Dr.Rajib Paul

Dr.Rajib Paul স্বাস্হ্যই সকল সুখের মূল...

একদিনের জ্বর, দ্বিতীয় দিনে ঠোঁট, মুখ ও চোখে এরকম অবস্থা।সাসপেক্টেড ড্রাগ রিএকশন কিন্তু সাড়াশি অভিযানের পরেও "জ্বর উঠছে ত...
09/03/2026

একদিনের জ্বর, দ্বিতীয় দিনে ঠোঁট, মুখ ও চোখে এরকম অবস্থা।সাসপেক্টেড ড্রাগ রিএকশন কিন্তু সাড়াশি অভিযানের পরেও "জ্বর উঠছে তাই একটা প্যারাসিটামল খাইছে" পড়ে কোনো ড্রাগের হিষ্ট্রি পাওয়া গেলো না।

আমরা পেশেন্ট ভর্তি নিলাম এবং পরের দিন অবস্থা আরও খারাপ হতে শুরু করলো।শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বুলাস লেশন(Bullous lesion-অনেকে ফুসকুড়ি বলে থাকেন) দেখা গেলো।এ ধরনের লেশন ড্রাগ রিএকশনেও হয় আবার ইমিউন হাইপারসেন্সিটিভিটিতেও হতে পারে।

যেহেতু সিগনিফিক্যান্ট ড্রাগ খাওয়ার হিষ্ট্রি নাই এবং বুলাস লেশন হতে পারে ইমিউন বুলাস ডিজিজগুলোতে।কিন্তু বয়স এবং অন্যান্য লক্ষনের সাথে সে রোগও প্রমাণ করা যাচ্ছে না।

কনফার্মেশনের জন্য স্কিন ডিপার্টমেন্টের শরনাপন্ন হলাম।উনারা বায়োপসি ফর হিস্টোপ্যাথলজি এবং DIF(Direct Immunofluorescence) দিলেন।

ফাইনালি,বায়োপসিতে আসলো ড্রাগ রিএকশনের কারনেই হইছে।এবং সেই একটা ড্রাগের নাম প্যারাসিটেমল।

যেহেতু প্যারাসিটামল মানুষ মুড়ির মত খায় এবং এটা একটা OTC(drugs you can buy without a prescription) ড্রাগ। তাই প্যারাসিটামল কারনে এমন হতে পারে আমাদের চিন্তাতেও ছিলো না।

"প্যারাসিটামল"ও মারনঘাতি হতে পারে এরকম কপাল হয়তো খুবই অল্পকিছু মানুষের আছে।পৃথিবীর বুকে এই ছেলেটাও সেই বিরল কিছু মানুষের একজন।

সংগৃহীত তথ্য

পেটের ডান পাশে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা অনেকেই প্রথমে কি ভাবি জানেন?“গ্যাস হয়েছে… একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে।”“গতকা...
07/03/2026

