Orpi Medical Hall অর্পি মেডিক্যাল হল

Orpi Medical Hall  অর্পি মেডিক্যাল হল We Have also Online Service and home delivery service And any Emergency Call us Any time we can service

Here provided Health and medical advice, Also All kind of Accurate Medical Related information is Provided here And good quality medicine is Available Our Shop, we try to give you our best service with care.

01/01/2026

✅বর্তমানে দেশে ভয়াবহভাবে রোটা ডায়রিয়া বেড়ে যাওয়ার একটাই বড় কারণ—
অনেক মা–বাবা এখনো রোটা ভাইরাস টিকা সম্পর্কে সচেতন নন।

অথচ এই একটা টিকাই শিশুকে
তীব্র ডায়রিয়া, পানিশূন্যতা এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়া থেকে বাঁচাতে পারে।

💉 রোটা ভাইরাস টিকার ব্র্যান্ড ও মূল্য (বাংলাদেশ)
🔶 Rotasiil (Serum Institute of India)
▪️ ডোজ: ৩ ডোজ
▪️ মূল্য: প্রতি ডোজ প্রায় ৳ ৯০০–১,২০০
▪️ কার্যকারিতা: ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা প্রতিরোধে কার্যকর
▪️ WHO অনুমোদিত

🔶 Rotarix (GSK)
▪️ ডোজ: ২ ডোজ
▪️ মূল্য: প্রতি ডোজ প্রায় ৳ ২,৫০০–২,৮০০
▪️ কার্যকারিতা: উচ্চ, কম ডোজে সম্পূর্ণ হয়
▪️ WHO অনুমোদিত

🔶 RotaTeq (MSD)
▪️ ডোজ: ৩ ডোজ
▪️ মূল্য: প্রতি ডোজ প্রায় ৳ ২,৮০০–৩,০০০
▪️ কার্যকারিতা: বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত ও অত্যন্ত কার্যকর

⏰ কখন দিতে হয় রোটা টিকা?

✔ প্রথম ডোজ: শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ হলেই দেওয়া যায়
✔ শেষ ডোজ: ২৪ সপ্তাহ (৬ মাস) বয়সের মধ্যে শেষ করতে হয়
👉 অর্থাৎ,
🍼 জন্মের ১.৫ মাস থেকে শুরু করে ৬–৮ মাসের মধ্যেই কোর্স শেষ করা বাধ্যতামূলক।

✅ কেন এই টিকা এত জরুরি?

✔ তীব্র ডায়রিয়া থেকে শিশুকে রক্ষা করে
✔ভয়াবহ পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমায়
✔হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়
✔ সব ব্র্যান্ডই নিরাপদ ও WHO অনুমোদিত

⚠️ মনে রাখবেন,
❌ রোটা ভাইরাস টিকা ফ্রি নয়
✔ তবে প্রায় সব প্রাইভেট ভ্যাকসিন সেন্টারেই সহজে পাওয়া যায়
💰 ডোজ ও ব্র্যান্ডভেদে খরচ ৳ ৯০০ – ৳ ৩,০০০
👉 শিশুর বয়স এখন ছোট থাকতেই
👉 আজই ডাক্তার বা ভ্যাকসিন সেন্টারে যোগাযোগ করুন
👉 সময়মতো টিকা দিন
👉 আপনার শিশুকে ভয়াবহ ডায়রিয়া থেকে নিরাপদ রাখুন।

🤱আপনার সন্তানকে রোটা ভাইরাসের টিকা দিয়েছেন কিনা কমেন্ট করে জানান। পোস্টটি বেশি বেশি করে শেয়ার করে দিন। যাতে অন্য মা বাবারা সচেতন হতে পারে।

30/12/2025

Heart যদি স্পন্দন দেয়া বন্ধ করে দেয়। এটাই মৃত্যু।
Heart এর স্পন্দন বন্ধ হলে তাকে আর ICU তে কৃত্রিম ভাবে বাচায়ে রাখা যায় না।
আমরা আগে মৃত্যু ঘোষণা করতাম Death certificate এ এইটা লিখে, Death due to irreversible Cardiorespiratory Failure.
ICU কোন Death Preservation এর জায়গা না।
হৃদয়ের স্পন্দন বন্ধ মানে, সে মৃত। তাকে আর জোর করেও ICU তে রাখতে পারবেন না। বডি একটু পর ই Decomposition শুরু করবে। বা পচন শুরু করবে।
Highest বডিকে কয়েকদিনের জন্য Deep frozen করে রাখা যায়।
তাই আসুন ভ্রান্তি থেকে বের হই। আপনার আমার সবারই একদিন হৃদয় বন্ধ হয়েই মৃত্যু হবে।

#ডাঃসওগাত_এহসান

ব্রেস্ট (স্তন) বড় হয়ে যাওয়া এবং ঝুলে যাওয়ার পেছনে একাধিক শারীরবৃত্তীয়, হরমোনজনিত ও জীবনধারাগত কারণ রয়েছে।১. বয়স বৃদ্ধিবয়...
28/12/2025

ব্রেস্ট (স্তন) বড় হয়ে যাওয়া এবং ঝুলে যাওয়ার পেছনে একাধিক শারীরবৃত্তীয়, হরমোনজনিত ও জীবনধারাগত কারণ রয়েছে।

১. বয়স বৃদ্ধি

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক ও টিস্যুগুলোর স্থিতিস্থাপকতা কমে যায়। স্তনে চর্বি ও লিগামেন্ট থাকে যেগুলো বয়সের সাথে সাথে ঢিলে হয়ে যেতে থাকে, ফলে স্তন ঝুলে পড়ে।

২. হরমোন পরিবর্তন

বিশেষ করে রজঃস্রাব শুরু, গর্ভাবস্থা, স্তন্যদান, মেনোপজ ইত্যাদি সময় হরমোনের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এসব পরিবর্তনের ফলে স্তনের আকৃতি ও টিস্যুর গঠন পরিবর্তিত হতে পারে।

৩. গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান

গর্ভাবস্থায় স্তনে দুধ তৈরি হওয়ার কারণে স্তন বড় হয়ে যায়। স্তন্যদান শেষে দুধ কমে গেলে টিস্যুগুলো সংকুচিত হয় এবং স্তনের ত্বক ও লিগামেন্ট শিথিল হয়ে যেতে পারে, যা স্তন ঝুলে যাওয়ার একটি বড় কারণ।

৪. অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা

স্তনে মূলত চর্বি বেশি থাকে। অতিরিক্ত ওজনের ফলে স্তনের আকার বড় হয় এবং ভারের কারণে তা নিচের দিকে ঝুলে যেতে পারে।

৫. অনিয়মিত ব্রা পরা বা না পরা

যথাযথ মাপের ব্রা ব্যবহার না করলে স্তনকে সঠিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ধরে সঠিক সাপোর্ট ছাড়া চললে লিগামেন্ট দুর্বল হয়ে স্তন ঝুলে যেতে পারে।

৬. দ্রুত ওজন বাড়া বা কমা

ওজনের হঠাৎ ওঠানামার ফলে ত্বক ও টিস্যুর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়, যা স্তনের গঠনকে প্রভাবিত করে। এতে স্তনের আকৃতি পরিবর্তন হতে পারে এবং ঝুলে যেতে পারে।

৭. জিনগত প্রভাব

পারিবারিক বা বংশগত কারণে অনেকের স্তন বড় হয় বা ঝুলে যাওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। জিনের প্রভাবে স্তনের আকার, গঠন, এবং ত্বকের প্রকৃতি নির্ধারিত হয়।

৮. ধূমপান

ধূমপান কোলাজেন ধ্বংস করে এবং রক্তসঞ্চালন ব্যাহত করে, ফলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস পায়। এতে স্তনের ত্বক সহজেই ঢিলে হয়ে পড়ে এবং ঝুলে যায়।

৯. ব্যায়ামের অভাব

স্তনের নিচে থাকা পেশিগুলোকে (pectoralis muscles) সঠিকভাবে চর্চা না করলে স্তন নিচের দিকে ঝুলে যেতে পারে। সঠিক ব্যায়াম স্তনের চারপাশের পেশিকে শক্ত করে ও স্তনের সাপোর্ট বাড়ায়।

১০. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

সুষম খাদ্যের অভাবে ত্বক এবং টিস্যুর গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রোটিন, কোলাজেন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাবে স্তনের স্থিতিস্থাপকতা কমে যেতে পারে।

১১. অনিয়মিত ঘুম বা ঘুমের ভঙ্গি

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে, যা স্তনের গঠন প্রভাবিত করতে পারে।

অনেক সময় দীর্ঘ সময় একদিকে কাত হয়ে ঘুমালে স্তনের ওপর চাপ পড়ে, যা ধীরে ধীরে আকৃতি পরিবর্তনে প্রভাব ফেলতে পারে।

১২. অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন কিছু নারীর স্তনের টিস্যুতে পরিবর্তন আনতে পারে। যদিও এটি প্রত্যেকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

১৩. বিপাকীয় বা হরমোনজনিত রোগ

যেমন থাইরয়েড সমস্যা, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), প্রোল্যাক্টিন হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি।

এসব রোগ স্তনে হরমোনজনিত পরিবর্তন আনতে পারে যা আকার ও স্থিতিস্থাপকতা প্রভাবিত করে।

১৪. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কিছু ওষুধ যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ইত্যাদি স্তনের আকার বাড়াতে পারে।

আবার কিছু ওষুধ শরীরে পানি ধরে রাখে, যার কারণে স্তন ফুলে যেতে পারে।

১৫. শারীরিক আঘাত বা অস্ত্রোপচার

স্তনে যেকোনো ধরনের ট্রমা, চোট বা পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের কারণে টিস্যুর গঠন ও সাপোর্টিং লিগামেন্ট নষ্ট হতে পারে, যা ঝুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

১৬. জলবায়ু ও আবহাওয়ার প্রভাব

অনেক সময় অতিরিক্ত গরম বা আর্দ্রতা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতাকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে যদি ঘাম জমে থাকে বা ব্রা পরার অভ্যাস অনিয়মিত হয়।

১৭. দুধের গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি (macromastia/gigantomastia)

এটি একটি চিকিৎসাগত অবস্থা যেখানে হরমোনের প্রভাবে স্তনের গ্রন্থিগুলো অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়। এটি খুব বিরল হলেও ব্রেস্ট বড় হয়ে যাওয়ার একটি স্পষ্ট কারণ।

এইসব কারণ একা বা একাধিক মিলেও কাজ করতে পারে। তাই নির্ভুলভাবে বোঝার জন্য উপসর্গ ও জীবনধারা বিশ্লেষণ করে দেখতে হয়।

Orpi Medical Hall অর্পি মেডিক্যাল হল ফলো করে সাথেই থাকুন আরও বিস্তারিত জানতে

15/12/2025

ওনারাই বিখ্যাত কারণ তারা ম্যাজিক করে রোগ ভাল করে দিতে পারে।কিন্তু যেভাবে এন্টিবায়োটিক গুলা র‍্যাজিস্টেন্ট করে ফেলছে সেখানে সামনে আপনার আর আমার বাচ্চারা সাধারণ ঠান্ডা কাশিতেই অনেক বড় বিপদে পড়ে যাবে।
এটা বুঝার ক্ষমতা যতদিন বাবা মা গুলার হবেনা ততদিন এসব ভন্ড লোকগুলা ডা: সেজে ক্ষতি করেই যাবে।

আপনারা যেভাবে এন্টিবায়োটিক এর লিস্ট দেখান আমার নিজেরই আমার বাচ্চার ভবিষ্যত ভেবে ভয় লাগে।অথচ আপনাদের কোন মাথাব্যথা নাই।আপনাদের যাদু করে এক রাতে সুস্থ হওয়া প্রয়োজন।

15/12/2025

নরমাল ডেলিভারির পর যোনিপথে কিছু সাময়িক পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক। শুরুর দিকে কারও কারও ক্ষেত্রে একটু লুজ বা ঢিলা লাগতে পারে, কারণ প্রসবের সময় যোনির মাংসপেশি ও লিগামেন্টগুলো অনেকটা প্রসারিত হয়; তবে এটা স্থায়ী নয়। সাধারণত ৬–১২ সপ্তাহের মধ্যেই বেশিরভাগ মাংসপেশি আগের টোনে ফিরে আসে, আর নিয়মিত কেগেল এক্সারসাইজ করলে কয়েক মাসের মধ্যেই মিলনের অনুভূতি অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে একেবারে আগের মতো হয়ে যায়। চিরকালের জন্য লুজ হয়ে যাবে এমন ধারণা চিকিৎসাবিজ্ঞানেও ঠিক নয়। অন্যদিকে সিজারিয়ানেও এই বিষয়ে একেবারে ঝুঁকি যে নেই, তা কিন্তু নয়। যোনিপথ অতিরিক্ত প্রসারিত না হলেও বড় অপারেশনের কারণে আলাদা বহু সমস্যার আশঙ্কা থাকে। দু-একট যেমন, অপারেশনের সফলতা নিয়ে ভয় থাকে। সেলাইয়ের জায়গায় দীর্ঘদিন ব্যথা বা টান লাগে। ভবিষ্যতে আবার সিজারিয়ান লাগার আশঙ্কা প্রায় নিশ্চিত। ইনফেকশন বা হার্নিয়ার ঝুঁকি থাকে। পেটের স্নায়ুতে সাময়িক অসাড়ভাব এবং মানসিক চাপে পড়ার দশা সচারাচর দেখা যায়। এমনকি মিলনের সময়ও শুরুতে ভয় বা অস্বস্তি হয়। তাছাড়া সিজারিয়ান করলেই যোনি একেবারে টাইট থাকবে এমন কোনো গ্যারান্টি কিন্তু নেই। কারণ গর্ভাবস্থাতেই শরীরে প্রাকৃতিক পরিবর্তন আসে। তাই লুজ–টাইটের দুশ্চিন্তা না করে শরীরের অবস্থা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ডাক্তারের সিদ্ধান্তকেই গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এটি স্রষ্টা প্রদত্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

নিপলের চারপাশে সোরিয়াসিস একটি জটিল সমস্যা হতে পারে, কারণ এই এলাকায় ত্বক তুলনামূলকভাবে পাতলা এবং অতিরিক্ত ঘর্ষণ বা কাপড়ের...
04/12/2025

নিপলের চারপাশে সোরিয়াসিস একটি জটিল সমস্যা হতে পারে, কারণ এই এলাকায় ত্বক তুলনামূলকভাবে পাতলা এবং অতিরিক্ত ঘর্ষণ বা কাপড়ের চাপের কারণে এর অবস্থার অবনতি হতে পারে। সোরিয়াসিস এমন একটি ত্বকসংক্রান্ত রোগ, যা সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য নয়, তবে সঠিক চিকিৎসা ও যত্নের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিপল এলাকায় সোরিয়াসিসের উন্নতির সম্ভাবনা সাধারণত ভালো, তবে এর জন্য কিছুটা সময় লাগে এবং রোগীভেদে ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে।

সোরিয়াসিসের প্রকৃতি

সোরিয়াসিস কখনোই পুরোপুরি সারতে পারে না, তবে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এটি একটি ইমিউন সিস্টেম–সম্পর্কিত রোগ, যা কখনো কমে, কখনো বেড়ে যেতে পারে। নিপলের মতো জটিল জায়গায় সোরিয়াসিস দ্রুত ভালো হতে না-ও পারে, কারণ এই অঞ্চলের ত্বক পাতলা এবং সেখানে ঘর্ষণ ও আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে।

সোরিয়াসিসের বাড়ার কারণ

নিপলের চারপাশে সোরিয়াসিসের সমস্যা বৃদ্ধির কিছু বাস্তব কারণ রয়েছে:

ত্বক পাতলা হওয়া: নিপলের ত্বক সাধারণত পাতলা হয়, ফলে স্টেরয়েড বা অন্য কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি কম পরিমাণে ব্যবহার করা যায়।

ঘর্ষণ ও ঘাম: এই অঞ্চলে বারবার ঘর্ষণ হয়, যা ত্বকে ইরিটেশন সৃষ্টি করে এবং সোরিয়াসিসের ফ্লেয়ার-আপ বাড়াতে পারে।

আর্দ্রতা বা ঘাম: ঘাম বা আর্দ্রতা ত্বকের স্বাভাবিক প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে, যা সোরিয়াসিসের অবস্থাকে খারাপ করতে পারে।

হরমোনাল পরিবর্তন: বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি বা বাচ্চা জন্মের পর হরমোনাল পরিবর্তন সোরিয়াসিসের সমস্যা বাড়াতে পারে।

স্ট্রেস এবং অসুস্থতা: স্ট্রেসও সোরিয়াসিসের একটি বড় ট্রিগার হতে পারে, কারণ এটি ত্বকের প্রতিক্রিয়া খারাপ করে দিতে পারে।

সোরিয়াসিসের উন্নতি কিভাবে ঘটানো যায়?

সোরিয়াসিসের উন্নতির জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, যা অনুসরণ করা উচিত:

স্টেরয়েড অয়েন্টমেন্ট: সোরিয়াসিসের চিকিৎসায় মাইল্ড বা মাঝারি স্টেরয়েড অয়েন্টমেন্ট ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে দীর্ঘদিন একটানা ব্যবহার করা যাবে না।

ভিটামিন D অ্যানালগ (Calcipotriol): এটি সোরিয়াসিসের উন্নতির জন্য কার্যকরী হতে পারে, তবে নিয়মিত ব্যবহার প্রয়োজন।

ঘর্ষণ কমানো: টাইট গেঞ্জি বা সিনথেটিক কাপড় পরিধান থেকে বিরত থাকা উচিত। নরম, শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য কটন কাপড় ব্যবহার করা ভালো।

ত্বক শুষ্ক না রাখা: ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে এবং ফ্লেয়ার কমবে। গোসলের পর ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর অভ্যাস তৈরি করা উচিত।

ঘাম কমানো: অতিরিক্ত গরমে কাজ করলে জায়গাটি ভিজে যায়, ফলে ফ্লেয়ার বাড়ে। ঘাম কমানোর জন্য ঠাণ্ডা ও শুষ্ক পরিবেশে থাকুন।

স্ট্রেস কন্ট্রোল: সোরিয়াসিসের জন্য স্ট্রেস অনেক বড় ট্রিগার। তাই মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করা উচিত।

ফাঙ্গাল ইনফেকশন প্রতিরোধ: সোরিয়াসিসের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন বসলে রোগের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যেতে পারে, তাই প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

ব্রেস্টফিডিংয়ে সোরিয়াসিসের সমস্যা

ব্রেস্টফিডিংয়ের সময় কিছু ভুল টেকনিক নিপল এবং অ্যারিওলার ত্বককে বিরক্ত করে, যা সোরিয়াসিস বা একজিমা বাড়াতে পারে। এই সমস্যা সাধারণত চুলকানি, জ্বালা এবং ফাটল সৃষ্টি করে।

কেন চুলকানি হয়?

ব্রেস্টফিডিংয়ের সময় ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে এবং কিছু ভুল টেকনিকের কারণে চুলকানি সৃষ্টি হতে পারে। এর মূল কারণগুলো হলো:

ভুল latch

ঘর্ষণ

দুধ বা লালার শুকিয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

কোন কোন ব্রেস্টফিডিং টেকনিকে সমস্যা হতে পারে?

Shallow Latch: বাচ্চা যদি শুধু নিপল ধরে খায়, তাহলে নিপল ও অ্যারিওলার চারপাশের ত্বক বারবার টেনে ধরে, ফলে ফাটল বা চুলকানি সৃষ্টি হতে পারে।

একই পজিশনে দীর্ঘ সময় খাওয়ানো: এক পজিশনে দীর্ঘ সময় খাওয়ালে ঘর্ষণ বাড়ে এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।

বাচ্চার নিচের ঠোঁট ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকা: এই ভুল টেকনিকটি অনেক মা বুঝতেও পারেন না, কিন্তু এতে ছোট ছোট মাইক্রো-ট্রমা হতে পারে।

বারবার নিপল বের করে দেওয়া: এর ফলে ঘর্ষণ ও শুষ্কতা বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক চুলকায়।

দুধ বা লালা শুকিয়ে থাকা: দুধ বা লালা শুকিয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ফলে ত্বকে বিরক্তিকর চুলকানি সৃষ্টি হতে পারে।

Synthetic ব্রা বা টাইট ব্রা পরিধান: এগুলো ঘাম সৃষ্টি করে এবং নিপলের চারপাশে আর্দ্রতা রেখে চুলকানি বাড়ায়।

সোরিয়াসিস ও ব্রেস্টফিডিংয়ের সমাধান

Latch ঠিক করা: বাচ্চার মুখ যেন অনেকটা বড় করে খোলা থাকে এবং অ্যারিওলার বড় অংশটি বাচ্চার মুখে আসতে হয়।

Feeding শেষে নিপল পরিষ্কার করা: খাওয়ানোর পর নিপল পরিষ্কার করে শুকনো করতে হবে। কটন পেপার দিয়ে হালকা ট্যাপ করে শুকিয়ে নিলেই হবে।

Breast Milk মেখে শুকাতে দেওয়া: খাওয়ানোর পর কয়েক ফোটা দুধ নিপলে মাখিয়ে শুকাতে দেওয়া যেতে পারে। এতে প্রাকৃতিক "healing barrier" তৈরি হয়।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার: দিনে ২–৩ বার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ত্বক আর্দ্র থাকে এবং ফাটল কমে। বিশেষ করে ল্যানোলিন (Purelan, Lansinoh) সবচেয়ে ভালো।

টাইট ব্রা বাদ দেওয়া: শ্বাসপ্রশ্বাসযোগ্য, শুষ্ক কটন ব্রা ব্যবহার করা উচিত।

রাতে সুরক্ষা দেওয়া: রাতে নিপলে হালকা সুরক্ষা হিসেবে ভ্যাসেলিন ব্যবহার করলে ইরিটেশন কমে।

এইভাবে সঠিক ব্রেস্টফিডিং টেকনিক এবং নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে নিপলের চারপাশে সোরিয়াসিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার (Colorectal Cancer) একটি গুরুতর রোগ, যা বড় অন্ত্র (কোলন) বা মলাশয়ের (রেকটাম) ভেতরের স্তরের কোষের অ...
30/11/2025

কোলোরেক্টাল ক্যান্সার (Colorectal Cancer) একটি গুরুতর রোগ, যা বড় অন্ত্র (কোলন) বা মলাশয়ের (রেকটাম) ভেতরের স্তরের কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফলে হয়। এই ক্যান্সার সাধারণত ছোট গাঁট বা পলিপস (polyps) থেকে শুরু হয়, যা সময়ের সাথে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। অধিকাংশ কোলোরেক্টাল ক্যান্সার হলো অ্যাডেনোকার্সিনোমা (adenocarcinoma), যা গ্ল্যান্ডুলার কোষ থেকে তৈরি হয়।

এই ক্যান্সার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং বড় অন্ত্রের প্রাচীরের গভীর স্তর পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি এটি লিম্ফ নোড এবং দূরবর্তী অঙ্গ—যেমন লিভার বা ফুসফুসেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি মূলত ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে তরুণদের মধ্যেও এর হার বাড়ছে।

এ রোগের প্রধান ঝুঁকি-কারক হলো—

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (বিশেষ করে অতিরিক্ত লাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া)

স্থূলতা

ধূমপান

অতিরিক্ত মদ্যপান

অন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ

পারিবারিক ইতিহাস

প্রাথমিক অবস্থায় সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে পরবর্তী পর্যায়ে অন্ত্রের অভ্যাসে পরিবর্তন (যেমন ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের আকার পরিবর্তন), মলে রক্ত, পেটে ব্যথা, ক্লান্তি ও ওজন কমে যাওয়া দেখা যেতে পারে।

ডান পাশের কোলনের ক্যান্সারে সাধারণত অ্যানিমিয়া ও ক্লান্তি বেশি দেখা যায়, আর বাম পাশ ও মলাশয়ের ক্যান্সারে মলে রক্ত ও মলত্যাগে বাধা বেশি দেখা যায়।

নিদানের জন্য কোলোনোস্কোপি করা হয়, যাতে পলিপ বা ক্যান্সার শনাক্ত করা যায় এবং বায়োপসির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। ক্যান্সারের তীব্রতা জানার জন্য TNM স্টেজিং ব্যবহৃত হয়, যা টিউমার কতটা গভীরে ছড়িয়েছে, লিম্ফ নোডে গেছে কিনা, এবং দূরবর্তী অঙ্গে মেটাস্টেসিস হয়েছে কিনা তা নির্ধারণ করে।

চিকিৎসায় মূলত—

সার্জারি

কেমোথেরাপি

রেডিওথেরাপি (বিশেষ করে রেকটাল ক্যান্সারে)

টারগেটেড থেরাপি

ইমিউনোথেরাপি

ব্যবহার করা হয়, যা রোগীর অবস্থা এবং ক্যান্সারের পর্যায় অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে পলিপস অপসারণ করে ক্যান্সার হওয়ার আগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ছবির বাম পাশে দেখছেন মানুষের উরুর আসল হাড় (Femur), যা কোনো কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। আর ঠিক ডান পাশেই আছে টাইটানিয়াম দিয়ে তৈর...
29/11/2025

ছবির বাম পাশে দেখছেন মানুষের উরুর আসল হাড় (Femur), যা কোনো কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। আর ঠিক ডান পাশেই আছে টাইটানিয়াম দিয়ে তৈরি হুবহু একই মাপের একটি কৃত্রিম হাড়।

এটা সাধারণ কোনো হিপ রিপ্লেসমেন্ট সার্জারি নয়। এটা অর্থোপেডিক্সের অন্যতম জটিল এক অপারেশন, যার নাম ‘টোটাল ফিমোরাল রিপ্লেসমেন্ট’ (Total Femoral Replacement)।

যখন উরুর হাড়ের শুধু ওপরের বা নিচের অংশ নয়, বরং পুরো হাড়টাই নষ্ট হয়ে যায়, তখন এই মেটাল হাড়টি বসানো হয়। সাধারণত তিনটি পরিস্থিতিতে ডাক্তাররা এই সিদ্ধান্ত নেন:

১. হাড়ে ক্যান্সার বা টিউমার হলে (যেমন: Osteosarcoma)।
২. হাড় এমন বাজেভাবে ভেঙে গেলে যা আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয়।
৩. আগের কোনো অপারেশনের ইনফেকশন বা অন্য কারণে হাড়ের ব্যাপক ক্ষয় হলে।

এই কৃত্রিম হাড়টি রেডিমেড নয়। রোগীর সিটি স্ক্যান বা ৩ডি ইমেজিং (3D Imaging) করে একদম নিখুঁত মাপে এটি বানানো হয়। উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় টাইটানিয়াম, যা শরীরের সাথে মানিয়ে নিতে পারে এবং প্রচণ্ড মজবুত।

কয়েক বছর আগেও এমন পরিস্থিতিতে রো/গীর পা কে/টে ফে/লা (Amputation) ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এই অসামান্য উন্নতির ফলে এখন পা না হারিয়েও মানুষ আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছে। ❤️

22/11/2025
মেডিক্যাল সায়েন্সের প্রিয় ৩টি মুখ, যাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ। ওনারা প্রমাণ করে দিয়েছেন সব কসাই ডাক্তার  হয় না।  😊😊এরা আপন...
20/11/2025

মেডিক্যাল সায়েন্সের প্রিয় ৩টি মুখ, যাদের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ। ওনারা প্রমাণ করে দিয়েছেন সব কসাই ডাক্তার হয় না। 😊😊

এরা আপনার মধ্যে এমন ভয় ঢুকাবে মনের মধ্যে যে আপনি সুস্থ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে অসুস্থ বা অক্ষম মনে করবেন। যে পুরুষ ৩-৪ মিনিট পেনিট্রেশন করতে পারে সে সে*ক্স বেপসায়ী ডাক্তারদের ভাষায় অক্ষম। এস আর খান তো পোস্ট দিছে দেখলাম ওনার ট্রিটমেন্ট নিয়ে এক লোক নাকি চার ঘণ্টা ধরে করতে পেরেছে। ফাজলামির সীমা থাকা উচিত। এদের খপ্পরে পড়ে বেশিরভাগ পুরুষ performance anxiety তে ভুগে।

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে কবে আবার মেডিকেল কলেজ হয়ে গেলো? না হলে উনি  সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস্)  এই নামে ক...
16/11/2025

ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে কবে আবার মেডিকেল কলেজ হয়ে গেলো? না হলে উনি সহকারী অধ্যাপক (গাইনী এন্ড অবস্) এই নামে কোন পদে আছেন বলে কারো কাছে জানা থাকলে বলবেন। .... ! ?

Address

Comilla
3583

Telephone

+8801815447150

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Orpi Medical Hall অর্পি মেডিক্যাল হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Orpi Medical Hall অর্পি মেডিক্যাল হল:

Share