন, প্রতিবার দুধ খাওয়নোর পর সাথে সাথে তা হালকা গরম পানি বা নরমাল পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে বোতল-বাঁট আপাততঃ পরিষ্কার হয়ে যাবে, বাড়তি গন্ধ বা জীবাণু জন্মাতে পারবেনা; তবে তা জীবাণুমুক্ত বা পরিপূর্ণ নিরাপদ নয়। এমতাবস্থায় একে জীবাণুমুক্ত করার জন্য পরবর্তীবার খাওয়ানোর আগে অবশ্যই গরম পানিতে ফুটিয়ে সিদ্ধ করতে হবে কমপক্ষে ১০ মিনিট ধরে। এ রকম সিদ্ধ করলে বোতল বা বাঁটের কোন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা নাই। তবে এতে যদি বোতল বা বাঁটের কোনো ক্ষতি হয়, ধরে নিতে হবে ওই বোতল বা বাঁটের মান ভালো নয়, তা বদলিয়ে নেয়াই উত্তম।

৫। প্রিমেচিউর উয়িনিংঃ
সময়ের আগে যদি বাড়তি খাবার শুরু করা হয়, তাহলেও শিশুদের পেটের অসুখ হতে পারে। ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদেরকে শুধুমাত্র বুকের দুধই দিতে হবে, অথবা একান্ত বাধগ্যগত হয়ে যদি অন্য দুধ দিতেও হয় তাহলে শুধু দুধই দিতে হবে, অন্য কিছু নয়। তবে এ সময় যদি কেউ দুধের সাথে মিক্স করে বা আলাদাভাবে সাগু, সুজি, চাউলের গুঁড়া, সেরিলাক ইত্যাদি খাওয়ানো শুরু করেন তাহলেও শিশু বদহজম বা পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হতে পারে।

৬। হাম বা অন্যান্য রোগের সাথেঃ
শিশুদের হাম রোগ হলে অন্ত্রের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে সহজেই বাচ্চা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে। অপুষ্টি আক্রান্ত বাচ্চারাও ঘন ঘন পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়, ফলে তা অপুষ্টিকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
ক্রমশঃ......

পার্কভিউ হসপিটালে নিয়মিত রোগী দেখছেন, নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, ডাঃ মোহাম্মদ মুসাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (শিশু...
28/09/2020

পার্কভিউ হসপিটালে নিয়মিত রোগী দেখছেন, নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ,
ডাঃ মোহাম্মদ মুসা

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (শিশু), ডিসিএইচ (বিএসএমএমইউ)
ইএসপিআইডি ট্রেনিং (জার্মানী, ইউকে)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ
চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

সিরিয়াল দিতে কিংবা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ 01839-608569,031-2555071-5, 031-657901-5, 01976-022333, 01976-022111 নাম্বারে।https://www.facebook.com/pediatrcs/

08/02/2020


🚩🚩🚩🚩 Epidemiology
Corona Virus-এর ইতিহাস বেশ পুরনো। মোটামুটি ১৯৬৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্ট্রেইন বিভিন্ন সময়ে পাওয়া গেছে:
১৯৬৫ সাল: 229E , OC43
২০০২ সাল: SARS-Corona Virus (SARS-CoV/2002)
২০০৫ সাল: NL63 , HKU1
২০১২ সাল: MERS-Corona Virus (MERS-CoV/2012)
২০২০ সাল: Novel Corona Virus (2019-nCoV)
মোটামুটি ১৯৬৫ সালের দিকে, সর্বপ্রথম এই ভাইরাসের ২টি স্ট্রেইন চিহ্নিত করা হয়েছিল, যথা: 229E এবং OC43. এরা মূলত কেবলমাত্র common cold-ই করতো।
এরপর দীর্ঘদিন এই ভাইরাসের তেমন কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছর পর ২০০২ সালের নভেম্বর মাসে, চীনে নিউমোনিয়া এপিডেমিকভাবে দেখা যেতে শুরু করে। ক্রমশই এই রোগ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ২০০৩ সালের জুলাই মাসের মধ্যেই প্রায় ৮০৯৮-এরও বেশি কেইস রিপোর্ট হয়, যাদের মধ্যে প্রায় ৭৭৪ জনই মারা গিয়েছিলেন, অর্থাৎ মৃত্যুহার ৯.৫ % 😑 মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল "Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS)". তাই এই স্ট্রেইনটিকে বলা হলো SARS-Corona Virus (SARS-CoV/2002). ভাইরাসের মূল উৎস ছিল #বাদুড়
২০০৫ সালের দিকে আরো দুইটি স্ট্রেইন আবিষ্কৃত হয়, যেগুলোকে NL63 এবং HKU1 নামে চিহ্নিত করা হয়। এগুলো মাইনর coryzal symptom করতো।
২০১২ সালে সৌদি আরবে এই ভাইরাসের নতুন একটি স্ট্রেইন আবিষ্কৃত হয়। সেখানে ২৪৯৪ টির মতো কেইস পাওয়া গিয়েছিল, যাদের প্রায় ৮৫৮ জনই মারা গিয়েছিলেন, অর্থাৎ মৃত্যুহার ৩৪ % 😑 মৃত্যুর প্রধান কারণ ছিল- Pneumonia followed by Acute respiratory failure. যেহেতু মিডল ইস্টে পাওয়া গিয়েছিল, তাই এটার নাম দেওয়া হয় Middle East Respiratory Syndrome - Corona Virus (MERS-CoV/2012). ভাইরাসের মূল উৎস ছিল #উট
২০২০ সাল: চীনের উহানে এখন পর্যন্ত ১২,০০০ টি কেইস সনাক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ২৫০ জন (০১/০২/২০২০ পর্যন্ত)। উহানের এই স্ট্রেইনটি আগের স্ট্রেইনগুলোর সাথে মিলছে না। তাই এই নতুন স্ট্রেইনটির নাম দেওয়া হয়েছে- Novel Coronavirus (2019-nCoV).
🚩🚩🚩🚩 Microbiology
এটি Nonsegmented, Single-stranded, Positive-polarity RNA genome, virus. এটির নিউক্লিওক্যাপসিড helical. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপে দেখলে একটি সুস্পষ্ট "বর্ণবলয়" দেখা যায়। একে বলা হয় Halo / Corona. তাই ভাইরাসটির নাম রাখা হয়েছে Corona Virus.
🚩🚩🚩🚩 এই রোগ প্রতিরোধে কেন বেশি বেশি হাত ধোয়ার কথা বলা হয়?
মাইক্রোবায়োলজি থেকে আমরা অলরেডি জেনে গেছি- এটি একটি Enveloped virus. এই এনভেলাপে থাকে মূলত Lipoprotein. যার লিপিড অংশ আসে host cell থেকে, আর প্রোটিন অংশ আসে করোনা ভাইরাস থেকেই।

রসায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আছে- "Like dissolves like". অর্থাৎ পোলার যৌগ অন্য একটি পোলার যৌগকে গলিয়ে ফেলে। আর, অপোলার যৌগ অন্য আরেকটি অপোলার যৌগকে গলিয়ে ফেলে।

সাবান কিংবা ডিটারজেন্টে থাকে Lipid. তাই এসব পদার্থ দিয়ে হাত ধুইলে, এটা ভাইরাসের এনভেলাপের Lipid অংশকে গলিয়ে ফেলবে. Lipid নষ্ট হয়ে গেলে এনভেলাপও নষ্ট হয়ে যায়। আর এনভেলাপ ছাড়া এই ভাইরাস বেচারা বাঁচতে পারে না।

তাই সাবান কিংবা ডিটারজেন্ট দিয়ে হাত ধুয়ে অনেকাংশেই এই ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব।
🚩🚩🚩🚩 Pathogenesis
Corona Virus ফুসফুসের মিউকোসাতে Angiotensin Converting Enzyme-2 (ACE-2) কিংবা CD-26 এর সাথে বাইন্ড করে। ফলশ্রুতিতে বিভিন্ন inflammatory chemical mediators বের হয়। ফলে ফুসফুসে এডেমা হয়, ব্রংকাসগুলো কন্সট্রিকশন করে। এতে রোগীর শ্বাসকষ্ট হয়। এছাড়াও বিভিন্ন Pro-inflammatory cytokines (IL-1, IL-6, TNF-α ইত্যাদি) বের হয়। এতে জ্বরসহ অন্যান্য উপসর্গগলো দেখা দেয়।
🚩🚩🚩🚩 Incubation Period
এই ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড প্রায় ১-১৪ দিন। অর্থাৎ ভাইরাস শরীরে ঢোকার ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা যেতে শুরু করবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি এই ভাইরাস ছড়াতে থাকবে।
🚩🚩🚩🚩 কিভাবে ছড়ায়?
👉👉 মূলত বাতাসের এয়ার ড্রপলেটের মাধ্যমে
👉👉 আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে
👉👉 আক্রান্ত ব্যক্তিকে স্পর্শ করলে
👉👉 ভাইরাস আছে এমন কিছু স্পর্শ করলে
👉👉 পশু-পাখি কিংবা গবাদিপশুর মাধ্যমে
🚩🚩🚩🚩 কী কী উপসর্গ পেলে নোভেল করোনা ভাইরাস সন্দেহ করবেন?
👉👉 জ্বর (১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইটের বেশি)
👉👉 গলা ব্যথা, মাথা ব্যাথা
👉👉 সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্ট
👉👉 শিশু, বৃদ্ধ ও দুর্বল ব্যক্তিদের নিউমোনিয়া, এমনকি ব্রংকাইটিসও হতে পারে
🚩🚩🚩🚩 প্রতিরোধের উপায়
এই নতুন স্ট্রেইনের কোন ভ্যাক্সিন আবিষ্কৃত হয়নি। তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়।
👉👉 সাবান-ডিটারজেন্ট পানি দিয়ে হাত ধোয়া
👉👉 হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ না করা
👉👉 হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা
👉👉 বন্য জন্তু, কিংবা অসুস্থ গবাদিপশু পাখির সংস্পর্শে না আসা
👉👉 মাছ, মাংস, ডিম ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া
👉👉 মুখে মাস্ক ব্যবহার করে বাইরে বের হওয়া
🚩🚩🚩🚩 কখন হাত ধুতে হবে?
👉👉 হাঁচি কাশি দেওয়ার পর
👉👉 রোগীর শুশ্রূষা করার পর
👉👉 খাবার খাওয়া ও রান্নার আগে এবং পরে
👉👉 টয়লেট করার পর
👉👉 পশুপাখি স্পর্শ করার পর
📗📙 সর্বোপরি সৃষ্টিকর্তার শরণাপন্ন হতে হবে। তার কাছে সাহায্য চাইতে হবে। 📙📗
Courtesy :
M M Tahmid Hasan

বিনম্র শ্রদ্ধা লাখো শহীদের প্রতি,যারা এনেছেন ফিরিয়ে আঁধারে জ্যোতি! সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা...
15/12/2019

বিনম্র শ্রদ্ধা লাখো শহীদের প্রতি,
যারা এনেছেন ফিরিয়ে আঁধারে জ্যোতি!

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা...

পার্কভিউ হসপিটালে নিয়মিত রোগী দেখছেন, নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ,             ডাঃ মোহাম্মদ মুসা        এমবিবিএস, বিসিএস (...
09/10/2019

পার্কভিউ হসপিটালে নিয়মিত রোগী দেখছেন,
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ,
ডাঃ মোহাম্মদ মুসা

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (শিশু), ডিসিএইচ (বিএসএমএমইউ)
ইএসপিআইডি ট্রেনিং (জার্মানী, ইউকে)
নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ
চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

সিরিয়াল দিতে কিংবা বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুনঃ 01839-608569,031-2555071-5, 031-657901-5, 01976-022333, 01976-022111 নাম্বারে।https://www.facebook.com/pediatrcs/

Address

Parkview Hospital Ltd Katalgonj Road, Panchlaish. Chittagong. Founded: 13 May, 2013
Chittagong
94/103

Telephone

+8801818806867

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Mohammad Musa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram