Miracle Healing

  • Home
  • Miracle Healing

Miracle Healing Healing Through Iman
(2)

এডভান্সড মেডিক্যালের বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেও কন্সিভ না হওয়া বা মিসক্যারেজ হওয়া থেকে সুস্থ হন নি। অবশেষে ১৪০০ বছর আগের প্...
09/03/2026

এডভান্সড মেডিক্যালের বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেও কন্সিভ না হওয়া বা মিসক্যারেজ হওয়া থেকে সুস্থ হন নি। অবশেষে ১৪০০ বছর আগের প্রেসক্রিপশন অনুসরণ করেই সন্তান জন্ম দিলেন, বিইযনিল্লাহ।

দেড় বছর আগের এবং আজকের কনভার্সেশন। (ছবিতে)


বিভিন্ন সিন্ড্রোম Syndrome শারীরিক প্রতিবন্ধিকতার পাশাপাশি জিন-যা*দূর প্রভাবেও হতে পারে। এসব প্রাধনত জেনেটিক ত্রুটি, ক্র...
07/03/2026

বিভিন্ন সিন্ড্রোম Syndrome শারীরিক প্রতিবন্ধিকতার পাশাপাশি জিন-যা*দূর প্রভাবেও হতে পারে। এসব প্রাধনত জেনেটিক ত্রুটি, ক্রোমোজমের অস্বাভাবিকতার কারণে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মা যদি জিন-যা*দুগ্রস্থ হয়, তখন গর্ভাবস্থায় শাইত্বান ভ্রূনের উপর যা*দুর প্রভাব ফেলতে পারে। জিন-শাইত্বান বদনজর, হিংসা, যা*দু, গিটের মাধ্যমে কোষের ক্রোমোজমের অস্বাভাবিকতা, জেনেটিক সিকোয়েন্স ও হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স তৈরি করতে পারে। কোষ বিভাজনের মাত্রাও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সেদিন এক মা আসলেন তার ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত এক মেয়েকে নিয়ে। রুক্বইয়াহর সময় মেয়ে অদ্ভুতভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে থাকে, সাথে মায়েরও। ডায়াগনোসিসে দেখা গেলো মা অনেক আগে থেকেই যা*দুতে আক্রান্ত।

বছরখানেক আগে এক বাচ্চা মেয়েকে দেখেছিলাম যার শরীর অস্বাভাবিক চিকন, বামুন আকৃতির, চেহারাটাও কিছুটা অদ্ভুত, কপাল নেই, ভ্রু থেকেই মাথা। দেখতে সর্বোচ্চ ৮/৯ বছরের মনে হবে। যাকে আমি বাচ্চা ভেবেছিলাম সে মূলত ২৪ বছর বয়সী এক মেয়ে। এই অস্বাভাবিক গড়নের নাম ক্রাই ড্যু ক্যাট (cat's cry) সিন্ড্রোম । এটাও রেয়ার জেনেটিক ডিসঅর্ডার। বিশেষত্ব হলো বিড়ালের মত কান্না করবে তারা। এবং অই মেয়েটিও বিড়ালের মতই মেও মেও করে কাদতেছিলো। এরকম অস্বাভাবিক মানুষ আমি কস্মিনকালেও দেখি নি

মেয়েটির মা জিনগ্রস্থ ছিল। মেয়েটি গর্ভে থাকা অবস্থায় তিনি দেখলেন তার কোলে একটি বাচ্চা দেয়া হচ্ছে, বাচ্চাটিকে কোলে নিলেন এবং বাচ্চাটি দেখতে খুবই বিভৎস। এই স্বপ্ন দেখার অনেক পরে তিনি প্রেগ্নেন্সি টেস্ট করে বুঝতে পারেন তার গর্ভে সন্তান আছে। পরবর্তীতে জন্মের পরেও বুঝতে পারেন আসলেই প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মেছে।

আমরা অভিজ্ঞতায় দেখেছি যেসব বাচ্চারা জন্মের পরপরপই নানান জটিলতা বা প্রতিবন্ধীকতা নিয়ে জন্মায় তাদের অনেকেই জিন-যা*দুতে আক্রান্ত। এটাকে বলা হয় সিহরুল মাউরুস অর্থ্যাৎ বংশপরম্পরায় যা*দূর প্রভাব।

কিছুদিন আগে এপোলো হসপিটাল থেকে ফোন দেয় এক ভাই। তার বাচ্চার নিউমোনিয়া, সুস্থই হচ্ছে না। আইসিউতে রাখা হচ্ছে। একবার রিলিজ দেয়ার পর আবার কমপ্লিকেশন্স দেখা দেয় আবার ভর্তি রাখা হচ্ছে। বাচ্চা আর বাচ্চার মাকে রুক্বইয়াহ করা হলো, রুক্বইয়াহর এক পর্যায়ে মায়ের প্রচুর রিএকশন হলো।

শারঈ রুক্বইয়াহতে একটা মূলনীতি অনুসরণ করা হয় যে, মা যদি জিনগ্রস্থ হয় তাহলে তার থেকে তার সন্তান জিনগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা ৯৫%.

পূরা*ণশাস্ত্র যখন প্রকৃত সত্য।
26/02/2026

পূরা*ণশাস্ত্র যখন প্রকৃত সত্য।

সহস্র বছরের পুরনো ভয়া*নক পৌরাণিক রিচুয়াল যেসব আমরা লোককথা বা কাল্পনিক গল্প হিসেবে জানি। সেসবের সাথে এই সময়ের .....

ইসলামের সাথে অকা*ল্ট থিওরীর কানেকশন তৈরি করে মুসলিমদের পথভ্র*ষ্ট করার সূচনা শুরু থেকেই। কেউ সুফিবাদী চর্চা করে সেসব হালা...
24/02/2026

ইসলামের সাথে অকা*ল্ট থিওরীর কানেকশন তৈরি করে মুসলিমদের পথভ্র*ষ্ট করার সূচনা শুরু থেকেই। কেউ সুফিবাদী চর্চা করে সেসব হালাল ভাবে, কেউ কোয়ান্টাম মেথডের অনুসারী হয়ে বৈজ্ঞানিক মনে করে হালাল ভাবে, কেউ বা লালনবাদে, কেউ বা সব ত্বত্ত-আদর্শ ছেড়ে সঠিক আক্বীদা ধরে রেখেই সেসব গুপ্ত কুফ*রি মতবাদ কে শরীয়তের সাথে মিল রেখে বয়ান করে।

এমনই বয়ান নিচের এই লোকটি। তার প্রায় প্রতিটি ভিডিও ইসলামের সাথে স্যুডো সাইন্স আর অকা*ল্টের একটা যোগ সূত্র তৈরি করা। ধরে ধরে এসব বলা যাবে। সে নিজের মত করে কুরআন হাদীস ব্যাখ্যা করে; খিজির আ এর বিষয়কে টেলিপোর্টেশন, মাল্টিভার্সের সাথে মেলায়; বনী ইসরাইলের বানর হয়ে যাওয়াকে সে ডারউইনের থিওরীর সাথে মিলায়, সে মায়ের নাম দিয়ে নক্ষত্রের,এঞ্জেলিক নাম বের করে যেটা সুস্পষ্ট ব্লাক ম্যা*জিক। এরকম প্রতিটা বিষয় সে সালাফদের থেকে জ্ঞান না নিয়ে পশ্চিমা গ্রীক আর মিশরী যা*দুবিদ্যা থেকে আমদানী করে আসা থিওরীর সাথে রিলেটেড করে ফেলছে।

কবির ভাষায় বলবো,

এসেছে নতুন যা*দুকর
তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান

সার সংক্ষেপ হলো: এই ব্যক্তি যা*দুকে হালালাইজ করতেসে তার প্রতিটি ভিডিওতে, প্রতিটা টপিকে। যেগুলা ডিবাংক করা সম্ভব হলেও সেই সময়টা পাওয়া দুষ্কর।