পেটের ডান পাশে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা অনেকেই প্রথমে কি ভাবি জানেন?
“গ্যাস হয়েছে… একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে।”
“গতকাল হয়তো বেশি খেয়েছি…”
“ওষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবে…”
কিন্তু অনেক সময় এটা হতে পারে অ্যাপেন্ডিক্সের কারনে।
আমাদের শরীরে এই ছোট্ট নলটার কথা বেশিরভাগ মানুষ জীবনে কখনো ভাবেও না। যখন এটি সংক্রমিত বা ফুলে যায়, তখন
প্রথমে ব্যথাটা সাধারণত নাভির আশেপাশে শুরু হয়।
অনেকে তখনও বিষয়টা গুরুত্ব দেয় না।
কিছুক্ষণ বা কয়েক ঘণ্টা পর ব্যথাটা পেটের ডান পাশের নিচে চলে যায় এবং ধীরে ধীরে তীব্র হতে থাকে।
এর সাথে দেখা দিতে পারে
• বমি বমি ভাব বা বমি
• হালকা বা মাঝারি জ্বর
• খেতে ইচ্ছা না করা
• হাঁটা বা নড়াচড়া করলে ব্যথা আরও বেড়ে যাওয়া
অনেকে তখনও ব্যথা সহ্য করে বাড়িতে বসে থাকে।
কেউ গ্যাসের ওষুধ খায়, কেউ ব্যথার ওষুধ।
কিন্তু যদি সেই ফোলা অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যায় (rupture)
তাহলে পেটের ভেতরে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে এই অবস্থা গ্যাংগ্রিনাস অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়ে যায়, যেখানে অ্যাপেন্ডিক্সের টিস্যু পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। তখন চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে যায়।
একটা ছোট অঙ্গ…
কিন্তু অবহেলা করলে সেটাই জীবনহানির কারণ হতে পারে।
তাই মনে রাখবেন
যদি এমন ব্যথা হয় যা
নাভি থেকে শুরু হয়ে ডান পাশে নেমে যায়
এবং সাথে বমি, জ্বর বা অস্বস্তি থাকে,
তাহলে এটাকে সাধারণ পেটব্যথা ভেবে বসে থাকবেন না।
সময়মতো হাসপাতালে গেলে
একটি ছোট অপারেশনেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
কিন্তু দেরি করলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
আমাদের শরীর অনেক এ সংকেত গুলো আমরা কি শুনি?
পোস্টটি শেয়ার করুন।
হোন সচেতন...

আমরা এমনভাবে বড় হয়েছি যে “পাদ দেওয়া” মানেই লজ্জার কিছু। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটা হজম প্রক্রিয়ার একদম স্বাভাবিক ...
04/03/2026

আমরা এমনভাবে বড় হয়েছি যে “পাদ দেওয়া” মানেই লজ্জার কিছু। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটা হজম প্রক্রিয়ার একদম স্বাভাবিক অংশ।
ভাবুন তো—আপনি ডাল খেলেন, শাকসবজি খেলেন, ফল খেলেন। এসব খাবারে প্রচুর আঁশ থাকে। এই আঁশের একটা অংশ আমাদের ছোট অন্ত্রে পুরো ভাঙে না। সেগুলো বড় অন্ত্রে যায়। সেখানে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো সেই খাবার ভেঙে শক্তি তৈরি করে। আর এই ভাঙার সময়ই গ্যাস তৈরি হয়।
মানে, আপনার অন্ত্রের ভেতর কাজ চলছে বলেই গ্যাস হচ্ছে।
প্রতিদিন ১০–২০ বার পর্যন্ত গ্যাস নির্গমন অনেকের ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক। বেশিরভাগ সময় আমরা টেরই পাই না।
সমস্যা তখনই, যখন এর সাথে থাকে
তীব্র পেটব্যথা
অস্বাভাবিক পেট ফুলে থাকা
রক্তপাত
দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
অকারণে ওজন কমে যাওয়া
এসব থাকলে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

শুধু গ্যাস হওয়া মানেই রোগ না।
কিন্তু গ্যাসের সাথে অস্বাভাবিক উপসর্গ থাকলে সেটাই সমস্যা..
আপনার কি নিয়মিত গ্যাস হয়?
আপনার খাবারের তালিকায় কি আঁশ বেশি?
গ্যাস ছাড়ুন, তবে জায়গামতো,
ভরা মজলিসে মেরে নিজের ইজ্জতের ফালুদা করবেন না।

ইলেকট্রিক শকে পুড়ে যাওয়া একটা হাত…ইলেকট্রিক বার্নে ভেতরে ভেতরে মাংসপেশি, স্নায়ু, রক্তনালী—সব পুড়ে যেতে পারেইলেকট্রিক শ...
25/02/2026

ইলেকট্রিক শকে পুড়ে যাওয়া একটা হাত…
ইলেকট্রিক বার্নে ভেতরে ভেতরে মাংসপেশি, স্নায়ু, রক্তনালী—সব পুড়ে যেতে পারে

