Human Help

Human Help Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Human Help, Chittagong.

ভুলে যাওয়া একজন সূর্য সন্তান... আজকের এই দিনেই সাগরের বুকে চিরতরে হারিয়ে যান বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মেধাবী পাইলট ফ্লাইট ল...
01/07/2023

ভুলে যাওয়া একজন সূর্য সন্তান...

আজকের এই দিনেই সাগরের বুকে চিরতরে হারিয়ে যান বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মেধাবী পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান।

তার ব্যাচমেটরা যখন মজা করে বলত "ইজেকশনটা ভালো করে শিখে নে,কখন কি হয় তা তো বলা যায়না" তখন সে বারবরই একটা কথা বলত Whatever happen, I'll never abandon my aircraft। সে মনে প্রাণে বিশ্বাস করত জনগণের ঘামের টাকায় কেনা এই বিমানের কাছে তার জীবন তুচ্ছ। সে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে দেশের এই অমূল্য সম্পদ রক্ষার।

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান শেষ পর্যন্ত তার কথা রেখেছিলেন। ২০১৫ সালের আজকের এই দিনে সকাল ১১টার দিকে একটি F-7 যুদ্ধবিমান নিয়ে পতেঙ্গার আকাশে উড়ছিলেন তিনি। ৪০ মিনিট উড়ার পর হঠাৎই যান্ত্রিক গোলযোগে পড়ে বিমানটি। নিতি ইজেক্ট না করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেশের ও বিমানবাহিনীর মূল্যবান বিমানটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

বিমানটি রক্ষার চেষ্টা করতে করতে বিমানবাহিনীর নিয়ন্ত্রণকক্ষের সাথে বিমানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরে পতেঙ্গা উপকূল থেকে মার্চেন্টশীপ টু কোস্টগার্ড টু বিমানবাহিনী জানতে পারে তার বিমানটি পতেঙ্গা উপকূলে বিধ্বস্ত হয়েছে।

সাথে সাথে উদ্ধার অভিযানে ছুটে যায় কোস্টগার্ড আর নৌবাহিনীর ৮-১০টি জাহাজ। কিন্তু পিন পয়েন্ট এক্যুরিসি কেউই জানতনা৷ পরবর্তী ১০ দিন ধরে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মানের মৃতদেহ আর তার বিধ্বস্ত বিমানটির আর কোন সন্ধান মেলেনি।

সাগরের বুকে চিরতের হারিয়ে যায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মেধাবী অকুতোভয় পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ রুম্মান।

30/04/2022

Al-Baqarah 2:42

وَلَا تَلْبِسُوا۟ ٱلْحَقَّ بِٱلْبَٰطِلِ وَتَكْتُمُوا۟ ٱلْحَقَّ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ

And do not mix the truth with falsehood or conceal the truth while you know [it].

--- বান্দার উত্তর....
হে মহান আল্লাহ সোবহানাল্লাহু তা'আলা,
আমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে সংমিশ্রণ করবো না, জেনে শুনে সত্যকে গোপন করবো না।
#সত্যঃ সত্য হচ্ছে ধর্মশাস্ত্র ও দর্শনশাস্ত্রের একটি মৌলিক শক্তি যা দ্বারা বিশাল এ জগৎ সৃষ্ট হয়েছে এমন বিশ্বাস বা ধারণা যা প্রকৃত বিষয় বা ঘটনার সাথে যোগাযোগের সেতুবন্ধন গড়ে তুলে। পবিত্র ধর্মশাস্ত্রাদি একসুরে বলছে মহামহিম আল্লাহতালাই একমাত্র সত্য ।
বিশাল বিস্তৃত এ সৃষ্টি সসীম ও অসত্য , শুধু তার গহীন ইচ্ছাসমুদ্রের কোনো বন্দরে হয়তো বিদ্যমান।

#মিথ্যাঃ সত্যকে অস্বীকারকারক সকল কিছুই মিথ্যা।

মিথ্যাকে সব পাপের জননী বলা হয়। একটি মিথ্যা থেকে শতশত পাপের সূত্রপাত হয়। মিথ্যাবাদীকে আল্লাহপাক প্রচণ্ড ঘৃণা করেন। আল কোরআন ও হাদিসে মিথ্যুক এবং মিথ্যাবাদীর ভয়ানক পরিণতির কথা বলা হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহপাক বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সহযোগী হও। ’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১১৯)।

পবিত্র কোরআনে আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারী ও মিথ্যাবাদীকে সুপথ প্রদর্শন করেন না। ’ (সুরা : মুমিন, আয়াত : ২৮)

আল্লাহ আল কোরআনে হুশিয়ার করে বলেন, ‘সুতরাং পরিণামে তিনি তাদের অন্তরে নিফাক (দ্বিমুখিতা) রেখে দিলেন সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তারা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, তারা আল্লাহকে যে ওয়াদা দিয়েছে তা ভঙ্গ করার কারণে এবং তারা যে মিথ্যা বলেছিল তার কারণে। (সূরা তওবা, আয়াত : ৭৭)

মহান আল্লাহ আও বলেন, ‘(অনুমানভিত্তিক) মিথ্যাচারীরা ধ্বংস হোক। ’ (সুরা : জারিয়াত, আয়াত : ১০)

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে কেয়ামতের দিন তুমি তাদের চেহারাগুলো কালো দেখতে পাবে। ’ (জুমার, আয়াত : ৬০)।

19/04/2021

লকডাউন বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলছে।
দুঃখ একটাই সবার হাতে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন... মনে হলো এটাকেও অপব্যবহার করছি সবাই,,,!!!
পুলিশে সার্ভিস দিয়ে জীবনে কত যে বিচিত্র দৃশ্যের অবতারণা হয় তা দেখি,,,🤣🤣🤣!!!

“যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাত...
19/12/2020

“যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে।

আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়ে ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ।’

পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা।

বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি।

আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে।

জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও সহানুভূতিশীল হও।”

তখন ১৯৪১ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। আমরা থাকতাম রামেশ্বরম শহরে। এখানে আমাদের পরিবার বেশ কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল।

আমার বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। কলম্বোতে যুদ্ধের দামামা বাজছে, আমাদের রামেশ্বরমেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। খাবার থেকে শুরু করে নিত্যব্যবহার্য পণ্য, সবকিছুরই দারুণ সংকট।

আমাদের সংসারে পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন। তাদের মধ্যে তিনজনের আবার নিজেদেরও পরিবার আছে, সব মিলিয়ে এক এলাহি কাণ্ড। আমার দাদি ও মা মিলে সুখে-দুঃখে এই বিশাল সংসার সামলে রাখতেন।

আমি প্রতিদিন ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠে অঙ্ক শিক্ষকের কাছে যেতাম। বছরে মাত্র পাঁচজন ছাত্রকে তিনি বিনা পারিশ্রমিকে পড়াতেন। আমার মা আশিয়াম্মা ঘুম থেকে উঠতেন আমারও আগে। তিনি আমাকে গোসল করিয়ে, তৈরি করে তারপর পড়তে পাঠাতেন।

পড়া শেষে সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি ফিরতাম। তারপর তিন কিলোমিটার দূরের রেলস্টেশনে যেতাম খবরের কাগজ আনতে। যুদ্ধের সময় বলে স্টেশনে ট্রেন থামত না, চলন্ত ট্রেন থেকে খবরের কাগজের বান্ডিল ছুড়ে ফেলা হত প্ল্যাটফর্মে।

আমার কাজ ছিল সেই ছুড়ে দেওয়া কাগজের বান্ডিল সারা শহরে ফেরি করা, সবার আগে গ্রাহকের হাতে কাগজ পৌঁছে দেওয়া।

কাগজ বিক্রি শেষে সকাল আটটায় ঘরে ফিরলে মা নাশতা খেতে দিতেন। অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই দিতেন, কারণ আমি একই সঙ্গে পড়া আর কাজ করতাম।

সন্ধ্যাবেলা স্কুল শেষ করে আবার শহরে যেতাম লোকজনের কাছ থেকে বকেয়া আদায় করতে। সেই বয়সে আমার দিন কাটত শহরময় হেঁটে, দৌড়ে আর পড়াশোনা করে।

একদিন সব ভাইবোন মিলে খাওয়ার সময় মা আমাকে রুটি তুলে দিচ্ছিলেন, আমিও একটা একটা করে খেয়ে যাচ্ছিলাম (যদিও ভাত আমাদের প্রধান খাবার, কিন্তু রেশনে পাওয়া যেত গমের আটা)।

খাওয়া শেষে বড় ভাই আমাকে আলাদা করে ডেকে বললেন, ‘কালাম, কী হচ্ছে এসব? তুমি খেয়েই চলছিলে, মাও তোমাকে তুলে দিচ্ছিল। তার নিজের জন্য রাখা সব কটি রুটিও তোমাকে তুলে দিয়েছে। এখন অভাবের সময়, একটু দায়িত্বশীল হতে শেখো। মাকে উপোস করিয়ে রেখো না।’ শুনে আমার শিরদাঁড়া পর্যন্ত শিউরে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে মায়ের কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম।

মাত্র পঞ্চম শ্রেণিতে পড়লেও পরিবারে ছোট ছেলে হিসেবে আমার একটা বিশেষ স্থান ছিল। আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। কেরোসিন দিয়ে বাতি জ্বালানো হতো; তাও শুধু সন্ধ্যা সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত।

মা আমাকে কেরোসিনের ছোট্ট একটা বাতি দিয়েছিলেন, যাতে আমি অন্তত রাত ১১টা পর্যন্ত পড়তে পারি। আমার চোখে এখনো পূর্ণিমার আলোয় মায়ের মুখ ভাসে।আমার মা ৯৩ বছর বেঁচে ছিলেন।

ভালোবাসা আর দয়ার এক স্বর্গীয় প্রতিমূর্তি ছিলেন আমার মা। মা, এখনো সেদিনের কথা মনে পড়ে,যখন আমার বয়স মোটে ১০। সব ভাইবোনের ঈর্ষাভরা চোখের সামনে তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাতাম।

সেই রাত ছিল পূর্ণিমার। আমার পৃথিবী শুধু তোমাকে জানত মা! আমার মা! এখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে উঠি। চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। তুমি জানতে ছেলের কষ্ট মা। তোমার আদরমাখা হাত আমার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিত।

তোমার ভালোবাসা, তোমার স্নেহ, তোমার বিশ্বাস আমাকে শক্তি দিয়েছিল মা। সৃষ্টিকর্তার শক্তিতে ভয়কে জয় করতে শিখিয়েছিল।

[সূত্র: এ পি জে আবদুল কালামের নিজস্ব ওয়েবসাইট। ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ: অঞ্জলি সরকার]

(collected)

04/07/2020

বাড়ির উপার্জনকারী নিঃসঙ্গ শেরপাদের বাঁচতে হবে, বাঁচাতে হবে।

গত কয়েক মাসে আমি বেশ কয়েকজন পরিচিতের মৃত্যর খবর পেয়েছি।
সবার তিনটি জায়গায় মিল,
১. এরা সবাই বয়সে আমার ছোট কিংবা পিঠাপিঠি, চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বছর বয়শ।
২. সবাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন।
৩. সবাই অকস্মাৎ মারা গেছে হৃদরোগে, কিন্তু এরা কেউ হৃদরোগী ছিলেন না। এদের করোনা রিপোর্টও ছিল নেগেটিভ।

প্রতিটি মৃত্যুই আমার বুকে তীরের মতো বেঁধেছে।
আমি অনেক চিন্তা করেছি, সুস্থ, সবল মানুষ, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করতেন, হাঁটতেন এমন কী শখ করে কেউ কেউ ফুটবল খেলতেন, এরা হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবেন কেন?
নিজের মতো করে যে উত্তর আমি পেয়েছি তাহলো, করোনার কারণে অপ্রত্যাশিত আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে তাঁরা মারা গেছেন।
এরা সবাই বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মোটামুটি ভালো চাকুরি করতেন। স্বচ্ছল ছিলেন। ভালো ফ্লাট নিয়ে থাকতেন, বাচ্চারা ভালো স্কুলে পড়ে। কিন্তু করোনা সব ওলট-পালট করে দিয়েছে।
কেউ চাকুরি হারিয়েছেন, কারো বেতন বন্ধ, কারো তা কমে গেছে। এরা সবাই এ আকস্মিক আর্থিক পতনে ভীষণ বিপদে পড়ে গেছেন। একটি জীবন যাত্রায় অভ্যস্ত কেউ হঠাৎ আর্থিক বিপর্যয়ে পড়লে শরীর ও মনে তীব্র প্রভাব ফেলে।
এদের আয় কমে গেছে, কিন্তু খরচ কমেনি। তাই সবাই ছিলেন দিশেহারা। কেউ কেউ আবার চিন্তা করবে বলে পরিবারকে এ বিপর্যয়ের কথা বলেননি। পুরো চাপ একা নিয়েছেন। খাবার টেবিলে হেসেছেন, সে হাসির পেছনে যে রক্তবর্ণ বেদনা লুকিয়ে আছে তা কাউকে বুঝতে দেননি। শেষ পর্যন্ত এ চাপ সইতে পারেননি। ফলাফল- হার্ট অ্য্যাটাক এবং মৃত্যু।
এ মৃতুগুলো যে কী ভয়াবহ কষ্টের তা বলার দরকার নেই।
আমি এধরণের একটি মৃত্যুও দেখতে চাই না। তাই আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে কিছু পরামর্শ দিতে চাই, যদিও তা 'উদ্ভট' বা 'অসম্ভব' মনে হতে পারে।

