Dice Consulting

Dice Consulting We pave the way for you to walk smoothly.

২০২৬ সালের জুনের মধ্যে বাতিল হচ্ছে ৬ ধরনের দলিলঃভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ, জবাবদিহি ও জালিয়াতিমুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদ...
13/11/2025

২০২৬ সালের জুনের মধ্যে বাতিল হচ্ছে ৬ ধরনের দলিলঃ

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ, জবাবদিহি ও জালিয়াতিমুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে ছয় ধরনের দলিল সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, যেসব দলিলে জালিয়াতি, প্রতারণা বা আইনগত ত্রুটি রয়েছে, সেগুলো আর বৈধ হিসেবে গণ্য হবে না। এরপর জুলাই ২০২৬ থেকে সারাদেশে ‘ডিজিটাল ভূমিজরিপ বিডিএস’ (BDLand System) পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে, যেখানে শুধুমাত্র যাচাইকৃত বৈধ দলিলগুলো অনলাইনে সংরক্ষিত থাকবে।

বাতিল হতে যাচ্ছে যে ৬ ধরনের দলিলঃ-

১. হেবা দলিল:

প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে করা, কিংবা অসুস্থ বা অক্ষম ব্যক্তিকে ব্যবহার করে নেওয়া টিপসসহীহ যুক্ত হেবা দলিলগুলো বাতিল ঘোষণা করা হবে।

২. ওসিয়তনামা দলিল:

আইন অনুযায়ী ওসিয়ত করা যায় সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তি এবং ওয়ারিশের বাহিরে কারও নামে। এই নিয়ম অমান্য করে করা দলিলগুলো বাতিল করা হবে।

৩. রেজিস্ট্রেশনবিহীন দলিল:

রেজিস্ট্রেশন না করেই যেসব দলিলে মালিকানা দাবি করা হয়েছে, সেগুলো বাতিল বলে গণ্য হবে।

৪. জাল দলিল:

প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি দলিল শনাক্ত করে বাতিল করা হবে। এসব দলিলের মাধ্যমে অর্জিত মালিকানাও বাতিল হবে।

৫. ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্জিত দলিল:

রাজনৈতিক প্রভাব বা পেশিশক্তি ব্যবহার করে যারা জমির মালিকানা নিয়েছেন, তাদের দলিলও যাচাই করে বাতিল করা হবে।

৬. অংশের চেয়ে বেশি বিক্রিত দলিল:

যারা পারিবারিক বা যৌথ সম্পত্তিতে নিজেদের অংশের চেয়ে বেশি পরিমাণ জমি বিক্রি করেছে, তাদের দলিলও বাতিল করা হবে। আদালতের মাধ্যমে প্রকৃত ওয়ারিশদের অংশ ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

ভূমি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের দীর্ঘদিনের ভূমি জালিয়াতি, দ্বৈত দলিল ও ওয়ারিশ জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে, যাতে জুলাই থেকে শুরু হয় সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক ভূমি রেকর্ড ও দলিল ব্যবস্থাপনা।

সূত্র : NEWS24, দৈনিক জনকণ্ঠ
০৯/১১/২০২৫

৬ শ্রেণির জমি বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, ধরা পড়লেই শাস্তিঃসম্পূর্ণ ভূমি সেবা এখন চলে এসেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। ফলে এ...
12/11/2025

৬ শ্রেণির জমি বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ, ধরা পড়লেই শাস্তিঃ

সম্পূর্ণ ভূমি সেবা এখন চলে এসেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। ফলে একদিকে যেমন সাধারণ ভূমি মালিকদের জন্য বাড়ছে স্বচ্ছতা ও সহজতা, অন্যদিকে কিছু ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শ্রেণির জমির মালিকদের জন্য জারি হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। ডিজিটাল ভূমি সেবার আওতায় বর্তমানে ৬ শ্রেণির জমি বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত ৬ শ্রেণির জমি:

১. এজমালি (অবিভক্ত) সম্পত্তি:

যেসব জমিতে একাধিক ওয়ারিশের মালিকানা রয়েছে, সেগুলো এককভাবে কেউ বিক্রি করতে পারবেন না। সকল মালিক একমত না হলে বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে বাটোয়ারা (বিভাজন) দলিল থাকলে, নিজ অংশ বিক্রি করা যাবে।

২. জাল রেকর্ডভিত্তিক মালিকানা:

যারা অতীতে জাল রেকর্ডের মাধ্যমে প্রতারণাপূর্ণভাবে জমির মালিকানা অর্জন করেছেন, তারা সেই জমি বিক্রি করতে পারবেন না। সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে যাচাই করে তাৎক্ষণিকভাবে রেজিস্ট্রেশন বাতিল এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৩. জাল নামজারিভিত্তিক মালিকানা:

ভুয়া দলিল বা নামজারি তৈরি করে যারা জমির মালিকানা দাবি করেছেন, তাদের শনাক্ত করে ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে তাদের বিক্রির ক্ষমতা রুদ্ধ করা হবে।

৪. ভুয়া দাখিলাভিত্তিক মালিকানা:

দাখিলা জালিয়াতির মাধ্যমে যারা জমি দখল করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিক্রির চেষ্টায় ধরা পড়লেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৫. জবরদখলের মাধ্যমে দখলকৃত জমি:

জোরপূর্বক জমি দখল করে যাঁরা নিজেকে মালিক দাবি করছেন, তারা আর সেই জমি বিক্রি করতে পারবেন না। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬. খাস জমি:

সরকারি খাস জমি যাদের ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছে, তারা ওই জমি বিক্রি করতে পারবেন না। বিক্রির চেষ্টা করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ই আইনের আওতায় পড়বেন।

বিশেষ সতর্কতা:

জমি ক্রয়ের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে মালিকানা বৈধ কি না। কারণ এখন সব তথ্য এক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত, ফলে জালিয়াতি বা অবৈধ মালিকানা লুকানো প্রায় অসম্ভব। সতর্ক না হলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

সূত্র : দৈনিক জনকণ্ঠ
১০/১১/২০২৫

ভূমি আইনে আসছে বড় পরিবর্তন, টানা ৩ বছর ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা পরিশোধ না করলে জমি হয়ে যাবে সরকারেরঃ-সরকারিভাবে প্রস্তাবি...
11/11/2025

ভূমি আইনে আসছে বড় পরিবর্তন, টানা ৩ বছর ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা পরিশোধ না করলে জমি হয়ে যাবে সরকারেরঃ-

সরকারিভাবে প্রস্তাবিত ‘ভূমি মালিকানা ও ব্যবহার আইন, ২০২৩’-এর খসড়া অনুযায়ী জমির মালিকানা এবং ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
এই খসড়া অনুযায়ী, কোনো জমির ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা টানা তিন বছর ধরে পরিশোধ না করলে, সেই জমি খাস বা বাজেয়াপ্ত করে নিতে পারে সরকার।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, জমির মালিকদের কিউআর কোড বা ইউনিক নম্বর সংবলিত একটি ‘ভূমি মালিকানা সনদ’ (সিএলও) দেওয়া হবে। এই সনদটিই হবে জমির চূড়ান্ত মালিকানার প্রমাণ এবং এটি খাজনা পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে।

সরকারি আদেশ বা আদালতের নির্দেশে জমির মালিকানা হস্তান্তর হলে নতুন সনদ তৈরি করে খাজনা দিতে হবে। এছাড়া, জমির মালিকানা ও স্বত্ব নিয়মিত হালনাগাদ (আপডেট) করা হবে এবং এই হালনাগাদের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি জমির মালিককেই বহন করতে হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের জমি দখল করে, তবে তার জন্যও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে অভিযুক্তের দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জজরিমানা অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।

এছাড়া, সরকার জরুরি উন্নয়নমূলক কাজে কৃষিজমি নিতে পারবে, তবে দুই বা তিন ফসলি জমি নেওয়ার আগে বিশেষ অনুমতি আবশ্যক।
প্রস্তাবিত আইনে জমির শ্রেণিবিন্যাস সরকার অনুমোদন ছাড়া পরিবর্তন করা যাবে না। ব্যক্তিমালিকানার এক বিঘা পর্যন্ত জমি পরিবর্তনের জন্য অনুমতি লাগবে না। অনুমতি ছাড়া পরিবর্তন করলে এক বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।
সরকার ডিজিটাল ম্যাপ ও স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করে জমির শ্রেণি নির্ধারণ করবে এবং অতিরিক্ত ক্ষতি বা অনাবশ্যক ব্যবহার রোধে নিয়ম বানাবে।

সেইসঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি চলাচলের পথ বন্ধ করে, তবে স্থানীয় সরকার বা আলোচনা মাধ্যমে ন্যূনতম পথ নিশ্চিত করতে হবে। রাজি না হলে এক বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
০৯ নভেম্বর ২০২৫ ,

আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ ছাড়া মিলবে না ৩৯ ধরনের সেবা!চলুন দেখে নিই, কোন কোন সেবা পেতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দ...
10/11/2025

আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণ ছাড়া মিলবে না ৩৯ ধরনের সেবা!

চলুন দেখে নিই, কোন কোন সেবা পেতে হলে আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে—

১. ২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ নিতে হলে।
২. কোনো কোম্পানির পরিচালক বা স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হতে হলে।
৩. আমদানি বা রপ্তানির নিবন্ধন সনদ গ্রহণ কিংবা নবায়ন করতে হলে।
৪. সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের সময়।
৫. সাধারণ বিমার তালিকাভুক্ত সার্ভেয়ার লাইসেন্স নবায়নের সময়।
৬. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, বিল্ডিং বা ফ্ল্যাট বিক্রি, লিজ, হস্তান্তর, বায়নানামা বা আমমোক্তারনামা নিবন্ধনের সময়।
৭. চিকিৎসক, দন্ত চিকিৎসক, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট, চার্টার্ড সেক্রেটারি, কর আইনজীবী, একচুয়ারি, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ারদের সদস্যপদ নবায়নের সময়।
৮. মুসলিম, হিন্দু বা স্পেশাল ম্যারেজ রেজিস্ট্রার হিসেবে লাইসেন্স গ্রহণ বা নবায়নের সময়।
৯. ট্রেড বডি বা বাণিজ্যিক সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ বা নবায়নের সময়।
১০. স্ট্যাম্প, কোর্ট ফি বা কার্টিজ পেপার বিক্রেতা এবং দলিল লেখকের লাইসেন্স নবায়নের সময়।
১১. ড্রাগ লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই, বন্ডেড ওয়্যারহাউস, কাস্টমস এজেন্ট, ফ্রেট ফরওয়ার্ডিং, বায়িং হাউসের লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নের সময়।
১২. গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ নিতে বা বহাল রাখতে হলে।
১৩. সিটি করপোরেশন এলাকায় আবাসিক গ্যাস–সংযোগ নিতে হলে।
১৪. সিটি করপোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হলে।
১৫. যেকোনো ভাড়ায় চালিত নৌযান (যেমন লঞ্চ, স্টিমার, ট্রলার, কোস্টার, বার্জ) এর সার্ভে সনদ গ্রহণ বা নবায়নের সময়।
১৬. ইটভাটা চালুর অনুমোদন নিতে বা নবায়নের সময় (পরিবেশ অধিদপ্তর বা ডিসি অফিস)।
১৭. সিটি করপোরেশন, জেলা সদর বা পৌর এলাকার ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তি করাতে হলে।
১৮. কোনো কোম্পানির এজেন্সি বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ নিতে বা নবায়নের সময়।
১৯. আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নিতে বা নবায়নের সময়।
২০. আমদানির জন্য ঋণপত্র (L/C) খোলার সময়।
২১. ১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত খুলতে বা চালু রাখতে হলে।
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে।
২৩. স্থানীয় সরকার বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হলে।
২৪. প্রতিষ্ঠান বা উৎপাদন কার্যক্রমে তত্ত্বাবধায়ক পদে কর্মরত ব্যক্তির বেতন-ভাতা নিতে হলে।
২৫. দশম গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা হলে বেতন-ভাতা গ্রহণে।
২৬. স্বাভাবিক ব্যক্তি ছাড়া অন্য করদাতাদের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা মোবাইল রিচার্জের মাধ্যমে কমিশন, ফি বা অর্থ পেতে হলে।
২৭. কোনো কোম্পানির কাছ থেকে অ্যাডভাইজরি, কনসালটেন্সি, ক্যাটারিং, জনবল বা নিরাপত্তা সেবার বিনিময়ে অর্থ পেতে হলে।
২৮. বিমা কোম্পানির এজেন্ট সার্টিফিকেট নিতে বা নবায়নের সময়।
২৯. মোটরযান (দ্বিচক্র/ত্রিচক্র ব্যতীত) নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়নের সময়।
৩০. এনজিও ব্যুরোতে নিবন্ধিত এনজিও বা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের নামে বিদেশি অনুদানের অর্থ ছাড়ে।
৩১. ই-কমার্স ব্যবসায় লাইসেন্স নবায়নের সময়।
৩২. কোম্পানি আইন বা সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টে নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যপদ নিতে বা নবায়নে।
৩৩. পণ্য বা সেবা সরবরাহের লক্ষ্যে দরপত্র জমা দিতে হলে।
৩৪. আমদানি বা রপ্তানির সময় বিল অব এন্ট্রি দাখিলের সময়।
৩৫. রাজউক, সিডিএ, কেডিএ, আরডিএ, গাজীপুর বা কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অথবা সিটি করপোরেশন/পৌরসভায় ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদনের সময়।
৩৬. সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো ব্যক্তিকে বাড়ি ভাড়া বা লিজ দিতে হলে।
৩৭. নির্ধারিত করদাতার কাছে পণ্য বা সেবা সরবরাহ করতে হলে।
৩৮. হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কমিউনিটি সেন্টার, কনভেনশন হল, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নিতে বা নবায়নের সময়।
৩৯. সিটি করপোরেশন এলাকায় সামাজিক, করপোরেট বা প্রশিক্ষণভিত্তিক কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল ভাড়া নিতে হলে।

মাত্র ৩ মাসেই ফিরে পাবেন বেদখল জমির দখল! জানুন সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়াএকসময় বেদখল জমি পুনরুদ্ধার করতে বছরের পর বছর আদালত...
08/11/2025

মাত্র ৩ মাসেই ফিরে পাবেন বেদখল জমির দখল! জানুন সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া

একসময় বেদখল জমি পুনরুদ্ধার করতে বছরের পর বছর আদালতের দ্বারে ঘুরতে হতো। তবে এখন সেই ঝামেলা আর নেই। নতুন ভূমি আইন ও বিধিমালার আওতায় মাত্র তিন মাসের মধ্যেই বেদখল জমি ফেরত পাওয়া সম্ভব।
আসুন জানি, কীভাবে এই প্রক্রিয়া কার্যকর হয়ঃ-

১: কোথায় এবং কিভাবে মামলা করবেন?

যদি আপনার জমি থেকে কেউ জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে, তাহলে রিকভারি অফ পজিশন বা খাস দখলের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে। আগে যেখানে জজ কোর্টে মামলা করে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেই মামলা সরাসরি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট করা যায় এবং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় মাত্র তিন মাসের মধ্যেই।
"ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩" ও "বিধিমালা ২০২৪" অনেক দ্রুত ও কার্যকরভাবে দখল পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করছে। বিধিমালার ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তি তার আবেদন দাখিল করতে পারবেন এবং তা নিষ্পত্তি করা হবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে।

২: এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন পদ্ধতিঃ-
যে কোনো ব্যক্তি যদি আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া তার জমি থেকে উচ্ছেদ হন, তিনি নির্ধারিত ফর্ম অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারবেন। এই ফর্মটি বিধিমালার পরিশিষ্ট ৫-এ উল্লেখ রয়েছে।

আবেদন ফর্মে দিতে হবে এই তথ্যগুলো-
জমির তফসিল, খতিয়ান, দাগ ও পরিমাণ; সর্বশেষ জরিপ ও নামজারী খতিয়ান; ভূমি হস্তান্তর বা উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানার তথ্য; আদালতের আদেশ থাকলে তার বিবরণ; কতদিন ধরে দখলে ছিলেন ও কিভাবে দখল করেছিলেন; উচ্ছেদের সময় ও পদ্ধতি; জমি যৌথভাবে দখল করা হয়েছিল কিনা; চলমান দেওয়ানী মামলা থাকলে তার অবস্থা; ছবি বা ভিডিওসহ প্রমাণাদি।

৩: প্রয়োজনীয় সংযুক্তিঃ-

আবেদনের সঙ্গে জমি মালিকানার দলিল, জরিপ কাগজ, নামজারী খতিয়ান, হোল্ডিং নম্বর, ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য, নোটিশ ফর্ম, ছবি বা ভিডিও, ফটোকপি ও নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে।

৪: এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে পদক্ষেপ নেবেন?

আবেদন পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিপক্ষকে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হবে। এরপর মাঠপর্যায়ে তদন্তের জন্য আদেশ দেওয়া হবে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করবেন। প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত করে, পক্ষসমূহের শুনানি গ্রহণ করে ও প্রমাণাদি যাচাই করে আদেশ দেবেন।

একতরফা আদেশ এবং দখল হস্তান্তর প্রতিপক্ষ অনুপস্থিত থাকলে একতরফা আদেশ দিয়েও দখল পুনরুদ্ধার করা যাবে। আদেশের ১৫ দিনের মধ্যে দখল হস্তান্তর না হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় তা কার্যকর করতে পারেন।

৫: অবৈধ দখলদারের বাধা হলে কী হবে?

যদি দখল হস্তান্তরে বাধা প্রদান করা হয়, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি আদালতে অভিযোগ পাঠাতে পারেন। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাও করা যেতে পারে।

৬: দেওয়ানী আদালতে মামলা থাকলে কী করবেন?

যদি দেওয়ানী আদালতে মামলা চলমান থাকে, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট সরাসরি আবেদন করা যাবে না। তবে সংশ্লিষ্ট আদালত চাইলে বা আবেদন করলে সেই মামলাটি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে পারেন।

৭: প্রক্রিয়ার সময়সীমাঃ-

ভীষণ দীর্ঘসূত্রিতার ঝুঁকি এড়াতে, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৩-এর ৮ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদন পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যদি কোনো করদাতা ৩০ নভেম্বর বা কর দিবসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে না পারেন, তাহলে অন্তত ছয় ধরনের সুবিধা পাবে না। যেমন:-১....
07/11/2025

যদি কোনো করদাতা ৩০ নভেম্বর বা কর দিবসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে না পারেন, তাহলে অন্তত ছয় ধরনের সুবিধা পাবে না। যেমন:-

১. কর অব্যাহতির সুবিধা পাবে না, অর্থাৎ যেকোনো ধরনের কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয় করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
২. কর মুক্ত আয়ের সুবিধা পাবে না।
৩. হ্রাসকৃত হারে কর প্রদানের সুবিধা পাবে না।
৪. বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা পাবে না।
৫. আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৪ অনুযায়ী অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।
৬. আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬৬ অনুযায়ী নির্ধারিত হারে জরিমানা দিতে হবে।

আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে আরও কিছু সমস্যা হতে পারে:

**নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে পরবর্তীতে ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন না। আয়কর জমা দেওয়ার তথ্য ভিসার জন্য প্রয়োজন হবে।
**সময়মতো রিটার্ন না দিলে এক হাজার টাকা অথবা আগের বছরের ট্যাক্সের ১০% জরিমানা হতে পারে, যেটি বেশি হবে সেটি পেনাল্টি হিসেবে ধরা হবে।
**কয়েক বছর ধরে রিটার্ন দাখিল না করলে প্রতিদিন ৫০ টাকা করে জরিমানা হতে পারে।
**পুরোনো করদাতাদের ক্ষেত্রে গত বছরের করের ৫০% পর্যন্ত বাড়তি দিতে হতে পারে।
**করযোগ্য হলেও কর না দিলে তিন ধরনের জরিমানা হতে পারে: বকেয়া করের ২৫% বাড়তি জরিমানা, প্রতি মাসে ২% সরল সুদ এবং বকেয়া করের সমপরিমাণ জরিমানা।

শূন্য রিটার্ন (জিরো রিটার্ন) জমায় ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড। কি বলছে আইন...১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণির ক...
04/11/2025

শূন্য রিটার্ন (জিরো রিটার্ন) জমায় ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড। কি বলছে আইন...

১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেন। সেখানে সারা বছরের আয়-ব্যয়ের তথ্য দিতে হয়।

করদাতার প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় প্রদর্শন না করে এর কোনো একটি শূন্য অথবা সব কটি তথ্য শূন্য হিসেবে প্রদর্শন করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। করদাতার জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে তাঁর আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়–সম্পর্কিত সঠিক তথ্য প্রদর্শন না করে মিথ্যা বা অসত্য তথ্য প্রদান করলে বর্তমান আয়কর আইনের ৩১২ ও ৩১৩ ধারা অনুসারে করদাতাকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদানের বিধান রয়েছে। এছাড়াও "আয়কর আইন, ২০২৩" এর বিভিন্ন ধারায় আয়কর ফাঁকি ও অসত্য তথ্য প্রদানের জন্য বিভিন্ন শাস্তি ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘জিরো রিটার্ন’ দাখিল–বিষয়ক কতিপয় ভ্রান্ত ধারণাপ্রসূত পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব পোস্টে রিটার্ন ফরমের সব কটি ঘর ‘শূন্য’ হিসেবে পূরণ করে রিটার্ন জমা দেওয়া যায় বলে ভ্রান্ত ধারণা প্রচার করা হচ্ছে। এসব ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে কোনো কোনো করদাতা তাঁদের আয়কর রিটার্নে আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের বিষয়ে অসত্য ঘোষণা প্রদান করে আসছেন, এমন জানা যায়।

আয়কর আইন অনুসারে ‘জিরো রিটার্ন’ নামে কোনো প্রকার রিটার্ন দাখিলের বিধান নেই। আয়কর আইন অনুসারে একজন করদাতাকে তাঁর প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় অবশ্যই সঠিকভাবে আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন করতে হবে।

একজন করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ বা দায়সংক্রান্ত বিষয়ে রিটার্নে সঠিক ঘোষণা প্রদান করা একজন করদাতার নাগরিক ও আইনি দায়িত্ব। করদাতার প্রকৃত আয়ের পরিমাণ আইনানুযায়ী করযোগ্য না হলে তাঁকে কোনো কর পরিশোধ করতে হবে না। তবে কর প্রদেয় না হলেও সঠিক তথ্য-উপাত্ত প্রদর্শন না করে শূন্য আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় দেখিয়ে জিরো রিটার্ন দাখিল করার কোনো সুযোগ আয়কর আইনে নেই।

***সব করদাতা দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আয়কর রিটার্নে প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় প্রদর্শন করে দেশের উন্নয়নে গর্বিত অংশীদার হবেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত প্রতারণামূলক জিরো রিটার্নের ফাঁদে পা না দিয়ে নিজেকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড থেকে সুরক্ষিত রাখবেন।

***বিঃদ্রঃ প্রয়োজনে কোনো আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ নিবেন।

করদাতারা শূন্য রিটার্ন বা জিরো রিটার্ন জমা দিলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ জন্য করদাতার ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়ার বি...
03/11/2025

করদাতারা শূন্য রিটার্ন বা জিরো রিটার্ন জমা দিলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ জন্য করদাতার ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান আছে। জিরো রিটার্ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন আগামীকাল রাত ৮ টায়।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Police Clearance) ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ সম্পূর্ণ করে VFS GLOBAL Bangladesh ( ITALIAN  EMBASSY) তে জমা...
15/05/2025

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Police Clearance) ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ সম্পূর্ণ করে VFS GLOBAL Bangladesh ( ITALIAN EMBASSY) তে জমা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

জন্ম নিবন্ধন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ম্যারিজ সার্টিফিকেট, ফ্যামিলি সার্টিফিকেট, মেডিকেল সার্টিফিকেট সহ সব ধরনের কাগজপত্র নোটারী, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, যে কোনো ভাষায় অনুবাদ, এবং দূতাবাস (Embassy) কর্তৃক লিগালাইজেশন/ রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) নম্বরে।

আমাদের Happy গ্রাহক। নোটারী, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়নপূর্বক ম্যারিজ সার্টিফিকেট ও নিকাহ্ নামা ইতালিয়ান ভাষায়...
13/05/2025

আমাদের Happy গ্রাহক। নোটারী, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়নপূর্বক ম্যারিজ সার্টিফিকেট ও নিকাহ্ নামা ইতালিয়ান ভাষায় অনুবাদ এবং VFS GLOBAL Bangladesh ( ITALIAN EMBASSY) থেকে রেজিষ্ট্রেশন (Registration) এর কাজ সম্পূর্ণ করলাম।

জন্ম নিবন্ধন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ম্যারিজ সার্টিফিকেট, ফ্যামিলি সার্টিফিকেট, মেডিকেল সার্টিফিকেট সহ সব ধরনের কাগজপত্র নোটারী, আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, যে কোনো ভাষায় অনুবাদ, এবং দূতাবাস (Embassy) কর্তৃক লিগালাইজেশন/ রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) নম্বরে।

চেক ডিজঅনার বা চেকের মামলা সম্পর্কে জানুনঃ (পর্ব-৪)চেকের মামলা খারিজ হলে দেওয়ানী আদালতে মানি স্যুট দায়েরঃচেকটি ডিজঅনার ...
17/05/2024

চেক ডিজঅনার বা চেকের মামলা সম্পর্কে জানুনঃ (পর্ব-৪)

চেকের মামলা খারিজ হলে দেওয়ানী আদালতে মানি স্যুট দায়েরঃ

চেকটি ডিজঅনার হওয়ার পর মেয়াদ চলে গেলে কিংবা ডিজঅনার ব্যতীতও মেয়াদ চলে গেলে লেনদেনের আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র সহ আরজি দাখিলের মাধ্যমে দেওয়ানী আদালতে টাকা আদায়ের মামলা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে পাওনাদার পাওনা টাকার উপর ২.৫% হারে এডভেলোরেম তৎসহ ১৫% ভ্যাট কোর্ট ফি প্রদান করে মামলা করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোর্ট ফি সর্বদা অফেরতযোগ্য বটে।

Address

3rd Floor, New Vision, Kakrail, Dhaka. , Or, KA-131/2/E, Ekushe Sarak, Uttar Para, Khilket, Dhaka
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801705317315

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dice Consulting posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram