Dr Sanzida Akter

Dr Sanzida Akter General practitioner
Gynae and obs
infertility
pediatrics

 #সতর্কতামূলক পোস্ট 🚨 🚨   weekend emergency তে ডিউটি করার সময় সকাল ৮ টায় , একজন বাবা তার ৩ জন বছরের এক সুস্হ সবল ফুটফুটে...
15/10/2021

#সতর্কতামূলক পোস্ট 🚨 🚨

weekend emergency তে ডিউটি করার সময় সকাল ৮ টায় , একজন বাবা তার ৩ জন বছরের এক সুস্হ সবল ফুটফুটে কন্যা সন্তান কে Ambulance 🚑 এ করে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসে।

হাসপাতালে আসার আধা ঘন্টা আগে ই বাচ্চা টা মারা গিয়েছিলো😭😭😭

#বাচ্চা টার কয়েকদিন ধরে এক্টু কাশি, জ্বর ছিলো, তার আগের দিন ডাক্তার এর কাছে নিয়ে গেলে তাকে antibiotics দেওয়া হয়, lungs infection suspect করে।

ভোর চারটায় বাচ্চা টা তার বাবা কে বলে, সে নিশ্বাস নিতে পারছে না, বাবা মনে করে এটা angst symptom এবং তাকে ঘুমায় যেতে বলে নিজে ও ঘুমায়ে যায়, ভোর ৭ টায় ঘুম থেকে উঠে দেখে বাচ্চা আর শ্বাস নিচ্ছে না।

আমরা যখন বাচ্চা টার death declare করি, বাবা টা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে 😭😭( তার কান্না দেখে নিজের চোখের পানি ধরে রাখা মুশকিল 😩😩)

1: সব বাচ্চাদের ই এক্টু জ্বর, কাশি হতে পারে কিন্তু alarming sign কি?

2: ছোট বাচ্চাদের health condition খুব দ্রুত deteriorate করতে পারে, একবার ডাক্তারের কাছে গেলে ই কি সম্পূর্ন নিশ্চিন্তে থাকা যাবে?

sign :

1.বাচ্চা যদি ঘন ঘন শ্বাস নিতে থাকে , শ্বাস নেওয়ার সময় বুকের মাংসপেশি অতিরিক্ত ব্যবহার করে ( এটাকে indtrækninger বলে), বাঁশির মতন শব্দ হয় শ্বাস নেওয়ার সময় ( astma patient দের এরকম হয়)।

2. বাচ্চা যদি ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৩ বার প্রসাব না করে।

3. বাচ্চা যদি থুতনি বুকের সাথে না লাগাতে পারে (এটা কে nakkerygstivhed বলে, এটা meningitis এর লক্ষন)।

4. বাচ্চা র গায়ে যদি এমন rash দেখা যায়, যেটা র উপর আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে disappear হয়ে যাচ্ছে না ( এটা কে petkkier বলে)।

5. বাচ্চা র সাথে communication (বয়স অনুযায়ী) ঠিক আছে কি না, এটা ও গুরুত্বপূর্ণ ।

#সব বাচ্চা রা তাঁদের বাবা মা এর কাছে নিরাপদ থাকুক, সুস্হ থাকুক, শুভকামনা থাকলো... আল্লাহ্ সবাই কে সুস্হ রাখুন...

বি: দ্র: সব lungs infection এ ই antibiotics এর প্রয়োজন হয় না, শতকরা আশি ভাগ infection হয় virus দিয়ে, যেটা এমনি তে ই ভালো হয়ে যায়। বাচ্চা যদি হাসিখুশি থাকে, পানি পান করে তাহলে চিন্তা র কিছু নাই..

একজন এর ও যদি উপকার হয় এই পোস্ট পড়ে, তাহলে ই স্বার্থক এই লম্বা পোস্ট ♥️♥️♥️
collected

  #কোলন_ক্যান্সারবলিউডের ইরফান খানের পরে; হলিউডের চ্যাডউইক বোসম্যান মারা গেলেন কোলন ক্যান্সারে। কোলন ক্যান্সারের অন্যতম ...
15/09/2021


#কোলন_ক্যান্সার
বলিউডের ইরফান খানের পরে; হলিউডের চ্যাডউইক বোসম্যান মারা গেলেন কোলন ক্যান্সারে। কোলন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ দ্রুত মলত্যাগ করা ও মলত্যাগ করতে বসার পদ্ধতি। প্রচলিত লো-কমোড ওয়াশরুমের চেয়ে হাই-কমোড/সিটিং কমোডে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। সিটিং কমোডে পায়ুনালী সোজা না হয়ে, বাঁকানো থাকে৷ ফলে পরিপূর্ণভাবে মলত্যাগ হয় না। যা ক্ষতের সৃষ্টি করে, ইহা পর্যায়ক্রমে ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। বিলাসিতার জন্য সিটিং কমোড এখন বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে পায়ুনালী সোজা রাখতে পায়ের তলায় প্লাস্টিকের টুল ব্যবহার করতে পারেন।
বিঃদ্রঃ এখানে কোনো হাসির কথা বলা হয়নি,এটা সকলেরই জানা প্রয়োজন।

Courtesy : School of Engineers

Credit- Priya Sporsiya

14/09/2021

✳️✳️✳️ব্লাইটেড ওভাম (blighted o**m/ anembryonic pregnancy/ empty sec) ✳️✳️
প্রেগনেন্সিতে একটি পরিচিত সমস্যা। এটি এক ধরনের এবরশন। ভ্রূণের ক্রোমোজোমাল আ্যবনরমালিটিকে এর প্রধান কারণ মনে করা হয়। যার ফলে ভ্রুণটি (embryo) প্রথম থেকেই নষ্ট হয়ে যায় এবং ডেভলপ (develop) করে না। এ সত্বেও রোগীর প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হয় এবং প্রেগনেন্সির অন্যান্য লক্ষণ গুলো দেখা যায়।

সাধারণত রোগীর কোন সমস্যা না থাকলেও অনেক সময় সামান্য ব্লিডিং হতে পারে এবং রুটিন আল্ট্রাসনোগ্রাম করে এই সমস্যাটি ধরা পড়ে।

অনেক সময় দেখা যায় রোগী প্রায় ৫ বছর আগে বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক সমস্যার জন্য কোনো ট্রিটমেন্টে করেনি। হঠাৎ করেই এক মাস আগে তার মাসিক বন্ধ হয় এবং প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ আসে। নতুন অতিথির আগমনের আশায় তারা বুক বাঁধে, কিন্তু হঠাৎ করেই মাসিকের পথে(per-vaginal) ব্লিডিং দেখা দেয়। পরবর্তীতে আল্ট্রাসনো করে দেখা যায় শুধু প্রেগনেন্সির ঘরটি (gestational sac) আছে, কোন এমব্রায়ো/ভ্রুণ নেই।

এভাবে অনেক ক্ষেত্রেই এর ডায়াগনোসিসে কনফিউশন দেখা দেয় এবং সঠিক সময় হয় না। RCOG এর গাইড লাইন অনুযায়ী gestational sac 2.5 cm এর বেশি হলে এবং এর মধ্যে যদি কোন এমব্রায়ো না থাকে, তবে ৭ থেকে ১৪ দিন পরে আরেকটি আল্ট্রাসনোগ্রাম করে ডায়াগনোসিস কনফার্ম করতে হয়।

অনেক রোগী না জেনে প্রোজেস্টেরন ঔষধ (যেমন মাইক্রোজেস্ট) এবং ইনজেকশন দিতে থাকেন। এতে করে রোগীর ব্লিডিং বন্ধ হয়ে যায়। ফলাফল, ডায়াগনোসিস দেড়িতে হয়। এই ধরনের ট্রিটমেন্ট blighted o**m/ empty set এর চিকিৎসায় সময় এবং অর্থের অপচয় ছাড়া কোন পজিটিভ রেজাল্ট আনে না।

জেনে রাখুন➡️➡️➡️
20/08/2021

জেনে রাখুন➡️➡️➡️

19/08/2021

পেইজ এ নতুন নতুন পোস্ট পেতে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন।।
ধন্যবাদ

19/08/2021

⬅️⬅️⬅️⬅️⬅️⬅️কোমরব্যথা➡️➡️➡️➡️➡️➡️➡️

কোমরব্যথার কারণঃ
পেশি, হাড়, জোড়া, লিগামেন্ট, জোড়ার আবরণ, ডিস্ক (দুই কশেরুকার মধ্যে থাকে) ও স্নায়ুর রোগ বা ইনজুরি।
বুক, পেট ও তলপেটের মধ্যকার বিভিন্ন অঙ্গের সমস্যার জন্য কোমরব্যথা হতে পারে।
১. যাঁরা অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে একই ভঙ্গিতে কাজ করেন। এতে দেখা যায়, কোমরে ব্যথা প্রচণ্ড হয়ে থাকে।
২. বসার চেয়ার টেবিল ঠিকমতো না হলে বা ঠিকমতো না বসলে বা সামনে-পেছনে ঝুঁকে বসলে কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
৩. দীর্ঘক্ষণ ড্রাইভিং করলে বা বেশি সামনে ঝুঁকে গাড়ি চালালে কোমর ব্যথা হতে পারে। ড্রাইভিংয়ের সময় পেছনে কিছু সাপোর্ট নেওয়া উচিত।
৪. যাঁরা শুয়ে বা কাত হয়ে বই পড়েন বা অন্য কাজ করেন, তাঁদের মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ব্যথা অনুভূত হয়।
৫. অনেকেই আছেন যাঁরা কোনো ভারী জিনিস সঠিক নিয়মে তোলেন না। ফলে মেরুদণ্ডে অস্বাভাবিক চাপ পড়ে এবং তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যথা হয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেনঃ
✳️সব সময় ধরে বা জমে আছে—এ ধরনের ব্যথা।
✳️ভারী ওজন তোলা বা অতিরিক্ত কাজের পর তীক্ষ্ণ ব্যথা।
✳️কোমর থেকে নিতম্ব, ঊরু ও পায়ের আঙুল পর্যন্ত ব্যথা বিস্তৃত হলে।
✳️পায়ে দুর্বলতা বা অবশ ভাব হলে।
✳️হাঁচি, কাশি দিলে বা সামনে ঝুঁকলে ব্যথা বেড়ে যায়।
✳️প্রস্রাব বা পায়খানার নিয়ন্ত্রণ না থাকলে।
শোয়া অবস্থায় বা শোয়া থেকে ওঠার সময় ব্যথা হলে।

চিকিৎসাঃ
কোমরব্যথার চিকিৎসার মূল লক্ষ্য হলো ব্যথা নিরাময় করা এবং কোমরের নড়াচড়া স্বাভাবিক করা। পূর্ণ বিশ্রাম কিন্তু দীর্ঘদিন বিশ্রাম নিলে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যায়। তীব্র ব্যথা কমে গেলেও ওজন তোলা, মোচড়ানো পজিশন, অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম ও সামনে ঝুঁকে কাজ করা বন্ধ করতে হবে। সঠিক উপায়ে বসার অভ্যাস করতে হবে এবং প্রয়োজনে ব্যাক সাপোর্ট ব্যবহার করতে হবে। গরম সেঁক (গরম প্যাড, গরম পানির বোতল বা উষ্ণ পানিতে গোসল) নিতে হবে। পেশি নমনীয় ও শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়াম করতে হবে। কিছু ব্যায়াম কোমরব্যথা প্রশমনে সাহায্য করে, এমনকি ওষুধের চেয়েও ভালো ফল দেয়। এই ব্যায়াম প্রতিদিন রাতে ও সকালে বিছানায় শুয়ে শুয়ে করতে পারেন। সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৭ মিনিট।
১. সমতল হালকা নরম বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত শরীরের দুই পাশে রেখে দুই পা সোজা করে শুতে হবে। হাঁটু ভাঁজ না করে এক পা ওপরের দিকে তুলুন যত দূর সম্ভব। ১০ সেকেন্ড পা তুলে রাখতে হবে। একইভাবে অপর পা ওপরে তুলুন এবং একই সময় নিন।
২. এবার একইভাবে হাঁটু ভাঁজ না করে একসঙ্গে দুই পা তুলুন এবং একই সময় নিন।
৩. এবার এক হাঁটু ভাঁজ করে দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে হাঁটুকে বুকে লাগানোর চেষ্টা করুন। ১০ সেকেন্ড থাকুন। একইভাবে অপর হাঁটু বুকে লাগাতে হবে।
৪. একসঙ্গে দুই হাঁটু ভাঁজ করে দুই হাতে জড়িয়ে বুকে লাগাতে হবে।
৫. সর্বশেষ দুই পা সোজা করে পায়ের পাতার দিকে সটান করে ১০ সেকেন্ড রাখতে হবে।
প্রতিটি ধাপ ১০ সেকেন্ড দীর্ঘায়িত হবে বা ১০ গোনা পর্যন্ত করতে হবে।
✳️অবশ্যই চিকিৎসক এর পরামর্শে ঔষধ সেবন করুন।

19/08/2021
19/08/2021

🚼🚼শিশুরা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর পরই কেঁদে ওঠে কেন🚼🚼

শিশু যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন তার শ্বাস কার্য চালানোর জন্য ফুসফুসের প্রয়োজন হয় না। মায়ের দেহ আম্বিলাইক্যাল কর্ড বা নভিরজ্জুর মাধ্যমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের আদানপ্রদান হয় এবং প্লাসেন্টা র মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায়ও কিছুটা প্রয়োজনীয় শ্বাস বায়ু আদানপ্রদান হয়।ফলে এই সময় ফুসফুস দুটির আলভিওলাই গুলি চুপসে থাকে।

কিন্তু যখন সন্তান মায়ের দেহ থেকে বাইরে আসে,তখনই নভিরজ্জুটি কেটে দেওয়া র সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়। ফলে তখনই ফুসফুস দুটির অ্যালভিওলাই গুলিতে বাইরে থেকে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন প্রবেশ করে।ফলে হঠাতই আলভিওলাই গুলি ফুলে ওঠায় যে আঘাতের সৃষ্টি হয়,তার কারণেই শিশু কেদে ওঠে।

অর্থাৎ সদ্যজাত শিশুর কেঁদে ওঠা একটি ভালো লক্ষণ।এর থেকে স্পষ্ট হয় যে সদ্যজাত শিশুর ফুসফুস দুটি সঠিকভাবে কাজ করছে।

এখন অনেকসময় দেখা যায় শিশু একবার মাত্র কেদে উঠেই থেমে যায় এবং তার হাত পা আরষ্ঠ হয়ে ধীরে ধীরে নীল হয়ে যেতে থাকে।

এর কারণ: মানুষের ফুসফুসের আলভিওলাই গুলোর টাইপ ২ এপিথেলিয়াল কোষ থেকে surfactant নামক একপ্রকারের তরল নিঃসৃত হয় । যার রাসায়নিক নাম ডাইপলমিটোইল ফসফাটিডিল কোলিন ।এই রাসায়নিক টি আলভিওলাই গুলির অভ্যন্তরের তলে পৃষ্ঠটান কম করে।ফলে রক্তনালী গুলি থেকে পানি আলভিওলাই গুলির অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু সদ্যজাত শিশুর ফুসফুসে এই রাসায়নিক টি তৈরি হয় না। ফলে একবার শ্বাস নেওয়ার পরই যখন আলভিওলাই গুলো বায়ুপূর্ণ হয় তখনই রক্তনালী থেকে পানি প্রবেশ শুরু করে। ফলে আলভিওলাই গুলো পানিপূর্ণ হতে থাকে। এর ফলে ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস কার্য ব্যাহত হয়। ক্রমশ রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়তে থাকে। ও শিশু ক্রমশ মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। এরকম শিশু ততক্ষনাত ভেন্টিলেশনে রাখা প্রয়োজন।

🔳🔳🔳🔳🔳বয়ঃসন্ধিকাল🔳🔳🔳🔳🔳🔳বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী জীবনের ১০-১৯ বৎসর সময়টাই হলো কৈশোর বা বয়ঃসন্ধিকাল। শৈশব...
18/08/2021

🔳🔳🔳🔳🔳বয়ঃসন্ধিকাল🔳🔳🔳🔳🔳🔳

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী জীবনের ১০-১৯ বৎসর সময়টাই হলো কৈশোর বা বয়ঃসন্ধিকাল। শৈশব ও যৌবনের এই সন্ধিক্ষণে ছেলেমেয়েদের শারিরীক ও মানসিক পরিবর্তন হয় ও তারা প্রজননক্ষম হয়।

মানসিক পরিবর্তন সমূহঃ

এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে ছেলেমেয়েদের নিজেদের শরীর সম্পর্কে কৌতূহল হয়,
শরীরের পরিবর্তন বিষয়ে জানতে চায়।
নারী-পুরুষের সম্পর্ক বিষয়ে জানতে চায় ।
নিজেদের বড় ভাবতে শুরু করে।
ছেলেমেয়ের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণবোধ করে।
অজানা জিনিস জানার বিষয়ে কৌতূহলী হয়।
চেহারা, সৌন্দর্য ও পোশাক সম্পর্কে সচেতন হয় এবং অন্যের মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করে ।
কেউ আবার একা থাকতে পছন্দ করে, কারো সামনে যেতে চায় না। একটা সঙ্কোচ কাজ করে তাদের মধ্যে ।
এ বয়সে মন চঞ্চল হয়ে ওঠে । দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, আবেগ আর অস্থিরতা কাজ করে । কখনো মন বিষন্ন হয়ে ওঠে, আবার কখনো মন খুশিতে ভরে যায় । কেউ হয়ে ওঠে অভিমানী, কেউবা কৌতূহলী ।
তবে এই পরিবর্তনগুলো সাময়িক । বড় হওয়ার সাথে সাথে সব স্বাভাবিক হয়ে যায় ।

বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন কেন হয়ঃ

বয়ঃসন্ধিকালের সময়ে শরীরে ও মনে স্বাভাবিকভাবেই অনেক পরিবর্তন আসে । কারো এ পরিবর্তন আগে শুরু হয় আবার কারোও বা পরে । বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের শরীরের এসব পরিবর্তন হরমোন নিঃসরণের কারণে হয়ে থাকে । হরমোন হচ্ছে শরীরের ভেতরে তৈরি এক ধরনের গ্রন্থিরস যা দেহকে সক্রিয় রাখে এবং দেহের বৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করে । শরীর বেড়ে ওঠার এ ব্যাপারটা অনেকটাই নির্ভর করে শরীরের গঠনের উপর। তবে এখানে সঠিক পুষ্টিরও বেশ প্রভাব রয়েছে ।

বয়ঃসন্ধিকালীন কি কি পরিবর্তন হতে পারেঃ

যখন একটি মেয়ে ১০-১২ বছর বয়সে পৌঁছে, তখন তার শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয় । যেমন- উচ্চতা বাড়ে, মাসিক শুরু হয়, স্তন বড় হয়, বগলে ও যৌনাঙ্গে লোম গজায় । কোমর সরু হয়, উরু ও নিতম্ব ভারি হয়, জরায়ু ও ডিম্বাশয় বড় হয়। এই পরিবর্তনগুলোই হচ্ছে মেয়েদের বড় হওয়ার লক্ষণ । মাসিক একটি মেয়ের শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা সাধারণত ১০-১৩ বছর বয়সে শুরু হয় এবং স্বাভাবিক নিয়মে ৪৫-৪৯ বছর বয়স পর্যন্ত চলে । তবে কারও ৯ বছর বয়স থেকেও মাসিক স্রাব শুরু হতে পারে । মাসিক স্রাব শুরু হওয়ার প্রথম বছরগুলোতে কিছুটা অনিয়ম হতে পারে এবং তলপেটে ব্যথা হতে পারে । যদিও এ বয়স থেকেই মেয়েরা গর্ভবতী হতে পারে, তবুও ২০ বছর বয়সের আগে শরীরের বৃদ্ধি পুরোপুরি না হওয়ার কারণে কম বয়সে গর্ভধারণ একটি মেয়ের ও তার গর্ভের শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ।

তেমনি ছেলেদের ক্ষেত্রে, এসময় তাদের দেহের উচ্চতা দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে, গলার স্বর ভারি হয়ে আসে, কাঁধ চওড়া হয়, পেশী সুগঠিত হয়। মুখে দাড়ি-গোঁফ ওঠে সেইসঙ্গে শরীরের নানা জায়গায় বিশেষ করে, বুকে, বাহুমূলে ও যৌনাঙ্গে লোম গজায়। এই সময়ে ছেলেরা একটু বেশি ঘামে।

17/08/2021

🚫🚫🚫🚫🚫🚫মাইগ্রেন🚫🚫🚫🚫🚫🚫🚫

মাইগ্রেনে, মাথার নীচের অংশে প্রচুর ব্যথা হয়, রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে, মাথাব্যথার সময় মাথার খুলির নীচে ধমনীতে রক্তচাপ বেড়ে যায়। যার কারণে রাসায়নিক নিঃসরণ, জ্বলন, বমি এবং রক্তনালীগুলির সঞ্চালন কাজ করে। এছাড়াও এটি বংশগত।

🚫🚫🚫মাইগ্রেনের লক্ষণ🚫🚫🚫🚫🚫🚫

💡শরীরের অর্ধেক অংশ ( ব্যথা টানা দুই বা তিন দিন অব্যাহত থাকে, যার মধ্যে বমিভাব থাকে)
💡 ঠিকমতো ঘুমায় না
💡ফোটোফোবিয়া থাকে যার অর্থ আলোতে সমস্যা।
💡ফোনোফোবিয়ায় থাকে যার মানে মানুষের জোর শব্দ তে সমস্যা হয়।

🚫🚫🚫🚫মাইগ্রেনের কারণ 🚫🚫🚫🚫🚫🚫🚫

মাইগ্রেন অনেক কারণের কারণ হতে পারে যেমন মাথাব্যথা, ক্ষুধা হ্রাস, পুরো ঘুমের অভাব, বমি বমিভাব ইত্যাদি, তবে যে ব্যক্তি ইতিমধ্যে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তে শর্করার মতো অন্যান্য রোগে ভুগছেন মাইগ্রেনের অবস্থা বাড়ে।
কেউ খাবারে অ্যালার্জিযুক্ত, এই অ্যালার্জি মাইগ্রেনের সমস্যা সৃষ্টি করে, অ্যালার্জি শাকসবজি এবং দুধজাত পণ্য থেকেও হতে পারে, ধূমপানের ক্ষেত্রেও অ্যালার্জি হতে পারে। এই সমস্ত কারণে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দেয়।

🚫🚫🚫মাইগ্রেন এড়াতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়🚫🚫🚫

মাইগ্রেন এড়ানোর জন্য আমাদের জীবনের প্রতিদিনের অভ্যাসগুলি পরিবর্তন করার জন্য যত্ন নেওয়া উচিত।
আমাদের প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা এবং ব্যায়াম করা উচিত, সন্ধ্যায় হাঁটা উচিত, ভারসাম্যযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত, চাপ থেকে দূরে থাকা উচিত। সর্বদা খুশি থাকার চেষ্টা করা উচিত।

🚫🚫মাইগ্রেনে কী খাওয়া উচিত/কি খাওয়া উচিত না🚫🚫
কি খাবেনঃ
শুকনো ফল, দুধ, দই, মসুর, মাংস এবং মাছ,রুটি, ভাত, আলু, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার এবং সালাদ।

কি খাবেন নাঃ

মাইগ্রেনে আপনার জাঙ্ক ফুড ও বাজারের খোলা খাবার এবং উচ্চ মশলাদার খাদ্য গ্রহণ করা উচিত নয়।

🚫🚫🚫মাইগ্রেন থেকে মুক্তি কীভাবে পাওয়া যায়🚫🚫🚫


💡ব্যায়াম
💡মানসিক চাপ ও হতাশা থেকে দুরে থাকতে হবে।
💡মাইগ্রেনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশি ঘুমানো উচিত। হঠাৎ করে ব্যথা হলে ব্যথার বড়ি না নেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি অতিরিক্ত ব্যথা হয় তবে আপনার উচিত একজন ভাল ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
🌼🌼নিজে ভালো থাকুন অন্যকে ভালো রাখুন🌼🌼🌼

16/08/2021

🔳🔳🔳🔳🔳🔳ডেংগু জ্বর🔳🔳🔳🔳🔳🔳🔳

লক্ষণঃ
হঠাৎ করে প্রচন্ড জ্বর দিয়ে শুরু হয়। ১০২ থেকে ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত। সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়। সাথে থাকতে পারেঃ
*মাথাব্যথা
*প্রথম দুই দিনে মুখে,গলায়, ঘাড়ে লালচে ভাব।
এরপর ৩- ৪ দিনের মাথায় লালচে র‍্যাশ। জ্বর সারতে থাকার সময় হাত ও হাতের তালু, পা এবং পায়ের তলাতে হাল্কা চুলকানো সহ র‍্যাশ।
*চোখের পিছনে বা চোখ নাড়াচাড়া করলে বা প্রেসার দিলে ব্যথা
*আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা
*মেরুদণ্ড / মাংসপেশী ও হাড়ে,ব্যথা
*এছাড়া ক্ষুধামন্দা, পায়খানা কষা হওয়া, পেট ব্যথা হতে পারে।

# উল্লেখ্য যে এই লক্ষ্মণগুলো রোগী ভেদে যথেষ্ট ভিন্ন হতে পারে।
রোগীকে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যান।
আপনার ডাক্তার আপনাকে এই পরীক্ষাগুলো করতে দিবেন জ্বর এর ৩ দিনের মধ্যেঃ
CBC, Hematocrit, NS1 antigen, SGOT, SGPT

এই পর্যায়ে আবশ্যকীয় চিকিৎসাঃ

* পূর্ণ বিশ্রাম ( bed rest)
* পর্যাপ্ত তরল খাবার যেমন দুধ/ ফলের রস / সুপ/ ডাবের পানি/ ভাতের মাড় - একজন পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষের জন্য ২৫০ মিলি গ্লাসের ৬ গ্লাসের বেশি। বাচ্চাদের জন্য ৩ থেকে ৫ গ্লাস মিনিমাম। বয়স অনুযায়ী।

সতর্কতাঃ
শুধু পানি অতিরিক্ত খেলে শরীরে লবন চিনির ভারসাম্য ব্যহত হবে তাই তরল খাবার খেতে হবে।
* কুসুম গরম পানিতে শরীর বারবার মুছে দিতে হবে।
* শরীরের তাপমাত্রা অবশ্যই ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইট এর নিচে রাখতে হবে। এ জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল। ( নাপা/ এইস)

# কোন অবস্থাতেই ক্লোফেনাক ( voltalin) / এসপিরিন/ আইবুপ্রোফেন / স্টেরয়েড জাতীয় ব্যথানাশক বা জ্বরনাশক ঔষধ দেওয়া যাবে না।

# সতর্কতার সাথে রোগীর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে কারন পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে ডেংগু রোগ দ্রুত জটিল আকার ধারণ করতে পারে।রোগীর জ্বর সেরে যাওয়ার পর পরবর্তী দুই দিন খুব ভালভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

# নিচের যেকোনো লক্ষ্মণ দেখা দিলে সাথে সাথে নিকটবর্তী চিকিৎসক / হাসপাতালে নিতে হবে তা না হলে রোগীর মারাত্মক জটিলতা হতে পারেঃ

*শরীরের যেকোনো স্থান থেকে রক্তপাত যেমন চামড়ার নিচে লাল দানা ( রক্তবিন্দুর মত) অথবা তার চাইতে একটু বড় /নাক বা মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ / রক্তবমি/ কালো পায়খানা /অতিরিক্ত মাসিক বা যোনীপথ এ রক্তক্ষরণ।
* অতিরিক্ত বমি অথবা কিছু পান করতে না পারা
* প্রচন্ড পেট ব্যথা
* আচরণগত পরিবর্তন / ঝিমুনি / খিঁচুনি / অতিরিক্ত কান্না/ ঘুম ঘুম ভাব
* হাত পা এর তলা ফ্যাকাসে ঠান্ডা ভিজা ভাব
* শ্বাসকষ্ট
*বসা বা শোয়া থেকে দাঁড়ালে মাথা ঘুরানো
* ৪ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে প্রস্রাব না হওয়া।

Address

Chittagong

Telephone

+8801632031589

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Sanzida Akter posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Sanzida Akter:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category