Back In Motion: American Health & Wellness Center

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

মহান আল্লাহ আমাদের কবুলযোগ্য আমল করার তৌফিক দান করুন।
03/02/2026

মহান আল্লাহ আমাদের কবুলযোগ্য আমল করার তৌফিক দান করুন।

প্রতিদিন আমরা নানা ধরণের খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু আমরা কি জানি প্রতিদিনের খাওয়া খাবারের মধ্যেই রয়েছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ...
03/02/2026

প্রতিদিন আমরা নানা ধরণের খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু আমরা কি জানি প্রতিদিনের খাওয়া খাবারের মধ্যেই রয়েছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইমিউনিটি বাড়ানোর শক্তি? ইমিউনিটি মানে কিন্তু শুধুমাত্র সর্দি-জ্বর-কাশি কম হওয়া নয়। ইমিউনিটি ভালো থাকলে শরীরের ভেতরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী থাকে যাতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীর দ্রুত লড়াই করতে পারে। ইমিউনিটি বাড়াতে সবসময় কিন্তু দামি খাবার বা সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন পরেনা। আমাদের ঘরের রান্নাঘরেই আছে ইমিউনিটি বাড়ানোর উপায়। যেমনঃ-

✔️ রসুন:
রসুনে থাকে Allicin প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে, ইনফ্লামেশন কমায়, হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। রান্নায় নিয়মিত রসুন ব্যবহার করলেই উপকার পাওয়া যায়।

✔️ ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল:
লেবু, কমলা, মাল্টা, পেয়ারা এগুলো ভিটামিন সি এর ভালো উৎস। ভিটামিন সি শ্বেত রক্তকণিকা সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে, শরীরের সংক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন এক গ্লাস লেবুর পানি বা একটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়াই যথেষ্ট।

✔️ ডিম:
ডিম প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২ ও জিঙ্কের খুব ভালো উৎস। প্রোটিন শরীরের কোষ মেরামত করে, ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এক্টিভ রাখে। প্রতিদিন ১টি ডিম শরীরের জন্য খুব উপকারী।

✔️ ডাল ও বাদাম:
ডাল, চিনাবাদাম, কাঠবাদাম, আখরোট এগুলোতে থাকে প্রোটিন, জিঙ্ক ও ভিটামিন ই। এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, কোষের ক্ষতি কমায়, দীর্ঘমেয়াদে ইমিউন সিস্টেমকে শক্ত রাখে।

✔️ সবুজ শাক-সবজি:
পালং শাক, লাল শাক, লাউ শাক, ব্রকলি ইত্যাদিতে থাকে ভিটামিন এ, সি, ই এবং ফাইবার।
যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, শরীরের টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে, দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

02/02/2026

অনিয়মিত সময়ে খাবার খেলে শরীরের যেসব ক্ষতি হতে পারে

ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে হঠাৎ জরুরি অবস্থা আসতে পারে। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায় বা খুব বেশি বেড়ে যায়। অ...
02/02/2026

ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে হঠাৎ জরুরি অবস্থা আসতে পারে। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায় বা খুব বেশি বেড়ে যায়। অনেক সময় রোগী নিজেও বুঝে উঠতে পারেন না কী হচ্ছে, আশেপাশের মানুষও দ্বিধায় পড়ে যায়। এই অবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্তটাই জীবন বাঁচাতে পারে।

🔹 হাইপোগ্লাইসেমিয়া
এ অবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। এর পেছনে দায়ী থাকতে পারে খাবার না খেয়ে ইনসুলিন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ নেওয়া, বেশি ডোজ ইনসুলিন নেওয়া, অতিরিক্ত ব্যায়াম করা, বমি বা ডায়রিয়া, অ্যালকোহল গ্রহণ। এ পরিস্থিতিতে রোগীর বুক ধড়ফড় করা, মাথা ব্যথা, দুর্বলতা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, হঠাৎ ঘাম, কাঁপুনির
মতো লক্ষন দেখা দিতে পারে।

🔹 হাইপারগ্লাইসেমিয়া
এ অবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়। এর পেছনে দায়ী থাকতে পারে ইনসুলিন বা ওষুধ মিস করা, জ্বর, ইনফেকশন, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট খাবার, মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। এ পরিস্থিতিতে রোগী অতিরিক্ত তৃষ্ণা
অনুভব করেন, ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, মুখ শুকিয়ে যায়, চোখে ঝাপসা দেখে, ক্লান্তি লাগে, মাথাব্যথা থাকে।

🔹 ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস
এটি ডায়াবেটিসের সবচেয়ে জরুরি অবস্থা। শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি হলে শরীর শক্তির জন্য চর্বি ভাঙে এতে তৈরি হয় কিটোন। এ সময়ে রক্ত অ্যাসিডিক হয়ে যায়। এ অবস্থায় রোগীর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, রক্তে খুব বেশি শর্করা বেড়ে যায়, নিঃশ্বাসে গন্ধ আসে, বমি-পেটব্যথা থাকে, শরীর খুব দুর্বল হয়ে পরে, এমন কি রোগী অচেতন হয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ঘরে বসে কোনো চিকিৎসা করবেন না, যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

01/02/2026

ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার কারনগুলো জেনে নিন

আমার কাছে যত রোগী ঘাড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে ঘার নাড়াতে কষ্ট হওয়া, মাথার পেছন দিকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে ...
01/02/2026

আমার কাছে যত রোগী ঘাড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে ঘার নাড়াতে কষ্ট হওয়া, মাথার পেছন দিকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে আসে তাদের বেশিরভাগের মধ্যেই একটা জিনিস কমন। এরা প্রত্যেকে রাতে দেরি করে ঘুমান।

মানবদেহ একটি বায়োলজিকাল ক্লোক মেনে চলে। রাতে ঘুমের সময় টিস্যু রিপেয়ার হয়। আমরা যখন রাত জাগি তখন মেলাটোনিন নিঃসরণ কমে, গ্রোথ হরমোন রিলিজ ব্যাহত হয়, পেশি ও লিগামেন্ট ঠিকভাবে রিপেয়ার হতে পারেনা। ফলাফল ঘাড়ের deep neck flexor muscles ও upper trapezius পুরোপুরি রিকভার করতে পারে না। ঘাড়ের পেশিগুলো সারাদিন মাথার ভার বহন করে।
রাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে পেশিতে মাইক্রো টিয়ার রিপেয়ার হয় না, মাসল টোন বেড়ে যায়, ক্রোনিক লো-গ্রেড স্পাজম তৈরি হয়৷ এই স্পাজম প্রথমে টের পাওয়া যায় না। কয়েক সপ্তাহ পর ঘাড় শক্ত লাগা, মাথার পেছনে ব্যথা, কাঁধে টান লাগার সমস্যা শুরু হয়।

রাতে জাগা মানে সাধারণত বিছানায় আধশোয়া ভঙ্গি, মাথা সামনের দিকে ঝুলিয়ে ল্যাপটপ বা ফোন চালানো। এই ভঙ্গিতে ঘাড়ের ওপর চাপ কতটা পড়ে জানেন? মাথার ওজন ৪.৫-৫ কেজি, ৩০° সামনে ঝুঁকলে চাপ পরে ১৮ কেজি, ৬০° ঝুঁকলে চাপ পরে ২৭ কেজি। রাত জাগা মানে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘাড়ের ওপর ৪-৫ গুণ বেশি লোড পরা।

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন, রাত ১১টার পর স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখুন/সীমিত করুন, বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখার অভ্যাস পরিবর্তন করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা স্ট্রেচিং করুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমরা বছরের পর বছর কিছু সমস্যায় ভুগে থাকি যেমন: অকারণে চুল পড়া, ক্লান্ত লাগা, পরিমিত খাবার পরেও ওজন কমে যাওয়া। এগুলোকে আম...
31/01/2026

আমরা বছরের পর বছর কিছু সমস্যায় ভুগে থাকি যেমন: অকারণে চুল পড়া, ক্লান্ত লাগা, পরিমিত খাবার পরেও ওজন কমে যাওয়া। এগুলোকে আমরা ছোট সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু এগুলো হতে পারে হরমোনাল ইমব্যালেন্সের লক্ষন।

হরমোন হলো শরীরের কেমিক্যাল মেসেঞ্জার।
থাইরয়েড, পিটুইটারি, অ্যাড্রিনাল, ওভারি/টেস্টিস এই গ্রন্থিগুলো থেকে নিঃসৃত হরমোন শরীরের প্রায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন: মেটাবলিজম, এনার্জি লেভেল, চুল, ত্বক, নখ, ওজন, ঘুম, মানসিক স্থিতি, মাসিক ও প্রজনন ক্ষমতা। যেকোনো একটি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলেই ডোমিনো ইফেক্ট তৈরি হয়। ফলে একটার পর একটা সমস্যা দেখা দেয়।

চুল পড়া শুধুমাত্র কসমেটিক সমস্যা নয়। চুল পড়ার পেছনে সাধারণত থাকে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরনের ভারসাম্যহীনতা, অ্যান্ড্রোজেন বেশি থাকা, দীর্ঘদিনের কর্টিসল বেশি থাকা। এই চুল পড়া সাধারণত পুরো মাথাজুড়ে হয়ে থাকে। চুল পাতলা হয়ে যায়, নতুন চুল গজানো কমে যায়।
শুধু তেল, শ্যাম্পু বা ভিটামিন খেয়ে এটা ঠিক করা যায়না। কারণ সমস্যাটা থাকে হরমোনে।

সারাক্ষন ক্লান্ত লাগলে আমরা ভাবি অতিরিক্ত কাজের প্রেশারে এমন হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে থাকতে পারে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া, কর্টিসল ডিসরেগুলেশন, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ভিটামিন D, B12 কমে যাওয়ার মতো সমস্যা। এসবের ফলে পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরেও শরীর ক্লান্ত থাকে, সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হয়, শরীর অল্প কাজেই দুর্বল হয়ে যায়।

হরমোনাল ইমব্যালেন্স কোনো সাধারণ সমস্যা নয় যা নিজে নিজে ঠিক হয়ে যাবে। এটা সময়মতো ধরা পড়লে নিয়ন্ত্রণযোগ্য, কিন্তু অবহেলা করলে ধীরে ধীরে পুরো শরীরকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

28/01/2026

বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া কোন রোগের লক্ষন?

কখনও লক্ষ্য করেছেন, হাঁটার সময় হয়তো এক পায়ে একটু বেশি চাপ পরে। অনেক সময় আমরা এমন ছোটখাট অভ্যাসকে গুরুত্ব দিই না। কিন্তু ...
28/01/2026

কখনও লক্ষ্য করেছেন, হাঁটার সময় হয়তো এক পায়ে একটু বেশি চাপ পরে। অনেক সময় আমরা এমন ছোটখাট অভ্যাসকে গুরুত্ব দিই না। কিন্তু এই ছোট অভ্যাসই একসময় দীর্ঘমেয়াদি কোমর ব্যথার মূল কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনার মনে হতেই পারে কোমর ব্যথা শুধু ভারী কাজ বা বয়সের কারণে হয়। কিন্তু সত্যি কথা হলো হাঁটার সময় দুই পায়ে ভারসাম্য না থাকা শরীরের অ্যালাইনমেন্ট ধীরে ধীরে খারাপ করে দেয়।

আমাদের শরীর একটা চেইন সিস্টেম পা → হাঁটু → হিপ → কোমর → মেরুদণ্ড → ঘাড়। এই চেইনের এক জায়গায় সমস্যা হলে ধীরে ধীরে পুরো সিস্টেমে চাপ পড়ে। স্বাভাবিক হাঁটার সময়দুই পায়ে প্রায় সমান প্রেশার পড়ে, পেলভিস স্থিতিশীল থাকে, স্পাইন অতিরিক্ত বেঁকে যায়না। কিন্তু যখন কেউ এক পায়ে বেশি ভর দিয়ে হাঁটে, হালকা খোঁড়া ভঙ্গিতে হাঁটে তখনই গিয়ে আসল সমস্যা শুরু হয়।

☑️ এক পায়ে বেশি ভর পড়লে পেলভিস একদিকে হেলে যায়, Sacroiliac jointএ অস্বাভাবিক চাপ পড়ে। এটি কোমর ব্যথার অন্যতম বড় উৎস।

☑️ অসম হাঁটার কারণে মেরুদণ্ড বারবার একদিকে বেশি ঘোরে, Intervertebral disc এ অসমান লোড পড়ে। ফলে ক্রনিক লো ব্যাক পেইন হতে পারে।

☑️ সবচেয়ে ভয়ানক যে ঘটনাটি ঘটে তা হলো শরীর এই ভুল ভঙ্গিটাকেই স্বাভাবিক ধরে নেয়। ফলে ব্যথা শুরু হতে কয়েক মাস বা বছর ও লাগতে পারে। অথচ এই মাসের পর মাস কোনো ব্যথা বা লক্ষন ছাড়াই নীরবে কোমরের ক্ষতি হচ্ছে।

☑️ এক পাশের পেশি অতিরিক্ত কাজ করে টাইট হয়ে যায়। অন্য পাশের পেশি অলস থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে। এই মাসল ইমব্যালেন্স কোমর ব্যথাকে আরো স্থায়ী করে তোলে।

যদি কিছু সময় হাঁটার পর কোমর ভারী লাগে, এক পাশের কোমরে বেশি ব্যথা হয়, সকালে উঠে স্টিফেনস থাকে তবে স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা না করে বা নিজের ইচ্ছায় পেইন কিলার না খেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা: মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

থাইরয়েড একটি ছোট গ্রন্থি, কিন্তু আমাদের শরীরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ওজন, হার্...
27/01/2026

থাইরয়েড একটি ছোট গ্রন্থি, কিন্তু আমাদের শরীরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ওজন, হার্টবিট, মাসিক চক্র, এমনকি মানসিক অবস্থাও থাইরয়েড হরমোনের উপরে অনেকটা নির্ভর করে। কিন্তু সমস্যা হলো থাইরয়েডের ইমব্যালেন্স অনেক সময় আমাদের অজান্তেই নীরবে শরীরে ক্ষতি করে। অনেকে বছরের পর বছর ক্লান্তি, হঠাৎ ওজন বাড়া/কমা, অনিয়মিত মাসিক বা মন-মেজাজের সমস্যাকে স্বাভাবিক ভেবে এড়িয়ে যান। অথচ এসবের পেছনে থাইরয়েডের ভূমিকা থাকতে পারে।

থাইরয়েড হৃদযন্ত্রের কাজকে প্রভাবিত করে, নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি জড়িত, মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে, শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশেও ভূমিকা রাখে। অথচ সময়মতো পরীক্ষা করলে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

শরীরে যেসব পরিবর্তন দেখা দিলে স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা না করা সতর্ক হবেনঃ-
🔹 ঠান্ডা/গরম সহ্য করতে না পারা

🔹 শরীরে আগের মতো শক্তি না পাওয়া

🔹 চুল পড়া/ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া

🔹 অকারণে ওজন বাড়া/কমা

🔹 মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক অনিয়মিত হওয়া

🔹 ঘুমের সমস্যা দেখা দেওয়া

ডা: মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

26/01/2026

খাওয়ার পর বুক জ্বালাপোড়া, সতর্ক হবেন যখন

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

OUR TREATMENT PHILOSOPHY

Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge and based on the philosophy and principles of Osteopathic Manual Medicine. Its philosophy embraces the concept that structure influences function. This system of manual diagnostic and treatment techniques includes soft tissue massage, myofascial release, joint mobilization/manipulation, and is used to relieve pain and restore normal musculoskeletal function, thereby enhancing the body’s capacity to heal. Our highly specialized level of treatment is at its best in finding and correcting the source of both acute and chronic conditions, rather than repeatedly treating the symptoms without correcting the underlying musculoskeletal dysfunctions.

Back In Motion clientele will receive the utmost in individualized, tailored treatment programs that immediately address each individual’s personal needs and goals.