ইলেকট্রিক শকের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো—
বাইরে ক্ষত ছোট হলেও ভেতরের ক্ষতি অনেক বড় হতে পারে।
হার্টের রিদম পর্যন্ত বিগড়ে যেতে পারে।
দেরি হলে আঙুল বা হাত বাঁচানো কঠিন হয়ে যায়।

কি করবেন যদি এমন হয়?
সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করুন

রোগীকে সরাসরি খালি হাতে ধরবেন না, শুকনা কাঠ বা প্লাস্টিক ব্যবহার করুন

যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিন—even যদি ক্ষত ছোট মনে হয়

মনে রাখবেন, ইলেকট্রিক বার্নের চিকিৎসায় অনেক সময় সার্জারি লাগে, ফিজিওথেরাপি লাগে, দীর্ঘ পুনর্বাসন লাগে।

একটা মুহূর্তের অসতর্কতা সারা জীবনের অক্ষমতা হয়ে যেতে পারে।
আমরা প্রতিদিন হাসপাতালে এমন হাত দেখি।

ঘরের বৈদ্যুতিক লাইন ঠিক আছে কিনা আজই দেখে নিন।
খোলা তার, নষ্ট সুইচ, ভাঙা প্লাগ—ফেলে রাখবেন না।
নিজে সচেতন হোন। পরিবারকে সচেতন করুন।

একটা হাত কারও রুজির উৎস, কারও সন্তানের মাথায় হাত রাখার শক্তি।
আল্লাহ সকলকে নিরাপদ রাখুন। আমিন।

পোস্টটি শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটুখানি সচেতনতাই কারও হাত বাঁচিয়ে দেবে।

ছবি: মেডিকেল মিডিয়া

একই গর্ভে, একই পানির থলিতে, কোনো পর্দা ছাড়াই পাশাপাশি বড় হওয়া দুইটি শিশু।চিকিৎসাবিজ্ঞানে এদের বলা হয় Monoamniotic twins ...
15/02/2026

একই গর্ভে, একই পানির থলিতে, কোনো পর্দা ছাড়াই পাশাপাশি বড় হওয়া দুইটি শিশু।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এদের বলা হয় Monoamniotic twins বা “মোনো-মোনো” টুইন।
এই গর্ভধারণ খুবই বিরল, আর ঝুঁকিপূর্ণও।
কারণ দুই শিশুর নাড়ি একই জায়গায় ভাসতে থাকে। সামান্য জড়িয়ে গেলেই রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হতে পারে কর্ড এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট, টুইন-টু-টুইন ট্রান্সফিউশন, হঠাৎ জটিলতা।
এই মায়ের ৫৭ দিন কেটেছে কঠোর বিছানাবন্দী অবস্থায়। নিয়মিত মনিটরিং, দুশ্চিন্তা, অজানা ভয়। অবশেষে পরিকল্পিত সিজারিয়ান অপারেশনে ৪৮ সেকেন্ড ব্যবধানে জন্ম নিল দুই কন্যা।
আর জন্মের পর যখন পাশাপাশি রাখা হলো—
একজন হাত বাড়িয়ে আরেকজনের হাত শক্ত করে ধরে ফেলল।
মুহূর্তটা শুধু আবেগ না। এটা আল্লাহর সৃষ্টির এক নিঃশব্দ রহস্য।
গর্ভের অন্ধকারেও যে বন্ধন তৈরি হয়, তা ভাষার বাইরে।
আমরা অনেক সময় সন্তানকে স্বাভাবিকভাবে জন্মাতে দেখেই স্বাভাবিক ধরে নিই। কিন্তু কত মা প্রতিটি মুহূর্তে শঙ্কা নিয়ে দিন কাটান, কত শিশু জন্মের আগেই লড়াই শুরু করে—তা আমরা জানি না।
আল্লাহ চাইলে সবকিছু সম্ভব।
ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণ থেকেও সুস্থ শিশু জন্ম নেয়।
আবার সামান্য অবহেলাতেও বড় ক্ষতি হয়ে যায়।
তাই—

নিয়মিত প্রেগন্যান্সি চেকআপ করুন

উচ্চঝুঁকির গর্ভধারণে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে থাকুন

অস্বাভাবিক কিছু মনে হলে দেরি করবেন না
আজ সুস্থ সন্তানের মুখ দেখে যদি মনে হয় সব স্বাভাবিক—একবার আলহামদুলিল্লাহ বলুন।

প্রিয় মানুষকে নিয়মিত চেক-আপ করান,
শেয়ার করুন, ছড়ান স্বাস্থ্য সচেতনতা।

চার বছরের ছোট্ট লুকা ডি গ্রুট।মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কাপড় ধোয়ার কাজে সাহায্য করছিল।হঠাৎ ঘরের এক কোণে রাখা ডিটারজেন্ট পড,খেলন...
03/02/2026

চার বছরের ছোট্ট লুকা ডি গ্রুট।
মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে কাপড় ধোয়ার কাজে সাহায্য করছিল।
হঠাৎ ঘরের এক কোণে রাখা ডিটারজেন্ট পড,
খেলনার মতো দেখতে বলে লুকা সেটায় কামড় দিয়েছিল।
এক মুহূর্তেই পড ফেটে যায়।
তীব্র রাসায়নিক ছিটকে পড়ে ওর চোখে।
এরপর অসহনীয় ব্যাথা ও
লুকাকে নিতে হয়েছে একের পর এক অস্ত্রোপচার।
হাসপাতালে কেটেছে দীর্ঘ সময়।
ডাক্তাররা স্পষ্ট করে বলেছেন—
এই রাসায়নিক পোড়া থেকে স্থায়ী অন্ধত্বের ঝুঁকি ছিল।

ঘরের ভেতরে যেসব জিনিস থেকে আজই সতর্ক হবেন

১/ডিটারজেন্ট পড, ফ্লোর ক্লিনার, গ্লাস ক্লিনার
রঙিন ও সুন্দর বোতল।
চোখে বা মুখে গেলে মারাত্মক রাসায়নিক পোড়া হয়।

২/ব্লিচ ও টয়লেট ক্লিনার
এক ফোঁটাই টিস্যু ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।

৩/ কেরোসিন, পেট্রোল, থিনার
পানির বোতলে রাখা সবচেয়ে ভয়ংকর অভ্যাস।

৪/ঔষধ ও ভিটামিন সিরাপ
শিশুর কাছে ক্যান্ডির মতো।

৫/ বাটন ব্যাটারি, রিমোট সেল
গিলে ফেললে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খাদ্যনালি পুড়ে যেতে পারে।ৃা

৬/ম্যাচ, লাইটার, মশা নিধন কয়েল
এক মুহূর্তের আগুন—আজীবনের ক্ষত।

৭/কসমেটিকস, নেল পলিশ রিমুভার, পারফিউম
সুগন্ধি হলেও ভেতরে বিষ।

শিশুরা কৌতূহলী।
আমরাই দায়িত্বশীল হবো কি না—
সেটাই আসল প্রশ্ন।
আজই ঘরের সব বিপজ্জনক জিনিস শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।
উঁচু তাকে, তালাবদ্ধ জায়গায়।
ভুল বোতলে ঢালবেন না।
লুকা হয়তো বেঁচে গেছে।
সব শিশু সেই সুযোগ পায় না।

এই লেখাটা শেয়ার করুন।
হয়তো আপনার এক ক্লিক
কারো সন্তানের চোখ
কারো সন্তানের জীবন
বাঁচিয়ে দেবে।

ক্যানুলা করার পর ক্যানুলা সাইট ইনফেকশন কমন বিষয়।এজন্য ডাক্তাররা সবসময়ই ক্যানুলার দিকে নজর রাখে এবং ৩ দিন পর পর ক্যানুলা ...
28/01/2026

ক্যানুলা করার পর ক্যানুলা সাইট ইনফেকশন কমন বিষয়।এজন্য ডাক্তাররা সবসময়ই ক্যানুলার দিকে নজর রাখে এবং ৩ দিন পর পর ক্যানুলা পরিবর্তন করা হয়।
জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যানুলা করার পর বাচ্চার হাতের অবস্থা এমন হয়ে যায়। বিভিন্ন পোস্টে দেখলাম স্বাস্থ্য কর্মী বা নার্সদের দোষ দেয়া হচ্ছে কারন, ক্যানুলা করার পর হাতের রঙ পরিবর্তন হলে তিনি বলেন ঠিক হয়ে যাবে। অবশ্যই উচিৎ ছিল ডাক্তারকে জানানো ও উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেয়া। পরবর্তীতে বাচ্চার হাত কেটে ফেলতে হয় ইনফেকশন এর জন্য।

ক্যানুলার সঠিক ম্যানেজমেন্ট এর পরও বিশ্বের বড় বড় হাসপাতালে ও ক্যানুলা সাইট ইনফেকশন থেকে রোগী মারা পর্যন্ত যায়।

কিন্তু হাসপাতালে যদি রোগী মিসম্যানেজমেন্টের এর স্বীকার হয় তাহলে তবে অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি হওয়া উচিৎ।

একজন আর্জেন্টিনার সাধারণ কার মেকানিক,ডাক্তার নন, ইঞ্জিনিয়ারও নন।ইউটিউবে দেখা একটি সহজ কৌশল থেকে তার মাথায় আসে এক গভীর প্...
17/01/2026

একজন আর্জেন্টিনার সাধারণ কার মেকানিক,
ডাক্তার নন, ইঞ্জিনিয়ারও নন।
ইউটিউবে দেখা একটি সহজ কৌশল থেকে তার মাথায় আসে এক গভীর প্রশ্ন—
প্রসবের সময় আটকে যাওয়া শিশুকে কি নিরাপদে, কাটা-ছেঁড়া ছাড়াই বের করা যায়?
এই প্রশ্ন থেকেই জন্ম নেয় এক অভিনব ডিভাইস।
একটি প্লাস্টিক কভার ও ভেতরের নরম, বাতাসভরা ব্যাগ
যা শিশুর মাথাকে আলতোভাবে ঘিরে ধরে
এবং নিরাপদ প্রসব সম্ভব করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) একে বলেছে
“প্রসব চিকিৎসায় এক বিপ্লব”।
কারণ এটি সস্তা, সহজে ব্যবহারযোগ্য,
গ্রামাঞ্চলেও কার্যকর
এবং অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান কমাতে পারে।
যে দেশে এখনো প্রসব মানেই ভয়,
এবং অনেক মা চিকিৎসার অভাবে মারা যান—
প্রশ্ন হলো, আমরা কি এমন নতুন সমাধানকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত?
আমরা কি এটা গ্রহণ করতে প্রস্তুত?
আমাদের ক্লিনিকের ডাক্তাররা? দাইরা?
নাকি নতুন কিছু এলেই আমরা অবিশ্বাস করব, অপমান করব, উপহাস করব?
একজন মেকানিক যদি মানুষের জীবন বাঁচানোর কথা ভাবতে পারে,
তাহলে আমরা কেন পারব না?

এই পোস্টটা শেয়ার করুন।
কারণ হয়তো এই আইডিয়াটাই
আগামী দিনে কোনো মায়ের
শেষ আশার আলো হয়ে উঠবে।

ফলো দিন👉 Dr.Rajib Paul

ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জঘন্যতম জায়গা হচ্ছে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেন্টার। যেখানে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আমার, সে অবস্থাতেও ৬...
15/01/2026

ইংল্যান্ডের সবচেয়ে জঘন্যতম জায়গা হচ্ছে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেন্টার। যেখানে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আমার, সে অবস্থাতেও ৬-৭ ঘন্টা বসায় রাখলো। বসায় যদি রাখবে তাহলে নাম আর্জেন্ট ট্রিটমেন্ট সেন্টার কেনো দেয়।
দেখতেছে,শুনতেছে যে আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তাও কোনো এ্যাকশন নাই। বার বার বলছি আমাকে একটু আগে দেখেন, না তারা নিয়ম কানুন মেনে সিরিয়াল অনুযায়ী দেখবে। তারপর প্রায় ৭ ঘন্টা পর ইনহেলার দিয়েছে।
যেটা বাংলাদেশ থেকে আমি আগেই এনেছি।
আর এই ইনহেলার কিনতে আরেক কাহিনি।
সিরিয়াল দিয়ে ওষুধ কিনতে হয়েছে তাও ১৭ নাম্বার সিরিয়াল, সেখানেও ১.৩০ ঘন্টা বসা।
সত্যি বলতে আর যাই হোক আমাদের বাংলাদেশের ডাক্তার,চিকিৎসা ব্যবস্থা হাজার গুণ ভাল আছে আমার মতে। আর কার সাথে কি হয় জানি না, কিন্তু আমি শেষ ৫ দিন অনেক ভুগলাম।
এক পর্যায়ে ভাবছিলাম বাংলাদেশ গিয়ে ট্রিটমেন্ট করাই।
এই দেশে এক প্রেগ্ন্যাসির সময় (তাও তাদের ডিপার্টমেন্ট আলাদা), বাচ্চারা আর ৫০ বছরের উপরে যারা আছে তারাই প্রায়োরিটি পায়। মাঝের সবাই ধইন্নাপাতা।

I always respect my Country doctors, you guys are best for me 💗

Fahima Faruqe Turna

09/01/2026

নেপাল চন্দ্রগিরি হিল শিব মন্দির কবুতরের ঝাঁক।

ধোয়াঁর  আড়ালে হারিয়ে যায় জীবন...”— বারগার্স ডিজিজ ও এক amputated ভবিষ্যতের গল্পসকালের মিষ্টি রোদটা আপনার গায়ে লাগছে।এক হ...
03/01/2026

ধোয়াঁর আড়ালে হারিয়ে যায় জীবন...”

— বারগার্স ডিজিজ ও এক amputated ভবিষ্যতের গল্প

সকালের মিষ্টি রোদটা আপনার গায়ে লাগছে।
এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতে এক টুকরো মৃত্যু
একটা বিড়ি।

ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে মিলিয়ে যাচ্ছে।
আপনি ভাবছেন, “এইটুকু ধোঁয়া দিয়ে কীইবা হবে?”
কিন্তু ঠিক তখনই...
আপনার শরীরের ভিতরে রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে,
আপনার পায়ের আঙুলে রক্ত থেমে যাচ্ছে,
মৃত্যু ঘুম থেকে জেগে উঠছে—আপনার শরীরে।

❝ বারগার্স ডিজিজ ❞

একটা নীরব, নির্মম মৃত্যু।
না, এটা একদিনে হয় না।
এটা ধীরে ধীরে গিলে খায় আপনাকে।

আগে পায়ের আঙুল কালো হয়।

তারপর ব্যথা, জ্বালা, অসহ্য পুঁজ।

ক্ষত শুকায় না, বরং পচে যায়।

একদিন ডাক্তার বলে “এই পা রাখতে পারছি না... কেটে ফেলতে হবে”।

তখন আপনি বোবা হয়ে বসে থাকেন।
একটা সিগারেটের দাম ১৫ টাকা,
কিন্তু একটা পায়ের দাম?
– সে তো গোটা একটা জীবন!

💔 এক মুহূর্ত... ভাবুন শুধু:

আপনার শিশু ছেলেটা হেঁটে আসে,
মুখে হাসি, বলে “আব্বু চলো খেলতে যাই!”
আপনি তাকিয়ে থাকেন… হুইলচেয়ারে বসে, কাটা পা নিয়ে।

স্ত্রী পাশে এসে ভাতের থালা দেয়,
কিন্তু আপনি নিজেই খেতে পারেন না
হাতটাই তো আর চলে না ঠিকঠাক।

সবাই দেখে আপনি নিজেই নিজেকে ধ্বংস করেছেন।
ধীরে ধীরে নয়,
প্রতিটি টানেই নিজেকে এক টুকরো করে শেষ করে দিয়েছেন।

🔥 “তবু ছাড়তে পারি না…”?

না ভাই,
সিগারেট শুধু “পাপ” না।
এটা সন্তানহারা করার মত যন্ত্রণা,
এটা অসহায় মায়ের চোখের পানি,
এটা নিজের শরীরকে কেটে কেটে কবর বানানো।

আজই বলুন:

“না” — ধূমপানকে, “না” নিজের সর্বনাশকে।

চিকিৎসকের কাছে যান

উপসর্গ দেখা দিলে আর অপেক্ষা নয়

সচেতন হোন, আর কাউকে সচেতন করুন

> একদিন যারা ছিল আপনজন — তারা পাশে থাকতেও ভয় পাবে,
যদি আপনি নিজেই নিজেকে শেষ করে ফেলেন একেকটা ধোঁয়ার টানে।

#ধূমপান_নিরোধ #বারগার্স_ডিজিজ

সিজারের তিন দিন পর শিশুর মৃ-ত্যু 😭কেন হলো?শ্বাসনালীতে দুধ আটকে যাওয়ায়।দূর্ঘটনাটি ঘটেছে হাসপাতালে, মা এখনও ভর্তি। শিশুকে ...
28/12/2025

সিজারের তিন দিন পর শিশুর মৃ-ত্যু 😭
কেন হলো?
শ্বাসনালীতে দুধ আটকে যাওয়ায়।
দূর্ঘটনাটি ঘটেছে হাসপাতালে, মা এখনও ভর্তি। শিশুকে খাওয়ানোর সময় হেঁচকি শুরু হলে তা হালকাভাবে নেওয়া চলবে না—এটি জীবন-হুমকিস্বরূপ হতে পারে।
এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে। তাই সবাই, বিশেষ করে নবজাতককে খাওয়ানোর সময় সাবধান থাকুন,।

👉কেন শ্বাসনালী তে আটকায়

ফিডিং পজিশন
নবজাতক যদি সঠিকভাবে ল্যাচ না করে, বা হেলানো অবস্থায় খায়, দুধ গলাগুলি (ইসোফ্যাগাস) থেকে শ্বাসনালীতে প্রবেশ করতে পারে।
বিশেষ করে সিজার সন্তান বা খুব ছোট শিশু, যারা পুরোপুরি নিজের শ্বাস ও গিলে নেওয়ার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তাদের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকি থাকে।
👉 হঠাৎ বা জোর করে খাওয়ানো
ফিডার বা বোতল দিয়ে দ্রুত খাওয়ালে দুধ শিশুর গলার প্রতিক্রিয়া সামলাতে না পারার কারণে শ্বাসনালীতে চলে যেতে পারে।
👉 হেঁচকি বা কফ/রিফ্লাক্স সমস্যা
খাওয়ার পর হঠাৎ হেঁচকি বা বাচ্চার অস্থিরতা থাকলে দুধ উল্টে শ্বাসনালীতে যেতে পারে, বিশেষ করে নবজাতকের স্বাভাবিক রিফ্লাক্স নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বিকশিত হয় না।
👉শ্বাসনালী-গলা বিকাশ অসম্পূর্ণ
নতুন জন্মানো শিশুদের এপিগ্লটিস (যেটা শ্বাসনালী ঢেকে রাখে) পুরোপুরি শক্ত নয়, তাই খাওয়ার সময় দুধ বা খাবার ভুল পথে যেতে পারে।:
খাওয়ানোর সময় বাচ্চাকে সঠিকভাবে হেলান দিন ফিডিং বালিশ ব্যবহার করুন।
শুয়ে ফিডিং করাবেন না❌
খাওয়ার পর শান্তভাবে হালকা পরিপ্রেক্ষিত দিয়ে হেঁচকি বের করতে সাহায্য করুন।
যদি হঠাৎ বাচ্চা হাঁচি, কাশি বা রঙ পরিবর্তন দেখায়, সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সবাইকে সেয়ার করে জানিয়ে দিন....

Address

Noakhali
Comilla
3881

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Rajib Paul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Rajib Paul:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram