Miracle Healing

  • Home
  • Miracle Healing

Miracle Healing Healing Through Iman
(2)

যারা শারঈ রুক্বইয়াহর নিয়মকানুনের বাইরে গিয়ে অন্য উপায়ে ঝাড়ফুক করে, কবি*রাজি চিকিৎসা করে তাদের কাছে যাওয়ার পরবর্তী ভয়বহ অ...
10/04/2026

যারা শারঈ রুক্বইয়াহর নিয়মকানুনের বাইরে গিয়ে অন্য উপায়ে ঝাড়ফুক করে, কবি*রাজি চিকিৎসা করে তাদের কাছে যাওয়ার পরবর্তী ভয়বহ অবস্থা বলে শেষ করা যাবে না। হ্যা, অনেকেই সুস্থ হন এটা বলে থাকেন। কিন্তু এই সুস্থতা কি বাস্তবেই সুস্থতা? বা সুস্থ হলেও এতেই কি আল্লাহ কল্যাণ রেখেছেন?

আমরা গত পোস্টে "যা*দু দিয়ে যা*দু কাটানো"র ব্যাপারে জেনেছিলাম। কবি*রাজ দের কাছে যাওয়ার ব্যাপার টা মূলত সেরকমই।

যয়নাব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ’কিন্তু একদা আমি বাইরে বের হলাম। হঠাৎ করে আমাকে একজন লোক দেখে নিল। অতঃপর আমার যে চোখটা ঐ লোকটির দিকে দৃষ্টি দিয়েছিলো সেই চোখটায় পানি ঝরতে লাগল। এরপর যখনই আমি ঐ চোখে ম*ন্ত্র পড়ে ফু দেওয়াই, তখনই পানি ঝরা বন্ধ হয়ে যায়। আর যখনই না পড়াই, তখনই পানি ঝরতে শুরু করে। (অতএব বুঝা গেল যে, মন্ত্রের প্রভাব আছে

ইবনে মসঊদ (রাঃ) বললেন, ’’ওটা তো শাইত্বানের কারসাজি।" যখন তুমি (ম*ন্ত্র পড়িয়ে) ওর আনুগত্য কর, তখন সে ছেড়ে দেয় (এবং তোমার চোখে পানি আসে না)। আর যখনই তুমি তার আনুগত্য কর না, তখনই সে নিজ আঙ্গুল দ্বারা তোমার চোখে খোঁচা মারে (এবং তার ফলে তাতে পানি আসে; যাতে তুমি ম*ন্ত্রকে বিশ্বাস কর এবং শির্কে লিপ্ত হয়ে পড়)। (ইবনে মাজাহ-চিকিৎসা অধ্যায়)

অর্থাৎ তথাকথিত হুজুর-কবি*রাজদের কাছে যাওয়ার সফলতার একটা ব্যাখ্যা উপরের হাদিস। অন্য একটি বাস্তব ব্যাখ্যা যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে হয়, তা আমরা পূর্বের আর্টিকেলে জেনেছি। তা হলো, সেই কবিরাজ আপনার যা*দুগ্রস্থতার উপর পালটা যা*দু করে যেন তার যা*দু আপনার পুরনো যা*দুর ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করে, এর ফলে আপনি সুস্থবোধ করেন। কিন্তু সেই যা*দুর প্রভাব অন্যদিকে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা শুরু করে যা আপনি বুঝতে পারবেন না। আপনি ভেবে থাকবেন সেটা অন্য কারণে হচ্ছে।
অর্থ্যাৎ আপনি আপনার পা ব্যাথার জন্য কোনো ভুয়া ডাক্তারের কাছে গেলেন, সে আপনাকে ভুল ওষুধ দিলো যার ফলে আপনি সুস্থবোধ করলেন ঠিকই কিছু পরে মাথা ব্যাথা শুরু হলো। আপনি ভেবে থাকবেন হয়ত অন্য কারণে মাথা ব্যাথা হচ্ছে।

আল্লাহু আ'লাম

( উল্লেখিত ফটোকার্ডে দেয়া নম্বরটি এখন আর আমরা ব্যবহার করছি না। আমাদের সাথে যোগাযোগের নতুন নাম্বার
+880 1805-547675 )

 #রুক্বইয়াহ_মাসআলাহপ্রশ্ন: যা*দুগ্রস্থ ব্যক্তির যাদু থেকে মুক্তি পাওয়ার হুকুম কি?উত্তর: যা*দুগ্রস্থ থেকে মুক্তি পাওয়ার ম...
09/04/2026

#রুক্বইয়াহ_মাসআলাহ

প্রশ্ন: যা*দুগ্রস্থ ব্যক্তির যাদু থেকে মুক্তি পাওয়ার হুকুম কি?

উত্তর: যা*দুগ্রস্থ থেকে মুক্তি পাওয়ার মূলত দুটি উপায়। যাকে (نشرة) নুশরাহ বলে।

১, ক্বুরআন তিলাওয়াত, দুয়া-আযকারের মাধ্যমে এবং মুবাহ (জায়েজ) ওষুধের ব্যবহারের মাধ্যমে। এখানে কোনোই সমস্যা নেই যেহেতু এতে উপকার ছাড়া ক্ষতি হয় না।
(অর্থাৎ এর মাধ্যমে যা*দু নষ্ট হয় ও রোগী সুস্থতার দিকে অতিক্রম করে)।

২, যদি এই নুশরাহ হারাম উপায়ে হয় যেমন, যা*দু দিয়ে যা*দু কাটানো (!)র মত যা আহলুল ইল্মগণ অনুমতি দেন নি।

রাসূল ﷺ কে নুশরাহর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন "এটি শাইত্বানের কাজ"। এটি মূলত যা*দু দিয়ে যা*দু কাটানোর কথাই বলা হয়েছে। ¹

অতএব যা*দু কাটানোর জন্য, যা*দু নষ্টের জন্য হুজুর নামক কবি*রাজ, তা*ন্ত্রিক কারো কাছেই যাওয়া জায়েজ নয়। এটি একটি কবিরা গুনাহ। ²

1: الفتاوى الذهبية في الرقى الشرعية. ص(١٥٦)
2:الفتاوى الذهبية في الرقى الشرعية. ص(١٤٠)
اللجنة الدائمة

বিদ্র: কবিরাজ, যা*দুকররা ব্যক্তির নাম তার মায়ের নাম, বয়স, তার ব্যাপারে নানান কিছু জিজ্ঞেস করে তার কোনো ব্যবহৃত কিছু চেয়ে তার উপর এমন যা*দুর প্রভাব সৃষ্টি করে যাতে করে অই ব্যক্তি পূর্বের যাদুর চাইতেও বড় যাদু তে আক্রান্ত হয়। এর পেছনে অই কবি*রাজ,হুজুর, যা*দুকর শাইত্বানের সাথে চুক্তি করে যেন ব্যক্তির শরীরের শাইত্বানের উপরেও সে প্রভাব বিস্তার করে। এতে কি হয়?

এর ফলে অই ব্যক্তি তো যাদু থেকে মুক্তি পেলোই না নতুন যা*দু শরীরে নিয়ে চলতে থাকে। যদিও অনেকে কিছুদিন সুস্থ থাকে, পরে আবার নতুন সমস্যা নতুন করে শুরু হয়। তার হয়ত আগের সমস্যা পরিপূর্ণ ভাবে চলে যায় কিন্তু নতুন সমস্যা কোনো না কোনোদিকে সৃষ্টি হবেই, যা অই ব্যক্তি বুঝতেই পারে না। শারীরিক,আর্থিক, মানসিক, পারপার্শিক নানান সমস্যা শুরু হতে থাকে।

অথবা দীর্ঘ সময় (মাস, বছর এমনকি যুগ) পুরোপুরি সুস্থ থাকার পর এমন অসুস্থতা এমন জটিলতা তৈরি হয় যা রুক্বইয়াহ করেও খুব একটা স্বাভাবিক করা যায় না। বাস্তবিক ভাবে এক্ষেত্রে সুস্থতার হার খুবই কম। এর ব্যাখ্যা অন্যদিন বলব ইন শা আল্লাহ।



( উল্লেখিত ফটোকার্ডে দেয়া নম্বরটি এখন আর আমরা ব্যবহার করছি না। আমাদের সাথে যোগাযোগের নতুন নাম্বার
+880 1805-547675 )

জিনের মাধ্যমে সাহায্য নেয়া এক প্রকার গণকেরই রূপ:যেখানে একজন গণক ভ্রান্তিকর উৎস থেকে খবর সংগ্রহ করে; সেখানে সেই ব্যক্তি য...
07/04/2026

জিনের মাধ্যমে সাহায্য নেয়া এক প্রকার গণকেরই রূপ:

যেখানে একজন গণক ভ্রান্তিকর উৎস থেকে খবর সংগ্রহ করে; সেখানে সেই ব্যক্তি যে জিনের সাহায্য নেয় সে নির্ভর করে জিনের তথ্যের উপর যে তাকে এমন ঘটনা, তথ্য সংগ্রহ করে দেয়, যা গণকের তুলনায় অধিক। সে লুকিয়ে রাখা যা*দুর স্থান জানার ব্যাপারে দাবি করে, তা তুলে নিয়ে আসার ক্ষমতা প্রকাশ করে যদিও তা কবরের নিচে, কিংবা সাগর-সমুদ্রের তলদেশে থাকে। কে যা*দু করেছে, কে বদনজর দিয়েছে এবং এসব থেকে সুস্থতার পথ ও উপায়, অসুস্থতার গোপনীয়তা ও রোগীর গোপনীয়তা সম্পর্কে জানার ব্যাপারে সে দাবী করে। সে একজন গণক থেকেও অধিক অগ্রগামী, অর্থাৎ এসব গূণ তাকে গণকের থেকেও গুণান্বিত করে।

অতএব আমাদের উচিত সেসব কবি*রাজ, হুজুরদের কাছে যাওয়া থেকে ইমানের ব্যাপারে সাবধান হওয়া।

বই:الرقية الشرعية أصول ومسائل

( উল্লেখিত ফটোকার্ডে দেয়া নম্বরটি এখন আর আমরা ব্যবহার করছি না। আমাদের সাথে যোগাযোগের নতুন নাম্বার
+880 1805-547675 )

জিনের কাছে বা জিনের মাধ্যমে সাহায্য নেয়া হারাম, হোক সেই জিন মুসলিম কিংবা কা*ফের, হোক তা মানুষের উপকারের জন্য কিংবা হোক ত...
06/04/2026

জিনের কাছে বা জিনের মাধ্যমে সাহায্য নেয়া হারাম, হোক সেই জিন মুসলিম কিংবা কা*ফের, হোক তা মানুষের উপকারের জন্য কিংবা হোক তা মানুষের ক্ষতির জন্য।

বই-رقية الشرعية أصول ومسائل

হাজারো ঘটনার মধ্যে একই একটা উদাহরণ দেই যা দিয়ে বাকি নয়শো নিরানব্বইটার সাথে মিল রাখা যাবে।

আজ থেকে ১৫ বছর আগের কথা। এক লোক এক মেয়েকে পছন্দ করে ফেলে। কিন্তু মেয়ে তাকে দেখতেই পারে না। প্রচন্ড ঘৃনা। এ ধরনের ছেলেকে কেউ বিয়ে করে??

কিন্তু হঠাৎ একদিন এক রাতে মেয়ে বাসা থেকে অই ছেলের বাড়িতে চলে যায়, সে অই ছেলেকেই বিয়ে করবে, বিয়ে করেই মুক্তি হবে। নাহয় এ বাসা ছাড়বে না। ছেলে তো খুশি, নিশ্চই হুজুরের আমলে কাজ হয়েছে। হুজুর বলেছিলো দ্রুত সফলতা পাবেন। এই তো! মেয়ে হাজির।

অতঃপর বিয়ে হলো যথারীতি। আজ ১৫ বছর পার হলো। স্ত্রী এসে বললেন তার স্বামীর সাথে বনিবনা হয় না, ঝগড়া লেগেই থাকে, স্বামীর সাথে থাকা অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে, ছাড়াছাড়ির পর্যায়ে... অথচ একসময় মন ছিল শুধুই স্বামীর দিকে। রুক্বইয়াহর এক পর্যায়ে জিনও উঠে যায়।

অন্য এক দিন। এক ভাই ফোন দিলেন। তার স্ত্রীর নানান জিন যা*দুকেন্দ্রিক সমস্যা। জিজ্ঞেস করলাম কবে থেকে এমন। তিনি জানালেন মাসখানেক। জিজ্ঞেস করলাম কোনো কবি*রাজ হুজুরদের কাছে গিয়েছিলো কিনা। তিনি জানালেন প্রায় ১০ বছর আগেও তার স্ত্রীর এই সমস্যা ছিলো। এক হুজুরের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। এইযে এত বছর তিনি সুস্থ ছিলেন হঠাৎ মাসখানেক ধরে সমস্যা বেড়ে যায়।

রুক্বইয়া করতে গেলাম। রুক্বইয়াহর কিছুক্ষণ পরেই সোজা শুয়ে থাকা শরীর পিঠ বাকিয়ে উঠে গেলো, একদম অবিশ্বাস্য ভাবে।

এরপর তার উপর যথেষ্ট ধকল যায়। স্বাভাবিক রুক্বইয়াহতেই সুস্থ হবার কথা কিন্তু অইযে যেই কবি*রাজের কাছে গিয়েছিলো তার দেয়া নানান তদবিরে সমস্যা দিনকে দিন জটিলতর হয়ে ওঠে।

আমরা যারা তথাকথিত হুজুর বা কবি*রাজ দের কাছে যাই যারা জিনের সাহায্য নিয়ে কাজ করে, লম্বা একটা সময় হয়ত স্বাভাবিকতা ফিরে আসে কিন্তু এর পরিণতি কখনোই ভালো হয় না।

( উল্লেখিত ফটোকার্ডে দেয়া নম্বরটি এখন আর আমরা ব্যবহার করছি না। আমাদের সাথে যোগাযোগের নতুন নাম্বার
+880 1805-547675 )

ছবি দুটি দেখলে বুঝা যাবে একটা শাইত্বান কত কৌশলে কারো মানসিক অবস্থাকে ম্যানিপুলেট করতে পারে।বাম পাশে দেড় লক্ষ টাকার হাই ক...
01/04/2026

ছবি দুটি দেখলে বুঝা যাবে একটা শাইত্বান কত কৌশলে কারো মানসিক অবস্থাকে ম্যানিপুলেট করতে পারে।

বাম পাশে দেড় লক্ষ টাকার হাই কনফিগুরেশনের পিসিটি যেই ভদ্রলোকের, পাশের রুমের ছবিটি তারই। পেশায় একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং ইউনিভার্সিটি এডমিশনের একটি কোচিং সেন্টারের টিচার। পেশা ও পেশাদারিত্বের জায়গায় উনি কিরকম গোছালো তা ছবি দেখলে আর কথা শুনলেই বুঝা যায়, ঘরের অবস্থার বারোটা বাজালেও জানালার গ্রিলে বাইরে পরিধানের শার্ট-কোট টা ঠিকই আয়রন করে ঝুলানক তবে ব্যক্তিগত জীবনে ঠিক তার উলটো; এই যেমন, কাজ শেষ উদ্ভ্রান্তের মত টইটই করে ঘুরে বেড়ানো, খাওয়া দাওয়া ঠিক নেই, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না, দাড়ি গোফ না কেটে উন্মাদের মত দেখতে। বাসায় কারো সাথে কথা বলে না, বয়স যদিও ৪৫+ তবুও অবিবাহিত কোনো কারণ ছাড়াই।

এটা কোনো মানসিক রোগ না। বরং শাইত্বান তার মত করে অই ব্যক্তিকে নিজের কম্ফোর্ট জোনে নিয়ে এসে ধীরে ধীরে ম্যানিপুলেট করা, এবং এমন ভাবে করা যেন মনে হবে এইটা অই ব্যক্তিরই নিজস্ব চরিত্র।

শাইত্বান খুবই চৌকস, মস্তিষ্ক কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে সে ভালো স্টাডি করে, কিভাবে কিভাবে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করলে তার ওপর দোষ আসবে না, কিভাবে সে বসে থেকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত করে একেকটা সাইকোলজিক্যাল ডিজিস তৈরি করে নিজেকে বাচিয়ে রাখা যায় সেই জ্ঞান তার ভালোই আছে।

না এটি সিজোফ্রেনিয়া বা মাল্টিপল পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার।

রুক্বইয়াহ নিয়মিতই করা হয়। তবে কিছু কিছু সাকসেস স্টোরিজ শেয়ার না করে থাকতে পারি না।রোজার আগে এক ভাই এসেছিলো যার দীর্ঘ আট ...
30/03/2026

রুক্বইয়াহ নিয়মিতই করা হয়। তবে কিছু কিছু সাকসেস স্টোরিজ শেয়ার না করে থাকতে পারি না।

রোজার আগে এক ভাই এসেছিলো যার দীর্ঘ আট মাস যাবত বমি। যা-ই খান বমি করে ফেলে দেন। শরীরে যথেষ্ট নিউট্রিশনের ঘাটতি শুরু হয়। আস্তে আস্তে এটা ইমিউনিটিকেও এটাক করে। এন্ডোস্কোপি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করেও পেটে বিন্দুমাত্র সমস্যা ধরা পড়ে না। মেডিকেশন চলতে থাকে কিন্তু স্বাভাবিকই হয় না। রোগ তো অবশ্যই আছে, নাহয় পেট কেন খাবার স্বাভাবিকভাবে রাখতে পারছে না। পাকস্থলীর কাজই তো খাদ্য পরিপাক করা, যা আমরা গিলি তা গিয়ে ভেঙ্গে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান তৈরি হয়। কিন্তু কি এমন কারণ যা পাকস্থলী খাবার পরিপাক না করে বমি করে ফেলে দেয়।

তাকে রুক্বইয়াহর কিছু নিয়ম কানুন দিয়ে দিলাম আর সাপ্লিমেন্ট তৈরি করে সেটা খাওয়া৷ প্রথন ৩/৪ দিন সাপ্লিমেন্ট খেয়ে তার কোনো পরিবর্তন আসে নাই। পরেরদিন বমির সাথে সাথে একটা লম্বা সুতা মাঝখানে গিট দেয়া, সেটি বের হয়৷ এবং অই মুহূর্ত থেকে তার বমির প্রকোপ একেবারে চলে যায়। (কমেন্টে ছবি)

কেউ যা*দু বা জিনগ্রস্থ হলে সেই শরীর, শরীরের যেকোনো অঙ্গ তার স্বাভাবিক ক্যারেক্টারিস্টিক্স হারিয়ে ফেলে, যা তার করার কথা তা ভুলে যায়। এরপর দেখা যায় বিভিন্ন রোগ। অটো-ইমিউন এক অদ্ভুত রোগ। এটাও এই জিন-যা*দূর কারণে হওয়াটা অসম্ভব কিংবা অবাস্তব না!

কয়েক মাস আগে এক বোন কল দেন হসপিটাল থেকে। তার মেয়ে গুরুতর অসুস্থ। রোগ ধরা পড়েছে যেটা হলো SLE বা লুপাস। একটি অটো ইমিউন রোগ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভূলবশত সুস্থ কোষ, টিস্যু বা অর্গানগুলোকে আক্রমণ করে। মেডিক্যাল সাইন্স এখনো পুরোপুরি কারণ বের করতে পারেনি।

তার মেয়েরও মেজর অর্গানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আইসিউতে ভর্তি ছিলো। কেবিনে শিফট করার পর সেখানেই রুক্বইয়াহ করা হলো। কিছুদিন পর শুনি মেয়েটির রোগ পুরোপুরি সেরে গেছে যেখানে SLE একটি দীর্ঘস্থায়ী অটো ইমিউন রোগ। তারা এজন্য রুক্বইয়াহর প্রতিই অধিকাংশে কৃতজ্ঞ।

18/03/2026

ঈদ আসলেই অসুস্থ হয়ে পড়া, পারিবারিক ঝামেলা বেড়ে যাওয়া, ঝগড়াঝাটি বৃদ্ধি পাওয়া, কোন কারণ ছাড়াই মন খারাপ থাকা বদনজর এবং যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।
এ সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য পরিবারের সদস্যরা একে অপরের অযুর পানি দিয়ে ঈদের আগ দিন পর্যন্ত গোসল করবেন ইন শা আল্লাহ। আশা করি ইতিপূর্বে কাটানো সকল ঈদের চেয়ে এই ঈদ আনন্দদায়ক হবে ইন শা আল্লাহ।

এডভান্সড মেডিক্যালের বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেও কন্সিভ না হওয়া বা মিসক্যারেজ হওয়া থেকে সুস্থ হন নি। অবশেষে ১৪০০ বছর আগের প্...
09/03/2026

এডভান্সড মেডিক্যালের বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেও কন্সিভ না হওয়া বা মিসক্যারেজ হওয়া থেকে সুস্থ হন নি। অবশেষে ১৪০০ বছর আগের প্রেসক্রিপশন অনুসরণ করেই সন্তান জন্ম দিলেন, বিইযনিল্লাহ।

দেড় বছর আগের এবং আজকের কনভার্সেশন। (ছবিতে)


বিভিন্ন সিন্ড্রোম Syndrome শারীরিক প্রতিবন্ধিকতার পাশাপাশি জিন-যা*দূর প্রভাবেও হতে পারে। এসব প্রাধনত জেনেটিক ত্রুটি, ক্র...
07/03/2026

বিভিন্ন সিন্ড্রোম Syndrome শারীরিক প্রতিবন্ধিকতার পাশাপাশি জিন-যা*দূর প্রভাবেও হতে পারে। এসব প্রাধনত জেনেটিক ত্রুটি, ক্রোমোজমের অস্বাভাবিকতার কারণে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মা যদি জিন-যা*দুগ্রস্থ হয়, তখন গর্ভাবস্থায় শাইত্বান ভ্রূনের উপর যা*দুর প্রভাব ফেলতে পারে। জিন-শাইত্বান বদনজর, হিংসা, যা*দু, গিটের মাধ্যমে কোষের ক্রোমোজমের অস্বাভাবিকতা, জেনেটিক সিকোয়েন্স ও হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স তৈরি করতে পারে। কোষ বিভাজনের মাত্রাও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সেদিন এক মা আসলেন তার ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত এক মেয়েকে নিয়ে। রুক্বইয়াহর সময় মেয়ে অদ্ভুতভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে থাকে, সাথে মায়েরও। ডায়াগনোসিসে দেখা গেলো মা অনেক আগে থেকেই যা*দুতে আক্রান্ত।

বছরখানেক আগে এক বাচ্চা মেয়েকে দেখেছিলাম যার শরীর অস্বাভাবিক চিকন, বামুন আকৃতির, চেহারাটাও কিছুটা অদ্ভুত, কপাল নেই, ভ্রু থেকেই মাথা। দেখতে সর্বোচ্চ ৮/৯ বছরের মনে হবে। যাকে আমি বাচ্চা ভেবেছিলাম সে মূলত ২৪ বছর বয়সী এক মেয়ে। এই অস্বাভাবিক গড়নের নাম ক্রাই ড্যু ক্যাট (cat's cry) সিন্ড্রোম । এটাও রেয়ার জেনেটিক ডিসঅর্ডার। বিশেষত্ব হলো বিড়ালের মত কান্না করবে তারা। এবং অই মেয়েটিও বিড়ালের মতই মেও মেও করে কাদতেছিলো। এরকম অস্বাভাবিক মানুষ আমি কস্মিনকালেও দেখি নি

মেয়েটির মা জিনগ্রস্থ ছিল। মেয়েটি গর্ভে থাকা অবস্থায় তিনি দেখলেন তার কোলে একটি বাচ্চা দেয়া হচ্ছে, বাচ্চাটিকে কোলে নিলেন এবং বাচ্চাটি দেখতে খুবই বিভৎস। এই স্বপ্ন দেখার অনেক পরে তিনি প্রেগ্নেন্সি টেস্ট করে বুঝতে পারেন তার গর্ভে সন্তান আছে। পরবর্তীতে জন্মের পরেও বুঝতে পারেন আসলেই প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মেছে।

আমরা অভিজ্ঞতায় দেখেছি যেসব বাচ্চারা জন্মের পরপরপই নানান জটিলতা বা প্রতিবন্ধীকতা নিয়ে জন্মায় তাদের অনেকেই জিন-যা*দুতে আক্রান্ত। এটাকে বলা হয় সিহরুল মাউরুস অর্থ্যাৎ বংশপরম্পরায় যা*দূর প্রভাব।

কিছুদিন আগে এপোলো হসপিটাল থেকে ফোন দেয় এক ভাই। তার বাচ্চার নিউমোনিয়া, সুস্থই হচ্ছে না। আইসিউতে রাখা হচ্ছে। একবার রিলিজ দেয়ার পর আবার কমপ্লিকেশন্স দেখা দেয় আবার ভর্তি রাখা হচ্ছে। বাচ্চা আর বাচ্চার মাকে রুক্বইয়াহ করা হলো, রুক্বইয়াহর এক পর্যায়ে মায়ের প্রচুর রিএকশন হলো।

শারঈ রুক্বইয়াহতে একটা মূলনীতি অনুসরণ করা হয় যে, মা যদি জিনগ্রস্থ হয় তাহলে তার থেকে তার সন্তান জিনগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা ৯৫%.

পূরা*ণশাস্ত্র যখন প্রকৃত সত্য।
26/02/2026

পূরা*ণশাস্ত্র যখন প্রকৃত সত্য।

সহস্র বছরের পুরনো ভয়া*নক পৌরাণিক রিচুয়াল যেসব আমরা লোককথা বা কাল্পনিক গল্প হিসেবে জানি। সেসবের সাথে এই সময়ের .....

ইসলামের সাথে অকা*ল্ট থিওরীর কানেকশন তৈরি করে মুসলিমদের পথভ্র*ষ্ট করার সূচনা শুরু থেকেই। কেউ সুফিবাদী চর্চা করে সেসব হালা...
24/02/2026

ইসলামের সাথে অকা*ল্ট থিওরীর কানেকশন তৈরি করে মুসলিমদের পথভ্র*ষ্ট করার সূচনা শুরু থেকেই। কেউ সুফিবাদী চর্চা করে সেসব হালাল ভাবে, কেউ কোয়ান্টাম মেথডের অনুসারী হয়ে বৈজ্ঞানিক মনে করে হালাল ভাবে, কেউ বা লালনবাদে, কেউ বা সব ত্বত্ত-আদর্শ ছেড়ে সঠিক আক্বীদা ধরে রেখেই সেসব গুপ্ত কুফ*রি মতবাদ কে শরীয়তের সাথে মিল রেখে বয়ান করে।

এমনই বয়ান নিচের এই লোকটি। তার প্রায় প্রতিটি ভিডিও ইসলামের সাথে স্যুডো সাইন্স আর অকা*ল্টের একটা যোগ সূত্র তৈরি করা। ধরে ধরে এসব বলা যাবে। সে নিজের মত করে কুরআন হাদীস ব্যাখ্যা করে; খিজির আ এর বিষয়কে টেলিপোর্টেশন, মাল্টিভার্সের সাথে মেলায়; বনী ইসরাইলের বানর হয়ে যাওয়াকে সে ডারউইনের থিওরীর সাথে মিলায়, সে মায়ের নাম দিয়ে নক্ষত্রের,এঞ্জেলিক নাম বের করে যেটা সুস্পষ্ট ব্লাক ম্যা*জিক। এরকম প্রতিটা বিষয় সে সালাফদের থেকে জ্ঞান না নিয়ে পশ্চিমা গ্রীক আর মিশরী যা*দুবিদ্যা থেকে আমদানী করে আসা থিওরীর সাথে রিলেটেড করে ফেলছে।

কবির ভাষায় বলবো,

এসেছে নতুন যা*দুকর
তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান

সার সংক্ষেপ হলো: এই ব্যক্তি যা*দুকে হালালাইজ করতেসে তার প্রতিটি ভিডিওতে, প্রতিটা টপিকে। যেগুলা ডিবাংক করা সম্ভব হলেও সেই সময়টা পাওয়া দুষ্কর।

21/02/2026

রোগ-ব্যাধিতে ঈমানদারের করণীয়:
❒ আল্লাহই একমাত্র আরোগ্যদানকারী এই বিশ্বাস রাখাঃ এ বিশ্বাস রাখা যে, রোগ-ব্যাধিতে একমাত্র আরোগ্যদানকারী মহান আল্লাহ। তিনি ছাড়া অন্য কেউ রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে না। মহান আল্লাহ (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – “(ইবরাহীম আ. বললেন,) যখন আমি অসুস্থ হই তখন তিনিই আমাকে সুস্থতা দান করেন।” [সূরাহ শুয়ারা, আয়াত : ৮০]
ওষুধ-পথ্য কেবল মাধ্যম। মহান আল্লাহই এ সব ওষুধে রোগমুক্তির কার্যকারিতা দান করেছেন। ওষুধকেই মূল আরগ্যদানকারী মনে করা শিরক। অনুরূপভাবে, অসুখ-বিসুখে তথাকথিত ওলী-আওলিয়ার মাজারে ধর্ণা দেয়া, মাযারে বা কবরে মানত করা, গণক ও ঠাকুরের স্মরণাপন্ন হওয়া ইত্যাদি নাজায়েজ কাজ।
❒ সবর করাঃ কারণ, রোগ-ব্যাধি আল্লাহর তকদীরের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং আল্লাহর ফয়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা এবং সবর করা ঈমানের দাবী। সবরের মর্যাদা সম্পর্কে মহান আল্লাহ (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – "আর তোমরা ধৈর্য ধর, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।" [সূরাহ আনফাল, আয়াত : ৪৬]
তিনি আরও বলেন – “ধৈর্যশীলদেরকেই তাদের প্রতিদান পূর্ণরূপে দেয়া হবে কোন হিসাব ছাড়াই।” [সূরাহ আয-যুমার, আয়াত : ১০]
সবরের পরিচয় হল,
● মনোক্ষুন্ন না হওয়া এবং হা হুতাশ ও বিরক্তি প্রকাশ করা থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা।
● মানুষের কাছে রোগ-ব্যাধির ব্যাপারে বেশী অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকা।
● এমন সব কথা ও আচরণ থেকে দূরে থাকা যা ধৈর্য্যহীনতার পরিচয় বহন করে।
❒ শরীয়ত সম্মত পন্থায় চিকিৎসাঃ ধৈর্যের সাথে শরীয়ত সম্মত পন্থায় চিকিৎসা করা; যেমন, কুরআন-হাদীসের মাধ্যমে প্রমানিত এমন দুয়ার মাধ্যমে রুকিয়া বা ঝাড়-ফুঁক, এলোপ্যাথিক, হোমিও, ইউনানি ইত্যাদি পদ্ধতিতে চিকিৎসা গ্রহণ করা ইত্যাদি। রাসূল ﷺ নিজেই বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে প্রেসকিপশন প্রদান করেছেন। তবে সর্ব প্রকার তাবিজ, কবজ, রিং, সুতা, বালা, আংটি, শরীরে গাছ-গাছালি ঝুলিয়ে রাখা ইত্যাদি সবই বর্জনীয়। কারণ, এগুলো শরীয়ত সম্মত নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে শিরকের পর্যায়ে পড়ে।
❒ রোগ-ব্যাধি গুনাহ মোচনের মাধ্যমঃ এ বিশ্বাস রাখা যে, অসুখ হলে আল্লাহ তায়ালা ঈমানদারের গুনাহ মোচন করেন এবং তাঁর নিকট তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। একজন প্রকৃত মুমিন সর্বাবস্থায় দৃঢ়ভাবে এ কথা বিশ্বাস করে যে, সে যে অবস্থায় আছে, তাতে কোনো কল্যাণ নিহিত রয়েছে। যেমন সহীহ মুসলিম প্রখ্যাত সাহাবী সুহাইব ইবন সিনান (রা.) থেকে মারফূ‘ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে – "মুমিনের বিষয়টা বড়ই অদ্ভূত! তার সব অবস্থাতেই কল্যাণ থাকে। এটি শুধু মুমিনেরই বৈশিষ্ট্য যে, যখন সে আনন্দে থাকে, তখন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে এবং যখন সে কষ্টে থাকে, তখন সবর করে। আর এ উভয় অবস্থাই তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।" [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২৯৯৯]
❒ তওবা ও দু’আঃ রোগ-ব্যাধিতে বেশি বেশি আল্লাহর নিকট তওবা করা এবং সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি দুয়া করা মুমিনের কর্তব্য। সুস্থ অবস্থায় মানুষ আল্লাহর এই নিয়ামত সম্পর্কে গাফেল থাকে। তাই অসুস্থ হলে তার সামনে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি নিজের গুনাহের জন্য মহান আল্লাহর নিকট তওবা করার এবং তার নিকট দুয়া ও আরাধনা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তাই এ অবস্থায় বেশি বেশী তওবা-ইস্তিগফার, দুয়া এবং আল্লাহর কাছে ফিরে আসার মাধ্যমে তাঁর প্রিয়ভাজন বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত হওয়ার এ সুযোগকে হাত ছাড়া করা উচিৎ নয়।
পরিশেষে – মহান আল্লাহ তা'আলা যেন, পৃথিবীর সকল রোগাক্রান্ত মানুষকে সুস্থতা দান করেন এবং কষ্ট ও দুর্দশায় নিপতিত প্রতিটি মানুষের কষ্ট ও দূর্দশা লাঘব করে দেন। (আমীন)
লেখাঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (হাফি.)

Address

375 No. House, Near Puratan Fulkuri School, West Sanarpar, Dhaka

1361

Telephone

+8801883395011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miracle Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Miracle Healing:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share