শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন

শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন ডা:মো:সুজন মিয়া
এম বি বি এস (ই এম সি)
এম ডি (ফেইজ-বি )পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি
(পি জি হাসপাতাল)ঢাকা।

14/02/2026

সুস্থতার চেয়ে বড় নেয়ামত আর কিছু হতে পারে না।
আলহামদুলিল্লাহ।

অ্যাট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট (ASD) সার্জারি হলো হৃদপিণ্ডের উপরের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝখানের ছিদ্র বন্ধ করার একটি চিকিৎসা, যা সাধারণত ক্যাথেটারাইজেশন (ছোট ছিদ্র দিয়ে) বা ওপেন-হার্ট সার্জারির মাধ্যমে করা হয় । এই সার্জারি হৃৎপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক করে এবং দীর্ঘমেয়াদী জটিলতা প্রতিরোধে সহায়তা করে । এটি সাধারণত শিশু বা বড়দের মাঝারি থেকে বড় আকারের ASD মেরামতের জন্য করা হয়
#ওপেন-হার্ট সার্জারি: যদি ছিদ্রটি খুব বড় হয় বা ডিভাইসের মাধ্যমে বন্ধ করা না যায়, তবে বুকের হাড় কেটে (Sternotomy) এই সার্জারি করা হয় । এতে প্যাচ বা সেলাইয়ের মাধ্যমে ছিদ্রটি বন্ধ করা হয়।



পেডিয়াট্রিক ইকোকার্ডিওগ্রাম হলো শিশুদের হৃদপিণ্ডের একটি নিরাপদ, ব্যথাহীন আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা। এটি মূলত,নবজাতক বা শিশু...
25/01/2026

পেডিয়াট্রিক ইকোকার্ডিওগ্রাম হলো শিশুদের হৃদপিণ্ডের একটি নিরাপদ, ব্যথাহীন আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা। এটি মূলত,নবজাতক বা শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ (যেমন- হার্টে ছিদ্র), হার্ট ফেইলিউর বা সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে এই পরীক্ষাটি অপরিহার্য, কাঠামোগত ত্রুটি, ভালভের সমস্যা, হৃদপিণ্ডের পাম্পিং ক্ষমতা এবং ফুসফুসের রক্তনালীতে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাগুলো নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।


21/01/2026

#টার্নার সিন্ড্রোম (Turner Syndrome) একটি জেনেটিক অবস্থা যা শুধুমাত্র মেয়েদের প্রভাবিত করে, যেখানে একটি X ক্রোমোজোম অনুপস্থিত থাকে বা আংশিকভাবে অনুপস্থিত থাকে, যার ফলে খাটো উচ্চতা, অপরিণত বয়ঃসন্ধি, বন্ধ্যাত্ব এবং হৃদরোগের মতো বিভিন্ন শারীরিক ও বিকাশের সমস্যা দেখা দিতে পারে, তবে সঠিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
#কারণ (Causes):
এটি একটি জন্মগত জেনেটিক সমস্যা যা X ক্রোমোজোম (সেক্স ক্রোমোজোম) অনুপস্থিত বা অসম্পূর্ণ থাকার কারণে ঘটে।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি দৈবক্রমে ঘটে এবং পিতামাতার বয়স বা অন্য কোনো কারণের সাথে সম্পর্কিত নয়।
#সাধারণ লক্ষণ ও উপসর্গ (Common Signs & Symptoms):
শারীরিক বৈশিষ্ট্য: খাটো উচ্চতা, ঘাড়ের দু'পাশে চামড়া (webbing), ফোলা হাত-পা (lymphedema)।
বিকাশগত সমস্যা: বয়ঃসন্ধি শুরু না হওয়া বা দেরি হওয়া, ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা হ্রাস এবং বন্ধ্যাত্ব।
অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা: হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, কানের সংক্রমণ, দৃষ্টি ও শ্রবণ সমস্যা।
শেখার সমস্যা: গণিত ও কিছু সামাজিক পরিস্থিতিতে অসুবিধা হতে পারে।
#চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা (Treatment & Management):
হরমোন থেরাপি: গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করে উচ্চতা বাড়ানো যায়।
যৌন হরমোন থেরাপি: বয়ঃসন্ধি ও মাসিক নিয়মিত করতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের যত্ন: হৃদরোগ, কিডনি, এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য নিয়মিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন।
#সহায়তা: সঠিক যত্ন ও সহায়তার মাধ্যমে টার্নার সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
#গুরুত্বপূর্ণ:
টার্নার সিন্ড্রোম নির্ণয় হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করে।



11/01/2026
08/01/2026

নবজাতকের জন্ডিস (Neonatal Jaundice) মানে শিশুর ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া, যা রক্তে বিলিরুবিন নামক হলুদ পদার্থের কারণে হয়; এটি লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে তৈরি হয় এবং লিভার ঠিকমতো অপসারণ করতে না পারলে বাড়ে, যা প্রায় ৬০% শিশুর হয় এবং বেশিরভাগই নিরীহ (ফিজিওলজিক্যাল), তবে গুরুতর হলে ফটোর‍্যাপির প্রয়োজন হয়। লক্ষণগুলো হলো ত্বক ও চোখ হলুদ হওয়া, হালকা চাপ দিলে হলদেটে ছাপ পড়া, এবং কিছু ক্ষেত্রে গভীর হলুদ প্রস্রাব।
#কারণ (Causes)
বিলিরুবিনের আধিক্য: লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে বিলিরুবিন তৈরি হয়, যা লিভার প্রক্রিয়াজাত করে।
অপরিণত লিভার: নবজাতকের লিভার বিলিরুবিন অপসারণে পুরোপুরি সক্ষম না হওয়ায় এটি জমতে পারে।
#লক্ষণ (Symptoms)
ত্বক, চোখের সাদা অংশ এবং জিহ্বা হলুদ হয়ে যাওয়া।
ত্বকের কোনো অংশে হালকা চাপ দিলে হলদেটে ছাপ পড়া।
শিশুর স্তন্যপান কম করা বা ঘুমিয়ে থাকা।
গভীর হলুদ প্রস্রাব, কাদামাটি রঙের মল (গুরুতর ক্ষেত্রে)।
#চিকিৎসা ও করণীয় (Treatment & Management)
ফটোর‍্যাপির: গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষ আলো (ফটোর‍্যাপি) দেওয়া হয় বিলিরুবিন ভাঙার জন্য।
রোদ: নবজাতকের জন্ডিসে সরাসরি রোদ লাগানো উচিত নয়, এটি ভুল ধারণা।
স্তন্যপান: পর্যাপ্ত পরিমাণে স্তন্যপান করানো জরুরি।
ডাক্তারের পরামর্শ: বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে গেলে বা কোনো বিপদজনক লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
#গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বেশিরভাগ নবজাতকের জন্ডিস স্বাভাবিক (ফিজিওলজিক্যাল) এবং কয়েকদিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়।
প্যাথলজিক্যাল জন্ডিস হলে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, যা সাধারণত জন্মের ৩-৭ দিনের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

07/01/2026

নবজাতক

07/01/2026

#টেট্রালজি অফ ফ্যালট (Tetralogy of Fallot - TOF) হলো জন্মের সময় হার্টে থাকা এক ধরনের জটিল ছিদ্র বা ত্রুটি। এটি সাধারণত চারটি নির্দিষ্ট সমস্যার সংমিশ্রণ:
১. হার্টে ছিদ্র (VSD): হার্টের নিচের দুটি প্রকোষ্ঠের মাঝখানের দেয়ালে ছিদ্র থাকা।
২. পালমোনারি স্টেনোসিস: ফুসফুসে রক্ত যাওয়ার রাস্তা বা ভালভ সরু হয়ে যাওয়া।
৩. ওভাররাইডিং অ্যাওর্টা: প্রধান রক্তনালী (অ্যাওর্টা) ভুল অবস্থানে থাকা।
৪. ডান ভেন্ট্রিকুলার হাইপারট্রফি: হার্টের ডান পাশের মাংসপেশি অতিরিক্ত পুরু হয়ে যাওয়া।
#প্রধান লক্ষণসমূহ:
সায়ানোসিস: রক্তে অক্সিজেনের অভাবে ঠোঁট, আঙুল এবং চামড়া নীলচে হয়ে যাওয়া।
শ্বাসকষ্ট: বিশেষ করে দুধ খাওয়ার সময় বা কাঁদার সময় বাচ্চার হাঁপিয়ে ওঠা।
টেট স্পেল (Tet Spell): হঠাৎ করে শরীর অতিরিক্ত নীল হয়ে যাওয়া এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা।
ক্লান্তি: বাচ্চা খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং খেলার মাঝে উপুড় হয়ে বসে বিশ্রাম নেয় (Squatting position)।
#কারণ ও ঝুঁকি:
এর সঠিক কারণ জানা না গেলেও কিছু বিষয় ঝুঁকি বাড়াতে পারে:
গর্ভাবস্থায় মায়ের ভাইরাল ইনফেকশন (যেমন: রুবেলা)।
মায়ের অতিরিক্ত মদ্যপান বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস।
বংশগত বা জেনেটিক সমস্যা (যেমন: ডাউন সিনড্রোম)।
#চিকিৎসা:
অপারেশন: এর একমাত্র স্থায়ী চিকিৎসা হলো ওপেন হার্ট সার্জারি। সাধারণত জন্মের প্রথম বছরের মধ্যেই এই অপারেশন করা হয়।
#জরুরি ব্যবস্থা: বাচ্চা নীল হয়ে গেলে তাকে হাঁটুর ওপর বুক চেপে (Knee-chest position) শুইয়ে দিতে হবে এবং দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
এই রোগ নির্ণয়ে ইকোকার্ডিওগ্রাম (ECHO) সবচেয়ে কার্যকর। সময়মতো চিকিৎসা করলে আক্রান্ত শিশু পরবর্তীতে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। বিস্তারিত পরামর্শের জন্য জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল-এর বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।



02/01/2026

Intracardiac repair surgery (আন্তঃ-হৃদযন্ত্রের মেরামত সার্জারি) বলতে হৃৎপিণ্ডের ভেতরের গঠনগত ত্রুটি, যেমন ভালভ সমস্যা বা জন্মগত ত্রুটি (যেমন টেট্রালজি অফ ফেলো) মেরামতের জন্য করা ওপেন-হার্ট বা মিনিম্যালি ইনভেসিভ অপারেশন বোঝায়, যেখানে হৃৎপিণ্ডের চেম্বার বা ভালভ খোলা হয় বা বাইপাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তপ্রবাহ নতুন পথ তৈরি করে চিকিৎসা করা হয়, যা সাধারণত কার্ডিয়াক সার্জারি (হৃদরোগের অস্ত্রোপচার) নামে পরিচিত এবং এটি অত্যন্ত দক্ষ সার্জন দ্বারা করা হয়ে থাকে।
#মূল ধারণা (Key Concepts):
ওপেন-হার্ট সার্জারি (Open-Heart Surgery): এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে হৃৎপিণ্ডে সরাসরি প্রবেশ করে চিকিৎসা করা হয়, যার জন্য বুকের হাড় কাটা লাগতে পারে, অথবা বুকের খাঁচার পাশ দিয়েও করা যায়, এমনকি বুকের হাড় না কেটেই করা সম্ভব।
** কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি (Cardiothoracic Surgery):** এটি বক্ষ গহ্বরের ভেতরের অঙ্গ, যেমন হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের অস্ত্রোপচার নিয়ে কাজ করে, যা একজন কার্ডিওথোরাসিক সার্জন (হৃদরোগ ও বক্ষ সার্জন) দ্বারা সম্পাদিত হয়।
কখন প্রয়োজন হয় (When Needed):
হার্টের ভালভের সমস্যা (Heart Valve Issues): ক্ষতিগ্রস্ত ভালভ মেরামত বা কৃত্রিম ভালভ দিয়ে প্রতিস্থাপনের জন্য।
** জন্মগত ত্রুটি (Congenital Defects):** যেমন Tetralogy of Fallot (TOF) বা হৃৎপিণ্ডের অন্যান্য জন্মগত সমস্যা।



01/01/2026

Urticaria (আর্টিকারিয়া) বাংলায় সাধারণত আমবাত বা ছুলি নামে পরিচিত, যা ত্বকের একটি সাধারণ সমস্যা যেখানে লালচে, চুলকানিযুক্ত ফোলা দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা অনেকটা মশার কামড় বা বিছার কামড়ের মতো দেখতে এবং জ্বালাপোড়ার অনুভূতি হতে পারে। এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন: অ্যালার্জি (খাবার, ওষুধ), সংক্রমণ, মানসিক চাপ বা শারীরিক কারণ (যেমন: তাপ, চাপ), এবং এর চিকিৎসায় সাধারণত অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
#আমবাত (Urticaria) সম্পর্কে:
#লক্ষণ: ত্বকে লাল, উঁচু, চুলকানিযুক্ত দাগ (wheals) দেখা যায়, যা বিভিন্ন আকারের হতে পারে এবং কয়েক মিনিট থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।
#কারণ:
অ্যালার্জেন: খাবার (বাদাম, শেলফিশ), ওষুধ (অ্যান্টিবায়োটিক), পোকামাকড়ের কামড় বা হুল ফোটানো।
শারীরিক কারণ: ব্যায়াম, তাপ, ঠান্ডা, চাপ, জল, বা সূর্যের আলো।
অন্যান্য: কিছু ক্ষেত্রে, কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না (idiopathic urticaria)।
#প্রকারভেদ:
তীব্র (Acute): সাধারণত অ্যালার্জির কারণে হয় এবং কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হয়।
দীর্ঘস্থায়ী (Chronic): ৬ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে, এটি দীর্ঘস্থায়ী আমবাত, যার কারণ প্রায়শই অজানা থাকে।
#চিকিৎসা:
অ্যান্টিহিস্টামিন: এটি মূল চিকিৎসা, যা চুলকানি কমায়।
কোর্টিকোস্টেরয়েড: গুরুতর ক্ষেত্রে।
কারণ শনাক্তকরণ: অ্যালার্জেন বা ট্রিগার এড়িয়ে চলা।
চিকিৎসকের পরামর্শ: সঠিক কারণ জানতে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা পেতে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ (dermatologist) দেখানো উচিত, বিশেষত যদি এটি বারবার হয় বা গুরুতর হয় (যেমন: angioedema বা শ্বাসকষ্ট)।

31/12/2025

অস্টিওসারকোমা হলো এক ধরনের হাড়ের ক্যান্সার যা সাধারণত শিশুদের ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে দেখা যায়, যেখানে অস্বাভাবিক হাড় তৈরির কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠে দুর্বল ও ক্যান্সারযুক্ত টিউমার তৈরি করে, যা প্রায়শই হাত-পায়ের দীর্ঘ হাড়ের (যেমন হাঁটুর কাছে) কাছাকাছি হয় এবং ব্যথা, ফোলা, বা সহজে হাড় ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে, এবং এর চিকিৎসায় সাধারণত কেমোথেরাপি ও অস্ত্রোপচার ব্যবহৃত হয়।
#কারণ ও ঝুঁকির কারণ
অস্টিওব্লাস্ট নামক হাড় গঠনকারী কোষের জেনেটিক পরিবর্তনের ফলে এটি ঘটে। কৈশোর ও যৌবনে হাড়ের দ্রুত বৃদ্ধির সময় এটি বেশি হয়, বিশেষত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের মধ্যে।
এটি সাধারণত হাত ও পায়ের দীর্ঘ হাড়ে (ফিমার, টিবিয়া, হিউমেরাস) এবং হাঁটু, কাঁধ, বা নিতম্বের কাছে শুরু হয়, তবে যেকোনো হাড়ে হতে পারে।
#লক্ষণ
হাড় বা জয়েন্টে ব্যথা, যা প্রাথমিকভাবে উপেক্ষা করা যেতে পারে (বৃদ্ধির ব্যথা ভেবে)।
ফোলা বা পিণ্ড (Mass)।
অপ্রত্যাশিতভাবে হাড় ভেঙে যাওয়া।
ত্বকের নিচে লালচে ভাব বা বিবর্ণতা।
অজানা জ্বর।



Address

Mir Pur B-para
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to শিশু চিকিৎসক ডা : সুজন:

Share

Category