Purna Homeo Hall

Purna Homeo Hall Medical Business Center

29/09/2023
21/08/2023

গর্ভবতী মায়েরা সাবধানে থাকুন... অবশ্যই মশারী ব্যবহার করার অভ্যাস করুন... বাড়ীর আশপাশ পরিবারের স্বার্থে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন... পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত...

 #হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা :DR. RECKEWEG R95.সাধারণ টনিক, ভাইটাল অঙ্গসমূহে শক্তি যোগায়।  (With Ginseng)(General Tonic–Energ...
15/04/2022

#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা :
DR. RECKEWEG R95.
সাধারণ টনিক, ভাইটাল অঙ্গসমূহে শক্তি যোগায়।
(With Ginseng)
(General Tonic–Energizes vital function)

কার্যকারিতা :
বিশেষ করে শল্য চিকিৎসা ও গর্ভাবস্থা জনিত কারণে দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতা, ক্ষুধা মন্দা ওজন হ্রাস এবং বেড়ে ওঠা বাচ্চাদের জন্য কার্যকর। দুর্বলতা প্রভৃতি অসুস্থতায় একটি সাধারণ টনিক হিসাবে কাজ করে।

সেবনবিধি :
প্রাপ্ত বয়স্কদের ২ টেবিল চামচ প্রত্যেহ ৩বার এবং বাচ্চাদের অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ১ চা চামচ প্রত্যেহ ৩ বার আহারের পূর্বে ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি লক্ষণ ভিত্তিক সদৃশ্য বিধান। যেকোন ঔষধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে রোগীর শারিরীক, মানসিক যাবতীয় লক্ষণের সহিত ঔষধের লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। হোমিওপ্যাথিক যেকোন ঔষধই ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাতিত সেবন করা উচিত নয়।

যেকোন প্রয়োজনে দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সরাসরি ক্লিনিক/মোবাইল কল/ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন।

পূর্ণ হোমিও হল
(অরিজিনাল জার্মানী ঔষধ ও উন্নত চিকিৎসার জন্য একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান)
ডাঃদ্বীপক কর
ডি.এইচ.এম.এস (ঢাকা)
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড

Like and share if you like the post.

➡️ চুল পড়া,চুল ঝরা,ফেটে যাওয়া,বাদামী বা লালচে রং হয়ে যাওয়া সহ নতুন চুল গজানোর শতভাগ কার্যকরী একমাত্র হোমিওপ্যাথি ফর্মুলা...
07/04/2022

➡️ চুল পড়া,চুল ঝরা,ফেটে যাওয়া,বাদামী বা লালচে রং হয়ে যাওয়া সহ নতুন চুল গজানোর শতভাগ কার্যকরী একমাত্র হোমিওপ্যাথি ফর্মুলা।

➡️ ১ ড্রাম বাম ৫ মিলি করে আর্নিকা, জাবারেন্ডি ও আমলকী মাদার টিংচারের সাথে ১ আউন্স বা ৩০ মিলি খাঁটি নারিকেল তেল অথবা জয়তুনের তেল।সাথে মুখ খাবার জন্য আর্নিকা ৩০ দিনে তিনবেলা এবং লাইকোপডিয়াম ২০০ সপ্তাহে এক বার।ইনশাআল্লাহ ১৫ দিনেই দারুন ফলাফল।ঘরে বসে নিজেই তৈরি করুন।তবে,অবশ্যই ঔষধ গুলো বিদেশি হতে হবে।তাহলে, ফলাফল পাবেন খুব দ্রুত এবং আশা অনুযায়ী।
যাদের ওষুধ গুলো লাগবে যোগাযোগ করুন
what'sapp imo number :-01748967216
পূর্ণ হোমিও হল
ডাঃ দ্বীপক কর

 #হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা : #কার্ডিওভাসকুলার_সিস্টেম : #উচ্চ_রক্তচাপ : (Hypertension or High Blood Pressure)যখন রক্তের চাপ ...
06/04/2022

#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা :
#কার্ডিওভাসকুলার_সিস্টেম :
#উচ্চ_রক্তচাপ : (Hypertension or High Blood Pressure)
যখন রক্তের চাপ ১৫০/৯০ মি.মি. of Hg. বেশি হয় তখন আমরা উচ্চ রক্তচাপ হয়েছে বলি। এক্ষেত্রে ১৫০ মি.মি. of Hg. হল সিস্টোলিক চাপ (Systolic pressure) এবং ৯০ মি.মি. of Hg. হলে ডায়াস্টোলিক প্রেসার (diastolic pressure)।

উচ্চ রক্তচাপের কারণ :
৮০% – ৯০% ভাগ ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের কারণ নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। তবে—
(১) ঘি, মাখন, দুধের সর, চর্বিযুক্ত মাংস ও ডিম ইত্যাদি অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে শরীরের কোলেস্টারল (Cholesterol) ও লিপিড বৃদ্ধি পেলে এবং তা শরীরের রক্ত-বাহী নালীতে জমে গিয়ে Athero-Sclerosis হয়ে এবং বিভিন্ন কারণে Arterio-sclerosis হয়ে রক্ত চলাচলে বাধার (Resistance) সৃষ্টি করে ও রক্তের চাপ বৃদ্ধি করে।

(২) যারা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা (Anxiety) করে বা সামান্য কারনেই টেনশন (tension) করে তাদের উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

(৩) পরিবারে (Family history-তে) যাদের উচ্চ-রক্তচাপ হওয়ার প্রবণতা আছে সেক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(৪) যারা অতিরিক্ত নুন (Salt) খায় অনেক সময় তাদের উচ্চ-রক্তচাপ হতে পারে।

(৫) অনেকসময় কিডনির অসুখ থেকে ভ্যাসো-ডিপ্রেসর (Vaso depressor System) সিস্টেম খারাপ হলে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়।

(৬) এডরেনাল করটেক্স এর অসুখ থেকে কুসিং (Cushing Syn drome) সিনড্রম হলে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়।

(৭) শরীরের ওজন বৃদ্ধি ও খুব মোটা (fatty) হলে ও রক্তের শর্করা বৃদ্ধি পেলে বা ডায়াবেটিস্ হলে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যান্য অনেক কারণ থেকে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

রক্তের চাপ বৃদ্ধি পেলে নিম্নোক্ত যে কোন লক্ষণ (Symptoms) দেখা দিতে পারে—
(১) মাথা ঘোরা (Vertigo),
(২) মাথার যন্ত্রণা (Headache),
(৩) মাথা ঝিম্ ঝিম্ করা (Dizziness),
(৪) বুক ধড়ফড় করা (palpilation),
(৫) মাথার পেছনে ও ঘাড়ে যন্ত্রণা (Pain in neck), (৬) ঘুম ঠিকমত না হওয়া (Insomnia),
(৭) একটুতেই রেগে যাওয়া (Irritability),
(৮) সহজেই অবসাদ লাগা (Easily fatigue),
(৯) অনেকসময় অল্প পরিশ্রমে শ্বাস কষ্ট (Breathlessness) হয়,
(১০) সহজেই ভুলে যাওয়া, (Lack of memory) (১১) ঠিকমত মন-সংযোগ করতে পারে না (Lack of concentration) ইত্যাদি।

অনেকসময় পরবর্তীকালে উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের নানারকম শারীরিক উপসর্গ (complication) দেখা দেয় যেমন—
(১) সেরিব্রাল আর্টেরিও স্কেলেরোসিস (Cerebral Arterio Sclerosis) থেকে—
(ক) সেরিব্রাল হেমারেজ (Cerebral Haemorrhage),
(খ) সেরিব্রাল থ্রমবোসিস (Cerebral Thrombosis),
(গ) হাইপারটেনসিভ এনসেফালোপ্যাথি (Hypertensive Encephalo pathy) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(২) করোনারী আর্টেরিও স্কেলেরোসিস (Coronary Arterio sclerosis) থেকে—
(ক) অ্যানজাইনা পেকটোরিস (Angina Pectoris )
(খ) করোনারী থ্রমবোসিস (Coronary Thrombosis)
(গ) অ্যাকিউট লেফ্‌ট ভেন্টিকিউলার ফেলিওর (Acute left ventricular failure) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(৩) রেনাল আর্টেরিও স্কেলেরোসিস (Renal Arterio-sclerosis) থেকে—
(ক) ইউরেমিয়া (Uraemia),
(খ) হেমাচুরিয়া (Haematuria) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(৪) রেটিনাল আর্টেরিওস্কেলেরোসিস (Retinal Arterio-sclerosis) থেকে—
(ক) চোখে ঝাপসা দেখা (Dimness of Vision)
(খ) চোখে রক্তক্ষরণ (Haemorrhage)
(গ) পেপিলিডিমা (Papilloedema) হতে পারে।

(৫) হাতে বা পায়ের রক্তবাহী নালীতে আর্টেরিও স্কেলেরোসিস থেকে—
(ক) হাতে বা পায়ে কামড়ানো যন্ত্রণা (Ischaemic pain)
(খ) গ্যানগ্রিন (Gangrene) হয়ে হাতে বা পায়ে ঘা (Ulcer) হতে পারে। রক্তের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা জানবেন কিভাবে রক্তের চাপ মাপার যন্ত্রের (Sphigmomanometer) সাহায্যে রক্তের চাপ মাপলে বোঝা যাবে যে রক্তের চাপ কত আছে এবং বৃদ্ধি পেলে সঠিক চিকিৎসা করাতে হবে।

ম্যালিগন্যান্ট হাইপারটেনশন (Malignant hypertension) বলা হয় যখন রক্তের চাপ ২৫০/১২০ mm of Hg.-এর উপর হয়।

উচ্চ রক্তচাপ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় :
চিকিৎসা :
নিম্নোক্ত ওষুধ খাওয়ার সাথে সাথে রক্তের চাপ ৭-১৫ দিন অন্তর পরীক্ষা করাতে হবে এবং দেখতে হবে রক্ত-চাপ কমছে কিনা। একটি ওষুধ খেয়ে না কমলে, পরে অন্য একটি ওষুধ খেতে হবে। উচ্চ-রক্তচাপ থাকলে খাবার খাওয়ার সাথে কাঁচা নুন খাওয়া নিষেধ। শরীরে অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে। অতিরিক্ত ঘি, মাখন, দুধের সর, ডিম, মাংস খাওয়া পরিহার করতে হবে।

(১) রক্তের চাপ খুব বেশি হওয়ার দরুন খুব মাথার যন্ত্রণা ও মাথা ঘোরায়, অনেক সময় হার্টে চিন্ চিন্ করে ব্যথা হয় ও শ্বাস কষ্ট হয়। সাধারণত আর্টেরিও স্কেলেরোসিস (Arterio-Sclerosis) হয়ে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Natrum Iodatum)

(২) উচ্চ রক্তচাপের দরুণ খুব মাথার যন্ত্রণা হয়, মাথা ঘোরে ও মাথায় খুব ভারীভাব লাগে। মাথা ঝিম্‌ঝিম্ করে এবং কানে (buzzing) আওয়াজ হয়। আর্টেরিও স্কেলেরোসিস হয়ে রক্তের চাপ বৃদ্ধি পায়।এক্ষেত্রে ঔষধ (Baryta Mur)

(৩) আর্টেরিও স্কেলেরোসিস হয়ে রক্তচাপ খুব বৃদ্ধি পায়, মাথা ঘোরায় ও কানের মধ্যে গর্জন করার মত আওয়াজ বা শব্দ হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Adrenaline)

(৪) ক্রনিক নেফ্রাইটিস (কিডনির অসুখ) থেকে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। শরীরে রক্তাল্পতা দেখা দেয় এবং শরীর প্রচণ্ড দুর্বল লাগে। ক্রমশ শরীর রোগা হয়ে যায়। হাতে বা পায়ে মাঝে মাঝে খাল ধরে বা যন্ত্রণা (Cramp like pain) হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Plumbum Met)

(৫) সাধারণত পুরাতন হার্টের অসুখ থেকে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। শরীর খুব দুর্বল, মানসিক দিক থেকে খুব দুশ্চিন্তা হয় ও শারীরিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Arsenicum Iodatum)

(৬) খুব ভয় থেকে বা টেনশন থেকে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে। এক্ষেত্রে ঔষধ (Aconite Nap)

(৭) রক্তের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার দরুণ হৃৎপিণ্ডে ও মাথায় খুব চাপ বোধ হয় ও খুব বুক ধড়ফড় (palpitation) করে। হার্টে মাঝে মাঝে ব্যথা হয় এবং হার্ট খুব বড় (hypertrophy of heart) হয়। অসুখ থেকে আত্মহত্যা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। উচ্চ রক্তচাপ থেকে হার্টের ফ্যাটি ডিজেনারেশন হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Aurum Met)

(৮) পুরাতন আর্টেরিও স্কেলেরোসিস থেকে উচ্চ রক্তচাপ হয়ে হার্টের ফ্যাটি ডিজেনারেশন (Fatty degeneration) হয় এবং লেফটভেন্টিকুলার ফেলিওর (Left ventricular failure) হয়ে পা ও শরীর ফোলে। এক্ষেত্রে ঔষধ (Strophanthus)

(৯) উচ্চ রক্তচাপের দরুন বুকে চিন্‌চি করে ব্যাথা হয় ও বুকে চাপ বোধ হয়। আর্টেরিও স্কেলেরিওসিস হয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Crataegues)

(১০) উচ্চ রক্তচাপের দরুন ঘুম হয় না বা ঘুম না হওয়ার দরুন রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় – এক্ষেত্রে ঔষধ (Passiflora)

(১১) উচ্চ রক্তচাপের দরুন মাথায় খুব দপ্‌দপ্ (Throbbing) করে যন্ত্রণা হয়। রোদের তাপ বা উনানের তাপ বা গরম সহ্য করতে পারে না। ঠাণ্ডা হাওয়ায় বা ঠাণ্ডা ঘরে আরামবোধ হয়। এক্ষেত্রে ঔষধ (Glonoine)

(১২) উচ্চ রক্তচাপ অল্প থাকলে ঔষধ (Rauwolfia) বা ঔষধ (Amyl Nitrite) বা ঔষধ (Lycopus V) ও শক্তি ৫-১০ ফোঁটা বা বেশি, দিনে ২-৩ বার করে ১-২ সপ্তাহ বা বেশী দিন খেলে পেলিয়েটিভ (Palliative) বা উপশমের কাজ করে।

উপরোক্ত ঔষধ সেবন করে উচ্চ-রক্তচাপ না কমলে কনস্টিটিউশনাল (Constitutional) চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি লক্ষণ ভিত্তিক সদৃশ্য বিধান। যেকোন ঔষধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে রোগীর শারিরীক, মানসিক যাবতীয় লক্ষণের সহিত ঔষধের লক্ষণ মিলিয়ে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। হোমিওপ্যাথিক যেকোন ঔষধই ডাক্তারের পরামর্শ ব্যাতিত সেবন করা উচিত নয়।

যেকোন প্রয়োজনে দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সরাসরি ক্লিনিক/মোবাইল কল/ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন।

পুর্ন হোমিও হল

অ্যাব্রোটেনাম:পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রোগ বা রোগের রূপান্তর। কোনো একটি রোগ আরগ্য হয়ে অন্য কোনো রোগ প্রকাশ পায় এবং পরবর্তী রো...
05/04/2022

অ্যাব্রোটেনাম:

পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রোগ বা রোগের রূপান্তর। কোনো একটি রোগ আরগ্য হয়ে অন্য কোনো রোগ প্রকাশ পায় এবং পরবর্তী রোগ আরগ্য হওয়ার পূর্বে যদি আবার পূর্ববর্তী রোগরি প্রকাশ পায় তবে অ্যাব্রোটেনাম উপকারে আসে।
যেমন বাত ভলো হওয়ার পর উদরাময় বা অর্শ ভালো হওয়ার পরআতআমাশয় বা কর্ণপ্রদাহ ভালো হয়ে অন্ডকোষ প্রদাহ।

উদরাময়ে সকল যন্ত্রণা উপশম এবং কোষ্ঠবদ্ধ অবস্থায় সকল যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়।
পর্যায়ক্রমে উদরাময় ও কোষ্ঠবদ্ধতা।
ইহা ক্ষয় দোষের একটি বড় ঔষধ।
প্রবল ক্ষুধা সত্বেও রোগীর দেহ শুকিয়ে যায়। কঙ্কালসার হয়ে পড়ে। শীর্ণদেহ,মাথা সোজা রাখতে পারে না,চামড়া শীতল।
প্রচন্ড দুর্বলতা সহ শিশুদের ক্ষয় জাতীয় জ্বর। শিশু উঠে দাড়াতে পারে না।

বাত নিম্নাঙ্গ ছেড়ে হৃদপিণ্ড আক্রমণ করে।
সদ্যজাত শিশুর নাভী থেকে রক্তস্রাব। হাইড্রোসিল।
গেঁটে বাত, গ্রন্হি ফুলে ওঠে,কোনরূপ নড়াচড়া করতে পারে না।

রাতে বৃদ্ধি নড়াচড়ায় উপশম।
পেটে ব্যথা, বমি।

ডা. দিপক কর।

টিউমার কি চলুন জেনে নেই-দেহ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই টিউমার বলা হয়। বিস্তারিতভাবে যদি বলি তাহলে বলা যায়, শরীরের যেকোন ...
04/04/2022

টিউমার কি চলুন জেনে নেই-
দেহ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই টিউমার বলা হয়। বিস্তারিতভাবে যদি বলি তাহলে বলা যায়, শরীরের যেকোন স্থানের (মাথা, হাত, বুক, পিঠ ইত্যাদি) কোষসমুহ যদি ধীরে ধীরে বা দ্রুততার সাথে অস্বাভাবিক (সাধারণত গোল আকৃতির) ও অসামঞ্জস্যভাবে বেড়ে ওঠে তাকে টিউমার বলা হয়।
টিউমারের প্রকারভেদঃ
টিউমারকে আমরা সাধারণত তিনভাগে ভাগ করতে পারি। যথাঃ (১) হিস্টোমা বা কানেকটিভ টিস্যু টিউমার, (২) সাইটোমা এবং (৩) টেরাটোমা বা মিক্সড সেল টিউমার।
হিস্টোমা টিউমারের প্রকারভেদঃ
হিস্টোমা টিউমার আবার দু’প্রকার। যথাঃ (১) বিনাইন ও (২) মালিগন্যান্ট
বিনাইন টিউমারঃ
এই টিউমারগুলো সাধারণত তুলতুলে ও নরম আকৃতির হয়। খুব একটা শক্ত হয় না। এর বৃদ্ধি ঘটে খুব আস্তে-ধীরে। উপরে কোনো বিশেষ আবরণ থাকে না। এই টিউমারের উপরের চামড়া বা চর্ম আলাদা বা পৃথক মনে হয়। টিউমারের পার্শ্বে অবস্থিত গ্রন্থিসমুহ আক্রান্ত হয় না। এই টিউমারে আঘাত করলে বা কিংবা চাপ প্রয়োগ করলে কোনো যন্ত্রণা অনুভূত হয় না।
ম্যালিগন্যান্ট টিউমারঃ
এই টিউমার নিরেট আকৃতির বা শক্ত হয়। খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে। এই টিউমারের আবরণ থাকে। এটার উপরের চর্ম আলাদা মনে হয় না। এই টিউমার সংলগ্ন গ্রন্থিসমুহ আক্রান্ত হয়। টিউমারটিতে চাপ দিলে যন্ত্রণা অনুভূত হয়। এই টিউমারে আঘাত করলে কিংবা অপারেশন করা হলে ক্ষতি হয়। অপারেশন করলে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্রায়ই ক্যান্সার হতে দেখা যায়।
শরীরের একেক স্থানের টিউমার যে নামে পরিচিতঃ
১। নাক, জরায়ু প্রভৃতি শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির টিউমারের নাম প্যাপিলোমা।
২। জরায়ু ও পাকস্থলী প্রভৃতি স্থানের মাংস পেশির টিউমারের নাম মাইওমা।
৩। চর্মের উপরে যে টিউমার হয় তার নাম এপিথেলিওমা।
৪। পিঠ, কাঁধ প্রভৃতি স্থানে ফ্যাটি টিস্যু টিউমারের নাম লিপোমা।
৫। হাড়ের কার্টিলেজ এর টিউমারের নাম কনড্রমা।
৬। মাথার খুলি, মুখ-মণ্ডল ও নাসিকা গহ্বর প্রভৃতি স্থানে হাড়ের অস্থি টিউমারের নাম অস্টিওমা।
৭। মস্তিষ্ক কোষের টিউমারের নাম গ্লাইওমা।
৮। মস্তিষ্ক, লিভার প্রভৃতি স্থানের লসিকা নালীর টিউমারের নাম লিমফ্যানজিওমা। সাধারণত কম বয়সে সার্কোমা টিউমার দেখা দেয়। সাধারণত ৪০ বছর বয়সের পরে কার্সিনোমা টিউমার দেখা দেয়।
টিউমারের চিকিৎসা :- অপারেশন ছাড়া হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় টিউমার সম্পূর্নরুপে আরোগ্যলাভ সম্ভব। তাই আপনাকে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করতে পারেন। (সংগ্রহীত)

🦋°আঁচিলের_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা==============================✒️আঁচিল আকারে ছোট, এক ধরণের বিনাইন টিউমার ( যে সব টিউমার ক্য...
04/04/2022

🦋°আঁচিলের_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা
==============================✒️আঁচিল আকারে ছোট, এক ধরণের বিনাইন টিউমার ( যে সব টিউমার ক্যানসার সৃষ্টি করে না তাদের বিনাইন টিউমার বলা হয়। অর্থাৎ, এই টিউমার গুলো আশেপাশের টিস্যুকে আক্রমণ করে না বা ছড়ায় না )। আঁচিলকে ননক্যানসারাস (noncancerous) বলা হয়। আঁচিল মূলত একটি বৃন্ত (Stalk) এর সাহায্যে চামড়ায় লেগে থাকে, যাকে Peduncle বলা হয়।
♦আঁচিল কেন হয়?
ঠিক কি কারণে আঁচিল হয় তা এখনও জানা যায় নি। তবে কিছু উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হচ্ছেঃ
আপনারা একটু খেয়াল করলেই দেখবেন, শরীরের ভাঁজে ভাঁজে অর্থাৎ যেখানে ত্বকে-ত্বকে অথবা কাপড়ের মাধ্যমে চামড়ায় ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়, সে সব স্থানেই আঁচিল জন্মাতে দেখা যায়।
যে সব মানুষের ওজন তুলনামূলক ভাবে বেশি এবং যারা স্থুলকায় তাদের আঁচিল হওয়ার হারও অনেক বেশি, কারণ তাদের শরীরের ভাঁজের সংখ্যাও বেশি।
অতিরিক্ত ওজন টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুকি বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা যায়, যাদের এধরনের ডায়াবেটিস আছে তাদের আঁচিল অন্যদের চেয়ে বেশি হয়। যেহেতু, টাইপ-২ ডায়াবেটিস হলে রক্তে সুগার লেভেল বেশি থাকে, সেহেতু আমরা সহজে বলতে পারি আঁচিল এর সাথে ইনসুলিন নামক হরমোনের সম্পর্ক আছে (ইনসুলিন হরমোন রক্তে সুগার এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে) ।
ইনসুলিন মাংসের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং এটা ত্বকের কোষের প্রতিরুপ সৃষ্টিতেও ভুমিকা রাখে। এভাবে পরবর্তীতে আঁচিল বিকাশেও ভুমিকা রাখে। একারণে আঁচিল হওয়াকে ডায়াবেটিসের পূর্ব সতর্ক সংকেত হিসেবে ধরা হয়। সবার হবে তা কিন্তু নয়, তবে ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করে সচেতন থাকা উচিত।
গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে (second trimester) আঁচিল হতে দেখা যায়। ( গর্ভকালীন সময়ের ১৩-২৭ সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কে second trimester বলা হায়। অর্থাৎ, ৪,৫,৬ নাম্বার মাস)
যাদের Crohn’s disease থাকে তাদের আঁচিল হওয়া মোটামুটি সাধারণ {এটা একধরণের chronic condition যেটা পরিপাক নালিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে অতিসার(diarrhea) , পেট ব্যথা(abdominal pain), খিঁচুনি( cramping) , কোষ্ঠকাঠিন্য( constipation), মলদ্বারে রক্তক্ষরণ (re**al bleeding) হয়ে থাকে }। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাদের Crohn’s disease আছে, তাদের আঁচিল সাধারণত পায়ু পথের মুখে হয়ে থাকে।
আঁচিল এর সাথে জিনগত একটা সম্পর্ক আছে, অর্থাৎ, একই পরিবারের অন্যান্য সদস্যেরও হতে পারে।
♦হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:~~ সিম্পটম ভিত্তিক কয়েকটি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ :-
# কব্জির আঁচিলের একমাত্র ঔষুধ ফেরাম-ম্যাগনেটিকাম। (কেন্ট)
# অবাধ্য আঁচিলে- ব্যাসিলিনাম।
# শস্য দানার মত আচিল- আর্জেন্ট নাইট
# ধার ধার সমতল আচিল- কস্টিকাম
# আচিলে ক্ষত বা ঘা থাকলে- কস্টিকাম
# আচিল থেকে রক্ত বাহির হলে- কস্টিকাম
# আচিলে চুলকানী থাকলে- কেলি কার্ব
# বড় আচিল (নরম) - ডালকামারা
# আচিল রক্তের মত লাল - নেট্রাম সালফ
✒️হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবনের নিয়ম: সাধারণত ১-২ ফোটা সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে ৩ বেলা খাবার আগে সেব্য অথবা গ্লোবিউলস বা পিলে সিক্ত করে ৪ টি করে পিল ৩ বেলা খাবার আগে চুষে খেতে পরেন।
(সংগৃহীত)

04/04/2022

ডিমেনশিয়ায় (ভুলে যাওয়া রোগে) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।।।
ডিমেনশিয়া এক ধরনের নিউরজিক্যাল রোগ যা মস্তিস্কের কর্মক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশসহ বিশ্ব জুড়েই ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ রোগের ভয়াবহতা দিনে দিনে বাড়ছে। ডিমেনশিয়া মস্তিষ্কের এক ধরনের রোগ যার ফলে কিছু মনে রাখতে পারেন না রোগী। এমনকি এ রোগটির কারণে একটু আগেই করা কাজ ভুলে যায় অনেকে।
যেসব উপসর্গ আছে, তার মধ্যে রয়েছে আচরণের পরিবর্তন, ঘরে কোথাও কোন কিছু রাখলে তা সে ভুলে যায়, পুরো ঘর খুঁজতে থাকে এবং অন্য কেউ নিয়ে ফেলছে এই ধরনের সন্দেহ করে। পরিচিত মানুষের নাম ভুলে বলে যায় কিন্তু লোকটিকে সে চিনতে পারে, পরিচিত জায়গাতেও হারিয়ে যাওয়া, অথবা কারো সঙ্গে আলাপ করার সময় সঠিক শব্দটি খুঁজে না পাওয়া। এটা এমন এক পর্যায়ে গিয়েও পৌঁছাতে পারে যে তিনি খেয়েছেন কিনা সেটাও তিনি মনে করতে পারেন না। ঘরে তালা লাগিয়ে কোথাও গেলে আবার এসে চেক করে ঘরে তালা লাগিয়েছে কিনা, কারো কাছে চিঠি অথবা দরখাস্ত লিখলে পুনরায় খুলে পড়ে দেখে ঠিকমতো লিখছে কিনা।- এসব তারা সহজেই ভুলে যান।
এমনকি তারা কথাও গুছিয়ে বলতে পারেন না। অগোছালো কথা বলে। কথা বলার সময় কোন শব্দের পরে কোন শব্দ ব্যবহার করবে কিংবা একটা বাক্যের পর, পরের বাক্যে কী বলবেন, সেসব তারা মেলাতে পারেন না।
ডিমেনশিয়া হওয়ার কারণ : কিছু পরীক্ষায় মস্তিষ্কের বয়সজনিত ক্ষয়, কার্যক্ষমতার হ্রাস ধরা পড়তে পারে। তবে ডিমেনশিয়ার অন্যান্য কারণও খুঁজতে হবে। ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ, হাইপারটেনশন ইত্যাদি এক বা একাধিক রোগ এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। কিছু ওষুধ রোগীর স্মৃতিশক্তি অল্প কিছুদিন ধরে রাখতে সাহায্য করে বটে, তবে সময়ের সঙ্গে কার্যকারিতা হ্রাস পায়। তবে বার্ধক্য জনিত কারণ ছাড়া আর যেসব কারণ মূলত দায়ী তা হচ্ছে গনোরিয়া চাপা পড়লে সাইকোসিস এবং সিফিলিস মাইজম এর প্রভাবে এই ডিমেনশিয়া রোগটি হতে পারে।
ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ এ করণীয়ঃ
নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক ব্যয়াম, খাবার গ্রহনে সচেতন হলে এবং জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনলে ডিমেনশিয়াকে কিছুটা হলেও প্রতিরোধ করা যায়। এক্ষেত্রে কিছু বিষয় মনে রাখা দরকারঃ
# সবার সাথে মিশতে হবে, অন্যদের খোঁজখবর রাখা এবং নানান রকম সামাজিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
# বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আরও বেশি সময় কাটাতে হবে।
# নানা রকম বৈচিত্র্যময় কাজে মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখা যেতে পারে। যেমন- অবসরে পত্রিকা, ম্যাগাজিন বা বই পড়া, আবার বুদ্ধির খেলা যেমন- শব্দভেদ (ক্রসওয়ার্ড পাজল) মেলানো, দাবা খেলা, ধাঁধার সমাধান ইত্যাদি অথবা যেকোনো সৃজনশীল কাজের চর্চায় স্মৃতিশক্তি বাড়বে।
# বেশি করে তাজা শাকসবজি, ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া কমাতে হবে। মাছের তেল মস্তিস্কের জন্য বেশ উপকারী।
# প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম ও পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
# ধূমপান, মদ্যপান কিংবা যেকোনো তামাকজাত দ্রব্য বর্জন করতে হবে।
হোমিও চিকিৎসাঃ এ রোগের সঠিক এবং সুন্দর বিজ্ঞান সম্মত চিকিৎসা হচ্ছে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ছাড়া এই রোগের চিকিৎসা করা খুবই কঠিন। কারণ একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে মানসিক লক্ষণ এর উপরে খুব জোর দেওয়া হয়। যা অন্য কোন চিকিৎসা পদ্ধতিতে তুলনামূলকভাবে অনেক কম। আর ডিমেনশিয়া হচ্ছে মানসিক রোগের অন্তর্ভুক্ত। হোমিওপ্যাথি নীতিমালা অনুযায়ী চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণ আরোগ্য হওয়া সম্ভব।
ডিমেনশিয়া রোগ অধিক ব্যবহৃত ওষুধ সমূহ নিচে দেওয়া হল। এছাড়া লক্ষণ সমষ্টির উপর ভিত্তি করে আরো মেডিসিন হাসতে পারে।
1.Syphilinum 2. Medo 3. Tubercilinum 4. Aurum Met 5. Cal Phos 6. Kali Brome 7. Argent Met 8. Anacardium ori 9.Acid phos 10.Baryta Carb 11. Nux Moschata 12. Canabis Indica 13. Natrum Mur 14. Acid pic 15. Lachesis 16. Ignatia 17.Coffea Cruda 18. Acid Fluor
কারোর মধ্যে ডিমেনশিয়া প্রতীয়মান হলেও উপরোল্লিখিত ওষুধ সরাসরি সেবন করা যাবেনা। একজন বিশেষজ্ঞ হোমিও চিকিৎসক এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার পরামর্শ রইল। উপরোল্লেখিত ওষুধ সমূহের লক্ষণ জানা থাকলেও এবং নিজের সাথে মিলে গেলে ও চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করা জরুরি কারণ এখানে মাত্রা ও শক্তি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা জানা না থাকলে ওষুধ সেবনে ক্ষতি পরিলক্ষিত হতে পারে।
পূর্ণ হোমিও হল
ডাঃ দ্বীপক কর
ডি এইচ এম এস (ঢাকা)

আপনাদের বিশ্বস্ততায় পূর্ন হোমিও হলের অফলাইন চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলছে অনলাইন চিকিৎসা সেবা। ক্লিনিকে...
02/04/2022

আপনাদের বিশ্বস্ততায় পূর্ন হোমিও হলের অফলাইন চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলছে অনলাইন চিকিৎসা সেবা। ক্লিনিকের বন্ধ সময়ের পরও যখন অনলাইন রোগীদের সেবার কার্যক্রম করতে হয়। সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।

অসারে প্রস্রাব ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা --------১। মূত্রাশয়ের দুর্বলতা। ধারন শক্তি থাকে না। বৃদ্ধ নারী পুরুষের ক্ষেত্রে বি...
01/04/2022

অসারে প্রস্রাব ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা --------
১। মূত্রাশয়ের দুর্বলতা। ধারন শক্তি থাকে না। বৃদ্ধ নারী পুরুষের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রযোজ্য- ইকুইসেটাম হাইমেল।
২। অবিরত প্রস্রাবের ইচ্ছা। পেশির দুর্বলতার জন্য হাঁচি, কাশির সঙ্গে প্রস্রাব বের হয়ে পড়ে- ক্যালকেরিয়া ফস।
৩। মূত্রাশয়ের দুর্বলতার জন্য অজ্ঞাতসারে এবং হাঁচি কাশির সময় প্রস্রাব বের হয়ে পড়ে- জেলসিমিয়াম, জিঙ্কাম, পালসেটিলা, স্কুইলা ও ক্যালি কার্ব।
৪। মূত্রাশয়ের দুর্বলতার জন্য অজ্ঞাতসারে প্রস্রাব। বিশেষ করে বালক ও বৃদ্ধদের পক্ষে - কষ্টিকাম।
৫। বৃদ্ধদের মূত্র ধারনে অক্ষমতা। সর্বদা ফোঁটা ফোঁটা নির্গত হয়- ডামিয়ানা।
৬। যখন তখন প্রস্রাবের বেগ ও প্রচুর প্রস্রাব। রাত্রে অজ্ঞাতসারে নির্গমণ। প্রস্রাব হরিদ্রা বর্ণ, ঝাঁঝালো ও অম্ল গন্ধযুক্ত। প্রস্রাবের সময় জ্বালা- ন্যাট্রাম কার্ব।
৭। মূত্রাশয়ের অনুভুতি লোপ পায়, প্রস্রাব জমা হলেও টের পায় না- ওপিয়াম।
৮। স্ত্রী লোকদের প্রস্রাব ধারণে অক্ষমতা রাত্রে অসাড়ে মূত্রত্যাগ- ফাউসালিস নিম্ন শক্তি।
৯। প্রস্রাবের ইচ্ছা না থাকলেও পুন: পুন: বেগ হতে থাকে। দিনের বেলায় অসাড়ে প্রস্রাব। কাশতে গেলে প্রস্রাব ছিটকে বের হয় -ফেরাম ফস।
১০। গ্রীবা দেশে চুলকানি ও অসাড়ে প্রস্রাব , স্ত্রী লোকদের বেলায়- কোপাইবা।
১১। নিদ্রাবস্থায় অসাড়ে প্রস্রাব-সেনেগা।
১। চিৎ হয়ে শুলে প্রস্রাবের বেগ, কাত হলে হয় না- পালসেটিলা।
১৩। অসাড়ে প্রস্রাব ও ভীষণ দুর্বলতা। কোমর বেদনা ও প্রবল পিপাসা। রাক্ষুসে ক্ষুধা বা ক্ষুধা হীনতা- রাস এরোমেটিক। মূল আরক বেশি মাত্রায়।
১৪। যেন সব সময় প্রস্রাব জমা হয়ে রয়েছে। বেগ ধারণ করতে পারে না। বেড়াবার সময় অসাড়ে নি:সরণ- রুটা।
১৫। বেদনা ও জ্বালা সহ অসাড়ে নি:সরণ। কোন কোন সময় প্রস্রাব রক্ত মিশ্রিত- আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম।
১৬। আঘাতের পর রক্ত প্রস্রাব। প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায় বা অসাড়ে হতে থাকে- আর্নিকা।
১৭। বাহ্য প্রস্রাবের পরে বা হাঁটার সময় প্রস্রাব পড়তে থাকে- সেলিনিয়াম।
১৮। প্রস্রাবের তীব্র বেগ বিলম্ব করতে পারে না- ল্যাথাইরাস।
১৯। প্রস্রাব প্রচুর ও পুন: পুন:। চলবার সময় এবং কাশির সময় প্রস্রাব নির্গমন। রোগী লবন বেশি খায়- ন্যাট্রাম মিউর।
২০। অসাড়ে প্রস্রাব। পুন: পুন: প্রস্রাব। বিশেষত রাত্রে- সালফার।
২১। বসে থাকা কালে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব- সার্সাপেরিল্লা।
২২। প্রস্রাব করার কথা মনে হলেই প্রস্রাব করতে হয় - এসিড অক্সালিক, অক্সোট্রপিস।
২৩। প্রবহমান পানি দেখলে বা পানির শব্দ শুনে প্রস্রাবের বেগ- ক্যান্থারিস, লাইসিন,সালফার।
২৪। হঠাৎ প্রস্রাবের বেগ হয়েই প্রস্রাব নির্গত হয়। তাই কাপড় অপবিত্র হয়ে যায়- Kreosote.
২৫। বৃদ্ধদের প্রস্রাবে বসার আগেই প্রস্রাব ঝরে পড়ে- Turners ৩০/২০০.
২৬। মূত্র প্রায়ই লালচে হয়, বেগ ধারনে অক্ষম, জ্বালা যন্ত্রনাযুক্ত প্রস্রাব-Lycopo
dium.
২৭। গর্ভাবস্থায় প্রস্রাবের বেগ ধারনে অক্ষমতায় বসার পূর্বেই প্রস্রাব ঝরে পড়ে- Equisetum.
২৮। বৃদ্ধদের বার বার প্রস্রাব ত্যাগের ইচ্ছা- Causticum.
২৯। প্রস্রাব পুরু,ঘোলাটে, শ্লেষ্মা যুক্ত, মূত্রশয় স্বল্প মূত্রও ধরে রাখতে পারে না, তাই নিরন্তন প্রস্রাব বেগ হয়- Anatherum Q.
৩০। প্রস্রাব করার পরও খানিকটা প্রস্রব বেগ ছাড়াই আপনা আপনি হয়- Silicea 30x.
৩১। রক্তহীন শিশু অজান্তে প্রস্রাব করে ফেলে Ferrum phos.
৩২। শিশু শয্যায় এবং দিনের বেলায়ও চলতে ফিরতে কাপড়ে প্রস্রাব করে ফেলে- Ferrum Mur.
৩৩। শিশু যতক্ষন খেলতে থাকে ততক্ষন ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব হয়- Ferrum Met.
৩৪। মূত্র থলির পক্ষাঘাত দরুন প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা, তাই ঘন ঘন অধিক প্রস্রাব- Kali phos.
৩৫। অনিচ্ছায় মূত্র ত্যাগ করে ফেলে, পুন: পুন: অল্প অল্প মূত্র নির্গত হতে থাকে, মূত্রে সর ভাসে- Psorinum.
৩৬। অত্যন্ত কড়া গন্ধ যুক্ত হলুদ রঙের প্রস্রাব অনবরত হয়- Absinthium 6.
৩৭। মূত্র কৃচ্ছতা সহ অবিরত মূত্রবেগ- Cantharis.
৩৮। দিন রাত অসাড়ে প্রস্রাব, এতে জ্বালা এবং শেষ ফোঁটা থেকে গেল বোধ- Argent nit.
৩৯। বৃদ্ধ বয়সে অনবরত ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব নির্গমন- Gelsemium 30.
৪০। হাসতে, কাশতে, চলতে প্রস্রাব হয়ে যায়, প্রস্রাব করার বাসনা হলে বেগ সামলানো যায় না-Causticum, Natrum Mur, Anatherum Q.

বি: দ্র: চিকিৎসের ব্যবস্থা পত্র ছাড়া নিজে নিজে ঔষধ কিনে খাবেন না। কেননা অর্গানন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে নিজে নিজে ঔষধ সেবনে কখনও আরোগ্য সম্ভব নয়। সুতরাং অভিজ্ঞ ভালো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের তত্তাবধানে চিকিৎসা গ্রহন করুন।

Address

Bangladesh
Dhaka

Telephone

+8801748967216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Purna Homeo Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Purna Homeo Hall:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category