১. দয়া করে পরিবারের সাথে সমস্যা শেয়ার করুন। তাঁরা আজ বা কাল ব্যাপারটা জানবেনই। তাই গোপন না করে তাঁদের নিয়েই পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
২. প্রয়োজনে নাটকীয়ভাবে জীবনযাত্রা নামিয়ে আনুন। মিডল ক্লাসের প্রচলিত 'ইগো'র কারণে আমরা অযথা অনেক খরচ বাড়িয়েছি। সেগুলো চাইলে বাদ দেয়া যায়। কম দামের বাড়িতে শিফট করুন। গাড়ি বিক্রি করে দিন। অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় খরচ বাদ দিন। কে কী বললো সেদিকে পাত্তা দিবেন না, এখন টিকে থাকাটাই মুখ্য।
৩. বাচ্চাদের স্কুল খরচ খুব বেশি হলে তাও বদলে ফেলুন। আমাদের মনে রাখা উচিত, স্কুলকে খ্যাতিমান করে শিক্ষার্থীরা, স্কুল কোনো শিক্ষার্থীকে খ্যাতিমান করে না। স্কুলের পরিচয়ে ছাত্রছাত্রীদের আখেরে কোনো লাভ হয় না। কাজ হয় তার রেজাল্টে। সেটা যেকোনো ধরণের স্কুল থেকেই করা যায়। এই যে প্রতিবছর ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিসিএস বের হয়, এদের বেশির ভাগ সাধারণ স্কুল কলেজে পড়েছে। নামকরা প্রতিষ্ঠানে নয়।
৪. সময়টা খুব খারাপ। তাই কোনো সমস্যা না থাকলেও মাঝে মাঝে ইসিজি করিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করুন।
৫. সমস্যা ভাই-বোনের সাথে আলাপ করুন। পরিবারের যে ভাই বা বোন বিপদে পড়েছেন, তাঁকে অন্যরা আগলে রাখুন। টাকা গেলে টাকা আসবে। ভাই-বোন গেলে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। এই কঠিন সময়ে সবাই এক ছাতার নিচে আশ্রয় নিন। একজনের উষ্ণতা দিয়ে আরেকজনকে রক্ষা করুন।
৬. এ দুঃসময়ে যৌথ পরিবারে ফিরে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। পরিবারের সবার সম্মিলিত আয় যদি সবার কাজে লাগানো যায় তাহলে সবাই উপকৃত হবেন। একা তো অনেক থাকলাম, এবার না হয় একটু কম্প্রোমাইজ করে সবাই মিলে থাকি। স্থায়ী বেদনাকে আমন্ত্রণ জানানোর চেয়ে এটা অনেক ভালো। মনে রাখবেন, যে মেষ শাবক পালছুট হয়, সে-ই বাঘের কবলে পড়ে। আমার এ আইডিয়া অনেকের কাছে 'অসম্ভব' মনে হতে পারে, কিন্তু আমি মনে করি, বর্তমান দুর্যোগ কাটানোর সবচে বড়ো ওষুধ এটাই। আমরা ভাইবোনরা প্রয়োজনে এরকম কিছু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছি। যদিও এখন পর্যন্ত আমরা সবাই ভালো আছি।
৭. দয়া করে সমস্যার কথা বন্ধুদের বলুন। আর যেসব বন্ধুরা ভালো আছেন, তাঁরা বিপদগ্রস্থ বন্ধুকে আগলে রাখুন। প্রয়োজনে তাঁর জন্য 'বেইল আউট' প্ল্যান করুন। সবাই হাত লাগালে বিপন্ন বন্ধুটির জন্য ছোটখাট সম্মানজনক একটি ব্যবসা দাঁড় করিয়ে দেয়া মোটেও অসম্ভব নয়। বিভিন্ন সময় আমরা এটা করে দেখেছি, সফলও হয়েছি।
৮. মধ্যবিত্তের যে ইগোর কথা বলছিলাম, তা একদম বাদ দেন। পৃথিবীর সবচে খারাপ তিন অক্ষরের শব্দ হলো EGO'.
এটা বাদ দিয়ে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ান। যেমন, ছাত্র জীবনে যিনি টিউশনি করতেন, তিনি প্রয়োজনে লকডাউনের পর তাতে ফিরে যান। যাদের বাড়িতে জায়গা আছে, তাঁরা কৃষি থেকে আয়ের ব্যবস্থা করুন। পুকুর থাকলে মাছ চাষ করুন, হাঁস-মুরগি পালন করুন। এগুলো নিজেকেই করতে হবে এমন কথা নেই। লোক লাগিয়েও।করা যায়। বাড়ির মহিলারা সেলাই কাজ, হোম মেইড ফুড এধরণের ছোট ছোট উদ্যোগ নিন।অনলাইন/অফলাইনে বিক্রি করুন। সততাকে পূঁজি করলে ক্রেতার অভাব হবে না।
এখন যুদ্ধকাল, আমাদের আগের কয়েক প্রজন্ম এমন ভয়াবহ আর্থিক দূরবাস্থায় পড়েনি, পরের প্রজন্মও সম্ভবত পড়বে না। এটা কাটিয়ে ওঠার জন্য যে যেটা জানি, যার যেটা আছে তাই আঁকড়ে ধরতে হবে। এখন ফালতু ইগোর সময় নয়।
০৯. বিগত কয়েক বছর পূণর্মিলনী/ রি-ইউনিয়নের বন্যা
আমরা দেখেছি। লাখ লাখ টাকা এসব অনুষ্ঠানে খরচ হয়েছে।
এসব অ্যালামনাই এখন প্রত্যেক সদস্যের বিপদে পাশে দাঁড়াতে পারেন। নয়তো এসব মিলন মেলা/প্রাণের বন্ধন একটি
লোক দেখানো ফালতু ব্যাপার ছিল তাই প্রমাণিত হবে। ( আমি সব সময় বলতাম, এতো টাকা শুধু খাওয়া দাওয়া আর নাচ-গানের পেছনে খরচ না করে কিছু জমান, একটা 'ফান্ড' তৈরি করেন, বিপদ যে কোনো সময় আসতে পারে, তখন কাজে লাগবে। নাউ ইট'স রেইনিং। টাকাটা হাতে রাখলে আমরা বন্ধুদের বিপদে কাজে লাগাতে পারতাম। হয়তো বাথরুমে দড়াম করে পড়ে গিয়ে তাজা বন্ধুটি লাশে পরিণত হতো না।)
১০. সবশেষে বলি, বাড়ির একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য হচ্ছেন নিঃসঙ্গ শেরপা। তাঁকে একাই লড়াই করতে হয়। এ একাকী যোদ্ধাকে বাড়ির সবাই স্বস্তি দিন, যত্ন করুন, মায়ায় ডুবিয়ে রাখুন। তিনি যাতে অযথা চাপে না পড়েন সেদিকে নজর দিন।

সম্মিলিত চেষ্টায় আসুন বিপদ কাটিয়ে উঠি।
দশ মিনিটের বুকে ব্যথায় যিনি মারা যাচ্ছেন, তা আসলে দশ মিনিটের ব্যথা নয়, দিনের পর দিনের ব্যথা। অনিশ্চয়তার এ দীর্ঘ ব্যথার চাপ আসলে তিনি আর নিতে পারেননি। একমাত্র স্বজনদের সম্মিলিত হাত সে বুকে রাখলেই এ ব্যথা কমবে।
#আসুনমায়াছড়াই।
কপিরাইট: বাদল সৈয়দ.

★যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের Elmhurst hospital এর নার্স হিসেবে কর্মরত আছে আমাদের ছোটবোন Ayesha Akter (Happy).★ সে আমাদের এ...
13/04/2020

★যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের Elmhurst hospital এর নার্স হিসেবে কর্মরত আছে আমাদের ছোটবোন Ayesha Akter (Happy).
★ সে আমাদের এসএসসি -১৯৯১, চবি -২৯ ব্যাচের এবংচবি লোকপ্রশাসন বিভাগের সহপাঠী Amena Begum এর ইমিডিয়েট ছোটবোন।
★এ মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি করোনা দ্বারা আক্রান্ত শহরের নাম হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।
★ সেখানে সে তার ছোট্ট ছোট্ট দুটো বাচ্চাকে রেখে মানবতার সেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এ ছোট বোনটি।
★ পারিবারিক জীবনে তার স্বামী এবং এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
★তার স্বামী আমাদের চবি লোকপ্রশাসন বিভাগের সহপাঠী এবং চবি- ২৯ এর বন্ধু S M Iqbal Faroque।
সকলের কাছে এ ছোট বোনটির জন্য দোয়া চাই। করোনা মুক্ত পৃথিবীতে মুক্তির গানে এদের অবদান একদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

28/01/2020

“করোনা” ভাইরাস -----নিয়ে একটু জানি,,,
আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে ইসলাম ধর্মে শিকারী ও মাংসাশী পশু, পাখি খাওয়া সম্পূর্ণভাবে নিষেধ করা হয়েছে। অথচ চীনাদের প্রিয় খাবারের তালিকায় সব ধরনের শিকারী পশু-পাখি,বিষাক্ত সাপ,কীট পতঙ্গ সবই বিদ্যমান,,,, অার যা খাওয়ার কুফল আজ আমরা চীনে দেখতে পাচ্ছি। আবার পানির নীচে বসবাসকারী ( যা কখনো ডাঙ্গায় আসে না) সকল প্রকার জীব ইসলামে হালাল করা হয়েছে। মাংসাশী প্রাণীগুলো হারাম করার মূল কারণ হলো একমাত্র ঐ প্রাণীগুলোই বিভিন্ন ধরণের ঘাতক জীবাণু বহন করে যা মানুষের মধ্যেও মরণব্যাধি বয়ে আনতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা রিসার্চ করে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি খুঁজে পেয়েছেন। চীনের উহান প্রদেশের একটি মাংসের দোকানে সাপ ও বাদুড়ের মাংস বিক্রি হতো। বাদুড় ঐ ভাইরাস বহণ করে, আবার সাপও বাদুড় খায়। মানুষ ঐ দুটোই খেয়েছে যার ফলস্বরূপ মানুষের শরীরে ঐ ভাইরাস ঢুকে পড়ে এবং ক্রমান্বয়ে তা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন মাছের মধ্যে নিরীক্ষা চালিয়ে বুঝতে পেরেছে যে ঐধরণের ঘাতকজীবাণু জলের নীচে যাতায়াতে অক্ষম। তাই মাছ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রামন হওয়া অসম্ভব। এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এবং তাড়াতাড়ি এর প্রতিরোধক বের না করলে আগামী তিনমাসের মধ্যেই তা ব্যাপক আকার ধারণ করে পুরো পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়তে পারে। আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই গজব হতে রক্ষা করুন। আমীন।
আল্লাহ আমদের এই আযাব থেকে হেফাযত রাখুন আমিন .....
(সংগৃহীত )

02/12/2019
বিজয়ের মাসের শুরুতে সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের এবং  ৩০ লক্ষ শহীদের  পরিবারবর্গকে জানাই অকৃত্রিম শুভেচ্ছা ও...
01/12/2019

বিজয়ের মাসের শুরুতে সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যদের এবং ৩০ লক্ষ শহীদের পরিবারবর্গকে জানাই অকৃত্রিম শুভেচ্ছা ও সশ্রদ্ধ সালাম। সেসাথে সকল শহীদ ও পরলোকগত মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি |
বিজয়ের মাসে অামরা তোমাদের ভুলবো না।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human Help posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram