12/04/2022
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কি ? ঠিক রাখতে হবে কেন ?
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ইংরেজিতে বলে ইমিউনিটি। সম্প্রতি এ শব্দ গুলোর বহুল পরিচিতি পাচ্ছে। অামরা একটু সংক্ষেপে এর প্রানরাসায়নিক ব্যাখ্যা জানার চেষ্টা করব।
দেহের ভিতর ইমিউনিটি কিভাবে কাজ করে। স্রষ্টা প্রদত্ত এ ক্ষমতা ৫ সেকেন্ড কাজ না করলে যে কারও মৃত্যু হতে পারে।
দেহে এ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুটি পর্যায়ে কাজ করে। প্রথম পর্যায়ে দেহের স্কিন, মুখের লালা, চোখের পানি, নাকের শ্লেষা, কানের খৈল প্রভৃতি দেহ ব্যবস্থা শুরুতেই সব ধরনের জীবানুর অাক্রমন প্রতিহত করে দেহকে রক্ষা করে। দেহকে শত ১০০% জীবানুর অাক্রমন থেকে রক্ষা করা সম্ভব শুধু এ অঙ্গ গুলোর সুস্থ্যতার মাধ্যমে। কোনভাবে জীবানু মুখের মাধ্যমে পাকস্থলীতে পৌঁছালে পাকস্থলীর এসিড সে জীবানুকে ধ্বংশ করে দেয়। এটিই দেহের প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেটিকে ইংরেজিতে বলে ইনেট ইমিউন সিস্টেম। এটিকে ফাষ্ট লাইন ডিফেন্সও বলা হয়।
প্রথম নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যার্থতার কারনে জীবানুগুলো রক্তে প্রবেশ করে। রক্তস্রোতের মাধ্যমে জীবানু য়ার যার গন্তব্যে (বিভিন্ন অঙ্গে) পৌঁছে অাশ্রয় নেয় এবং উপযুক্ত পরিবেশে প্রজনন ঘটায়। যেমন যক্ষার জীবানু ফুসফুসে, বি ভাইরাস লিভারে, পলিও ভাইরাস ও রেবিস ভাইরাস স্নায়ুকোষে, এইডস ভাইরাস ইমিউন সিস্টেমে, করোনা ভাইরাস শ্বাসনালীতে এভাবে।
রক্তে প্রবেশের পর দ্বিতীয় পর্যায়ের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়। দেহ রক্তের হোয়াইট ব্লাড সেল (শ্বেত রক্ত কনিকা) এ কাজে নেতৃত্ব দেয়। হোয়ইট ব্লাড বিভিন্ন রক্তকণিকা র সমন্বয়ে একটি ব্রিগ্রেড। যেমন ব্যাসোফিল, ইসিনোফিল, ম্যাক্রোফ্যাইজ, কিলারসেল, বিসেল, টি সেল প্রভৃতি। এ শ্বেত কনিকার সম্মিলিত কাজের মাধ্যমে যে কোন জীবানু দেহের মধ্যেই ধ্বংশ হয়ে যায়। দেহের বাইরের প্রথম পর্যায়ের ইমিউনিটি ও ভিতরের দ্বিতীয় পর্যায়ের ইমিউনিটি সবই জীবন্ত কোষ দ্বারা তৈরি।
এ দেহ কোষগুলো শুধুমাত্র প্রাকৃতিক পুষ্টির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এটি কোন ধরনের ড্রাগ দ্বারা পরিচালিত হয় না। অপ্রাকৃত খাবার অার ক্যামিক্যাল ড্রাগ মেডিকেশন এর কারনে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নাজুক অবস্থায় অাছে। যার কারনে খুব অল্পতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেঙ্গে পড়েছে। মনে রাখতে হবে দেহের ইমিউনিটি ভেঙ্গে গেলে অার সুস্থ্য জীবন পাওয়া সম্ভব হয় না। সারা জীবন ডাক্তারের চেম্বার হবে অাপনার অারেকটা ঠিকানা।
ইমিউনিটি ঠিক রাখার জন্য অাপনি নিচের সাজেশন অনুসরন করতে পারেন:
১) মোট খাবারের ৮০% খাবেন ফলমুল, সালাদ, কমতাপে রান্না খাবার খাবেন। বেশী তাপে রান্না খাবারে পুষ্টি থাকেনা।
২) খাবারের বাকী ২০% হবে কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট।
৩) ১০/১২ গ্লাস পানি খাবেন।
৪) ভাজা পোড়া তৈলাক্ত খাবার বর্জন করবেন।
৫) ফুড স্লাপিমেন্ট নিতে পারেন
যেমন নোপাল ক্যাকটাস থেকে উৎপাদিত "Fruit & Pads" সেবন করে ইমিউন সিস্টেম একটিভ এর মাধ্যমে কোষীও পর্যায়ে সকল রোগ নির্মূল করে অাপনি পাবেন সুস্থ্য জীবন।
(যোগাযোগ : 01719836484)
Dr. Shebendra karmakar
PhD in Natural Medicine USA