Back In Motion: American Health & Wellness Center

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

খুলনার ডুমুরিয়া তে পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মানুষের ঢল। যাদের অর্থে, শ্রমে, ঘামে, বুদ...
05/03/2026

খুলনার ডুমুরিয়া তে পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মানুষের ঢল। যাদের অর্থে, শ্রমে, ঘামে, বুদ্ধিতে, দোয়া এবং আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই প্রোগ্রাম সফল করা সম্ভব হয়েছে, আল্লাহ তাদের সবাইকে কবুল করুন এবং ইহকালে ও পরকালে উপযুক্ত প্রতিদান দান করুন।

05/03/2026

নার্ভ চাপের লক্ষণগুলো জেনে নিন-

রমজান মাসে অনেক নারী  লক্ষ্য করেন যে তাদের পিরিয়ড আগের মতো নিয়মিত হচ্ছে না কখনো দেরিতে হচ্ছে, কখনো আগে হয়ে যাচ্ছে, আবার ...
05/03/2026

রমজান মাসে অনেক নারী লক্ষ্য করেন যে তাদের পিরিয়ড আগের মতো নিয়মিত হচ্ছে না কখনো দেরিতে হচ্ছে, কখনো আগে হয়ে যাচ্ছে, আবার কারও ক্ষেত্রে রক্তপাতের পরিমাণ বা সময়কাল বদলে যাচ্ছে। এতে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েন এটা কি স্বাভাবিক, নাকি শরীরে কোনো সমস্যা হচ্ছে তা ভেবে। আসলে রোজার সময় শরীরের হরমোনের ভারসাম্যে কিছু সাময়িক পরিবর্তন হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে কোনটা স্বাভাবিক পরিবর্তন, আর কখন চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ।

যে ধরণের পরিবর্তন স্বাভাবিকঃ-
✔️ পিরিয়ড কয়েকদিন দেরিতে হওয়া
✔️ চক্র আগের তুলনায় একটু লম্বা বা ছোট হওয়া
✔️ রক্তপাত কম বা বেশি হওয়া
✔️ এক মাস পিরিয়ড মিস হওয়া (বিশেষ করে ওজন কমলে বা স্ট্রেস বেশি হলে)

সাধারণত রোজা শেষ হওয়ার পর ১-২ মাসের মধ্যে পিরিয়ড সাইকেল আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।

যে ধরণের পরিবর্তন স্বাভাবিক নয়ঃ-
✔️ টানা ২–৩ মাস পিরিয়ড না হওয়া
✔️ খুব বেশি বা অস্বাভাবিক কম রক্তপাত হওয়া
✔️ তীব্র পেটব্যথা বা অস্বাভাবিক ব্যথা থাকা
✔️ হঠাৎ অতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়া/বেড়ে যাওয়া
✔️ আগে থেকেই PCOS, থাইরয়েড বা অন্য হরমোনজনিত সমস্যা থাকা

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি মধু খুব উপকারী। ঠান্ডা লাগলে মধু, গলা ব্যথায় মধু, এমনকি ত্বকের যত্নেও মধু। অনেকেই মনে করেন ...
04/03/2026

আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি মধু খুব উপকারী। ঠান্ডা লাগলে মধু, গলা ব্যথায় মধু, এমনকি ত্বকের যত্নেও মধু। অনেকেই মনে করেন মধু যেহেতু প্রাকৃতিক, তাই এটা সবার জন্যই শতভাগ নিরাপদ। কিন্তু সত্যটা একটু ভিন্ন। মধু যতটা উপকারী, কিছু বয়স ও বিশেষ অবস্থায় ততটাই ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে। তাই মধু সব বয়সের জন্য নিরাপদ কিনা তা জানা জরুরি।

মধুর উপকারীতাঃ-
▪️ গলা ব্যথা ও কাশি উপশম
মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও স্যুথিং প্রভাব গলার জ্বালা কমাতে সাহায্য করে। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, হালকা কাশিতে মধু অনেক সময় কাশির সিরাপের সমতুল্য কাজ করতে পারে।

▪️ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস
মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি-র‍্যাডিক্যালের প্রভাব থেকে কিছুটা রক্ষা করতে সাহায্য করে।

▪️ হালকা শক্তির উৎস
প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে দ্রুত শক্তি দেয়, বিশেষ করে দুর্বলতা বা ক্লান্তিতে।

▪️ ক্ষত নিরাময়ে সহায়ক
কিছু ক্ষেত্রে মেডিক্যাল গ্রেড হানি ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে।

তাহলে সমস্যা কোথায়? সমস্যা মূলত সব বয়সের জন্য এক নিয়ম প্রযোজ্য নয় এখানেই। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের কখনোই মধু খাওয়ানো উচিত নয়। কারণ মধুতে কখনো কখনো Clostridium botulinum নামের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার স্পোর থাকতে পারে। বড়দের শরীরে এটি সাধারণত সমস্যা করে না, কারণ তাদের পরিপাকতন্ত্র পরিণত। কিন্তু ১ বছরের কম বয়সী শিশুর অন্ত্র এখনও পুরোপুরি শক্তিশালী না হওয়ায় এই ব্যাকটেরিয়া ইনফ্যান্ট বটুলিজম নামের মারাত্মক অসুখ সৃষ্টি করতে পারে। সাধারণভাবে ১ বছরের বেশি বয়সী শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য পরিমিত মধু নিরাপদ। তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজনঃ-

✔️ ডায়াবেটিস রোগী
✔️ স্থূলতা বা ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তি
✔️ অ্যালার্জি প্রবণ ব্যক্তি
✔️ দাঁতের সমস্যা আছে এমন ব্যাক্তি

সাধারণ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে ১-২ চা চামচ মধু যথেষ্ট। এর বেশি নিয়মিত খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

03/03/2026

লিভার ফেইলিউরের লক্ষণগুলো জেনে নিন

রমজান মাসে দৈনন্দিন রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। খাওয়ার সময়, ঘুমের সময়, এমনকি শরীরের শক্তির মাত্রাও বদলে যায়। অনেকেই ভাবেন রো...
03/03/2026

রমজান মাসে দৈনন্দিন রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। খাওয়ার সময়, ঘুমের সময়, এমনকি শরীরের শক্তির মাত্রাও বদলে যায়। অনেকেই ভাবেন রোজা রেখে ব্যায়াম করলে দুর্বল হয়ে পড়বেন, আবার কেউ কেউ সম্পূর্ণ ব্যায়াম বন্ধ করে দেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সঠিক সময় ও সঠিক মাত্রায় হালকা ব্যায়াম করলে রোজার সময়ও শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। বরং এতে পেশি শক্তিশালী থাকে, জয়েন্টের জড়তা কমে, রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং ক্লান্তি কম অনুভূত হয়।

রোজায় ব্যায়ামের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ সময়ঃ-

▪️ ইফতারের ৩০-৬০ মিনিট আগে
এ সময় হালকা ব্যায়াম করা নিরাপদ বলে ধরা হয়, কারণ ব্যায়াম শেষ করেই আপনি পানি ও খাবার গ্রহণ করতে পারবেন। ব্যায়ামের পর দ্রুত পানি পান করে ডিহাইড্রেশন পূরণ করা যায়, শরীরের ফ্যাট বার্ন বেশি কার্যকর হয়, ক্লান্তি দীর্ঘ সময় ধরে থাকে না। এসময়ে হালকা স্ট্রেচিং, ধীর গতিতে হাঁটা, যোগব্যায়াম, হালকা মোবিলিটি এক্সারসাইজ করতে পারেন।

▪️ ইফতারের ২-৩ ঘণ্টা পরে
ইফতার ও হালকা খাবার হজম হওয়ার পর শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি ফিরে আসে। এ সময় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করা যায়। এসময়ে শরীরে পানি ও গ্লুকোজের ঘাটতি থাকে না, পেশি ও জয়েন্টে চাপ সহ্য করার ক্ষমতা বেশি থাকে, মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগার ঝুঁকি কম থাকে। ব্রিস্ক ওয়াক
হালকা শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম (bodyweight exercise), ফিজিওথেরাপি বা অস্টিওপ্যাথিক স্ট্রেচ করতে পারেন।

▪️ সেহেরির পরে
সেহেরির পরে শরীরে পানি ও শক্তি থাকে, তাই খুব হালকা ব্যায়াম করা সম্ভব। তবে এরপর দীর্ঘ সময় পানি ছাড়া থাকতে হবে এটা মাথায় রাখতে হবে।
যাদের শারীরিক সক্ষমতা ভালো, যাদের ডিহাইড্রেশন সমস্যা নেই শুধু তাদের জন্য উপযোগী। হালকা স্ট্রেচিং, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, জয়েন্ট মোবিলিটি এক্সারসাইজ উপকারী হতে পারে।

দুপুর বা বিকেলের মাঝামাঝি সময় ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলুন। কারণ শরীরে পানি ও শক্তি সবচেয়ে কম থাকে, ডিহাইড্রেশন হতে পারে, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, পেশিতে টান বা জয়েন্ট ইনজুরির ঝুঁকি বাড়ে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

02/03/2026

মিনারেলের ঘাটতির কিছু সাধারণ লক্ষণ জেনে নিন-

অনেকেই বলেন, আমার বাবা-মায়ের প্রেসার আছে, তাই আমারও হবেই। এই ধারণাটা পুরোপুরি ভুল নয়, আবার পুরো সত্যও নয়। উচ্চ রক্তচাপ (...
02/03/2026

অনেকেই বলেন, আমার বাবা-মায়ের প্রেসার আছে, তাই আমারও হবেই। এই ধারণাটা পুরোপুরি ভুল নয়, আবার পুরো সত্যও নয়। উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেশার) এমন একটি রোগ, যেখানে জেনেটিক বা পারিবারিক প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে ভালো খবর হলো জেনেটিক ঝুঁকি থাকলেও সঠিক জীবনযাপন ও সচেতনতার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। অর্থাৎ, পরিবারে থাকলেই যে নিশ্চিতভাবে আপনার হবে, এমন নয় আপনার দৈনন্দিন অভ্যাস এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

জেনেটিক বা পারিবারিক হাই ব্লাড প্রেশার বলতে বোঝায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে (বিশেষ করে বাবা-মা, ভাই-বোন) উচ্চ রক্তচাপ থাকলে আপনারও সেই রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যদি একজন অভিভাবকের হাই ব্লাড প্রেশার থাকে, তাহলে সন্তানের ঝুঁকি প্রায় ২ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
যদি দুজন অভিভাবকেরই থাকে, তাহলে ঝুঁকি আরও বেশি হয়। জিন শরীরের রক্তনালীর গঠন, কিডনির সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ, এবং হরমোনের ভারসাম্য প্রভাবিত করে যা রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জিন ঝুঁকি তৈরি করে, কিন্তু জীবনযাপন সেই ঝুঁকিকে বাড়ায় বা কমায়।

ফ্যামিলি হিস্ট্রি থাকলে যখন থেকে প্রেসার চেক করবেনঃ-

🔹 ১৮ বছর বয়সের পর থেকে অন্তত বছরে ১ বার রক্তচাপ মাপা উচিত

🔹 যদি পরিবারে শক্ত ইতিহাস থাকে, তাহলে ৬ মাসে ১ বার চেক করা ভালো

🔹 মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড়, ঝাপসা দেখা এমন লক্ষণ থাকলে দ্রুত পরীক্ষা করুন

অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই প্রেসার বেশি থাকে তাই নিয়মিত পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমাদের সমাজে খুব সাধারণ চিত্র হালকা জ্বর, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা, একটু বুক ধড়ফড় করা, বা হালকা ব্যথা এসবকে অনেকেই গুরুত্ব ...
01/03/2026

আমাদের সমাজে খুব সাধারণ চিত্র হালকা জ্বর, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা, একটু বুক ধড়ফড় করা, বা হালকা ব্যথা এসবকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। এটা তো ছোটখাটো সমস্যা, নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে, পরীক্ষা করাতে গেলে অপ্রয়োজনীয় খরচ হবে বা ডাক্তার অযথা টেস্ট দিবেন এসব বলে এড়িয়ে যান। বেশিরভাগ মানুষ তখনই পরীক্ষা করান, যখন রোগ অনেকটাই বেড়ে যায় বা জটিল অবস্থায় পৌঁছে যায়। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাস্তবতা হলো বেশিরভাগ বড় রোগ শুরু হয় খুব ছোট ও সাধারণ লক্ষণ দিয়ে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসা সহজ, কম খরচে সম্ভব এবং জটিলতা এড়ানো যায়। বিপরীতে, দেরিতে ধরা পড়লে চিকিৎসা কঠিন, ব্যয়বহুল এবং অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

যেকারণে অল্প সমস্যায়ও টেস্ট গুরুত্বপূর্ণঃ-

✅ ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, থাইরয়েড সমস্যা, লিভারের রোগ, এমনকি কিছু ক্যান্সারও শুরুতে তেমন কোনো বড় লক্ষণ দেয় না। যেমন ডায়াবেটিস শুরুতে শুধু বেশি পিপাসা, ক্লান্তি বা ঝাপসা দেখা দিয়ে শুরু হয়। কিডনি রোগে দীর্ঘদিন কোনো লক্ষণই নাও থাকতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ তো Silent killer হিসেবে পরিচিত, কারণ বেশিরভাগ সময় কোনো লক্ষণ থাকে না
পরীক্ষা ছাড়া এগুলো ধরা সম্ভব নয়।

✅ রোগ যত আগে ধরা পড়বে, তত সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রাথমিক ডায়াবেটিস খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
শুরুতেই ধরা পড়া লিভার বা কিডনি সমস্যায় স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আগেই চিকিৎসা করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়া ক্যান্সারের চিকিৎসার সফলতার হার অনেক বেশি। দেরিতে ধরা পড়লে জটিল চিকিৎসা বা দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে।

✅ অনেকে পরীক্ষা না করে ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিয়ে খান। এতে আসল রোগ ধরা পড়ে না, ভুল চিকিৎসা হয়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, রোগ জটিল হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথার ওষুধ অযথা খাওয়া কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করতে পারে।

✅ অনেক সময় সাধারণ মনে হওয়া লক্ষণ বড় সমস্যার সংকেত হতে পারে। যেমনবদীর্ঘদিন দুর্বলতা অ্যানিমিয়া, থাইরয়েড সমস্যা, বা ক্রনিক রোগের লক্ষন। বুকের হালকা ব্যথা হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণ। বারবার প্রস্রাব ডায়াবেটিস বা ইউরিন ইনফেকশনের কারনে হতে পারে। অকারণে ওজন কমা হরমোন সমস্যা বা অন্যান্য গুরুতর রোগের প্রাথমিক লক্ষন হতে পারে। শুধু অনুমান করে বসে থাকলে প্রকৃত কারণ জানা যায় না।

দীর্ঘদিন জ্বর বা দুর্বলতা, অকারণে ওজন কমা বা বেড়ে যাওয়া, বুক ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট, বারবার প্রস্রাব বা অতিরিক্ত পিপাসা, শরীর ফুলে যাওয়া, দীর্ঘদিন ব্যথা বা অস্বস্তি, অস্বাভাবিক রক্তপাত, দীর্ঘদিন কাশির মতো উপসর্গগুলোকে কখনোই অবহেলা করবেন না।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। যেমন আগের মতো সহজে হাঁটতে না পারা, হাত-পা শক্ত লাগা, ঘাড়-কোমর নড়া...
28/02/2026

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। যেমন আগের মতো সহজে হাঁটতে না পারা, হাত-পা শক্ত লাগা, ঘাড়-কোমর নড়াতে কষ্ট হওয়া। এর বড় কারণ হলো জয়েন্টের নমনীয়তা কমে যাওয়া, পেশী দুর্বল হওয়া এবং দীর্ঘ সময় বসে থাকা। কিন্তু ভালো খবর হলো নিয়মিত কিছু সহজ মবিলিটি এক্সারসাইজ করলে শরীর আবার অনেকটাই সচল রাখা সম্ভব। এগুলো কঠিন ব্যায়াম নয়; বরং ধীরে-সুস্থে করা যায় এবং অধিকাংশ বয়স্ক মানুষ নিরাপদে করতে পারেন।

মবিলিটি এক্সারসাইজ হলো এমন ব্যায়াম যা জয়েন্টের স্বাভাবিক নড়াচড়া বজায় রাখতে সাহায্য করে। জয়েন্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে শক্তভাব কমে। পেশী ও লিগামেন্ট নমনীয় রাখে,
ব্যথা ও স্টিফেনস কমাতে সাহায্য করে, পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়। দৈনন্দিন কাজ যেমন হাঁটা, বসা, দাঁড়ানো সহজ হয়, দীর্ঘদিন বিছানায় থাকা বা inactivity-জনিত দুর্বলতা কমায়।

কিছু নিরাপদ ও সহজ মবিলিটি এক্সারসাইজঃ-

✅ Neck Mobility (৫-১০ বার)
সোজা হয়ে বসুন বা দাঁড়ান, ধীরে ধীরে মাথা সামনে ঝুঁকান, তারপর সোজা করুন, এরপর ডান-বাম দিকে ঘোরান।

✅ Shoulder Rolls (১০ বার সামনে, ১০ বার পেছনে)
সোজা বসে দুই কাঁধ ধীরে সামনে ঘোরান। তারপর ধীরে পিছনের দিকে ঘোরান।

✅ Arm Raise (৮-১০ বার)
দুই হাত ধীরে মাথার উপরে তুলুন, আবার ধীরে নামান।

✅ Ankle Rotation (প্রতি পায়ে ১০ বার)
চেয়ার বসে একটি পা সামান্য তুলুন, গোড়ালি দিয়ে বৃত্ত আঁকার মতো ঘোরান। অন্য পা দিয়ে একইভাবে করুন।

✅ Knee Extension (প্রতি পায়ে ৮-১০ বার)
চেয়ার বসে একটি পা সোজা করুন, ৩-৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে নামান।

সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন প্রতিদিন ১০ ১৫ মিনিট করলেই উপকার পাওয়া যায়৷ নিয়মিত করলে ৪-৮ সপ্তাহে mobility উন্নতি লক্ষ্য করা যায়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

26/02/2026

মাইগ্রেন প্রতিরোধের উপায়গুলো জেনে রাখুন।

25/02/2026

পায়ের আঙুল বেকে যাওয়া সমস্যার লক্ষণ-

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

OUR TREATMENT PHILOSOPHY

Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge and based on the philosophy and principles of Osteopathic Manual Medicine. Its philosophy embraces the concept that structure influences function. This system of manual diagnostic and treatment techniques includes soft tissue massage, myofascial release, joint mobilization/manipulation, and is used to relieve pain and restore normal musculoskeletal function, thereby enhancing the body’s capacity to heal. Our highly specialized level of treatment is at its best in finding and correcting the source of both acute and chronic conditions, rather than repeatedly treating the symptoms without correcting the underlying musculoskeletal dysfunctions.

Back In Motion clientele will receive the utmost in individualized, tailored treatment programs that immediately address each individual’s personal needs and goals.