21/02/2026

রোগ-ব্যাধিতে ঈমানদারের করণীয়:
❒ আল্লাহই একমাত্র আরোগ্যদানকারী এই বিশ্বাস রাখাঃ এ বিশ্বাস রাখা যে, রোগ-ব্যাধিতে একমাত্র আরোগ্যদানকারী মহান আল্লাহ। তিনি ছাড়া অন্য কেউ রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে না। মহান আল্লাহ (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – “(ইবরাহীম আ. বললেন,) যখন আমি অসুস্থ হই তখন তিনিই আমাকে সুস্থতা দান করেন।” [সূরাহ শুয়ারা, আয়াত : ৮০]
ওষুধ-পথ্য কেবল মাধ্যম। মহান আল্লাহই এ সব ওষুধে রোগমুক্তির কার্যকারিতা দান করেছেন। ওষুধকেই মূল আরগ্যদানকারী মনে করা শিরক। অনুরূপভাবে, অসুখ-বিসুখে তথাকথিত ওলী-আওলিয়ার মাজারে ধর্ণা দেয়া, মাযারে বা কবরে মানত করা, গণক ও ঠাকুরের স্মরণাপন্ন হওয়া ইত্যাদি নাজায়েজ কাজ।
❒ সবর করাঃ কারণ, রোগ-ব্যাধি আল্লাহর তকদীরের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং আল্লাহর ফয়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকা এবং সবর করা ঈমানের দাবী। সবরের মর্যাদা সম্পর্কে মহান আল্লাহ (সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা) বলেন – "আর তোমরা ধৈর্য ধর, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।" [সূরাহ আনফাল, আয়াত : ৪৬]
তিনি আরও বলেন – “ধৈর্যশীলদেরকেই তাদের প্রতিদান পূর্ণরূপে দেয়া হবে কোন হিসাব ছাড়াই।” [সূরাহ আয-যুমার, আয়াত : ১০]
সবরের পরিচয় হল,
● মনোক্ষুন্ন না হওয়া এবং হা হুতাশ ও বিরক্তি প্রকাশ করা থেকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা।
● মানুষের কাছে রোগ-ব্যাধির ব্যাপারে বেশী অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকা।
● এমন সব কথা ও আচরণ থেকে দূরে থাকা যা ধৈর্য্যহীনতার পরিচয় বহন করে।
❒ শরীয়ত সম্মত পন্থায় চিকিৎসাঃ ধৈর্যের সাথে শরীয়ত সম্মত পন্থায় চিকিৎসা করা; যেমন, কুরআন-হাদীসের মাধ্যমে প্রমানিত এমন দুয়ার মাধ্যমে রুকিয়া বা ঝাড়-ফুঁক, এলোপ্যাথিক, হোমিও, ইউনানি ইত্যাদি পদ্ধতিতে চিকিৎসা গ্রহণ করা ইত্যাদি। রাসূল ﷺ নিজেই বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে প্রেসকিপশন প্রদান করেছেন। তবে সর্ব প্রকার তাবিজ, কবজ, রিং, সুতা, বালা, আংটি, শরীরে গাছ-গাছালি ঝুলিয়ে রাখা ইত্যাদি সবই বর্জনীয়। কারণ, এগুলো শরীয়ত সম্মত নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে শিরকের পর্যায়ে পড়ে।
❒ রোগ-ব্যাধি গুনাহ মোচনের মাধ্যমঃ এ বিশ্বাস রাখা যে, অসুখ হলে আল্লাহ তায়ালা ঈমানদারের গুনাহ মোচন করেন এবং তাঁর নিকট তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। একজন প্রকৃত মুমিন সর্বাবস্থায় দৃঢ়ভাবে এ কথা বিশ্বাস করে যে, সে যে অবস্থায় আছে, তাতে কোনো কল্যাণ নিহিত রয়েছে। যেমন সহীহ মুসলিম প্রখ্যাত সাহাবী সুহাইব ইবন সিনান (রা.) থেকে মারফূ‘ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে – "মুমিনের বিষয়টা বড়ই অদ্ভূত! তার সব অবস্থাতেই কল্যাণ থাকে। এটি শুধু মুমিনেরই বৈশিষ্ট্য যে, যখন সে আনন্দে থাকে, তখন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে এবং যখন সে কষ্টে থাকে, তখন সবর করে। আর এ উভয় অবস্থাই তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।" [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ২৯৯৯]
❒ তওবা ও দু’আঃ রোগ-ব্যাধিতে বেশি বেশি আল্লাহর নিকট তওবা করা এবং সুস্থতার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি দুয়া করা মুমিনের কর্তব্য। সুস্থ অবস্থায় মানুষ আল্লাহর এই নিয়ামত সম্পর্কে গাফেল থাকে। তাই অসুস্থ হলে তার সামনে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের পাশাপাশি নিজের গুনাহের জন্য মহান আল্লাহর নিকট তওবা করার এবং তার নিকট দুয়া ও আরাধনা করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তাই এ অবস্থায় বেশি বেশী তওবা-ইস্তিগফার, দুয়া এবং আল্লাহর কাছে ফিরে আসার মাধ্যমে তাঁর প্রিয়ভাজন বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত হওয়ার এ সুযোগকে হাত ছাড়া করা উচিৎ নয়।
পরিশেষে – মহান আল্লাহ তা'আলা যেন, পৃথিবীর সকল রোগাক্রান্ত মানুষকে সুস্থতা দান করেন এবং কষ্ট ও দুর্দশায় নিপতিত প্রতিটি মানুষের কষ্ট ও দূর্দশা লাঘব করে দেন। (আমীন)
লেখাঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল (হাফি.)

16/02/2026

সহস্র বছরের পুরনো ভয়া*নক পৌ*রাণিক গল্প যেসব আমরা লোককথা বা কাল্পনিক গল্প হিসেবে জানি। সেসবের সাথে এই সময়ের কিছু শ্রেণীর মানুষদের সাথে প্রায়ই মিলে যাচ্ছে। কাদের সাথে??

যারা দুনিয়ার উল্লেখযোগ্য আসনে বসে আছে আর পুরো বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। কিভাবে? চলুন জেনে আসি...

পূরা*ণশাস্ত্র যখন প্রকৃত সত্য।

পশ্চিমা দেশগুলোতেও যা*দু চলে রীতিমত। একজন স্কুবা ডাইভার লন্ডনের এক এলাকা থেকে পানির নিচে থেকে এই যা*দূর পুতুল উদ্ধার করে...
14/02/2026

পশ্চিমা দেশগুলোতেও যা*দু চলে রীতিমত। একজন স্কুবা ডাইভার লন্ডনের এক এলাকা থেকে পানির নিচে থেকে এই যা*দূর পুতুল উদ্ধার করে। দেখে বুঝাই যাচ্ছে এটা বশ করার যা*দু।

শারঈ পরিভাষায় 'আতফ এবং সারফ শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয় মোটা অংশে স্বামী স্ত্রীর মাঝে প্রেম-ভালোবাসা বাড়ানো, ব*শ করা, স্বামীকে স...
12/02/2026

শারঈ পরিভাষায় 'আতফ এবং সারফ শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয় মোটা অংশে স্বামী স্ত্রীর মাঝে প্রেম-ভালোবাসা বাড়ানো, ব*শ করা, স্বামীকে স্ত্রীর প্রতি আবিষ্ট করে অন্য নারীদের থেকে বিমুখ করা('আতফ) কিংবা স্বামী স্ত্রীর মাঝে বি*চ্ছেদ করা(সারফ) এই দুই কাজে। এবং শরীয়ত এই কাজকে যা*দুর কাতারে ফেলে দেয়। শুধু স্বামী স্ত্রী না দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মাঝে সম্পর্ক তৈরি করা কিংবা শ*ত্রুতা,ঘৃ*না, বি*চ্ছেদ ঘটানোও 'আতফ এবং সারফ।

قال الإمام محمد بن عبدالوهاب رحمه الله: الس حر، ومنه الصرف والعطف، فمن فعله أو رضي به كف*ر، والدليل قول الله تعالى: {وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولاَ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلاَ تَكْفُ*ر} [البقرة:102].

ইমাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দিল ওয়াহহাব রাহিমাহুল্লাহ বলেন, " সারফ এবং 'আতফ যা*দুর অন্তর্ভুক্ত। অতএব যারা এ কাজ করে ও এতে সন্তুষ্ট থাকে সে কু*ফরি করলো। এর দলীল হলো আল্লাহর কালাম," আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত না বলত যে, ‘আমরা তো পরীক্ষা, সুতরাং তোমরা কু*ফরী করো না। "(বাক্বারাহ:১০২)

উম্মুল মু'মিনীন 'আঈশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে এক মহিলা এসে বললো, " হে উম্মুল মু'মিনীন, এমন মহিলা কেমন যে তার উটকে বেধে রাখে?" 'আঈশা রা বুঝতে পারেননি মহিলার কথা, তিনি বললেন, "এতে তো কোনো সমস্যা নেই।" মহিলাটি বললো, "আমি আমার স্বামীকে অন্য মহিলাদের থেকে বিমুখ করে আমার প্রতি আবিষ্ট করে রেখেছি।" 'আঈশা রা বলেন, "তোমরা এই ডা*ইনি(যা*দুকর) কে এখান থেকে বে*র করে দাও"

وقد روي أن امرأة جاءت إلى عائشة ﵂ فقالت: يا أم المؤمنين، ما على المرأة إذا عقلت بعيرها؟ فقالت عائشة ﵂ ولم تفهم مرادها: ليس عليها شيء، فقالت: إني عقلت زوجي عن النساء، فقالت عائشة ﵂: أخرجوا عني هذه الساح*رة.

ص612 - كتاب غربة الإسلام - الصرف والعطف من السح*ر الفاشي في هذه الأزمان - المكتبة الشاملة

'আতফ কিংবা সারফ উভয়টির জন্য যা*দুকর গিটের উপর ফু দিয়ে তাতে গিট দেয়, কিংবা শি*রকি ঝাড়ফুক করে অথবা খাবারের সাথে মিশিয়ে যা*দুগ্রস্থ ব্যক্তিকে খাওয়ায়, কিংবা ধোয়ার মাধ্যমে ঘ্রান নেয়া ইত্যাদি কাজ যা*দুকর করে যা শাইত্বান তাকে শিক্ষা দেয়।

এতে দুই ব্যক্তি যা*দুগ্রস্থ হয়ে, এবং শাইত্বান তাদের শরীরে আশ্রয় নেয়। ধীরে ধীরে শাইত্বান একে অন্যের প্রতি আবেগ, সীমাহীন আকর্ষণ কিংবা ঘৃ*ণা-বি*দ্বেষ তৈরি করে। বস্তুতঃ অই ভালোবাসা বা অই ঘৃ*ণা মূলত শাইত্বান থেকেই যদিও ভুক্তভোগী ভাবে এটা তার নিজের অন্তরেরই আবেগ। কারণ শাইত্বান তার মাঝে বিপরীত আবেগ তৈরি করছে।

এর ফলে অই ব্যক্তির মস্তিষ্ক অসুস্থ হয়ে যায়, জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পায়, অন্তরে ভালোবাসা বা ঘৃ*না তৈরি হয়, শরীর অসুস্থ হয়, যন্ত্রনা হয়। অবশেষে মৃ*ত্যুর দিকেও নিয়ে যেতে পারে।

শাইখ ইবনু বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি তাবিজ লিখে স্বামী স্ত্রীকে কাছাকাছি আনার জন্য, ভালোবাসা তৈরির জন্য, সে যা*দুকর। যে এর বিপরীত(সারফ) করবে সেও যা*দুকর।

مجموع فتاوى سماحه الشيخ ابن باز ج ٢ ،ص ٦٩٣

শাইখ ডক্টর উছমান আলখামীছ বলেন, স্বামী স্ত্রীর মাঝে মুহাব্বত তৈরি বা বি*চ্ছেদ ঘটানো বা যে কারো মাঝে কিংবা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এরূপ কাজ করা শি*রক আকবর।

** অতএব কোনো আলিম, মুফতি, ইসলামি জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি যদি আপনাকে বলে অমুক ব্যক্তির মাঝে ভালোবাসা বা স্বামীকে স্ত্রীর কাছে ফিরিয়ে এনে দিতে পারবে তাবিজ দিয়ে বা যেকোনো কিছুর মাধ্যমে, বা আপনার শত্রুর সাথে আপনার আপনজনকে বি*চ্ছেদ ঘটাতে পারবে কিংবা স্বামী স্ত্রীর মাঝে বি*চ্ছেদ ঘটাতে পারবে, বুঝে রাখবেন সে যা*দুকর, সে মুসলিম না। যা*দু ছাড়া উক্ত কাজ কখনোই শারঈভাবে করা সম্ভব নয়। ইমান হারিয়ে ধোকায় পড়বেন না। **

আর স্বামী স্ত্রী বি*চ্ছেদের যা*দুতে আক্রান্ত হলে তাদের উচিৎ রুক্বইয়াহ করা।

এক বোনের দু-আড়াই বছরের মেয়ের জিন-যা*দূর সমস্যা আছে। তিনি এক রাক্বীর কাছে রুক্বইয়াহ করতেন, উনি বলেছিলেন বাচ্চাকে রুক্বইয়া...
08/02/2026

এক বোনের দু-আড়াই বছরের মেয়ের জিন-যা*দূর সমস্যা আছে। তিনি এক রাক্বীর কাছে রুক্বইয়াহ করতেন, উনি বলেছিলেন বাচ্চাকে রুক্বইয়াহ না করতে। বাচ্চাদের নাকি রুক্বইয়াহ করা উচিৎ না।

অথচ এটি পরিপূর্ণ হাদীসের মূলনীতি বিরোধী কথা।

উম্ম সালামাহ রা. বলেন,
নবী ﷺ তার স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর গৃহে একটি বালিকার মুখমন্ডলে (কালো বা হলুদ) দাগ লক্ষ্য করে বললেন, তার কু*দৃষ্টি লেগেছে,

َ ‏ "‏ اسْتَرْقُوا لَهَا، فَإِنَّ بِهَا النَّظْرَةَ ‏"‏‏

তাকে ঝাড়ফুঁক করাও, কেননা তার উপর নযর লেগেছে। (এখানে জ্বিনের বদনজরের কথা বলা হয়েছে)
-বুখারী ও মুসলিম



জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ ﷺ হাযম পরিবারকে সাপের ছোবলে আঘা*তপ্রাপ্ত রোগীকে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন এবং আসমা বিনতু ‘উমায়স (রাঃ) -কে বললেন, আমার ভাই [জা‘ফার (রাঃ)] এর ছেলে-মেয়েদের কি হলো যে, তাদের শরীর আমি দুর্বল দেখতে পাচ্ছি? তাদের কি অভাব দেখা দিয়েছে? তিনি (আসমা) বললেন, না কিন্তু তাদের উপর তাড়াতাড়ি কু*নযর লেগে যায়। তিনি বললেন, তুমি তাদের ঝাড়-ফুঁক কর। তিনি বললেন, তখন আমি তাঁর নিকট (দু‘আটি) উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, (ঠিক আছে) তুমি তাদের ঝাড়ফুঁক করে দাও।

-মুসলিম

এপিলেপ্সি (খিচুনী) কলেজে পড়তো এক মেয়ে। তার প্রতি সকালে ঘুম ভাঙ্গতো খিচুনী হয়ে। যাদের খিচুনী হয় বা যারা দেখেছে তারা জানে ...
06/02/2026

এপিলেপ্সি (খিচুনী)

কলেজে পড়তো এক মেয়ে। তার প্রতি সকালে ঘুম ভাঙ্গতো খিচুনী হয়ে। যাদের খিচুনী হয় বা যারা দেখেছে তারা জানে কি বিদ*ঘুটে দৃশ্য। ইউটিউবে সার্চ করলেও দেখা যাবে। দুই বছরের বেশি এই সমস্যা। বাংলাদেশ সব নিউরোস্পেশালিস্ট আর ভারতের বড় হসপিটাল দেখানো শেষ। রোগ ডায়াগনোসিস হয়েছে কি হয় নি খেয়াল নাই। মেডিক্যাশন চলতো। কিন্তু উন্নতি নেই।

রুক্বইয়াহ তিন সেশন আর দুই/তিন সেশন হিজামা নেয়া হলো। প্রথম রুক্বইয়াহতেই জিন এক্সপোজ হয়ে দেয়ালে ঘু*ষি মেরেছিলো একাধারে।

দেড় থেকে দুই মাস পর মেয়ের মা জানায়, আমি প্রতিদিন সকালে ভয়ে ভয়ে ঘুম থেকে উঠতাম, না জানি উঠেই দেখি মেয়ের খিচুনী। এবং প্রতিদিনই এমন হতো।

এখন প্রায় বছরখানেক পার হয়ে গেলো, যেই খিচুনী হতো তা আর হচ্ছে না।


Syncope (frequent fainting) বা ঘন ঘন অ*জ্ঞান হয়ে যাওয়া

এক ভাই তার আহলিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি প্রতি দিন তো হুটহাট অ*জ্ঞান হয়ে যেতেনই, দিন ৩/৪ বারও হতো। সিটি স্ক্যান, এমআরআই সহ অন্যান্য স্বাভাবিক সব টেস্ট করানো শেষ। মাথায় বিন্দুমাত্র সমস্যা নেই। তবুও অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে! মেডিসিন তবুও ডাক্তার প্রেসক্রাইব করলো। তাতেও কোনো উপকার পাচ্ছে না।

প্রথম রুক্বইয়াহ সেশন চলাবস্তায়ই অজ্ঞান হলেন। সেদিন থেকে দুই সপ্তাহে কেবল অ*জ্ঞান হলেন মাত্র দুবার। আস্তে আস্তে অ*জ্ঞান হয়ে যাওয়া টা নাই এর পথে।


একই রোগে আক্রান্ত এক ডাক্তার আসলেন। তিনি মেডিসিনের ডক্টর। হঠাৎ কথা নেই বার্তা নেই অ*জ্ঞান হয়ে যান। দাঁড়ানো অবস্থায় জ্ঞান হারিয়ে ফ্লোরে আ*ছড়ে পড়েন। যেহেতু স্বামী স্ত্রী উভয়ই ডাক্তার, ক্লিনিকাল সকল টেস্ট করানো শেষ।

সব শেষে রুক্বইয়াহ করতে আসলেন। রুক্বইয়াহ করার পর তার এই সমস্যা আর দেখা দেয় নি।

এরকম অনেক রোগ যা শারীরিক রোগ ধরেই আমরা অনেকে বসে থেকে একের পর এক ডাক্তার দেখাচ্ছি, ক্লিনিক্যালি ডায়াগনোসিস হয়ত হয়েছে কিংবা হয়নি উভয়টিই বিদ্যমান, তবে সুস্থতার দেখা আসে না।

আপনি কি জানেন?ম্যাগনাস হার্শফিল্ড যে উনবিংশ-বিংশ শতাব্দীতে সম*কামিতার অধিকার নিয়ে যে সব চাইতে বেশি ও প্রভাবশালী এডভোক্যা...
05/02/2026

আপনি কি জানেন?

ম্যাগনাস হার্শফিল্ড যে উনবিংশ-বিংশ শতাব্দীতে সম*কামিতার অধিকার নিয়ে যে সব চাইতে বেশি ও প্রভাবশালী এডভোক্যাসি করেছে জার্মানে। সে সময় সম*কামিদের প্রতি সাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমানের মতই ঘৃন্য ছিলো।

হার্শফিল্ড উনবিংশ শতাব্দির শেষ দিকে কিছু পুস্তিকা জারি করে সম*কামি ভালোবাসা নিয়ে। হার্শফিল্ড বার্লিনে একটি কমিটি গঠন করে সাইন্টিফিক হিউম্যানিটেরিয়ান কমিটি (Wis*sensch*aftlich-humanitäres Komitee) নামে, যার কাজ হলো সম*কামি অধিকারকে ডিফেন্ড করা ও সামাজিকভাবে সম*কামিদের যেভাবে হ্যেয় করে দেখা হয় তা নির্মূল করা।

কমিটির কিছু সদস্য পরবর্তীতে হার্শফিল্ডের ফিলোসফিকে অস্বীকার করে। কারণ প্রাকৃতিকভাবে পুরুষে পুরুষে যৌ*নাচার আনএক্সেপ্টেবল। হার্শফিল্ড এই কমিটিতে তৎকালীন ছয় হাজার বিশিষ্ট জার্মান ব্যক্তিত্বদের সাক্ষর সমন্বয় করে সম*কামীদের পক্ষে পিটিশনের উপর। পিটিশনটি ছিলো Paragraph 175 এর বিরুদ্ধাচারণে, যারা "পুরুষ পুরুষ যৌ*নসম্পর্ক একটি ক্রাইম" হিসেবে বিধান জারি করে।

যেই সাক্ষরদাতার মধ্যে দুজন শ্রেষ্ঠ পদার্থবিজ্ঞানী ছিলো, একজন আলবার্ট আইন্সটাইন আরেকজন বেনডিক্ট ফ্রাইডল্যান্ডার। ¹

এই বিজ্ঞানী ফ্রাইডল্যান্ডার হার্শফিল্ড কে বিপুল ফাইনেনশিয়াল সাপোর্ট দিয়েছিলো। সে নিজেই Gem*einsc*haft der Eigenen (GdE) নামে একটি এনজিও বা হো*মোসে*ক্সুয়াল অর্গানাইজেশন গঠন করে সম*কামিদের রাইটস নিয়ে। সে একটি বইও লিখে Die Renaissance des Ero*s Ura*nios নামে যাকে আখ্যায়িত করা হয় "Revival of gree*k love বা গ্রীক ভালোবাসার পুনরুজ্জীবন" ²

পরবর্তীতে দুজন আলাদা হয়ে যায় যার একটি কারণ ছিলো হার্শফিল্ড "ট্রা*ন্সজেন্ডার" তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলো। সে ভাবতো একটি পুরুষ নিজেকে নারী মনে করলে সে তখন নারী, এবং তখন নারী হিসেবে পুরুষের সাথে যৌ*নসম্পর্ক করতে পারে। ফ্রাইডল্যান্ডার হয়ত সেটা গ্রহণ করে নি। সে বলতো পুরুষ চাইলেই পুরুষের সাথে যৌ*নসম্পর্ক করতে পারবে। নিজেকে নারী ভাবার প্রয়োজন নেই।

(নর্থইস্টার্ন মেডিটেরিয়ান সভ্যতার ১২০০-৮০০ খৃষ্টপূর্ব সময়কে বলা হতো Gree*k Da*rk Ages. প্রাচীন গ্রিস ও রোমে পুরুষে পুরুষে সম*কামিতা এবং পেডারাস্টি (বৃদ্ধ পুরুষের সাথে সাবালকের যৌ*নাচার) খুব বেশি চর্চা ছিলো। এটাকেই Gree*k Love বলা হয়) ³

আইনস্টাইনের যে এই একটাই খারাপ দিক ছিলো না, তা না। আমরা এর আগেও বিভিন্ন আর্টিক্যেলে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর নাম উল্লেখ করে বলেছিলাম তারা অকাল্ট, নস্টিসিজম, মিস্টিসিজম (গুপ্তবিদ্যা, যা*দুবিদ্যা) এ লিপ্ত ছিলো। তারা জীবনের লম্বা সময় বিভিন্ন কু*ফরি আক্বীদা ও বিশ্বাস লালন করে চলতো, বৌ*দ্ধ ধর্মের আদর্শ অনুসরণ করতো। পরবর্তী পর্বে আমরা বিভিন্ন বিজ্ঞানীর এরকম সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিয়ে জানতে থাকবো। ইন শা আল্লাহ।

২৫ বছর আগে বিল গেইটস খুব সুন্দর করে বলছিলো, "এই পৃথিবীতে জনসংখ্যা খুব বেড়ে চলছে, প্রায় ৯ বিলিয়নের দিকে যাচ্ছে। এতে CO2 এ...
04/02/2026

২৫ বছর আগে বিল গেইটস খুব সুন্দর করে বলছিলো, "এই পৃথিবীতে জনসংখ্যা খুব বেড়ে চলছে, প্রায় ৯ বিলিয়নের দিকে যাচ্ছে। এতে CO2 এর পরিমাণও বাড়ছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বাড়ছে। এখন আমরা যদি ভ্যাক্সিনেশন,হেলথকেয়ার, জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি নিয়ে ভালো মত কাজ করতে পারি আমরা তাহলে সেটাকে ১০-১৫% কমিয়ে নিয়ে আসতে পারবো!" ¹

বর্তমানে গ্লোবাল ভ্যাক্সিন ইনিশিয়েটিভের সব চাইতে বড় প্রাইভেট ডোনার এই বিল গেইটসের Bill gates and malinda foundation. ২০০০ সাল থেকে এই তক বিল গেইটস 30,000,000,000 ডলার ডোনেট করছে। (৩০ বিলিয়ন বললে কম লাগে এজন্য সংখায় দিলাম বিষ্ময়বোধ ভালো কাজ করবে)। ৩০ বিলিয়ন ডলার!!!

এবং তার টার্গেট হচ্ছে পৃথিবীর দরিদ্র দেশ গুলো। যেসব দেশের শিশুরা ভ্যাক্সিনাইজ হতে পারছে না তাদেরকে ভ্যাক্সিন দেয়ার উদ্যোগ বিল গেইটসের মত প্রাইভেট ফাউন্ডেশনের সমপর্যায়ে অন্য কেউ নেই।

আমরা এপস্টিনের ফাইল দেখলাম, দুই একটা বিষয় FBI tips হতে পারে তবে স্পষ্ট পিডিএফ ইমেইজ, বিভিন্ন ছবিতে আমরা সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখি। এটা বাস্তব যে এপস্টিন একেবারে নিচু মানের পেডোফাইল, চাইল্ড মলেস্টার, চাইল্ড প্রিডেটর, হেবেফাইল (১১–১৪ বছরের কিশোর-কিশোরীদের প্রতি যৌ*ন আকর্ষণ) ছিলো। ইউএস গভ.-র ওয়েবসাইটে আমরা অনেক ছবি দেখলাম যেখানে বাথটাবে, সুইমিং পুলে, ব্যক্তিগত কক্ষে এপস্টিন ৭-১৬/১৭ কিশোরী, শিশুদের সাথে অ*শ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে শরীরের সাথে মিশে ছবি তুলছে, তাদের ন*গ্ন বা অর্ধো*লঙ্গ অবস্থায় গোসল করছে। এই এপস্টিন সম*কামিও ছিলো। তার এক পার্টিতে দেখা যায় এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নাচছে। নাচতে নাচতে তার কাপড় খুলতে থাকে, আর দেখা যায় সে বুকের ওপর বক্ষবন্ধনী আর নিচে মেয়েদের মত আন্ডারওয়্যার পড়া। এখানে একটা কথা বলা বাহুল্য, এইযে এত পৈশাচিক কাজ এসব যে স্বেচ্ছায়ই করছে এমনও না, এসব কাজই স্যাটানিক রিচুয়াল। এই সেইম কাজগুলো যা*দুকররাও করে। আমরা এরকম ঘটনা এর আগেও শেয়ার করেছি।

এই এপস্টিন আইল্যান্ডে প্রচুর যাতায়াত ছিলো বিল গেইটসের। খুবই ভালো সখ্যতা ছিলো এপস্টিনের সাথে।

যেই লোক হিউম্যান ট্রাফিকিং(শিশু-কিশোর পাচার) এর সাথে জড়িত, রাশিয়ান পতিতাদের সাথে যৌ*নসম্পর্ক করে শরীরে এসটিডি নিয়ে ভুগছে, আবার এই খবর ফাঁশ না করার জন্য জেফ্রি এপস্টিনকে প্রেশারাইজ করলো, এই লোক একেবারে এত মানবদরদী কবে হলো যে পৃথিবীর থার্ড কান্ট্রিসে (আফ্রিকা, ভারতোয় উপমহাদেশ) সে ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্প করতেছে, কোটি কোটি ভ্যাক্সিন ফ্রিতে দিচ্ছে??

একদিকে শিশুদের রক্ষায় কোটি টাকা ব্যয় অন্যদিকে শিশুদের সাথে Or*gy (নি*কৃষ্ট যৌ*নাচার) তে লিপ্ত হওয়া। একদিকে শিশুদের প্রতি সিম্প্যাথি শো করা অন্যদিকে শিশুদের মেরে ফেলা। তার রিয়েল ফেইস আসলে কোনটা??

আমাকে এখন বুঝিয়ে বলুন, এই লোকটির এত সিম্প্যাথাইজার হওয়াকে কিভাবে আমি পজিটিভলি দেখবো??

আর এই ব্যক্তি কেবল মাইক্রোসফট অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কার করেই এত বড়লোক হয় নাই, যা আমরা এতকাল জানতাম। এর পেছনে রয়েছে অনেক গোপন স্টেকহোল্ডার্স আর যেই স্টেকহোল্ডার্সদের বাপ দাজ্জা*ল।

These are not all conspiracies!! Nor even absurd speeches!!

আমরা যখন এই ভ্যাক্সিনেশনের বিপক্ষে বলি তখন জেনারেল ডাক্তার তো আছেই, অনেক দ্বীনি ডাক্তাররাও আমাদের নিয়ে কৌতুক করে, আমরা নাকি উন্মা*দ কন্সপিরেসিস্ট, সারাদিন এইসব নিয়েই থাকি।

জ্বি না আমরা আল্লাহর সেই কালামের উপর ইমান এনেছি বলেই আমাদের তাদের প্রতিটি কর্মকান্ডের প্রতি সন্দেহ জাগে, অবিশ্বাস আসে।

"হে ঈমানদারগণ, যদি কোন ফাসিক তোমাদের কাছে কোন সংবাদ নিয়ে আসে, তাহলে তোমরা তা যাচাই করে নাও।" হুজুরাত - ৬

Note: সব ভ্যক্সিনের বিরোধীতার পক্ষে নই। বিল গেইটস মূলত সব ভ্যক্সিন নিয়েও কাজ করতো না। পোলিও, টাইফয়েড,করোনা ভ্যক্সিন এখানে হাইলাইটেড। র‍্যাবিস বা এ ধরনের ভ্যাক্সিন প্রয়োজন অন্যযায়ী দেয়া যায়।

এখানে শুধু একটা ইস্যুর ওপর ভিত্তি করে বিল গেইটসের কিছু বিষয় নিয়ে আসা হয়েছে। আল্লাহ চাইলে WHO নিয়েও বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরা হবে, বিল গেইটসের অনেক সন্দেহজনক ফিরিস্তিও তুলে ধরা হবে।ওয়েস্টার্ন এসব এজেন্সিগুলোর শেকড় সব একদিকেই যায়। উত্থান হয় এক জায়গা থেকেই। সেটা হলো ওয়ান ওয়ার্ল্ড অর্ডার। দা*জ্জাল।

Address

375 No. House, Near Puratan Fulkuri School, West Sanarpar, Dhaka

1361

Telephone

+8801883395011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miracle Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Miracle Healing:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram